ক্ষমতা

ক্ষমতা নিয়ে কি ভাবছো?

পরামর্শ দাতা: *ক্ষমতা* একদিনের জন্য ক্ষমতা দেখাইয়া লাভ নাই , বরং ক্ষতি , তাছাড়া এটা অবাস্তব , যদি পেয়েও যায় কেও , কিছু হবে না , শুধুই সময় নষ্ট . প্রশ্ন টা ১ দিনের না হয়ে , ১ বছরের জন্য হলে , ভাবা যেত ,

Apurno Afzal: *ক্ষমতা* প্রধান মন্ত্রী হিসেবে ১ দিনের ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেই আজীবন প্রধান মন্ত্রী হয়ে থাকার জন্য আইন করে ফেলতাম।

পরামর্শ দাতা: *ক্ষমতা* আমি যদি জানতামই , তাহলে ১ দিনের জন্য হতাম না , সারা বছর কিভাবে মন্ত্রী থাকা যায় , সেই ব্যবস্থাই করতাম ,

Mohammad Nazim Uddin Khan: *ক্ষমতা* আমি ক্ষমতা পাওয়ার সাথে সাথে পদ ত্যাগ করবো। কারণ আমাদের দেশে পদত্যাগ করার প্রবণতা নাই বল্লে চলে।

Masud Mridha: *ক্ষমতা*

নাহিদ হোসেন: প্রধানমন্ত্রী মানেই যে *ক্ষমতা* তা কিন্তু না। প্রধানমন্ত্রী মানে দায়ীত্ববোধ।

গাজী আজিজ: [রাজামশাই-শাহীচুম্মা]একদিনের জন্যে প্রধানমন্ত্রী হলে কাজ করার কোন সুযোগই'ত পাবনা। কারন একদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহনের অনুষ্ঠান শেষ করে পদত্যাগ করারই সময় পাবনা। সেশের জন্যে কিছু করব কিভাবে। কমপক্ষে পাঁচ বছরের সময় পেলে সামান্য কিছু করার সুযোগ হয়তো পেতাম। একদিনের প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীর কোথাও হয়েছে বলে আমার জানা নাই। তবে আবু সায়েম চৌধুরী একদিনের জন্য শুধু পেসিডেন্ট হিসাবে নাম ঘোষনা হয়েছিল। সেই কিছু করতে পারে নাই । আসলে একদিনে মৌখিক আদেশ ছাড়া কিছুই হবেনা।

*ক্ষমতা*

মাসউদ রেহমান: *ক্ষমতা*

Mahi Rudro: . আমাদের বাবারা টাকা জমান ছেলের পড়াশোনার জন্য, আর মেয়ের বিয়ের জন্য । এই বিয়ে মানে 'সম্প্রদান' । সেখানে নারী আজ্ঞাবহ... পুরুষ ভোগ করে রাজনৈতিক, সামাজিক আর ধর্মীয় ক্ষমতা । সে নারীর উপর চাপিয়ে দেয় নিজের পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতা । সব মিলিয়ে সামন্ততান্ত্রিক ক্ষমতা।

*সম্প্রদান* *ক্ষমতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা জাতী কবে সভ্য হবে??? কবে তাদের উন্নতী হবে ??? এদের জ্বালায় ভার্চুয়াল জগতে টীকে থাকা দায় ।।

শিরোনাম দেখে ডাক্তাররা চটে যেতে পারেন। তবে ভিতরে পড়ার পর হয়তো তাদের মাথা কিছুটা হলেও ঠাণ্ডা হবে। আজ আমি কয়েকজন ডাক্তারের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যাদের সুনাম সুখ্যাতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে ব্যাপক। এদের সম্পর্কে না জানলে আপনি বুঝবেনই না ডাক্তাররা শুধু লিঙ্গ নিয়েই পড়াশোনা করে।

 


১। ডাক্তারদের অধিকাংশই হয় মেয়ে ডাক্তার। ছেলেরা পড়াশোনা বাদ দিয়ে পার্কের চিপাচাপায় আড্ডা দেয়। ফলে বিশাল অংশ ফেল করে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুড়িগঙ্গা তীরে ভাসিয়ে দেয়। আপনি যদি আপনার বিশেষ অঙ্গ বড় করতে চান তবে ডাক্তার ফারজানা আক্তারের কাছে যান। তিনি হাতুড়ি দিয়ে বড় করে দিবেন।

 


২। মেয়েদের সম্পর্কে জানার আগ্রহ যার নাই তিনি মুড়ি খেতে পারেন। ডাক্তার ফারহানা কবির একজন মেয়ে হয়ে জানাচ্ছেন মেয়েদের মাসিক কেন হয়? যেহেতু সে মেয়ে সুতরাং মেয়ের সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবে।

 


৩। যেহেতু আপনি ওষুধ খাইতে চান না। টাকা খরচ হবে। আবার অপারেশনের ভয়ে হার্ট অ্যাটাক করতে পারেন। কিন্তু পুরুষাঙ্গতো বড় করতেই হবে। সুতরাং ডাক্তার শারমিন সুলতানার কাছে যান। তিনি আপনার পুরুষাঙ্গের আকৃতি বড় করার দায়িত্ব নিয়েছেন।

 


৪। শুধু লিঙ্গের আকৃতি বড় করলেই আপনি যে আসল পুরুষ হবেন তা কিন্তু নয়। আপনার গোপন ক্ষমতাওতো থাকতে হবে। কিন্তু গোপন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সঠিক জায়গা না পেয়ে কবিরাজী পানি পড়া, তাবিজ-কবজ দিয়েতো উপকার পাননি। চলে যান আবারো ডাক্তার ফারজানা আক্তারের কাছে।

 


৫। ডাক্তার তানিয়া সুলতানা কয়েকদিন আগে মেডিকেল সায়েন্সের একটা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে সুপার ফ্লপ খেয়েছিলেন। আসল ডাক্তাররা চটেছিলেন। তবে তার পেনিস ছোট। ছোট পেনিসের ডাক্তার নিয়ে আর কোনো কথা নাই।

 


৬। আপনারা এতক্ষণে আমার উপর বিরক্ত হয়েছেন। ভদ্রতা দেখাতে হয়তো মনে মনে গালি দিয়েছেন। ভাবছেন এই বিখাউজ ব্লগিং করে কেন? ডাক্তার মুক্তি চৌধুরী ওরফে বিখাউজ আপাও আমাকে মুক্তি দিয়েছে।

এদের নাম ও ছবিসহ দিলাম। কারণ বিলিভ ইট অর নট এরা একটাও ডাক্তার নয়। তবুও আসল ডাক্তারের চেয়ে আমজনতা এদের পরামর্শই বেশি নিচ্ছে! এদের বিরুদ্ধে কি প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না?*

*ডাক্তার* *রোগী* *লুল* *অভদ্র* *বাস্তবতা* *যৌন* *ঔষধ* *ক্ষমতা* *ভার্চুয়াল* *সংগৃহীত* *সমাজ* *লজ্জ্বা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১। দুনিয়াতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি কে?
২। পুরো পৃথিবীর অর্থনীতি কে নিয়ন্ত্রন করে?
৩। ইহুদীরা এতো ক্ষমতা পায় কোথা থেকে?
এই প্রশ্নগুলো যদি কাউকে করা হয়, নিঃসন্দেহে তিনি উত্তর দিবেন; আমেরিকার প্রেসিডেন্ট । কিন্তু তাই কি?
সারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি পরিবার- রথ চাইল্ড ফ্যামিলি । মেয়ার আমসেল রথ চাইল্ড নামের ইহুদী ও তাঁর পাঁচ ছেলে মিলে এই পরিবার প্রতিষ্ঠা করেন । আমেরিকান ডলার থেকে শুরু করে ব্রিটিশ পাউন্ড-নোট ছাপানো, বিতরণ, বিলি সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ এই পরিবারের হাতেই রয়েছে ।
এই পরিবারই ১৭৬০ সালে বিশ্বের প্রথম আধুনিক ব্যঙ্কিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে । দুনিয়ার সকল ব্যাংক এই রথ চাইল্ড ব্যাংকের কাছে নির্ভরশীল । কারণ, পৃথিবীর রিজার্ভ স্বর্ণের বেশিরভাগ দখল তাঁদের হাতে । এই জন্য রথ চাইল্ড ব্যাংককে বলা হয় “ব্যাংক অফ দ্য ব্যাংকস, দ্য গভর্নমেন্ট অভ দ্য গভর্নমেন্টস ।”
শুরুতে এঁদের কাজ ছিল বিভিন্ন রাজকীয় পরিবারের সাথে ঋণ ব্যবসা গড়ে তোলা । তাঁরা এতো বেশি প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান ছিল যে, ষড়যন্ত্র করে দুই দেশের রাজার মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়ে দিত । এরপর দুই রাজাকেই উচ্চ সুদে ঋণ দিত যুদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য । যে দেশই জিততো না কেন, লাভের ভাগ রথচাইল্ডের হাতেই যেত । যেমন নাথান রথচাইল্ড ১৮১১ সালে ফ্রান্সের নেপোলিয়নের সাথে ইংল্যান্ডের রাজার যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিয়েছিল, যেটা বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধ নামে পরিচিত । সেসময় যুদ্ধের কারণে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে কোন জাহাজই চলাচল করতে পারতো না । কিন্তু দেখা যেত একটি জাহাজ ঠিকই ফ্রান্স থেকে ইংল্যান্ড কিংবা ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্সে বাধাহীনভাবে যাচ্ছে । সেটাই ছিল এই রথ চাইল্ড পরিবারের ব্যবসায়িক জাহাজ ।
আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক একটি ব্যাংক, যাঁরা ডলার ছাপায়, আমেরিকানদের থেকে ট্যাক্স সংগ্রহ করে এবং সেই ট্যাক্সের টাকাই সরকারকে ধার দেয় দেশ চালানোর জন্য । আর এই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক কিন্তু একটি বেসরকারি ব্যাংক । এটি কে চালায় জানেন? এই ইহুদী রথচাইল্ড পরিবার । এরা যদি একবার চায়, তাহলে ডলারের মানের পতন ঘটিয়ে পুরো আমেরিকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে পারে । ঠিক অনুরুপ ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রেও । এই কারণেই কোন ব্রিটিশ বা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ইহুদীদের ঘাটাতে সাহস পায় না ।
এই পরিবারই ঠিক করে দেয় আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবে ।
২য় বিশ্বযুদ্ধে হলোকাস্ট ঘটিয়ে ইহুদীদের জন্য ইজরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার পেছনেও রথ চাইল্ড পরিবারের বড় ভূমিকা আছে । আমেরিকাকে ব্যবহার করে অবৈধ ইজরাইল রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখার পেছনেও এরা কলকাঠি নাড়ায় । কেউ জানেনা এই পরিবারের কী পরিমাণ সম্পত্তি অর্থ রয়েছে । সেই ১৭৬০ সাল থেকেই এই পরিবার কঠোর গোপনীয়তা আর বংশের নিয়ম কানুন মেনে আসছে ।
মেয়ার রথ চাইল্ডের মারা যাওয়ার আগে উইলে স্পষ্ট করে উল্লেখ করে গিয়েছিলেন যে, তাঁদের ব্যবসা কোনোভাবেই পরিবারের বাইরে যাবে না ও পরিবারের বড় ছেলেই হবে ব্যবসার প্রধান । বংশের রক্তের বিশুদ্ধতার জন্য বাইরের কাউকে বিয়ে করা যাবেনা, তাঁদের বিয়ে হবে শুধুমাত্র কাজিনদের মধ্যে । পরিবারের যাঁরা ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত থাকবেনা, তাঁরাও ব্যবসার লাভের একটা ভাগ পেতে থাকবে ।
আড়াইশ বছর ধরে তাঁদের পারিবারিক এই নিয়ম একইভাবে চলে আসছে । এঁদের টার্গেট হলো, বিশ্বের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে ধীরে ধীরে সকল ধর্মকে ধ্বংস করে ইজরাইলকেন্দ্রিক একমাত্র বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা, যার মাধমে প্রতিষ্ঠিত করবে সেই প্রাচীন “কিংডম অব হেভেন” ।
অনেকে এটাকে conspiracy theory বলে, আবার অনেকে এটা সত্য বলেও মেনে নেয় । তবে রথ চাইল্ড পরিবার যে অনেক প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান একটি পরিবার, সেটা গুগলে Rothschild family সার্চ করলেই দেখতে পাবেন । ফ্রেন্স রেভুলেশন, ওয়াটার লু যুদ্ধ, ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফ তৈরি- সব কিছুর পেছনেই এই পরিবারের হাত রয়েছে । ১। দুনিয়াতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি কে?
২। পুরো পৃথিবীর অর্থনীতি কে নিয়ন্ত্রন করে?
৩। ইহুদীরা এতো ক্ষমতা পায় কোথা থেকে?
এই প্রশ্নগুলো যদি কাউকে করা হয়, নিঃসন্দেহে তিনি উত্তর দিবেন; আমেরিকার প্রেসিডেন্ট । কিন্তু তাই কি?
সারা বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি পরিবার- রথ চাইল্ড ফ্যামিলি । মেয়ার আমসেল রথ চাইল্ড নামের ইহুদী ও তাঁর পাঁচ ছেলে মিলে এই পরিবার প্রতিষ্ঠা করেন । আমেরিকান ডলার থেকে শুরু করে ব্রিটিশ পাউন্ড-নোট ছাপানো, বিতরণ, বিলি সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ এই পরিবারের হাতেই রয়েছে ।
এই পরিবারই ১৭৬০ সালে বিশ্বের প্রথম আধুনিক ব্যঙ্কিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে । দুনিয়ার সকল ব্যাংক এই রথ চাইল্ড ব্যাংকের কাছে নির্ভরশীল । কারণ, পৃথিবীর রিজার্ভ স্বর্ণের বেশিরভাগ দখল তাঁদের হাতে । এই জন্য রথ চাইল্ড ব্যাংককে বলা হয় “ব্যাংক অফ দ্য ব্যাংকস, দ্য গভর্নমেন্ট অভ দ্য গভর্নমেন্টস ।”
শুরুতে এঁদের কাজ ছিল বিভিন্ন রাজকীয় পরিবারের সাথে ঋণ ব্যবসা গড়ে তোলা । তাঁরা এতো বেশি প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান ছিল যে, ষড়যন্ত্র করে দুই দেশের রাজার মধ্যে যুদ্ধ লাগিয়ে দিত । এরপর দুই রাজাকেই উচ্চ সুদে ঋণ দিত যুদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য । যে দেশই জিততো না কেন, লাভের ভাগ রথচাইল্ডের হাতেই যেত । যেমন নাথান রথচাইল্ড ১৮১১ সালে ফ্রান্সের নেপোলিয়নের সাথে ইংল্যান্ডের রাজার যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিয়েছিল, যেটা বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধ নামে পরিচিত । সেসময় যুদ্ধের কারণে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে কোন জাহাজই চলাচল করতে পারতো না । কিন্তু দেখা যেত একটি জাহাজ ঠিকই ফ্রান্স থেকে ইংল্যান্ড কিংবা ইংল্যান্ড থেকে ফ্রান্সে বাধাহীনভাবে যাচ্ছে । সেটাই ছিল এই রথ চাইল্ড পরিবারের ব্যবসায়িক জাহাজ ।
আমেরিকার ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক একটি ব্যাংক, যাঁরা ডলার ছাপায়, আমেরিকানদের থেকে ট্যাক্স সংগ্রহ করে এবং সেই ট্যাক্সের টাকাই সরকারকে ধার দেয় দেশ চালানোর জন্য । আর এই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক কিন্তু একটি বেসরকারি ব্যাংক । এটি কে চালায় জানেন? এই ইহুদী রথচাইল্ড পরিবার । এরা যদি একবার চায়, তাহলে ডলারের মানের পতন ঘটিয়ে পুরো আমেরিকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে পারে । ঠিক অনুরুপ ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রেও । এই কারণেই কোন ব্রিটিশ বা আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ইহুদীদের ঘাটাতে সাহস পায় না ।
এই পরিবারই ঠিক করে দেয় আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবে ।
২য় বিশ্বযুদ্ধে হলোকাস্ট ঘটিয়ে ইহুদীদের জন্য ইজরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার পেছনেও রথ চাইল্ড পরিবারের বড় ভূমিকা আছে । আমেরিকাকে ব্যবহার করে অবৈধ ইজরাইল রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখার পেছনেও এরা কলকাঠি নাড়ায় । কেউ জানেনা এই পরিবারের কী পরিমাণ সম্পত্তি অর্থ রয়েছে । সেই ১৭৬০ সাল থেকেই এই পরিবার কঠোর গোপনীয়তা আর বংশের নিয়ম কানুন মেনে আসছে ।
মেয়ার রথ চাইল্ডের মারা যাওয়ার আগে উইলে স্পষ্ট করে উল্লেখ করে গিয়েছিলেন যে, তাঁদের ব্যবসা কোনোভাবেই পরিবারের বাইরে যাবে না ও পরিবারের বড় ছেলেই হবে ব্যবসার প্রধান । বংশের রক্তের বিশুদ্ধতার জন্য বাইরের কাউকে বিয়ে করা যাবেনা, তাঁদের বিয়ে হবে শুধুমাত্র কাজিনদের মধ্যে । পরিবারের যাঁরা ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত থাকবেনা, তাঁরাও ব্যবসার লাভের একটা ভাগ পেতে থাকবে ।
আড়াইশ বছর ধরে তাঁদের পারিবারিক এই নিয়ম একইভাবে চলে আসছে । এঁদের টার্গেট হলো, বিশ্বের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে ধীরে ধীরে সকল ধর্মকে ধ্বংস করে ইজরাইলকেন্দ্রিক একমাত্র বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা, যার মাধমে প্রতিষ্ঠিত করবে সেই প্রাচীন “কিংডম অব হেভেন” ।
অনেকে এটাকে conspiracy theory বলে, আবার অনেকে এটা সত্য বলেও মেনে নেয় । তবে রথ চাইল্ড পরিবার যে অনেক প্রভাবশালী ও ক্ষমতাবান একটি পরিবার, সেটা গুগলে Rothschild family সার্চ করলেই দেখতে পাবেন । ফ্রেন্স রেভুলেশন, ওয়াটার লু যুদ্ধ, ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফ তৈরি- সব কিছুর পেছনেই এই পরিবারের হাত রয়েছে ।

*ক্ষমতা* *ইতিহাস* *টাকা* *বিশ্ব* *অজানা* *বিষয়*

আমানুল্লাহ সরকার: (চিন্তাকরি) টাকা থাকলে ক্ষমতা এমনিতেই আসে আর তার অপব্যবহার করাটাও সহজ হয়ে যায়। টাকা থাকলে ক্ষমতার অপব্যবহার করার জন্য হাজার হাজার ভেজাল ও স্বার্থলোভী মানুষগুলোকেও মুহূর্তেই কিনে নেওয়া যায়। যারা টাকাওলার ক্ষমতায় অপকর্ম করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করে না(ঘৃণা)(ঘৃণা)(ঘৃণা) তবে এ ক্ষমতা কখনোই দীর্ঘস্থায়ী নয়। এ ক্ষমতারও বিনাশ আছে(মামাকিদেখলাম)(মামাকিদেখলাম)(মামাকিদেখলাম) বিনাশ দেখার অপেক্ষাই রইলাম(দোয়া)

*ক্ষমতা*

বাংলার বেদুঈন: *ক্ষমতা* একদিনের জন্যে ক্ষমতা পেলে দুটি কাজ করতাম. প্রমাণিত পরকিয়ার শাস্তি ফাসি আর দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা একদম ফ্রি.

Roksana Akter: *ক্ষমতা* ঢাকার পথ শিশুদের থাকা খাওয়ার কার্যকরী ব্যবস্থা করতাম ।

NURUL ISLAM: *ক্ষমতা*

Akhir Imtiaz Emon: *ক্ষমতা* education free করে দিতাম

শাকিল: *ক্ষমতা* হলো - নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষ্ গুলোর কাঁধে হাত রেখে তাদের আশস্ত করা....আছিতো তোমাদের সাথে সকল বিপদে-আপদে |

*ক্ষমতা*

লিটন: *ক্ষমতা* আর যেন কেউ ক্ষমতা না পাই ........

শারমিন বীথি: [রানী-আরভাললাগেনা]আমি *ক্ষমতা* চাই না প্রধানমন্ত্রীত্বও চাই না একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাই। (খুকখুকহাসি)

*ক্ষমতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★