খেলাধূলা

খেলাধূলা নিয়ে কি ভাবছো?

নিউজ ফ্ল্যাশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে অত্যান্ত শ্রদ্ধেয় এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া সাংবাদিক ও কলাম লেখক জনাব ইকরামুজ্জামান খুব সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য এআইপিএস এশিয়া এ্ওয়ার্ড অর্জন করায় বাংলাদেশ স্পোর্টস কমেন্টেটরস ফোরামের (বিএসসিএফ) পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন জানান হচ্ছে। এক অভিনন্দন বার্তায় ফোরামের সভাপতি আলফাজ উদ্দিন আহমেদ, শামিম আশরাফ চৌধুরী, ডা. অনুপম হোসেন, সাঈদুর রহমান, সামসুল ইসলাম এবং জৈষ্ঠ ক্রীড়া ভাষ্যকারগণ ক্রীড়া সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জনাব ইকরামুজ্জামানের  কৃতিত্বপূর্ণ অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসায় তাঁকে বিশেষ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তুর্কেমেনিস্তানের রাজধানী আসখাবাদে তুর্কেমেনিস্তান স্পোর্টস  মিডিয়া ফোরামের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশন (AIPS) এশিয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ জনাব ইকরামুজ্জামান এ সম্মাননা অর্জন করেন। এশিয়া, অফ্রিকা এবং ইউরোপের প্রায় ২৯টি দেশের বেতার, টেলিভিশন এবং প্রিন্ট মিডিয়ার স্পোর্টস ব্রডকাস্টার এবং ক্রীড়া সাংবাদিকগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ইকরামুজ্জামান AIPS এশিয়ার নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সহ-সভাপতি হিসেবে ২০০২-২০১০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, AIPS ১৯২৪ সালে এর যাত্রা শুরু করে কিন্তু AIPS-এশিয়া তাদের কার্যক্রম শুরু করে ১৯৭৮ সাল থেকে।

ইকরামুজ্জামান ১৯৬৭ সালে দৈনিক আজাদের মাধ্যমে ক্রীড়া বিষয়ক লেখালেখি শুরু করেন। পরবর্তিতে তিনি দেশের একাধিক প্রথম শ্রেণীর পত্র-পত্রিকায় বাংলা এবং ইংরেজিতে ক্রীড়া বিষয়ক কলাম লিখতেন। ইকরামুজ্জামান কৃতজ্ঞতার সাথে আরো জানান ১৯৬২ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ঢা.বি সাংবাদিকতা বিভাগের প্রফেসর, ক্রীড়া লেখক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার আতিকুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে পূর্ব পাকিস্তান ক্রীড়া লেখক সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া লেখক, সাংবাদিক এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির যাত্রা শুরু হয়েছিল। একই বছর বন্দর নগরী চট্রগ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট ক্রীড়া লেখক, সাংবাদিক, ক্রিকেট সাহিত্যিক এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া ভাষ্যকার বদরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি চট্রগ্রাম বিভাগীয় শাখার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এই তিনজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির নিকট ইকরামুজ্জামান বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ কারন এদের সান্নিধ্যেই তিনি তৎকালীন সময়ে তাঁর ক্রীড়া সাংবাদিকতা ক্যারিয়ার শুরু করে এগিয়ে নিতে পেরেছিলেন। 

*ক্রীড়াসাংবাদিক* *পুরস্কার* *খেলাধূলা*

রানা মাসুদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

তুমি শেষ !!!
ওয়েস্টেন্ডিজ যখনি ছক্কা মারলো তখনি আমার হাতের তালু ব্যাথা হয়ে গেলো। আহ কি যে মঝা লেগেছিলো। শুভ কামনা থাকলো “ক্যারিবিয়ানদের” জন্য।
*খেলাধূলা* *টিটুয়েন্টি*

মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবীব): মনের ভিতর দুঃখ নিয়েই চোখদুটো বুজাতে হচ্ছে ! (কান্না২) (ফুঁপিয়েকান্না)

*খেলাধূলা* *ক্রিকেট*

আমানুল্লাহ সরকার: (বৃষ্টি)(বৃষ্টি)আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী... বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা ছয়টার আগ পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টি হতে পারে। প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাই দু’দলের গেম প্ল্যান থাকছে বৃষ্টিকে ঘিরে। অপরদিকে, সকাল থেকেই আকাশে চলছে মেঘের ঘনঘটা। জানা গেছে, রিজার্ভ ডে থাকায় কিছুটা নির্ভার থাকছে দু’দল।

*ক্রিকেট* *খেলাধূলা* *বৃষ্টিপাত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

2011 সালে বাংলাদেশের মাটিতে অষ্ট্রেলিয়া 3 টা ওয়ানডে খেলতে এসেছিল।... মুশফিক ম্যাচের আগে বলেছিল, "আমরা ম্যাচ জিতেই মাঠ ছাড়ব" ... কিন্তু সেই ম্যাচ বিশাল ব্যাবধানে হারার পর পুরা সিরিজ হোয়াইট ওয়াশ হয়েছিলাম।... শেনওয়াটসন এক এর পর এক রেকর্ড করে গিয়েছিল। ... তখন কি মুশফিক এর কথা শুনে অষ্ট্রেলিয়া আমাদের গালি দিয়েছিল?
ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপান মাঠে নামার আগে অধিনায়ক বলেছিল, "ব্রাজিল কে হারানো আমাদের ব্যাপার না।...আমরা জিততেই মাঠে নামব"... এতে কি ব্রাজিলের মান সম্মান শেষ হয়েছিল?...
---

অনেক গালি হয়েছে ... “আফগান 11 অলরাউন্ডার কোথায়?” “নাবীর মায়েরে ...,” “বিশ্বকাপ ওগোর ---- ঢুকায় দিছি” ইত্যাদি ইত্যাদি ...বুঝলাম না, নাবীর দোষ কোথায়?... কোন দলের বিরুদ্ধে জিততে চেয়ে মাঠে নামতে চাওয়া অপরাধ?... আমরা যখন সাউদ আফ্রিকা অষ্ট্র্বেলিয়ার বিপক্ষে খেলি, তখন আমরা ও এমনই বলি।... এটা খেলার অংশ।... এটা নিজেদের মনোবল বাড়ানোর একটা কৌশল।... তাই বলে এতে বিপক্ষ দলের মান সম্মান কমে না।... ওদের গালি না দেই।... আশা করি বাংলাদেশ পরের ম্যাচ গুলোতে নিজেদের "সেরা" দেখাবে।...
...

সেরাটা প্রমান হয় মাঠে, ফাকা গলায় আর নীল ফেসবুকে না। ... হ্যাপি ফেসবুকিং, হ্যাপি বিশ্বকাপ।

*বাংলাদেশ-না-আফগানিস্তান* *ক্রিকেট* *খেলাধূলা*
*ক্রিকেট* *খেলাধূলা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে আগামীকালের ম্যাচটিতে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে ওডিআইতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। সাকিব ১৪১ ম্যাচে ৩৪.৫৮ গড়ে করেছেন ৩৯৭৭ রান। অর্থাৎ আর মাত্র ২৩ রান করলেই প্রথম বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখাবেন ৪০০০ রানের এলিট ক্লাবে। ৩৯৭৭ রান করতে সাকিব বাউন্ডারি হাকিয়েছেন ৩৫২ টি এবং ছক্কা মেরেছেন ২৯ টি। হাফসেঞ্চুরী করেছেন ২৬ বার এবং সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন ৬ বার। যেটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের পক্ষে যেকোন ব্যাটসম্যানের সর্বাধিক সেঞ্চুরি।

খুব একটা পিছিয়ে নেই ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালও। ১৩৫ ম্যাচে ২৯.৮৫ গড়ে তামিমের সংগ্রহ ৩৯৭১ রান। ৪০০০ রান হতে বাকি মাত্র ২৯ রান। ৩৯৭১ রানের মাঝে রয়েছে ৪৪৭ টি বাউন্ডারি ও ৫২ টি ছয়ের মার। ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ২৭ বার হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এবং ৪ বার সেঞ্চুরি করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন তামিম ইকবাল।

ওপেনার হিসেবে প্রথম ৪০০০ হাজার রান করার সুযোগটা তামিমেরই বেশি। যদিও সাকিবের লাগবে মাত্র ২৩ রান। আশাকরি দুজনই কাল তাদের ৪০০০ রান পুর্ণ করবেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সুচনা করবেন। সবমিলিয়ে কে হতে যাচ্ছে প্রথম ৪০০০ রানের মালিক? জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে কালকের বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্থানের ম্যাচ পর্যন্ত।

এগিয়ে যাও টাইগার্স, জয় তোমাদের সুনিশ্চিত ! অপেক্ষায় আছি আমরা ১৬ কোটি বাংলাদেশী।
#রিসেঅফ্থেতিগের্স
*ক্রিকেট* *বাংলাদেশ* *খেলাধূলা* *সাকিব-আল-হাসান*
*ক্রিকেট* *বাংলাদেশ* *খেলাধূলা* *সাকিব-আল-হাসান* *বাংলাদেশ* *খেলাধূলা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাইমন বার্নস তার ‘বুক অব হিরোস’ বইয়ে লিখেছেন, হিরোরা না থাকলে খেলাধুলা ব্যাপারটা আমাদের এভাবে নিয়ন্ত্রিত করতে পারত না; খেলাধুলার জনপ্রিয়তার স্বার্থেই হিরোদের উপস্থিতি জরুরি।
 
শচীন টেন্ডুলকার প্রসঙ্গে লিখতে গিয়ে সমবিত বাল আরেক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, শুধু খেলাধুলার জন্য নয়, জীবনের জন্য হিরোদের প্রয়োজন।
 
বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের সম্পর্কে এই কথার চেয়ে সত্যি আর কী হতে পারে! মহান মুক্তিযুদ্ধের পর আমাদের জীবনে আর কোনো নায়ক আসেনি। কখনো ফুটবলে, কখনো ক্রিকেটে, কখনো পর্দায় আমরা নায়কের সন্ধান করেছি। যে নায়ক এ সম্যসা জর্জরিত বাস্তব জীবন ভুলিয়ে আমাদের স্বপ্ন দেখাতে পারবেন। অবশেষে সাহস করে বলা যায়, সাকিব আল হাসান আমাদের সেই নায়ক হয়ে উঠতে পেরেছেন।
 
কীভাবে কবে সাকিব নায়ক হয়ে উঠলেন? সাবিক এমন কেন? সাকিব কেন আমার আপনার মতো নয়? বড় সরল প্রশ্নগুলোর জটিল উত্তর খোঁজা হয়েছে ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বই জুড়ে।
 
বিশ্ব ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে লেখা বরেণ্য ক্রীড়া সাংবাদিক দেবব্রত মুখোপাধ্যায়’র লেখা এই বইটিই এবারের মেলা বাজিমাত করে চলছে।
 
অমর একুশে গ্রন্থমেলার দ্বিতীয় দিন (২ ফেব্রুয়ারি) দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ঐতিহ্য’ ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বইটি মেলায় আনে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মেলার ১৭তম দিন পর্যন্ত ঐতিহ্য’র বেস্ট সেলার (সর্বাধিক বিক্রিত) বইয়ের শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে এটি।
 
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহ্য’র স্টলে গিয়ে দেখা যায় ক্রিড়ামোদী তো বটেই বই পড়ে যারা রাসাস্বদন করতে চান তাদের অনেকেই ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বইটি কিনছেন। এদেরই একজন রবিউল ইসলাম।
 
একটি বেসরকারি কলেজের তরুণ এই শিক্ষক বাংলানিউজকে বলেন, কিছু কিছু মানুষের জন্ম হয় ইতিহাস সৃষ্টির জন্য। তারা যেদিকে যান, সেদিকে ঘোরে ইতিহাসের মোড়। যেখানে হাত দেন সেখানেই ফলে সোনা। এদেরই একজন সাকিব আল হাসান। তার সম্পর্কে জানার আগ্রহ থেকে বইটি কেনা।
 
বিশ্বের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ব্যাট-বল হাতে মাঠ কাঁপান। তাকে নিয়ে লেখা ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বইটি অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫ ‘কাঁপাবে’- এমনটিই বিশ্বাস ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র কৌশিক ইমরোজের।
 
তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টায় এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে বাংলাদেশ। আশা করছি, সাকিবের অলরাউন্ড পারফরমেন্সে বাংলাদেশ জিতবে। বাংলাদেশ দলের প্রতি শুভকামনার প্রতীক হিসেবে সাকিবকে নিয়ে লেখা বইটি কিনলাম।
 
বইটির বেচা-কেনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঐতিহ্য’র নির্বাহী পরিচালক আমজাদ হোসেন কাজল বাংলানিউজকে বলেন, এবারের বইমেলায় এখন পর্যন্ত সর্বাধিক বিক্রিত বইয়ের তালিকায় ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বইটি শীর্ষে রয়েছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে এখন পর্যন্ত কতগুলো কপি বিক্রি হয়েছে সে সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি নন এতিহ্য’র এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সাধারণত মেলা চলাকালীন বিক্রিত বইয়ের সংখ্যা আমরা বলি না। মেলার পরে এটি বলা যাবে। 
 
এদিকে মেলার অন্যসব স্টল ও প্যাভিলিয়নে বিখ্যাত বা সদ্য প্রয়াত লেখকদের পোস্টার টাঙানো থাকলেও ঐতিহ্য’র স্টলে শোভা পাচ্ছে ‘সাকিব আল হাসান: আপন চোখে ভিন্ন চোখে’ বইয়ের কাচের ফ্রেমে বাঁধানো প্রচ্ছদ।
 
আগে থেকে কেউ যদি বইটির খবর না জেনে থাকেন, তাহলে তার কাছে মনে হতেই পারে বই লিখে লেখক বনে গেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রাণভ্রমোরা সাকিব আল হাসান। কারণ, বিখ্যাত কোনো লেখকের ছবি ছাড়া প্রসিদ্ধ কোনো স্টলে এ ধরনের আলোচিত্র স্থান পাওয়ার নজির বিরল।
*ক্রিকেট* *সাকিব-আল-হাসান* *বইমেলা* *বই* *সাকিববন্দনা* *খেলাধূলা*
*সাকিব-আল-হাসান* *বইমেলা* *বই* *সাকিববন্দনা* *খেলাধূলা* *নতুনবই* *বইমেলা২০১৫*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাতৃগর্ভে একসঙ্গে বাস,পৃথিবীর আলো দেখা কিছুক্ষণের ব্যবধানে। এরপর একসঙ্গে ক্রিকেট খেলা। বলছি ক্রিকেটার যমজ ভাইদের কথা। চলুন আজ এমন কয়েকজন যমজ ক্রিকেটারের গল্প শোনা যাক।

স্টিভ ও মার্ক ওয়াহঃ স্টিভের চার মিনিট পর পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন মার্ক। আন্তর্জাতিক অভিষেকেও পেছনে মার্ক। স্টিভের ছয় বছর পর টেস্ট অভিষেক হয় মার্কের। ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিলো অবশ্য আরও বছর তিনেক আগেই। মার্কের টেস্ট অভিষেকটাও ক্রিকেটের অমর এক গল্প। দলে সুযোগ পেয়েছিলেন যমজ বড় ভাই স্টিভের বদলে! আর অভিষেকেই দেখিয়েছিলেন দারুণ চমক। তবে স্টিভ ফিরেছিলেন দ্রুতই। পরবর্তী প্রায় এক যুগ ওয়াহ ভাইয়েরা ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা। দু'জনে টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে খেলেছেন ৮৬৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। করছেন ৩৫ হাজারের বেশী আন্তর্জাতিক রান,নিয়েছেন ৪৩১টি উইকেট এবং ৫১২টি ক্যাচ। এই পরিসংখ্যানের পর ওয়াহদের নিয়ে আর কিছু বলার প্রয়োজন মনে হয় নেই।
একসঙ্গে খেলাই শুধু নয়,একই রুমে দীর্ঘদিন থেকেছেন দু'জন,বেড়ে ওঠেছেন একসাথে। তার পরেও খেলার ধরণ,ব্যক্তিত্ব সবকিছুতেই দু'জন ছিলেন আলাদা। এই প্রেক্ষাপট থেকেই জন্ম ক্রিকেটের বিখ্যাত স্লেজিংগুলোর একটির। ২০০১ সালে ওভাল টেস্টে অভিষিক্ত ইংলিশ পেসার জিমি আরমন্ডকে মার্কের স্লেজিং,"মেট,তুমি এখানে কী করছো? তুমি তো টেস্ট খেলার যোগ্যই নও!" জবাবে আরমন্ড বলেন,"হয়তো তোমার কথাই ঠিক,তবে আমি অন্তত আমার পরিবারের সেরা ক্রিকেটার!"

হ্যামিশ ও জেমস মার্শালঃ ২০০৫ সালে অকল্যান্ড টেস্টে বড্ড বিপাকে পড়েছিলেন রিকি পন্টিং। কারণ কিউইদের হয়ে তখন একসঙ্গে ব্যাট করছিলেন মার্শাল যমজরা। রিকি বুঝতেই পারছিলেন না কোন জন কে! দুই ভাই দুই ব্র্যান্ডের ব্যাট নিয়ে খেলছিলেন বলে রক্ষা। অবিকল চেহারা,প্রায় একই উচ্চতা,শারীরিক গঠন আর কোঁকড়ানো চুল মিলিয়ে দুই মার্শালকে আলাদা করতে গলদঘর্ম হতে হয় পরিচিত জনদেরও। একসঙ্গে টেস্ট খেলা ১ম 'আইডেন্টিক্যাল' বা একই রকম চেহারার যমজ নিউজিল্যান্ডের এই দুই ভাই। এখন দু'জনের বয়স ৩৫ বছর। তবে ভালো ফর্ম ধরে রাখতে না পারায় দু'জনেই এখন দলের বাইরে।

দুই ডেন্টনঃ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারেননি দু'জনের কেউই। তবে দীর্ঘদিন নর্দাম্পটনশায়ারের ইনিংস ওপেন করেছেন বিলি ও জন ডেন্টন। দুজনেই খেলেছিলেন একশর বেশী ম্যাচ। পরে এই যমজদের ছোট ভাই ডন ডেন্টনও প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট খেলেছিলেন।

ডাডলি ও সিডনি রিপনঃ কেনসিংটনে জন্ম,কিন্তু দুজনেই খেলেছেন সামারসেটের হয়ে। ডেন্টনদের মতো তাদেরও আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি কখনই। এই দু'জনও ছিলেন ওপেনার ব্যাটসম্যান। একসাথে ব্যাট করার সময় যথেষ্ঠই গোলমাল বেধে যেতো স্কোরারের। ১৯১৪ সালে নর্দাম্পটনে এক ম্যাচে স্কোরারের তো পাগল হওয়ার মতো অবস্হা হয়েছিলো। কারণ সামারসেটের হয়ে ইনিংস ওপেন করেছিলেন রিপন যমজরা,অপর দিকে নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে ইনিংস শুরু করেছিলেন ডেন্টন যমজরা!

দুই মাতামাবানাদজোঃ জিম্বাবুয়ের হয়ে মাত্র ৩টি টেস্ট ও ৭টি ওয়ানডে খেলেছেন। কিন্তু নামটাই তাকে মনে রাখা বা ভুলে যাওয়ার জন্য যথেষ্ঠ-এভারটন ভিকমবোরেরো মাতামবানাদজো! ভালো একজন ফাস্ট বোলার ছিলেন,কিন্তু পিছু না ছাড়া চোটের কারণে মাত্র চব্বিশ বছর বয়সেই ছেড়ে দেন ক্রিকেট খেলা। এভারটনের যমজ ভাই ডারলিংটনও খেলেছেন প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট।

ডেভিড ও জোনাথন ভ্যারিঃ যমজদের একসঙ্গে খেলার নজিরতো কতই আছে,কিন্তু দু'জন দুই দলে? এখানেই আলাদা হয়ে আছেন ডেভিড ও জোনাথন ভ্যারি। ডেভিড পড়তেন কেমব্রিজে,জোনাথন অক্সফোর্ডে। এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট মাঠে মুখোমুখি হতো নিয়মিতই,যমজ ভাইয়ের লড়াইও তাই জমতো দারুণ। জোনাথন ছিলেন পেস বোলার। ১৯৮২সালের এক ম্যাচে ডেভিডকে আউট করেন জোনাথন। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি তাদেরও।

দুই বেডসারঃ মুখাবয়বে যেমন,তেমনি সাদৃশ্য ছিলো শারীরিক গড়নেও। দু'জনেই ছিলেন সুঠামদেহী,দূর থেকে আলাদা করা যেতোনা। তবে একজন ছিলেন পেসার অন্যজন স্পিনার। এ নিয়েও মজার এক গল্প আছে,ছেলেবেলায় দু'ভাই টস করে ঠিক করেছিলেন কে পেস বল করবেন আর কে স্পিন। টসে জিতে আলেক বেডসার বেছে নিয়ে ছিলেন পেস বোলিং। নিজের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে পরে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন ৫১টি টেস্ট। সর্বকালের সেরা মিডিয়াম পেসারদের একজন মনে করা হয় স্যার আলেক বেডসারকে। এরিক বেডসার টেস্ট ক্যাপ পরার সুযোগ পাননি। তবে দুই দশক কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছেন বেশ দাপটের সাথেই।

সিগন্যাল বোনেরাঃ ক্রিকেটের বিখ্যাত যমজদের কথাতো অনেকেই জানেন,কিন্তু একসঙ্গে টেস্টে অভিষেক হওয়া যমজদের কথা ক'জন জানেন? তথ্যটি তাই অনেকের জন্যই আসবে বিস্ময় হয়ে,একসঙ্গে টেস্টে অভিষেক হওয়া যমজ ক্রিকটার কিন্তু ছেলে ক্রিকেটার নয়,মেয়ে ক্রিকেটার! জন্মই শুধু একসঙ্গে নয়,লিজ ও রোজ সিগন্যাল নিউজিল্যান্ড মহিলাদলে সুযোগ পেয়েছিলেন একসাথে। ১৯৮৪ সালে তাদের টেস্ট অভিষেক হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে,হেডিংলিতে।

*খেলাধূলা* *ক্রিকেটরঙ্গ* *যমজ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক পাকিস্তানের অধিনায়ক মিসবা উল হক। গত ২ নভেম্বর ২০১৪ ইং তারিখ রোববর আবুধাবি টেস্টের চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিসবা উল হক মাত্র ৫৬ বলে শতরান করে ভিভিয়ান রিচার্ডসের রেকর্ড স্পর্শ করে নতুন রেকর্ড গড়লেন।

এর আগে ১৯৮৫ সালে সেন্ট জনসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৫৬ বলে শতরান করেছিলেন ভিভ। এর মাঝে অনেক রেকর্ড ভাঙা গড়া হলেও এই রেকর্ডটাকে কেউ ছুঁতে বা টপকাতে পারেননি। অ্যাডাম গিলক্রস্ট ৫৭ বলে শতরান করে রেকর্ডের খুব কাছে এসেছিলেন। অবশেষে সেই রেকর্ড ছুঁলেন এমন একজন যাকে বিশ্ব ক্রিকেট চেনে ধীরগতির ব্যাটসম্যান হিসাবেই। মিসবা এদিন সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১১টি বাউন্ডারি ও ৫টি ওভার বাউন্ডারি মাধ্যমে। এর আগে মাত্র ২১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন মিসবা। অল্পের জন্য ভিভকে টপকাতে না পারলেও মিবসার এই ইনিংস সবাইকে চমকে দিল। মিসবার দ্রুততম শতরানে ঢাকা পড়ে গেলে দুই ইনিংসে আজহার আলির করা শতরান।

দুবাই টেস্টের ইউনিস খানের মত এই টেস্টের উভয় ইনিংসেই শতরান করলেন আজহার আলি। আজহার আলি শতরান পূর্ণ করার পর দ্বিতীয় ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন মিসবা। ম্যাচ জিততে হলে অস্ট্রেলিয়াকে চতুর্থ ইনিংসে করতে হবে ৬০৩ রান। বলাই বাহুল্য ম্যাচের বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন ক্লার্করা সিরিজ জয় নিশ্চিত অস্ট্রেলিয়ার। ভিভের রেকর্ড না ভাঙতে পারলেও মিসবা ভাঙলেন জাক কালিসের ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি করার রেকর্ড। এমনকী সবচেয়ে তাড়াতাড়ি হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডও ভেঙে দিলেন পাক অধিনায়ক। ক্রিজে নামার মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যেই হাফ সেঞ্চুরি করেন পাক অধিনায়ক। ক্রিজে নামার মাত্র ২৭ মিনিটের মধ্যেই টেস্টে হাফ সেঞ্চুরি করে এতদিন রেকর্ডটা ছিল বাংলাদেশের মহম্মদ আশরাফুলের। মিসবা ম্যাজিকে সেই রেকর্ডও ভেঙে চুরমার। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের কার্যত ক্লাবস্তরে নামিয়ে আনেন মিসবা।
*ক্রিকেট* *ক্রিকেটরেকর্ড* *খেলাধুলা* *খেলাধূলা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে




পরপর বেশ কয়েকটি ম্যাচে টানা শূন্য রানের রেকর্ড! ক্রিকেটের অনাকাঙ্খিত রেকর্ডগুলোর ‘সেরা’ এটি! চেষ্টা করলে হয়তো অনেক রেকর্ড অনেকে নতুন করে গড়তে পারবেন। কিন্তু এই রেকর্ড মনে হয় চেষ্টা করেও করা সম্ভব না! অবশ্য কেউ চেষ্টা আসলেই করবেন কিনা, সেটাও দেখার বিষয়!

ওয়ানডে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি টানা ৪ বার শূন্য রানের রেকর্ড ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার অগাস্টিন ল্যুরেন্সলজির। অগাস্টিন সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেন ১৯৯৩ সালে। তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে পরপর চার ইনিংসে শূন্যরানে আউট হোন। অগাস্টিনের সাথে এই রেকর্ডে ভাগ আছে আরো তিনজনের! তারা হলেন লঙ্কান ক্রিকেটার প্রমদ্ম বিক্রমসিংহে, জিম্বাবুয়্যান হেনরি ওলোঙ্গা এবং ইংলিশ ক্রিকেটার গ্রেইগ হোয়াইট। তবে সবার আগে ‘কৃতিত্ব’ গড়েন অগাস্টিনই। (সূত্রঃ ইন্টারনেট)
*ক্রিকেটরেকর্ড* *শূন্যরান* *ক্রিকেট* *খেলাধুলা* *খেলাধূলা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


নারভাস নাইনটিনে বা নড়বড়ে নব্বইয়ে সবচেয়ে বেশিবার আউট হয়েছেন কে? এ প্রশ্নের উত্তর খুব সোজা। কারন যার হাতে ক্রিকেটের প্রায় সবগুলি রেডর্ক বন্দি তাকে তো সবাই চেনেন।

নারভাস নাইনটিনে বা নড়বড়ে নব্বইয়ে সবচেয়ে বেশিবার আউট হওয়া ব্যাটসম্যান হলেন শচীন টেন্ডুলকার।  ক্রিকেট খেলাটাকেই তিনি নিজ কাঁধে নিয়ে বয়ে চলেছেন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে।  ৪৬৩ ম্যাচের লম্বা ক্যারিয়ারে  ১৮ বার নব্বইয়ের ঘরে আটকে গেছেন তিনি। ওয়ানডে ব্যাটিংয়ের প্রায় সব ঈর্ষনীয় রেকর্ডের মালিক ‘লিটল মাস্টার’ এর এই রেকর্ডেই প্রমাণ ক্রিকেট কতোটা রহস্যময় খেলা!
*ক্রিকেটরেকর্ড* *শচীনটেন্ডুলকার* *ক্রিকেট* *খেলাধুলা* *খেলাধূলা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জনপ্রিয় একটি গ্রামীণ খেলার নাম দাঁড়িয়াবান্দা।দাঁড়িয়াবান্দা খেলাটি আপনারা কে কে খেলেছেন? এই খেলাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*খেলাধুলা* *খেলাধূলা* *গ্রামীণখেলাধুলা* *দাঁড়িয়াবান্দা* *গ্রামীণখেলা* *গ্রামীনখেলা*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট। আপনার প্রিয় খেলা কোনটি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*খেলাধুলা* *ক্রিকেট* *ফুটবল* *ভলিবল* *হকি* *টেনিস* *খেলাধূলা* *দাবা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★