খোলা চিঠি

খোলাচিঠি নিয়ে কি ভাবছো?

অর্ঘ্য কাব্যিক শূন্য: একটি বেশব্লগ লিখেছে

২০১৫ সালের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে... 
এবার এ প্লাস পেয়েছে এক লাখেরও বেশী শিক্ষার্থী... নিঃসন্দেহে বিশাল সাফল্য...
চারদিকে আজ উপচে পড়া আনন্দের বন্যা... প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফলে খুশী অনেকেই...
আবার অপ্রত্যাশিত সাফল্যের বাঁধভাঙা প্রাপ্তির জোয়ারে ভেসে যাওয়া আনন্দাশ্রু মিশ্রিত 
চোখের সংখ্যাও কম নয়... যারা কৃতিত্বের সাথে এই বৈতরণী পার হয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের
সবাইকে জানাই আন্তরিক ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন... 

কনগ্র্যাচুলেশন্স টু অল অফ ইউ... ইউ গাইজ রিয়েলি ডিজর্ভ দিজ ব্লাস্ট অফ সাকসেস... ! !            

এতসব রঙিন সাফল্যের ভিড়ের মাঝে এমন একটি গ্রুপ আছে যারা আজ স্বপ্নভঙ্গের নিদারুণ
বেদনায় জর্জরিত... দিনের পর দিন অধ্যবসায়, অজস্র স্যাক্রিফাইস, নির্ঘুম রাতের একাগ্র 
অনুশীলন... সবকিছু ভেসে ভেসে উঠছে তাদের কান্নাভেজা স্মৃতির পর্দায়... আমি কিন্তু এই 
গ্রুপটার ভিড়ে একটা ছেলেকে দেখতে পাচ্ছি... যে ছেলেটি ৬ বছর আগের ঝুম বৃষ্টির এক দিনে 
অঝোরে কেঁদেছিলো...অঝোরে... স্বপ্নের রেজাল্ট না পাওয়ার তীব্র বেদনায়... জীবনটা তার 
কাছেও মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিলো চরম এক মিথ্যা... হ্যাঁ, যে ভুল ইচ্ছেটি অনেকেরই মনে 
উঁকি দিচ্ছে আজ, সেই ' দ্য এন্ড ' টানার ইচ্ছে সেই ছেলেটিরও হয়েছিলো... এতোটাই হতাশা 
ঘিরে ধরেছিলো সেই ছেলেটিকে... ! !

অথচ তার ঠিক ২৫ মাস পরেই দৃশ্যপট একদম বিপরীত... সেই ছেলেটিই উচ্চ মাধ্যমিকে পুরো 
কলেজের মধ্যে ১ম এবং বোর্ডে ৩য় স্থান অধিকার করে এবং এখন দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে 
সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন বিজনেস স্কুলে গ্র্যাজুয়েশন করছে... একটিবার চিন্তা করে দেখো, যদি 
সেই ছেলেটি সেদিনের সেই রেজাল্টটিকেই সবকিছুর শেষ বলে ধরে নিতো তাহলে কিন্তু এতদূর
আসা তার পক্ষে সম্ভব হতো না... এ সবকিছুই সম্ভব হয়েছে তার নিজের ওপর বিশ্বাসটা অটুট 
রাখার ফলে... 

জীবন এক দীর্ঘ পরিক্রমা... এই পথচলার প্রতিটি বাঁকে রয়েছে নতুন নতুন সব 
চ্যালেঞ্জ... খারাপ সময় মানেই সেটা প্রকৃত অর্থে খারাপ সময় না... সেটা তোমার নিজের ওপর 
নিজের আস্থা, তোমার ধৈর্যশক্তি, নিজেকে নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতাসহ তোমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিসত্তার একটা 
পরীক্ষা... এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারাটা তোমার সামনের জীবনের অনাগত প্রতিটি চ্যালেঞ্জ 
মোকাবেলা করতে দারুনভাবে সাহায্য করবে...  ! !

মানুষ ভবিষ্যৎদ্রষ্টা নয়... আগামী তোমার জন্য কি সাজিয়ে রেখেছে তা তুমি জানো না...
হয়তো এমন কিছু যা তুমি কখনও কল্পনাও করো নি... হোঁচট খাবে, এটাই স্বাভাবিক...
ঝড় আসবে, এটাই স্বাভাবিক... এর মধ্যে থেকেই তোমাকে খুঁজে নিতে হবে তোমার 
সত্যিকারের নিজেকে... ! !

চোখের পানি মুছে ফেলো... আজকের এই কষ্টটাকে পরিণত করো সুদৃঢ় জেদে... নিজেকে 
বোঝাও... অনেকটা পথ চলতে হবে সামনে... সেই পথের চ্যালেঞ্জগুলো আরও কঠিন, আরও
কষ্টকর... নিজের ভেতরের ' তুমি 'টাকে তৈরি করো ইস্পাত-কঠিন দৃঢ়তায়... তুমিও পারবে...
মানুস অসীম সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে পৃথিবীতে... এমনভাবে পথচলা শুরু করো যেন একদিন 
আজকের এই ব্যর্থতাটা একদিন অনুপ্রেরণামূলক গল্পে পরিণত হয়...শুধু একটা কথা মাথায় 
রেখো, তুমিই সেই, যে তোমার অবস্থান সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন করতে পারে, আর কেউ নয়...
বিশ্বাস রাখো নিজের ওপর... চালিয়ে যাও অধ্যবসায়... ইউ আর দ্য আল্টিমেট চেঞ্জমেকার...   

তুমিই পারবে... ! ! ! তুমিই জিতবে... ! ! !            

শুভকামনা থাকলো তোমাদের জন্য... সবজান্তা সবার জীবনে নিয়ে আসুক অনাবিল সাফল্য ও
শান্তির সুবাতাস, এই প্রার্থনা থাকবে সবসময়ের জন্য... 
*খোলাচিঠি*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]

পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ থাকেন যারা সবসময় পজিটিভ চিন্তা ভাবনা, ভালো লাগার খবর, মন ভালো করার মত খবর, কথা, নীতি কথা, সুপরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্বাভাবিক একঘেয়েমিতে ভরে যাওয়া আমাদের বাস্তবিক জীবণকে নিয়ে আমরা নিজেরাই অনেক সময় দুর্বিষহ হয়ে পড়ি। তখন ভালো কিছু কথা, ভালো কিছু খবর, অথবা জ্ঞানীগুণীজনের উৎসাহমূলক কথা বা বানী আমাদের কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়তে, নতুম উদ্যোম নিয়ে চলতে বা নতুন কিছু পরামর্শ বা বানী নিয়ে নতুনভাবে চলতে সাহায্য করে। এসব কথা আমরা সকলেই জানি, কিন্তু আমার দেখা পজিটিভ কিছু মানুষগুলোর মাঝে জিসান ভাই অন্যতম। উনার সাথে খুব কমই কথা হয়। উনি নিজেই কম আড্ডা দেন বলে থাকেন। যে কারণে খুব কম কথা হয়। কিন্তু উনার লেখার মাধ্যমে, পোস্টের মাধ্যমে উনার ব্যক্তিত্বের এমন একটা পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেয়েছি যেটা এতক্ষন বললাম। আমরা কম বেশি সবাই অনেক রকমের পোস্ট শেয়ার করি। তাতে পজিটিভ বা ভালোলাগার বা মনে নাড়া দেয়ার বা মন ভালো করে দেয়ার খবর কমই থাকে। কিন্তু জিসান ভাই এক্ষেত্রে পুরো ব্যতিক্রম। যা কিছু ভালো তার সামগ্রিক সারাংশ খবরগুলো উনার প্রোফাইলে খুজে পাই। দেশের বাজে রাজনীতির ফসলে যেসব খবরে আমরা অতিষ্ঠ বা দিশেহারা তখন জিসান ভাইয়ের শেয়ার করা খবরগুলো সব সময় ভিন্ন হয়। 

জিসান ভাই ব্যক্তি হিসেবে খুবই নজরকাড়া। কোনো রকম বিবাদ, ঝগড়া বা সমালোচনা করে মনকে কলুষিত রাখেন না। সবসময় ফ্রেশ মনে থাকেন। আর সব থেকে বড় যে পরিচয়টা আমার মনে ধরেছে সেটা হল দেশপ্রেম। যতদুর জানি উনার পরিবারের অনেকেই বিদেশে থাকেন। নিজেও ছিলেন। কিন্তু দেশের এই মনোরম আবহাওয়া, পরিবেশ, দেশপ্রেম, ভাষা, জন্মভুমির প্রতি ভালোবাসা উনাকে দেশেই থাকতে বাধ্য রেখেছে। যেখানে আমরা বিভিন্ন কাজে বা পড়ালেখার জন্য বিদেশ যেতে ইচ্ছুক সেখানে জিসান ভাই বিদেশের পড়ালেখা বাদ দিয়ে দেশেই রয়েছেন। এখানেই তার যাবতীয় স্বাচ্ছন্দতা। দেশের মানুষ, মাটি, বায়ু, পানি, আবহাওয়া, ভাষা, সংস্কৃতিকে তিনি এড়াতে পারেন নি, পারেননি নিজেকে অন্য সংস্কৃতিতে যুক্ত করতে। সব মিলিয়ে উনার দেশপ্রেমিক মনের সুন্দর প্রতিচ্ছবিটাই আমার মনে ভাসে। 

এমন একজন পরিচ্ছন্ন মানসিকতার মানুষের জন্মদিন আজ। নিঃসন্দেহে এই দেশ, এই দিন আর আমার মত নিকৃষ্ট কেউ উনার সান্নিধ্যে পাবার জন্য অবশ্যই গর্ব করতে পারে। এই দিন ছাপিয়ে আগামী দিনগুলো আপনার জন্য হয়ে উঠুক বর্ণিল, সাফল্যমন্ডিত, শোভাময় সুন্দরের মুর্ছনায় ছন্দিত অনবদ্য এক আগামী। সেই শুভ কামনায় *শুভজন্মদিন* জিসান ভাই। (কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
এই বাংলার প্রতিটা মানুষ যেন আপনার মত নির্মল, সুন্দর আর দেশপ্রেমিক হয়ে উঠে। অসংখ্য শুভেচ্ছা জানবেন এই বিশেষ দিনে। এমন ভালো মানুষটিই থাকুন সতত। 
*দুখোব্লগ* *খোলাচিঠি* *জিসান* *ইউজারপরিচিতি* *পজিটিভমানুষ* *শুভজন্মদিন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রিয় স্বপ্ন সারথিরা,
শুভেচ্ছা নিও... স্বপ্নপূরণের যাত্রায় আমরা ষোলকোটি বাঙ্গালি তোমাদের পাশে রয়েছি। শত উত্তেজনা নিয়ে কত স্বপ্ন বুনেছি তা হয়তবা তোমাদের অজানা নয়। স্বাধীনতার মাসে তোমাদের হাতে গর্বের পতাকা। আশা করি, লাল সবুজের পতাকার মান রাখতে সক্ষম হবে। প্রথম বারের মত এতো বড় মহাযজ্ঞে তোমাদের পদচারণা আমাদের মুখরিত করেছে।

কোয়ার্টার ফাইনালে আমাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। মানে, গুণে ও শক্তিতে মোড়লরা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তাতে কি হয়েছে? আমরাতো ২০০৭ এ পেরেছি, আমরা ২০১২তে পেরেছি ইনশাল্লাহ এবারও আমরা পারব। মনে রাখবা, আমরা বীরের জাতি! আমরা কখনো ভয় পেতে শিখিনি, রক্তস্রোতের উপর দিয়ে থেকে আমরা এদেশকে স্বাধীন করেছি। তাই, তোমাদের কাছে ষোলকোটি বাঙ্গালির একটিই পত্যাশা একটিই চাওয়া তোমরা তোমাদের সেরাটা আমাদের উপহার দিও। আমাদের আশা নয় আমারা বিশ্বাস করি যদি তোমরা তোমাদের সেরাটা উপহার দিতে পার তাহলে ভারতকে হারিয়ে বিজয় আমরা ছিনিয়ে আনবোই।

তামিম তোমাকে বলছি.. তুমি হয়তবা একটু চাপে আছো.. শোন এগুলি কোন ব্যাপার না একটা দিন শুধু একটা দিন একটু ভাল খেল দেখবে মিডিয়া আবার তোমার পক্ষে কথা বলবে। তোমার কাছ থেকে আমরা বেশি কিছু চাইনা শুধু ১০-১৫ ওভার উইকেটে স্থির থাক রান আসবে।

ভাই ইমরুল..
শেষ মুহূর্তে তুমি দলের সঙ্গী হয়েছো? বেশি কিছু তোমার কাছ থেকে চাইনা যদি আমরা প্রথমে ব্যাট করি তবে তোমার কাছে চাওয়া শুধুমাত্র একটি ভাল ইনিংস।

সাকিব.. তোমাকে কিছু বলার নাই ভারতের সব প্লেয়ার তোমার খুব পরিচিত। তাদের সাথে খেলার অভ্যাস তোমার রয়েছে। বিশ্বসেরা হয়ে যদি একটি বার
জ্বলে উঠতে পার তবে আমরা ইন্ডিয়াকে বধ করতে পারব ইনশাল্লাহ। এক্ষেত্রে কখনোই ধৈর্য্যহারা হইও না।

মুশফিক/মাহমুদুল্লাহ..বরাবরের মত তোমাদের দিকেই তাকিয়ে থাকবো আমরা। যে ভাবেই হোক উইকেটে টিকে থাক রান তোমাদের ব্যাট থেকে আসবেই।

রুবেল..
খুশিতে বেশি হ্যাপি হওয়ার দরকার নেই। আমরা তখনি খুশি হব যখন তোমার বলে বারুদ ছুটবে। একের পর এক উইকেট পড়বে জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হবে ইন্ডিয়ার ব্যাটসম্যানরা।

প্রিয় মাশরাফি.. অধিনায়ক হিসেবে ম্যাচ পরিচালনায় বেশ দক্ষতা রয়েছে তোমার। তবে শেষের ওভার গুলোতে বোলিং সেট করার ব্যপারে আর একটু মনযোগী হতে হবে। পারলে ব্যাটিং নামানোর ক্ষেত্রে দুই একটা পরিবর্তন আনা যায়। একটি বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ তাহল যে ভাবেই খেলি প্রথম ৩০ ওভারে রান যাই আসুক উইকেটের পতন যেন ২টার বেশি না হয়। উইকেট হাতে থাকলে আমরা পরবর্তী ২০ ওভারে অনেক রান করতে পারবো। আর একটি কথা আমরা যদি টার্গেটে ব্যাট করি তখন যেন প্রতি ওভারে কতরান দরকার সেটা যেন মাথায় রেখে ব্যাট করি।

পরিশেষে একটি কথায় বলবো, আমাদের হারাবার কিছুই নেই’ সুতরাং নো টেনশন শুধু সেরাটা খেলো... ষোল কোটি বাঙ্গালির দোয়া তোমাদের সাথে আছে এ যুদ্ধে বিজয় তোমাদের হবেই ইনশাল্লাহ।

ইতি,
বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেট পাগল


*বিশ্বকাপক্রিকেট* *ক্রিকেটবিশ্বকাপ* *বিশ্বকাপ২০১৫* *বাংলাদেশ* *টাইগার্স* *চিঠি* *খোলাচিঠি* *টাইগারস* *কোয়ার্টারফাইনাল* *বিশ্বকাপ-মিশন* *বাংলাদেশ-না-ভারত*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
আজ ২১ শে ফেব্রুয়ারি। মহান অমর একুশে। গত বছর এই দিনেই খুলনার বইমেলায় বেশতোর স্বীকৃত প্রথম গেট টুগেদার আমরা করেছিলাম যদিও খুলনার ইউজার অনেক কম ছিল। উদ্দেশ্য ছিল ভাবনা আপুর জন্মদিনের পাশাপাশি আমরা খুলনার ইউজারগণ সবাই একে অপরকে দেখব, সামনা সামনি পরিচিত হব, জম্পেশ আড্ডা দেব। তাই এক এক করে জড়ে হয়েছিলাম সেই মেলায়, বদমাশ @Bodmas88  ( আশিক), ইসমাইল ভাই @Ronepa , রুশদী ভাই @Ariyear , জুলি @Colorpencil , রাজ্জাক, আমি আর ভাবনা আপু।

 সেই দিনটাই প্রথম দিন ছিল যেদিন বাস্তব জীবণের বাইরে ভার্চুয়াল জগতের মানুষদের সাথে আমার প্রথম দেখা। বেশতোতে জয়েন করার ৫ মাসের মাথায়। অথচ তিন বছর ধরে ফেসবুক ব্যবহার করে কারোও সাথে সেভাবে দেখা করার মানসিকতা বা ইচ্ছা জাগেনি কখনো আজও জাগেনা। 

আজ সেই দিনটার বছরপূর্তি ঘটল একইসাথে ভাবনা আপুর জন্মবার্ষিকীও! এক বছরে কম বেশি খুলনার অন্যান্য ইউজারদের সাথে দেখা সাক্ষাত যতটুকু হয়েছে সবথেকে বেশি হয়েছে ভাবনা আপুর সাথে। সেই একছরের পরিচয়ের মাঝে আমি এমন এক ভাবনাকে আবিষ্কার করেছি যার অজস্র আনন্দ কোলাহলের মাঝে দুঃখও খুব করে জড়িত। অনেক আগে ইনাকে এই ভাবে সুপারিশ দিয়েছিলাম
মেঘলা -মেয়ে--- পরিবর্তিত নাম!
@Vabna21 অরিজিনাল নাম,,,,, এই নামের সাথে ভাবনা শব্দটার যে কত ব্যাপকতা তা বাকি টুকু পড়লেই বুঝবেন। তাকে নিয়ে লিখতে গেলে ভাবনা জাতীয় শব্দগুলো কেমনে যেন এসে যায়
হ্যা এই সেই ভাবনা; দেখছেন না কেমন ভাবুক মুডে বসে আছে কল্পনার রাজ্যে (প্রোফাইল ছবি)! ভাবতে পারেন হয়তবা এত প্লাস্টার থুক্কু মেকাপ করে মানুষ ভাবার জন্য?? কিন্তু এজে-ইস্টপ!! মেকাপটা শুধু ভালো একটা পোজ দেবার জন্য।
আসল কথা হল,,,,
এতসব ভাবনার ফসল দেখতে চান তাহলে ইনার প্রোফাইলটা একবার দেখে আসেন।
হুমম! আমার দাদীজান। কত কষ্টের সব পোস্ট ভেবে ভেবে লিখেছে মনের খেয়ালে। যে পোস্ট গুলো দাদীর জীবণের বাস্তবতার নিরিখে লেখা।
এত বেশি কষ্টের পোস্ট দেয় যে আমি বলি ছ্যাকামার্কা পোস্ট!!
ভাবনা নামটা যে তার সহজাত হয়েছে সেটা আপনি ভেবে পাবেন না।কেমনে যে হয়েছে সেটা জানতেও আকুল হবেন না। কারণ সেটা জানাতে গিয়ে তাকে আবার নতুন ভাবনার রাজ্যে যেতে হবে। তবে মন মানসিকতায় কিন্তু একেবারে খাটি। মনে যে আপন করে নেয়ার একটা ভাব থাকে সেটা আমার দাদীর মাঝে অনন্য। সবাইকে খুব সহজে আপন করে নেয়। দেখেন না বেশতোতে নতুন কেউ এলে তারে ফলো করে নির্ভাবনায়। বেশতোতে রিমিপু, দীপ্তিদি ছাড়া আর কোন মেয়ে ইউজার আছে কিনা জানিনে যে এত বেশি মানুষকে নিদ্বিধায় ফলো করছে। তার মানে মেয়েদের মত অতিরিক্ত একটা ভাব নিয়ে ইনি কখনো চলেন না।
একসময় বেশতোবাসী ইনাকে নাম দিয়েছিল ট্যাগের রানি। কতশত নাম কত সহজে মনে রেখে একটানা ট্যাগ করে যাবে আপনি ভাবতে ও পারবেন না। আগেই বলেছি তার কষ্টের পোস্টের সাথে বাস্তবতার একটা ছাপ আছে। সুতরাং আসুন তাকে অন্তত ফলো করে তার কষ্টের মাত্রাটা একটু কমিয়ে দেয়ার চেষ্টা করি।
ভাবছেন এত কিছু কিভাবে জানি??
অনেক কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে ইনাকে। কথা হয় মাঝে মাঝে কদাচিৎ। শুধু চিন্তার জলরাশির অজস্র লহরীতে নিজের বয়সটাকে ছাপিয়ে একটা বুড়ি বুড়ি ভাব চলে এসেছে।এজন্য ইনাকে দাদী ডাকি। সম্পর্কটা একটু বয়স্ক মনে হলেও কিছু করার নেই। কারণ জানেন তো মেয়েরা সহজে কারও আন্টি ডাক শুনতে চায় না, পছন্দ করে না। তা যতই বয়স বাড়ুক
একবাক্যে..(আগে ছিল এখন আলাদা).তাকে যত তাড়াই দূরে দূরে,তবু সে আসে মেঘলা চোখে ঘুরে ফিরে,,,,,সেই কষ্টের কথা বলা হয়েছে। সুখের চেয়ে কষ্ট মানুষকে বেশি সময় দেয়, এজন্য কষ্টকে আপনি আপনার প্রকৃত বন্ধু বলতে পারেন।**

এতক্ষণ আমার সেই সুপারিশ পড়লেন। বেশতোতে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় আকারের সুপারিশ। অনেক দিনের চেনা জানার কারণে অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। কিছুটা প্রাইভেসিকে বলাৎকার করলে আরও অনেক কিছু শেয়ার করা যেত। কিন্তু এমনিতে এড়িয়ে গেলাম। তবে একজন মেয়ে ধীরে ধীরে একজন স্বাবলম্বী নারী হয়ে উঠতে গেলে অনেক বেশি ধৈর্য, পরিশ্রম, সাধনা, কষ্ট, সামাজিকতার দায়ভার-কটাক্ষ-ভ্রুকুটি, গঞ্জনা অনেক অনেক কিছু সইতে হয়, শুনতে হয়। তবু যখন আপনি আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন তখন সেইসব বাধাকে আপনার বর্তমান অবস্থানের জন্য, একটা ভিত্তি তৈরি করার জন্য অবশ্যই পাথেয় ছিল ভাবতে পারবেন। একটা ভালোলাগা নিয়ে চলতে পারবেন যে আপনি স্বাবলম্বী। সেই ভালোলাগা নিয়ে ভাবনা আপু এগিয়ে চলেছেন জীবণের পথে কখনো সমান্তরালে কখনোও বা আকাবাকা পথে। 

ভাবনা আপুর লেখার হাত অসাধারণ। উনার লেখার প্রশংসা করতে গিয়ে নাফিসা আনজুম রাফা: এভাবে সুপারিশ করেছে...
"ভাবছি একটা বেশব্লগ ই লিখে ফেলবো...এত অসাধারণ কোন মানুষ কিভাবে লিখতে পারে,আমার জানা নেই...আল্লাহ অনেক কে এতটাই মেধা দেন,যে তাদের লেখাগুলোর জন্য ''জোশ" শব্দটাও কম হয়ে পড়ে...এই আপুনির লেখা পড়ে আজ সত্যি সত্যি কাউকে খুভ ভালোবাসতে ইচ্ছে করছে,প্রেমে পড়তে মন চাচ্ছে...প্রেম এ পড়ে আমি এই আপুনিটার দুঃখ,তার অনুভূতি টা বুঝতে চাই...বুঝতে চাই যে ভালোবাসা মানুষ্কে এতোটাই অসাধারণ করে তুলতে পারে?????অবাক করা ব্যাপার বলে আমার মনে হচ্ছে...উনার প্রোফাইল আমি এতোদিনে দেখেছি ভেবে নিজেকে মাইর দিতে মন চাচ্ছে...আর উনার কাছে রিকোয়েস্ট প্লিজ আমাকে আনফলো করুন...আমার লেখা আপনার তুলনায় ডাস্টবিনে ফেলারও অযোগ্য..."

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন ভাবনা আপুর লেখার হাত কিন্তু সত্যিই অসাধারণ। মনে হয় ভাষার মাসের সেই অমর দিনে জন্ম নিয়ে ইনি কথার জাদুকর হয়েছেন। বাংলাতে বেশ দখল আছে ইনার।  যখন তখন টুকটাক জোস মার্কা পোস্ট লিখেই ফেলেন ঝটপট। যদি কখনো আবদার করে আপনার জন্য কোনো গল্প লিখতে বলেন তাহলে সময় সুযোগ পেলে আপনার মনের মত একটা গল্প ইনি লিখেই দেবেন অনায়াসে। 

সবশেষে এইটুকু লিখেই শেষ করব...অসাধারণ উপকার করার মানসিকতা আছে উনার। আমি অন্যরকমভাবে উনার কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ।

আরো অনেক কিছু লিখতে পারতাম। বেশব্লগে সেজন্য সিরিয়াল লিখতে হত। তবে আজ ইনার জন্মদিনে শুধুই এটুকুই চাই সতত সুন্দর থাকেন যেন। নিজের সুন্দর চেহারার মত নিজেও বেশ সুখী হোন এই কামনা করি।  অনন্ত সুন্দর আর মসৃণ হোক তার ভবিষ্য চলার পথ। আরও উজ্জ্বল হোক অনাগত আগামী। সাফল্য এসে ধরা দিক মনের মত করে। এই কামনায় *শুভজন্মদিন*‬ । বসন্তের ফুলেল আবহে ভরে উঠুক জীবণ! রঙিন হোক জীবণ রঙিন ভাবনায়। (খেয়াল করেছেন ভাবনা শব্দটা কতবার ব্যবহার করা লেগেছে?(খুশী২)
(কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*দুখোব্লগ* *খোলাচিঠি* *ইউজারপরিচিতি* *ভাবনা* *‎শুভজন্মদিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]

প্রথমেই বলে নেই রশিদা আপুর সাথে আমার খুব বেশি কথা হয়নি! তবে যেটুকু কথা হয়েছে তাতেই আমি বেশ একটা ধারণা উনার সম্পর্কে পেয়ে গেছি! আজকের এইদিনে উনার সাথে আমার একটা মিল আছে! সেটা মনে হয় অনেকেই বুঝে গেছেন!!! তবে উনার মানসিকতার সাথে আমার অনেক কিছু মিলে যায়! সেই মিলগুলো একটু বলার চেষ্টা করব!!

মাত্র অল্প কয়েকদিনেই রশিদা আপু অনেকের মাঝে একটা মর্যাদার আর সম্মানের স্থান করে নিয়েছেন যার প্রধান কারণ সহজ সরল মনা আপুর মাঝে রয়েছে অসাধারণ দেশপ্রেম, দেশের বর্তমান ক্রান্তিকালে উনার কিছু প্রচেষ্টা আমার নজরে এসেছে! কিছু করতে চেয়েছেন বারবার দেশের জন্য! 

নিজেই অনেক দিলখোলা, সকলের সাথে মেশার একটা আলাদা ক্ষমতা আছে উনার, আছে মানুষকে আপন করে নেয়ার ক্ষমতা! মানুষকে সম্মান করার ক্ষমতা! মানুষকে প্রশংসা করতে কোনো রকম কার্পন্য করেন না ইনি! আর সবথেকে বড় যে গুনটা আমায় অনেক মুগ্ধ করেছে সেটা হলো নিজেকে কখনো কষ্ট না দেয়া,,
বিষয়টা কিন্তু ভাবার আছে অনেক! আপনি যদি নিজেকে ভালই না বাসেন, নিজেকে যদি কোনো কারণে বা অকারনে কষ্ট দিয়েই যান তাহলে সেই কষ্টকে চাপিয়ে ওপর কাউকে ভালবাসা বা সম্মান করা কতটুকুই বা সম্ভব? আর যেটুকু সম্ভব হয় সেটুকুর ভিতরে কতটুকুই বা ভিতর থেকে আসে? তাই সবকিছুর আগে নিজেকে ভালোবাসা সকলের উচিত! নিজেকে কষ্ট দিয়ে নিজের ভালোলাগাকে দমিয়ে রাখা, কারোর ভালোবাসাকে প্রাধান্য দেয়া, কারো জিদ কে প্রাধান্য দেয়া, নি:স্বার্থভাবে কাউকে উপকার করতে গিয়ে নিজের ক্ষতি সাধন করা........ আরো যা কিছু নিজেকে কষ্ট দিয়ে করবেন দিনশেষে নিজেই নিজের কাছে দোষী হয়ে থাকবেন! তাই সব কিছুর উর্দ্ধে নিজেকে কষ্ট না দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করুন, নিজেকে সুখী রাখার চেষ্টা করুন, তাহলে শত কষ্টেও নিজের ভালো থাকার আত্মবিশ্বাস আপনাকে ভালো রাখবে, যে কোনো কষ্ট কে সহজেই সহ্য করতে সাহায্য করবে! আমি নিজেই এমনটা করেই চলি! তার মানে এই নয় আপনাকে স্বার্থপর হতে হবে, কৃপণ হতে হবে, স্বেচ্ছাচারী হতে হবে,,,

আজকের এই দিনে রশিদা আপুর জন্মদিন! ইনি নিজেই বলেছেন ফেব্রুয়ারি মাসটা অনেক সুন্দর! আরো সুন্দর ফেব্রুয়ারির ১৮ তারিখটা! কেন জানি অনেক সত্য মন হচ্ছে ইনার কথা! সত্যই থাকুক চিরন্তন শুধু ফেব্রুয়ারিই নয় প্রতিটা মুহূর্ত, প্রতিটা সময়, প্রতিটা মিনিট, ঘন্টা. দিন, সপ্তাহ, মাস, বছর, জীবন, পরিবেশ.......

কি লিখলাম জানিনা! রশিদা আপুর মনের মত যে কখনো হবেনা সেটাও জানি! তবু এই লেখাটুকুর মধ্য দিয়ে নব বসন্তের শুভলগ্নে, আপনাকে জানাই অজস্র শুভকামনা! ভরে উঠুক জীবন অনাবিল আনন্দে,প্রস্ফুটিত হউক আগামীর প্রতিটা মুহূর্ত ফুটন্ত ফুলের ন্যায় এই কামনাতে *শুভজন্মদিন* আপু! ভালো থাকুন নিরন্তর........... @Rashida4  (কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*দুখোব্লগ* *ইউজারপরিচিতি* *খোলাচিঠি* *রশিদাআফরোজ* *শুভজন্মদিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এই থ্রিজির যুগে পুরো দুইদিন লেটের জন্য ক্ষমা চাইছি! তবে মনে হয় চিঠির দিকটা বিবেচনায় নিলে দুইদিন খুব বেশি দেরী হয়নি (খুশী২) একটু বিজিই ছিলাম তার উপর খুলনাতে পুরো ২৩ ঘন্টার মত বিদ্যুত বিভ্রাটের ঝামেলা ছিল!!

যাক গে সেসব পচা কথা, আসল কথা হলো বেশতোতে আসার কয়েকদিনের মধ্যেই নিপুদার সাথে কথা হয়েছিল! প্রথম দিককার পরিচিতদের মাঝে ইনি অন্যতম! প্রথমদিন যেটুকু কথা হয়েছিল তাতেই বুঝেছিলাম মানুষ হিসেবে নিপুদার তুলনা নিপুদা নিজেই! অসাধারণ দেশপ্রেম, অসাম্প্রদায়িকতা, শ্রদ্ধাবোধ, দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা, মমত্ববোধ,,,,

নিপুদার একটা বড় পরিচয় হলো উনি সকলকে সমান ভাবে দেখেন, বেশতোতে পরিচিত কেউ না আসলে ট্যাগ করে খোজ নেন, কারোর লেখা ভালো লাগলে শেয়ার করে আর কমেন্ট করে উত্সাহ দেন, কাউকে খুব ভালো লাগলে একটা সার্টিফিকেট দিয়ে সুপারিশ দিয়ে দেন! আর আরো একটা পরিচয় হলো নিপুদার লেখার হাত ভালো হলেও আলসেমির কারণে লিখেন না,(খিকখিক)

বেশতোতে নিপুদা একজন মার্জিত ইউজার! বেশতোর প্লাটফর্মে যিনি অপরিহার্য, অতুলনীয়, দিলখোলা, সদা হাস্য একজন ইউজার! নিপুদার সম্পর্কে আরো বেশি জানতে হলে উনার হট সিট আড্ডা পোস্ট http://www.beshto.com/home/postDetails/401348  দেখলেই পুরো নিপুদাকে আপনার চোখের সামনে পেয়ে যাবেন!

অনেক্ষণ বকবক করলাম! নিপুদার জন্মদিনটা ঠিক ফাগুনের প্রথম দিকে, যে ফাগুনের নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার মতই নিপুদার মানসিকতা বেশ যায়! আর এমন সুন্দর সময়ের ক্রম উনার জীবনে যেন বার বার শত সহস্রবার আসে এই কামনা করি! শুভ হোক উনার অনাগত আগামী, উজ্জ্বল হোক ভবিষ্যত, বসন্তের মত সদা সর্বদা সুখময় হোক উনার প্রতিটা মুহূর্ত এই কামনায় *শুভজন্মদিন* @NipuSen  !! ভালো থাকুন সবসময়,,,,,,,(কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*ইউজারপরিচিতি* *নিপুসেন* *দুখোব্লগ* *খোলাচিঠি* *শুভজন্মদিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
কিছু কিছু মানুষের প্রতি কেমনে যেন আলাদাভাবেই একটা সম্মানের জায়গা তৈরী হয়ে যায়! বেশতোতেও এমন কতক ইউজার আছেন যাদের প্রতি আমার মনে আলাদাভাবে একটা সম্মানের জায়গা তৈরী হয়েই গিয়েছে! সেইসব ইউজারদের মধ্যে @AbdusSalam7799888  একজন!

যাকগে সেকথা! সালাম ভাইয়ের সম্পর্কে আমার থেকে ঢাকার সেইসব ইউজারগন আর যারা উনার সাথে মিশেছেন বা কথা বলেছেন তারাই ভালো বলতে পারবেন! বেশতোর প্রায় সব গেট টুগেদারে, বা অন্যান্য সব আড্ডা উনি নিজ দায়িত্বেই করেছেন! সবার সাথে মেশা, কথা বলা, আড্ডা দেওয়া,,,

উনার সাথে কয়েকদিন ফোনে কথা হয়েছে আমার! প্রথমদিন কথা বলেই বুঝেছি বেশতোর সেই সালাম ভাই, যার প্রোফাইলের লেখা হাসি খুশি সাধারণ মানুষটার মুখের একচিলতে অসাধারণ মন মাতানো হাসির মত ইনার মনটাও অসাধারণ! একদম ফ্রেশ মনের! বেশতোতে অসাধারণ আড্ডা দেন, সকলের সাথে বয়স ভেদে মানিয়ে ফ্রি মাইন্ডে আড্ডা দেন! বুঝতেই পারিনা ইনি বাইরের কেউ বা দুরের কেউ বা অপরিচিত কেউ! বেশতোর প্লাটফর্মে তাই ইনাকে সহজেই ভালো মানুষের ভীড়ে, সম্মানী মানুষের কাতারে ফেলতে কোনরকম কার্পন্যতা আসেইনা! 

সালাম ভাইয়ের অসাধারণ মানসিকতার তুলনা সালাম ভাই নিজেই! আমার এতদিনের পরিচয়ে আমি এইটুকু নির্দিধায় বলতে পারি! কতকদিন উনি বেশতোর বাইরে আছেন! সম্ভবত দেশের বাইরে! বেশ মিস করছি নির্মল আড্ডাতে! 

সবশেষে উনার আজকের এই জন্মদিনে একটাই কামনা বার বার অদূর বসন্তের শুভলগ্ন ফিরে আসুক উনার জীবনে শতবার, সুখের হোক উনার সামগ্রিক জীবন, পূরণ হোক সহস্র আশা! এই কামনায় *শুভজন্মদিন* *আব্দুসসালাম* ভাই! ভালো থাকুন অবিরত! (কেক)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*দুখোব্লগ* *ইউজারপরিচিতি* *খোলাচিঠি* *শুভজন্মদিন* *আব্দুসসালাম*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]জন্মদিনে দীপ্তি @Dipty দিদিকে খোলা চিঠি
বেশতো টিমের মাঝে যে কয়জন আছেন তাদের মাঝে ইনি আর ফাহিম ভাই আমাদের সাথে মিশে একাকার হয়ে থাকেন।দুইজনই খুবই ব্যস্ত থাকেন। অন্যান্যরাও খুবই ব্যস্ত থাকেন বেশতোর টেকনিক্যাল সাপোর্টে। কিন্তু ইনাদের দুজনের কথা না বললেই নয়। যেহেতু ফাহিম ভাইয়েরটা আগেই লিখেছি। এবার দিদির পালা। 
অবশ্য দীপ্তি দিদির সাথে কথা হয়নি বললেই চলে। তবে সবার সাথে কথা বা না মিশেও তার সম্পর্কে যে অনেক কিছু জানা যায় বা ধারণা করা যায় সেই রকম চরিত্রের মাঝে ইনি একজন। একদম স্বচ্ছ একটা চরিত্র।অনেক কিছু করতে চান নিঃস্বার্থভাবে। যেমনটা মহৎ মানুষগুলো করে থাকেন। উনার নিজের সম্পর্কে নিজের কথাটাই এমন>> আমি শান্ত, সাম্য, আহ্লাদী, মিশুক, পরিপাটি, গোছালো, খুব নরম মনের একজন সাধারণ মানুষ ! আমি এতদিনে উনার সম্পর্কে এমন ধারণাই পোষণ করেছি। খুবই ব্যস্ত থাকেন আগেই বলেছি। কিন্তু বেশেতোকে ভার্চুয়ালি একটা শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য ইনিও নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত আমার দেখা বেশতো ইউজারদের মাঝে উনার পোস্ট সংখ্যায় সর্বাধিক। আর প্রশ্ন সম্পর্কে কি বলব?প্রায় চার হাজার। শুধু নিজের প্রয়োজনেই নয় বরং আমাদের চারপাশের সবার সবকিছু সম্পর্কে জানার আর জানানোর জন্য তিনি যে ধারায় প্রশ্ন করে চলেছেন তা আসলেই অসাধারণ। মাঝে মাঝে অবাক হই এতকিছু ইনার মাথায় আসে কেমনে?
বেশতোতে স্টারওয়ার্ডের গুরত্বটা যে কি পরিমান সেটা আপনি নিজেও জানতে পারবেন। বাংলায় কোন কিছু লিখে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। অনেক দরকারি বিষয়ই এখন বেশতোর রেফারেন্সে গুগল সার্চের প্রথম পাতায় পেয়ে যাবেন। আর এর পিছনে অনেক বড় ভুমিকা পালন করে চলেছেন ইনি। আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করে থাকবেন প্রায় প্রতিটা পোস্ট বা প্রশ্নের উত্তরে উনি বিভিন্ন কমেন্ট করছেন সংশ্লিষ্ট স্টারওয়ার্ড দিয়ে। একারণে অনেক কিছুই এখন বেশতোর রেফারেনস্ পাই আমরা। বেশতো যে ইনার কারণে অনেকদুর এগিয়ে যাবে সে কথা অনুমেয়। 
মানুষ হিসেবে উনার পরিচয় উনি নিজেই আজকের একটা ব্লগে শেয়ার করেছেন। একদম খাটি কথা। সাদামাটা মানুষটা নিঃস্বার্থ ভাবে ভালবেসে চলেছেন আপন পর সবাইকে। ভালোবেসে যাবেন এমনি করে এমন একটা কমিটমেন্ট নিয়েই রেখেছেন। 
ইনার সম্পর্কে আমার মাথায় যেটুকু আসে তা লিখতে গেলেই কয়েকটা ব্লগ লিখতে পারব। তবে আজকের উনার এই বিশেষ দিনে উনার প্রতি আমার মত সামান্য একজন ইউজারের শুভকামনা রইল। নিজে যাতে অন্যের ভালবাসাও অকৃত্রিমভাবে নিরন্তর পেতে থাকেন এই কামনা রইল। *শুভজন্মদিন* দিদি। মিটে যাক আপনার সামগ্রিক সৎ আশা।
*দুখোব্লগ* *ইউজারপরিচিতি* *খোলাচিঠি* *দীপ্তি* *শুভজন্মদিন* *শুভজন্মদিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
ইনার সাথে খুব একটা কথা হয়নি। এইজন্য আসল নামটাই জানা হয়নি এমনকি জানাননি কখনো (পাগলীর দাদা হিসেবে বেশ মিল আছে বলতে হয়) তবে ইনার দেয়া পোস্টের আলোকে কিছু লিখতে ইচ্ছা হল যেটুকু আমার ধারণাতে এসেছে। প্রথমেই বলে নিই আমি যে কতটা মুর্খ তা আগেই বলেছি। আবারও বললাম আমি মুর্খ কারণ এনার পোস্ট পড়ে আমি খুব বেশি কিছু বুঝিনা। তবে সব মিলিয়ে শেষে একটা উপলব্ধি আসে এনার লেখার সম্পর্কে আর সেটা হল ইনি অনেক বাস্তব সম্মতভাবে সব কিছু লেখার চেষ্টা করেন। বেশ দারুণভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন গুছিয়ে, সাজায়ে। আমি সব কিছু বুঝিনা, কিন্তু উপলব্ধিটা সেই ছোটবেলায় যখন শরৎ বাবুর বা এইচ এস সি তে থাকাকালীন বঙ্কিম বাবুর ঘোরানো পেচানো দুর্বোধ্য শব্দবহুল উপন্যাস পড়ে প্রতিটা লাইনের সব কটা শব্দের অর্থ না বুঝলেও সম্পুর্ণ বই পড়ে যেটুকু বুঝতাম সেরকম। আসল কথা উনি উনার লেখাগুলো এমনভাবে পেঁচিয়ে লিখেন যে আমি পড়তে গিয়ে নিজে প্যাঁচ খেয়ে যায়। পড়া শেষে বুঝি উনার নামটা মনে হয় স্বার্থক এই দিক থেকে। আমার এই অভিযোগটা উনার প্রতি অনেক আগে থেকেই। উনি মনে হয় এই কারণে বিরক্তও বটে।

মাঝে মাঝে উনার লেখা পড়ে যখন কিছু বুঝিনা তখন উনার লেখায় ব্যবহৃত অসংখ্য হাহাহা শব্দ দেখে আমিও হাহাহা বেশ দিয়ে দিই (মাইরালা) আমার এই সব আচরণেও উনি বেশ বিরক্ত হন। সেটা বুঝি তারপরও খেয়ালে বা বেখেয়ালে এই কাজটা আমি করেই চলি। (মাফচাই)

উনি খুব সাদামাটা মানুষ এটা বুঝেছি। তাই রসিকতাকে অনেক ভালো ভাবে সামলিয়ে উঠে স্বাভাবিকভাবে চলতে চেষ্টা করেন। তবে খুব কম কথা হয়। বেশতোতে আসেন ধুমকেতুর মত। হয়ত কিছু লিখতে ইচ্ছা হল-- ব্যস লিখেই ফুড়ুৎ। হয়তবা বাইক নিয়ে হাওয়া হয়ে যান নতুবা পেঁচিরে ( আমাদের পাগলী আপুর দেয়া উনার ভালবাসার মানুষের নাম, মনে হয় খুব বেশি ভালোবাসেন, সমীহ করেন, ভক্তি করেন) সময় দেন। বেশতোতে সময়টা দেন ঠিক সিগারেট খাওয়ার মত করে। যখন একটু খেতে ইচ্ছা করে সাথে সাথেই খাওয়া শুরু করেই খাওয়াও শেষ বেশতোর জানালার কপাটও বন্ধ।(হাসি২)

এর বেশি কিছু লেখার মত ধারণা আমার মাঝে নেই। তবে অসাধারণ যে লেখেন সেটা বলতে পারি। আর মানুষ হিসেবে সাদা মনের, ভালোবাসার মানুষকে নিখাদ ভালোবাসেন, বাইক চালাতে খুব বেশি পছন্দ করেন, নিজের বন্ধু মহলের সাথে বেশ আড্ডা দেন। তবে একটা কথা মনে হয় সত্য হতে পারে। সেটা হল পেঁচিরে বেশ সমীহ করেন (মানে ভয় পান আরকি) (ভাগোওওও)

সবশেষ উনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় জানাই অকৃত্রিম শুভেচ্ছা, *শুভজন্মদিন* @TheOwl00  !!
 আরো সুখময় হোক আপনার ব্যক্তি জীবণ আর আপনার চারপাশ। শত বসন্ত পেরিয়ে যান প্রিয় মানুষগুলোর ভালোবাসায় এই কামনা করি।(কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)

*শুভজন্মদিন* *ইউজারপরিচিতি* *প্যাঁচা* *দুখোব্লগ* *খোলাচিঠি* *শুভজন্মদিন*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
আমার অনেক পরে ইনি বেশতোতে একাউন্ট খুলেছেন। সম্ভবত ইনি আমাকে প্রথম ফলো করেছিলেন। পরে আমি করেছিলাম। কিন্তু পরে ভেবে চিন্তে এখনো পর্যন্ত বুঝতে পারিনে কি জন্য তিনি আজও আমাকে উনার সংক্ষিপ্ত ফলোয়ার লিস্টে রেখেছেন? আমি মূর্খ মানুষ! কিছুই শেখার নেই আমার কাছ থেকে। আমার মুর্খতা এত বেশি বা জ্ঞানের সীমা এতই সীমিত যে উনার প্রায়ই অনেক লেখা আমার বোধগম্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে বোকার মত না বুঝেই হেসেই (হাহা বেশ) দেই! এইটুকুতে এত পড়াশোনা করেই এত জ্ঞান অর্জন করা আসলেই অসাধারণ ধৈর্যের আর জ্ঞানের প্রতি কৌতুহলের অসীম পরিচয় রাখে।

আলাদাভাবে সেই রকম করে পরিচিত হওয়া লাগেনি। আমাদের নিয়মিত কিছু পাগলের সাথে ওর নিরব আড্ডা ওর সম্পর্কে বেশ ধারণা পেয়েছি। সত্যিই অসাধারণ পাহারাদার একজন! বসে বসে আমাদের আড্ডার কমেন্টগুলো পড়তেন আর কমেন্টে ভালো দিতেন। কমেন্ট না করে শুধু কমেন্ট পড়া নিয়ে ওরে অনেকে অনেক কিছু বলেছে বা বলেছি। তাই বোধহয় রাগ করে এখন কমেন্টে আর ভালো দেন না।

ওর পোস্ট পড়ে অনেককিছু ধারণা করেছি। আর সেই ধারণাগুলো সত্যিই অনেক ভালো একজন মানুষের অবতারণা করে। আধুনিক মেয়েদের বাইরে ও। কোনো খোলামেলা আর আধুনিক পোশাকের কেতাদুরস্ত ফ্যাশানের বাইরে। নিজেকে প্রচারবিমুখ রাখে সারাক্ষণ। নিজের মাঝে একটা জগৎ করে রাখে। আর সময় সুযোগ পেলে জ্ঞানের অমিয়তা পানের চেষ্টা করে। নিজেকে ফলাও করে প্রচার করে বেড়ানোর মাঝে যে একটা ঠুনকো সুখ আছে ও সেটা জানে কিন্তু সেই সুখে ও তৃপ্ত নয় কখনোও। তাই তো এই আধুনিক যুগেও একশ মেয়েদের মাঝে ও চিরন্তন একাই। আধুনিকতার টালমাটালে নয় বরং আকষর্ণীয় একটা বৈশিষ্ট্য নিয়ে ও চলেছে। নিরন্তর ওর চলার মাঝে আসলে ব্যতিক্রম কিছু আছে যা অন্তত আমার দৃষ্টি এড়ায়নি। আর মানুষকে সান্তনা দেবার একটা অসাধারণ ক্ষমতা আছে ওর মাঝে। খুবই প্রচলিত অথচ আমার আর দশজনের মত করে প্রকাশ করে না সেই অভিব্যক্তি। ওর তুলনা আসলে ও নিজেই। আদর্শ নারী কিন্তু আধুনিক বেআব্রুতে নয়ই।

আমার একটা বদ অভ্যাস আছে পরিচিত কাউরে রাগাতে খুব পছন্দ করি। সেই সুত্রে ওকে রাগানো পড়ে প্রায়ই। খুব সহজে রাগানো যায় ওকে। যে জানে সেও এই খারাপ কাজটাই ওর সাথে করে। মাঝে মাঝে ওর সাথে প্রতিজ্ঞা করি রাগাবোনা বলে কিন্তু ওর সাথে কেন জানি এই বিষয়টা আমি সামলাতে পারিনা। ও যে কেন বুঝেনা এই বিষয়টা যে আমরা ওর সাথে মজা করি।

যাহোক এইটুকুই আমার ধারণা জন্মেছে ওর সম্পর্কে এতদিনে। কিছু ভুল হতেও পারে। কারণ জ্ঞানী মানুষের প্রসংশা করার মত জ্ঞান আমার মাঝে নেই। তবে একটা অনুরোধ থাকবে উনার কাছে অন্তর্মুখিতা ভালো নয়। এতে অনেক সময়ই দুঃখবোধটা প্রকট হয়! দুঃখ জমে। মানুষ হিসেবে মানুষের সাথে মিশতে চেষ্টা করতে হবে যেহেতু মানুষ অন্য উচ্চতার সামাজিক জীব। আমি নিজেও অন্তর্মুখি ছিলাম। বেশতো আমার সেই সমস্যাটা অনেকটাই কাটাতে সাহায্য করেছে। আমার অন্তর্মুখীতার জন্য মাঝে মাঝে অনাকাংখিত ভুল করেই চলি। তবে অনেক স্বাচ্ছন্দবোধ করি এখন। তাই অনেক বেশি কথা বলার চেষ্টা করতে হবে। (খুকখুকহাসি) 
অবশেষে সেই শুভচ্ছা আর শুভকামনা জানাই-*শুভজন্মদিন* @Faheema (কেক)(তালি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি) আর আবারো রাগানোর জন্য এইটা (রাগী) শুভ হোক অনাগত আগামী।পুরণ হোক শত সৎ আশা আর ধুলিস্যাৎ হোক যাবতীয় অনাচার। এগিয়ে যাও প্রাণের আকুলতায়, হৃদয়ের চাওয়া পাওয়া মঞ্চে। সত্যি অনেক ভালো থেক আর ভালো মানুষ হও এই কামনা করি। (ইচ্ছা করেও ইনি, উনিটা ধরে রাখতে পারলাম না)(মাফচাই)
সব শেষে বেশতোকে ধন্যবাদ এমন একজন ইউজারের সাথে আমার পরিচিত হবার সুযোগ দানের জন্য।

*দুখোব্লগ* *ইউজারপরিচিতি* *খোলাচিঠি* *ফাহীমা*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে


আমার জ্ঞান অত্যন্ত অল্প। এককথায় মুর্খ মানব। তবে আজ পর্যন্ত যেটুকু ইনার সম্পর্কে ধারণা করছি শুধু সেটুকু লেখার চেষ্টা করলাম। (একটা সুপারিশ দিয়েছিলাম অনেক আগে। সেটা কপি করে দিলাম)
[বসন্ত-শুভেচ্ছা]
"ইনি আমাদের ভালোবসার বেশতোর শ্রদ্ধেও প্রধান।
একজন প্রধান হিসেবে যতটুকু ভাব থাকা অথবা মুড নিয়ে চলার দরকার উনি তার ধারে কাছেও ঘেষেন না।
তার মানে কত্ত উচু মানসিকতা নিয়ে চলেন ইনি।
আমার মত পুচকে ইউজারের কোন পোস্ট যখন তার বেশ পায় তখন যে কি ভালো লাগে ভাষায় বলতে পারব না। ইনি বেশতোর প্রধান হয়েও সব সময় আমাদের সাথে থাকেন নিয়মিত বেশ কমেন্ট শেয়ার করে, যেকারণে অন্যান্য ইউজারগণ বেশতোতে নিয়মিত হতে অনুপ্রাণিত হন, পোস্ট লিখতে অনুপ্রানিত হন। নিজেও ভালো ভালো পোস্ট, খবর, টিপস, ফটো, টপলিস্ট, জোকস দেন যা আমাদের অনেক উপকারে আসে। এত বড় মানুষ অথচ কখনো মনে হয় না ইনি আমার মত সাধারণ ইউজার নন।
আমার মত পুচকে ইউজার ইনারে সুপারিশ দেয়ার মত যোগ্যতা রাখেনা। তবুও অনেক ভালো লাগে উনাকে। তাই একটু সুপারিশ আকারে লিখলাম মনের কথা গুলো। সারাবছর বিভিন্ন দেশে ব্যস্ত থাকেন নানা কাজে।তারপরও যখন সময় পান তখনই ছুটে আসেন আমাদের মাঝে। এক কথায় অতুলনীয়।

একবাক্যে--গড়াতে আনন্দ পাই,,,

এমন এক বেশতো গড়েছেন যেখানে অনেক অনেক ভালো মানুষের আনাগোনা প্রতিনিয়ত।ভালো মানুষের তীর্থে তো ভালো মানুষই আসবে। ধন্যবাদ ভাইয়া এমন একটা সাইট খুলে আমার জীবণে অসাধারণ একটা অধ্যায় রচনা করে দিয়েছেন।অনেক ভালো মানুষের সন্ধান পেয়েছি। শিখছি নিত্য নতুন অনেক কিছু। এ কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। সত্যিই অনেক ঋনি হয়ে রইলাম এখানের সকলের কাছে।

সবশেষে অসংথ্য শুভকামনা রইল আপনার প্রতি এই শুভ জন্মদিনে। সেই সাথে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা যিনি এমন একজন মানুষের সাথে পরিচয়ের সুযোগ দিয়েছনে।
ভালবাসা নিবেন @Fahim  (কেক)(তালি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)(আতশবাজি)
*শুভজন্মদিন* *দুখোব্লগ* *ইউজারপরিচিতি* *খোলাচিঠি* *ফাহিম*

শ্রীলা উমা: অতি প্রিয় @admin , মাঝে মাঝে কিছু নোটিফিকেশন মিস হয় তো (মনখারাপ)......লজ্জিত হতে হয় এই জন্য,একটু বুঝুন ব্যাপারটা,আপনারা না বুঝলে কেমন করে হয় বলুন !!! ইতি, আপনাদেরই @Srilauma

*খোলাচিঠি* *চিঠি*

কবিয়াল সাদমান: মাঝে মাঝে এখনো তোমাদের ডাক আমার কানে ভাসে, অনেক খারাপ লাগে। কি করার বলো সবাইকেই একদিন ছেঁড়ে জেতে হয় এই পৃথিবী , কিন্তু তোমরা থাকলে হইতো অনেক ভালো হতো । তোমাদের অভাব অনুভব করি খুব রাতে একা একা কাঁদি আমি , কিন্তু তোমাদের দেখা পাই খালি স্বপ্নে , বাস্তবে নাহ । ‪

*খোলাচিঠি‬* *বেশতো* *কবিয়ালসাদমান*

শ্রীলা উমা: (ভাষণ) যে বা যাহারা আমার উত্তরে ডিসলাইক দিচ্ছেন তাদের সকলকেই বলছি আপনারা কোনো রকম লজ্জা-সংকোচ-দুশ্চিন্তা না করে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে আপনাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যান l সত্যি বলছি আমি একটুও রাগ-অভিমান করব না আর কষ্ট তো পাবই না,আপনাদের এইসব কাজের আমার কাছে কোনই (বেইলনাই)... ও হ্যা (বস) এটাও জানাই ডিসলাইক দিলে এখন আর পয়েন্ট কমে না (হাসি২)..... চালিয়ে যান....

*খোলাচিঠি* *ডিসলাইকচালিয়েযান*

©The Arafat™: *খোলাচিঠি* - ভালো, মন্দ, নাম্বার, পয়েন্ট, স্কোর বোর্ড, প্রতিযোগিতা, মাপকাঠি এই সব কিছু দিয়ে বেশতো নামের খোলা আকাশ টাকে বেঁধে না দিলে হতো না ! হায়রে বেড়াজাল !

*খোলাচিঠি*

প্রথম rabbI: *কবি* নির্মলেন্দু গুণের *খোলাচিঠি* রেলমন্ত্রীকে http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=586666327c22323dacb6a63bb55b1aec&nttl=05072013208550

আশিকুল আলম আশিক: এ *খোলাচিঠি* কোনো অন্ধ বধির সরকারকে না,এ *খোলাচিঠি* আমার প্রিয় সব ভাই বোনকে>এখন সময় আসছে সব কিসুতে কঠোর হবার-সফল দেশ গড়ার জন্য-কেউ অন্নায় করলে এখন থেকে সামনের অন্তত ১০ বছর কোনো ছাড় দেয়া চলবে না . দেখবেন corruption এর কথা মুখেও আনবে না, করা তো দুরে !

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★