খেজুরগুড়

খেজুরগুড় নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খেজুর গুড় দিয়ে বাসায় কিভাবে গুড়ের জিলাপি বানাতে পারি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*খেজুরগুড়* *গুড়েরজিলাপি* *জিলাপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খেজুর গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সমন্ধে বিস্তারিত কেউ জানাতে পারেন কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*খেজুরগুড়* *হেলদিফুড* *স্বাস্থ্যউপকারিতা*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত তো প্রায় শেষ। নতুন খেজুর গুড়ের তৈরি মজাদার সব খাবারের স্বাদ আর বেশি দিন পাওয়া যাবে না। শীত মানেই পিঠা আর পায়েস খাওয়ার আনন্দ আর যদি হয় খেজুর গুড়ের পায়েস তাহলে তো কথাই নাই। অন্য কিছু না খেলেও খেজুর গুড়ের পায়েস খেতেই হবে। তবে সবাই কিন্তু ঠিক ঠাকভাবে খেজুর গুড়ের পায়েস তৈরী করতে পারে না। অনেকের ক্ষেত্রেই গুড় দেবার সাথে সাথে দুধ ফেটে যায়, ছানা কাটতে শুরু করে। সেটাও খুব একটা খারাপ হয় না খেতে তবে একটু টক টক লাগে আর ফ্রিজে রাখার কোনো উপায় থাকে না।  তবে আজ যেই রেসিপিটি দিচ্ছি সেটি হলো খেজুর গুড়ের ছানার পায়েস, যাতে গুড় দিলে দুধে ছানা কাটবে না অথচ পায়েসের প্রতি পরতে পরতে থাকবে ছানার স্বাদ।

উপকরণ :

ছানা ২৫০ গ্রাম
খেজুরের গুড় ৫০০ গ্রাম,
আতপ চাল ২৫০ গ্রাম,
চিনি ৬ চা চামচ
দুধ ২ লিটার,
নারকেল কোরানো ১ কাপ (না দিলেও চলবে)
তেজপাতা ২টা,
দারুচিনি ২ টুকরো,
কিশমিশ ১০-১৫টা

 

প্রস্তুত প্রণালী :

- এক লিটার দুধ ভালো করে জ্বাল দিয়ে গরম অবস্থায় সামান্য ভিনিগার বা লেবুর রস দিলেই দুধে ছানা কেটে যাবে। এবার ছাঁকনিতে ছেঁকে পানি ফেলে দিয়ে ছানা ভালো করে ধুয়ে সাদা পাতলা কাপড়ে ভালো করে জল ঝেড়ে নিয়ে আধ ঘন্টা পুটলি করে বেঁধে রাখতে হবে। এবার পুটলি থেকে ছানার মণ্ড বের করে হাত দিয়ে ভালো করে ম্যাশ করে নিয়ে গ্রেটারে গ্রেট করে নিতে হবে। এক লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম ছানা হবে।
-গুড় ভেঙ্গে ছোট ছোট টুকরো করে ম্যাশ্ড করে নিন।
-অথবা একটি পাত্রে ১ কাপ পানি গরম করুন। পানি গরম হয়ে এলে এতে গুড়ের টুকরোগুলো দিয়ে দিন এবং নাড়তে থাকুন। গুড় গলে গেলে নামিয়ে ফেলুন। গুড় ঠান্ডা হয়ে এলে ছেঁকে নিন।
-চাল ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
-একটি পাত্রে দুধ নিয়ে চুলোতে বসান। দুধ ফুটে অর্ধেক হয়ে ঘন হয়ে গেলে এতে তেজপাতা, দারুচিনি ও চাল, চিনি দিয়ে দিন।
-চাল ফুটে গেলে ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। পায়েস ঘন হয়ে এলে চুলা নিভিয়ে ঠান্ডা করে এতে ধীরে ধীরে গুড় ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন। এরপর গ্রেট করা ছানা পুরো পায়েসে ছড়িয়ে দিন। 
-এরপর এতে নারকেল, কাজু ও কিশমিশ দিয়ে নেড়ে দিন।
-ঢেকে রাখুন, এরপর দু মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন।
-পায়েস গরম বা ঠান্ডা দুভাবেই পরিবেশন করতে পারেন।

*খেজুরগুড়* *ছানারপায়েস* *গুড়েরপায়েস* *পায়েস* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের নতুন গুড় দিয়ে সন্দেশ না হলেই নয়।, তাই পরিবারের সবাইকে চমকে দিয়ে নিজেই বানিয়েছিলাম খেজুর গুড়ের সন্দেশ। চলুন আপনাদের শিখিয়ে দেই এই সহজ রেসিপিটি।

উপকরনঃ
ছানার জন্য
• দুধ- ৪ কেজি,
• লেবুর রস - ১/২ কাপ (মাঝারি সাইজের দুটি লেবু নিলেই চলবে) অথবা আধা কাপ ভিনিগার
এছাড়া লাগছে খেজুরের গুড় ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঘি ১ টেবিল-চামচ ও এলাচগুঁড়া ১ চা-চামচ।

সময় : সব মিলে এক থেকে দেড় ঘন্টা।

প্রণালীঃ
* দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন, বলগ আসলে লেবুর রস বা ভিনিগার দুধের চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে, তারপর ঢেকে রাখতে হবে।
* দুধ থেকে ঘোলাটে পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছাঁকনির উপর একটি পরিষ্কার সুতি বা মসলিন কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে, তারপর ছানার উপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে যে লেবুর গন্ধ পুরোপুরি চলে যায়, এরপর আবারো ভালো করে চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এবং ভালো করে কাপড়টি গিট্ বেঁধে কোথায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা।
* এরপর কাপড় থেকে গোল ছানার পিন্ডটি কোনো বোরো থালা বা ট্রেতে নিয়ে, হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।
* গুড় ভেঙে নিন। ছানা হাতের তালুতে দিয়ে হালকা মাখান। কড়াইতে গুড় জ্বাল দিন। গুড় গলে নরম হলে ছানা দিন।
*কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চিনি, ঘি ও এলাচগুঁড়া মিশিয়ে দিন। মৃদু আঁচে ঘন ঘন নাড়ুন। ছানা চটচটে হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
* এবার হাত দিয়ে ভালো করে মেখে মসৃণ করে ট্রে’র মধ্যে ঘি মাখিয়ে ছানা ঢেলে দিন। চেপে চেপে সমান করে নিন। 
* ঠান্ডা হলে পছন্দ মতো ছাঁচের আকারে অথবা স্কয়ার শেপে অথবা বরফি আকারে ছুরি দিয়ে কেটে পরিবেশন করুন।

 

 

*শীতকাল* *নলেনগুড়* *খেজুরগুড়* *নলেনগুড়েরসন্দেশ* *গুড়েরসন্দেশ* *সন্দেশ* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খেজুর গুড়কেই কি ‘নলেন গুড়’ বলা হয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*খেজুরগুড়* *নলেনগুড়*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খেজুর গুড়ের সন্দেশের রেসিপি জানতে চাই l

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*খেজুরগুড়* *সন্দেশ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতকাল মানেই চিনির উপর আস্থা কমিয়ে বেশি বেশি খেঁজুরগুড় খাওয়া। পায়েস থেকে শুরু করে মিষ্টি সবকিছুতেই খেঁজুর গুড় বেশ মানায়। খেঁজুড় শুধু খেতে ভাল এটা কিন্তু মূল কথা না আসল কথাটি হলে খেঁজুর গুড়ে এমন কিছু উপাদান  রয়েছে যা আপনার বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান দেবে। আর আপনার ত্বককে করে তুলবে আরো সুন্দর ও তন্বী। চলুন খেঁজুর গুড়ের সেসব  গুণের কথা জেনে নেই যা আপনি এখনও জানেন না!


রক্ত পরিষ্কার করে: 
গুড় লিভার থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের করে দেয়। আর তার ফলে রক্ত পরিষ্কার হয়। তাই ত্বকও হয় উজ্জ্বল।

রক্ত স্বপ্লতা দূর করে: 
গুড়ের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। তাই রোজকার ডায়েটে যদি আপনি গুড় রাখেন তাহলে দেহে ব্লাড সেল গঠনের হার অনেক বেরে যায় ফলে আয়েনের অভাবজনিত রোগ যেমন দুর্বল লাগা, চুল পড়া, রক্ত শূন্যতা এগুলোর হার অনেকাংশে কমে যায়।

ব্রণ দূর করে: 
গুড় যেহেতু রক্ত পরিষ্কার করে দেহের থেকে দূষিত পদার্থ বার করে দেয়, তাই কম যায় ব্রণ হওয়ার প্রবণতা। সেই সঙ্গে দূর হয় চর্ম রোগও।

ওজন কমাতে সাহায্য করে: 
গুড়ে রয়েছে এমন কয়েকটি ভিটামিন ও মিনারেল যা দেহের ইলেকট্রলাইটস ভারসাম্য বজিয়ে রাখে। এছাড়া গুড়ে উপস্থিত পটাশিয়াম দেহে অতিরিক্ত জল জমতে দেয় না। তাই যারা ওজন বাড়ার ভয়ে চিনি বা মিষ্টি  ছেড়েছেন, তারা বিনা দ্বিধায় গুড় খেতে পারেন।

সর্দি-কাশি তাড়ায়: 
শীত কালে কম-বেশি সবার সর্দি-কাশি হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন এক টুকরো গুড় দূর করবে আপনার সর্দি-কাশি। সর্দি হলে একটু গুড় খেয়ে দেখুন। দেখবেন স্বস্তি বোধ করবেন।

বন্ধুরা, তাহলে শীতের এই সময়টাতে চলুন চিনির উপর আস্থা কমিয়ে মিষ্টি স্বাদের খেঁজুর গুড় খাই। 
*খেঁজুরগুড়* *গুড়* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণঃ মিহি বাটা চালের গুঁড়া ২ কাপ, ক্ষিরসা আধা কেজি, খেজুর গুড় ১ কাপ, তেল ১ কাপ।

প্রণালীঃ প্রথমে চালের গুঁড়া ও গুড় পানি দিয়ে মিশিয়ে পাতলা গোলা তৈরি করুন। এবার চুলায় ফ্রাইপ্যান গরম হলে তেল ব্রাশ করে তাতে চামচ দিয়ে গোলা ছড়িয়ে দিন। ওই রুটির ওপর ক্ষিরসা দিয়ে পুর ভরে পাটিসাপটার ভাঁজ করে এপিট-ওপিঠ ছেঁকে তুলে নিন। এভাবে সব ভেজে নিন।

ক্রেডিটঃ রান্না-বান্না
*শীতেরপিঠা* *মজারখাবার* *খেজুরগুড়* *রেসিপি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★