গহনা

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হরেক রকম গহনায় আকর্ষণীয় সাজনারীর রূপের ঝলকানি সচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে শাড়ি আর গহনায়। বাহারি গহনাতে সাজের ভিন্নতা তো থাকবেই কিন্তু বতমার্ন ফ্যাশনে সাজ হওয়া চাই আরও স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল। যে কোন উৎসবে রাজ কুমারীর বেশে সেজে উঠার জন্য এবং আপনার সাঁজের পূর্ণতা পেতে গহনার কোন বিকল্প নাই। সব ধরনের পোশাকের সাথে মিলিয়ে হালকা কিছু গহনা আপনাকে আরও আকর্ষণীও করে ফুটিয়ে তুলতে পারে। চলুন স্টাইলিশ কিছু গহণা কালেকশন দেখে নেই।


বাহারি গহনা:

গহনাটি কিনতে ক্লিক করুনগহনাটি কিনতে ক্লিক করুন

কোন ধরনের পোশাকের সাথে আপনি কোন ধরনের গহনা পরবেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি শাড়ি পরেন তাহলে শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে আপনি হাতে চুড়ি, কানে দুল এবং গলায় কিছু একটা পরুন। তবে কানের দুল যদি আপনি বড় পরেন তাহলে গলায় হালকা কিছু পরুন আর যদি কানে ছোট কোন দুল পরেন তাহলে গলায় ভারী কোন গহনা পরুন। এগুলোর সাথে হাত ভর্তি কাঁচের চুড়ি বেঁছে নিতে পারেন।

গহনাটি কিনতে ক্লিক করুনগহনাটি কিনতে ক্লিক করুনফতুয়া ও কামিজের সঙ্গে আপনি যেকোনো ধরনের গহনা ব্যাবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি কোন উপলক্ষে সেগুলো ব্যাবহার করছেন। তবে যে গহনাটি পরবেন সেটি যেন মান্ধাত্বা আমলের না হয়। অবশ্যই আপনাকে আধুনি সাজের নতুন নতুন গহণা পরতে হবে।

গহনাটি কিনতে ক্লিক করুনগহনাটি কিনতে ক্লিক করুনসবসময় যে সোনা, রুপা অথবা হীরের গয়না পরতে হবে এমনটি নয়। আপনি ইচ্ছে করলে অনেক কম দামের মধ্যে কিছু ফ্যাশনাবল গহনা বেঁছে নিতে পারেন। আজকাল বিভিন্ন ধরনের গহনা বাজারে মাটি, কাঠ, তালপাতা, কড়ি, ড্রাই ফ্লাওয়ার, স্টোন ইত্যাদি দিয়েও অনেক আকর্ষণীও গহনা আপনি পেয়ে যাবেন। এগুলো যেমন আপনার ফ্যাশনের অংশ হবে ঠিক তেমনি আরামও পাবেন। বিভিন্ন দামের মধ্যে এসব গহনা পাওয়া যাবে।

গহনাটি কিনতে ক্লিক করুনআপনি যদি কোন জমকালো অনুষ্ঠানে যান তবে আপনাকে বেশ ভারী গহনা ব্যাবহার করাই উচিৎ হবে। তাতে আপনাকে সকলের চেয়ে আলাদা লাগবে। গহনা আপনার ফ্যাশন ও রুচির প্রকাশ করে থাকে। তাই গহনা নির্বাচনের আগে আপনাকে আপনার পোশাক ও পরিবেশের দিকে নজর রাখতে হবে।

কোথায় থেকে কিনবেন:

গহনাটি কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশেই গহনার মার্কেট পেয়ে যাবেন। তবে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ভালমানের স্টাইলিশ গহনা কিনতে নক করতে পারেন অনলাইন শপগুলোতে। দেশের সেরা অনলাইনশপ আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে নজরকাড়া বাহারি গহনা। গহনার সাজে নিজেকে সাজিয়ে নিতে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*গহনা* *সৌন্দর্য্য* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দেখতে দেখতে বছর ঘুরে চলে এলো আরেকটি বসন্ত। বসন্তকে বরণ করতে তরুণীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে নানান জল্পনা কল্পনা। ফাল্গুনের রঙের মাঝে বাসন্তী রঙের শাড়ি, খোঁপায় গোঁজা গাঁদা ফুল, হাতভর্তি চুড়ি, কপালে লাল টিপ আর হালকা মেকআপ নারীর সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। ফাল্গুন মানেই বাসন্তী রংয়ের মেলা। হলুদ-লাল পাড়ের শাড়ি, হাত ভর্তি চুড়ি আর মাথায় গাঁদাফুল— সব মিলিয়ে পূর্ণতা পায় বসন্তের সাজ। বসন্তের প্রথম দিনে দেশীয় পোশাকের সঙ্গে হাতে থাকুক রঙিন চুড়ি।  "চুড়ি নেবেন চুড়ি, হরেক রকম চুড়ি", একসময়ের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গী ছিলো চুড়ি। 

বাঙালি নারীর হাতে রেশমি চুড়ির রিনিঝিনি ছন্দে, মন মেতে ওঠে আনন্দে। কানে ঝুলানো দুল সঙ্গে দেয় আলাদা আবহ। তাই বসন্ত বরণে নতুন পোশাকের সঙ্গে হাতভর্তি চুড়ি বা ব্রেসলেট  আর মিলিয়ে কানের দুল চাই-ই চাই। আর কদিন বাদে পহেলা ফাল্গুন। তাই নিজের সাজগোজের সব অনুষঙ্গ ঠিকঠাক মত আরেকবার মিলিয়ে নিতে পারেন। পোশাকের রং-এর সঙ্গে মিলিয়ে চুড়ি-গয়না কিনেছেন তো? এখনো না কিনে থাকলে জেনে নিন কোথায় পাবেন মনের মতো কাঁচের চুড়ি আর কানের দুল। 

টিএসসির মোড়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ভবনের পাশে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং ছবির হাট ও চারুকলার সামনে কাঠ, মাটির গয়না আর কাচের চুড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছেন চুড়িওয়ালা মামারা। এছাড়া দোয়েল চত্বর, আজিজ সুপার মার্কেট, আড়ং, কলাবাগানসহ ইডেন কলেজ, নিউ মার্কেটে রাস্তার দুপাশে, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের পাশে রয়েছে চুড়ি, দুল, গলার মালার বিশাল বাজার।

বাসন্তী সাজে অনায়াসে এসব গয়না মানিয়ে যাবে। নানা রকম ঝুনঝুনি, চুমকি, পুঁতি ব্যবহার করা মাটির গয়নাও আপনার সাজে ব্যাবহার করতে পারেন। বসন্ত সাজের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে ফুলের গয়না। ফুলেল সাজে নিজেকে অনন্য করে তুলতে বেছে নিতে পারেন রং-বেরঙের ফুলের গয়না। এখন প্রয়োজন আপনার রুচি আর সাধ্যের সমন্বয় করে গয়না কেনার পালা। এসব গয়না ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে অনায়াসে পেয়ে যাবেন। হাতের চুড়ি পাবেন সেট অনুযায়ী ভিন্ন দামে।

অনেকে কাঁচের চুড়ির বদলে দুই হাতে এক জোড়া বালা বা সিটিগোল্ডের চুড় পড়তে বেশি পছন্দ করেন, তাদের জন্য আজকের ডিলের রয়েছে আকর্ষণীয় বসন্তের ডিজাইনার চুড়ি কালেকশন । আজকের ডিল থেকে চুড়ি কিনতে ক্লিক করুন এখানে ও ছবিগুলোতে।

বসন্তের প্রথম সকালে বাসন্তি রঙা শাড়ি, কপালে টিপ, হাতে চুড়ি, পায়ে নূপুর, খোঁপায় গাঁদা ফুল জড়িয়ে বেরিয়ে পড়বে তরুণী-বধূরা। বসন্ত মানেই পূর্ণতা। বসন্ত মানেই নতুন প্রাণের কলরব। বসন্ত মানেই একে অপরের হাত ধরে হাঁটা। মিলনের এ ঋতু বাসন্তী রঙে সাজায় মনকে, মানুষকে করে আনমনা। এমনও মধুর দিনে এমন শঙ্কাও কি জাগে না অধীর প্রতিক্ষায় থাকা কোন মনে- ‘সে কি আমায় নেবে চিনে/ এই নব ফাল্গুনের দিনে- জানিনে…?’ 

*চুড়ি* *বসন্তেরসাজ* *পহেলফাল্গুন* *ফাল্গুনীসাজ* *সাজসজ্জা* *গহনা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েদের সাজের অন্যতম উপকরণ গহনা। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে সাজের অন্যতম এই উপকরণটিতে এসেছে নানা পরিবর্তন। একসময় গহনা মানে ছিল সোনা বা রূপার কারুকাজ। চলতি ফ্যাশন দুনিয়ায় গহনা শুধু দামি ধাতু বা ডিজাইনে সীমাবদ্ধ নেই। গহনার উপকরণ এবং নকশায় বদল এসেছে অনেক। সোনা রূপা বা অন্য কোনো ধাতুর সঙ্গে অনেক আগেই রত্ন পাথর, মুক্তার ব্যবহার ছিল। এখন গহনার উপকরণে কাঠ, কড়ি, মাটি ইত্যাদিও যুক্ত হয় নিজস্ব মহিমায়। চলুন ছবিতে এমনই কিছু গহনা দেখে নেই।

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি চলছে নেকলেস ও পেনড্যান্ট গহনা। ফ্যাশন বা যেকোন পার্টিতে এই গহনাগুলো সব সময় ফিট। একটা সময় ছিল গহনা বলতে খুব চকচকে মসৃণ কিছু বোঝা হত। হালের গহনায় চকচকে বা মসৃণ দুটোই একটা প্রকরণ মাত্র। অমসৃণ, ফিকে দেখতে ধাতুর গহনার চাহিদাও কম নয়।

চকচকে ধাতুর চেয়ে একটু অক্সাইড ধাতুই তার ভালো লাগে বেশি। তার মতে, অক্সাইড হওয়া গহনার একটা নিজস্ব সৌন্দর্য তো আছেই। এছাড়াও এটা দেখে ধাতুর বিশুদ্ধতা নিশ্চিত হওয়া যায়। আমাদের দেশীয় সুতি পোশাক, জামদানি, এন্ডি কাপড়ের সঙ্গে একটু ফিকে রংয়ের গহনাই মানায় ভালো।

নেকলেসের চল এসেছে বলে যেমন-তেমনভাবে এটি পরলেই হবে না। পরার ধরনটি ঠিক না হলে এর পুরো সৌন্দর্যই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পোশাকের নকশা ও গলার কাটিং এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নেকলেসের কিছু অংশ কাপড়ে ঢাকা পড়ে থাকলে মোটেও ভালো দেখাবে না। বরং পুরো নেকলেসটি ত্বকের ওপর, নয়তো পোশাকের ওপর ইয়োকের মতো বসে থাকলেই সবচেয়ে ভালো দেখাবে।

ক্যাটস আই, আরবান ট্রুথ, আইডিয়াসসহ অনেক গয়নার দোকানেও খুঁজলে পেয়ে যাবেন নেকলেস। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন শপেও এটি পাওয়া যাবে। তবে বাড়িতে বসে এক ক্লিকেই গহনা কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন আজকেরডিল.কমের ওয়েবসাইট থেকে। তাদের কালেকশনে প্রায় ১ হাজারের উপরের ডিজাইনের গহনা রয়েছে। তাই আর দেরি না করে অনলাইনে আজকের ডিল থেকে গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*গহনা* *গয়না* *গহনাফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *নেকলেস* *পেনড্যান্ট*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীদের সৌন্দর্য্যর অন্যতম একটি উপকরনণ হল গহনা। গহনা পরতে ভালবাসেনা এমন নারীদের সংখ্যা হাতে গোনা। গহনা যে ধরনের হোক না কেন নিয়মিত যত্ন নিতে হয় এর। বিভিন্ন ধরনের গহনার যত্নের ধরনটাও কিন্তু ভিন্ন ৷সোনা,রুপা,হীরা,মুক্তা গহনার উপকরণ হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।তবে বর্তমানে স্বর্ণ, রুপা, হীরার বা রুপার গহনার পাশাপাশি নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে অ্যান্টিক, মাটির গয়না, কাঠের গয়নাসহ বিভিন্ন ধরনের গহনা। তবে গহনা পরলেই হবেনা, নিতে হবে এসবের বিশেষ যত্ন। বর্ষায় গহনার বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন ৷গহনা এইসময় বিশেষ বাক্সে রাখবেন এবং তা পরিষ্কার করার জন্য কোনও পেপার টিস্যু ব্যবহার করা উচিত নয় ৷

থাকছে গহনার যত্ন নিয়ে বিশেষ কিছু টিপস।

সোনার গহনা: সোনা অনেক দিন পুরোনো হয়ে গেলে এর উজ্জ্বলতা কমে যায়। উজ্জ্বলতা বাড়াতে একটি পাত্রে পানির মধ্যে একটু ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে তার মধ্যে স্বর্ণের গয়না একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে, টুথব্রাশ দিয়ে সাবধানে হালকাভাবে ঘষে নিন। দেখবেন আপনার স্বর্ণের গহনা আবার নতুনভাবে উজ্জ্বলতা ফিরে পেয়েছে। এরপরও যদি কালচে ভাব থেকে যায়, তাহলে স্বর্ণের দোকানে নিয়ে পলিশ করাতে পারেন। কিন্তু বারবার পলিশের ফলে স্বর্ণের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। সোনার গহনা সামান্য আঘাতে বেঁকে যায়। তাই এ দিকটি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। 

পাথরের গহনা: ভারী কুন্দন, পাথর বসানো গহনা গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে ঘষে পরিষ্কার করলে গয়না ঝকঝকে হয়ে উঠবে। দামি পাথর বসানো গয়না পড়ে খেলাধুলা বা ভারী কাজ করা ঠিক না।

গোল্ড প্লেটের গহনা: স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে গোল্ড প্লেটের গহনার ব্যবহার বাড়ছে। এই গহনা ব্যবহার শেষে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে যত্ন করে রাখতে হবে। গোল্ডপ্লেটের গয়না ব্যবহারের সুবিধা হচ্ছে কালো হয়ে গেলে স্বর্ণের দোকানে নিয়ে গেলে আবার রং করিয়ে নেওয়া যায়। রং করার পর নতুনের মতো দেখাবে।

অ্যান্টিক মেটালের গহনা: অ্যান্টিকের গহনা ব্যবহার না করলে বর্ণহীন দেখায়, তবে একফালি লেবু নিয়ে গয়না ঘষে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে গয়না ঝকঝক করবে।

হীরার গহনা: হীরার গহনা পরিষ্কার করতে হলে একটু টুথপেস্ট ব্রাশে নিয়ে ঘষে, পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর পরিষ্কার করে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে। হীরার গহনার যত্ন নিলে নতুনের মতো দেখায়। স্বর্ণ, রুপা, হীরা ও মেটালের গহনা একই বাক্সে রাখা উচিত না। আলাদা আলাদা বক্সে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে।

রুপার গহনা: রুপার গহনা তার ভৌত কারণে এমনিতেই ক্ষয়প্রবণ,তাই এর দরকার সময়ে সময়ে পরিস্কার করার৷রুপো আবহাওয়ার আদ্রতার কারণে অন্যান্য ধাতুর তুলনায় খুব তাড়াতাড়ি জেল্লা হারিয়ে ফেলে ৷ তাই রুপোকে সবসময় আদ্রতা প্রতিরোধকারী পাত্র বা কন্টেনারে মধ্যে রাখা উচিত ৷

প্রবাল ও মুক্তার গহনা: প্রবাল ও মুক্তার গহনার বিশেষ যত্নের দরকার হয়৷ হেয়ার স্প্রে ও পারফিউম থেকে প্রবাল ও মুক্তোর গহনাকে দূরে রাখবেন ৷ কারণ এইগুলোর স্প্রে এই গহনায় লাগলে তার জৌলুস নষ্ট হয়ে যায়,অনেকক্ষেত্রে গহনাটাও নষ্ট হয়ে যায় ৷ মুক্ত এমনিতেই খুব ডেলিকেট হয়, তাই এর ঠিকমতো দেখাশোনা করা না হলে খুব সহজেই এটার স্ক্যাচ পরে যায়৷ তাই মুক্তার গহনা ব্যবহার করার পর আপনারা নরম প্যাকেট বা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে যত্ন-সহকারে রাখবেন ৷


তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনারা গহনার ধরণ অনুযায়ী বাক্স বাছাই করেন ৷ রপো, সোনা, হিরে, মুক্তার গহনা এক জায়গাতে না রাখাই ভালো ৷ এতে গহনাগুলির পরস্পর ঘষাঘষিতে উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ৷গহনা ব্যবহারের পর ভালভাবে পরিস্কার করে রাখুন। মেক আপ করার পর গহনা পরিধান করুন। যেন মেক আপের উপকরণ গহনায় না লাগতে পারে। একটু যত্ন নিলেই আপনার গহনা উজ্জল থাকবে অনেক দিন।

*বর্ষাকাল* *গহনা* *গয়না* *গহনারযত্ন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাহারি গহনার সেরা কালেকশন নারীর রূপের ঝলকানি সচেয়ে বেশি ফুটে ওঠে শাড়ি আর গহনায়। বাহারি গহনাতে সাজের ভিন্নতা তো থাকবেই কিন্তু ঈদের সাজ হওয়া চাই আরও স্টাইলিশ ও ফ্যাশনেবল। এই ঈদে রাজ কুমারীর সাজে সেজে উঠার জন্য এবং আপনার সাঁজের পূর্ণতা পেতে গহনার কোন বিকল্প নাই। সব ধরনের পোশাকের সাথে মিলিয়ে হালকা কিছু গহনা আপনাকে আরও আকর্ষণীও করে ফুটিয়ে তুলতে পারে। চলুন এবারের ঈদের স্টাইলিশ কিছু গহণা কালেকশন দেখে নেই।

বাহারি গহনা:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

কোন ধরনের পোশাকের সাথে আপনি কোন ধরনের গহনা পরবেন সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি শাড়ি পরেন তাহলে শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে আপনি হাতে চুড়ি, কানে দুল এবং গলায় কিছু একটা পরুন। তবে কানের দুল যদি আপনি বড় পরেন তাহলে গলায় হালকা কিছু পরুন আর যদি কানে ছোট কোন দুল পরেন তাহলে গলায় ভারী কোন গহনা পরুন। এগুলোর সাথে হাত ভর্তি কাঁচের চুড়ি বেঁছে নিতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনফতুয়া ও কামিজের সঙ্গে আপনি যেকোনো ধরনের গহনা ব্যাবহার করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি কোন উপলক্ষে সেগুলো ব্যাবহার করছেন। তবে যে গহনাটি পরবেন সেটি যেন মান্ধাত্বা আমলের না হয়। অবশ্যই আপনাকে আধুনি সাজের নতুন নতুন গহণা পরতে হবে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনসবসময় যে সোনা, রুপা অথবা হীরের গয়না পরতে হবে এমনটি নয়। আপনি ইচ্ছে করলে অনেক কম দামের মধ্যে কিছু ফ্যাশনাবল গহনা বেঁছে নিতে পারেন। আজকাল বিভিন্ন ধরনের গহনা বাজারে মাটি, কাঠ, তালপাতা, কড়ি, ড্রাই ফ্লাওয়ার, স্টোন ইত্যাদি দিয়েও অনেক আকর্ষণীও গহনা আপনি পেয়ে যাবেন। এগুলো যেমন আপনার ফ্যাশনের অংশ হবে ঠিক তেমনি আরামও পাবেন। বিভিন্ন দামের মধ্যে এসব গহনা পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনআপনি যদি কোন জমকালো অনুষ্ঠানে যান তবে আপনাকে বেশ ভারী গহনা ব্যাবহার করাই উচিৎ হবে। তাতে আপনাকে সকলের চেয়ে আলাদা লাগবে। গহনা আপনার ফ্যাশন ও রুচির প্রকাশ করে থাকে। তাই গহনা নির্বাচনের আগে আপনাকে আপনার পোশাক ও পরিবেশের দিকে নজর রাখতে হবে।

কোথায় থেকে কিনবেন:

কিনতে ক্লিক করুন
রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশেই গহনার মার্কেট পেয়ে যাবেন। তবে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ভালমানের স্টাইলিশ গহনা কিনতে নক করতে পারেন অনলাইন শপগুলোতে। ঈদ উপলক্ষ্যে দেশের সেরা অনলাইনশপ আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে নজরকাড়া বাহারি গহনা। শেষ মহুর্তে গহনার সাজে নিজেকে সাজিয়ে নিতে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*গহনা* *ঈদেরসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গয়না ছাড়া কি পূর্ণতা পায় পূজার সাজ। পূজার পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে থাকতে হবে গয়না, তবেই না পূর্ণ হবে পূজার  সাজ।পূজা প্রায় আসন্ন হওয়াতে এখন চলছে গয়না বা অলঙ্কার কেনার পালা। নারীদের প্রধান অনুষঙ্গ অবশ্যই গয়না। শপিংমলগুলোতে পাবেন ইমিটেশন জুয়েলারির বিশাল কালেকশন। এখানেও পুঁতির নানা ধরনের গয়না পাবেন। লম্বা মালা, চিক, দুল, চুড়ি থেকে শুরু করে কোমরবন্ধ পর্যন্ত পাবেন পুঁতির তৈরি। তবে এসব গয়না খুবই আকর্ষণীয়। যারা একটু অন্য রকম গয়না কিনতে চান, তারা কিনতে পারেন পুঁতির কালেকশন থেকে। চেইনের মতো লম্বা মালা এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দুই বা তিন লহরের মুক্তা বা পুঁতির একপাশে গোল্ডের ডিজাইন করা লকেটের মতো লম্বা মালাগুলোও এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে স্বর্ণের অলঙ্কারের মধ্যে আংটি, কানের দুল, লকেট, ছোট সেটগুলোই ক্রেতারা বেশি কিনে থাকেন।

(আজকের ডিলের সকল প্রকার গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন)

গয়নার রং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে যেসব রং বেশি চলছে তার মধ্যে আছে ‘অলিভ, গোল্ডেন হলুদ, জাম, লাল, কমলা, মেরিগোল্ড, মেরুন, সাদা, অফহোয়াইট, কালো, পিচ, পেঁয়াজ, কাঁঠালি হলুদ, বটল গ্রিন, নীল, সবুজ, ফিরোজাসহ আরও অনেক ধরনের রং। বর্তমান গয়নার ডিজাইন শুধু নান্দনিক দিকটি ফুটে ওঠে না। একেকটি গয়না যেন সৃজনশীলতার প্রকাশ। এবারের ঈদে লম্বা কামিজ বেশ জাঁকিয়ে এসেছে। এই লম্বা কামিজের সঙ্গী হচ্ছে লম্বা লম্বা কানের দুল। সোনা, রুপা, ব্রাসো, কাঠ, কড়ি, পুঁতি উপাদান যা-ই হোক, ফ্যাশন কিন্তু একটাই লম্বা দুল।

কানের দুল, গলার মালা বা গয়না, যা-ই বলি না কেন, কয়েক পরতের ডিজাইন অথবা একটু বড় ডিজাইন, এই হলো এবারের পূজার গয়নার ফ্যাশন। কানের দুলে যেমন থাকছে লম্বাটে ভাব, তেমনি গলার গয়না হতে পারে ছড়ানো, লম্বাটে লকেট অথবা তিন, পাঁচ, সাত লহরের মালা। হাতে ব্যাঙ্গেলস বা বালার ব্যবহার তো এখন হাই-ফ্যাশন। শুধু এক রঙের একটি বালাতেই হবে না, চাই তিন-চার রকমের, তিন-চার রঙের বালা।


এবারের পূজা ফ্যাশনে গয়না হবে মূলত দুই ধারার। ফ্যাশন বা কস্টিউম গয়না এবং গতানুগতিক গয়না। গয়নাতেও এবার প্রাধান্য পেয়েছে একটু বড় ডিজাইন। একটির সঙ্গে আরেকটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে কানের দুল ও গলার গয়না। বাজাওে এবারের গয়নাসম্ভারে প্রতিটি গয়নাই স্বতন্ত্র নকশার। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হয়তো একটি কানের দুল পরলেই পরিপূর্ণতা পাবে সাজ। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে জুয়েলারিতে। ব্যবহার করা হয়েছে ব্রাসো, সিরামিক, কাঠ, সুতা, পুঁতি, কড়ি, রাদ্রা। আর বিশেষভাবে ব্রাসোতে খোদাই করা কাজ, যা 'ছিলার কাজ' নামে পরিচিত তা বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। রুপার কানের দুলে বরফি, চার কোনা, গোলাকার এই ধরনের আকৃতি প্রাধান্য পেয়েছে। সোনার গয়নায় মেশানো হয়েছে পুঁতি ও পাথর।

তামাটে বা অক্সি রঙে থাকলেও অনেক বেশি প্রাধান্য পেয়েছে ব্রাসোতে সোনালি রঙের গয়না। কানের দুলেও ঝুলানো নকশার গয়না বেশি দেখা যাচ্ছে। উপাদান যা-ই হোক, ব্রাসো কিংবা সোনা এগুলো হবে রত্নখচিত। কখনো দামি পাথর আবার কখনো ফ্যাশন পাথরই হবে এবারের ফ্যাশনের ধারা। সব সময়ের মতো এবারের পূজার  গয়নাতেও অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে গোল্ড প্লেটেড গয়না। এবারের পূজার  গয়নার বেশির ভাগ নকশাই পুরনো আমলের। অনেকটা মোগল সময়ের নকশা। আর এই নকশায় প্রাধান্য রয়েছে সোনালির পাশাপাশি কপার বা অ্যান্টিক রঙের। পাথরের ক্ষেত্রে পলকি কুন্দনের পাশাপাশি থাকছে ডায়মন্ড ডাস্টের ব্যবহার।


কস্টিউম বা ফ্যাশন জুয়েলারির ক্ষেত্রে কমলা, মিষ্টি গোলাপি ও হলুদ এই ধরনের সব রং ফ্যাশন। মালা বা দুলের পাশাপাশি হাতের বালা ও আংটিও এবারের ফ্যাশন ট্রেন্ড। পাথরের ক্ষেত্রে সব সময়ের মতো এবারও প্রাধান্য পাবে গার্নেট। পূজা এলেই সোনা কিনতে হবে। এমন ধারণা এখন অনেকের মধ্যেই কমতে শুরু করেছে। তার পরও সোনার গয়নার চাহিদা লক্ষ্য করা যায় ঈদ এলেই। এবারের পূজাতে  তাই সোনার নকশায় পুরনোর ছোঁয়া এসেছে। হীরার গয়নাও কয়েক বছর ধরে নজর কেড়েছে বাঙালির। ছোট ছোট নকশার হীরার গয়না এখন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

(কন্টেন্টের গয়নাগুলো কিনতে ছবিগুলোতে ক্লিক করুন)

যেসব শোরুমে নিজস্ব ডিজাইনের গয়না পাওয়া যাবে তার মধ্যে আছে অঞ্জন’স, কে ক্র্যাফট, দেশাল, নিপুণ, বাংলার মেলা, পিরান অন্যমেলা, নিত্যউপহারসহ আরও বেশকিছু ব্রান্ড আইটেমের দোকান। এছাড়া চাঁদনিচক, গাউছিয়া, নিউমার্কেটে পাওয়া যায় ইমিটেশনের গয়না। অন্য দিকে ফুটপাথেও রয়েছে গয়নার বিশাল সম্ভার। চুলের কাঁটা থেকে শুরু করে পায়ের নূপুর পর্যন্ত সবই পাবেন এসব দোকানে। দামও হাতের নাগালেই। ডিজাইনেরও কমতি নেই। তাই অনেকে এখান থেকেও কিনতে পারেন পছন্দের গয়না। পাবেন অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও, তাই এই গরমে ভিড় ঠেলে শপিংয়ে যেতে না চাইলে আজকের ডিলের গহনার সম্ভার থেকে দেখে শুনে পছন্দমতো গয়না অর্ডার করুন।

*ঈদফ্যাশন* *গয়না* *গহনা* *অলংকার* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ মানেই অন্যরকম আনন্দ আর ভিন্ন রকম সাজগোজ। নববর্ষের শুরু এই সময়টাতে সাজে-পোশাকের পাশাপাশি গহনাতেও পরিপূর্ণ বাঙালিয়ানা না থাকলে কেমন জানি বেমানান দেখায়। আর তাই বৈশাখের গয়নার ধরণও যে বাঙালিয়ানায়ও পরিপূর্ণ হবে তা আর বলে দিতে হয় না। বৈশাখের শাড়ি, কিংবা কামিজের সঙ্গে মিলিয়ে পরার জন্য পাবেন নানারকমের গয়না। চলুন বৈশাখের নান্দনিক কিছু গহনা সম্পর্কে জেনে নেই। 
 
কাঠের গহনা
কাঠের দুল ও মালা এক সময় পছন্দের তালিকায় না থাকলেও ধীরে ধীরে এর চাহিদা বাড়ছে। উঠে আসছে অনেকের পছন্দের তালিকায়। এ ছাড়া নানা বৈচিত্রময় ডিজাইনের কারণে এটি হয়ে উঠেছে সব ধরণের পোশাকের সঙ্গে ব্যবহার উপযোগী। বাজারে কাঠের চুড়ি পাওয়া যাবে ৮০-২৫০ টাকায় আর কাঠের মালার দাম পড়বে ২০০-৫০০ টাকা।
কাঠের গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
পুতির গহনা
বাজারে নানা আকারের পুতির গয়না পাওয়া। লম্বা, খাটো, দুই বা তিন ধাপের ইত্যাদি। এ ছাড়া প্রায় প্রতিটা পুতির মালাতেই থাকে অনেক রঙের পুতির ব্যবহার। এই বৈশাখে পুতির মালা পরলে আপনাকে বেশ মানিয়ে যাবে। তবে সেটি অবশ্যই পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে পরবেন। বাজারে পুতির দুলের দাম ২০০-৪০০ টাকা। আর মালার দাম ৩০০-১০০০ টাকা।
বৈশাখী আর্টিফিশিয়াল পার্ল নেকলেস সেট কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
মাটির গয়না
বৈশাখে পরার ক্ষেত্রে মাটির গয়না ধীরে ধীরে উঠে এসেছে তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে। বৈশাখৈ বাঙালিয়ানা ফুটিয়ে তুলতে মাটির গহনার বিকল্প নেই। তাই বৈশাখ উপলক্ষ্যে মাটির দুল ও মালায় রয়েছে রঙের বৈচিত্র্য। মাটির দুলের দাম ৭০-৩০০ টাকা আর মালাসহ দুলের দাম ১৫০-৩০০ টাকার মধ্যে।
মাটির গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
পিতল ও অক্সিডাইজড
পিতল ও অক্সিডাইজডের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই এবার বৈশাখে ফ্যাশন হাউজগুলো এদের ওপর দিয়েছে আলাদা গুরুত্ব। পিতলের বালা, কানের দুল আর অক্সিডাইজড কানের দুলে রয়েছে বৈচিত্রের বাহার। পিতলের বালার দাম পড়বে ১৫০-৪০০ টাকা, কানের দুল ১৫০-৮০০ টাকা। আর অক্সিডাইজড কানের দুল পাবেন ১০০-৩০০ টাকার মধ্যে।
 
কড়ি, ব্রাসো ও বাঁশ
কড়ি, ব্রাসো আর বাঁশের গয়নায় এবার আনা হয়েছে আরও নতুনত্ব। ব্রাসো, বিডসের মালা ও খোঁপার কাঁটা, দুল বা গহনার সেট ১৫০-৫০০ টাকা, বাঁশের মালা ১৫০-৩০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া কড়ি ও মাদুলি পাবেন ১৮০-১৫০০ টাকার মধ্যে।
গহনাটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
শেল ও পার্ল
শেল ও পার্লের গয়না যদিও প্রায়ই ব্যবহার করা হয় কিন্তু এদের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আলাদা ডিজাইন ও রঙের মালা এবং দুল। দুলের দাম পড়বে ১৫০-৩০০ টাকা। আর মালার দাম ২০০-৫০০ টাকা। এ ক্ষেত্রে মানের ওপর দাম কম বেশি হয়ে থাকে।
গহনাটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
কোথায় পাবেন
মাটি, কড়ি, বাঁশ, শেল, পার্ল, কাঠ ও পুতির গয়না পাওয়া যাচ্ছে শিশু একাডেমীর সামনে, চারুকলার বাইরে, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে, নিউমার্কেটে ও ইডেন কলেজের সামনে। এ ছাড়াও যারা ঘরে বসে আকর্ষণীয় ডিজাইনের বাঙালিয়ানা গহণা কিনতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইট থেকে। তাদের কালেকশনে অসংখ্য গহনার সমাহার রয়েছে আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। বিস্তারিত জানতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন
*গহনা* *বৈশাখীসাজ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুব সাধারণ ও হালকা সাজে আভিজাত্য আনতে চাইলে মুক্তার গয়নার কোনো জুড়ি নেই। এই উপমহাদেশে অনেক বছর ধরেই মেয়েরা মুক্তার গয়না পরে আসছেন। ছিমছাম, কিন্তু অভিজাত, যা সবাইকে প্রায় সব পোশাকের সঙ্গেই মানায়, একবাক্যে এভাবেই মুক্তার গয়নার বৈশিষ্ট্য বলে দেওয়া যায়। আগে এর সঙ্গে সোনাই বেশি ব্যবহৃত হতো। আশির দশকের শেষে দিকে ও নব্বইয়ের শুরুতে মুক্তার সঙ্গে রুপার ব্যবহার শুরু হলো। এরপর দিনে দিনে মুক্তার সঙ্গে আরও নানা রকম উপাদান দিয়ে গয়না তৈরির চল এসেছে।
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l  এখনো নানাভাবে এটি উপস্থাপিত হচ্ছে। তবে এখনো রয়ে গেছে এক লহরের মুক্তার মালা ও কানে ছোট টপ পরার চল। মুক্তার ছোট মালা ও টপ মানিয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, কামিজ এমনকি আনুষ্ঠানিক সাজে পশ্চিমা ঘরানার পোশাক ব্লেজার কিংবা কোটের সঙ্গেও। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কয়েক রঙের মুক্তার গয়নাও আজকাল পরতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের। মুক্তার আসল রং চাপা সাদা, কিছু মুক্তা আছে, যার মধ্য থেকে হালকা গোলাপি অথবা বেগুনি একটা আভা আসে। তবে এখন প্রযুক্তির বদৌলতে একে কালো, সোনালি, লাল, সবুজ, ধূসর—ইচ্ছেমতো রঙ্গে রাঙানো যাচ্ছে। 
 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l তবে যত যা-ই হোক, প্রাকৃতিক রঙে মুক্তার যে রূপ, তার আবেদন অমলিন। সব রঙের পোশাকের সঙ্গেই এটি মানানসই। মুক্তার আংটি, কয়েক লহরের মালা, প্যাঁচানো মালা ও কানের ছোট টপ এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দেখা যাচ্ছে মুক্তার পেনডেন্ট ও টাইনি বা খুব ছোট দানার মুক্তার মালা। লম্বা গলার মেয়েদের ছোট মালা ও ছোট গলায় লম্বা মালা পরলে ভালো দেখাবে। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে পরিবেশ ও ব্যক্তিত্বের ওপর। 
 
 
 
আসল মুক্তা চিনতে
বিশেষজ্ঞরা জানালেন আসল মুক্তার গায়ে কখনো আঁচড় পড়বে না। আগুনের সংস্পর্শে আনলেও এটির রঙে কোনো পরিবর্তন আসবে না। নকল মুক্তার গায়ে দানা দানা দাগ দেখা যেতে পারে। আসল মুক্তা বেশি দীপ্তিমান ও গোল হয়। পরার পর মুছে পরিষ্কার পাতলা কোনো সুতির কাপড় দিয়ে মুড়ে রাখলে আসল মুক্তার গয়না নষ্ট হবে না।
 
 
 
মুক্তার গয়নার দাম
মুক্তার গয়নার দাম নির্ভর করে এর মান ও দানার আকারের ওপর। চাইলে আলগা মুক্তা কিনে নিজেও গয়না বানাতে পারবেন। এ ছাড়া অনেক দোকানে নকশা দেখিয়ে দিলে তারা কারিগর দিয়ে তা তৈরি করে দিতে পারবেন।
*মুক্তারগহনা* *মুক্তারগয়না* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৈশাখ মানেই অন্যরকম আনন্দ, বৈশাখ মানেই একটু ভিন্ন ভাবে সাজা। বৈশাখী উৎসবে সাজসজ্জার আগ্রহকে পাধান্য দিয়ে সেই আদিকাল থেকেই বৈশাখী সাজে সৌন্দর্য্য বর্ধন ও বিলাসিতার অন্যতম অনুসঙ্গে পরিণত হয়েছে বিভিন্ন ধরনের গহনা। পোশাকের সাথে মিলিয়ে চিরন্তনী সাজে সেজে উঠতে নারী মনের সবচেয়ে বড় আবেদন হচ্ছে গহনা। তবে বছরের অন্যান্য সময়ের সাজের সাথে পহেলা বৈশাখের সাজের অনেকটাই প্রার্থক্য রয়েছে। কাবণ বাংলা নববর্ষকে সাদরে বরণ করে নিতে সাজ-পোশাক আর গহনাতে থাকবে বাঙালিয়ানা ঐতিহ্য। পোশাকের সাথে মানানসই বিভিন্ন বাঙ্গালিয়ানা গহনা জড়িয়ে হয়ে উঠুন আরও আকর্ষনীয়। বন্ধুরা আজকের আয়োজন বৈশাখের বাঙ্গালি গহনা নিয়ে।
 
বৈশাখী সাজে বাঙ্গালি গহনা
বছর ঘুরে আবার দরজায় কড়া নাড়ছে পহেলা বৈশাখ। এই দিনকে সাদরে বরণ করে নিতে সাজ-পোশাক আর খাবারে থাকবে বাঙালিয়ানা ঐতিহ্য। নানা স্বাদের বাঙালি খাবারের সঙ্গে সূতি শাড়ি আর বাহারি গয়নায় সাজ না হলে পহেলা বৈশাখের আবহাওয়ায় যেন মানাতে চাই না। গোটা বাঙালি জাতির প্রাণের এ উৎবসকে ঘিরে বেশ আগে থেকে শুরু হয় নানা প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতিতে আর একটু সৌন্দর্য সচেতনতা যোগ করতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের বিশেষ আয়োজন ‘বৈশাখী সাজে বাঙ্গালি গহনা’।  বৈশাখের চিরায়ত সাজে মাটির গহনা অন্যতম অনুষঙ্গ। আজকের তরুণীদের সাজাতে বাজারে আরও হাজির হয়েছে মেটালের মালা, বড় লকেট, কাঠ, বাঁশ, বেতসহ নানা রকম গয়না। শাড়ির পাশাপাশি নানা রকম টপস, থ্রিপিসের সঙ্গে এসব গয়না মিলিয়ে পরা যায়। ছবির এই ব্রেসলেটটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
বৈশাখ উপলক্ষে জুয়েলারি শপে মাটি, মেটাল, কড়ি ও বিডসের নানা রকম গয়না পাওয়া যাচ্ছে। হাতের সাজে নিতে পারেন মাটির বালা, কাঁচের চুড়ি, মেটালের নানা ডিজাইনের বা পাথর বসানো চুড়ি। ছোট বড় আংটিতে হাতের আঙুলটি সাজতেও বাদ যাবে না। কোমর জুড়ে থাকতে পারে বিছা, পায়ে থাকতে পারে খাড়ু। ইদানীং বিডস ও মেটালের গয়না বেশ চলছে। এবারের বৈশাখে আপনিও বেছে নিতে পারেন এমন গয়না। কিনতে পারেন বিভিন্ন ফলের বিচির গয়না, প্লাস্টিক, কাঁচ পুঁতি আর কাঠ পুঁতির গয়না। এবারের বৈশাখে পুঁতির সঙ্গে মেটাল মিলিয়ে তৈরি করা হালকা ও ভারী নকশাদার বাহারি গয়না পাওয়া যাচ্ছে। বৈশাখী সাজে অনায়াসে এসব গয়না মানিয়ে যাবে। নানা রকম ঝুনঝুনি, চুমকি, পুঁতি ব্যবহার করা মাটির গয়নাও আপনার সাজে ব্যাবহার করতে পারেন। 
 
 
বৈশাখী সাজের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে ফুলের গয়না। ফুলেল সাজে নিজেকে অনন্য করে তুলতে বেছে নিতে পারেন রং-বেরঙের ফুলের গয়না। সাজ পোশাক যেমনই হোক না কেন একখানি নান্দনিক গহনা তুলে ধরতে পারে সবার মাঝে আপনাকে করবে আলাদা। এক কিংবা দুই লহরের লম্বা মালা শাড়ি কিংবা টপসের সঙ্গে ভীষণ মানাবে। এখন প্রয়োজন আপনার রুচি আর সাধ্যের সমন্বয় করে গয়না কেনার পালা। 
ছবির বৈশাখী এই নেকলেসটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
দরদাম ও কেনাকাটা
রঙ বে রঙের  এসব বৈশাখী গহনা রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন শপিংমলের গহনার দোকানগুলোতে পেয়ে যাবেন।  এসব গহনা ১৫০ থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে অনায়াসে পেয়ে যাবেন।  সুসংবাদ তাদের জন্য যারা ঘরে বসে অনলাইনে বৈশাখী গহনা কিনতো চান। আপনাদের জন্য দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল নিয়ে এসেছে হরেক রকরেম বাঙ্গালিয়ানা বৈশাখী গহনা।  দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে আপনি আপনার পছন্দের গহনাটি কিনে নিতে পারবেন। আজকের ডিল থেকে বৈশাখী গহনা কিনতে ও গহনার কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 
*বৈশাখীসাজ* *গহনা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আংটির প্রতি মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। আংটি এমন একটি অলঙ্কার যে নারী-পুরুষ সবাই এটা হাতে পরতে পারেন। বিয়েতে তো বটে, বিগত কয়েক হাজার বছর ধরে এটি পুরুষদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কখনও সেটা সম্পত্তির আড়ম্বর, কখনও বা সেটা একটি মেসেজ বহন করে। হাতের গয়না বলতে এখন নজর কাড়ছে আংটিই। 
 
 
হালের ফ্যাশনে একটু বড় ও অসমান বা আঁকাবাঁকা আকৃতির আংটির চল এসেছে। কুর্তা বা ফতুয়ার সঙ্গে এ ধরনের আংটি বেশ মানিয়ে যায়। পরা যেতে পারে শাড়ি বা কামিজের সঙ্গেও। তবে দেশি পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী নকশার বড় আংটিই বেশি মানানসই। পোশাকের রঙের সঙ্গে না মিলিয়ে বরং বিপরীত রঙের পাথর ও নকশার আংটি পরলেই বেশি ভালো দেখাবে। 
 
 
এ ক্ষেত্রে যেহেতু আংটিটাই বেশি দৃষ্টিগোচর হবে, তাই হাতে মোটা বালা, চুড়ি বা অন্য কিছু না পরাই ভালো। আর পরলেও তা হতে হবে খুব সাধারণ ও ছিমছাম। তবে চাইলে অন্য হাতে বালা অথবা ঘড়ি পরা যেতে পারে। অন্য সময় অনামিকাতে পরা হলেও আকারে বড় হওয়ায় এ ধরনের আংটি মধ্যমা, অর্থাৎ মাঝের আঙুলে পরা উচিত। কারণ, এটি দুই পাশের দুই আঙুলেরও কিছু অংশ ঢেকে রাখে।
 
 
গয়না ও পোশাক দুটিই জমকালো নকশার হলে ভালো দেখায় না। তাই পোশাক ও অনুষঙ্গের মধ্যে সব সময় ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। একটি জমকালো হলে আরেকটি হওয়া চাই ছিমছাম। লম্বা আঙুলে এ ধরনের আংটি দেখতে খুব সুন্দর। যাদের হাত বেশি রোগা এবং আঙুলগুলো ছোট, তাঁদের বড় আংটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কাঠের বড় আংটিগুলো দেখতে ভারী মনে হলেও তা আসলে অনেক হালকা। আকারে বড় হলেও যেন কাজের সময় অসুবিধা না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই আংটিগুলোর নকশা করা হয়েছে। শাহিদার মতে, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে নতুনত্ব আনতে এ রকম বড় ও ভিন্নধর্মী নকশার আংটি পরা যেতে পারে। চুড়ি বা ব্রেসলেটের বদলে আংটিতেই এখন বেশি স্টাইলিশ দেখাবে।
 
 
কোন পোশাকের সঙ্গে কী ধরনের আংটি ভালো দেখাবে, তা নির্ভর করে পোশাক ও আংটির নকশার ওপর। আজকাল অনেককে ফাংকি টাইপের কিছু আংটিও পরতে দেখা যাচ্ছে। অনলাইন দোকান অরেঞ্জ থিওরির সংগ্রহে আছে বেশ মজার ও ভিন্নধর্মী কিছু আংটি। এ ধরনের আংটিগুলো বেশির ভাগই গোল, বরফি, তিন কোনা ও ডিম আকৃতির। এতে ধাতু ও রং-চঙে পাথরই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো পাওয়া যাচ্ছে বিবিয়ানা, আড়ং, রঙ, অঞ্জনস, আইডিয়াস ইত্যাদি ফ্যাশন হাউসে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে অনলাইন শপ আজকের ডিলেও। 
 
 
 
 
অনামিকায় নয়, আংটি এখন পরা হচ্ছে হাতের সব কটি আঙুলেই।
ছোট্ট পাথর বা মুক্তা বসানো সোনার আংটির চলও কমে গেছে।
এর বদলে দেখা যাচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, মিনা করা ও পাথরে নজরকাড়া নকশার বড় আংটি।  
 
 
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন আঙুলে পরা আংটি কোন স্টেটমেন্ট বহন করে।
 
 
বুড়ো আঙুল: সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। আপনিও পরতে পারেন তবে খেয়াল রাখবেন, আংটি যেন বিরাট আকৃতির না হয়। এমনিতেই সব থেকে মোটা আঙুল এটি। তার ওপর যদি পাথর দেওয়া মোটা আংটি হয়, তবে দেখতে খুবই বেমানান মনে হতে পারে। 
 
 
কড়ে আঙুল : সাধারণ যাঁরা রিং পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। 
 
অনামিকা আঙুল: সাধারণত ডান বা বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। 
 
মধ্যমা আঙুল: হাতের সব থেক বড় আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলে, যাঁরা প্রথমবার আংটি পরেন, তাঁরা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে 'ম্যানলি' লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো। 
 
তর্জনী আঙুল: বুড়ো আঙুলের পরে আমাদের দৈনন্দিন কাজে যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ পুরুষই ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন পুরুষরা। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ।
 
আংটি বরাবরই ফ্যাশনের একটি বিশেষ অনুষঙ্গ। ডিজাইনের বাহার না থাকলেও আগেকার দিনে নারীরা আংটি ব্যবহার করতেন। হালফ্যাশনে ডিজাইনের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে আংটি পরার ধরনে। 
 
অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে কিনতে পারেন নানান ডিজাইন অার শেপের ফিংগার রিং আজকের ডিলের বিশাল কালেকশন থেকে।
*আংটি* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পায়ের সাজে গয়নার প্রচলন বহু দিনের। আজও সেই প্রচলন শেষ হয়ে যায়নি । আপনিও আপনার পা জোড়াকে সুন্দর কিছু অলংকারে সাজিয়ে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পারেন আকর্ষণীয় ভাবে। এতে নিজের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। এ জন্য যে খুব বেশি সময় খরচ করতে হবে তা কিন্তু নয়। বরং নিজের জন্য সপ্তাহের কিছুটা সময় বরাদ্দ করে নিন। টুকটাক যত্ন নিয়ে খানিকটা সাজিয়ে রাখুন আপনার পদযুগল। 
 
 
 
বসনের ঐশ্বর্য যেমনই হোক সাথে মানানসই অলংকার যেন নারীদের অহংকারের অংশ। রূপসজ্জ্বায় যুগে যুগে তাই গয়না ছিল নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। শরীরের নানা অংশে নানা আকৃতির গয়নার প্রচলন আছে আমাদের এই দেশে। এসব গয়না প্রতিটি নিজের জায়গা থেকে স্বকীয়। কিন্তু সারা গায়ে ভর্তি গয়নার মাঝে একজোড়া গয়না থাকে যা কিনা বেজে চলে রিনঝিন সুরে। সেটি নূপুর। 
 
 
নিটোল পায়ে একজোড়া নূপুর রমণীর পায়ে রিনঝিন সুরে মাতিয়ে তুলতে পারে জগৎ সংসার। রমণীর পায়ের নূপুর কখনো সুর তোলে তার মনের আনন্দ কথার। আবার বিষাদের সময়ও নূপুর বেজে চলে বেদনার সুরে। রবীন্দ্রনাথের গল্প-উপন্যাস থেকে শুরু করে এযুগের আধুনিক মেয়ে সবারই পদযুগল সাজায় নূপুর। হাঁটতে গেলে আওয়াজ করে এমন গয়না হওয়াতে অনেক বাঙালি বাড়িতে একসময় নূপুর ছিল নিষিদ্ধ। একটা সময় ছিল যখন নূপুরের জায়গা ছিল শুধুমাত্র নৃত্যশালায়। ধীরে ধীরে নূপুর উঠে এসেছে বাঙালিদের ঘরে ঘরে। 
 
 
পায়ের অন্যান্য অলংকারঃ রুপার আংটি আর রুপার মলের চল এখনও রয়েছে ছোট বা বড় উৎসবভেদে সব সময় এ ধরনের অলংকার মেয়েরা পায়ে পরে থাকেন। তবে এখনকার তরুণীদের হাই ফ্যাশনের তালিকায় আছে মেটাল, সুতা, পুঁতির তৈরি ম্যাচিং কন্ট্রাস্ট মল। যেগুলো তাঁরা কখনো জোড়ায় জোড়ায় পরছেন, আবার কখনো তপুর গানে সাড়া দিয়ে এক পায়ে পরছেন। যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই চলতে পারে এ ধরনের মেটালের পায়েল। তাই তরুণীরা এগুলো বেশ পছন্দ করছেন। 
 
ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী সবার পায়ে এখন নূপুর সাজে। হাল সময়ে নুপুরের জনপ্রিয়তা বুঝি একটু বেশিই বেড়ে গেছে। এর কারণ হলো পরিধানের পোশাকে কিছুটা পরিবর্তন। মেয়েদের সালোয়ার, প্যান্ট, জিনস সবকিছুই এখন দৈর্ঘ্যে কিছুটা সংকুচিত। ফ্যাশনের এই নতুন ধারায় গা ভাসিয়েছেন সবাই। জিনস্‌টাকে গুটিয়ে উপরে তুলে রাখা, সালোয়ার একটু খাটো করে তৈরি করা, আর থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পরা এসবকিছুই এখন ফ্যাশনের অংশ। আর যেখানে পায়ের অনেকটা অংশই উন্মুক্ত সেখানে খালি পা সাজাতে একচিলতে নূপুর না হলেই নয়।
 
নূপুরের ধরনঃ একসময় নূপুর দু’পায়ে একই ডিজাইনে জোড়া বেঁধে পরার রেওয়াজ থাকলেও হাল ফ্যাশনে নূপুরের আচরণটা কিন্তু একটু ভিন্ন। এখন এক পায়ে পাঁচ ছয়টা নূপুর ঝোলানোও স্টাইলের পর্যায়ে পড়ে। নূপুরের এক পায়ে উঠে আসার স্টাইলটা ঢাকাতে পুরনো। চিকন, সুক্ষ্ম কাজের এসব নূপুর অনেকেই ২/৩টা পেঁচিয়ে পায়ে জড়িয়ে থাকেন। তৈরি উপকরণের হিসেবে নূপুর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বি হওয়াতে সোনার নূপুর এখন অনেকটাই উপন্যাসের পাতায় ঠাঁই পেয়েছে। আর সেখানে জায়গা করে নিয়েছে রুপা, ইমেটেশন সহ আরো নানা উপকরণের নূপুর। ঢাকাতে স্বর্ণের নূপুরের তুলনায় ইমেটেশনের নূপুরই বেশি জনপ্রিয়। খুব জমকালো নূপুরের ডিজাইনের প্রচলন এখন আর নেই বললেই চলে। এখন নূপুরের স্টাইলটা খুব হালকা ধরনের। সাথে থাকতে পারে পুঁতি, স্টোন, কৃত্রিম মুক্তা আর ইমেটেশনের নানান ইলাস্ট্রেশন। এছাড়া স্বর্ণের নূপুরগুলোও ডিজাইনে অনেকটাই হালকা হয়ে এসেছে। কিছু পুঁতি আর মিনার কাজ করা নূপুর মানিয়ে যাবে যে কোন পোশাকের সাথে।
 
কোথায় পাবেন নূপুরঃ যদি স্বর্ণ কিংবা রুপার নূপুর কিনতে হয় তাহলে যেতে হবে সোনারুর দোকানে। ঢাকার চাঁদনী চক, মৌচাক, তাঁতিবাজার, বাইতুল মোকাররম আর বড় সবগুলো শপিং মলেই আছে কম বেশি স্বর্ণের দোকান। যেখানে স্বর্ণ বা রুপার নূপুর কিনতে পাওয়া যাবে। এছাড়া ক্যাটালগ দেখে কিংবা নিজের ডিজাইন অনুযায়ী অর্ডার করেও তৈরি করতে পারেন নূপুর। সেজন্য যেতে পারেন বাইতুল মোকাররম কিংবা তাঁতিবাজার এলাকায়। যদি ইমিটেশনের নূপুর কিনেত হয় যেতে পারেন ঢাকার যে কোন শপিং মলগুলোতে। সব শপিংমলই কম বেশি ইমেটেশনের গয়নার দোকান থাকে। তবে যারা নূপুরে বিশেষ ধরনের স্টোন বা ডিজাইন ব্যবহার করতে চান তারা যেতে পারেন বসুন্ধরা সিটির নিচতলায় ইরানি ইম্পোরিয়ামে। এছাড়া ঢাকার অন্যতম প্রসিদ্ধ ইমেটেশন গয়নার দোকান জেমস্‌ গ্যালারির প্রায় সবগুলো শাখাতেই পাওয়া যাবে নানান আকৃতি ও উপকরণের নূপুর। ইমেটেশন আর স্বর্ণ এর মাঝামাঝিও এক ধরনের নূপুর বাজারে এখন জনপ্রিয় এটি হচ্ছে রুপার নূপুরের উপরে স্বর্ণের ইলেক্ট্রোপ্লেটিং পদ্ধতিতে প্রলেপ দেয়া। এই ধরনের গয়না খুব সহজে রং নষ্ট হয় না পাশাপাশি দামেও তুলনামূলকভাবে স্বর্ণের গয়না থেকে অনেকাংশেই কম। নূপুর যেমনই কিনুন না কেন খেয়াল রাখবেন খুব বিরক্তি শব্দ তৈরি করে এমন নূপুর পায়ে না ঝোলানোই ভালো। পাশাপাশি কেনার সময় দেখে কিনুন আপনার পায়ে যেন নূপুরটি আটসাট হয়ে অস্বস্তিকর ভাব তৈরি না করে। এছাড়া আজকের ডিল তো আছেই।
 
অন্যান্য অলংকার কোথায় পাবেনঃ পায়ের সাজে রুপার পায়েল আর আংটি কিনতে পাওয়া যায় আড়ংয়ে এবং চাঁদনী চকে বা রুপার দোকানগুলোতেও। রুপার গয়নার দাম নির্ভর করে ওজন ও নকশাভেদে। এ ছাড়া পিরান, যাত্রা, দেশাল,মাদুলি, বিবিয়ানায় পাওয়া যায় মেটাল, পুঁতি বা সুতার পায়েল। এগুলোর দাম ৫০ থেকে ২৫০-এর মধ্যে জোড়া। আবার বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে দেখা যায়, পুঁতির পণ্যের পসরা সাজিয়ে নারীরা জোড়া ১০ টাকায় বাহারি রঙের পায়েল বিক্রি করছেন। এ ছাড়া নেইল পেইন্ট, স্টোন বা প্লাস্টিকের আংটি এবং ইমিটেশন পায়েল পাওয়া যায় বড় বড় শপিং মলে। সুন্দর করে পা সাজিয়ে ঢেকে রাখলে চলবে না। পরতে হবে চুড়িদার পায়জামা বা চাপা জিন্স, সঙ্গে ফিতে বাঁধা চটি স্যান্ডেল। তবেই না পায়ের সাজ ভালো দেখাবে। আজকের ডিল তো আছেই। ক্লিক করুন এখানে
 
*পায়েল* *নূপুর* *পায়েরসাজ* *গহনা* *গয়না*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে গহনা। বিভিন্ন উৎসবে সবার মাঝে আকর্ষণীয় করে তুলতে নারীকে গহনার ওপর নির্ভরশীল হতেই হয়। আর তাই রুচি, পছন্দ ও উৎসব উপযোগী গহনার চাহিদা বেশি লক্ষ্য করা যায়। এবারের পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গহনা, হ্যান্ডিক্রাফটস ও শোপিস বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান কারুকার এনেছে বেশ কিছু নতুন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের গহনা।

বৈশাখী আবহে আসা পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মালা সেট, দুল, চুড়ি, ব্যাগ, পায়েল, ফিংগার রিং, খোপার কাটা, হ্যান্ড ব্যাগ ও নানা ধরনের শোপিস। বাহারী সব গহনার মাঝে খুঁজে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে নিজের পছন্দেরটি। এছাড়া এখানে পাওয়া যাচ্ছে চামড়ার ও কাপড়ের তৈরি মেয়েদের  হ্যান্ড পার্টস, সাইড ব্যাগ, ক্লাচ ব্যাগ, ছেলেদের মানি ব্যাগ। এছাড়া রয়েছে পিতল, তামা, অক্সিডাইজড, গ্লাস বিট্স, কাঠের  তৈরি গহনা সেট, কানের দুল, খোপার কাটা, হাতের চুড়ি ও আংটি ইত্যাদি। শোপিসের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ওয়াল হেঙ্গিন, আয়না, কাঠের টেবিল, কুরআন বক্স, জুয়েলারি বক্স, চাবির রিং এবং পিতলের তৈরি বিভিন্ন শো পিস।

নিজেদের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি ভারত ও চায়নার নানাবিধ পণ্যও পাওয়া যায় কারুকারে। প্রতিটি পণ্যের দামও হাতের নাগালে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন, ১০৯, ২১১, বেইলী ফিয়েস্তা, ১/২ নিউ বেইলি রোড এবং পাইকারি ক্রয়ের জন্য ২০৮/২১৪/২১৫/২১৬, নিউ সুপার মার্কেট (দক্ষিন) বল্ক-এ (নীচ তলা) ঢাকা, ফোন: ০১৭১৫১৫১২২৫। 
Web: www.karukar.com
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট
*বৈশাখীসাজ* *গহনা* *বৈশাখীফ্যাশন*
ছবি

লিজা : ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

বৈশাখের সাজে পরিপূর্ণতা আনবে গহনা

*গহনা* *বৈশাখীসাজ*
ছবি

AjkerDeal.com: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

সুন্দর রং ও ডিজাইনের গহনা

সুন্দর রং ও ডিজাইনের এসব গহনা সাজ-সজ্জায় নিয়ে এসেছে নতুনত্ব। বিস্তারিত দেখুন - http://goo.gl/HNJZfT

*শপিং* *গহনা* *অনলাইনশপিং* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★