ক্রিকেটরঙ্গ

ক্রিকেটরঙ্গ নিয়ে কি ভাবছো?
জোকস

ফিটকিরি: একটি জোকস পোস্ট করেছে

আজকে পাকিস্তানিরা পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলছে (শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)
*ক্রিকেটরঙ্গ*
ছবি

ফাহিম মাশরুর: ফটো পোস্ট করেছে

একটু মজা !

সোর্স : আনন্দবাজার

*ক্রিকেটরঙ্গ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দুর্দান্ত,অবিশ্বাস্য,শ্বাসরুদ্ধকর,নাটকীয়,তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ,ঐতিহাসিক এই শব্দগুলো যেন ক্রিকেটের সাথেই বেশ খাপ খায়।আর সাকিব আল হাসানের খাপ খায় তিন ফরম্যাটেই বিশ্বসেরা নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডারের নাম।কুরবানি ঈদ উপলক্ষে হাটগুলো যেমন জমজমাট,ঈদের আমেজ বইছে সবখানে অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট জমজমাট একটা ম্যাচ উপহার দিয়ে পুরো জমিয়ে দিয়েছে।অগ্রিম ঈদ মোবারকের শুভেচ্ছা ছাপিয়ে ঈদের আনন্দের ন্যায় বন্যা বইয়ে দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়াকে ২০রানে হারিয়ে অভূতপূর্ব জয়ের এক তকমা লাগানো এক ঐতিহাসিক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।ম্যাচটা শুরু থেকেই জমে উঠছিল সাথে জমে উঠছিল ক্রিকেট প্রেমীদের প্রেডিকশন।প্রথম দিনেই সাকিবের বিশ্ব কাঁপানো রেকর্ড!টেস্টখেলোড়ে সবদলের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট জায়গা করে নিয়ে ৪ নাম্বরে সাকিবের অবস্থান।ম্যাচের শুরুতেই জানান দিচ্ছিল এটা সাকিবময় টেস্ট,সাকিবের দিন।দলের ধাক্কা সামলিয়ে ৮৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস।তামিমের সাথে ১৫৫ রানের পার্টনারশিপে দলকে সামাল দিয়ে মোটামুটি প্রথম ইনিংসে একটা ভালো স্কোরে দাড় করা।২৬০ রান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মোটামুটি বলা হলেও সাকিব,মিরাজের ঘূর্ণি জাদুতে ক্যাঙ্গারুদের পুরো নাজেহাল,বিধ্বস্ত,নাকানিচুবানি খাইয়ে ২১৭ রানে প্যাকেট।বাংলাদেশ ৪৩ রানের লিড নিয়ে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও হুঁচট!
তৃতীয় দিনে ৮উইকেট হাতে কিছুটা স্বস্তি থাকায় ম্যাচের লাগাম এবং শক্ত অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। কি হবে?কে জানে?এমন এক হাইহুতাশ পরিস্থিতিতে দাড়িয়ে তেমন একটা সুবিধা করতে পারলো না মুসফিকের দল।প্রথম ইনিংসের তুলনায় দ্বিতীয় ইনিংসে আরো কম ২২১রান ফলশ্রুতিতে স্মিথের দলের টার্গেট দাড়ায় ২৬৫।অস্ট্রেলিয়াকে ধামারধাম ২ উইকেট খোইয়ে দেয়ার পরেও জয়ের আশায় গুড়ে-বালি দিল ওয়ার্নার-স্মিথের ব্যাটের জ্বলকানি।চতুর্থ দিনে সবমিলিয়ে ক্যাঙ্গারুদের প্রয়োজন হয় মাত্র ১৫৬ রান ৮ উইকেট থাকা সত্ত্বেও।জয় কিংবা ড্র এর আশায় তিক্ততা জমে যায় মুসফিকদের দলে।
সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দুর্দান্ত,অবিশ্বাস্য,শ্বাসরুদ্ধকর,নাটকীয়,তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ,ঐতিহাসিক শব্দগুলো যোগ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।টেস্টে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-কারী,তকমা-কারী,ঐতিহাসিক ম্যাচ বলা যায় এটি।দ্বিতীয় ইনিংসে আবারো ৫ উইকেট শিকারে একেবারে বিধ্বস্ত ভেঙে-চূরে দিয়েছে সাকিব,হ্যাঁ বিশ্বসেরা নাম্বার ওয়ান সাকিব আল হাসান!ম্যাচ জয়ের নায়ক তো ম্যাচ সেরা হবেই।পুরস্কার নিতে গিয়ে সাকিব আল হাসান একটা ঘটনা শেয়ার করে বলে,আমার বউ আমাকে বলেছিল "একমাত্র তুমিই ম্যাচটা জিতাতে পারো" আর হয়েছেও তাই!তিন মোড়লের একটা অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে ভেঙে-চূড়ে, বিধ্বস্ত করে দিয়ে দুর্দান্ত জয়ে ঈদের আগেই যেন আরেক দফা ঈদ বইছে বাংলাদেশে।ঈদ মোবারক!!!!!

পুনশ্চ: #লাগ_ভেলকি_লাগ_পাঁচে_পাঁচ=>

=>সাকিব আল হাসেনের প্রথম ইনিংসে পাঁচ!দ্বিতীয় ইনিংসেও উইকেট শিকার পাঁচ!!
=>৫বারের মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম আইক্কালা বাঁশ!
=>অস্ট্রেলিয়া নামের পাশে র্যাঙ্কিং পাঁচ!

*ঈদ* *বাংলাদেশ* *ক্রিকেটরঙ্গ* *অস্ট্রেলিয়া* *টেষ্ট* *আনন্দ* *খেলাযোগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিন বদলিয়েছে, আম্রা আর ছোট দল নেই। সেটা বুঝা যায় খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সের সাথে সাথে তাদের কথা বার্তায় ও তাদের শারিরীক ভাষায়। এখন সময় হয়েছে আমাদের দর্শকদেরও ম্যাচিউর হওয়ার, প্রফেশনাল হওয়ার। সময় হয়েছে সব ঘটনা প্র্যাক্টিকালি চিন্তা করার। বিশেষ করে বহির্বিশ্ব থেকে কোন খেলোয়াড়, দর্শক কিংবা সাংবাদিক আমাদের টাইগারদের নিয়ে কোন মন্তব্য করলে সেটা প্রথমে ওক্ত বক্তার অবস্থান থেকে বিচার করে দেখতে হবে, তাহলেই সমস্ত ঘটনা/দুর্ঘটনা মেনে নিতে খুব সহজ হবে।

এটা ভাল করে বুঝতে হবে যে, আমাদের বর্তমান পারফরমেন্স যতই ভাল হোক, আমাদের যতই জয় আসুক, কিন্তু আমাদের ক্রিকেটের শিকড় ততটা গভিরে নয় যতটা পাকিস্তানের, যতটা ভারতের। ভারত পাকিস্তানের ক্রিকেটের ডেপ্থের মত ডেপ্থ আমাদের এখনো হয় নি। আম্রা আজ যা অর্জন করছি তা ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান অর্জন করে আসছে অনেক আগেই। এবং এটাই বাস্তবতা। এবং এতে আমাদের কোন লজ্জা বা কমতি নেই, কারণ আম্রা খেলা শুরু করেছি অনেক পরে।

আমাদের বাংলাদেশের জন্মের অনেক অনেক আগে থেকেই এই পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়ে আসছে। কাজেই যারা আমাদের চেয়ে অনেক অনেক সিনিয়র তাদের প্রতি কিছুটা সম্মান দেখানো আমাদের অবশ্যই কর্তব্য।

আমাদের দর্শকদের এক্টি বড় সমস্যা হলো আম্রা ক্রিকেট নিয়ে তর্ক শুরু করে তারাতারী তর্কটা অন্যদিকে ডাইভার্ট করে দেই। শুরু করে দেই গালাগাল। এতে ফলাফল কিন্তু আমাদের বিপক্ষেই যায়, নিজেদের নির্বুদ্ধিতার কারণে আমরা আমাদের প্রিয় ক্রিকেটারদের হেয় করি, নিজেদের অসভ্য হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করি।

অথচ আমাদের সামনে কত সুন্দর এক্টি স্টেজ প্রস্তুত হয়ে আছে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার, নিজেদের সভ্যতা, নিজেদের ভদ্রতা, নিজেদের কালচার, নিজেদের হিউমার দিয়ে পৃথিবীবাসিকে আকৃষ্ট করার।

ক্রিকেটের এই মাহেন্দ্রক্ষনে এসে আমরা আনন্দে ভাসবো, অন্যদেশের ফেসবুক পেইজে গিয়ে সুন্দর সুন্দর ট্রল করে আসবো, তারা আমাদের টিমকে ট্রল করলে কিউট পন্থায় প্রটেক্ট করে আসবো এটাই হলো আন্তর্জাতিক ইভেন্টের মজা ও সৌন্দর্য।
আর এমনটা করতে পারলে ক্রিকেটিয় এই সুন্দরক্ষন আরো মধুময় হবে, হবে আরো বেশি ফলপ্রসূ।

আসুন সবাই ক্রিকেটিয় এই মধুক্ষণ ইনজয় করি, নিজেরে লেখনি ও ট্রল দিয়ে প্রতিবেশি/ভিনদেশিদের সাথে শত্রুতা না বাড়িয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলার চেষ্টা করি।

*ক্রিকেট* *ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ* *টাইগার* *সমর্থক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

৫ অক্টোবর ১৯৮৩, নড়াইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন ১৬ কোটি মানুষের প্রিয় মাশরাফি। ছোটবেলা থেকে মাশরাফি ছিলেন দুরন্ত। বাবা মায়ের আদর করে তাকে ডাকেন কৌশিক।

লেখাপড়া ভালোভাবে মনোযোগ না দিয়ে বাবা গোলাম মর্তুজার বাধা ডিঙিয়ে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন নিয়ে পড়ে থাকতেন। পাশাপাশি বাড়ির পাশে চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটাই ছিলো তার আসল কাজ।

বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করা, নারিকেল গাছে উঠে ডাব খাওয়া, নড়াইলের ফেরিঘাটে গিয়ে আড্ডা মারা ছিলো তার অন্যতম কাজ। এখনও সময় পেলে গ্রামের বাড়ি নড়াইলে গিয়ে বাইক নিয়ে চিত্রা ব্রিজের উপর আড্ডা দিয়ে সময় পার করেন মাশরাফি।

বয়স তখন মাত্র ১৮ বছর। ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজ। ডাক পেলেন কৌশিক।একই বছর ২৩শে নভেম্বর ওয়ানডে ক্রিকেটে মাশরাফির অভিষেক হয় ফাহিম মুনতাসির ও তুষার ইমরান এর সাথে।

তবে অনুর্ধ ১৯ দলের হয় খেলার সময় কৌশিকের গতিময় ও আক্রমনাত্বক বোলিংয়ের জন্য নজর কাড়েন তৎকালীন অস্থায়ী কোচ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ফাস্ট বোলার এন্ডি রবার্টসের।

২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ থেকে অধিনায়কের দায়িত্ব কাধেঁ ওঠে ম্যাশের। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, প্রথম ম্যাচেই মারাত্বক ইঞ্জুরীতে পড়েন তিনি। কিন্তু দেড় বছর পর আবার স্বরুপে ফিরে আসার ইঙ্গিত নিয়ে ইউরোপ সফরে যান দলের সাথে। ইংলান্ডকে প্রথম বারের মত বাংলাদেশ পরাজিত করে মাশরাফির অধিনায়কত্বে। কিন্তু এরপর আবার ইঞ্জুরীতে, যার কারনে খেলা হয়নি ঘরের মাঠের ২০১১ বিশ্বকাপেও!

 

 

একদিন মাশরাফি বলেছিলেন ” জীবনে যে টাকা আমি আয় করেছি সে টাকা দিয়ে আমার ছেলেমেয়েরাও পর্যন্ত বসে খেতে পারবে, আমি দেশের জন্য ক্রিকেট খেলি, আমি আরো অনেক দিন ক্রিকেট খেলতে চাই দেশের স্বার্থে “

সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছিলেন “ইশ! আমাদের যদি একটি মাশরাফি থাকতো।

তার দুপায়ের উপর দিয়ে গেছে কয়েকবার অপারেশন টেবিলের ছুরি। এরপরও তাকে কেউ রুখতে পারে নি। অপারেশনের পরও খেলে যাচ্ছেন বাংলাদেশের হয়ে। ইঞ্জুরিতে পড়ে অনেক বড় বড় খেলোয়ার অবসর নিয়েছে। ইঞ্জুরিতে পড়ার পর ব্রেটলি, শেন ভন, এন্ড্রু ফ্লিনটপের মত প্লেয়াররা ক্রিকেটে ফিরতে পারেন নি। কিন্তু মাশরাফি এরকম ইঞ্জুরি নিয়েও খেলে যাচ্ছেন। কারন তিনি মনে করেন বাংলাদেশের জন্য তার এই জীবন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধারা যেমন জীবন দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন ঠিক তেমনি তার জীবন দিয়ে খেলে বাংলাদেশকে জয় এনে দিতে চান।

চোটের সঙ্গে লড়তে লড়তে ক্লান্ত হননি, ভেঙে পড়েননি; সংশপ্তকের মতো উঠে দাঁড়িয়েছেন বারবার। নতুন উদ্যমে ফিরেছেন মাঠে। দেখিয়েছেন সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। হাঁটুর চোটের কারণে নি-ক্যাপ পরে মাঠে নামেন।

 একজন মাশরাফির বিকল্প পাওয়া শুধু কঠিন নয়, প্রায় অসম্ভব। মনে রাখতে হবে, ক্রিকেটকে আজকের অবস্থানে এনেছেন ক্রিকেটাররা-মাশরাফিরা। নিশ্চিত করেই বলা যায়, মাশরাফি ছাড়াও বাংলাদেশের ক্রিকেট এগিয়ে যাবে। এভাবে না হলেও, মাশরাফিকে বিদায় নিতেই হতো। কিন্তু মানসিক কষ্ট বা আঘাত দিয়ে মাশরাফিকে বিদায় করার কোনও অধিকার আপনার নেই মি. পাপন। আপনাকে কেউ মনে রাখবে না, মাশরাফিকে কেউ ভুলবে না- কোনও দিন ভুলবে

*মাশরাফি* *বস* *পাগলা* *ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ* *জাতী* *অভীমান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর যেন তর সইছে না,কেমন জানি অস্থির অস্থির ঠেকছে।বাংলাদেশের খেলা থাকলে হাইহুতাস যেন ক্ষিপ্রবেগে চেপে বসে।কখন ঘড়িতে ৭টা বাজবে।সব কাজ পেছনে ফেলে এক্কেরে টিভি সেটের সামনে।লাইভে যেন লাইফ ফিরে পাই।
প্রথম ওয়ান ডে শ্রীলংকাকে এরকম নাকানিচুবানি দেয়া,রানের চাপায় পিষে ফেলার পর প্রত্যাশাটা আরও বেগবান হচ্ছিল। দ্বিতীয়টিতে তাসকিনের হ্যাট্রিক উল্লাসিত করলেও...উল্লাসটা দীর্ঘস্থায়ী না হয়ে বৃষ্টির কারণে ক্ষণস্থায়ী হয়ে গিয়েছিল এবং সর্বশেষ তৃতীয় ওয়ানডেতে প্রত্যাশার শিকড় আর দীর্ঘ হলো না বড্ড তাড়াহুড়ার ফলস্রুতুতে ।
কি এমন রান ছিল যে এতো তাড়াহুড়া।সত্যিই বাঙালী জাতির ধৈর্য বড়ই কম।মারো ঠেলা হেইও-ওও টাইপের।তামিমের তড়িঘড়ি আউট হওয়ার পর সাব্বিরের বাইরে থেকে বিপদ ঘরে টেনে আনা... মুশফিক পড়ে এলবিডাব্লিউ এর ফাঁদে।১১ রানে নেই ৩ উইকেট।তাড়াহুড়ার তড়িৎ গতিতে উইকেটের পতন।অন্যসব ম্যাচে থেকে সৌম্যকে দেখেছিলাম একটু ভিন্ন ধাঁচে আর সাকিব তো সাকিবই...!!!দুজনের ৭৭ রানের পার্টনার শিপ জয়ের আশা জাগিয়ে রেখেছিল ঠিকই।আশায় ঘুরে-বালি... তাড়াহুড়ার বেড়াজাল থেকে বেরুতে পারলো না সৌম্য,সাকিবও।ইহা তো টি২০ নারে...পাগলা ওডিআই ম্যাচ।ওডিআই মেজাজেই খেলতে হয়।আশা ভরসার পরিসীমা আর কতই বা থাকে... শেষে মাহমুদউল্লাহ উচ্ছন্নে যাওয়ার পর,উচ্ছন্নে গেলো পুরো ম্যাচটা।তরুণ মিরাজে,তলোয়ারের ধার দেখলেও,শেষে আর কতই বা টেনে নেয়া যায়। মাশরাফি আর তাসকিনের হালকা মেজাজ...তারপর মেজাজ বিঘ্রে গেলো...হাতছাড়া হলো সিরিজ জয়...যে বাঙালীরা ভাগ দিতে নারাজ সেখানে ভাগ বসালো শ্রীলংকা।
কিছুটা তো বিঘ্রে আছেও সেই ফলস্রুত দেখতে চাই আজ টি২০ ম্যাচে!!!!! বড্ড তাড়াহুড়ো ম্যাচ।ব্যাটিং,বোলিং,ফিল্ডিং তিন ফরমেটেই তড়িৎ গতিতে তীর্যকদৃষ্টিউপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করা টি২০ র ধর্ম।বড্ড তাড়াহুড়ার ম্যাচ তাড়াহুড়া ভাবে জ্বলে উঠতে হয়।"যে খানে যা লাগে...তাই দেয়ার মতো"।দেখাতে হয় তাড়াহুড়া ভাবে উইকেট বাঁচিয়ে তাড়াহুড়া ব্যাটিংয়ে তড়িঘড়ি রান তুলা।বিপক্ষে টিমকে তাড়াহুড়ার তাড়নায় ফেলে তড়িঘড়ি করে উইকেট উপরে ফেলা অথবা তড়িঘড়ি করে উইকেট ফেলে রানের খরায় ফেলা।
তাড়াহুড়া করে বলতে চাই...উরাদূরা খেলে তাড়াহুড়া ভাবে জিতে... হাইহুতাসের বাতাস তাড়িয়ে... তড়িৎ গতিতে আমরাই জিতবো।

*বাংলাদেশ* *ক্রিকেট* *ক্রিকেটরঙ্গ* *টি২০* *শ্রীলংকা*

খুশি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

নাসিরকে যে কারণে দলে রাখা হয়নি(শয়তানিহাসি)
নিউজিল্যান্ড এ অনেক শীত তাই শীতের মইধ্যে পানি টানাটানি তেমন করতে হয় না তাই নাসির কে ২২ জন এর স্কায়াডে রাখা হয়নি । - পপকন মামা ( BCB r Criminal)
এছাড়া ও শীতের মধ্যে নাসিরের শাশকস্ট হয়ে হাপানি হওয়ার পসিবিলিটি বেশি , ৮০ টা গার্লফ্রেন্ড এর কি হবে??? এই বিবেচনায় নাসির কে রাখা হয় নি - পপকন মামা
*ক্রিকেটরঙ্গ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

(গুরু)(গুরু)(গুরু)ধন্যবাদ আবার আসবেন(গুরু)(গুরু)(গুরু)

স্যালুট আপনাদের বাংলাদেশে আসার জন্য

*বেশম্ভব* *ফটোরঙ্গ* *ক্রিকেটফান* *ক্রিকেটরঙ্গ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ক্রিকেটাররা কে কেমন(শয়তানিহাসি)

(চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি)

*বেশম্ভব* *ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ-না-ইংল্যান্ড*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)(হাসি-৩)
আইপিএলে মুস্তাফিজ সাহেব প্রথম ওভার বল করতে এসেই উইকেট পেলেন, তা দেখে এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক হাতে তালি দিয়ে বললেন: এবার তাহলে বিশ্বকাপ আমরাই জিতব!! ভদ্রলোকের এই আনন্দ দেখে পারিনা আমি কেঁদে ফেলি, একবার ভেবেছিলাম বলব, দাদাজান এটা আইপিএল। না না এটা বলা উচিৎ হবেনা ভদ্রলোকের আনন্দটা এভাবে থামানোর কোন অধিকার আমার নেই।
*ক্রিকেটরঙ্গ*

সাদাত সাদ: [টি২০-চারছক্কাহইচই] বাংলার মানুষ আইপিএল দেখেনা বাংলার মানুষ দেখে মুস্তাফিজের বোলিং বাংলার মানুষ আইপিএলে কে হারলো কে জিতল সেটা দেখেনা (ভাগোওওও)(চুম্মা)(ভয়পাইসি) বাংলার মানুষ দেখে মুস্তাফিজ কত উইকেট পেল :D

*মুস্তাফিজ* *ক্রিকেট* *ক্রিকেটরঙ্গ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

আজ ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সেমি ফাইনাল খেলা

সেখানে আগের ম্যাচের হিরো ভিরাট কোহলির প্রশংসায় সারা বিশ্ব । প্রেস কনফারেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি কে প্রশ্ন করা হয় । - ভিরাট কোহলি কে নিয়ে আপনার পরিকল্পনা টা কি ? - ড্যারেন স্যামি- আমরা শিখর ধাওয়ান ও রহিত শার্মার উইকেট টি নিবো না (হাসি) মানে ভিরাট যেন পিচে আসতে না পারে grin emoticon তাকে থামানো খুব কঠিন ।। - এক প্রকার সাংবাদিকদের সাথে মজা করেই উত্তর টি দিলেন স্যামি । ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা আসলেও অনেক মজার মানুষ । তারা আপনাকে আনন্দ দিবেই, আগের ম্যাচে ক্রিস গেইল ও সেটা দেখাল ।

*ক্রিকেটরঙ্গ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


অবশেষে বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল, গত তেইশে মার্চ অনুষ্ঠিত টি টুয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের খেলায় ভারত বনাম বাংলাদেশের মধ্যকার ম্যাচ নিয়ে এখনো দর্শক কিংবা সমার্থকদের মাঝে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই।

নাটকীয় শোচনীয় পরাজয় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না ক্রিকেট ভক্তরা যদিও অনেকেই গুজবের ভরে বলে উঠছেন শেষ ওভার কিংবা শেষ তিন বলে ম্যাচ ফিক্সিং হয়েছে. তবে আমার মনে হয় এমন কথা শুধুমাত্র নিছক কল্পনায় এর কোন ভিক্তি নেই।

মুশফিকুর রহিম কিংবা রিয়াদ ধৈর্য ধরে খেললে অবশ্যই ম্যাচ বের করে আনতে পারতেন।

যাহোক মুল আলোচনায় আসা যাক,বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার খেলা নিয়ে খেলাধূলা বিষয়ক চ্যানেল ইএসপিএন এ কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল,অন্যান্য সাবেক ক্রিকেটাররা যখনই ম্যাচ ফিক্সিয়ের জন্য অধিকতর তদন্তের কথা বলছেন তখন ইয়ান চ্যাপেল বলছেন অন্য কথা, ইয়ানের মতে ম্যাচ ফিক্সিয়ের কোন সম্ভাবনা নেই বরং বাংলাদেশ হেরেছে আম্পায়ারদের ভুলের কারণে।

ইয়ান বলেন সাব্বির যে বলে আউট ছিলো সেটা ওয়াইড বল ছিলো কিন্তু সেই বলের রান যোগ করা হয়নি,স্কোরবোর্ডে এই বলটি অতিরিক্ত হিসেবে যোগ করা হয়েছ কিন্তু রান যোগ হয়নি.ইয়ান আরো বলেন এটা দৃশ্যমান ভুল,অদৃশ্য ভুলের জন্য আম্পায়ারদের কোন শাস্তি পেতে হয় না কিন্তু দৃশ্যমান ভুলের জন্য অবশ্যই আইসিসির ২২/৪ ধারায় শাস্তির ব্যাবস্থা আছে।

বিষয়টি নিয়ে কতৃপক্ষ যথাযথ নিয়মে আইসিসির কাছে আবেদন করলে অবশ্যই আম্পায়ার তিন জন নিষিদ্ধ হবেন সব ধরনের খেলা থেকে। কারন এটা ছিলো বড় ম্যাচ এখানে এই ধরনের দৃশ্যমান ভুল করার কোন অধিকার নেই ম্যাচ পরিচালনাকারীদের।

শুধু ইয়ান চ্যাপেল নয় অনেক খেলোয়াড় এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য এত বড় একটা ভুল হয়ে গেলো, তবুও কেন মিডিয়াতে জোর আলোচনা হলোনা, ইয়ানের কথার সুত্র ধরেই বিদেশী অনেক মিডিয়া আবারো এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছেন।

বিষয়টি অতি সুক্ষ্ম তাই অতিদ্রুত এই বিষয়ে আইসিসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হোক,মামলা করলেই শাসন স্বরূপ নিষিদ্ধ হবেন তিন আম্পায়ার।

বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার খেলার স্কোরবোর্ড আপনারা আরো একবার দেখুন তাহলে অতিসহজেই বিষয়টি পরিষ্কার অনুধাবন করতে পারবেন।

লিঙ্কঃ http://www.espncricinfo.com/icc-world-twenty20-2016/engine/match/951353.html

এই লিঙ্কে গিয়ে দেখে নিন ভারতের বোলারদের দেওয়া রান ১৪১+৫=১৪৬। রান ভারত-১৪৬ রান। সুপার ওভারের জন্যে আমাদের মুস্তাফিজতো ছিলোই।

*ক্রিকেট* *বাংলাদেশ* *ভারত* *ক্রিকেটরঙ্গ*
*বাংলাদেশ* *ভারত* *ক্রিকেটরঙ্গ*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

এই নাসির তোর গার্লফ্রেন্ড না ৭৯ টি ছিল? আর একটা কই পাইলি(প্রশ্ন)

ক্রেডিট: এতো আবেগ ক্যারে?

*ফটোরঙ্গ* *ক্রিকেটরঙ্গ*
খবর

আমানুল্লাহ সরকার: একটি খবর জানাচ্ছে

তাসকিনের বোলিং নিষিদ্ধ করার আরও যেসব কারণ দেখাতে পারত আইসিসি
http://www.prothom-alo.com/roshalo/article/811999/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87
* তাসকিন এখন উপমহাদেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলারদের একজন। তাঁর বলের গতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারের কাছাকাছিও পৌঁছেছিল। এদিকে ক্রিকেট বলের আঘাতে ব্যাটসম্যান আহত কিংবা নিহত হওয়ার মতো দুর্ঘটনাও আমাদের চোখের সামনে ঘটেছে। যদি তাসকিনের দ্রুতগতির বল লেগে কোনো অঘটন ঘটে তাহলে তো মহামুশকিল! তাই... ...বিস্তারিত
*ক্রিকেটরঙ্গ*
১৬৩ বার দেখা হয়েছে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাল ২০১৯।
ভারত-বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ডকাপ ম্যাচ চলছে। সেমিফাইনাল।

বাংলাদেশ ব্যাটিং। ক্রিজে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
অশ্বিন বল করলো।
বল রিয়াদের প্যাড, ব্যাট বা স্ট্যাম্প কোনোটাই স্পর্শ না করে উইকেট কিপারের হাতে।
আউটের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে ইন্ডিয়া রিভিউ করলো।

থার্ড আম্পায়ার স্নিকোমিটার, ব্যারোমিটার দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আউট দিয়ে দিল। যদিও স্নিকোমিটারে দেখাচ্ছে বল ব্যাট কিংবা স্ট্যাম্প কোনোটাই স্পর্শ করে নাই।

ইন্ডিয়ার উল্লাস।

রিয়াদ আম্পায়ারদের কাছে জানতে চাইলো সে আসলে কি ধরনের আউট হয়েছে।

আম্পায়ার- বোল্ড আউট।

রিয়াদ- কিন্তু বল স্ট্যাম্পে লাগে নাই, আর বেলও তো পড়ে নাই।

আম্পায়ার- সেটা ঠিক যে উইকেট ভাঙে নাই।
তবে থার্ড আম্পায়ার ব্যারোমিটার (বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র) দিয়ে -নিরীক্ষা করে দেখেছে যে, স্ট্যাম্পে বাতাস লেগেছে এবং বাতাসের চাপ অনেক বেশি ছিল। গ্রাউন্ডস্ম্যানরা অনেক শক্ত করে স্ট্যাম্প পোঁতায় উইকেট ভাঙেনি।
বেনিফিট অফ ডাউটে তুমি আউট।


রিয়াদ- এ ধরনের কোনো আউটের কথা আইসিসির নিয়ম কানুনের কোথাও লেখা নাই।

আম্পায়ার- লেখা নাই, এখন লেখা হবে। তাড়াতাড়ি মাঠ ছাড়ো, না হলে জরিমানাসহ আজীবন নিষিদ্ধ করা হবে আম্পায়ারদের সাথে তর্ক করায়।

রিয়াদ- এটা অন্যায়।

আম্পায়ার- তো কি হইসে?? :D

(রিয়াদের প্রস্থান...)

স্যাড বাট ট্রু...ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থা এর থেকেও খারাপ।

*ক্রিকেট* *বাংলাদেশ* *ভারত* *ক্রিকেটরঙ্গ* *মাহমুদুল্লাহ*
*বাংলাদেশ* *ভারত* *ক্রিকেটরঙ্গ* *মাহমুদুল্লাহ*

আমানুল্লাহ সরকার: (চিন্তাকরি) বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আগে বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে নতুন মওকা ভিডিও বানালো ভারতের সমর্থক। ভারতের কান্ড দেখে লজ্জা মরে যাই(বমি)(বমি) https://www.youtube.com/watch?v=8sQ8CdR7lig

*মওকা* *ক্রিকেটরঙ্গ*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ব্রেকিং নিউজ : মোঃ সামী, ব্যান কারন : বোলিং এর সময় হাত ১৫.৫ ডিগ্রী বাকা আরো একটা ব্রেকিং নিউজ পুরা নিউজিল্যান্ড টিমও ব্যান হওয়ার সম্ভাবনা আছে কারন : সব কারন জানা লাগবে নাকি? আজব তো আরেক টা ভারি ব্রেকিং নিউজ আজ ভারত না জিতলে আগামী কাল আই ছি ছি ই ব্যান কারন : ক্রিকেট আমার (ভারতের) বাপের সম্পত্তি copied - Kaku
*ক্রিকেটরঙ্গ* *জোকস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★