গ্যাস্ট্রিক সমস্যা

গ্যাস্ট্রিকসমস্যা নিয়ে কি ভাবছো?

tanjila shamim: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আনারস ও দুধ একসাথে খেলে কি হবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*আনারস* *দুধ* *বিষক্রিয়া* *এসিডিটি* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *ফুডট্যাবু* *কুসংস্কার*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কোন কোন খাবারগুলো মানুষের লিভারকে সুস্থ্য রাখে ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *পেটেরমেদ* *স্বাস্থ্যঝুঁকি* *লিভার* *লিভারসমস্যা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বুঝব কি করে মাঝেমধ্যে বুকের ভিতর চিনচিন করে ওঠা ব্যথাটি হার্টের সমস্যা নাকি ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*হৃদরোগ* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

দীপ্তি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

ঈদে স্বাস্থ্য সতর্কতা
http://www.kalerkantho.com/feature/muktadhara/2014/10/04/136410
মুসলমানদের প্রধান দুই ধর্মীয় উৎসবের অন্যতম ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ ...বিস্তারিত
*ঈদ* *স্বাস্থ্যতথ্য* *ঈদেরভোজন* *হেলদিডায়েট* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *হেলথটিপস*
১৬৯ বার দেখা হয়েছে

মেঘবালক: একটি টিপস পোস্ট করেছে

যে কারণে রোজ আমলকি খাবেন
http://www.dailynayadiganta.com/details.php?nayadiganta=NzI2NzU%3D&s=MjM%3D&t=%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9C-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8#.VB65z9GuVTY.facebook
আমলকির ভেষজ গুণ রয়েছে অনেক। ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও দশ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলা লেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এই আমলকি বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। আমলকি খাওয়ার উপকারিতা ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। আমলকি ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সাথে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ব্যালেন্স বজার রাখে। আমলকি লিভার ভালো রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভালো হয়। আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে। শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে। আমলকির জুস দৃষ্টি শক্তি ভালো রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী। পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। ব্রঙ্কাইটেসও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী। আমলকি গুঁড়ার সাথে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। খিদে বাড়াতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়া ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। আমলকিতে সামান্য লবণ, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর খেতে পারেন। খাবারের সাথে আমলকির আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে। আমলকি মাঝারি আকারে টুকরো করে নিয়ে ফুটনত্ম জলের মধ্যে দিন। আমলকি নরম হলে তা নামিয়ে ঝরিয়ে লবণ, আদা কুঁচি, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে রেখে দিতে পারেন। সারা বছরই ভালো থাকবে। এছাড়াও, প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়)-এর ক্ষত সারাতে আমলকি কার্যকর। আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে কিছু রোগ নিরাময়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে যেমন- ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি-রোগ। আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরল-মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে ডায়াবেটিক ইঁদুরের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে পারে এবং লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে। ...বিস্তারিত
*ত্বকেরযত্ন* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *ডায়বেটিস*
১৫৮ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা আমাদের সবারই এক প্রকার যন্ত্রণার কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অত্যাধিক অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আমারা অনেকই বাইরের ভাজা পোড়া ও খোলা জায়গার খাবার খেয়ে থাকি যা আমাদের অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। অনেক সময় সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট খেয়ে থাকি যা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্নক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য আমরা কিছু টিপস ফলো করতে পারি:
 1. আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। কখনো বেশি অথবা কখনো খাবেন না এমনটি করলে অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি পায়। এ জন্য সবসময় পেট ভরা রাখতে হবে।
 2. পানিশূন্যতা পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটির অন্যতম কারণ। পানি পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে বেশি করে পানি পান করুন।
 3. লবণাক্ত কিংবা মসলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ এ ধরনের খাবার পাকস্থলীতে বদহজমের মতো গ্যাসের সৃষ্টি করে।
4. ধূমপান কিংবা মাদকও পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি করে। অতএব এ ধরনের বাজে অভ্যাস পরিহার করুন।
5. প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস দুধ পান করুন।
6. তাজা পুঁদিনা পাতা চিবিয়ে খান। কারণ পুঁদিনা পাতা পাকস্থলীকে ঠাণ্ডাই রাখে না বরং হজম প্রক্রিয়ায়ও সাহায্য করে।
 7. অ্যাসিডিটি কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন নারকেলের পানি অথবা মাঠাজাতীয় ঠাণ্ডা খাবার।
*হেলথটিপস* *অ্যাসিডিটি* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গ্যাস্ট্রিক আমাদের দেশের একটা কমন রোগ। আসলে এটা কোন রোগ না। এটা সাধারণত কিছু বদভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে। অন্য যেকোন রোগের চেয়েও এটা মাঝে মাঝে খারাপ আকার ধারণ করতে পারে। কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একদিনে হয়তো পুরোপুরি নিরাময় হবেনা। কিন্তু ক্রমাগত অভ্যাস করে গেলে আপনি একদিন পুরোপুরি অ্যাসিডিটি মুক্ত থাকবেন ইনশাল্লাহ।

আসুন দেখে নেই নিয়মগুলো কি কি

১। আজ যে সময় খাবার খেলেন কালও ঠিক সেই সময়েই খাওয়ার অভ্যাস করুন। এভাবে প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে দিনের ৩ বেলার খাবার গ্রহণ করুন।

২। তৈলাক্ত খাবার যথাসম্ভব বর্জন করুন। যদি তা নাও পারেন সমস্যা নেই। তবে তৈলাক্ত খাবার খাওয়ার আগে বা পরে পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। তৈলাক্ত খাবার খাবার অন্তত ৩০ মিনিট পরে এক গ্লাস পানি খান।

৩। মাংস, ডিম, বিরিয়ানী, মোঘলাই, চাইনিজ খাবার যাই খান না কেন; সেটা দুপুরের মেনুতে অন্তর্ভুক্ত করুন। রাতের খাবারটি যেন হয় হালকা টাইপের। শাক-সবজি,ছোট মাছ এসব দিয়ে রাতের মেনু সাজান।

৪। যদি সাইনাসের সমস্যা না থাকে তবে অবশ্যই ঠান্ডা পানি খান। খুব বেশী ঠান্ডা পানি যেন না হয়। তবে গরম পানি না খাওয়াটাই মঙ্গলজনক।

৫। ভাত খাওয়ার আগে এক বা দু গ্লাস পানি খেয়ে নিন। তারপরে ভাত খান। খাওয়ার পরপরই অনেক বেশী পানি খাওয়ার প্রবণতা আমাদের মাঝে বেশী করে দেখা যায়। এটা বর্জন করুন। ভাত খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পরে পানি খান।

৬। প্রতিদিন খাবারের মেনুতে অন্তত একটি হলেও যেন ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার থাকে তা নিশ্চিত করুন। সেটা ল্যাক্সেটিভ হিসেবে কাজ করবে। অর্থাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করবে। এতে গ্যাস তৈরী হবেনা। যেমন- শাক-সবজি, কলা, ঢেড়শ ইত্যাদি।

৭। সরাসরি গ্লুকোজ অর্থাৎ চিনি যথাসম্ভব কম খান। তাও যদি খেতে হয় চেষ্টা করুন গুড় দিয়ে চিনির অভাবটা পুরণ করতে।

৮। বাজারে পাওয়া যায় দেশে তৈরী সমস্ত জুস যথাসম্ভব বর্জন করুন।

৯। দেশে তৈরী আইসক্রীম অনেকে রাতে খাওয়ার পরে খেতে পছন্দ করেন। এটা বাদ দেয়াটাই মঙ্গল।

১০। দিনে কিংবা রাতে- খাওয়ার পরপরই অনেকে শুয়ে পড়তে পছন্দ করেন। এটা বর্জন করুন। কিছুক্ষণ আস্তে আস্তে হাঁটাচলা করতে পারেন অথবা বসে থাকতে পারেন সোজা হয়ে। অন্তত ৩০ মিনিট পর শুতে যান।

নিয়মগুলো মানার চেষ্টা করুন। আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

সূত্র- ওয়েবসাইট।

*অ্যাসিডিটি* *অ্যাসিডিটিসমস্যা* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান বিশ্বে সাধারণ মানুষের মধ্যে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশ প্রকট। তবে অ্যাসিডিটি কোনো রোগ নয়, খাবারের অনিয়মের কারণেই মূলত মানবদেহে অ্যাসিডিটি হয়। অ্যাসিডিটি হলে খাবার হজমে সমস্যা হয়, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হয়, ফলে পেটে ও বুকে জ্বালাপোড়া ও  ব্যথা করে, বমি বমি ভাবসহ নানা রকমের সমস্যা হয়। অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে সবাই কম বেশি ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই অ্যাসিডিটিকে দূরে রাখা সম্ভব।


১. নিয়মিত একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

২. দৈনিক  ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি খান এবং যেকোনো তরল পাণীয় ধীরে ধীরে পান করুন। তবে স্ট্র ব্যবহার করে কোনো পানীয় পান করবেন না।

৩. অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন এবং যদি তেল মশলা জাতীয় খাবার খান তবে তার ৩০ মিনিট পরে অবশ্যই পানি খাবেন এক গ্লাস।

৪. অ্যালকোহল ও চুইংগামজাতীয় খাবার সম্পূর্ণ ত্যাগ করুন।

৫. তেতো জাতীয় খাবার বেশি করে খান এবং খাওয়ার পর সম্ভব হলে পুদিনা পাতার চা পান করুন।

৬. প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে সামান্য গোল মরিচ  গুঁড়ো ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হবে।

৭. মৌরী, আমলকী এবং গোলাপফুল সমপরিমানে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিয়ে  সকাল বিকাল খেলে উপকার পাবেন।

সূত্র- ওয়েবসাইট।


*অ্যাসিডিটি* *গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *হেলথটিপস*

দীপ্তি: একটি মাঝারী আকৃতির লেবু চিপে রস বের করে নিন। এরবার লেবুর রসের সাথে আধা টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও এক কাপ পানি মিশিয়ে নিন। বেকিং সোডা ভালো করে মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। এবার মিশ্রণটি খেয়ে নিন। নিয়মিত খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় আরাম পাওয়া যায়। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথায় সাথে সাথে আরাম পেতে চাইলে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খান। কিছুক্ষণের মধ্যেই ব্যথা কম

*গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *হেলথটিপস* *হেলদিডায়েট* *অ্যাসিডিটি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গ্যাস্ট্রিক আর এসিডিটি কি একই রোগ ? এদের মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে ?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

*গ্যাস্ট্রিকসমস্যা* *মেদভুড়িসমস্যা* *হেলথটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★