গৃহস্থালি সামগ্রী

গৃহস্থালিসামগ্রী নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সহজে ফলের খোসা ছাড়ানো ও কাটার জন্য এখন বাজারে কয়েক রকম কাটার দেখতে পাওয়া যায়। ঘর কন্নার আনারস কাটারের মতো ছোটখাটো সরঞ্জাম অনেকটা সময় বাঁচায়। আনারস কেটে পরিবেশন করা একটু কঠিন কাজই। কারণ অন্যান ফলের চেয়ে আনারস কাটতে একটু বেশিই ঝক্কি পোহাতে হয়। আনারসের চোখগুলো থেকে গেলে তা জিহ্বায় বিস্বাদ ঠেকে। কিন্তু আনারস কাটতে আর ঝক্কি পোহাতে হবে না। উদ্ভাবন হয়েছে এক নতুন হস্তচালিত কিচেন মেশিনের, যা দিয়ে মাত্র ১ মিনিটেই আনারস কাটা যাবে।  এই বিশেষ কাটারটির নাম পাইনএ্যাপেল ইজি স্লেইসার (Pineapple easy Slicer)।

এই আনারস কাটারের সাহায্যে একবারেই আনারসের সম্পূর্ণ খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া যায়। খোসা ছাড়ানোর সময় আনারসের গায়ে খাঁজকাটা নকশা তৈরি হয়ে যায়। পিস করার পর টুকরাগুলো ফুলের মতো দেখায়। আনারস বা অন্যান্য ফল কাটার সরঞ্জামের দাম প্রায় কাছাকাছি। তবে দেশি ও বিদেশি দুই ধরনের কোয়ালিটি আছে। দেশিগুলোর দাম ১২০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। একটু ভালো মানের চাইলে ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। 

টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন :

https://youtu.be/z2pZUtWuw3U 

*আনারস* *আনারসকাটার* *পাইনএ্যাপেলকাটার* *কিচেনগ্যাজেট* *গৃহস্থালিসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত মানেই শীতল অনুভূতি। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশ। শীতের দিনে বারবার খাবার কিংবা পানি গরম করতে কার ভালো লাগে। আবার এ সময় ঠাণ্ডা খাবারও খেতে ভালো লাগে না। এ সমস্যা সমাধানে বাজারে আছে খাবার ও পানি গরম রাখার নানা সরঞ্জাম। তবে মাত্র কয়েকটি উইন্টার গ্যাজেট দ্বারা আপনার এই শীতকাতুরে অনুভূতিটা হয়ে উঠতে পারে উষ্ণ।

চলুন জেনে নেই সেগুলো সমন্ধে: 

 

 

 

 

 

 

 

 

হটপট : শীতে খাবার গরম রাখতে হটপটের জুড়ি নেই। বারবার খাবার গরম করার ঝামেলা এড়াতে নিতে পারেন হটপট। খাবার দীর্ঘ সময় গরম থাকবে, স্বাদও থাকবে অটুট। আধা কেজি থেকে শুরু করে ১৪ কেজি পর্যন্ত খাবার রাখার হটপট আছে। এসব হটপটে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত খাবার গরম থাকে। হটপটগুলো সাধারণত গোলাকৃতির হয়ে থাকে। ভেতরে সম্পূর্ণ স্টিলের এবং বাইরে প্লাস্টিকের আবরণ দেওয়া। হটপট সিঙ্গেল অথবা সেট হিসেবে কিনতে পারবেন। মিয়াকো, নোভা, মিলটন, প্যানাসনিকসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের হটপট পাবেন বাজারে। সেট ছাড়াও এর ধারণক্ষমতার ওপরও নির্ভর করে দাম। ছোট হটপট সাধারণত ২৫০ থেকে ৭০০ টাকা। মাঝারিগুলোর দাম পড়বে ৭৫০ থেকে দুই হাজার টাকা। বড় কিনতে গেলে গুনতে হবে দুই হাজার থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। সেট পাবেন এক হাজার থেকে চার হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ফ্লাস্ক : পানি দীর্ঘক্ষণ গরম রাখে ফ্লাস্ক। সর্বনিম্ন ২৫০ গ্রাম থেকে দুই লিটার পর্যন্ত পানি রাখতে পারবেন গোলাকৃতির ফ্লাস্কগুলোতে। হটপটের মতো এটিও ভেতরে স্টিল ও বাইরে প্লাস্টিকের। তবে কিছু ফ্লাস্ক আছে সম্পূর্ণ স্টিলের। ফ্লাস্কের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রিগ্যাল, পমেট, নোভিনা বেশ জনপ্রিয়। মাত্র ৪৫০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকার মধ্যেই পাবেন পছন্দের ফ্লাস্কটি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কফি মেকার : বারবার কফি বানানোর ঝামেলা এড়াতে কিনে নিতে পারেন কফি মেকার। পরিমাণমতো কফি ও চিনি দিয়ে দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কফি বানিয়ে দেবে এই মেকারটি। বিভিন্ন ব্র্যান্ড, মডেল ও ধারণক্ষমতার ওপর নির্ভর করে এগুলোর দাম। ফিলিপস, নোভিয়ান, নোভা, মিয়াকোর কফি মেকারগুলো পাবেন দুই হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে। সঙ্গে থাকছে কম্পানিভেদে এক থেকে দুই বছরের ওয়ারেন্টি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ওয়াটার হিটার : চা, কফি ও পানি গরম করার জন্য আছে ওয়াটার হিটার। স্টিলের হিটার ৫০০ থেকে এক হাজার ৫০০ ওয়াট তাপমাত্রার হয়ে থাকে। ওয়াটার হিটারের ব্র্যান্ড ও ওয়াটভেদে দামের তারতম্য হয়। ৫০০ ওয়াটের দাম পড়বে ১২০ থেকে ৪০০ টাকা। এক হাজার ওয়াটের দাম ৪৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। দেড় হাজার ওয়াটের পাবেন এক থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যেই।

ওভেন : লাল, সাদা, কালো বিভিন্ন রং ও ব্র্যান্ডের ওভেন পাবেন। স্যামসাং ওভেন ৯ হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে পাবেন ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। শুধু খাবার গরম করার ওভেনগুলোর দাম ৯ হাজার ৫০০ থেকে শুরু করে ১৩ হাজার পর্যন্ত। গ্রিল করার ওভেন পাবেন ১৪ হাজার থেকে ২১ হাজার টাকার মধ্যে। সঙ্গে এক বছরের ওয়ারেন্টি। তবে কিছু কিছু নির্দিষ্ট মডেলের ওভেনে শুধু এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি থাকে। ছয় হাজার ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। এ ছাড়া প্যানাসনিকের ওভেন পাবেন ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার ৫০০ টাকায়। সঙ্গে পাবেন এক বছরের ওয়ারেন্টি। এলজি ও বাটারফ্লাইয়ের ওভেন পাবেন আট হাজার ৭০০ থেকে ১৬ হাজার টাকার মধ্যে। ওয়ালটনের ওভেন আট হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা। সঙ্গে এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি রয়েছে।

হট শাওয়ার : ঠান্ডায় কাপাকাপির দিন শেষ। শীতের সময় ঠান্ডার ভয়ে নিয়মিত গোসল করতে ভয় পান যারা তাদের জন্য এলো হট শাওয়ার। তাহলে আর শীতের সকালে গোসল করতে ভয় কেন ! ওয়াশরুমে আপনার শাওয়ারের সাথে সংযুক্ত করে নিমিষেই পেয়ে যাবেন ঈষদুষ্ণ গরম পানি, গোসলে পাবেন অনাবিল প্রশান্তি। ইলেকট্রিক হট শাওয়ার দিয়ে গরম পানি বের হবে খুব কম বিদ্যুৎ খরচে। ৯৫% থার্মাল কন্ট্রোল ও ৭৫% বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে।

যেখানে পাবেন : নিউ মার্কেট, গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট, গুলশান ডিসিসি মার্কেট, ধানমণ্ডি, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, মিরপুরসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিকসের দোকানগুলোতে পেয়ে যাবেন খাবার গরম রাখার এসব পণ্য। আর আজকের ডিলের উইন্টার কালেকশনউইন্টার গ্যাজেট নিয়ে রয়েছে শীতের পণ্যের দারুন সব সংগ্রহ। 

শীতের পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*শীতেরপণ্য* *হটপট* *ওভেন* *হটশাওয়ার* *ওয়াটারহিটার* *কফিমেকার* *ফ্লাস্ক* *গৃহস্থালিসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘর গেরস্থালির সাফাই তথা পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রযুক্তির সেরা দানগুলোর একটি হলো ভ্যাকুয়াম ক্লিনার। ঘরের যেকোনো স্থানে যেখানে ঝাড়ু কিংবা কাপড় দিয়ে পরিস্কার করা চলে না সেখানেও অনায়াসে নিজের ক্যারিশমা দেখাতে পারে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার।

কিনতে ক্লিক করুন l নানা ধরনের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রয়েছে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন। সিলিন্ড্রিক্যাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ছোট ও হালকা। এতে মোটামুটি সব জায়গা পরিষ্কার করা যায়। আপরাইট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ভারী। এই ক্লিনার বেশি পরিমাণে ধুলা-ময়লা টেনে নিতে পারে। এটি কার্পেটের মতো ভারী জিনিস পরিষ্কার করার জন্য।

(এই যন্ত্রটি দিয়ে আপনি সহজে আপনার গাড়ির ভেতরের অংশ ক্লিন করতে পারবে, পাশা পাশি বাসা বা অফিসের কাজেও ববহার করা যাবে গাড়ি পরিষ্কারের জন্য বিশেষভাবে ব্যাবহারযোগ্যভোল্টেজ: ১২V পাওয়ার কনজাম্পসন: 48W)

কিনতে ক্লিক করুন l

জেনে নিন ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সঠিক ব্যবহার

  • প্রতিটি ব্র্যান্ডের ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সঙ্গে একাধিক অ্যাটাচমেন্ট থাকে। কেনার আগে সব অ্যাটাচমেন্ট লাগিয়ে এবং খুলে দেখুন। প্লাস্টিক থেকে মেটাল অ্যাটাচমেন্ট বেশিদিন টেকে। গ্যারান্টি ও সার্ভিসিংয়ের পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেনে নিন। অনেক ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে ডাস্টব্যাগ থাকে না। ডাস্টব্যাগসহ ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার সুবিধাজনক। সব ধুলা-ময়লা সিল করা ব্যাগে জমা হয়। ব্যাগ ভর্তি হলে পরিষ্কার করে ফেলা যায়।ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের পাওয়ার বা এনার্জির ওপর কর্মক্ষমতা নির্ভর করে। সিলিন্ড্রিক্যাল ক্লিনার ১৪০০ ওয়াট আর আপরাইট সিলিন্ড্রিক্যাল ১৩০০ ওয়াট হলে ভালো হয়।

কিনতে ক্লিক করুন l

  • ম্যানুয়ালের নির্দেশ অনুযায়ী ক্লিনারের অ্যাটাচমেন্ট ব্যবহার করুন। যেমন- ঘরের কর্নারের জন্য সরু মুখ ভ্যাকুয়াম ক্লিনার। আবার কার্পেট পরিষ্কারের জন্য ব্রাশযুক্ত ক্লিনার ভালো। প্রতিবার ব্যবহারের পর ভ্যাকুয়াম ক্লিনার পরিষ্কার করুন। অ্যাটাচমেন্ট পরিষ্কার করার গাইডলাইন ম্যানুয়ালে লেখা থাকে। কিছু জিনিস ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়, কিছু আবার সাবান-পানিতে ধুতে হয়।

কিনতে ক্লিক করুন l

  • ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ভালো রাখতে ডাস্টব্যাগ ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করুন। পরিষ্কার করার সময় সামনে-পেছনে ধীরে ধীরে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার মুভ করুন। সহজেই ময়লা উঠে আসবে। টেবিল-চেয়ারের মতো ছোট ফার্নিচার সরিয়ে ভ্যাকুয়াম ক্লিন করুন। ভালোভাবে পরিষ্কার হবে।

(হাই কোয়ালিটি ভ্যাকিউম ক্লিনার পাওয়ারফুল সাকশন বায়োনিক কার্টুন ডিজাইন লাইটওয়েট, সুবিধাজনক ব্যবহার সম্পুর্ণ এক্সেসরিজ, পছন্দসই ব্যবহার কালারঃ র‍্যান্ডম পাওয়ার সাপ্লাই - 220V, 50/60 Hz, 1000W)

কিনতে ক্লিক করুন l

  • অনেক সময় ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের চাকা মেঝের ক্ষতি করে। দেখে নিন চাকায় ঠিকমতো প্যাডিং দেওয়া রয়েছে কি না। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রাখার জন্য ঘরের কোণে উপযুক্ত জায়গা বেছে নিন এবং অবশ্যই শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

(হাই কোয়ালিটি ভ্যাকিউম ক্লিনার পাওয়ারফুল সাকশন বায়োনিক কার্টুন ডিজাইন লাইটওয়েট, সুবিধাজনক ব্যবহার সম্পুর্ণ এক্সেসরিজ, পছন্দসই ব্যবহার কালারঃ র‍্যান্ডম পাওয়ার সাপ্লাই - 220V, 50/60 Hz, 1000W)

কিনতে ক্লিক করুন l 

 

যেখানে পাবেন: ভ্যাকুয়াম ক্লিনার পাওয়া যাবে রাজধানীর নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডের বিভিন্ন দোকানে। এ ছাড়া গুলশান ডিসিসি মার্কেটে, পল্টন ও গুলিস্তানের বিভিন্ন মার্কেটে ব্র্যান্ড, নন-ব্র্যান্ড—সবই মিলবে। ইলেকট্রনিকসের বিভিন্ন শোরুমে মিলবে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার l এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন নানা ব্রান্ডের এবং নানা দামের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার l 

কিনতে ক্লিক করুন l

দরদাম : বাজারে এখন ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের দাম একটু বাড়তি। ব্র্যান্ডের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। তবে ওয়ারেন্টি পেতে হলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে হবে। যদি নন-ব্র্যান্ড কিনতে চান তবে খরচ পড়বে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা। 

*গৃহস্থালিসামগ্রী* *ভ্যাকুয়ামক্লিনার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ থেকে বাসায় ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা জুস! আহ্ সে কী শান্তি! এই গরমে আরাম দেবে তাজা ফলের রস। আর তার জন্য ঘরে থাকতে হবে একটি জুসার। তবে ব্লেন্ডারেও কাজ চলে। ফল থেকে রস বের করে নেওয়ার এই যন্ত্রটির চাহিদা বেড়ে যায় গরম এলেই। গরমের সময় এই ধরনের যন্ত্র বেশি বিক্রি হয়। তবে এবার বেশি চলছে একের মধ্যে অনেক সুবিধা আছে এমন যন্ত্রগুলো। যেমন ব্লেন্ডার। যেখানে জুস, মসলা, কিমার মতো বিষয়গুলো এক যন্ত্রেই সারা যায়। 

Click Here

কিনতে ক্লিক করুন l মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।


কিনতে ক্লিক করুন l দামের ওপর নির্ভর করে লম্বা, গোলাকার ও নৌকার মতো বাঁকানো নকশার ব্লেন্ডার ও জুসার পাবেন। ম্যানুয়াল ও ডিজিটাল দুই ধরনের জুসারই আছে। ফিলিপসের মাল্টি-ইউজ ব্লেন্ডারে জুস করার জন্য ছাঁকনি ব্যবহারের সুবিধা আছে। এ ছাড়া কিমা ও আদা-রসুন বাটার জন্য আছে আলাদা প্যানেল। দেড় লিটারের মিয়াকোর ব্লেন্ডারে চারটি জার ব্যবহার করে চার ধরনের উপকরণ ব্লেন্ড করা যায়। প্রেস্টিজের স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেড দেওয়া ব্লেন্ডারটিতে ভিন্ন তিনটি জার রয়েছে। লম্বা আকারের এই ব্লেন্ডারের ক্ষমতা আড়াই শ ওয়াট। এ ছাড়া নোভার তিনটি জারের প্লাস্টিক বডির ব্লেন্ডারও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l এই ব্লেন্ডারগুলো দিয়ে ফলের রস তৈরি করা যায়। শুধু জুসের জন্য মিয়াকোর দুই চেম্বারের দুটি সেফটি লক ও স্টেইনলেস স্টিলের ব্লেডযুক্ত জুসার পাওয়া যাবে এবং এতে শক্ত ও নরম ফলের জন্য দুই ধরনের স্পিড মোড রয়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মধ্যে আরও আছে প্যানাসনিক, মলিনেক্স, সেবেক ইত্যাদি। এ ছাড়া প্লাস্টিকের বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে বাজারে। গরম যেহেতু বেশি, এসব যন্ত্রের ব্যবহারও হচ্ছে বেশি। তাই যন্ত্র ব্যবহারের আগে-পরে একটু যত্ন নিলে আপনার জুসার বা ব্লেন্ডারটি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।



কিনতে ক্লিক করুন l ব্লেন্ডার বা জুসারটি যে ব্র্যান্ডেরই হোক না কেন তার যত্ন কিন্তু চাই সঠিকভাবে। কিভাবে যত্ন নিলে ব্লেন্ডার বা জুসার যন্ত্রটি ভালো থাকবে জেনে নিন,জুসার বা ব্লেন্ডার যেহেতু বৈদ্যুতিক যন্ত্র, তাই খেয়াল রাখতে হবে যেন এর মোটরে পানি না ঢোকে। আবার একটানা অনেকক্ষণ ব্যবহার করলে মোটর পুড়ে যেতে পারে। তাই পাঁচ মিনিট ব্যবহারের পর একটু বিরতি দিতে হবে। আবার যেহেতু লোডশেডিং হয়, তাই ব্যবহারের পর প্লাগ খুলে রাখতে হবে। কারণ, তাতে মোটর ভালো থাকবে।

কিনতে ক্লিক করুন l

বাজারে আছে নানারকম জুসার ও ব্লেন্ডার। চলুন সেগুলো এক ঝলক দেখে নেই :

যেখানে পাবেন
জুসার ও ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে রাজধানীর নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোডের বিভিন্ন দোকানে। এ ছাড়া গুলশান ডিসিসি মার্কেটে, পল্টন ও গুলিস্তানের বিভিন্ন মার্কেটে ব্র্যান্ড, নন-ব্র্যান্ড—সবই মিলবে। ইলেকট্রনিকসের বিভিন্ন শোরুমে মিলবে জুসার ও ব্লেন্ডার। সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটনের শোরুমে পাওয়া যাবে নানা ধরনের জুসার। তার পাশাপাশি নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া, প্রেস্টিজের ব্লেন্ডার পাওয়া যাবে। আর নন-ব্র্যান্ড কিনতে চাইলে বিভিন্ন চীনা ও জাপানের জুসার ও ব্লেন্ডার রয়েছে দোকানগুলোতে। ব্র্যান্ডের জুসার কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টিও পাওয়া যাবে।

কিনতে ক্লিক করুন l তবে যাঁরা ইলেকট্রিক যন্ত্র ব্যবহার করতে চান না, তাঁদের জন্য বাজারে ম্যানুয়াল জুসার রয়েছে। এসব জুসারের দাম পড়বে একটু কম।  এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 

কিনতে ক্লিক করুন l

দরদাম
বাজারে এখন ব্লেন্ডার বা জুসারের দাম একটু বাড়তি। ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডার বা জুসার ১ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। তবে ওয়ারেন্টি পেতে হলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে হবে। যদি নন-ব্র্যান্ড কিনতে চান তবে খরচ পড়বে ১ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার টাকা। বাজারে ম্যানুয়াল ব্লেন্ডার ও জুসার পাওয়া যায়। এর খরচ পড়বে ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কর্মজীবী মানুষের রান্নার পেছনে সময় দেওয়ার তেমন একটা সময় নেই। মানুষ এখন প্রযুক্তিনির্ভর। দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরো সহজ করতে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকম পণ্য। তেমন একটি পণ্য হল রাইস কুকার। অফিস করে বাড়ি ফিরে অনেক সময় ইচ্ছা করে না ভাত রান্না করতে। সহজে ভাত রান্না করার জন্য আজকাল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানা রকম রাইস কুকার। ঘরে ফিরে নিদিষ্ট পরিমাণ পানি চাল দিলে নির্ধারিত সময়ে রান্না হয়ে যাবে ভাত। এজন্য আপনাকে বারবার দেখতে হবে না। ভাত রান্না হয়ে আপনা আপনি কুকার বন্ধ হয়ে যাবে।

ভাত রান্না তাই এখন আর তেমন কঠিন কাজ নয় l বর্তমান সময়ের ছেলে কিংবা মেয়ে, পদ্ধতিটা জানা থাকলে যে কেউ রাইস কুকারের মাধ্যমে ভাত রান্না করতে পারবে। শুধু ভাত নয়, এটা দিয়ে খিচুড়ি, পোলাও কিংবা ভাতের নানা ধরনের খাবার তৈরি করা যায়। কুকারে অনেক নিশ্চিন্তে ভাত রান্না করা যায়। পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না বা নাড়তেও হয় না। রাইস কুকারে ভাত চাপিয়ে দিয়ে আমরা অন্য কাজও করতে পারি, ফলে অনেক সময় বেচে যায়। গৃহিনীদের এখন কিচেনে প্রথম পছন্দ রাইস কুকার কারণ তিনবেলা রান্না করতেই চলে যায় অনেকটা সময়। তাই সময় বাঁচাতে রাইস কুকার ব্যবহার করছেন অনেকেই ৷

রাইস কুকারে রান্নার পদ্ধতি: বিদ্যুৎ-চালিত যন্ত্রে স্বল্প সময়ে চাল ফুটে ভাত হয়ে যাবে। প্রথমে কুকারের ঢাকনা উঠিয়ে ভেতরের বল বাটিটা বের করে নিন। দিতে হবে পরিমাণমতো চাল এবং পানি। পাত্রের তলা ভালোভাবে মুছে নিয়ে বসিয়ে দিন কুকারের ভেতরে। এবার চালু করে দিন যন্ত্রটি৷ ২০ থেকে ২৫ মিনিটেই ভাত তৈরি ৷

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ড: SHIMIZU মডেল: SHGR028CPSক্যাপাসিটি: ২.৮ লিটারফুল বডি ডিলাক্সনন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেটওভার হিট প্রটেকশন কন্ট্রোলারঅটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমারKeep Warm ফাংশনস্টিমিং বোল (অপশনাল)বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট ; 

আকার অনুযায়ী রাইস কুকার: চাল ও পানির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে বাজারে পাওয়া যাবে নানা রকমের রাইস কুকার। এক লিটার থেকে শুরু করে ১.৪, ১.৫, ১.৮, ২, ২.৪, ২.৮, ৩ ও ৩.২ লিটার পর্যন্ত। একসঙ্গে অনেক ভাত রান্না করতে চাইলে নিতে পারেন ৭ বা ১০ লিটারের রাইস কুকার।

কিনতে ক্লিক করুন। ব্র্যান্ডঃ Philips মডেলঃ HD-3017 ক্যাপাসিটিঃ ১.৮ লিটার ফাইভ লেয়ার গোল্ডেন ইনার পট দিবে আরও বেশি হিট , যার কারণে আপনার রাইস হবে আরও সুস্বাদু

কুকারের দরদাম
বাজারে আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রাইস কুকার৷ ট্রান্সকম বিপণন করছে সেবেক ব্র্যান্ডের কুকার। দুটি মডেলের কুকার কেনা যাবে এক হাজার ৯০০ থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকায়। শার্প ব্র্যান্ডের পাঁচ ধরনের কুকার পাওয়া যায়। দাম পড়বে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। এ ছাড়া বড় কুকারের দাম ১১ থেকে ১২ হজার ৫০০ টাকা।বাটারফ্লাইয়ের আছে তিন পদের কুকার। বাজারমূল্য দুই হাজার ২০০ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা৷ র৵াংগস ব্র্যন্ডের কুকার পাওয়া যাবে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায়। হুন্দাইয়ের কুকার পাওয়া যাবে তিন হাজার ৫০০ টাকা থেকে ছয় হাজার টাকায়।

কিনতে ক্লিক করুন ব্র্যান্ডঃ Panasonic Power: 750 wattsOperating voltage: 220-240 voltsPre-cooking capacity: 2.2 litresPost-cooking capacity: 5.4 litres Anodized Aluminium Pan5 Hrs Keep Warm Function সারাদেশে ফ্রী ডেলিভারি

অপটিমা কিনতে পারবেন দুই থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে। ডলিন কেনা যাবে এক হাজার ৯০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকায়। মিয়াকো ব্র্যান্ডের কুকার কিনতে পারবেন এক হাজার ৬০০ থেকে দুই হাজার ৫০০ টাকায়। হেজার পাওয়া যাবে এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকার মধ্যে। নোভা কুকার কিনতে পারবেন এক হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকায়। ফিলিপস কেনা যাবে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকায়। এছাড়াও বাজারে নানা ব্রান্ডের রাইস কুকার পাওয়া যায় l এলাকার যে কোনো ক্রোকারিজের দোকানে, ইলেক্ট্রনিক্সের দোকানে, নিউ মার্কেট, চন্দ্রিমা সুপারমার্কেটে পেয়ে যাবেন নানা আকারের নানা ব্রান্ডের নানা ডিজাইনের এবং নানা দামের রাইস কুকার ; এছাড়া দেশের সব থেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলের গৃহস্থালীর সামগ্রীর বিশাল কালেকশনের একটা বড় অংশ হিসেবে আছে কিচেন এপ্লায়েন্সেস, সেখানেও পেয়ে যাবেন নানা আকারের নানা দামের রাইস কুকার l 

কিনতে ক্লিক করুন। মডেল: SLR-018CPSক্যাপাসিটি: ১.৮ লিটারফুল বডি ডিলাক্সস্টেইনলেস স্টীল বডিনন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেটওভার হিট প্রোটেকশন কন্ট্রোলারঅটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমারKeep Warm ফাংশনস্টিমিং বোল (অপশনাল)বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট

রাইস কুকারের যত্ন
♦ ভাত রান্নার এ যন্ত্রটি ব্যবহার করতে খুব একটা বাড়তি যত্ন লাগে না। খেয়াল রাখতে হবে বৈদ্যুতিক তারটি যে সকেটে লাগানো হচ্ছে সেটি যেন নড়বড়ে না থাকে।
♦ পানির পরিমাণ সম্পর্কে ঠিকমতো জেনে নিতে হবে। পানির বেশি হলে ফুটন্ত পানি বুদবুদ আকারে কুকারের ভেতরে উথলে পড়বে। ফলে কুকারে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে পারে।
♦ প্রতিবার ব্যবহারের পর বাটিটি শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়া ভালো। গরম অবস্থায় কখনোই কুকার ধোয়া ঠিক নয়।
♦ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এমন যে কোন ব্র্যান্ডের রাইস কুকারের সঙ্গে পাওয়া যাবে এক বছরের ওয়ারেন্টি৷ কেনার আগে ওয়ারেন্টির বিস্তারিত জেনে নেওয়া ভালো ৷

 কিনতে ক্লিক করুন। সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনে উপরে হাতলসহ Italian Home রাইস কুকার সহজে বহনযোগ্য ক্যাপাসিটি: ১.২ লিটার সাইজ: ২৩৫ X ২৩৫ X ২৬০ মিমি. হাই ডেনসিটি এলয়; নন-স্টিকি ইনার ভোল্টেজ: 220V, ফ্রিকোয়েন্সি: 50Hz, পাওয়ার ইনপুট: 500W নন-স্টিক কোটেড হেভি ডিউটি ইনার পট ও হিটিং প্লেট ওভার হিট প্রোটেকশন কন্ট্রোলার অটোমেটিক সেলফ কুকিং টাইমার Keep Warm ফাংশন স্টিমিং বোল (অপশনাল) বড় রিমুভেবল স্টীম ভেন্ট।

রাইস কুকারে খিচুড়ি/পোলাও রান্না: 

উপকরণ:- দুই কাপ পোলাও চাল,
দুই কাপ মুগ ডাল, ঘি আধা কাপ। পেয়াজ কুচি আধা কাপ,
পরিমান মত লবণ,
৪/৫ টি কাঁচা মরিচ,
আধা চা-চামচ হলুদ,
আধা চা- চামচ রসুন বাঁটা,
আধা চা-চামচ আদা বাটা 

প্রণালী:- প্রথমে দুই কাপ চাল আর দুই কাপ মুগ ডাল রাইসকুকারের পাত্রে নিয়ে নিন। এবার ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর এতে ৮ কাপ পানি নিন।এবার এতে বাকি সবগুলো উপকরণ মাখিয়ে রাইসকুকারে বসিয়ে চালু করে দিন। ব‍্যাস, কিছুক্ষনের মধ‍্যে আপনার খিচুরী তৈরি! 

 

 

*রাইসকুকার* *ভাতরান্না* *গৃহস্থালিটিপস* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মৌসুমি ফলে রয়েছে নানান রকম পুষ্টিগুণ। গরমে ফলের রস বা শরবত খেতেও মজা। শরীরের জন্যেও ভালো। বাসায় একটি জুসার মেশিন থাকলে সহজেই যে কোনো ফল দিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। আমাদের শরীরে প্রতিদিনের পুষ্টির ঘাটতি পূরনের জন্য ফলের রস বা ফ্রুট জুসের কোন বিকল্প নেই। বাজারে যেসব ফলের রস আমরা কিনে খাই এগুলো বিভিন্ন ক্যামিকেল মিশ্রিত তাই এসব জুস শরীরে উপকারের পরিবর্তে অপকারই করে। তবে বাজার থেকে তাজা ফল কিনে যদি জুসার কিংবা  ব্লেন্ডারে জুস বানাতে পারেন তো ভাল হয়।
 
 
জুসার দিয়ে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটা গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হয় । ই গরমে আরাম এনে দেবে ফলের রস ৷ চাইলে ঘরেই চটজলদি বানাতে পারেন ফলের রস বা জুস ৷ ফলটাকে পরিষ্কার করে নিয়ে জুসারের জগে পুরে সুইচ চাপ দিন। ব্যস, এক মিনিটেই তৈরি হয়ে যাবে। এবার যেহেতু গরম বেশি, তাই এই দুই যন্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে।
 
ম্যানুয়াল জুসার বাসা বা অফিসে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন, 
ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট
 
গরমের কারণে প্রতিদিনই জুসার বিক্রি হচ্ছে। সময় বাঁচিয়ে সহজে এক গ্লাস ফলের রস পান করতে জুসারই সেরা। ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই ধরনের জুসারই আছে বাজারে। তবে ভালো দোকান থেকে কিনলে কয়েক বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়।
 
এখন এই হ্যান্ডি জুস মেকার এর সাহায্যে ঘরেই তৈরি করুন বিভিন্ন ফলের জুসম্যাটেরিয়াল- প্লাস্টিক ও স্টেইনলেস স্টিলআলুসহ বিভিন্ন ধরণের ভর্তাও তৈরি করতে পারবেন
 
জুসার ও ব্লেন্ডারের রকমসকম
ফলের রস তৈরি করতে জুসার বা ব্লেন্ডার বেছে নিতে পারেন। জুসারে জুস তৈরি করলে শুধু ফলের নির্যাসটাই গ্লাসে এসে পড়ে। খোসা আলাদা হয়ে যায়। ব্লেন্ডারে জুস বানাতে চাইলে ফলের সঙ্গে কিছুটা পানি ও চিনি (প্রয়োজনে) দিয়ে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ফলটি ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়ে গেলে নামিয়ে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। আকার ও রঙের ওপর নির্ভর করে নানা ধরনের জুসার পাবেন। ছোট-বড়, গোল বা লম্বা নানা ধরনের জুসারের দেখা মিলবে বাজারে।
 
দরদাম
ব্র্যান্ড ও আকারের ওপর নির্ভর করে জুসারের দরদামে পার্থক্য দেখা যায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জুসারের দাম পড়বে দুই থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া নন-ব্র্যান্ডের জুসার পেয়ে যাবেন এক হাজার ৬০০ থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে৷ ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ থেকে নয় হাজার টাকা৷ নন–ব্র্যান্ডের ব্লেন্ডারের দাম শুরু হয় সাড়ে ৯০০ টাকা থেকে৷
 
পাবেন যেখানে
ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকস লিমিটেড, সিঙ্গার, ফিলিপস, ওয়ালটন, মিনিস্টারের বিভিন্ন শো রুমে পাবেন। এ ছাড়া নোভা, মিয়াকো, উসান, নোয়া ইত্যাদি ব্র্যান্ডের জুসার কিনতে পারেন। চীনা ও জাপানি বিভিন্ন নন-ব্র্যান্ডের জুসার ব্লেন্ডারও পাওয়া যায়। আপনি যদি অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বাসায় বসে নামকরা সব ব্রান্ডের জুসার কিংবা ব্লেন্ডার কিনতে চান তবে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন স্টোর আজকেরডিলের উপর। এখানে ক্লিক করে ঘুরে আসতে পারেন তাদের বিশাল কালেকশন থেকে এবং চাইলে অর্ডার করতেও পারেন। 
 
ব্লেন্ডার এন্ড জুসার পাওয়ারঃ AC, 220~240V, 50 Hz ক্যাপাসিটিঃ ১.২ লিটার ওয়ান কি কনট্রোল , প্রোগ্রাম কনট্রোল, অটোম্যাটিক স্টপ
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
ব্র্যান্ড: Icon মডেল: CB-T2T ফাংশনঃ MIXER/JUICER/GRINDER ম্যাটেরিয়াল: Electronics Packing Requirement: Box Packet ১ বছরের ওয়ারেন্টি অরিজিনঃ চায়না
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
 
যন্ত্রের যত্ন
জুসার বা ব্লেন্ডার নিয়মিত পরিষ্কার না রাখলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই যেকোনো সময় ব্যবহারের পর ব্লেন্ডার বা জুসার যত্নে রাখা জরুির। রান্নাবিদ সিতারা ফেরদৌস জানালেন, কীভাবে যত্নে রাখবেন আপনার জুসার বা ব্লেন্ডার মেশিন।
 
 জুসারে ফলের নির্যাস একদিকে আর ছোবড়া আরেক দিকে পড়ে। যেকোনো ধরনের ফলমূল জুসারে দেওয়ার পর সাবধানে চালু করুন। না হলে সুইচ একবার নষ্ট হলে সারাতে হেপাটা আপনাকেই পোহাতে হবে।
 এ ছাড়া ব্লেন্ডারে ফলের জুস করতে সাধারণত ফলের সঙ্গে বরফ, চিনি ইত্যাদি একসঙ্গে দিয়ে ব্লেন্ড করে ফেলা হয়। এখানে ছোবড়া আলাদা হয় না। ফলের নির্যাসের সঙ্গেই ব্লেন্ড হয়ে যায়। তাই নানা ধরনের শক্ত অংশ ভেতরে থেকে গেলে সেটা সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে নিন।
 ব্লেন্ডার বা জুসার ব্যবহারের পর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
 আজকাল বাজারে নানা ধরনের লিকুইড সাবান পাওয়া যায়। সেটা দিয়েই পরিষ্কার করতে পারেন জুসার, ব্লেন্ডার।
 ফোমের টুকরা বা নরম কিছুতে লিকুইড সাবান জুসারে বা ব্লেন্ডারে দিন। এতে ব্লেন্ডারে কোনো ধরনের দাগ পড়বে না।
 এসব জিনিস বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। আগুন থেকেও সাবধানে রাখা উচিত।
 জুসার বা ব্লেন্ডারের ভেতরে গন্ধ হলে এক কাপ পানির সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস দিয়ে ব্লেন্ডার বা জুসারে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
*ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী* *জুসার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গৃহস্থালির টুকিটাকি কাজে কতকিছুরই তো প্রয়োজন পড়ে।  প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো হাতের কাছে না থাকলে বাড়তি বিড়ম্বানা পোহাতে হয়। তাছাড়া ছোটখাট এই কাজগুলো করার জন্য অন্যের ধর্ণা ধরে সময় ক্ষেপণ করার ধৈর্য্য সব সময় থাকে না। আবার অনেক সময় বাড়ির বাইরে গেলেও ঘরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তো থাকেই। এজন্য বাড়ির নিরাপত্তা, সময় অসময়ে খাবার গরম করা, কোন কিছুর সাথে লেগে ছিঁড়ে যাওয়া পোশাকটির সেলাইকরার মত টুকিটাকি কাজ করার জন্য ৫টি প্রোডাক্ট সব সময় ঘরে রাখা উচিৎ। যা আপনাকে নিশ্চিন্ত রেখে স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপনে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেই কোন পাঁচটি প্রোডাক্ট আপনার ঘরে রাখবেন।  
 
১. সিকিউরিটি অ্যালার্ম  ক্লক
অনেক সময় সতর্কতার অভাবে চোখের সামনে থেকে প্রয়োজনী জিনিস হারিয়ে যায়। আপনি যতই অসর্তক থাকুন না কেন আপনার ঘরে অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ প্রবেশ করা মাত্র সর্তক করে দিতে পারে সিকিউরিটি অ্যালার্ম  ক্লক।  এটি আপনার বাসা, মোটরবাইক ও বাইসাকেলের নিরাপত্তার জন্য খুবই দরকারী। তাই প্রয়োজনীয় এই প্রডাক্টটি অবশ্যই বাড়িতে থাকা চাই-ই-চাই। এ ধরনের তালা গুলো ফল্স অ্যালার্ম প্রটেক্টেড, তাই যে কেউ ধরা মাত্রই এটি বেজে উঠবেনা। কেউ যদি তালায় আঘাত করে তবেই তা বেজে উঠে আপনাকে জানান দেবে।
 
২.ইলেকট্রিক লাঞ্চ বক্স
খাবার গরম গরম খেতে আমরা সকলেই ভালবাসি। বাসি বা জুড়িয়ে যাওয়া খাবার কেউ খেতে চাই না। বার বার রান্না ঘরে গিয়ে খাবার গরম করাটা খুবই বিরক্তিকর। এসকল সমস্যার সমাধানের জন্য ঘরে রেখে দিতে পারেন একটি ইলেকট্রিক লাঞ্চ বক্স। এই লাঞ্চ বক্সের মাধ্যমে ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া খাবার চার্জের মাধ্যমে আবার গরম করা যায়।
 
৩.পোর্টেবল সেলাই মেশিন
অনেকেই টুকটাক সেলাই মেশিনের কাজ জানেন। তাই বাড়ির ছোটখাট কাজগুলো করার জন্য দরর্জির কাছে কেন যাবেন? এখন তো বাজারে  বিভিন্ন ধরনের পোর্টেবল সেলাই মেশিন পাওয়া যায়। বাড়ির কাজের জন্য ঘরে একটি সেলাই মেশিন নিয়ে নিন। এতে আপনি দর্জিকে টাকা দেওয়ার থেকে বাঁচবেন পাশাপাশি নিজের পছন্দ মত পোশাকও তৈরী করে নিতে পারবেন। 
 
৪. ইলেকট্রনিক লাগেজ স্কেল
সাংসারিক টুকিটাকি ওজন পরিমাপ সহ কোথায় কখনো বেড়াতে বের হবার পূর্বে নিজের সাথে বহন করা লাগেজটির ওজন পরিমাপ করা একান্ত প্রয়োজন হয়। এ ধরনের ওজন পরিমাপের জন্য বাড়িতে একটি ইরেকট্রনিক লাগেজ স্কেল রাখা খুবই জরুরি।  ইলেকট্রিক লাগেজ স্কেলে ৫০ কেজি পর্যন্ত ওজন মাপা যায়। এগুলো সাধারণ টুপিসি ব্যাটারীতে চলে।
 
৫. মিনি হ্যান্ডি সেলাই মেশিন
আপনার ছোট বাচ্চাটিকে স্কুলে বের করে দেওয়ার সময় হঠাৎ চোখে পড়ল তার শার্টের পকেট ছেঁড়া, অথবা ঘরের ঝুলন্ত পর্দাটি এক জায়গায় একটু চিরে গেছে। এধরনের ছোটখাট ছেঁড়াফাটা সবসময় আপনার চোখে পড়ে। এ সমস্যা গুলোর সমাধান দিতে পারে মিনি হ্যান্ডি সেলাই মেশিন। তাই সবসময় ঘরে এই ছোট্ট জিনিসটি রেখে দিন। 
প্রোডাক্টটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
 
ইনস্ট্যান্ট স্টপ ফায়ার
ইলেকট্রিক হট মেল্ট গ্লু গান (২ পিস গ্লু স্টিকস)
ম্যাজিক হোস পাইপ (৭০ ফিট)-এক্সটেন্ডেবল
45-IN-1 মাল্টি স্ক্রু-ড্রাইভার সেট
8 IN 1 মাল্টি স্ক্রু ড্রাইভার উইথ টর্চ
গ্লাস ক্লিনার উইথ স্প্রে
 
*গৃহস্থালিসামগ্রী* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রেস্তোরাঁয় আমরা সবাই খেতে যাই। কিন্তু ছুরি চামচের ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। আধুনিকতার সঙ্গে তাল মেলানো মানে শুধু পোশাক-আশাক বা গ্যাজেটে আধুনিক হওয়াই নয়, প্রয়োজন জীবন-যাপন রীতি বা লাইফস্টাইলেও পরিবর্তন আনা। তা হলেই বলা যেতে পারে আপনি পুরোপুরি আধুনিক। সূক্ষ্ম কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন না থাকলে হয়তো মাটি হয়ে যেতে পারে আপনার পুরো সাজ পোশাক। যেমন—মনের ভুলেই হয়তোবা খাবার টেবিলে আপনি করে বসতে পারেন এমন কিছু, যাতে বরবাদ হয়ে যাবে অন্যদের খাওয়া-দাওয়া এমনকি আপনি বিরক্তিকর হয়ে উঠবেন সবার কাছে। তাই সচেতন হতে যেনে নিন অতি জরুরি কিছু টেবিল ম্যানার্স। 
 
 
* মুখ বন্ধ করে খান। খাওয়ার সময় আপনার মুখের খাবার দেখা গেলে তা মোটেই স্বস্তিদায়ক নয়। এটা যেমন অন্যদের বিরক্তিতে ফেলে, তেমনি খাওয়ার রুচিতেও ঘাটতি আনে। মনের অজান্তেই যদি এ অভ্যাসটি আপনার থাকে তবে মুখ বন্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস করুন এখনই।
 
* শব্দ করে খাওয়া বন্ধ করুন। এটা কোনো গর্বের বিষয় নয় যে আপনি খাওয়ার সময় সবাইকে জানিয়ে দিচ্ছেন, আপনি খাচ্ছেন। যা আপনার পাশে বসা মানুষটির জন্য চূড়ান্ত অস্বস্তিদায়কও। বিষয়টি আমাদের দেশে একেবারেই গুরুত্ব না পেলেও পশ্চিমা দেশগুলোয়, যাদের সবকিছুই আমরা অনুকরণে ব্যস্ত, তাদের কাছে রীতিমত অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।
* চামচ বা হাত যেভাবেই অল্প করে খাবার মুখে দিন। যত ক্ষুধার্তই হোন না কেন একবারে খুব বেশি পরিমাণ খাবার মুখে দেয়া যেমন দৃষ্টিকটু, তেমনি তা ছড়িয়ে পড়ে খাবার টেবিলে, সৃষ্টি করতে পারে বিশৃঙ্খলা।
 
* খাবার সময় কাশি বা হাঁচি দেয়া ও নাক টানা থেকে বিরত থাকুন। বাকিদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে একটু দূরে গিয়ে হাঁচি দিন। খাবার টেবিলে শব্দ করে ঢেঁকুর তোলাও চরম বাজে অভ্যাসগুলোর একটি।
 
* অনেকের সঙ্গে খেতে বসলে একসঙ্গে খাওয়া শুরু করুন। আগে আগে নিজের প্লেটে খাবার নেয়া অন্যদের কাছে আপনার ব্যক্তিত্বের ঘাটতি তুলে ধরবে সহজেই।
 
* রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার আগে অবশ্যই জেনে নিন চামচ, কাটা চামচ ও ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়মকানুনগুলো। খাবার সময় কখনোই চামচ বা কাটা চামচ শূন্যে তুলে কথা বলা বা কোনো দিকে নির্দেশ করবেন না। 
জেনে নিন কিভাবে রসনার অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশ করে ছুরি-চামচ
 
ক্রিস-ক্রস ছুরি চামচ
প্লেটের মাঝে ছুরি ও চামচ দিয়ে যোগ চিহ্নের মতো তৈরি করা। অর্থাৎ আপনি দ্বিতীয় প্লেটে খাবার নেওয়া জন্য প্রস্তুত। তাই আপনি মুখে কিছু না বললেও, আপনার প্লেট দেখেই ওয়েটার বুঝে যাবে আপনাকে খাবার সার্ভ করতে হবে।
 
ছুরি চামচ পাশাপাশি
ফিনিশ। মানে আপনার খাওয়া শেষ। ছুরি চামচ পাশাপাশি লম্বা করে রাখার অর্থ এটাই। যাতে ওয়েটার টেবিল পরিষ্কার করে নিতে পারেন।
ছুরি চামচ পাশাপাশি আড়াআড়ি
ছুরি চামচ পাশাপাশি আড়াআড়ি করে রাখার অর্থ আপনার খাওয়া শেষ এবং খাবার আপনার অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে।
 
ছুরি চামচ একটির ভেতর অপরটি
ছুরি চামচ একটির ভেতর অপরটি মূলত কাটা চামচের ভেতর ছুরি গেঁথে কোণ তৈরি করে রাখার অর্থ আপনার খাওয়া শেষ কিন্তু খাবার একেবারেই পছন্দ হয়নি আপনার।
কিছু টিপস
  • খাওয়ার ছুরি কখনোই সাধারণ ছুরির মতো করে ধরবেন না
  • একবার টেবিল থেকে ছুরি চামচ তুলে তা আবার টেবিলে রাখবেন না। হাতে বা প্লেটে রাখুন।
  • ন্যাপকিন হাত মোছা/লিপস্টিক মোছা/ সর্দি মোছা্র কাজে ব্যবহার করবেন না।
  • প্লেট/চামচ/গ্লাস মোছার জন্য ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন না।
  • ন্যাপকিন হাতে নিয়ে কাউকে ইশারা করবেন না।
  • মুখ থেকে কাটা, হাড় বা অন্য কিছু বের করতে হলে ন্যাপকিন ব্যবহার করবেন না। এক্ষেত্রে হাত বা কাঁটা চামচ ব্যবহার করুন।
  • ন্যাপকিন ফ্লোরে পড়ে গেলে তা তোলার চেষ্টা করবেন না। সার্ভারকে ডাকুন এবং আর একটি ন্যাপকিন চেয়ে নিন।
দাওয়াত খেতে গেলে ফিরে আসার সময় অবশ্যই আপ্যায়নকারীর রান্নার প্রশংসা করতে ভুলবেন না।
এগুলো ছিল প্রাথমিক কিছু টেবিল ম্যানার বা খাবার টেবিলের নিয়মকানুন। তবে এরও আছে নানা ভাগ ও ব্যাপ্তি। যদিও সব সময়ের জন্যই উপরের কয়েকটি নিয়ম খেয়াল রাখলেই আপনি এড়াতে পারেন বিব্রতকর পরিস্থিতি। শুধু বহিরাবরণেই নয়, ম্যানার সচেতন থাকলে হয়ে উঠতে পারবেন আপাদমস্তক আধুনিক। বাসায় নিমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য এক সেট নান্দনিক কাট্লারী সেট কিন্তু আপনার রুচিরও প্রকাশ ঘটাতে দারুন ভূমিকা পালন করবে l 
 
কোথায় পাবেন
নিউ মার্কেট, চন্দ্রিমাসহ যে কোনো ক্রোকারিজ শপে পেয়ে যাবেন নানা ধরনের ছুরি, চামচ ও কাচির সেট, যাকে এক কথায় কাট্লারী সেট বলে l এছাড়া অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল তো আছেই l ওদের কিচেন এপ্লাইন্সেসের রয়েছে বিশাল কালেকশন এবং সেখানেই পেয়ে যাবেন নান্দনিক সব কাট্লারী সেট l আজকের ডিলের সংগ্রহ দেখতে ক্লিক করুন l 
 

 

*ছুরি-চামচ* *কাচি* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্লেন্ডার / মিক্সার গ্রাইন্ডার
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দিতে বাজারে রয়েছে হরেক রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার। রান্নার কাজে ব্যবহৃত নানান পদের মসলা এবং অন্যান্য উপকরণ গুঁড়া বা মিহি করার জন্য ব্যবহার করা হয় এই যন্ত্র। ধারণ ক্ষমতা এবং ব্র্যান্ড ভেদে মিক্সার গ্রাইন্ডারের দাম বিভিন্ন রকম। বর্তমানে বাজারে মিয়াকো, নোভা, নোভেনা, ফিলিপস, হুন্দাই, সাহারা, জাইপান, আরএফএল, ন্যাশনাল ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।
 
 
দরদাম
বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন রকমের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া গেলেও ‘মিয়াকো’ ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। 
তুলনামূলক কম দামের মধ্যে লম্বা সময়ের ধরে ব্যাবহার উপযোগী হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে মিয়াকো গ্রাইন্ডারের জনপ্রিয়তা বেশি। 
এছাড়াও নোভেনা, সাহারা এবং জাইপান এর গ্রাইন্ডারগুলোর বাজার মোটামুটি ভালো।
 
 
 
আজকের ডিল ও নিউমার্কেট থেকে মিয়াকোর মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকায়।
বসুন্ধরা সিটির মিয়াকোর বিশেষ শোরুম থেকে ৭৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন গ্রাইন্ডার পেতে পারেন
২ হাজার ৩শ’ টাকায়। ১২৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন স্টেইনলেস স্টিলের বিশেষ গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে
সাড়ে ৩ হাজার  থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকায়।
 
 
 
একটু কম দামের মধ্যে নোভা ব্র্যান্ডের আধা লিটার ধারণ ক্ষমতার মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ১ হাজার ৮শ’ টাকা
এবং এক লিটার ধারণ ক্ষমতার মধ্যে কিনতে খরচ করতে হবে ২ হাজার ১শ’ থেকে ২ হাজার ৩শ’ টাকা।
টেকসই এবং বেশি কার্যকর গ্রাইন্ডার কিনতে বেছে নেওয়া যেতে পারে
হুন্দাই ব্র্যান্ডের মিক্সার গ্রাইন্ডারগুলো।
আধা থেকে দেড় লিটারের গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকা।
 
 
 
সম্প্রতি ‘আরএফএল ভিশন’ নামে বাজারে এসেছে নতুন ধরনের গ্রাইন্ডার।
ভেতরের যন্ত্রাংশের মান এবং জগের আকার ভেদে গ্রাইন্ডারগুলোর দাম পড়বে ২ হাজার ৪শ’ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা।
এছাড়া আজকের ডিলে পাওয়া যাবে ভারতের জাইপান ব্র্যান্ডের গ্রাইন্ডার।
ভালো মানের ৮৫০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই গ্রাইন্ডারগুলো পাওয়া যাবে ৪ হাজার টাকায়।
৫৫০ ওয়াট ক্ষমতার জাইপান গ্রাইন্ডারের দাম পড়বে ৩ হাজার ২শ’ টাকায়। 
 
 
 
 
 
সাহারা মিক্সার গ্রাইন্ডার পেতে হলে গুনতে হবে ৫ হাজার টাকা।
এছাড়াও অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী ন্যাশনাল’য়ের মিক্সার গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৫ হাজার ২শ’ টাকায়
এবং প্যানাসনিক ব্র্যান্ডের বড় কিছু গ্রাইন্ডার পাওয়া যাবে ৭ হাজার টাকায়।
 
 
 
 
ব্যবহার পদ্ধতি
লম্বা সময় ধরে ঝামেলামুক্ত ভাবে মিক্সার গ্রাইন্ডার ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ মিক্সার গ্রাইন্ডার চলতে থাকলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই কিছুক্ষণ পরপর সুইচ বন্ধ করে পুনরায় চালু করতে হবে। সবসময় সুইচ বন্ধ করে গ্রাইন্ডারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। তাছাড়া মিক্সার গ্রাইন্ডারের নিচের যন্ত্রাংশে যেন পানি না ঢোকে সেদিকেও বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।
প্রতিদিন রান্নার কাজ কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় মিক্সার গ্রাইন্ডার, রান্না করার সময় এবং শ্রম দুটোই কমাতে জুরি নেই মিক্সার গ্রাইন্ডারের। ঢাকার বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, নিউ মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, গুলিস্তান ষ্টেডিয়াম মার্কেটসহ দেশের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স শো রুমগুলো থেকে পছন্দ এবং চাহিদা অনুযায়ী গ্রাইন্ডার বেছে নেওয়া যাবে। এছাড়া গৃহস্থালি বিশেষ করে কিচেন ও ডাইনিং আইটেমের জন্য আজকের ডিল তো অতি বিখ্যাত। চলুন একবার ঢু মেরে আসি আজকের ডিলের মিক্সার গ্রাইন্ডারের বিশাল কালেকশনে l 
*মিক্সারগ্রাইন্ডার* *ব্লেন্ডার* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কিচেনসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গৃহিণীদের রান্নার কাজে গ্যাসের চুলার ব্যবহার অন্যান্য মাধ্যম থেকে বেশি জনপ্রিয়। কারণ হিসেবে বলা যায়, ব্যবহারের দিক থেকে নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও সর্বৈব সুবিধা। বাজারে রয়েছে দেশি-বিদেশি নানান রকম গ্যাসের চুলা। বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেল সাধারণত লোহা, স্টিল ও গ্লাস (কাচের) এই তিন ধরনের চুলা পাওয়া যায়। আমদানিকৃত গ্যাসের চুলার অধিকাংশই স্টেইনলেস স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি। জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে চীন ও জাপানের তৈরি গ্যাসের চুলার চাহিদা বেশি। এসব চুলার মধ্যেও রয়েছে ব্র্যান্ড ও নন ব্র্যান্ড যেমন; অ্যারিস্টোন (ইতালি) কিনবো (তুরষ্ক), আকাই এলজি, কোয়ান্টাম, মিয়াকো, আরএফএল, নিক্কো, কমেট, জেসিএলসহ অনেক ধরনের দেশি বিদেশি চুলা। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অ্যালুমিনিয়াম ও টিনের গ্যালভানাইজড গ্যাসের চুলার ব্যবহার বেশি লক্ষ করা যায়। সহজ ব্যবহার পদ্ধতি, সাশ্রয়ী, টেকসই ও গুণগতমানসম্পন্ন হওয়ায় চাহিদা বেড়েছে ব্যাপকভাবে। দেশীয় ব্র্যান্ডের মধ্যে আরএফএল, ন্যাশনাল, র‌্যাংগস, গাজী ব্র্যান্ডের চাহিদা বেশি। 
 
 
চুলার রকমফের
স্টার্টার সুইচ ঘুরালেই চুলাতে আগুন জ্বলে (দিয়াশলাই বা ম্যাচ লাগে না)। অটোচুলা হিসেবে পরিচিতি এসব চুলা মান ভেদে দাম পড়বে বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৫শ' থেকে ২৫ হাজার টাকা।
 
গ্লাস বডির ব্র্যান্ডের চুলার দাম ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা। এই ধরনের চুলায় ২টি থেকে ৫টি বার্নার থাকে। বার্নারের সংখ্যার সঙ্গে দরদামও উঠানামা করে। এসব চুলার বিক্রয়োত্তর সেবার জন্য ওয়ারেন্টি ও গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
 
কমদামেও অটোচুলা রয়েছে। এসবের মধ্যে অন্যতম হল আরএফএল, মিয়াকো, নিক্কো, কমেট ইউনিভার্সাল, কোয়ান্টামসহ দেশি কিছু ব্র্যান্ডের চুলা। এরকম প্রতিটি চুলা পেয়ে যাবেন আড়াই হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার মধ্যে।
বাসার ব্যবহৃত চুলাগুলোর বেশিরভাগই সাধারণ চুলা। এসব চুলায় দিয়াশলাই বা ম্যাচের কাঠি ব্যবহার করে আগুন জ্বালাতে হয়। সাধারণত এই চুলাগুলো লোহা কিংবা স্টিলের হয়ে থাকে। এগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য ৬শ' থেকে দেড় হাজার টাকা। 
 
মনে রাখবেন, বোতলজাত গ্যাস এবং পাইপের গ্যাস ব্যবহার করার জন্য চুলার ধরণ আলাদা হয়। তবে, এলপি চুলার পিন পরিবর্তন করেও সাধারণ পাইপলাইনে ব্যবহার করা যায়। পিন ও বার্নার পরিবর্তন করতে খরচ হবে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা।
মেরামত
এখন প্রায় বেশিরভাগ ব্র্যান্ডের চুলাতে বিক্রয়োত্তর ২ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত ওয়ারেন্টি কিংবা গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে। আর সাধারণ অটোচুলাগুলোতে থাকে নির্দিষ্ট মেয়াদে বিক্রয়োত্তর সেবা।
তাছাড়া হার্ডওয়ার দোকানগুলোতে চুলার সব ধরনের মেরামতের ব্যবস্থা থাকে। চুলার সুইচ, বার্নার ও কানেক্টর নাট এসব কিনে এনে আপনি নিজেও ঠিক করে নিতে পারেন। চুলার সুইচ এবং কানেকটর নাটের দাম পড়বে ৫০ থেকে দেড়শ টাকা।
কোথায় পাবেন
ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব জেলাশহর কিংবা উপজেলা হার্ডওয়ার দোকানে চুলা এবং চুলা মেরামতের সব কিছু পেয়ে যাবেন। তবে যদি দেখে শুনে কিনতে চান তাহলে চলে যেতে পারেন, গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম মার্কেট, বায়তুল মোকারাম মার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, চর্ন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি মার্কেট লেভেল ওয়ান, গুলশান ডিসিসি সুপাস মার্কেট ১ ও ২, মিরপুর ১০ ও উত্তরা। অনলাইন শপিং সাইট আজকের ডিল থেকেও ঢাকা সহ দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ফোন করে অর্ডার দিন, আজকের ডিল একদম দরজায় আপনার পণ্য পাঠিয়ে দিবে l 
 
দরদাম
গৃহিণীদের সামর্থ্য ও রুচির ভিন্নতায় বিভিন্ন মূল্যের গ্যাসের চুলা রয়েছে। ন্যাশনাল ব্র্যান্ডের চুলার দাম ৭০০-১৪০০ টাকা, র‌্যাংগস ৮০০-১০০০ টাকা, গাজী ৭০০-১৫০০ টাকা। মডেলভেদে ৪০০০-১২০০০ টাকা মূল্যের চুলাও রয়েছে। জাপানের তৈরি নোকা কুকারের দাম ১৯০০-৪০০০ টাকা, এনইওএস ২৫০০-৩০০০ টাকা, টার্বো ৩০০০-৬০০০ টাকা, আরএফএল ২৪০০-৭০০০ টাকার মধ্যে।
সাবধানতা
গ্যাসের চুলা ব্যবহারের পর সুইচ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন। নয়তো দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। অপ্রয়োজনে চুলা জ্বালিয়ে রাখবেন না। সতর্ক হোন এবং জাতীয় সম্পদ গ্যাস ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন। চুলার সাথে গ্যাস নেট ও লাইটার কিনে নিতে পারেন, এতে করে ঝুঁকি কমে যাবার সাথে সাথে আপনার রান্নাঘর থাকবে পরিষ্কার - পরিচ্ছন l তাছাড়া গ্যাস সাশ্রয়ও হবে এতে l 
 
এ কয়েকটি ডিজাইন বাদে আরো কিছু ডিজাইন রয়েছে সেগুলো দেখতে চাইলে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের কিচেন অ্যান্ড ডাইনিং এপ্লিয়েন্স থেকে ঘুরে আসুন  অথবা এখানে ক্লিক করুন
 

 

*গ্যাসেরচুলা* *গৃহস্থালিসামগ্রী*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুন নিখুঁত ও পরিপাটি পোশাকই বলে দেবে আপনার স্মার্টনেস কেমন? মনে রাখবেন, নিখুঁত পোশাক মানেই দামি বা চকচকে কিছু নয়। পোশাকের আভিজাত্য পরিচ্ছন্নতায়। কুঁচকানো একটা পোশাক ইমেজ নষ্ট করতে যথেষ্ট। তাই সবসময় কাপুড় থাকা চাই পরিপাটি। আর প্রতিদিন জামাকাপড় নিয়ে লন্ড্রিতে দৌড়াদৌড়ি করতে না চাইলে ঘরে রাখুন ইলেকট্রিক আয়রন মেশিন। সাধ্যের মধ্যেই বাজারে পাবেন চমৎকার সব আয়রন। আর নিপাট পরিপাটি পোশাক পাবেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। এতে খরচ ও সময় দুই-ই বাঁচবে। নিচে সমসাময়িক ইস্ত্রির ডিজাইন ও ব্রান্ড নিয়ে আলোচনা করা হল। পাশাপাশি কিছু আয়রনের ছবিও দেওয়া হল আপনারা ছবিতে ক্লিক করে বিস্তারিত দেখে নিতে পারবেন।
 
বাহারি ডিজাইনের আয়রন মেশিন
কাপড় আয়রনকে আরো সহজ করতে এখনকার আয়রন মেশিনে রয়েছে পানি ও এরারুট স্প্রে করার ব্যবস্থা। এগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে স্টিম আয়রন। এতে একটি ওয়াটার চেম্বার যুক্ত থাকে। আর মেশিনের হিটিং প্লেটে থাকে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ছিদ্র। আয়রন মেশিন গরম হয়ে গেলে এসব ছিদ্র দিয়ে জলীয়বাষ্প বেরিয়ে আসে। আলাদা করে আর পানি ছিটানোর প্রয়োজন হয় না। কিছু আয়রন মেশিনে আবার আলাদা করে স্প্রে কিট থাকে। প্রয়োজনমতো পানি স্প্রে করে নেওয়া যায়। কিছু মেশিনে রয়েছে অটো তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। এতে কাপড় পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। কাপড় ধোয়ার পর মাড় বা এরারুট দেওয়া বেশ ঝামেলার। সমাধান এখন আয়রন মেশিনে। মেশিনেই পাবেন এরারুট চেম্বার। কাপড় আয়রনের আগে এরারুট জ্বাল দিয়ে চেম্বারে ভরে নিন। আর আয়রন করার সময় চেম্বার থেকে এরারুট স্প্রে করুন। কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
 
আয়রনের  ব্র্যান্ড
বর্তমানে বাজারে রয়েছে ব্র্যান্ড আর ননব্র্যান্ড আয়রন মেশিনের সমাহার। ব্র্যান্ডের মেশিনে বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন ক্রেতারা। তাই নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে চাইলে ব্র্যান্ডের মেশিন কেনারই পরামর্শ দেন বিক্রেতারা। ফিলিপস, ন্যাশনাল, ট্রান্সকম, প্যানাসনিক, জ্যাকপট, আরএফএল ও সেবেকসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আয়রন মেশিন পাবেন বাজারে। এসব মেশিনের চাহিদা ও গুণগত মান দুই-ই ভালো। এ ছাড়া রয়েছে ননব্র্যান্ডের হরেক রকম আয়রন মেশিন। প্লাস্টিক বডির আয়রন মেশিনগুলো হালকা হওয়ায় ব্যবহার করা সহজ।
 
দরদাম ও কোথায় পাবেন?
আকার ও মানের ওপর নির্ভর করে আয়রন মেশিনের দামের তারতম্য হবে। ননব্র্যান্ডের আয়রন মেশিনের দাম শুরু হয় ৬০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে। ফিলিপস, ন্যাশনাল, সিঙ্গার আরএফএল, সেবেক, ট্রান্সকমের মতো ব্র্যান্ডেড আয়রন মেশিনগুলো পাবেন ৯৫০ থেকে এক ২ হাজার টাকার মধ্যেই। 
 
যেকোনো ভালো মানের ইলেকট্রনিকের দোকানেই পাবেন আয়রন মেশিন। দেখেশুনে কিনতে চাইলে চলে যান বায়তুল মোকাররম, নিউ মার্কেট অথবা এলিফেন্ট রোডের ইলেকট্রনিক দোকানগুলোতে। এছাড়াও দেশের বড় বড় অনলাইন শপ গুলোতে রয়েছে অনেক রকমের আয়রন মেশিনের সম্ভার। বাজেট, পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরে বসেই অর্ডার করে আইরন মেশিন কিনতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে একটি অনলাইন শপের লিংক দিয়ে দিলাম। 
*আয়রন* *ইস্ত্রি* *পোশাকেরযত্ন* *গৃহস্থালিসামগ্রী* *কেনাকাটা* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★