ক্লথ ড্রায়ার

ক্লথড্রায়ার নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কড়া নাড়ছে রমজান, কর্মজীবী নারীরা রোজা রেখে বাসা সামলানো, অফিস, অফিস থেকে এসে ইফতার বানানো, তারপর নামাজ,রাতের খাবার, সেহেরির প্রস্তুতি এসব কিছু নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকেন, হাতে এমনিতে সময় থাকে না। তারপর বৃষ্টির দিন অথচ এর মধ্যেও ঈদের আগে সব ধোয়া কাচার কাজ সেরে ফেলতে হবে। সংসারের বাকি সব কাজের মতই এক ভাবে না এক ভাবে কাপড় ধোয়ার কাজটাও সেরে উঠা যায়। তবে, কাপড় ধুয়ে শুকানোও বেশ ঝক্কি।

কিনতে ক্লিক করুন 

একে বৃষ্টির দিন, তারপর আবার ছোট্ট বারান্দা সব মিলে বিদি কিচ্ছিরি অবস্থ্যা বেধে যায় একেবারে। তবে ধোয়া থেকে শুকানো—সবই সম্ভব, যদি ঘরে ওয়াশিং মেশিন আর ক্লথ ড্রায়ার থাকে ৷ সাথে ক্লথ ড্রাইং স্ট্যান্ড থাকলে আরো ভালো হয়।  একটু খেয়াল করলে দেখা যাই যে দীর্ঘ দিন বৃষ্টি হলে কাপড় চোপড় ঠিক মতন না শুকালে একটা ভেজা, স্যাঁতসেঁতে ভাব চলে আসে। এছাড়া বর্ষাকালে নানান রকম ফাঙ্গাস ও পোকা মাকড়ের উপদ্রব লক্ষ্য করা যায়। এই কারনে বর্ষাকালে পোশাক ভাল করে না শুকিয়ে এটা পরিধান করাটাও কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

কিনতে ক্লিক করুন

আসুন জেনে নেই কিভাবে বৃষ্টির দিনে কাপড় শুকাবেন:

  • কৃত্রিম তন্তুজাত কাপড় বর্ষাকালে খুব দ্রুত শুকায়। যেমন জর্জেট,সিল্ক এই ধরনের কাপড় ভিজে গেলে তা দ্রুত হয় শুকিয়ে যায়।
  • *বৃষ্টির দিনে সুতির আরাম ভুলে জর্জেট, শিফনসহ অন্যান্য কৃত্রিম তন্তুর তৈরি কাপড়গুলো পরাই ভালো। একটু বাতাস বা রোদ পেলেই খুব দ্রুত শুকায়।
  • শিফন কাপড়ের বিকল্প নেই। এসব কাপড় পাতলা। তাই দ্রুত শুকায় আর গরমেও কষ্ট হয় না।
  • মেয়েদের ক্ষেত্রে সালোয়ার কিংবা কামিজ খানিকটা ঢিলেঢালা হলে বৃষ্টির দিনে শুকানোতে সুবিধা হয়।

কিনতে ক্লিক করুন

  • কাপড় শুকানোর সময় প্রতিটি কাপড়ের মাঝখানে কিছুটা দূরত্ব রাখা উচিত। এক্ষেত্রে আপনার কাপড় দ্রুত শুকানোর ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
  • এই মৌসুমেই মাঝে মাঝেই আলমারির দরজা খুলে দিয়ে ফ্যান চালিয়ে রাখুন, এতে আলমারি ও কাপড়ের গুমোট ভাব কেটে যাবে।
  • সূর্যের আলো দেখা না গেলেও কাপড় তো ধুতেই হয়, আর শুকাতেও হয়। তাই না? তবে কাপড় ঘরে শুকাতে হলে ভালো করে পানি ঝরিয়ে ফ্যানের নিচে দিয়ে শুকান। অনেকে বৃষ্টির দিনে চুলার ওপর কাপড় শুকায়। বিপজ্জনক এ কাজটি থেকে অবশ্যই দূর থাকা উচিত।
  • বৃষ্টির পর যখনই রোদ উঠবে তখন ফ্যানের নিচে শুকানো কাপড় রোদে মেলে দিন। এতে কাপড় একদম ফ্রে হয়ে যাবে।
  • মূলত বর্ষার সময় বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে বলে কাপড় সহজে শুকাতে চায় না এবং কাপড় নষ্ট হওয়ার ভয়ও বেশি থাকে। এজন্য কাপড় ভালোভাবে শুকানোর বিষয়টিতে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।
  • এছাড়া কাপড় শুকানোর পর ইস্ত্রি করে রাখা উচিত। এতে কাপড়ের ছত্রাক নষ্ট হয়ে যায়।
  • বিশেষ করে বাচ্চাদের কাপড়ের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। আলমারিতে কিছু চকের টুকরো রাখুন। জামা কাপড় স্যাঁতস্যাঁতে হবে না। চক বাড়তি আদ্রর্তা শুষে নিবে।
*বর্ষাকাল* *কাপড়শুকানোরযন্ত্র* *ক্লথড্রায়ার* *ক্লথড্রাইংস্ট্যান্ড*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনব্যাচেলরদের জন্য কাপড় ধোয়া মনে হয় সবচেয়ে কষ্টকর একটি কাজ। তাছাড়া গৃহিণীরাও এটাতে খুব বিরক্ত।  বিরক্ত হবারই কথা একগাদা কাপড় কি আর রোজ কষ্ট করে ধোয়া যায়। তাছাড়া কাপড় গুলো শুকানোর জন্যও তো একটা সময়ের দরকার আছে। তাই কাপড় ধোয়া ও শুকানোর ঝক্কি-ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে বাড়িতে রাখতে পারেন ওয়াশিং মেশিন ও ক্লথ ড্রায়ার। কাপড় ধোয়া ও পানি ঝরানোর জন্য এই প্রোডাক্ট দুটি বেশ কার্যকর। 
 
 
ওয়াশিং মেশিন ও ক্লথ ড্রায়ার
কাপড় পরিষ্কারের জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নানান ধরনের কাপড় ধোয়ার যন্ত্র ও ক্লথ ড্রায়ার রয়েছে। কার্যক্ষমতা ও প্রকারভেদে মেশিনগুলোর দামে কিছুটা তারতম্য থাকলেও, এসব ওয়াশিং মেশিন ও ড্রায়ারের মূল্য অনেকটাই সাশ্রয়ী।
বাজারে সাধারণত তিন ধরনের ওয়াশিং মেশিন পাওয়া যায়। অটোমেটিক, সেমি অটোমেটিক ও ম্যানুয়াল। ওয়াশিং মেশিনের ধরন ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী দামেও রয়েছে পার্থক্য।  ট্রান্সটেক, ওয়ার্লপুল, এলজি, সিঙ্গার, প্যানাসনিক, ফিলিপস, ওয়ালটনসহ বেশ কিছু ব্র্যান্ডের ওয়াশিং মেশিন আছে।
 
 
 
কিনতে ক্লিক করুনপরিবারের সদস্যসংখ্যার ওপর নির্ভর করে ওয়াশিং মেশিন কেনা উচিত। সাধারণ আকারের যেকোনো ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া ও পানি ঝরানোর কাজ একই সঙ্গে করা যায়। তবে কোনো মেশিনই শতকরা ১০০ ভাগ কাপড়ের পানি ঝরাতে পারে না। ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পানি ঝরাতে পারে।  এজন্য ওয়াশিং মেশিনের পাশাপাশি ক্লথ ড্রায়ার কিনে নিতে পারেন। এটি আপনার কাপড় পুরোপুরি শুকিয়ে দিতে সক্ষম। 
ওয়াশিং মেশিনে অটো বাটন টিপে পানি ও কাপড় স্পিন করাসহ সব কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই হয়। এ ছাড়া গুঁড়া সাবান বা ডিটারজেন্ট পাউডার রাখার জন্য আলাদা বক্সও থাকে। কিছু মেশিনে হট ওয়াশের ব্যবস্থাও থাকে। ফলে বাটন টিপলেই মেশিনে গরম পানি সরবরাহ হয়। এ ধরনের মেশিনে কাপড় ধোয়ার জন্য মোটামুটি সময় লাগে ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট। আবার ম্যানুয়াল ওয়াশিং মেশিনে প্রতিটি কাজ আলাদা বাটন টিপে করতে হয়।
 
 
দরদাম ও কেনাকাটা
ধারণক্ষমতাভেদে ১৪ হাজার  থেকে শুরু করে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে। দেশেজুড়ে র‌্যাংস, স্যামসাং, সিঙ্গার, লিনাক্স, মাইকো, ওয়ার্লপুল, এলজি, ওয়ালটন,  ফিলিপস, প্যানাসনিক, হায়েসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড এর শোরুম গুলোতে  ওয়াশিং মেশিন ও ক্লথ ড্রায়ার কিনতে পাওয়া যায়। যারা ঘরে বসে অনলাইনে ওয়াশিং মেশিন ও ক্লথ ড্রায়ার কিনতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইট থেকে। 
ওয়াশিং মেশিন কিনতে  এখানে ক্লিক করুন
*ওয়াশিংমেশিন* *ক্লথড্রায়ার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★