গরম পানি

গরমপানি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরমের সময় নিয়মিত পানি পান করলেও শীতকালে আমরা ভুলে যাই পানি পানের কথা। তাছাড়া, শীতকালে ঘাম হয় না বলে অনেকেই ভাবতে পারেন তাদের আদৌ পানির প্রয়োজন আছে কি-না। ঘামের পানিস্বল্পতা পূরণের পাশাপাশি পানি খাবার পরিপাকেও সাহায্য করে। তাই শীতকালে সঠিক অনুপাতে পানি পান না করলে কোষ্টকাঠিন্য, আমাশয়, ইত্যাদি রোগ হতে পারে। এছাড়া শীতের শুষ্ক মৌসুমে ত্বক ও চুল তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারায়। তাই শীতকালে আমাদের আরো বেশি পানির প্রয়োজন পড়ে।  পানি শরীরের হজম শক্তি বাড়াতে এবং শক্তির মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যখন আমরা ঠান্ডা পানি পান করি তখন সেই পানিকে শরীরের ভিতর গরম (স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিতে) করতে শরীর থেকে বেশি শক্তি নির্গত হয়। তাছাড়া এজন্য প্রচুর রক্ত সঞ্চালন দরকার হয়। এই পানি আমাদের পেটের পাচক রসের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে হজমশক্তি হ্রাস পায়। বৃহদন্ত্রকে (Large intestine) সংকুচিত করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। দীর্ঘদিন অধিক ঠান্ডা পানি পান করলে পাইল্স এর সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।ঠান্ডার সময় বা শীতকালে পানি কুসুম গরম করে পান করুন। কিন্তু পানি পান করা কমিয়ে দেওয়া যাবে না। 

শীতকালে গরম পানি অধিক স্বাস্থ্যকর:
পুরাতন আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রমতে, ঠান্ডা পানির চেয়ে গরম পানি অধিক ভাল। এর কারণ হল আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬.৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যদি আমরা খুব বেশি ঠান্ডা পানি পান করি তবে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে শরীরকে অধিক কাজ করতে হয়। যদি ২০-২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানি পান করি তবে তার শীতলতা দ্রুত শরীরের ভিতর প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কাজে বিঘ্ন ঘটায়। ডাক্তাররাও সকালে উঠে হালকা গরম পানি পানের পরামর্শ দেন। গরম পানি শরীরের ভিতরটা পরিষ্কার করতে সক্ষম। যদি কারো পরিপাক ক্রিয়া ভাল না হয় তবে তার প্রত্যহ দুইবার গরম পানি পান করা উচিৎ। সকালে গরম পানি পান করলে শরীরের ভিতরকার টক্সিন বের হয়ে যায়। ফলে সকল দৈহিক সিস্টেম পরিষ্কার হয়। শরীরের ওজন কমে, শরীরের ব্যথা দূর হয় এবং পেটের অন্যান্য সমস্যাও দূর হয়।

তাই বুঝতেই পারছেন শীতেও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিৎ যা খুব বেশি ঠান্ডা কিংবা খুব বেশি গরমও হবে না। এই শীতেও সুস্থ্য থাকুন, ভাল থাকুন। আনন্দে কাটুক প্রতিটি মূহুর্ত। 

*শীতকাল* *গরমপানি* *ঠান্ডাপানি* *পানিপান* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঠান্ডায় কাপাকাপির দিন শেষ। শীতের সময় ঠান্ডার ভয়ে নিয়মিত গোসল করতে ভয় পান যারা তাদের জন্য এলো হট শাওয়ার। তাহলে আর শীতের সকালে গোসল করতে ভয় কেন ! ওয়াশরুমে আপনার শাওয়ারের সাথে সংযুক্ত করে নিমিষেই পেয়ে যাবেন ঈষদুষ্ণ গরম পানি, গোসলে পাবেন অনাবিল প্রশান্তি। ইলেকট্রিক হট শাওয়ার দিয়ে গরম পানি বের হবে খুব কম বিদ্যুৎ খরচে। ৯৫% থার্মাল কন্ট্রোল ও ৭৫% বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে।

জেনে রাখুন হট শাওয়ারের কিছু উপকারিতা: 

হট শাওয়ারের উপকারিতা: মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী সবশ্রেনীর মানুষের জন্য ঈষদুষ্ণ পানিতে গোসল করা স্বাস্থ্যসম্মত ও বটে। এতে মনে যেমন প্রশান্তি আসবে, তেমনি শরীরের নানা অংশের ব্যথা ও অসুখ-বিসুখ দূর হবে। ঈষদুষ্ণ পানিতে গোসল করলে মাংসপেশি ও হাড়সন্ধিতে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এর ফলে মাংসপেশির জড়তা ও খিঁচুনিভাবও উপশম হয়। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম পানিতে স্নান করে নিতে পারেন। এতে করে আপনার মানসিক চাপ ও অবসাদ কমে যাবে, ফুরফুরে বোধ করবেন। ফলে, ঘুমটা ভালো হবে। ঠান্ডায় লেগে নাক বন্ধ কিংবা  সারা শরীরে ব্যথা, যাই হোক না কেন ঝটপট একটা ‘হট শাওয়ার’ নিয়ে নিন। জমে থাকা কফ বা সর্দি হালকা করতে কুসুম গরম পানি বেশ কার্যকর। অর্থাৎ হট শাওয়ারের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। 

হট শাওয়ারগুলো দেখে পছন্দ হলে ছবিতে ক্লিক করে এক্ষুনি অর্ডার করুন। আরো দেখতে আজকের ডিল থেকে উইন্টার গ্যাজেট এই লিংকে ক্লিক করুন। হট শাওয়ার পেয়ে যাবেন ২০০০/- টাকার মধ্যেই। 

 

*হটশাওয়ার* *গরমপানি* *উষ্ণপানি* *শীতেরপণ্য* *স্মার্টশপিং*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঈষদুষ্ণ গরম পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করলে কী শরীরের কোন ক্ষতি হয় ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*গোসল* *স্নান* *গরমপানি* *হেলথটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঠান্ডায় কাপাকাপির দিন শেষ। শীতের সময় ঠান্ডার ভয়ে নিয়মিত গোসল করতে ভয় পান যারা তাদের জন্য এলো হট শাওয়ার। ওয়াশরুমে আপনার শাওয়ারের সাথে সংযুক্ত করে নিমিষেই পেয়ে যাবেন ঈষদুষ্ণ গরম পানি, গোসলে পাবেন অনাবিল প্রশান্তি। মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী সবশ্রেনীর মানুষের জন্য ঈষদুষ্ণ পানিতে গোসল করা স্বাস্থ্যসম্মত ও  বটে। চলুন দেখে নিই কিছু হট শাওয়ারের মডেলের খোঁজখবর।


হট শাওয়ার
১,৬৮০ টাকা
এই শীতে কনকনে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসলের কষ্ট আর নয়;
 ব্যবহার করুন Ducha Lorenzetti হট শাওয়ার
ব্রাজিলিয়ান টেকনোলজীতে তৈরী
৭৫% এনার্জী সাশ্রয়ী
সম্পূর্ন অটোমেটিক; 
ব্যবহার করা সহজ
৯৫% থার্মাল কন্ট্রোল
ভোল্টেজঃ 220v
3Kwatt মধ্যম মাত্রার উষ্ণ জল সরবরাহ করে। 


ইলেকট্রিক পানির শাওয়ার
২,৫৯৯ টাকা
৩টি টেম্পারেচার: 
হট, ওয়ার্ম ও কোল্ড কন্ট্রোল করা যায়
অ্যালয় হিটিং ম্যাটেরিয়াল 
কপার ও সিলভার অ্যালয় দ্বারা তৈরী


হট শাওয়ার
২,৬৪৯ টাকা
এটা দিয়ে গরম পানি বের হবেখুব কম বিদ্যুত খরচ হয় পানি গরম হতে
উন্নত প্লাস্টিক
95% Thermal control

ইলেকট্রিক বাথরুম শাওয়ার
২,২৭০ টাকা
ইলেকট্রিক বাথরুম শাওয়ার 
আপনি আপনার ওয়াশরুমে সাওয়ারের সাথে এটি স্হাপন করে, বিদ্যূতের সাথে কানেক্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। 
দেখতে সুন্দর। 
অনেক দিন ব্যবহার করা যায়। 


হট শাওয়ার
২,৫৮০ টাকা
এটা দিয়ে গরম পানি বের হবে
খুব কম বিদ্যুত খরচ হয় পানি গরম হতে
উন্নত প্লাস্টিক
95% Thermal কন্ট্রোল

অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে কিনতে চাইলে ক্লিক করো হট শাওয়ার কিনতে চাই
*হটশাওয়ার* *গরমপানি* *উষ্ণপানি* *শীতেরপণ্য* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হালকা কুসুম গরম পানি শরীরের জন্য অনেক দিক দিয়ে উপকারী। গরম পানির এমন কিছু উপকারিতা তুলে ধরছি।

১. ওজন কমবে
গরম পানি শরীরের বিপাক ক্রিয়া খুব ভালভাবে সম্পন্ন করে। যার ফলে বাড়তি মেদ কমবে। তবে আরো বেশি কাজ দিবে যদি সকালে খালি পেটে গরম পানির সাথে লেবু মিশ্রিত করে পান করেন। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করবে।

২. গলা ও নাসারন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবে
ঠাণ্ডা লাগা, কফ জমে যাওয়া এবং গলা ব্যাথায় গরম পানি খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটা কফ তরল করে বের করে দেয়। গলা ব্যথা কমায়। এছাড়া নাসারন্দ্রের পথ পরিষ্কার রাখে।

৩. পিরিয়ডের বাধা দূর করে
গরম পানি মেয়েদের মাসিকের সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। এটা পেটের পেশীকে শান্ত ও কোমল করে। যার ফলে মাসিকের সমস্যা দূর হয়।

৪. শরীরের বর্জ্য বের করে দেয়
গরম পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম ঝরবে। ঘামের সাথেই শরীরের অনেক ধরনের বর্জ্য বের হয়ে যাবে। এতে শরীর সুস্থ্য থাকবে।


৫. অকালে বয়সের ছাপ দূর করবে
শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকের কোষ নষ্ট হয়। ফলে অকালে বয়সের ছাপ পড়ে। গরম পানি এই নষ্ট কোষগুলোকে ঠিক করে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। ফলে ত্বক কোমল হয় এবং বয়সের ছাপ দূর হয়।

৬. ব্রণ ও ফুস্কুড়ি দূর করে
গরম পানি বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখে। এতে ব্রণ ও ফুস্কুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা কমে। তাই যারা ব্রণের সমস্যায় কাতর, তাদের উচিত গরম পানি পান করা।

৭. চুলের স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি
গরম পানি চুলের গোড়ায় থাকা স্নায়ু কার্যকর করে চুল শক্ত করে। ফলে চুল নরম ও উজ্জ্বল থাকে। এটি ফিরে পায় স্বাভাবিক জীবনীশক্তি। চুলের গোড়ার স্নায়ু সক্রিয় থাকায় চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। গরম পানি প্রতিদিনকার কার্যক্রম চালু রেখে চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

৮. খুশকি দূর করে
গরম পানি মাথার খুলি জলযোজিত করে মাথায় খুশকি হওয়া রোধ করে। অনেক সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করেও ফল হয় না, তবে নিয়মিত গরম পানি পান করলে সুফল পাওয়া যাবে নিশ্চিত।

৯. রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে নার্ভতন্ত্র সক্রিয় রাখে
গরম পানি পানের আরেকটি উপকারিতা হল এটা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে পেশী ও স্নায়ু সক্রিয় থাকে। পাশাপাশি বাড়তি চর্বি ভেঙ্গে ফেলায় এগুলো যথেষ্ট উন্নত হয়।

১০. হজম ভাল হয়
খাদ্য গ্রহণের পর ঠাণ্ডা পানি পান করলে খাদ্যের সাথে থাকা চর্বিগুলো জমিয়ে ফেলে। এতে পাকস্থলীর গাত্রে চর্বির স্তর জমতে থাকে। যা শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু গরম পানি তার উল্টোটা করে। এটা চর্বি ভেঙ্গে তা হজম বা নিঃসরণে সহায়তা করে। ফলে হজম প্রক্রিয়া ভাল হয়।

(সংগ্রহিত) 
*গরমপানি* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা কমবেশি সবাই ঠান্ডা পানি পান করতে অভ্যস্ত। সর্দি কাশি জনিত সমস্যা না হলে একেবারেই গরম পানি পান করি না। কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে, কুসুম কুসুম গরম পানি পানে মানব শরীরের বেশ কিছু উপকার হয়। চলুন তাহলে হালকা গরম পানি পানের উপকারী দিকগুলো জেনে নেই।

গরম পানি পানের উপকারী দিকসমূহঃ
১. গরম পানি শরীরের বিপাক ক্রিয়া খুব ভালভাবে সম্পন্ন করে। যার ফলে বাড়তি মেদ কমবে। তবে আরো বেশি কাজ দিবে যদি সকালে খালি পেটে গরম পানির সাথে লেবু মিশ্রিত করে পান করেন। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করবে।

২. ঠাণ্ডা লাগা, কফ জমে যাওয়া এবং গলা ব্যাথায় গরম পানি খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটা কফ তরল করে বের করে দেয়। গলা ব্যথা কমায়। এছাড়া নাসারন্দ্রের পথ পরিষ্কার রাখে।

৩. গরম পানি মেয়েদের মেয়েলী সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখে। এটা পেটের পেশীকে শান্ত ও কোমল করে। যার ফলে মেয়েলী সমস্যা দূর হয়।

৪. গরম পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম ঝরবে। ঘামের সাথেই শরীরের অনেক ধরনের বর্জ্য বের হয়ে যাবে। এতে শরীর সুস্থ্য থাকবে।

৫. শরীরের বর্জ্য বের হতে না পারলে ত্বকের কোষ নষ্ট হয়। ফলে অকালে বয়সের ছাপ পড়ে। গরম পানি এই নষ্ট কোষগুলোকে ঠিক করে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। ফলে ত্বক কোমল হয় এবং বয়সের ছাপ দূর হয়।

৬. গরম পানি বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখে। এতে ব্রণ ও ফুস্কুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা কমে। তাই যারা ব্রণের সমস্যায় কাতর, তাদের উচিত গরম পানি পান করা।

৭. গরম পানি চুলের গোড়ায় থাকা স্নায়ু কার্যকর করে চুল শক্ত করে। ফলে চুল নরম ও উজ্জ্বল থাকে। এটি ফিরে পায় স্বাভাবিক জীবনীশক্তি।

৮. চুলের গোড়ার স্নায়ু সক্রিয় থাকায় চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। গরম পানি প্রতিদিনকার কার্যক্রম চালু রেখে চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।

৯. গরম পানি মাথার খুলি জলযোজিত করে মাথায় খুশকি হওয়া রোধ করে। অনেক সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করেও ফল হয় না, তবে নিয়মিত গরম পানি পান করলে সুফল পাওয়া যাবে নিশ্চিত।

১০. গরম পানি পানের আরেকটি উপকারিতা হল এটা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। ফলে পেশী ও স্নায়ু সক্রিয় থাকে। পাশাপাশি বাড়তি চর্বি ভেঙ্গে ফেলায় এগুলো যথেষ্ট উন্নত হয়।

১১. খাদ্য গ্রহণের পর ঠাণ্ডা পানি পান করলে খাদ্যের সাথে থাকা চর্বিগুলো জমিয়ে ফেলে। এতে পাকস্থলীর গাত্রে চর্বির স্তর জমতে থাকে। যা শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয়। কিন্তু গরম পানি তার উল্টোটা করে। এটা চর্বি ভেঙ্গে তা হজম বা নিঃসরণে সহায়তা করে। ফলে হজম প্রক্রিয়া ভাল হয়।
(সংকলিত) 

*স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *গরমপানি* *পানি* *টিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ঠান্ডা পানি পান করতে পছন্দ করেন, অনেকে আবার স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে গরম পানি বেছে নেন। কিন্তু আমরা কি আসলেই চিন্তা করে দেখেছি যে, কোন ধরণের পানি পান করা শ্রেয়? আসুন জেনে নিইঃ

সাধারণত ঠান্ডা বা গরম পানি পান করার মধ্যে খুব একটা তফাৎ নেই। যে ধরণের পানিই আমরা পান করিনা কেন তা আমাদের অন্ত্র দ্বারা শোষিত হয় এবং তাতে পানির প্রাথমিক তাপমাত্রার কোন প্রভাব থাকে না। যদি এই পানি শোষিত না হয়, তবে তা ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে। তবে ঠান্ডা বা গরম পানীয় অবশ্যই আমদের দেহের তাপমাত্রায় ক্ষণস্থায়ী প্রভাব বিস্তার করে থাকে। তবে কোনটা উত্তম তা আমাদের দেহের ঠান্ডা বা গরম হওয়ার প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে।

তারপরেও বেশ কিছু গবেষণায় দেখা যায় যে, সর্দি-জ্বরে গরম পানি পান করা উত্তম। ১৯৭৯ সালের একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গরম পানির বাষ্প নাকের মিউকাসের গতি বৃদ্ধি করে। আর এই গতিময় মিউকাস সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া রোধ করে সম্ভাব্য সেকেন্ডারি সাইনাস ইনফেকশন থেকে দূরে রাখে।

তবে গরম পানির চেয়ে আরও ভাল হয় যদি মুরগীর স্যুপ পান করা যায়, কারণ সেক্ষেত্রে স্যুপের সুগন্ধ নাকের অভ্যন্তরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে।

তথ্যসুত্রঃ
“BBC FOCUS” ম্যাগাজিন, সেপ্টেম্বর ২০১৩ সংখ্যা
*গরমপানি* *ঠান্ডাপানি* *পানি* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত আসলেই গরম পানির ব্যবহার বেড়ে যায় অনেক উন্নত দেশেই হয়তো গোসলের জন্য আলাদা করে চুলা থেকে গরম পানি করতে হয় না বাংলাদেশেও অনেকেই গরম পানির মেশিন সেটআপ করে নিয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে এখনো সকলের বাসায় গোসলের গরম পানি রান্নাঘরের চুলা থেকেই হয়ে থাকে আপনারা অনেকেই হয়তো সচেতন নন যে, প্রতিবছর গরম পানিতে অনেক দূর্ঘটনা ঘটে বাসা-বাড়িতেই একটু অসতর্কতার কারনে সামান্য গরম পানিতে প্রতিবছর অনেক শিশুর মারাত্নক ক্ষতি হয়ে থাকে আর ধরনের দূর্ঘটনার জন্য একজন শিশু নয় বরং আমরা বড়রা দায়ী

 ঘটনা-

গোসলের গরম পানি বাথরুমে রেখে চলে আসে। বাথরুমের দরজা খোলা ছিলো। হাঁটা শিখেছে এমন শিশু ছিলো বাসায়। কখন যে শিশুটি বাথরুমে চলে গিয়ে গরম পানিতে হাত দিয়ে দেয় কেউ বুঝতেই পারেনি। তারপর বুঝতেই পারছেন। 

 ঘটনা-

গোসলের গরম পানি রান্নাঘর থেকে বাথরুমে নেবার সময় দরজা পার হতে হয়েছিলো। দরজার পর্দা সরানো ছিলো না, ঝোলানো ছিলো। যখন গরম পানির হাড়ি নিয়ে বহনকারী দরজার পর্দার এপার, ঠিক তখনি একজন শিশু পর্দার ওপার দিয়ে দৌড়ে আসছিলো। ব্যাস, দুজনের সংঘাত ঠিক পর্দার মাঝে একসাথে আর সাথে সাথে বড় দূর্ঘটনা। অথচ গরম পানি বহনের আগে একটু সতর্ক হলেই এই ধরনের দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিলো

 ঘটনা-

গোসলের গরম পানি হাড়িতে। রান্নাঘর থেকে বাথরুমে নেবার সময় হাত থেকে ফস্কে পড়ে যায় আর সেই গরম পানিই ছিটকে গায়ে পড়ে গরম পানি বহনকারী শিশু গৃহপরিচারিকা (বা যাদেরকে সোজা বাংলায় কাজের লোক বলে থাকি আমরা।)

 যে বাসায় শিশুরা থাকে সেই বাসার বড়দের অধিক সচেতন হওয়া দরকার শীতে গোসলের গরম পানি ব্যবহার করা নিয়ে

তবে শুধু গোসলের গরম পানিই নয়। যে কোন গরম জিনিষ থেকেই সাবধান থাকবেন। যেমন: মাইক্রোওভেন থেকে গরম খাবার বের করে টেবিলে রাখলেন আর বাচ্চা এসে চট করে সেটা ধরে খেতে গেলো। বা গরম আইরন মেঝেতে বা টেবিলে এমনভাবে রাখলেন যে শিশুর নাগালে চলে আসলো। (আমার কাজিনের ছোট ছেলে গরম আইরন ধরে বুকে লাগিয়ে ফেলেছিল।)

সবশেষে যা অধিক জরুরী বাসার বড়দের অধিক সচেতন থাকবে হবে গরম যে কোন জিনিস ব্যবহারে

- ইন্টারনেট অবলম্ভনে

*গরমপানি* *শিশুরযত্ন* *সতর্কতা* *শীতকাল*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★