ক্রিসমাস

ক্রিসমাস নিয়ে কি ভাবছো?

মো:আ:মোতালিব: *ক্রিসমাস* আজ শুভ বড়দিন,খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের দিন,এই দিনে খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন,বেশতো পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা..................

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারা বিশ্বে, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ঐতিহ্যগত পার্থক্যের পরিপ্রেক্ষিতে বড়দিন উৎসব উদযাপনের রূপটিও ভিন্ন হয়ে থাকে। যে সকল দেশে খ্রিষ্টান সংস্কার প্রবল, সেখানে দেশজ আঞ্চলিক ও লোকসংস্কৃতির সঙ্গে মিলনের ফলে বড়দিন উদযাপনে নানা বৈচিত্র্য চোখে পড়ে। বড়দিন উপলক্ষ্যে বিশেষ ধরনের সাজসজ্জার ইতিহাসটি অতি প্রাচীন। প্রাক-খ্রিষ্টীয় যুগে, রোমান সাম্রাজ্যের অধিবাসী শীতকালে চিরহরিৎ বৃক্ষের শাখাপ্রশাখা বাড়ির ভিতরে এনে সাজাত। খ্রিষ্টানরা এই জাতীয় প্রথাগুলিকে তাদের সৃজ্যমান রীতিনীতির মধ্যে স্থান দেয়। 
 
বড়দিন পালনের মূলভাব আর প্রথাগুলো ঠিক রেখে সময়ের সাথে দেশে দেশে বড়দিনের উদযাপনে যুক্ত হয়েছে তাদের নিজেদেরও বিভিন্ন আকর্ষণীয় আর মজার প্রথা।

নরওয়ে : ক্রিসমাস ইভে নরওয়েতে কোনো ঝাড়া-মোছা করা হয়না। সব ঝাড়ু নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যাতে কোনো ডাইনী বা দুষ্ট প্রেতাত্মা তা চুরি করে নিয়ে যেতে না পারে।


জাপান: ১৯৭৪ সালে করা এক ক্যাম্পেইনের পর থেকে ক্রিসমাস ইভেতে কেএফসিতে খাওয়া জাপানি পরিবারগুলোর মাঝে এক ধরণের প্রথাতেই পরিণত হয়েছে। তাছাড়া এদিন জাপানিরা তার প্রিয়জনদের গ্রিটিংস কার্ড পাঠিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।তবে কার্ডটির রঙ হতে হয় সাদা।


জার্মানি: জার্মানরা ক্রিসমাস ইভে ক্রিসমাসট্রিতে আচার লুকিয়ে রাখে। পরদিন সকালে যে বাচ্চা সবার আগে সেটা খুঁজে পায় তার জন্য থাকে বিশেষ উপহার।


নিউজিল্যান্ড: নিউজিল্যান্ডে ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে ঐতিহ্যবাহী কনিফার গাছের পরিবর্তে পহুটুকাওয়া গাছকে সাজানো হয়।


পর্তুগাল: প্রতি ক্রিসমাসের সকালে বিশেষ প্রাতঃভোজের আয়োজন করা পর্তুগালের অন্যতম ঐতিহ্য। বিশেষ এ ঐতিহ্যবাহী ভোজের নাম কনসোডা।নিজেদের সে সকল প্রিয়জন যারা আর তাদের মাঝে নেই তাদের এসময় স্মরণ করাই এ ভোজের রীতি।


ইউক্রেন: ইউক্রেনে ক্রিসমাস ট্রি সাজানোর প্রথাগত সামগ্রী ও খেলনার পরিবর্তে কৃত্রিম মাকড়সা ও মাকড়সার জাল দিয়ে সাজানো হয় ক্রিসমাস ট্রি।


সুইডেন: সুইডিশ ট্র্যাডিশন অনুযায়ী উৎসবের অন্যতম সংযোজন হল রাইস পুডিং। পুডিংয়ের মাঝে একটি খোসা ছাড়ানো almond রাখা হয়। ধরে নেয়া হয়, যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম বাদামটি খুঁজে পাবে তার আগামী এক বছরের মধ্যে বিয়ে হয়ে যাবে। তাছাড়া ক্রিসমাস ইভে খড় দিয়ে বানানো ছাগলের প্রতিকৃতি আগুনে পোড়ানোও সুইডেনে ক্রিসমাস উদযাপনের একটি বিশেষ ঐতিহ্য।

গ্রেট ব্রিটেন: ব্রিটেনে বহুবছরের পুরনো এক অদ্ভুত প্রথা আছে। এ প্রথা অনুযায়ী পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে ক্রিসমাসের বিশেষ ডেজার্ট- ক্রিসমাস পুডিংটি বেইক করার আগে তার মিশ্রণটি ক্লকওয়াইজ নাড়াতে হয় আর কোনো উইশ করতে হয়।

ভারত: পাইন গাছের অপ্রতুলতার কারণে ভারতীয়রা ক্রিসমাস ট্রি সাজায় আমগাছ বা কলাগাছ দিয়ে। আবার দক্ষিণ ভারতে, তামিলনাড়ু কেরালা- কর্ণাটক- অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষেরা এই দিন ঘরের ছাদে ছোট ছোট মাটির প্রদীপ জ্বালায়।


ইতালি: ইতালিতে স্যান্টাক্লসের পরিবর্তে শিশুরা অপেক্ষা করে বিফানা নামের এক বন্ধুসুলভ ডাইনীর। যে কিনা ৫ জানুয়ারিতে শিশুদের খেলনা আর মিষ্টি উপহার দেয়।

ইথিওপিয়া: ইথিওপিয়ায় ক্রিসমাস পালিত হয় জানুয়ারির ৭ তারিখ।এ দিন সবাই সাদা কাপড় পরে আর ইথিওপিয়ান পুরুষরা ganna নামের একটি খেলা খেলে থাকে।এটি একটি দ্রুত গতির খেলা যা লাঠি আর কাঠের বল দিয়ে খেলা হয়।

কিউবা: কিউবাতে ক্রিসমাস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় parrandas festival এর। এর আয়োজক শহর থাকে রেমেডিওস।ক্রিসমাস ইভ উপলক্ষে এশহরকে দু’ভাগে ভাগ করে প্রত্যেকটা বিল্ডিংকে বিভিন্ন থিম অনুযায়ী আলো দিয়ে সাজানো হয় স্কাল্পচারের মত করে।

বাভেরিয়া: উৎসব উপলক্ষে আতশবাজি বা পটকা ফোটানোর চল রয়েছে বহুদেশেই । তবে বাভেরিয়ার উদযাপনটি একেবারে অন্যরকম। এখানে পালন করা হয় অনেক হৈচৈ পূর্ণ ক্রিসমাস। বাভেরিয়ার পার্বত্যাঞ্চলবাসীরা এদিন জাতীয় পোষাক পরে আকাশে কামান দাগে।

স্লোভাকিয়া : স্লোভাকিয়াতে রয়েছে ক্রিসমাসের আজব ঐতিহ্য। বাড়ির সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিটি এদিন চামচ ভর্তি loksa পুডিং নিয়ে সিলিং এ ছুঁড়ে মারেন। আর পুডিং যত বেশি আটকে থাকবে ব্যাপারটা হবে ততই ভাল।

নাইজেরিয়া : নাইজেরিয়ায় বড়দিন অনেকটা আমাদের দেশের ঈদের মতো আবহ তৈরি করে; সব লোকজন বড় বড় শহর ছেড়ে তাদের গ্রামের দিকে ছুটতে শুরু করে। ফলে কয়েকদিনের মধ্যে শহরগুলো ফাঁকা হয়ে যায়; আর লোকজন বাজারগুলোতে ভিড় করে কেনাকাটা করতে।

স্ট্রেলিয়া :  ওখানে ক্রিসমাস যখন আসে, তখন ওদের গ্রীষ্মকাল। তারপরও কিন্তু জাঁকজমক কম হয় না। ওরা ইউরোপ-আমেরিকানদের মতো করেই বড়দিন পালন করে; সান্তাকে মাঝেমাঝেই ওদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিয়ে দেন, সান্তার মাথায় চাপিয়ে দেন ঐতিহ্যবাহী ‘আকুব্রা’ হ্যাট। আর সেই ঐতিহ্যবাহী সান্তার স্লেজ গাড়িটি তখন কারা টানে বলুন তো? অস্ট্রেলিয়ার প্রতীক পেটে-থলে-ওয়ালা অদ্ভুত প্রাণী ‘ক্যাঙ্গারু’!

ব্রাজিল : ওরা কিন্তু সান্তা ক্লজকে ডাকে অন্য একটা নামে, পাপাই নোয়েল বলে। আবার ওদের খাবারের তালিকাতেও থাকে বিশেষ একটা খাবার। চকলেট আর কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে তৈরি এই বিশেষ খাবারটির নাম- ব্রিগেডেইরো। আবার ওদের উৎসবেও থাকে এক বিশেষ অংশ; ২৪ ডিসেম্বর রাত ১২ টা বাজলেই, মানে ২৫ ডিসেম্বর হওয়ার সাথে সাথে ওদের চার্চগুলোতে ‘মিসা দ্য গ্যালো’ উদযাপন করা হয়।

মেক্সিকো : মেক্সিকানদের ক্রিসমাসের উৎসবও চলে অনেক দিন ধরে। শুরু হয় ১২ ডিসেম্বর ‘লা গুয়াদালুপানা’ নামের ভোজ দিয়ে। আর শেষ হয় ৬ জানুয়ারি, ‘এপিফানি’ নামের ভোজ দিয়ে। আর তারা বিশ্বাস করে, মাঝরাতে শিশুদের স্টকিং (মোজা) উপহারে ভরে দিয়ে যায় ৩ জ্ঞানী ব্যাক্তি (থ্রি ওয়াইজ ম্যান)। 

রাশিয়া : জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ওরা ৬ জানুয়ারি বড়দিন পালন করে। আর রাশিয়ার ক্রিসমাসে আরেকটা মজা আছে; ওখানে ক্রিসমাস আর নববর্ষ একসঙ্গে পালিত হয়। আর তাই ওদের নববর্ষের উদযাপনেও দেখবে ঠিক মধ্যেখানে একটা ক্রিসমাস ট্রি আছে। ওরা অবশ্য ক্রিসমাস ট্রি’কে ডাকে ইয়োল্কা নামে। আর ওরা ক্রিসমাস ট্রি হিসেবে পাইন গাছের বদলে বেশিরভাগ সময়েই ব্যবহার করে স্প্রাস গাছ।
*ক্রিসমাস* *ক্রিসমাসট্রি* *বড়দিন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বড়দিন প্রধান সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্রীসমাস ট্রি। প্রতিটি খ্রিস্টান পরিবার নিজের বাড়ীতে বা বাসায় ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে থাকে। গ্রামে-শহরে অনেকে গাছের ডাল কেটে তাতে নানা রং এ সাজিয়ে আকর্ষণীয় জমকালো করে তোলে উৎসবমুখর বাস-বাড়ীকে। সেই  অনেকে কাগজ-কাপড়-বাশ-পাট কাঠি ইত্যাদিি দয়ে সৃদৃশ্য ক্রসি মাস ট্রি তৈরি করে ছোট ছোট গৃহপালিত পমুর মূর্তিি দয়ে গাছের মধ্যে চোট ছোট বাতি ও জরীর লেইস লাগিয়ে জমকালো করে তোলে। তবে এত সব ঝক্কি না করে অনলাইনে অর্ডার করে কিনে ফেলুন দারুন সব ক্রিসমাস ট্রি। বক্স থেকে খুলে পার্ট পার্ট জোড়া দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ট্রি অতি অল্প সময়ে সাজানো যায়। বড়দিনের আনন্দকে শতগুণে বাড়িয়ে দিতে চলুন দেখে নিই এমন কিছু সামগ্রী।



Vickerman আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি
 বৈদ্যুতিক বাতিও তার আলাদা দেওয়া আছে।
 সাজানোর বাতি ও তার সাজিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলে ঝলমলে আলো ছড়াতে থাকে।
উচ্চতা: ৬ ফুট
ন্যাচারাল লুকিং
ডায়ামিটার: ২৮ ইঞ্চি
৫,৭৫০ টাকা
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি



আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রিউচ্চতা: ৫ ফুট
ন্যাচারাল লুকিং
এই ট্রিগুলো পার্ট পার্ট খোলা যায় আবার বক্সে ভাজ করে গুছিয়ে রাখা যায় পরের বৎসর  ব্যবহার করার জন্য।
ডায়ামিটার: ২৮ ইঞ্চি
এসব ক্রিসমাস ট্রিগুলো পার্ট পার্ট খোলা যায় আবার বক্সে ভাজ করে গুছিয়ে রাখা যায়। 
মুল্য মাত্র ৬,৯৯৯ টাকা
কিনতে চাইলে ক্লিক করুন  ক্রিসমাস ট্রি


SILVERADO স্লিম ক্রিসমাস ট্রি
সাত ফুট উচ্চতার এই ক্রিসমাস ট্রি আপনার বড়দিনকে করে তুলবে আরো আনন্দময় ও জাকজমকপুর্ণ। 
 প্রত্যেকটা ট্রী ছোট বড় ক্রীসমাস ট্রি সুদৃশ্য ও জমকালো হয়। 

টি আরো সুন্দর করতে গাছের নিচে গরু, ছাগল, ভেড়া ও উটের ছোট ছোট মুর্তি দিয়ে সাজিয়ে গাছের উপর বাতি সেট করে সাজানো হয়।
Silverado স্লিম আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি
উচ্চতা: ৭ ফুট
মুল্য ৭,০৯৯ টাকা
কিনতে হলে ক্লিক করুন আর্টিফিশিয়াল ক্রিসমাস ট্রি

*ক্রিসমাস* *বড়দিন* *ক্রিসমাসট্রি* *স্মার্টশপিং*

সাদমান রহমান: [নিউইয়ার১৫-গিফট] সবাইকে বড়দিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা! (সারপ্রাইজ)

*বড়দিন* *ক্রিসমাস*

জোবায়ের রহমান: Feliz Navidad Merry Christmas https://www.facebook.com/video.php?v=749630798398529&set=vb.143489105679371&type=3&video_source=pages_video_set

*ক্রিসমাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বছর ঘুরে আবারও এসেছে বড়দিন। বড়দিন মানে বাড়তি আনন্দ, বাড়তি উল্লাস আর সারাদিন জুড়ে মজার মজার সব খাবার আয়োজন। বড় দিনের স্পেশাল রেসিপিতে কি কি রাখা যায় তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার শেষ নেই। আপনাদের সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটাতে বেশ কিছু রেসিপি তুলে ধরলাম। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক কি কি থাকছে রড়দিনে স্পেশাল রেসিপিতে।

কেকঃ
বড়দিন মানেই কেক। কারন এ দিনটি যে যিশুর জন্মদিন।

রেড ভেলভেট চিজ কেক

উপকরণ
কেকের জন্য যা যা লাগবে : ময়দা আড়াই কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, কোকো পাউডার ২ চা চামচ, বাটার ১/২ কাপ, লাল রং(ফুড কালার) ৩ টেবিল চামচ, লবণ ১/২ চা চামচ, চিনি দেড় কাপ, ডিম ২টি, বাটারমিল্ক ১ কাপ।

ফ্রস্টিংয়ের জন্য
ক্রিম চিজ ২ কাপ, বাটার ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, ভ্যানিলা এসেন্স ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী

প্রথমে একটা পাত্রে ডিম ভালোভাবে ফেটে নিন। অন্য একটা পাত্রে ময়দা, কোকো পাউডার, বেকিং সোডা, চিনি, লবণ একসাথে মেশাতে হবে। তারপর মিশ্রণটি ফাটানো ডিমের মিশ্রণের সাথে মিশিয়ে একটু বাটার মিল্ক দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। এরপর এতে লাল রং (ফুড কালার), ভ্যানিলা এসেন্স যোগ করতে হবে। ২৯ ইঞ্চি অথবা ৩৮ ইঞ্চি কেক প্যানে কেকের মিশ্রণটি ঢেলে ছড়িয়ে দিতে হবে। ৩৫০ ডিগ্রি প্রি হিটেড ওভেনে ২০-৩০ মিনিট বেক করতে হবে। কেকে মাঝখানে টুথপিক ঢুকিয়ে দেখুন বেক হয়েছে কিনা বেক হয়ে গেলে কেকটি নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন। কেকের উপরের অংশ কেটে সমান করে নিন। এবার ফ্রস্টিংয়ের জন্য একটি বাটিতে ক্রিম চিজ, বাটার, চিনি, ভ্যানিলা দিয়ে বিট করে নিতে হবে। এরপর মিশ্রণটি কেকের উপরে এবং চারপাশে ছুরি দিয়ে বিছিয়ে সমান করে দিতে হবে। হয়ে গেল রেড ভেলভেট চিজ কেক। মনের মতো করে চেরি, জেমস ছড়িয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিয়ে পরিবেশন করুন।


বাটারফ্লাই কাস্টার্ড চকলেট কেক

উপকরণ
ময়দা ১ কাপ, বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ, ঘি বা বাটার ৩ টেবিল চামচ, চিনি ২৫০ গ্রাম, ডিম ৪টা, গুঁড়ো দুধ ২ টেবিল চামচ ও কোকো পাউডার ১ টেবিল চামচ।

কাস্টার্ডের জন্য
গুঁড়ো দুধ দেড় কাপ, কাস্টার্ড পাউডার দেড় টেবিল চামচ, চিনি ১ কাপ, পানি ১ কাপ ও ডিম ১টা।

প্রণালি
কাস্টার্ডের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিয়ে কাস্টার্ড তৈরি করে নিতে হবে। ডিম, চিনি ও ঘি বিট করে এর সঙ্গে ময়দা, বেকিং, কোকো পাউডার ও দুধ বিট করে নিন। ডাইসে মাখন বা ঘি ব্রাশ করে কেকের মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। এরপর প্রি-হিট ওভেনে ১৯০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাপে ২০ মিনিট বেক করতে হবে। ডাইস থেকে কেক বের করে ঠান্ডা হলে মাঝখান থেকে কেক কেটে নিতে হবে। এবার ভেতরে কাস্টার্ড ঢুকিয়ে নিন। ভেতরে কাটা কেক দিয়ে বাটারফ্লাই বানিয়ে কেকের ওপর বসাতে হবে। এবার সুইটবল, বেদানা অথবা অন্য যেকোনো ফল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন।


চকলেট পুডিং

উপকরণ
ঘন দুধ ১ কাপ, ডিম ৬টা, চিনি আধা কাপ, ক্রিম আধা কাপ, চকলেট ২ টেবিল চামচ, কোকো পাউডার ১ টেবিল চামচ ও মাখন ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি
ডিম ভালোভাবে ফেটে এর সঙ্গে সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। এবার পুডিং ডাইসে বাটার মেখে মিশ্রণ ঢেলে ফয়েল পেপার অথবা ঢাকনা দিয়ে ঢেকে একটি পাত্রে সামান্য পানি দিয়ে এর ওপর পুডিং ডাইস বসিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট ভাপিয়ে দিতে হবে। ডাইস থেকে পুডিং বের করে ঠান্ডা হলে সাজিয়ে পরিবেশন।


সল্টেড অরেঞ্জ জুস

উপকরণ
কমলালেবু ৪টি, পানি এক কাপ, লবণ আধা চা-চামচ, বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য।

প্রণালি
কমলার খোসা ছড়িয়ে নিতে হবে। কোয়ার ওপরের স্বচ্ছ পর্দা ও বিচি ফেলে নিতে হবে। এরপর এক কাপ খাওয়ার পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এবার এই পানিসহ ব্লেন্ড করে নিতে হবে। রস ছেঁকে নিয়ে আধা চা-চামচ লবণ, সামান্য বিট লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে। এবার গ্লাসে ঢেলে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করতে হবে।


খাসির কোরমা

উপকরণ
খাসির মাংস -এক কেজি, আদাবাটা -এক টেবিল চামচ, দারচিনি বড় -চার টুকরা, তেজপাতা -দুটি, লবণ -দুই চা চামচ, ঘি -আধা কাপ, কাঁচা মরিচ -আটটি, কেওড়া -দুই টেবিল চামচ, তরল দুধ -দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজবাটা -সিকি কাপ, রসুনবাটা -দুই চা চামচ,
এলাচি -চারটি, টক দই -আধা কাপ, চিনি -চার চা চামচ, দেশি পেঁয়াজকুচি -আধ কাপ, লেবুর রস -এক টেবিল চামচ, জাফরান -আধা চা চামচ (দুই টেবিল চামচ তরল দুধে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন)।

প্রণালি
মাংস টুকরো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সব বাটা মসলা, গরম মসলা, টক দই, সিকি কাপ ঘি ও লবণ দিয়ে মেখে হাত ধোয়া পানি দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় বসিয়ে দিন। মাংস সেদ্ধ না হলে আরও পানি দিন। পানি অর্ধেক টেনে গেলে কেওড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে আবার হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পাশের চুলায় বাকি ঘি গরম করে পেঁয়াজকুচি সোনালি রং করে ভেজে মাংসের হাঁড়িতে দিয়ে ফোঁড়ন দিন। তারপর চিনি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন।

পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দুধে ভেজানো জাফরান ওপর থেকে ছিটিয়ে দিয়ে আরও পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢাকনা খুলে লেবুর রস দিয়ে হালকা নেড়ে আঁচ একেবারে কমিয়ে তাওয়ার ওপর ঢেকে প্রায় ২০ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টার মতো দমে রাখুন। যখন কোরমা মাখা মাখা হয়ে বাদামি রং হবে এবং মসলা থেকে তেল ছাড়া শুরু করবে, তখন নামিয়ে পরিবেশন।

বন্ধুরা এতো দারুন দারুন সব রেসিপি দিলাম আশাকরি দাওয়াত পাব। সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা...

*ক্রিসমাস* *বড়দিন* *রেসিপি* *মজারখাবার*

বেশতো Buzz: বন্ধুরা (খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা) আবারো নতুন কিছু স্টারড ওয়ার্ড নিয়ে হাজির হলাম। আশা করছি এই স্টারড ওয়ার্ড গুলোতে তোমাদের দারুন সব লেখা পাব। চল তাহলে লেখা শুরু করি *ক্রিসমাস* *সানগ্লাস* *মুখেদূর্গন্ধ* *তামিম* *পরিবহন* *মজিলাফোন* দিয়ে। এছাড়াও অন্যান্য স্টারড ওর্য়াড তো থাকছেই। তবে আর দেরী কেন লিখো তোমার ইচ্ছে মত যত খুশি তত(খুকখুকহাসি)(খুকখুকহাসি)

*ক্রিসমাস* *সানগ্লাস* *মুখেদূর্গন্ধ* *তামিম* *পরিবহন* *মজিলাফোন*
৩/৫

ফাইসাল হক: *ক্রিসমাস* merry chiristmas to all.

ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

বড়দিন উপলক্ষ্যে সিঙ্গাপুরের আলোকসজ্জিত রাজপথ।

*বড়দিন* *ক্রিসমাস*
ছবি

TAGS : ফটো পোস্ট করেছে

মেরী খ্রীষ্টমাস

আমাদের ফেইসবুক পেজ জয়েন করুন, https://www.facebook.com/theofficialTAGS

*ক্রিসমাস* *বড়দিন*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্রীসমাস খ্রিস্টান সম্প্রদায়ে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সারাবিশ্বে সব দেশে একযোগে পালিত হয় এই দিন। আবার বড়দিন ও বলা হয় এদিকে। ২৫ শে ডিসেম্বর এ ধনী-দরিদ্র সবাই আড়ম্বড়ে পূর্ণ উৎসব উদযাপন করে সামর্থ অনুযায়ী। কেনা হয় নুতন জামা-কাপড়, তৈরি হয় উৎসবের আঙ্গিকে নানা ধরনের খাবার সাজানো হয় ঘর-বাড়ী। আপনজন, আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে ক্রীস উপলক্ষে আদান-প্রদান হয় নানা ধরনের অতি সাধারণ বা ব্যায়বহুল উপহার। তৈরি শুভেচ্ছা কার্ড অর্থাৎ ক্রীসমাস কার্ড।

ক্রীসমাস ট্রি : বড়দিন প্রধান সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্রীসমাস ট্রি। প্রতিটি পরিবার নিজের বাড়ীতে বা বাসায় ক্রসিমাস ট্রি সাজিয়ে থাকে। গ্রামে-শহরে অনেকে গাছের ডাল কেটে তাতে নানা রং এ সাজিয়ে আকর্ষণীয় জমকালো করে তোলে উৎসবমুখর বাস-বাড়ীকে। সেই গাছের নিচে গরু, ছাগল, ভেড়া ও উটের ছোট ছোট মুর্তি দিয়ে সাজিয়ে গাছের উপর বাতি সেট করে সাজানো হয়। অনেকে কাগজ-কাপড়-বাশ-পাট কাঠি ইত্যাদিি দয়ে সৃদৃশ্য ক্রসি মাস ট্রি তৈরি করে ছোট ছোট গৃহপালিত পমুর মূর্তিি দয়ে গাছের মধ্যে চোট ছোট বাতি ও জরীর লেইস লাগিয়ে জমকালো করে তোলে।
তাছাড়া ঢাকা নিউমার্কেট ও বসুন্ধরা সিটি শপিংমল দেশের সব বড় বড় শপিং মন ও মার্কেটে ক্রীসমাস ট্রি কিনতে পাওয়া যায়। সেসব ক্রিসমাস ট্রিগুলো পার্ট পার্ট খোলা যায় আবার বক্সে ভাজ করে গুছিয়ে রাখা যায়। পরের বৎসর বড়দিনে আবার বক্স থেকে খুলে পার্ট পার্ট জোড়া দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ট্রি অতি অল্প সময়ে সাজানো যায়। তাতে গাছের নীচে গৃহপালিত পশুর মূর্তি সুন্দরভাবে সাজানো থাকে এবং গাছের বৈদ্যুতিক বাতিও তার আলাদা থাকে সাজানোর বাতি ও তার সাজিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলেঝলমলে আলো ছড়াতে থাকে। জমকালো পরিবেশের সৃস্টি হয়ে উৎসব আমেজ ছড়ায়। প্রত্যেকটা ট্রী ছোট বড় ক্রীসমাস ট্রি সুদৃশ্য ও জমকালো হয়। ছোট ও বড় বিভিন্ন আকারের ট্রি বিভিন্ন দামের মধ্যে পাওয়া যায়। বড়দিনে সপ্তাহ পূর্ব থেকে সাজানো শুরু হয় জানুয়ারি পর্যন্ত অনেকের ঘরে সাজানো অবস্তায় থাকে।

ড্রেস : দেশের রীতি অনুযায়ী পোষাক পরা হয় এবং সন্তান, পিতা, মাতা ও আত্মীয়দের জন্যে সেরকম কেনা কাটা হয়। মেয়েদের স্কাট-টপস, সেলোয়ার কামিজ, লেহেঙ্গা, গাউন ও শাড়ি পরে। ছেলেরা শার্ট-প্যান্ট, পাজামা-পাঞ্জাবী ও স্যুট পরে থাকে। শিশুদের জন্যে জমকালো ও রঙীন ড্রেস। ঈদ-পূজা উৎসবের মত গহণা, জুতা, পারফিউম কেনাকাটার তালিকায় থাকে। বড়দিন উপলক্ষে দেশের নামকরা শো-রুম, হাউজ ও মার্কেটগুলো নানা আয়োজন করেছে। বসুন্ধরার লেবেল-৪, দুলহানসহ, ইস্টার্ন প্লাজা, নিউমার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেটে, বাঙ্গাল, কাপড়-ই-বাংলা, লণ্ঠন, উত্তরার রাজলক্ষ্মী মার্কেট, বেলী রোড প্রায় সব মার্কেটে বড়দিন উপলক্ষে পোষাক। শান্তা ক্লজের সাদা-লাল-টুপী।

শিশু পোষাক : শিশুদের জন্যে উৎসবে সামর্থ অনুযায়ী ঝলমলে। উৎসবের শিশু পোষাক জমকালো ও রঙীন হলেও শীতের আবহাওয়ায় শিশুদের পোষাক কেনার সময় সতর্ক অভিভাবক খেয়াল রেখে কেনাকাটা করে থাকেন ছেলে শিশুদের ফুল হাতা গেঞ্জি শার্ট, ফুল প্যান্ট-টাউজার সোয়েটার, জ্যাকেট ও স্যুট। মেয়ে শিশুদের জন্যে ফ্রক সোয়েটার, টি-শার্ট, ফুলপ্যান্ট ও ট্রাউজার ইত্যাদি।
*ক্রিসমাস* *বড়দিন*
ছবি

ফাহীমা: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

বিলাইপ্রেমী যারা যারা তাদের জন্য....

@Bodmas88 @Saadiia আর কে কে (চিন্তাকরি)

*মজারছবি* *ফটোগ্রাফি* *ক্রিসমাস* *বড়দিন*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

ক্রিসমাস ট্রি ছাড়া বড়দিন কল্পনাই করা যায় না।

*ক্রিসমাস* *বড়দিন*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমাদের পন্ডিতনি সুমি আফা @FRSHUMI
একবার এক শিক্ষক আমরার সুমি আফারে প্রশ্ন করলেন > অ্যাম্বুলেন্স সাদা হয় কেন ?
সুমি আফা: অ্যাম্বুলেন্স এ অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকে আর অক্সিজেন একটা গাস, গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহার হয় আর খাবার ভিটামিন এর উৎস, আমরা সূর্য থেকে ভিটামিন D পাই আর সূর্য আলো দেয়, আলো বাল্ব থেকে আসে আর ক্রিসমাস ট্রিতে ছোট বাল্ব লাগান হয়, ক্রিসমাস মানে গিফট আর সান্তা গিফট নিয়ে আসে...সান্তা দক্ষিন মেরুতে থাকে আর ওইখানে মেরু ভাল্লুক থাকে !!
*রসিকতা* *পঁচানি* *ক্রিসমাস* *বড়দিন*
ছবি

শফিক ইসলাম: ফটো পোস্ট করেছে

৫০০,০০০ লাইট ব্যবহার করে ৩১ মাইল রাস্তা জুড়ে আলোকসজ্জায় ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার রেকর্ড ডেভ রিচার্ডের

গিনেজ রেকর্ডের কথা -২ (ক্রিসমাস লাইটিং)

*ওয়ার্ল্ডরেকর্ড* *গিনেজ* *প্রবাস* *ক্রিসমাস* *বড়দিন*

পথিক: [বিজয়-আমিস্বাধীন]বড়দিনের শুভেচ্ছা সবাইকে ..(খুকখুকহাসি)

*শুভবড়দিন* *ক্রিসমাস* *বড়দিন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★