খাঁটি মধু

খাঁটিমধু নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মধু প্রকৃতির এক শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। হাজারো গুণে ভরা মধুতে রয়েছে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ যা শরীরে শক্তি যোগায়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু পুরুষ ও মহিলাদের জটিল রোগ ছাড়াও হাজারো রোগের মহাষৌধ হিসেবে কাজ করে। কিন্তু জটিল সব রোগ সারাতে চাই শতভাগ খাঁটি মধু। কোথায় পাবেন শতভাগ খাঁটি মধুর নিশ্চয়তা? চলুন জেনে রাখি।

সরিষা ফুলের খাঁটি মধু

মধু কিনতে ক্লিক করুন

প্রকৃতিতে শুধুমাত্র এই সময়টাতেই বেশিরভাগ সরিষা ফুলের মধু পাওয়া যায়। কারণ জানুয়ারি মাসে সরিষা ক্ষেত ফুলে ফুলে ভরে যায় এবং সেই ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। সরিষা ফুলের খাঁটি মধু প্রতিদিন সকালে নিয়মিত খেলে আপনার শরীর ফুলের মত চাঙ্গা হয়ে উঠবে। এটি আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এলার্জি দূর করবে। গ্যাস ও ব্যাথা কমিয়ে দিবে। দুর্বলতা কাটিয়ে দেহে তাৎক্ষণিক এনার্জি সরবরাহ করবে। যারা সরিয়া ফুলের খাঁটি মধু কিনতে চান তারা নিচের লিংক থেকে ঘুরে আসুন।
সরিষা ফুলের খাঁটি মধু কিনতে ক্লিক করুন

ফার্ম ফ্রেশ মধু
মধু কিনতে ক্লিক করুন
বর্তমানে মধুর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া অনেকেই ব্যবসায়িক ভাবে এর উৎপাদন বেড়ে বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা খামারে মৌমাছি পালন করে মধু উৎপাদন করছে। এর জন্য একটি ঢোপ সিস্টেম বক্স এ কাঠের প্লেট সাজিয়ে মোমাছি পালন করা হয়। সরিষার, কালোজিরা এবং অন্যন্য ফুল থেকে মধু সংগ্রহের জন্য অনেকসময় মৌমাছির খাঁচাকে ফুলের কাছাকাছি স্থানে স্থাপন করা হয়। এ সময় মৌমাছিরা ফুলে ফুলে ঘুরে মধু সংগ্রহ করে। এভাবেই বিভিন্ন পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন এই মধু সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মধু হৃদপিণ্ডকে সুস্থ্য রাখে। শারীরিক সব দূর্বলতা কাটিয়ে দেয়। যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে। গ্যাস্টিক সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। সর্ব প্রকার রোগ প্রতিরোধে আপনি নিয়মিত ফার্ম ফ্রেম মধু খেতে পারেন।
 

সুন্দরবনের খাঁটি মধু
মধু কিনতে ক্লিক করুন
সুন্দরবনের মৌয়ালিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা খাঁটি মধু রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। অতি প্রাচীন কাল থেকেই কবিরাজরা ঔষধ হিসেবে মধু ব্যবহার করে আসছে। সব সময় পাওয়া যায় বলে কবিরাজদের কাছে সুন্দর বনের মধু বেশি ব্যবহৃত হয়। নারী পুরুষের জটিল সব রোগ সারাতে এই মধু বেশ কার্যকর। যারা খাঁটি মধুর সন্ধান করছিলেন তারা এখান থেকে মধু কিনে নিতে পারেন। এই মধূ আপনার শরীরের দূর্বলতাকে টেনে বের করে আপনার দেহকে শক্তিশালী ও মজবুত করে তুলবে। প্রতিদিন সকালে নিয়মিত এই মধু খেলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, এলার্জি থাকবে না, গ্যাষ্টিক থাকবেনা, পেটের সব ধরনের সমস্যার সমাধান হবে। এটি আপনার হার্ট সুস্থ্য রাখবে।
 

কোথায় থেকে কিনবেন?
মধু কিনতে ক্লিক করুন
যারা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে মধু কিনে প্রতারিত হয়েছেন বা খাঁটি মধু পাননি তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল ডটকম থেকে শতভাগ নিশ্চয়তার খাঁটি মধু কিনতে পারেন। এজন্য নিচে একটি লিংক শেয়ার করলাম। মধু কিনতে নিচের লিংক থেকে ঘুরে আসুন।
খাঁটি মধু কিনতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

*খাঁটিমধু* *স্মার্টশপিং*

ইসরাত: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খাঁটি মধু চেনা যায় কিভাবে ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*মধু* *খাঁটিমধু* *মধুচেনারউপায়*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহের সময় নিজে উপস্থিত থেকে মধু আনতে পারলে তবেই এর আসল-নকল নিয়ে কোন সন্দেহে ভুগবেন না আপনি। কিন্তু আপনার পক্ষে কী মৌচাক থেকে সব সময় মধু সংগ্রহ করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব না। তাই সবচেয়ে ভাল উপায়, কিছু সহজ পরীক্ষা জেনে নেওয়া। যার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার কেনা মধু খাঁটি না কি ভেজাল।

খাঁটি মধুতে কখনো পিঁপড়া ধরে না।তাই মধুর আসল-নকল নির্ধারণ করতে এক টুকরো কাগজে অল্প একটু মধু লাগিয়ে যেখানে পিঁপড়া আছে সেখানে রেখে দিন। তারপর অপেক্ষা করতে থাকুন। মধুতে যদি পিঁপড়া ধরে তাহলে বুঝে নেবেন আপনার কেনা মধুতে ভেজাল আছে।

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় খাঁটি মধু কখনো জমে না। তাই মধুর আসল-নকল পার্থক্য করতে এ পরীক্ষাটাও করতে পারেন। মধু ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। ভেজাল মধু হলে এটা জমে যাবে। আর না জমলেও ভেজাল মধুর নিচে জমাট তলানি পড়বে।

এক গ্লাস পানিতে এক চামচ পরিমাণ মধু দিন। তারপর আস্তে আস্তে গ্লাসটি নাড়া দিন। মধু পানির সাথে মিশে গেলে নিশ্চিতভাবেই সেটা ভেজাল মধু। আর মধু যদি ছোট ছোট পিণ্ডের আকারে গ্লাসের পানিতে ছড়িয়ে যায়, তাহলে সেটা খাঁটি মধু।

পরিষ্কার সাদা কাপড়ে অল্প একটু মধু লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। একটু পর কাপড়টি ধুয়ে ফেলুন। কাপড়ে দাগ থেকে গেলে বুঝতে হবে এই মধু নকল। আর কাপড়ে দাগ না থাকলে সেটা খাঁটি মধু।

 এই টিপসগুলো আপনাকে ‘সকল রোগের মহৌষধ’ হিসেবে পরিচিত খাঁটি মধু চিনতে অনেকটাই সাহায্য করবে।(সংগ্রহীত)

*টিপস* *খাঁটিমধু*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★