গর্ব

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

টানা দুইবার অস্কার জয়ের পর এবার এর বিচারক হচ্ছেন বাংলাদেশের নাফিস বিন জাফর। সিনেমার ‘নোবেল’ খ্যাত অ্যাকামেডি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার পুরস্কার প্রদানকারী অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস এর সদস্য হবার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস বিভাগের অস্কারের জন্য ভোট-মূল্যায়নও দেবেন নাফিজ। নাফিজ বিন জাফর মূলত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী। বাংলাদেশ হতে প্রথমবারের মতো এ সম্মান পেলেন তিনি। ২০১৭ সালে এতে অভিতাভ বচ্চন, আমির খান, সালমান খান, ইরফান খান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

এবারে নতুনদের তালিকায় আমন্ত্রন পেয়েছেন নাফিজ বিন জাফর। বিভিন্ন বিভাগে ৫৭টি দেশের ৭৭৪ জন নতুন সদস্যের এই তালিকায় ওয়ান্ডার উইমেন খ্যাত গ্যাল গ্যাডেট হতে শুরু করে ৯৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী বেটি হোয়াইট রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ, ক্রিস উভান্স, ডোয়াইন জনসন-দ্য রক, ক্রিস প্যাট, আনা ফারিস এর মতো তারকারা।


নাফিস প্রথম বাংলাদেশি ব্যক্তি হিসেবে ২০০৭ সালে অস্কার পুরস্কার জেতেন। হলিউডের পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান- অ্যাট ওয়াার্ল্ডস অ্যান্ড চলচ্চিত্রে ফ্লুইড অ্যানিমেশনের জন্য সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল বিভাগে ডিজিটাল ডোমেইন নামে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ডেভেলপার কোম্পানির হয়ে দুই সহকর্মী ডাগ রোবেল ও রিয়ো সাকাগুচি সাথে নাফিস এ পুরস্কার জিতেছিলেন।

এর পর ‘২০১২’ মুভিতে প্রথম ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিট ব্যবহারের জন্য অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অব সায়েন্স ২০১৪ পুরস্কার পান তিনি। ওই ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিটটি প্রথম ব্যবহার হয় ‘২০১২’ ছবিতে। এরপর ট্রান্সফরমারের প্রতিটি সিরিজ ও ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অগম্যান্ট’সহ ২০ টিরও বেশি ছবিতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। নাফিস ১৯৭৮ সালের ৮ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

*বাংলাদেশ* *গুনীজন* *অস্কার* *অহংকার* *গর্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নতুন প্রজাতির গম আবিস্কার করে অস্ট্রেলিয়ায় আলোড়ন তুলেছেন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বিজ্ঞানী ড. নিজাম উদ্দিন ।



নতুন প্রজাতির গম আবিস্কার করে অস্ট্রেলিয়ায় আলোড়ন তুলেছেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ড. নিজাম উদ্দিন । অস্ট্রেলিয়ার গম উৎপাদন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এই বাংলাদেশীর আবিস্কার ।

গম আর ভূট্টার জিনকে ডাবলড হ্যাপ্লয়েড পদ্ধতিতে (Doubled haploid breeding) সন্নিবেশিত করে তুলনামূলক অধিক প্রোটিন আর ফলনের গমের নতুন জাত উদ্ভাবিত হয়েছে । স্পিটফায়ার প্রজাতির নতুন গমের বীজ উদ্ভাবিত হয়েছে । উদ্ভাবিত গমের বীজ দিয়ে এই গবেষণার স্পন্সর কোম্পানি মাঠ পর্যায়ে গমচাষীদের হাতে তুলে দিয়েছেন এই বীজ, পেয়েছেন ঈর্ষনীয় সাফল্য । যা বদলে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গম চাষের পুরনো সবকিছু ।

নতুন জাত আবিস্কারে বাংলাদেশের ড. নিজামের আগে অনেক বৈজ্ঞানিকরাই কাজ করেছেন । কিন্তু সাফল্য লাভ করতে পারেননি। তাছাড়া নতুন জাতের বীজ উদ্ভাবন গবেষণায় যেখানে ১০ বছর লেগে যায়, সেখানে ১০ বছরের সময়সীমাকে তিনি নামিয়ে এনেছেন ৭ বছরে । অস্ট্রেলিয়ার সেরা জাতের গম ছিল অস্ট্রেলিয়ান প্রাইম হার্ড এ আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত । কিন্তু নতুন এই জাতটি প্রাইম হার্ডের চেয়ে উন্নত ফলনশীল ।

আর তাই ড নিজামের উদ্ভাবন যে কোন জেনেটিক আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সৃষ্টি করেছে নতুন একটি রেকর্ড । অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্পন্সর কোম্পানির অর্থায়নে নানা গবেষণার কাজ চলে । নতুন এই গমবীজের ফলন ও এর ফসলের প্রোটিনগত সমৃদ্ধির কারনে অস্ট্রলিয়ার জুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে ড নিজামের খ্যাতি । আসছে তার পক্ষে নতুন নতুন স্পন্সরের প্রস্তাব ।

এই সুখ্যাতির আড়ালে এই বাংলাদেশীর রয়েছে নিরব আক্ষেপ । বাংলাদেশের এই সন্তানের সাফল্যগাথা সম্পর্কে এখনো জানে না এদেশের মানুষ । ড. নিজাম অস্ট্রেলিয়া থাকতে চাননি । চেয়েছিলেন দেশে থেকে দেশে কিছু করার । কিন্তু সেই সুযোগ তিনি পাননি ।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটে পেশা জীবন শুরু করেন ড নিজাম ।

অস্ট্রেলিয়া সরকারের একটি বৃত্তি নিয়ে উচ্চতর পড়াশুনা-গবেষনার জন্য আসেন । এখানে পড়াশুনা শেষে দেশে ফেরতও গিয়েছিলেন নিজের দেশেই কাজ করবেন এই ইচ্ছা নিয়ে । কিন্তু ড নিজাম দেশে ফেরত গেলেও ক্ষমতাসীন সরকার তার কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের চাকরি ফেরত দেয়নি । ভগ্নমনোরথে তিনি ফিরে যান অস্ট্রেলিয়া । তাঁকে লুফে নেয় সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় ।

ছোটখাটো গড়নের লাজুক স্বভাবের ড নিজামের তাই এসব নিয়ে আলাদা উচ্ছ্বাস নেই । এই জেনেটিক সায়েন্টিস্টর বাড়ি চাঁদপুরের মতলবে । সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব এগ্রিকালচার, ফুড অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস এর অধীনে রিসার্স ফেলো হিসাবে কাজ করছেন ড. নিজাম । সেখানে টার্গেটকৃত সময়েরও আগেই তার বিরল আবিষ্কারে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ খুশি । গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান এজন্য ড.নিজাম এবং বাংলাদেশ নিয়ে গর্বিত হিসেবে নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ।

ড নিজাম মনে করেন বাংলাদেশে বিশ্বমানের অনেক গবেষক-বিজ্ঞানি আছেন । অভাব পৃষ্ঠপোষকতা আর স্পন্সরের । আর তা সম্ভব হলেই মেধা পাচার বন্ধ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

উৎস : http://www.hollywoodbanglanews.com/news/4940.হ্ত্ম্ল

*বাঙ্গালী* *গর্ব* *অহংকার* 
*গর্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে



সকালের ঘুম থেকে উঠে বলুন আর দিনের যে কোন সময়ের কর্মব্যাস্ততা দূর করার কথা বলুন- কফির কিন্তু কোন জুড়ি নেই। চায়ের পাশাপাশি এই পানীয়টার চাহিদা পৃথিবী জুড়ে সর্বত্তই বেশি। কিন্তু আপনার সকালের সাদামাটা এক কাপ ঐ কফির পিছনে কত হিসেব আর পুরোনো ইতিহাস জড়িত জানেন ??? একটা পরিসংখ্যান বলছে, সারা পৃথিবী জুড়ে প্রতিদিন ১.৬ বিলিয়ন কাপ কফি পান করা হয় যেটা কিনা তিনশটি অলিম্পিক সাইজড পুল ভরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ঠ। আর অলিম্পিকের পুলের সাইজ জানা আছে আশা করি… তবুও বলি- এর দৈর্ঘ, প্রস্থ ও উচ্চতা যথাক্রমে ৫০, ২৫ এবং ২ মিটার। শুধু তাই নয়, তেলের পর কফিই দ্বিতীয় কমোডিটি বেজড প্রোডাক্ট।

যাই হোক, আজ কফির যাত্রার শুরুর দিকটা একটু জেনে নেওয়া যাক। পুরদস্তুর সাহেবী গোছের পানীয় মনে হলেও এটা লাইম লাইটে এসেছে কিন্তু আরবদের হাত ধরে। প্রায় ১২০০ বছর আগে আরবের “খালিদ” নামের একজন ছাগল পালকের হাত ধরেই কফির সূচনা। সে প্রতিদিনের ছাগল চরাতে গিয়ে খেয়াল করেছিল যে তার ছাগলগুলো ‘ইথিওপিয়াল’ পাহাড়ের ঢালে জাম সদৃশ এক বিশেষ ফল খেয়ে বেশ চনমনে থাকে। সম্ভবত কৌতুহল বশতই সে এই ফল গুলো কাচা না খেয়ে পানিয়ে ফুটিয়ে খাওয়া শুরু করেছিল। খালিদ এর নাম দিয়েছিল Al Qahwa, কিন্তু আরবের এই ছাগল পালক তখনো আচ করতে পারেনি যে সে গোটা পৃথিবীকে আসলে কি উপহার দিতে যাচ্ছে !!! আস্তে আস্তে Al Qahwa সূফীদের মাঝেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে লাগল। কারন রাতভর ইবাদত-বন্দেগী, জিকির করার জন্য এর সমপর্যায়ের পানীয় খুব কমই ছিল। তারপর আরবের সাধারন মুসলিম, হজযাত্রী এবং পর্যটকদের মাঝে এই Al Qahwa বেশ প্রচলন পেয়ে গেল। ১৫ শতকের শেষের দিকে এই পানীয় পৌছে গেল মক্কা এবং তুরষ্কতে। আর কায়রোতে এই পানীয় পৌছুলো ১৬ শতকের দিকে, এবং সেই সাথে এটা বেশ জনপ্রিয়তাও পেল।
চিন্তা করুন, যেই পানীয়টাকে আমরা সাহেবী পানীয় বলে জানি সেটাতে এখনো ইংরেজদের ছোয়াও পড়েনি। তাই বলা যায়, ১৬ শতকের আগ পর্যন্ত কফির এই অনন্য স্বাদ মূলত আরবের মুসলমানদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ১৬৫০ সালে Pasqua Rosee নামের এক তুর্কী ব্যবসায়ী এর পানীয়কে প্রথমবারের মত ব্রিটেনে নিয়ে এলেন এবং সেটা বিক্রি করলেন লম্বার্ড স্ট্রিটে জর্জিয়ার্ড নামের এক ক্যাফেতে। আর ইংরেজ সাহেব্ দের হাতে কিছু পড়লেই সেটা যে একটা নতুন মাত্রা পাবে সেটা বলাই বাহুল্য, একই ঘটনা ঘটল কফির ক্ষেত্রেও। মাত্র ৫০ বছরেই অর্থাৎ ১৭০০ সালে শুধুমাত্র লন্ডন শহরেই ৫০০ এবং সারা ইংল্যান্ডে প্রায় ৩০০০ কফিহাউজ গড়ে ওঠে। বর্তমানে লন্ডন ভিত্তিক খ্যাতনামা ইন্সুরেন্স কোম্পানি “Lloyed’s Of London” আদিতে “Edward Lloyds Coffee Shop” নামের একটি কফিশপ ছিল।

এই ঘটনার পরিক্রমার সাথে ইংরেজদের একটা ইতিহাসও জড়িত। সেটির নাম “পেনি ইউনিভার্সিটি”। তৎকালীর ব্রিটেনের এই কফি শপগুলোকে পেনি ইউনিভার্সিটিও বলা হতো। তার পিছনে কারন হল তখন এক পেনিতে এক কাপ কফি পাওয়া যেত, আর এক পেনি ছিল এক পাউন্ডের ২৪০ ভাগের মাত্র ১ ভাগ। আর তৎকালীন কফিশপ গুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মতলার মোড়ের চায়ের দোকানের সাথে তুলনা করে ফেললে কিন্তু যথেষ্ঠ ভুল করবেন। আজকাল আমাদের এই রকম জমায়েতে মূলত মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তদের আধিক্য দেখা যায়, কিন্তু তৎকালীন ব্রিটেনের কফিশপগুলোতে নামিদামি বিজ্ঞানী, দার্শনিক, রাজনৈতিক নেতা, চিন্তাবিদরাও রোজ নিয়ম করে বসতেন। যাদের সাথে আপনি কখনো স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা করবার সুযোগ পেতেন না, মাত্র এক পেনির বিনিময়ে আপনি তাদের সাথে দেখা করতে পারছেন, তাদের পাশে বসতে পারছেন… তাদের ভাবনা চিন্তা গুলো নিজের কানে শুনতে পারছেন। তাই তৎকালীন ব্রিটেনের কফিশপ গুলোকে বলা হত হতো পেনি ইউনিভার্সিটি ।

প্রথমদিকে মুসলিমরা যেভাবে কফি খেত, ইউরোপিয়ানরাও সেই প্রস্তুত প্রণালী ফলো করত। অর্থাৎ গরম পানির মধ্যে কফি পাঊডার এবং চিনির মিশ্রণ। পরে ১৬৮৩ সাথে ভিয়েনা বাসীর হাত ধরে এই পানীয়টি পেল একটি নতুন স্বাদ। নতুন স্বাদ দিতে কিছু পরিবর্তনের পাশাপাশি ওরা কফির সাথে মিশিয়েছিল মধু ও ক্রিম… ফলে কফির রঙ তখন দেখতে হল বাদামী যেটা কিনা Capuchin সন্যাসীদের পোশাকের রঙ এর মত। তাই তারা এই কফিন নাম রেখেছিল Cappuccino । ইতিহাস এখানেই শেষ না, আজ আমরা গরম, ঠান্ডা সহ বিভিন্ন ফ্লেভাবের কফিও খেয়ে থাকি, থেমে নেই এর পরিবর্তনের ইতিহাস। তবে ইতিহাস এটাই বলে যে মুসলমানরাই ছিল এই পানীয়কে পানীয়যোগ্য করে তোলবার পথ প্রদর্শক। এবং স্বাভাবিকভাবেই, আমাদের তথা মুসলিমদের হারিয়ে যাওয়া অনেক অর্জনের ইতিহাসের মত এই অর্জনটিও আমাদের অনেকের হয়ত অজানা !!!

*কফি* *ইতিহাস* *মুসলমান* *আরব* *ইংরেজ* *সভ্যতা* *গর্ব*
*ইতিহাস* *মুসলমান* *আরব* *ইংরেজ* *সভ্যতা* *গর্ব*

অর্ঘ্য কাব্যিক শূন্য: একটা সময় ছিলো, যখন ভাবতাম, যদি জন্টি রোডসের মতো একজন ফিল্ডার থাকতো বাংলাদেশ দলে, কি ভালোই না হত...তবে এই ভিডিওটি দেখার পর সেই আক্ষেপ অনেকটাই দূর হয়ে গিয়েছে... বিভিন্ন ম্যাচে টাইগারদের দুর্দান্ত সব ক্যাচের দারুণ এক ফ্ল্যাশব্যাক দেখে নিন এক নজরে... (খুকখুকহাসি) ভিডিও লিংকঃ https://goo.gl/e29lOm

*টাইগার্স* *ক্রিকেট* *ক্যাচিং* *গর্ব*
জোকস

মোঃআশিকুর রহমান: একটি জোকস পোস্ট করেছে

গর্বে আমার বুক ফুলে গেল-my chest become breast so I'm happy (খুশী২)(খুশী২)(খুশী২)
*গর্ব*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
বলুন তো!! একজন ছাত্রের জীবনে সবচেয়ে গর্বের সময় কখন?? যখন সে পরীক্ষার হলে বলে,"স্যার, এক্সট্রা পেজ লাগবে!!"
তারচেয়েও গর্বের সময় হল যখন সে বলে, "ওই, কার কার কাছে আমার এক্সট্রা পেজ!! জলদি ফেরত দে!!"
*সময়* *গর্ব*

শান্তা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশ আমার গর্ব, বাংলাদেশ আমার অহংকার।১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে আবির্ভাব ঘটে বাংলাদেশের। জন্মের পর থেকে নানা সময়ে এ রাষ্ট্রটি নানা দিক থেকে বিশ্বের মানুষের নজরে এসেছে। তবে রাজনৈতিক দিক থেকে বারবার পট পরিবর্তন এবং দ্বিধা দ্বন্দ্ব প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছিল সামনে এগোনোর পথে বাধা। এর মাঝেও কিছু কিছু সময় এসেছে যখন এ দেশের মানুষ গৌরবে সিক্ত হয়েছে। এমন কিছু গৌরব নিয়েই এই লেখা।

বাংলাদেশ এক সময় বিশ্বে পাটশিল্পের জন্য বিখ্যাত ছিল। সারা বিশ্বের শতকরা আশি ভাগ পাট এ দেশে উৎপাদিত হতো। কিন্তু এই পাটশিল্প একসময় ধ্বংস হয়ে যায়। কৃষিতে বাংলাদেশের সুনাম অনেক আগে থেকেই। এ দেশের মাটি খুবই উর্বর। এ দেশের মাটি কৃষির জন্য যেমন উৎকৃষ্ট তা পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। এ দেশের কৃষক হয় একজন কৃষি শিল্পী। তিনি তার নিপুন হাতের শিল্পচর্চা দিয়ে গড়ে তোলেন এক একটি কৃষিজ পন্য।

পর্যটন ক্ষেত্রে এ দেশের রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এর এ ক্ষেত্রে আরো বেশী পরিমান সক্রিয় এবং বিস্তৃত হওয়া খুব প্রয়োজন। যোগাযোগ ক্ষেত্রে আর কিছুটা উন্নতি করতে পারলে এ দেশ পর্যটন খাত থেকে অনেক অনেক আয় করতে সমর্থ হবে। এছাড়াও এ দেশে বিভিন্ন বিষয়ের সহজলভ্যতা এ দেশে অন্য দেশের মানুষের আসার সম্ভাবনাকে আরো বেশি পরিমানে বাড়িয়ে তোলে। এ বিষয়ের প্রভাব দেখা গেছে যখন এ দেশে বড় কোন আন্তর্জাতিক আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এ দেশের সেনাবাহিনী বেশ অনেক বার বিদেশে শান্তি রক্ষী বাহিনীর দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিভিন্ন দেশে এ দেশ থেকে জাতিসঙ্ঘের শান্তি রক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠানো হয় নিয়মিত। এ দেশের শান্তি রক্ষা মিশনে যোগ দেয়া সৈন্যরা বেশ গৌরবের সাথে বিদেশে কাজ করে আসছে। এখন পর্যন্ত বহু দেশে বহু সৈন্য শহীদ হয়েছেন । আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষার জন্য এ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্বসভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’কে বেশ প্রশংসা করা হয়েছে।

খেলাধূলায় এ দেশের প্রাপ্তি কম নয়। এ দেশের মানুষের কাছে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেট। ক্রিকেটে বাংলাদেশ অভিজাত ১০টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের অন্তর্ভুক্ত।  ১৯৯৯ সাল থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশ নেয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে সুপার এইটে উঠে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়। সে বছর বাংলাদেশ ভারতকে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় করে দেয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকের সুযোগ পায়। সহ আয়োজক হিসাবে বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ সহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এশীয় পর্যায়ে ২০১৩ সালের এশিয়া কাপে রানার্স আপ হওয়াটা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য। আর এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার এইটে খেলার গৌরব অজর্ন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয়। এ ছাড়া ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়া এবং বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পায় বাংলাদেশ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে বাংলাদেশের গর্বের মত অনেক কিছু রয়েছে। এ দেশে কৃষিক্ষেত্রে অনেক ধরনের উদ্ভাবন এ দেশের কৃষিকে সারাবিশ্বের কাছে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। পাটের জীন আবিস্কার সহ ধানের বিভিন্ন বীজ উদ্ভাবন, সার উৎপাদন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষ যে মেধা’র পরিযয় দিয়েছে তা অতুলনীয়। কৃষি ক্ষেত্রে সঠিক মাত্রায় ভর্তুকি প্রদান, সারের দাম নিয়ন্ত্রন, প্রান্তিক কৃষকের ন্যায্য পাওনা সহ কৃষকদের সুযোগ সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে এ দেশের কৃষির ক্ষেত্রে বিকাশ সম্ভব। কৃষি খাতে এই বিকাশ বাংলাদেশকে খাদ্য খাতে শুধু স্বয়ংসম্পুর্নতাই এনে দিবে না বরং আন্তর্জাতিক মুদ্রা অর্জন এবং আরো অনেক ধরনের অর্জনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যে দেশের যে ক্ষেত্রে শক্তি বেশী তার সেখানেই উন্নয়ন করা বেশি জরুরি। সে জন্যে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কৃষির বিকাশে কাজ করা একান্ত জরুরি।
(সংকলিত)
*বাংলাদেশ* *গর্ব* *বাংলাদেশ-আমার-অহংকার*
৩/৫

অলিন আরজু: বহির্বিশ্ব বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিডিয়া যে যাই বলুক, বাংলাদেশ নামটা কে বুকে নিয়ে থাকা লক্ষ লক্ষ সমর্থকের কসম লাল-সবুজ ঐ পতাকা, যার জন্য ওরা খেলে তার কসম, লাল সবুজ জার্সি পরা দলটাই আজকের খেলার আসল বিজয়ী, ওরাই বীর......।। অনেক গর্ব বাংলার বাঘেদের ওপর, আমাদের প্রকৃত নায়কেরা.........

*গর্ব* *বীর* *আমাদেরনায়ক* *বাংলাদেশক্রিকেটদল*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তার কয়েকটি এখানে তুলে ধরলামঃ

~~~বাংলাদেশ~~~
•বিশ্বের ৭৬তম ধনী রাষ্ট্র।(কিমজা)

•বিশ্বের ১১তম সুখী দেশ।(ভালবাসি)

•বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার (সাকিব আল হাসান)(জোস)
তো এ দেশেরই ছেলে।

•বিশ্বের ৬ষ্ঠ তম ভাষা আমাদেরই।(শ্রদ্ধা-১)

•আমরাই একমাত্র ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি।(শ্রদ্ধা-২)

•অন্যতম শক্তিশালী ১০টি মুসলিম দেশের
একটি।(ভালো)

•এখানে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড়
সমুদ্রসৈকত (কক্সবাজার)।(মেঘ)

•বিশ্বের সবচেয়ে বড় লোনাপানির বনাঞ্চল
(সুন্দরবন) এখানে।(গ্যাংনাম)

•বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু (যমুনা সেতু) তো এ
দেশেই।(লালালা)

•জাতিসংঘ
শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশি প্রেরন
করা দেশ।(বস)

•রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বিশ্বে ২৭তম,
গার্মেন্টস শিল্পে প্রথম(খুশীতেআউলা)
*বাংলাদেশ* *গর্ব*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

যেখানে সত্যকে হেয় করা হয়, সেখান থেকে সফলতা আর গর্ববোধ আশা করা যায় না ।

যেখানে সত্যকে হেয় করা হয়, সেখান থেকে সফলতা আর গর্ববোধ আশা করা যায় না ।

*সত্য* *গর্ব* *আশা* *সফলতা*

ফাহিম মাশরুর: বাংলাদেশের গর্ব ওয়াশ্ফিয়া নাসরীনকে নিয়ে BBC এর অনুষ্ঠান . . https://www.youtube.com/watch?v=Q1e_NMDRtL4&feature=youtu.be&noredirect=1

*বাংলাদেশ* *গর্ব* *ওয়াশ্ফিয়া*
ছবি

মুহাম্মাদ আবদুল গণি: ফটো পোস্ট করেছে

আজ ঈদ-ই-মিলাদুননবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সকল মুসলিম ভাইদের ঈদ মোবারক

*ঈদ-ই-মিলাদুন্নাবী* *ধর্ম* *আনন্দ* *গর্ব* *মহাত্মা* *আদর্শ* *নেতৃত্ব* *জন্মদিন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★