গ্রহ

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গ্রহ ও উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*গ্রহ* *উপগ্রহ* *পার্থক্য*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 

মহাবিশ্বে কী আমরা একা? নাকি এই পৃথিবীর বাইরে ভীনগ্রহবাসীর অস্তিত্ব রয়েছে? এই জিজ্ঞাসা আমাদের বহুদিনের। আর এই কৌতুহলের নিরিখেই বিজ্ঞানীরা অনেকদিন ধরেই একের পর এক অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। এবার বোধহয় এই প্রশ্নের উত্তর জানতে সবচেয়ে কাছাকাছি পর্যায়ে পৌঁছে গেছেন বিজ্ঞানীরা

কারণ বিজ্ঞানীদের এ যাবত কালের অনুসন্ধানে অনেক নতুন গ্রহের সন্ধান মিললেও, এগুলোর মধ্যে থেকে কোন গ্রহটিতে প্রাণের সম্ভাবনা থাকতে পারে, সেটা বরাবরই অনিশ্চিয়তায় থেকে গেছে। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা মহাকাশে প্রাণের অস্তিত্বের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় গ্রহটির ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন। গ্রহটি হচ্ছে, কেপলার ৬২এফ।

২০১৩ সালে নাসার কেপলার মিশনে আবিস্কৃত পাঁচটি গ্রহের একটি হচ্ছে, কেপলার ৬২এফ গ্রহটি। সম্প্রতি এই গ্রহটিতে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পানির অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় আভাস পেয়েছেন।

কেপলার ৬২এফ গ্রহটি পৃথিবীর তুলনায় আয়তনে ৪০ শতাংশ বড় এবং সাম্প্রতিক গবেষণায় বিজ্ঞানীদের ধারণা গ্রহটির ওপরিভাগে সমুদ্র রয়েছে।

১২৪০ আলোকবর্ষ দূরত্বে থাকা কেপলার ৬২এফ গ্রহটিতে তাই বাসযোগ্য বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক আয়োমাবা শিল্ডস বলেন, এই গ্রহের আবহাওয়া উষ্ণ হওয়ার নানা সম্ভাবনা রয়েছে এবং সেই কারণেই গ্রহটিতে পানি থাকাও সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা এখনো এ বিষয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন। পরিবেশগত দিক থেকে পরীক্ষা চালিয়ে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাবে। তবে যেহেতু সূর্য থেকে আমাদের পৃথিবীর দূরত্ব যতটা, তার চেয়ে বেশি দূরত্ব গ্রহটির এর নক্ষত্রের চেয়ে তাই ধারণা করা হচ্ছে, এর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড রয়েছে, যা গ্রহটিতে উষ্ণ রাখবে। আর উষ্ণ হলে তরল পানির সম্ভাবনাও থাকবে।

বিজ্ঞানীরা বর্তমানে গ্রহটির আবহাওয়ার তামপাত্রা নিরূপণে কাজ করছে। পাশাপাশি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণও জানিয়ে দেবে গ্রহটিতে পানি রয়েছে কিনা এবং তা তরল নাকি জমাট বাধা। এর উপরেই প্রাণের সম্ভাবনাও নির্ভর করছে। তবে এখন পর্যন্ত গবেষণায় যেসব আভাস বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন, তাতে মনে করা হচ্ছে, মহাকাশে দ্বিতীয় পৃথিবী হয়ে উঠতে পারে এই গ্রহটিই

*গ্রহ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বড়সড় সাফল্য পেলেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ বছর ধরে লাগাতার গবেষণা শেষে সাফল্যের হাসি বিজ্ঞানীদের মুখে। পৃথিবীর বাইরেও মানব বসবাসযোগ্য তিনটি গ্রহের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। একটি নক্ষত্রকে ঘিরে ধরে ঘুরছে আবিস্কার হওয়া নতুন গ্রহগুলি। তাপমাত্রা ও আকৃতিতে গ্রহগুলি একেবারেই পৃথিবীর কাছাকাছি বলেও গবেষণায় তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আকৃতি এবং তাপমাত্রায় গ্রহগুলি পৃথিবীর কাছাকাছি হলেও এগুলি অন্তত ৩৯ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। কিন্তু আবার অন্যদিক থেকে বিবেচনা করলে এখনও পর্যন্ত সৌরজগতের বাইরে এই গ্রহগুলিই সবদিক থেকে পৃথিবীর কাছাকাছি বলে জানানো হয়েছে বিজ্ঞানীদের তরফে।


বেলজিয়ামের যে বিজ্ঞানীদল এই সন্ধান চালাচ্ছেনে, তাঁদের প্রধান মাইকেল গিলন জানিয়েছেন, পৃথিবীর বাইরে এই প্রথম রাসায়নিকের সন্ধান মিলল। সেদিক থেকে এই আবিষ্কার যুগান্তকারী। তিনি জানিয়েছেন, এতদিন গোটা ব্যাপারটাই ছিল শুধু তত্ত্বে। এই প্রথম অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গ্রহগুলির অস্তিত্ত্ব প্রমাণিত হল। যে নক্ষত্রটিকে ঘিরে ধরে এই গ্রহগুলি পাক খাচ্ছে, তা আকৃতিতে সূর্যের এক অষ্টমাংশ।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট

*আবিষ্কার* *গ্রহ*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাসমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাইএকটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। বিচ্ছিন্ন তারা ছাড়াও ছায়াপথে বহুতারা ব্যবস্থা, তারা স্তবক এবং বিভিন্ন ধরনের নীহারিকা থাকে। অধিকাংশ ছায়াপথের ব্যস কয়েকশ আলোকবর্ষ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার আলোকবর্ষ পর্যন্ত এবং ছায়াপথসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব মিলিয়ন আলোকবর্ষের পর্যায়ে।

ছায়াপথের শতকরা ৯০ ভাগ ভরের জন্য দায়ী করা হয় অদৃশ্য বস্তুকে যদিও এদের অস্তিত্ব এবং গঠন সম্পর্কে অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে। ছায়াপথের অভ্যন্তরে অতিবৃহৎ কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আন্তঃছায়াপথীয় স্থান হালকা প্লাসমা দ্বারা পূর্ণ। আমাদের পর্যবেক্ষণিক সীমার মধ্যে একশ বিলিয়নেরও বেশী ছায়াপথ রয়েছে।

*ছায়াপথ* *মহাকর্ষ* *শুকতারা* *কক্ষপথ* *সৌরজগত* *সূর্য* *গ্রহ* *উপগ্রহ*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুক্র গ্রহ ( Venus ) : খুব ভোরে সূর্য উঠার
আগে পূর্ব দিকের আকাশে যে উজ্জ্বল
জ্যোতিস্ক দেখা যায় তাকে আমরা শুকতারা
বলি। আবার কখনো সূর্যাস্তের পর সন্ধ্যার
সময় পশ্চিম দিগন্তে একটি উজ্জ্বল
জ্যোতিস্ক দেখা যায়, তাকে আমরা বলে থাকি
সন্ধ্যাতারা। শুকতারা ও সন্ধ্যাতারা আসলে
একটি বস্তুরই দু'টি আলাদা নাম এবং আসলে
এটি কোন তারা নয়, এটি একটি গ্রহ। যার নাম
শুক্র গ্রহ। ভারতীয় পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে,
দৈত্যদের গুরু শুক্রাচার্য শুক্রগ্রহে পরিণত হয়ে
যায়। এ গ্রহের আকার পৃথিবীর মতনই। পৃথিবীর
মতই এ গ্রহের ম্যান্ট সিলিকেট দ্বারা এবং
কেন্দ্রভাগ লৌহ দ্বারা গঠিত। পৃষ্ঠতলের
তাপমাত্রা 400 ডিগ্রী সেলসিয়াস হওয়ায় এটি
সৌরজগতের উত্তপ্ত গ্রহ। শুক্র গহের
মুক্তিবেগ সেকেন্ডে 6.5 মাইল হওয়ায়
শুক্রপৃষ্ঠের পুঞ্জীভূত গ্যাসের অনু পরমানুর দল
এই প্রচন্ড বেগে পালিয়ে যেতে পারেনি। তাই
এগুলো শুক্রের আবহমন্ডলে বন্দী হয়ে রয়েছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, শুক্রের আবহমন্ডলের প্রয়
সবটাই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস। এখানে
মাত্র 0.4 ভাগ অক্সিজেন গ্যাস রয়েছে।
এছাড়াও কিছু নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন,
অ্যামোনিয়া ও সামান্য কিছু জলীয়বাস্পের
অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই স্তুপকৃত গ্যাসের
মধ্য দিয়ে সূর্যালোক শুক্রগ্রহের পিঠের উপর
গিয়ে পৌঁছায় এবং তাকে উত্তপ্ত করে। কিন্তু
শুক্র গ্রহের পিঠ থেকে বিচ্ছুরিত তাপরশ্মির
বাইরে আসার উপায় নেই। ফলে এ গ্রহের পিঠের
তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। এ ঘটনাকে বলে গ্রীন
হাউজ এফেক্ট। আজ পর্যন্ত শুক্র গ্রহের
খবরাখবর জানার জন্য যেসকল মহাকাশযান
পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্যে পাইওনিয়ার ১ ও ২
এবং ভেনেরা ১১ ও ১৪ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসকল
শুক্রাভিযানের ফলেই আমরা শুক্রের বায়ুমন্ডলে
অবস্থিত গ্যাস এবং পৃষ্ঠস্থিত পাহাড়, সমতল
ভূমি, আগ্নেয়গিরি ও লাভার নদী সম্পর্কে
জানতে পেরেছি। নিজ কক্ষপথ বেয়ে সূর্যকে
একবার পরিক্রমণ করতে শুক্রের সময় লাগে 225
দিন। সূর্য থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১১ কোটি
কিলোমিটার, যা পৃথিবীর দূরত্বের ০.৭২ গুণ।
পৃথিবীর সাপেক্ষে এর অবস্থানের দরুন একে
আমাদের আকাশে সবসময় সূর্যের কাছাকাছি
দেখা যায়; সূর্য থেকে এর সর্বোচ্চ কৌণিক
দূরত্ব হতে পারে ৪৮ ডিগ্রি। শুক্র থেকে পৃথিবীর
দূরত্ব অন্য সব গ্রহের দূরত্বের মতোই
পরিবর্তিত হয়— সর্বোচ্চ ২৫.৭ কোটি আর
সর্বনিম্ন ৪.২ কোটি কিমি। ধীর প্রতীপ ঘূর্ণন
ও আবর্তন গতির কারণে শুক্রের পৃষ্ঠে এক
সৌরদিন, অর্থাৎ দুই সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী
সময়, ১১৭ ( পৃথিবীর হিসেবে )। এই গ্রহের
কক্ষপথের উৎকেন্দ্রিকতা এবং ঘূর্ণন ও
আবর্তন তলের মধ্যবর্তী কোণ দু'টোই খুব
কম, যে কারণে সেখানে বড় কোন ঋতু পরিবর্তন
ঘটে না। আসলে আমাদের সৌরজগতে শুক্রের
কক্ষপথই সবচেয়ে বেশি বৃত্তাকা

*শুকতারা* *কক্ষপথ* *সৌরজগত* *সূর্য* *মহাকর্ষ* *গ্রহ* *উপগ্রহ*

জিসান জাকারিয়া: একটি নতুন উত্তর দিয়েছে

 মহাবিশ্বের আরেক সমার্থক শব্দ কসমস। অনেকেই জানেন না এই কসমস সম্পর্কে। আমাদের অস্তিত্ত্ব, পৃথিবী, সকল গ্রহ, গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, নেবুলা, মহাজাগতিক সমস্ত কণা, ব্ল্যাক হোল বলতে গেলে পুরো মহাবিশ্ব এই কসমসের অধীনে। কসমস নিয়ে কেউ বিস্তারিত জানাতে পারবেন কি?
জিসান জাকারিয়া: বিজ্ঞানী কার্ল সেগানের কসমস নামে একটা বই পড়তে পারেন । এইটা খুবই বিখ্যাত বই । পরে কার্ল সেগান কসমস নামে একটা সিরিজ ডকুমেন্টারীও তৈরি করেন । কার্ল সেগান আপনাকে জানাবে সেই উত্তরগুলো যা আপনি জানতে চান । ব...বিস্তারিত

২ টি উত্তর আছে

*কসমস* *পৃথিবী* *গ্রহ* *নক্ষত্র* *নেবুলা* *ব্ল্যাকহোল* *পালসার* *মিল্কিওয়ে* *ছায়াপথ* *আকাশগঙ্গা*
ছবি

হুমায়ুন কবির: ফটো পোস্ট করেছে

শনি গ্রহ থেকে আমাদের পৃথিবী এবং সুপার মুন

*পৃথিবী* *শনি* *গ্রহ*

তৌফিক রুদ্র: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সৌরজগতে কোন গ্রহের বলয় রয়েছে?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*সৌরজগত* *গ্রহ* *বলয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★