গৃহসজ্জা

গৃহসজ্জা নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গৃহসজ্জায় এখন আর কেউ পিছিয়ে নেই। নিজের ঘরটাকে পরিপাটি রাখতে চায় সবাই।  নিজের ঘরটাকে অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা করে সাজাতে যে যার মত ব্যাস্ত। এ কারণেই বাহারি সব গৃহসজ্জা পণ্যগুলির ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ে ঘর সাজাতে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে তার মধ্যে কুশন, ওয়াল স্টিকার, ফুলদানি এবং বিভিন্ন ধরনের শোপিচ অন্যতম। ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে এসব অনুসঙ্গের বিকল্প নেই। চলুন আপনার ঘর কেমন করে সাজাবেন কিছু অনুসঙ্গ দেখে নেই।

বাহারি কুশনঃ 

অনেক আপনার মনের মত করে সাজিয়ে রাখতে পারেন কুশন। অনেকগুলি একসঙ্গে রাখলে হালকা ছাপার কুশন দিয়ে মাঝে মাঝে রাখতে পারেন ভারী ছাপার কুশন। ভিন্নতা রাখুন আকৃতিতেও। খাট বা মেঝের গদিতে কুশন সাজাতে জানালার পর্দার রঙের সঙ্গে আনতে পারেন সামঞ্জস্য। বাসায় কোনো অনুষ্ঠান বা পার্টি থাকলে তার ধরন অনুযায়ী কুশনের রং বা থিম বদলে নিতে পারেন। ঘরের অন্দরসাজ চাকচিক্যময় করতে চাইলে কুশনের কাপড়টি কাতান কিংবা সিল্কের মধ্যে থেকে বেছে নিতে পারেন।

কুশন কভার গরমের সময় হলে একটু গাঢ় রঙ, আর শীতের সময় হলে অপেক্ষাকৃত হালকা রঙের কুশন কভার ব্যবহার করা যেতে পারে। সোফা, ডিভান বা বিছানার জন্য ব্যবহৃত কুশন কভারের কাপড়টা অপেক্ষাকৃত পাতলা হয়। অন্যদিকে, মেঝেতে শতরঞ্জি পেতে যে কুশন রাখা হয়, এর কভারের কাপড়টা একটু ভারী ও গাঢ় রঙের হওয়া উচিত। কুশন কভার কেনার সময় খেয়াল রাখতে হবে, বিছানার চাদর বা পর্দার কাপড়ে কোন ধরনের প্রিন্ট রয়েছে। প্রিন্টের সঙ্গে মিল রেখে কিনলে ভালো দেখাবে।

ল্যাম্প শেডঃ


বাড়িতে একটু ঐতিহ্যের ভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য ঐতিহ্য আর আধুনিকতার সাথে মানানসই  হ্যাঙ্গিং ল্যাম্প শেড ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ঘর বা ড্রইং রুমের সৌন্দর্য্য দ্বিগুণ করে তুলবে।

ওয়াল স্টিকারঃ

ঘরের পরিপাটি সাজ আর আকর্ষণীয় লুক কে না চায়? তাইতো অন্য সব অনুসঙ্গের পাশাপাশি ঘরের দেয়ালটিকেও সবাই একটু নান্দনিকতার ছোঁয়ায় সাজিয়ে নিতে চায়। তাছাড়া ঘরের দেয়ালটি ফাঁকা পড়ে থাকলে কেমন জানি বেমানান দেখায়। কিন্তু দেয়ালে যদি প্রকৃতির নান্দনিকতার রং লাগানো যেত তাহলে দেয়াল হয়ে উঠত আকর্ষণীয় আর ঘরের সৌন্দর্য্যও বৃদ্ধি পেত। এজন্য ঘরের দেয়ালে জুড়ে দিতে পারেন না রঙের স্টিকার। সেটা হতে পারে রংধনু, বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি, গাছপাখি,রূপকথার বিভিন্ন চরিত্রের স্টিকার, তারা, বিভিন্ন গ্রহের স্টিকার ইত্যাদি।

ফুলদানি

প্রবেশপথ থেকে শুরু করে খাবার ঘর, এমনকি রান্নাঘরটিও সাজাতে পারেন ফুলদানিতে। ফুল ছাড়াও ফুলদানি সাজানো যায় বৈচিত্র্য আনতে। প্রবেশপথে বড় আকারের ফুলদানি রাখুন। এসবের আকৃতি হতে পারে একেক রকম। শুধু ফুল না সাজিয়ে ফুলদানিতে ঝুলিয়ে দিন মানিপ্লান্টের লতা। 

উডেন ক্লকঃ

কাঠের শেপে তৈরী নানান ডিজাইনের উডেন ওয়াল ক্লক হতে পারে আপনার ঘর সাজানোর অন্যতম অনুসঙ্গ।  আজকাল সবাই ঘরে উডেন ওয়ালক্লক ঝুলাচ্ছেন। তবে ঘরের ড্রইং রুমে একটা ভালোমানের উডেন ক্লক থাকা চাই-ই-চাই।

ঘরসাজানোর এসব বাহারি অনুসঙ্গ পাবেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে।  দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে এসব অনুসঙ্গ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*গৃহসজ্জা* *হোমডেকর* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শিশুর থাকার ঘর কিভাবে সাজিয়ে দেয়া যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শিশুরঘর* *গৃহসজ্জা* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘরে প্রচুর ধুলো, ঘর ধুলোবালিমুক্ত রাখার কি উপায় থাকতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ধুলোবালি* *গৃহসজ্জা* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতিদিনের নিত্যনতুন আবিষ্কার মানুষের জীবনকে আরও রঙ্গিন ও আরামদায়ক করে তুলেছে। ব্যস্ত দুনিয়ায় সব কিছুই দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ফ্যাশন থেকে ডেকোরেশন সব কিছুতেই কিছুতেই নতুনত্বের ছোঁয়া। নতুনত্ব এসছে ফার্নিচারেও। বাড়িতে নতুন লুক আনেত চাইলে আধুনিক ফার্নিচারের জুড়ি নেই। হালের সব ফার্ণিচারকে বিদায় জানিয়ে মানুষ স্মার্ট ফার্ণিচারে দিকে ঝুঁকে পড়েছে। স্মার্ট ফার্ণিচার গুলো আপনার ঘরের জায়গা বাঁচানোর পাশাপাশি রুম ডেকরেশন বাড়িয়ে দেব দ্গিগুণ। তাই আর দেরি না করে আপনার বাড়ির জন্য নিয়ে নিন সেরা কয়েকটি ফার্নিচার আইটেম।

শু র‌্যাকঃ


মূল ফটকের প্যাসেজে বা মূল ফটকের বাইরে অথবা ডুপ্লেক্স বাড়ির সিঁড়ির নিচ হতে পারে একটি চমত্কার শু র‌্যাকের জায়গা ! এর কোণে বসিয়ে দিন একটি আকর্ষণীয় লম্বা ফুলদানি আর দেয়ালে ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ বা চিত্রকর্ম । জুতা, স্যান্ডেল যেমন প্রয়োজনীয় ঠিক তেমনই শৌখিন, জুতা সাধারণত একটু দাম দিয়ে, টেকসই দেখে কেনা হয়। বিশেষ করে যারা ম্যাচিং করে জুতা পরেন না, তারা জুতার ব্যাপারে একটু বেশিই নজর রাখেন। পয়েন্টেড হিল, স্নিকার বা ফর্মাল শু - যেকোনো ধরনের জুতা বেশিদিন টেকসই ও ভালো রাখতে পারে এই শু র‌্যাক। এতে যেমন জুতা থাকে যত্নে, ঠিক তেমনই বাড়ে ঘরের শোভা।

 সোফাঃ


সোফা যে শুধুই বসার ঘরের জন্য আর বেডরুমের জন্য তা নয়, আর চাইলে আপনার সোনামনির ঘরেও ছোট সোফা রাখা যায়। তবে তার ছোট রুমে ঢাউস আকৃতির চিরাচরিত সোফা না রাখাটাই ভালো, এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন নান্দনিক ইনফ্লাটেবল সোফা। সব মিলিয়ে সোফা নির্বাচনের সময় বাচ্চার রুমের দেয়ালের রঙ, রুমের আকৃতি ও রুমের অন্যান্য ফার্নিচারের রঙ খেয়াল রাখতে হবে। এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় আপনাকে তার জন্য মানানসই সোফা পেতে সাহায্য করবে।

এয়ার পাম্পিং সোফাঃ


ইলেক্ট্রিক পাম্পারের সমন্বয়ে তৈরী এয়ার পাম্পিং সোফা। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে বাড়িতে গিয়ে একটু আরাম পরে রেস্ট নেওয়ার জন্য এটি বেশ উপযোগী। প্রয়োজন অনুযায়ী এটি ব্যবহার করতে পারবেন এবং প্রয়োজন শেষে পাম্প ছেড়ে দিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারবেন। আবার পাম্পিং মেশিন দিয়ে সহজেই সোফা পাম্প করা যায়। সাথে পাম্প দেবার জন্য পাচ্ছেন ইলেক্ট্রিক পাম্পার একদম ফ্রি!

পকেট চেয়ারঃ


ঘরে আরাম বাইরে আরাম, আরাম এখন সবখানে! আরাম ছাড়া কেউ কি বসতে চায়? নিশ্চয় আপনি চাইবেন একটু আরাম করে বসতে। আপনার সে আরাম যেন শুধু ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে সে জন্যই বিভিন্ন কোম্পানী তৈরী করেছে ফল্ডিং পকেট চেয়ার। স্পোর্টিং, ক্যাম্পিং, ফিশিং ও পিকনিকসহ অন্যান্য আউটডোর অ্যাক্টিভির জন্য সাথে রাখতে পারেন পকেট চেয়ার। এখন থেকে দাড়িয়ে থেকে আর কোমর ব্যাথা করতে হবেনা। ব্যাগ থেকে শুধু খুলবেন আর সেট করে আরাম করে বসবেন সবসময় সবখানে।

ডাইনিং টেবিলঃ


বাড়ির সবাই মিলে একসাথে খাওয়ার জন্য ডাইনিং টেবিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দারুন ফিনিশিং ও কাঠে খোদাই এর কাজ করা ডাইনিং টেবিল আপনার ঘরের সৌন্দর্য্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে। একটি ডাইনিং টেবিলের সাথে ৬টি নান্দনিক ডিজাইনের চেয়ার রয়েছে।

বন্ধুরা, ফার্নিচারের এই সবগুলো আইটেমই আপনি ঘরে বসে কিনতে পারবেন। অসংখ্য ফার্নিচারের মধ্যে থেকে আপনার পছন্দেরটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*ফার্নিচার* *গৃহসজ্জা* *স্মার্টফার্নিচার* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাঁশের চিক কোথায় পাওয়া যাবে? দরদাম কেমন?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*বাঁশেরচিক* *গৃহসজ্জা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নকশি কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের হস্তশিল্পের অন্যতম উপাদান নকশি কাঁথা নিয়ে।



নকশি কাঁথা আমাদের ঐতিহ্য

কাঁথার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশী পরিচিত। এদেশে এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কাঁথার ব্যবহার নেই। কাঁথা শব্দের অভিধানিক অর্থ ‘জীর্ণ বস্ত্রে প্রস্তুত শোয়ার সময়ে গায়ে দেয়ার মোটা শীতবস্ত্র বিশেষ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ কাঁথা কেতা, কাতা এবং খেতা নামেও পরিচিত। সুনিপুণ হাতে সুচ আর সুতোয় গ্রাম বাংলার বধূ কন্যাদের মনের মাধুরী মেশানো রং দিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বর্ণ-বৈচিত্রে ভারা যে কাঁথা তাই নকশি কাঁথা। নকশি কাঁথায় আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পাই আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ-সভ্যতা, প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য, গৌরবগাঁথা ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটি মূলতঃ গ্রামীণ মহিলাদের শিল্পকর্ম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। নকশি কাঁথা শিল্পেরসাথে আমাদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডও জড়িয়ে আছে।




নকশী কাঁথায় শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি

নকশি কাঁথা নিয়ে লেখা হয়েছে কাব্য, গাঁথা ও রচনা। এদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি তাঁর রামায়ণ কাব্যে সীতার অন্যান্য গুণের সাথে কাঁথা সেলাইয়ের কথা বলেছেন এভাবে, ‘সীতার গুণের কথা কি কবি হব আর, কন্থায় অাঁকিল কন্যা চান সুরুজ পাহাড়৷ আরও যে, অাঁকিল কন্যা হাসা আর হাসি৷ চাইরো পাড়ে অাঁকে কইন্যা পুষ্প রাশি রাশি’৷ পলীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ ও এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পলী রমণীদের শিল্পী মনের এক অপূর্ব অভিব্যক্তি যেন নকশি কাঁথা। বিভিন্ন ধরনের কাপড়েরর আস্তরণের উপর সুচ আর সুতোয় একে একে ফুটে উঠে আম, মাছ, খেজুর গাছ, পাখী, পাল্কী, লাঙ্গল, নৌকা, হাতি, ফুল, লতাপাতা, ঘোড়া, চাঁদ-তারা, রাজ-রাজার জীবনকাহিনী, কল্পনার পরী, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নর-নারীর প্রেম ভালোবাসা এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবনের অনেক কিছু। এ যেন শিল্পীর কাছে অতি পরিচিত পরিবেশ ও প্রকৃতির নি:শর্ত আত্মসমর্পণ।




গ্রাম বাংলার নকশি কাঁথা

এদেশের গ্রামের বধূ ও কন্যারা একসময় শুধুমাত্র পরিবারের প্রয়োজনে নকশি কাঁথা তৈরি করতো।আর এরই মাঝ দিয়ে ঐতিহ্যেরও প্রকাশ পেত। সাধারণত: বর্ষকালে গ্রামের মহিলাদের সংসারের কাজকর্ম কম থাকায় এ সময়টাতে তারা কাঁথা তৈরি করতো। বলতে গেলে গ্রামীণ জীবনে এ ধারা আজও অব্যাহত আছে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই নকশি কাঁথা তৈরি হতো। ব্যবহৃত পুরাতন শাড়ি এবং শাড়ির পাড়ের সুতো তুলে তৈরি হতো নকশি কাঁথা। বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কুমিলা ও সিলেট অঞ্চলে তৈরি হতো এসব কাঁথা। বিভিন্ন অঞ্চলে ফোড়, পাইড় ও নকশা অনুযায়ী নকশি কাঁথা ভিন্ন ভিন্ন নামেও পরিচিত। এগুলো হলো: বরকা ফোঁড়, তেজবি ফোঁড়, বাশপাতা ফোঁড়, কইতা ও বিছা ফোঁড় ইত্যাদি পাড়ের নামে তোলো পাইড়, তাস পাইড়, নয়নলতা, নারিকেল পাতা ও নৌকা বিলাস আরও বহুন নামের নকশী কাঁথা রয়েছে।




বাহারি নকশি কাঁথা

আবহমানকাল ধরে এ দেশের মানুষ নকশি কাঁথা ব্যবহার করে আসছে। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র আজও কাঁথার যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে আগেকার দিনে প্রতিটি পরিবারে নকশি কাঁথার ব্যবহার ছিল ব্যাপক ও বহুবিধ। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোর নামেও ছিল ভিন্নতা। যেমন, শীতের জন্য লেপকাঁথা, বালিশে ব্যবহারের জন্য বয়তন, নামাজের জন্য জায়নামাজ কাঁথা, বসার জন্য আসন কাঁথা এবং খাবারের জন্য দস্তরখানসহ কাঁথার ব্যবহার অনুযায়ী আরো অনেক নাম ছিল। মেয়েদের বিয়েতে এবং আত্মীয়-স্বজনকে কাঁথা উপহার হিসেবে দেয়ারও প্রচলন ছিল। স্নেহময়ী মা তার সন্তান, প্রেমময়ী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং নানি-দাদি, খালা-ফুফুরা পৃথিবীতে নতুন অতিথির আগমনকে সামনে রেখেও কাঁথা তৈরি করতো। এ প্রচলন আজও একেবারে ফুরিয়ে যায়নি।



নকশি কাঁথার চাহিদা

সেকালের নকশি কাঁথা আজো আছে এবং তৈরিও হচ্ছে। তবে বিবর্তনের ধারায় সময় ও চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকর্মেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। নকশি কাঁথার চাহিদা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপকতা ও নতুনত্ব। দেশের সীমা পেরিয়ে নকশি কাঁথা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হচ্ছে। শৌখিন পণ্য হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে নকশী কাঁথা। পুরাতন কাপড় ও সুতোর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে নতুন মার্কিন, লাল শালু কিংবা কালো কাপড় এবং বিদেশি সিল্কি পেটি সুতো।



কোথায় থেকে কিনবেন, দাম কেমন?

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের যেকোনো আধুনিক শপিং মল ও দেশি ফ্যাশন হাউসগুলোয় নকশি কাঁথা পাওয়া যাবে। এছাড়াও যেতে পারেন নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া ও পুরান ঢাকার চকবাজারে। একটু চোখ বুলালেই দেখবেন নিউমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও বসেছে নকশি পণ্যের পসরা। মোহাম্মদপুর, কলেজ গেটেও নকশি কাঁথা ও চাদরের বেশ কিছু দোকান রয়েছে। এগুলো ছাড়াও দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোতে রয়েছে নকশি কাঁথার শত শত কালেকশন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ইচ্ছে করলে তাদের শপিং সাইটে গিয়ে পছন্দমত নকশি কাঁথার অর্ডার করলেই আপনার ঘর পন্য পৌঁছে যাবে। ডিজাইন ও নকশা ভেদে সবগুলো মার্কেটে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই নকশি কাঁথা পেয়ে যাবেন। নিচে একটি লিংক দিয়ে দিলাম সেখান থেকে কিছু কালেকশন ও দাম দেখে নিতে পারেন।


দেড় শতাশিক নকশি কাঁথার কালেকশন দেখুন

*নকশিকাঁথা* *কাঁথা* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গৃহসজ্জার এক্সক্লুসিভ আইটেমনিজের ঘর নিজের বাড়ি থাকা চাই পরিপাটি। সবসময় গৃহটাকে ঝকঝকে চকচকে করে সাজিয়ে রাখাটা সেরা গৃহিনীর টপ প্যায়োরিটির অন্যতম একটি অংশ। তবে ঘরটাকে গুছিয়ে রাখার সঠিক জিনিস না থাকলে কিভাবে সাজাবেন আপনির প্রিয় ঘরটি! আপনারা যারা বাড়িটাকে এক্সক্লুসিভ রূপ দিতে চান তাদের জন্য আজকের আয়োজন। চলুন দেখে নেই এই সরঞ্জামগুলো আপনার বাসায় আছে কি নাই?

অ্যান্টি গ্রাভিটি গ্লোভঃ

কিনতে ক্লিক করুন
আপনার ঘরের পড়ার টেবিলটির জন্য অন্যতম একটি সংযোজন হতে পারে অ্যান্টি গ্রাভিটি গ্লোভ। এটি বিদ্যুৎ চালিত। এটিতে একটি বইয়ের মধ্যে শুন্যে ভাসবে সমগ্র পৃথিবী। গোল্ডেনম্যাগনেটিক ল্যান্ড বোর্ড থেকে গ্লোবটি কমপক্ষে ১.৫ ‘’ ওপরে শুন্যে ভেসে থাকবে। ম্যাগনেটিক লেভিয়েশন থেকে কমপক্ষে ৮ ইঞ্চির এর মধ্যে কোন ইলেক্ট্রনিকস, কম্পিউটার পণ্য সামগ্রী রাখা যাবেনা। এটি দেহের জন্য কোন ক্ষতিকর নয়।

বেডশীটঃ

কিনতে ক্লিক করুন
সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীট আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। আপনার ঘরকে করে তুলতে পারেন আরও গর্জিয়াস করে।

কুশন কভারঃ

কিনতে ক্লিক করুন
ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে কুশনের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। কুশন আরামের উপকরণ হিসেবেও চমৎকার। কিছুদিন আগেও শুধু সোফা বা ঘর সাজানোর জন্য ব্যবহার করা হতো কুশন। আর এখন এটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। এটি এখন লাইফস্টাইলিশের অংশ হয়ে গেছে। কুশন কেনার আগে অবশ্যই সোফা বা বিছানার মাপ বুঝে নিতে হবে। একই মাপের অনেক কুশন না কিনে বিভিন্ন মাপের কিনতে পারেন। এছাড়া কাভার কেনার সময় ঘরের দেয়াল, পর্দা এসবের রংয়ের সঙ্গে মানানসই কুশন কাভার কিনলে বেশি মানায়।

পোর্টেবল শু র‌্যাকঃ

কিনতে ক্লিক করুন
ঘরের স্যান্ডেল জুতাগুলোকে আর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখবেন না এবার একটু গুছিয়ে রাখুন। এজন্য আপনার ঘরে বা বাসায় ব্যবহার করতে পারেন পোর্টেবল শু র‌্যাক। প্রতিটি র‌্যাককেই আলাদা আলাদা করে আপনার জুতা স্যান্ডেল রাখতে পারবেন। আপনার ঘরের সৌন্দর্য্য বেড়ে যাবে দ্বিগুণ।

মাল্টি-কালার ফেয়ারি লাইটঃ

কিনতে ক্লিক করুন
রাতের বেলায় ঘরে মোহনীয় লুক পেতে ব্যবহার করতে পারেন মাল্টি-কালার ফেয়ারি লাইট। অসাধারণ সৌন্দর্য্যে আর আলোকছটায় আপনার ঘরকে ফুটিয়ে তুলুন নতুন করে।

বাঁশের তৈরী হ্যাঙ্গিং ল্যাম্প শেডঃ

কিনতে ক্লিক করুন
বাড়িতে একটু ঐতিহ্যের ভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য ঐতিহ্য আর আধুনিকতার সাথে মানানসই বাঁশের তৈরী হ্যাঙ্গিং ল্যাম্প শেড ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ঘর বা ড্রইং রুমের সৌন্দর্য্য দ্বিগুণ করে তুলবে।

ক্রিয়েটিভ বাটারফ্লাই ডেস্ক ল্যাম্পঃ

কিনতে ক্লিক করুন
কেমন হত যদি প্রজাপতি ভেদ করে আলো এসে আপনার ঘরকে আলোকিত করে তাহলে কেমন হবে? হ্যাঁ এধরনের ক্রিয়েটিভ বাটারফ্লাই ডেস্ক ল্যাম্প এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ক্রিয়েটিভ আলোকছোটায় আপনার ঘরকে ভরিয়ে দিতে ক্রিয়েটিভ বাটারফ্লাই ডেস্ক ল্যাম্প ব্যবহার করতে পারেন।


বন্ধুরা, গৃহসজ্জার এই সব ইউনিক সরঞ্জাম কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*গৃহসজ্জা* *গৃহস্থালিটিপস* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাচ্চাদের ঘর কিভাবে সাজানো যায় তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন সকল বাবা না। বাসা হোক বা ফ্ল্যাট, বাচ্চাদের জন্য চাই আলাদা একটা ঘর। যত্নে আর ভালবাসায় সাজানো। বাচ্চার ঘর বলে কথা, সেটা তো যেমন তেমন করে সাজানো যায় না। মনের মাধুরি থেকে যত্ন সহকারে সাজাতে হবে সেই ঘর। ঘরের রঙ থেকে শুরু করে নজর দিতে হবে পাপশ পর্যন্ত। বাচ্চাদের ঘর ডিজাইন করার সময়ে খেয়াল রাখবেন- ঘর যেন বেশি ক্রাইডেড না হয়। শিশুর ঘরে ছোট আকৃতির দু-একটি সোফা অনায়াসে রাখতে পারেন। 

সোফা যে শুধুই বসার ঘরের জন্য আর বেডরুমের জন্য তা নয়,  আর চাইলে আপনার সোনামনির ঘরেও ছোট সোফা রাখা যায়। তবে তার ছোট রুমে ঢাউস আকৃতির চিরাচরিত সোফা না রাখাটাই ভালো, এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন নান্দনিক ইনফ্লাটেবল সোফা। সব মিলিয়ে সোফা নির্বাচনের সময় বাচ্চার রুমের দেয়ালের রঙ, রুমের আকৃতি ও রুমের অন্যান্য ফার্নিচারের রঙ খেয়াল রাখতে হবে। এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় আপনাকে তার জন্য মানানসই সোফা পেতে সাহায্য করবে।

 

বর্তমানে ইনফ্লাটেবল সোফার ক্ষেত্রে রঙ, নকশা, আকৃতি সবকিছুতেই বেশ পরিবর্তন এসেছে।ঘরের ভেতরেই শিশু খেলবে, পড়বে, সে নিজের মতো সময় কাটাবে শিশুর কল্পনার মতো এমন একটা জগৎ গড়ে তোলা যেতে পারে। ঘরটা যে শিশুর নিজস্ব, সেই অনুভূতিটাও সে পাবে। তার বন্ধুবান্ধব আসলে তার রুমে তারা একে অপরের সাথে এমন সোফায় বসে খুনসুটিতে মেতে উঠবে। 

এই সব কিছুর সামঞ্জস্য রেখে যদি আপনি আপনার শিশুর ঘরটি ইন্টেরিয়র করতে পারেন তাহলে দেখবেন সেই ঘরটি শিশুর কাছে হয়ে উঠবে আকর্ষণীয় এবং সবচেয়ে পছন্দের জায়গা।

সোফাগুলো কিনতে ছবিতে আর এই লিংকে ক্লিক করুন।

*সোফা* *ইনফ্লাটেবলসোফা* *শিশুরঘর* *গৃহসজ্জা* *বাচ্চাদেরঘর* *ফার্নিচার* *আসবাবপত্র*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুধু কুশন কিনলেই হবে না, হাল ফ্যাশনের কথা চিন্তা করে কিনতে হয় এর কাভার। কুশন কেনার আগে অবশ্যই সোফা বা বিছানার মাপ বুঝে নিতে হবে। একই মাপের অনেক কুশন না কিনে বিভিন্ন মাপের কিনতে পারেন। এছাড়া কাভার কেনার সময় ঘরের দেয়াল, পর্দা এসবের রংয়ের সঙ্গে মানানসই কুশন কাভার কিনলে বেশি মানায়। বিছানায় ব্যবহারের জন্য একটু ছোট কুশন সৌন্দর্য বাড়াতে সহায়ক হবে। একটা সময় ছিল যখন সোফায় আরাম করে বসার জন্য কুশনের প্রচলন শুরু হয়। এরপর শুরু হয় এর আকারের বিবর্তন। তারপর ধীরেধীরে পরিবর্তন আসে এর পরিবেশনের জায়গায়। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে মানানসই হয়েছে কিনা। 

কুশন কেনার আগে ঠিক করে নিন ঘরের কোন কোন অংশে আপনি কুশন সাজাবেন। পাশাপাশি কুশনের মাপ বুঝে নিন :

সাধারণত লিভিং রুমে সোফার রঙের সাথে মিলিয়ে কুশন কভারের রঙ হয়। তবে আজকাল সোফায় ব্যবহৃত পাচঁটি কুশন পাঁচ রঙের হয়। এতে সোফাটি বেশ হাইলাইট হয়। অনেক সময় সোফায় ছয়টি কুশনও ব্যবহার করা হয়। এ ক্ষেত্রে তিনটি কুশন বড় সাইজের আর বাকি তিনটি কুশন ছোট সাইজের হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে বড় তিনটির রঙ এক রকম আর বাকি ছোট তিনটির রঙ অন্য তিন রকমের হলে দেখতে বেশ বর্ণিল লাগবে। সোফা যদি এক রঙের রেক্সিনের হয় তাহলে বিভিন্ন রঙের কুশন দেওয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বেনারসি,  সিল্ক,  সুতি,  ধুপিয়ান বা টিস্যু কাপড়ের কুশন ব্যবহার করুন। এতে ঘরে আভিজাত্য আসবে। আর রঙের ক্ষেত্রে বেছে নিন লাল-গোল্ডেন মিক্সড, ডিপ গ্রিন, অথবা নীল রং। এসব রং একরঙা সোফাকে বেশ ফোকাস করে। আর কাঠের সোফাতেও ইদানীং গোল্ডেন বা অফহোয়াইট রঙের গদি ব্যবহার করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে আপনি পাঁচটি কুশনে পাঁচ ধরনের রঙ ব্যবহার করতে পারেন।

আজকাল সোফায় গদিতে ফোমের পরিবর্তে বড় বড় কুশন রাখা হয় এ ক্ষেত্রে সোফার নিচের গদির সাথে মিলিয়ে কুশনের রঙ কিছু দিন পরপর বদলে নিতে পারেন। গরমের সময় হলে একটু গাঢ় রঙ, আর গরমের তীব্রতা কম হলে অপেক্ষাকৃত হালকা রঙের কুশন কভার ব্যবহার করা যেতে পারে। লিভিং রুমের পর্দার কাপড়ে যে ধরনের প্রিন্ট থাকে সেই প্রিন্টের সঙ্গে মিল রেখে কুশন বানাতে পারেন। ডিভানের ক্ষেত্রেও একই রকম। তবে ডিভানে তিনটি কুশন দেওয়াই ভালো। ডিভান সাধারণত গোল্ডেন বা অফহোয়াইট কিংবা চকলেক রঙের হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে লাল, কালো বা ডিপ গোল্ডেন রঙের কুশন ব্যবহার করতে পারেন। লিভিং রুমে কার্পেটের ওপর বড় কুশন ছড়িয়ে রাখতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ব্লক বা বাটিকের কুশন হলে দেখতে ভালো লাগবে। আর একটু ভারি কাপড় হলে ভালো হয়। কারণ ফ্লোরের কুশনগুলো বসার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই সুতি ভারী কাপড় ব্যবহার করাই ভালো। বিভিন্ন হাতের ও স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ করা কুশনও দেখতে ভালো লাগবে। 

বিছানার ক্ষেত্রে সব সময় ছোট সাইজের কুশন বেছে নিন। গোল, লম্বা, চারকোনা অথবা তিনকোনা কুশন বিছানার ওপর বিছিয়ে রাখলে বেশ ভালো দেখাবে। বিছানার জন্য কুশন কভারের কাপড়টা অপেক্ষাকৃত পাতলা হলে ভালো হয়। এ ক্ষেত্রেও বিছানার চাদরের রঙকে প্রধান্য দিন। তবে খুব বেশি মিল না থাকলেও চলবে। চেষ্টা করুন একটু হালকা রঙ বেছে নিতে। কারণ বেডরুমের পর্দা বা বিছানার চাদরের ক্ষেত্রে আমরা হালকা রঙ পছন্দ করি। তাই হালকা রঙের কুশনই এখানে মানানসই। এতে রুমটি স্নিগ্ধ আর সজীব লাগবে।

শিশুদের রুমে কার্টুন আঁকা কুশন দিতে পারেন। আর শিশুদের রুমের পর্দা বা বিছানার চাদর সাধারণত একটু গাঢ় রঙের হয় যাতে দাগ-ময়লা হলে বোঝা না যায়। তাই এ ক্ষেত্রে কুশনের রঙও গাঢ় নির্বাচন করুন। এ ছাড়া ঘড়ের যেসব কর্নারে ছোট ছোট সোফা বা মোড়া থাকে সেগুলোর ওপর গোল কুশন দিলে দেখতেও ভালো লাগবে আবার বসতেও আরাম লাগবে।

 

ড্রয়িং রুমে ডিভান থাকলে ৩ থেকে ৪ আকৃতির মিশেলে কুশন ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে অনেক ধরনের কাপড়ের কুশন কাভার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে একটু ভালো মানের কাপড় বাছাই করা উচিৎ। এতে দামটা বেশি পড়লেও টেকসই হবে। তবে, মাপ অনুযায়ী কুশনের দাম বিভিন্ন রকম পড়বে। কাভারের ক্ষেত্রেও কাপড়, ডিজাইন ও মাপ অনুযায়ী দামের ভিন্নতা পাওয়া যাবে। এছাড়া নিত্য ব্যবহৃত বালিশ, পাশ বালিশ, সেগুলোর কাভার সবই পেয়ে যাবেন একই জায়গায় l সাধারত সোফার কুশনের বর্তমান স্ট্যান্ডার্ড সাইজ ১৪ বাই ১৪ ইঞ্চি। একটা যেকোনো আকৃতি যেমন চারকোনা বা গোল হতে পারে। অনেকে ১৮ বাই ১৮ ইঞ্চি কুশনও ব্যবহার করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে বড় ডিজাইনের সোফা হলে ভালো হয়। আবার অনেক সোফায় গদির পরিবর্তে কুশন রাখা হয়। সে ক্ষেত্রে ৩২ বাই ৩২ ইঞ্চি কুশন দেখতে ভালো লাগে। এসব বড় কুশনের ক্ষেত্রে এর ওপর ছোট কুশন রাখতে পারেন। যার সাইজ ২২ বাই ২২ ইঞ্চি হতে পারে। 

কুশন কেনার টিপস

  • কুশনের রঙ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দেয়ালের রঙ, পর্দা এবং বিছানার চাদরকে প্রধান্য দিন।
  • তিন-চার সাইজের কুশন একসাথে না দেওয়াই ভালো।
  • একটু ভালো কাপড়ের কুশন কিনুন। যাতে বারবার বদলাতে না হয়।
  • ব্লক বা স্ক্রিন প্রিন্টের কুশনগুলো বারবার না ধোয়াই ভালো।
  • চেইন স্টাইলের কুশনের থেকে বোতাম স্টাইলের কুশন ব্যবহারের জন্য ভালো।
  • মেঝের কুশনগুলো একটু ভারী এবং গাঢ় রঙের হলে ভালো হয়।
  • ভারী তুলা ব্যবহার করুন মেঝের কুশনের জন্য।
  • সিনথেটিক বা নরম তুলা সোফা এবং বিছানার জন্য ভালো।  

বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস যেমন আড়ং, যাত্রা, নিপুণ, বিবিয়ানা, পিরাণ, কে-ক্রাফট, জয়িতায় পাওয়া যাবে নানা ধরনের কুশন। এসব জায়গায় সুতি এবং খাদি কাপড়ের কুশন পাওয়া পাবেন। এ ছাড়া নিউ মার্কেটে বাহারি ডিজাইন আর রঙের কুশন কিনতে পারবেন। সেখানে চাইলে আপনি নিজের মাপ মতো কুশন বানিয়েও নিতে পারে। ডিজাইন আর আকৃতির কারণে কুশনের দাম কম-বেশি হয়। তবে প্রতি পিস কুশন ১৫০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকার মধ্যে কিনতে পারবেন। এছাড়া অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি কুশনের সম্ভার, কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

 

আজকের ডিলের সর্বাধিক বিক্রিত আকর্ষণীয় কিছু কুশন কভারের বিস্তারিত জানতে ছবিগুলোতেও ক্লিক করুন।

কুষ্টিয়ার আকর্ষণীয় ট্রায়াঙ্গেল ডিজাইনের কুশন

চাইনিজ কুশন কভার

চাইনিজ কুশন কভার

ITALIAN DESIGN FLOCK কুশন কভার

অ্যাপ্লিক কুশন কভার

*কুশন* *কুশনকভার* *গৃহসজ্জা* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘরের পরিধি, আয়তন যাই হোক না কেন, এটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে পারলে তা সীমার মাঝেও এনে দেবে অনাবিল আনন্দ। শোওয়ার ঘরের মূল আকর্ষণ কিন্তু বিছানা। ঘরে ঢুকেই ঝকেঝকে সুন্দর, গোছানো একটা বিছানা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়ই, মনেও লাগে শান্তির পরশ। তাই বিছানাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বেছে নিতে হবে মনের মতো রংবেরঙের চাদর। ঋতু বদলের সঙ্গে চাদরও বদলে নিতে পারলে আরও ভালো। শীতের সময়ে চাইলে গাঢ় রঙের বিছানার চাদর ব্যবহার করতে পারেন। সারাদিনের ক্লান্তি শেষে একটুখানি বিশ্রামের জন্য চাই আরামদায়ক বিছানা। বিছানা আপনার রুচিশীলতারও পরিচায়ক। একটি ঘরের সৌন্দর্যের অনেকখানি নির্ভর করে শোবার ঘরের সৌন্দর্যের ওপর। আর শোবার ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে চাই রুচিশীল বিছানার চাদর। তাই ঘরের সৌন্দর্য ও নিজের আরামের কথা মাথায় রেখে বিছানার চাদর নির্বাচন করা উচিত।

বিছানার চাদর হওয়া উচিৎ সুতি কিংবা নরম কাপড়ের। সুতি কাপড় ছাড়াও পলিয়েস্টার কিংবা সিনথেটিক কাপড়ের বিছানার চাদর হয়ে থাকে। কিন্তু এসব কাপড় যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিৎ। যাদের এলার্জিজনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য সুতি কাপড়ের বিছানার চাদর সবচেয়ে ভালো। যাদের বাসায় ছোট শিশুরা আছে তারা বিছানার চাদর ধোঁয়ার সময় পানিতে অল্প পরিমাণে স্যাভলন মিশিয়ে ধুয়ে রোদে শুঁকিয়ে নিন। 

বিছানার চাদর ও বালিশের কভার আমাদের ঘরের নিত্যব্যবহার্য জিনিস। প্রতিদিন ব্যবহার করা হয় বলে এগুলো খুব দ্রুত ময়লা হয়ে যায়। এতে গায়ের ঘাম লাগে, শরীরের মৃতকোষ, তেল এগুলো জমে। তাই বিছানার চাদর ও বালিশের কভারের যত্ন নেওয়া খুব প্রয়োজন। সাধারণত প্রতি তিন সপ্তাহ পর পর বালিশের কভার, বিছানার চাদর বদলাতে বলা হয়।

রোদে শুকানোর সময় খেয়াল রাখুন যাতে কড়া রোদ চাদরে না পড়ে। চাদর কিছু সময় পরপর উল্টে দিন। এতে চাদরে কড়া রোদ পড়ে তা নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। গরমের সময় হালকা রঙের চাদর ব্যবহার করুন। গাঢ় রঙের চাদর এড়িয়ে চলুন। গাঢ় রঙ গরম ধরে রাখে যা আপনার আরামের ঘুম হারাম করে দিতে পারে। তবে শিশুদের জন্য গাঢ় রঙের চাদর ব্যবহার করুন। 

কোথায় পাবেন
নিউমার্কেট, মৌচাক, রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স, আজমপুর, যমুনা ফিউচার পার্ক, ইষ্টান প্লাজা, এলিফ্যান্ট রোড সহ আপনার আশেপাশের দোকান এবং শপিংমলগুলোতে পাবেন আপনার পছন্দের বিছানার চাদর। এছাড়া অনলাইন শপ আজকের ডিলেও রয়েছে আকর্ষনীয় ডিজাইনের নানান সব বিছানার চাদর, পিলো কাভার সহ অর্ডার করতে পারেন l 

দাম
রঙ এবং কাপড় ভেদে এর দামে ভিন্নতা আছে। বিছানার চাদর ৫০০ থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

*বিছানারচাদর* *বেডসিট* *বেডশিট* *গৃহসজ্জা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শোওয়ার ঘরের মূল আকর্ষণ কিন্তু বিছানা। ঘরে ঢুকেই ঝকেঝকে সুন্দর, গোছানো একটা বিছানা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়ই, মনেও লাগে শান্তির পরশ। তাই বিছানাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বেছে নিতে হবে মনের মতো রংবেরঙের চাদর। ঋতু বদলের সঙ্গে চাদরও বদলে নিতে পারলে আরও ভালো। যেমন, গরমকালে হালকা রঙের চাদরই বেছে নেওয়া হয়। শীতকালে কিন্তু তা করলে চলবে না। শীতের হাত থেকে বাঁচতে গরম পোশাকের পাশাপাশি বিছানাতেও পাততে হবে বাছাই করা কিছু চাদর। সেই চাদরের মাধ্যমেই উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়বে।

 বেডরুমে আলাদা আবেশ আনতে হলে খেয়াল রাখতে হবে ঘরের আসবাবপত্র, কার্পেট ও পর্দার দিকেও। সেগুলির সঙ্গে মানাবে এমন বিছানার চাদর কিনুন। খেয়াল রাখতে হবে আপনি কোন ঘরের বিছানার জন্য চাদর কিনছেন। তার আয়তন কেমন। সিঙ্গল ও ডাবল বেডেড বিছানার জন্য বদলাবে চাদরের ধরন ও রং। ঘর ছোটো হলে উজ্জ্বল রঙের চাদরই ব্যবহার করা উচিত। তাতে আপনার ঘর আরও খোলামেলা মনে হবে।


 অনেকেই বেডরুমের জন্য সাদা চাদর পছন্দ করেন। কিন্তু মূলত শীতকালের জন্য বেছে নিতে পারেন উজ্জ্বল রঙের চাদর। চোখের আরামের জন্য তা বদলে নিন প্রতি সপ্তাহে। শীতকালে গাঢ় রঙের ফুল ফুল ছাপের চাদরও আপনার ঘরে এনে দেবে ভালোলাগার আলাদা স্পর্শ। তবে সিঙ্গলের চেয়ে ডবল বেডেড বিছানাতেই এই প্রিন্ট আরও বেশি করে মানাবে। বেছে নিতে পারেন বাটিক প্রিন্টের চাদরও।


বাচ্চাদের ঘরের জন্য বাছুন আদালা চাদর। সেক্ষেত্রে মজাদার কার্টুন প্রিন্ট বেশি মানাবে। কিন্তু, বাচ্চারা যেহেতু বিছানা বেশি নোংরা করে তাই গাঢ় রঙের চাদরই ব্যবহার করা উচিত। আপনার মেয়ের ঘরের জন্য কিনতে পারেন গোলাপি, কমলা ও হালকা হলুদ রঙের বিছানার চাদর। ছেলের ঘরের জন্য বাছতে পারেন বেগুনি, নীল, সবুজ ও মেরুন রঙের বিছানার চাদর।


অতিথিদের বিছানার দিকেও নজর রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে এক রঙের চাদর রাখতে পারেন। সময়ে সময়ে তা বদলে পাততে পারেন জিওমেট্রিক্যাল প্রিন্ট বা স্ট্রাইপ আঁকা চাদর।

আর হ্যাঁ, শীতে বিছানা গরম রাখতে অবশ্যই ব্যবহার করুন সুতি বা খাদির চাদর। কখনই সিন্থেটিক কাপড়ের চাদর ব্যবহার করবেন না। কারণ, শীতকালে এই চাদরের স্পর্শে আপনার ঠান্ডা অনুভব হবে। তাই রাতে নড়াচড়া করলে চাদরের ঠান্ডা স্পর্শে ঘুমের বারোটা বেজে যেতে পারে। শীতের বিছানায় গরমের স্পর্শ পেতে কিনতে পারেন ভেলভেটের চাদরও। তা একদিকে যেমন নরম, তেমনই গরমও। তাই ওই চাদরে আপনার ঘুম হবে ভালো।

তবে যে চাদরই পাতুন না কেন, পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব কিন্তু আপনারই। বিশেষ করে শীতকালে তো আরও বেশি পরিষ্কার রাখতে হবে। কারণ, স্নানের আগে অনেকেই বডি অয়েল ব্যবহার করেন। তা লেগে যায় বিছানার চাদরে। তেলচিটে চাদর স্যাঁতস্যাঁত করে। তাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই সবসময় বিছানায় যাতে ঝকেঝকে পরিষ্কার চাদর থাকে, সে দিকেও খেয়াল রাখা জরুরি।

কনটেন্ট সহায়তা: বাংলা.ইনাডুইন্ডিয়া

বন্ধুরা, ঘরে বসেও আপনারা এই বেডশীট গুলো কিনতে পারবেন। বেডশীটের হিউজ কালেকশন থেকে ঘুরে আসতে এখানে ক্লিক করুন। 

*বেডশীড* *গৃহসজ্জা* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শখ করে ঘরে কি কি ইনডোর প্ল্যান্টস লাগনো যেতে পারে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*শখেরবাগান* *ইনডোরপ্ল্যান্ট* *বাগান* *গৃহসজ্জা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়কে ধরে রাখা যায় না, তবে ছবিতে সময়ের বিশেষ কিছু মুহুর্তকে আটকে রাখা যায় আজীবনের জন্য। সময়কে আটকে রাখার এই কৌশলটি হলো ছবি বা ফটোগ্রাফ। পারিবারিক বা ব্যক্তিগত - যেকোনো ধরনের ছবি স্মৃতির ধারক ও বাহক। এসব ছবি নানা ধরনের ফটোফ্রেমে সাজিয়ে ঘরে রাখলে তা পরিবেশকে আবেগময় করে তোলে।

ছবি তুলতে আমরা কে না ভালোবাসি! বাজারে ছবি রাখার এ্যালবাম, নিত্যনতুন ফটোফ্রেমের অভাব নেই। আজকাল বেশ আকর্ষণীয়, সেই সঙ্গে ব্যবহারোপযোগী ডিজিটাল ফটোফ্রেম বাজারে আছে। কিন্তু নিজের অথবা খুব প্রিয় মানুষের পছন্দের ছবিটি যদি ভিন্ন উপায়ে এবং কম খরচে ফ্রেমে বন্দি করা যায় তাহলে সে অনুভূতি একটু অন্যরকম হয়, তাই না ! শুধু উপহার হিসেবেই নয়, এই বিশেষ ফটোফ্রেমে জীবনের সুন্দর মূহুর্ত গুলো করে রাখুন রঙিন করে সুরের তালে তালে! এই বিশেষ ফটোফ্রেমটির নাম ইলেকট্রিক অটো রোটেটিং ফটো ফ্রেম, এই রোটেটিং ফটো ফ্রেমে ৪ পাসে ৪টি ছবি সাজিয়ে রাখতে পারবেন। চমৎকার কারুকাজ করা এই ফটো ফ্রেমে জুয়েলারি বা অন্যান্য ছোটো জিনিস রাখা যাবে খুব সহজে।  এছাড়া মনে দাগ কাটা কিছু ছবিও সবসময় রাখতে পারবেন চোখের সামনে। সিলভার ও গোল্ডেন দুটি ভিন্ন কালারে পাওয়া যাচ্ছে এই ফটোফ্রেমটি।  

উপহার হিসেবেও এই ফটোফ্রেম কিন্তু দারুন চয়েস l শুধু তাই নয়,  বিয়ে-জন্মদিনসহ পরিবারের নানা অনুষ্ঠানের ছবি প্রিন্ট করে ফটোফ্রেমে বসিয়ে সেটা প্রিয় মানুষকে গিফট হিসেবে দিতে পারেন। যাকেই গিফট করবেন সেই খুশি হবে । এক্সক্লুসিভ ডিজাইনের ফটো ফ্রেম গুলো আপনার স্মৃতিকে দীর্ঘদিন ধরে রাখবে। অভিজাত রুচির পরিচায়ক হিসেবেও কাজ করবে ফটোফ্রেমটি। আপনার গৃহসজ্জার অনন্য উপকরণ হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যাবে। পলিমার ও রেইজিন ম্যাটেরিয়াল এ তৈরী এই ফ্রেমটি বেশ টেকশই হবে। দেখে নিতে পারেন এই ফটোফ্রেম সেটআপের টিউটোরিয়ালটি। 

https://youtu.be/2uDQK2GPmZE

উপরের কোন ফটোফ্রেম পছন্দ হলে অর্ডার করতে বা এমন আরো ফটোফ্রেম দেখতে চাইলে ক্লিক করুন আজকের ডিলে। 

*ফটোফ্রেম* *গৃহসজ্জা* *উপহার* *রোটেটিংফটোফ্রেম*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লেটেস্ট বেডশীট কালেকশনঈদের উৎসব শেষ হতে না হতেই দরজায় কড়া নাড়ছে দূর্গা পূজা। ইতিমধ্যে পূজার কেনাকাটা শুরু হয়ে গেছে। যে যার মত নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার জন্য কিনছেন পাঞ্জাবী, ফতুয়া, ধূতি, টিশার্ট ও শাড়ি সহ নানান রকমের অনুসঙ্গ। পাশাপাশি দূগা উৎসব উপলক্ষে নিজের ঘরটাকেও সাজিয়ে নিতে ভুল করছেন না কেউ। কারণ সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীট আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই পূজায় আপনার ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই একপলকে।

বেডশীটঃ

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুন

পূজায় সারা দিনের ঘোরাঘুরি আর সীমাহীন আনন্দ শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য পূজার আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনমূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনহালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কিনতে ক্লিক করুনরাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে পূজার সাজে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। আজকের ডিলের পূজা ধামাকা আয়োজনে দারুন দারুন সব বেডশীট পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বেডশীট কিনতে পারবেন।

বিস্তারিত জানতে ও কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন

*বেডশীট* *পূজারকেনাকাটা* *গৃহসজ্জা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনার ঘরের রাজকীয় লুক দেবে বেডশীটসবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । বিশেষ করে ঈদের সময়টাতে বাড়িতে আত্মীয়স্বজনদের সমাগম বেশি হয়। এই সময় নিজের ঘরটাকে একটু রাজকীয় লুকে সাজাতে না পারলে স্ট্যাটাসটা ঠিক থাকে না।  এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীঠ নিয়ে নিতে পারেন যা আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই গরমে আপনার ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই এক পলকে।

বাহারি বেডশীটঃ

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুন 

গরমে সারা দিনের ঘোরাঘুরি শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য ঈদের আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে।

মূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কিনতে ক্লিক করুনহালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।

কোথায় থেকে কিনবেন?

বেডশীট কিনতে ক্লিক করুন 
রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে

*গৃহসজ্জা* *স্মার্টশপিং*

হাফিজউদ্দিন আহমেদ: *গৃহসজ্জা* আমরা আমাদের জীবনের গৃহসজ্জা নিয়ে অনেক বেশি ভাবি, কিন্তু আমাদের মৃত্যুর পর আমাদের গৃহসজ্জা নিয়ে একদম ভাবি না. অথচ আমাদের বেঁচে থাকা জীবন মাত্র কয়েক দিনের, আর মৃত্যুর পরের জীবন অনন্তকালের, তাই আমাদের মৃত্যুর পরের জীবনের গৃহসজ্জা নিয়ে EKTU

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদে আমরা বাসায় আত্মীয় স্বজনদের দাওয়াত করে থাকি, আর তাই চাই সকলের সামনে নিজের বাসাটাকে আমরা সবাই চাই সুন্দর আর আকর্ষণীয় করে সাজিয়ে তুলতে। বাসা সুন্দর আর আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইলে আপনার জানতে হবে বাসা সাজানোর আলাদা ধরণ। থাকতে হবে সবার থেকে আলাদা বাসা সাজিয়ে তোলার জ্ঞান।বার চেনা জানা জিনিসটাকেই আপনাকে একটু আলাদা করে উপস্থাপন করতে হবে, পার্থক্য এতটুকুই।

নিজের বাসাকে আকর্ষণীয় করে তোলার কিছু পদ্ধতি-

  • সোফায় কুশন ব্যবহার ক্ষেত্রে একটু বৈচিত্র্য আনতে পারেন। সোফায় একটা কুশন খুব সাধারণ আর সাদা মাটা দেখায়, তাই বাসা আকর্ষণীয় করে তুলতে সোফায় রং আর ডিজাইনে বৈচিত্র্য রেখে ডাবল কুশন ব্যবহার করতে পারেন।
  • আপনার বেডরুমে একটু আলাদা লুক আনতে আর সবার মতো ছোট আঁটসাঁট বেডের বদলে একটু বড়সড় ধরণের বেডের ব্যবস্থা করুন। ছোট বেড আপনার সুন্দর বেডরুমের খোলামেলা ভাবটা যেন কমিয়ে দেয়।
  • ডাইনিং এ আপনার বাহারি নকশার তৈজসপত্র রাখার আলমারিটা বদ্ধ ধরণের না করে বরং বেশ খোলামেলা নকশা ডিজাইনের বেছে নিন।
  • আপনার বাসাতে আকর্ষণীয় লুক আনতে খোলা ডিজাইনের আলমারি ব্যবহার করুন আর নিজের সুন্দর তৈজসপত্রগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখুন।
  • আপনার বাসা আকর্ষণীয় করতে আর সবার থেকে আপনি আরও এক ধাপ এগিয়ে আপনার বেডরুমের দরজাটি একটু ব্যতিক্রম করতে স্লাইডিং দরজা লাগাতে পারেন। আর একরঙা পেইন্ট ব্যবহার না করে রুমের সাথে মিল রেখে দরজাটিতেও ফুল-পাতা বা নিজের পছন্দমত ডিজাইন করে নিতে পারেন।
  • বসার ঘর মানেই আপনাকে সারিবদ্ধ সোফা সাজিয়ে রাখতে হবে এমনটা নয়। বাসাকে আলাদাভাবে সাজাতে আপনি সিঙ্গেল সোফা দিয়ে আপনার ঘর সাজাতে পারেন। সেটা হতে পারে আপনার ঘরের পছন্দসই কোন একটি জায়গা। সে জায়গাটি বেছে নিয়ে সিঙ্গেল পাঁচ ছয়টি সোফা গোলাকৃতি করে সাজাতে পারেন।
  • পেইন্ট এর ক্ষেত্রে সবাই সাধারণত বিভিন্ন হালকা ও গাঢ় ধরণের রঙকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আপনি এসবের মধ্যে না গিয়ে ঘরকে একটি আলাদা রূপ দিতে পুরো ঘরে দুধ-সাদা রঙের পেইন্ট করতে পারেন। নিঃসন্দেহে এটি আপনার ঘরকে আকর্ষণীয় করে তুলবে।
  • অনেক বেশী ফার্নিচার আপনার ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে না দিয়ে উলটো কমিয়ে দেয়। তাই ঘর ভর্তি করে ফার্নিচার না রেখে যতোটা সম্ভব ঘর ফাঁকা রাখুন। ইচ্ছেমত প্রতিটি ঘরে চেয়ার টেবিল সাজাতে যাবেন না। এটি আপনার বাসার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করবে।
  • আপনার বাসা আকর্ষণীয় করে তুলতে ও বৈচিত্র্য আনতে পেইন্টিং এর তুলনা হয়না। তাই ঘরের দেওয়ালে দেওয়ালে সুন্দর ফ্রেমের কিছু পেইন্টিং ঝুলিয়ে দিন।
  • আপনি চাইলে বাসা সাঁজাতে ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ফুলের ব্যবহার করতে পারেন। বাহারি রঙের ফুল আপনার ঘর সাজানোর পাশাপাশি ঘরের স্নিগ্ধ ভাব বজায় রাখবে।
  • বাসা সাজাতে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়না। তাই নিজের বাসাটা সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছেমত সাজিয়ে গুছিয়ে তুলুন। আমরা তো কেবল আপনাকে সামান্য আইডিয়া দিয়ে সাহায্য করতে পারি আর বাকিটা আপনার হাতে।
*গৃহসজ্জা* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বেডশীটের বাহারি কালেকশন দেখুন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ঘিরে চারদিকে বইছে কেনাকাটার সাজ সাজ ভাব। যে যার মত ঈদে নতুন ফ্যাশনে নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার জন্য কিনছেন পাঞ্জাবী, ফতুয়া, শাড়ি সহ নানান রকমের বাঙ্গালিয়ানা অনুসঙ্গ। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে নিজের ঘরটাকেও সাজিয়ে নিতে ভুল করবেন না অনেকেই। কারণ সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীট আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই ঈদে আপনার  ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই একপলকে।


ঈদে ঘরসাজানোর বেডশীটঃ

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুন

ঈদে সারাদিনের ঘোরাঘুরি শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য ঈদের আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুনমূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনভালো লাগলে ক্লিক করুনহালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।

ভালো লাগলে ক্লিক করুনরাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট।  ঘরে বসে ঈদে নতুন সাজে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তাহলে ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। আজকের ডিলের ঈদ আয়োজনে দারুন দারুন সব বেডশীট পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বেডশীট কিনতে পারবেন। ঈদের আপনার ঘর সাজানোর অন্যতম এই অনুসঙ্গটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*গৃহসজ্জা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজকীয় বেডশীটের লেটেস্ট কালেকশনসবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । সামনে ঈদ উল ফিতরের বড় উৎসব। এসময় বাড়িতে নানান আত্মীয়-স্বজনদের উপস্থিতি ঘটবে। ঈদের সেই সময়টাতে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীঠ আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই গরমে আপনার ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই এক পলকে।

বাহারি বেডশীটঃ

বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুন

এই গরমে সারা দিনের ঘোরাঘুরি শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য বৈশাখের আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই।

বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে।

বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনমূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।

বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনহালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।


কোথায় থেকে কিনবেন?

বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তাহলে ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে

*গৃহসজ্জা* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★