গয়না

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েদের সাজের অন্যতম উপকরণ গহনা। সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে সাজের অন্যতম এই উপকরণটিতে এসেছে নানা পরিবর্তন। একসময় গহনা মানে ছিল সোনা বা রূপার কারুকাজ। চলতি ফ্যাশন দুনিয়ায় গহনা শুধু দামি ধাতু বা ডিজাইনে সীমাবদ্ধ নেই। গহনার উপকরণ এবং নকশায় বদল এসেছে অনেক। সোনা রূপা বা অন্য কোনো ধাতুর সঙ্গে অনেক আগেই রত্ন পাথর, মুক্তার ব্যবহার ছিল। এখন গহনার উপকরণে কাঠ, কড়ি, মাটি ইত্যাদিও যুক্ত হয় নিজস্ব মহিমায়। চলুন ছবিতে এমনই কিছু গহনা দেখে নেই।

বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি চলছে নেকলেস ও পেনড্যান্ট গহনা। ফ্যাশন বা যেকোন পার্টিতে এই গহনাগুলো সব সময় ফিট। একটা সময় ছিল গহনা বলতে খুব চকচকে মসৃণ কিছু বোঝা হত। হালের গহনায় চকচকে বা মসৃণ দুটোই একটা প্রকরণ মাত্র। অমসৃণ, ফিকে দেখতে ধাতুর গহনার চাহিদাও কম নয়।

চকচকে ধাতুর চেয়ে একটু অক্সাইড ধাতুই তার ভালো লাগে বেশি। তার মতে, অক্সাইড হওয়া গহনার একটা নিজস্ব সৌন্দর্য তো আছেই। এছাড়াও এটা দেখে ধাতুর বিশুদ্ধতা নিশ্চিত হওয়া যায়। আমাদের দেশীয় সুতি পোশাক, জামদানি, এন্ডি কাপড়ের সঙ্গে একটু ফিকে রংয়ের গহনাই মানায় ভালো।

নেকলেসের চল এসেছে বলে যেমন-তেমনভাবে এটি পরলেই হবে না। পরার ধরনটি ঠিক না হলে এর পুরো সৌন্দর্যই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পোশাকের নকশা ও গলার কাটিং এ ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নেকলেসের কিছু অংশ কাপড়ে ঢাকা পড়ে থাকলে মোটেও ভালো দেখাবে না। বরং পুরো নেকলেসটি ত্বকের ওপর, নয়তো পোশাকের ওপর ইয়োকের মতো বসে থাকলেই সবচেয়ে ভালো দেখাবে।

ক্যাটস আই, আরবান ট্রুথ, আইডিয়াসসহ অনেক গয়নার দোকানেও খুঁজলে পেয়ে যাবেন নেকলেস। এ ছাড়া বিভিন্ন অনলাইন শপেও এটি পাওয়া যাবে। তবে বাড়িতে বসে এক ক্লিকেই গহনা কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন আজকেরডিল.কমের ওয়েবসাইট থেকে। তাদের কালেকশনে প্রায় ১ হাজারের উপরের ডিজাইনের গহনা রয়েছে। তাই আর দেরি না করে অনলাইনে আজকের ডিল থেকে গহনা কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*গহনা* *গয়না* *গহনাফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *নেকলেস* *পেনড্যান্ট*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীদের সৌন্দর্য্যর অন্যতম একটি উপকরনণ হল গহনা। গহনা পরতে ভালবাসেনা এমন নারীদের সংখ্যা হাতে গোনা। গহনা যে ধরনের হোক না কেন নিয়মিত যত্ন নিতে হয় এর। বিভিন্ন ধরনের গহনার যত্নের ধরনটাও কিন্তু ভিন্ন ৷সোনা,রুপা,হীরা,মুক্তা গহনার উপকরণ হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।তবে বর্তমানে স্বর্ণ, রুপা, হীরার বা রুপার গহনার পাশাপাশি নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে অ্যান্টিক, মাটির গয়না, কাঠের গয়নাসহ বিভিন্ন ধরনের গহনা। তবে গহনা পরলেই হবেনা, নিতে হবে এসবের বিশেষ যত্ন। বর্ষায় গহনার বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন ৷গহনা এইসময় বিশেষ বাক্সে রাখবেন এবং তা পরিষ্কার করার জন্য কোনও পেপার টিস্যু ব্যবহার করা উচিত নয় ৷

থাকছে গহনার যত্ন নিয়ে বিশেষ কিছু টিপস।

সোনার গহনা: সোনা অনেক দিন পুরোনো হয়ে গেলে এর উজ্জ্বলতা কমে যায়। উজ্জ্বলতা বাড়াতে একটি পাত্রে পানির মধ্যে একটু ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে তার মধ্যে স্বর্ণের গয়না একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে, টুথব্রাশ দিয়ে সাবধানে হালকাভাবে ঘষে নিন। দেখবেন আপনার স্বর্ণের গহনা আবার নতুনভাবে উজ্জ্বলতা ফিরে পেয়েছে। এরপরও যদি কালচে ভাব থেকে যায়, তাহলে স্বর্ণের দোকানে নিয়ে পলিশ করাতে পারেন। কিন্তু বারবার পলিশের ফলে স্বর্ণের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। সোনার গহনা সামান্য আঘাতে বেঁকে যায়। তাই এ দিকটি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। 

পাথরের গহনা: ভারী কুন্দন, পাথর বসানো গহনা গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে ঘষে পরিষ্কার করলে গয়না ঝকঝকে হয়ে উঠবে। দামি পাথর বসানো গয়না পড়ে খেলাধুলা বা ভারী কাজ করা ঠিক না।

গোল্ড প্লেটের গহনা: স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে গোল্ড প্লেটের গহনার ব্যবহার বাড়ছে। এই গহনা ব্যবহার শেষে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে যত্ন করে রাখতে হবে। গোল্ডপ্লেটের গয়না ব্যবহারের সুবিধা হচ্ছে কালো হয়ে গেলে স্বর্ণের দোকানে নিয়ে গেলে আবার রং করিয়ে নেওয়া যায়। রং করার পর নতুনের মতো দেখাবে।

অ্যান্টিক মেটালের গহনা: অ্যান্টিকের গহনা ব্যবহার না করলে বর্ণহীন দেখায়, তবে একফালি লেবু নিয়ে গয়না ঘষে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে গয়না ঝকঝক করবে।

হীরার গহনা: হীরার গহনা পরিষ্কার করতে হলে একটু টুথপেস্ট ব্রাশে নিয়ে ঘষে, পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর পরিষ্কার করে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে। হীরার গহনার যত্ন নিলে নতুনের মতো দেখায়। স্বর্ণ, রুপা, হীরা ও মেটালের গহনা একই বাক্সে রাখা উচিত না। আলাদা আলাদা বক্সে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে।

রুপার গহনা: রুপার গহনা তার ভৌত কারণে এমনিতেই ক্ষয়প্রবণ,তাই এর দরকার সময়ে সময়ে পরিস্কার করার৷রুপো আবহাওয়ার আদ্রতার কারণে অন্যান্য ধাতুর তুলনায় খুব তাড়াতাড়ি জেল্লা হারিয়ে ফেলে ৷ তাই রুপোকে সবসময় আদ্রতা প্রতিরোধকারী পাত্র বা কন্টেনারে মধ্যে রাখা উচিত ৷

প্রবাল ও মুক্তার গহনা: প্রবাল ও মুক্তার গহনার বিশেষ যত্নের দরকার হয়৷ হেয়ার স্প্রে ও পারফিউম থেকে প্রবাল ও মুক্তোর গহনাকে দূরে রাখবেন ৷ কারণ এইগুলোর স্প্রে এই গহনায় লাগলে তার জৌলুস নষ্ট হয়ে যায়,অনেকক্ষেত্রে গহনাটাও নষ্ট হয়ে যায় ৷ মুক্ত এমনিতেই খুব ডেলিকেট হয়, তাই এর ঠিকমতো দেখাশোনা করা না হলে খুব সহজেই এটার স্ক্যাচ পরে যায়৷ তাই মুক্তার গহনা ব্যবহার করার পর আপনারা নরম প্যাকেট বা প্ল্যাস্টিকের ব্যাগে যত্ন-সহকারে রাখবেন ৷


তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনারা গহনার ধরণ অনুযায়ী বাক্স বাছাই করেন ৷ রপো, সোনা, হিরে, মুক্তার গহনা এক জায়গাতে না রাখাই ভালো ৷ এতে গহনাগুলির পরস্পর ঘষাঘষিতে উজ্জ্বলতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ৷গহনা ব্যবহারের পর ভালভাবে পরিস্কার করে রাখুন। মেক আপ করার পর গহনা পরিধান করুন। যেন মেক আপের উপকরণ গহনায় না লাগতে পারে। একটু যত্ন নিলেই আপনার গহনা উজ্জল থাকবে অনেক দিন।

*বর্ষাকাল* *গহনা* *গয়না* *গহনারযত্ন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গয়না ছাড়া কি পূর্ণতা পায় পূজার সাজ। পূজার পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে থাকতে হবে গয়না, তবেই না পূর্ণ হবে পূজার  সাজ।পূজা প্রায় আসন্ন হওয়াতে এখন চলছে গয়না বা অলঙ্কার কেনার পালা। নারীদের প্রধান অনুষঙ্গ অবশ্যই গয়না। শপিংমলগুলোতে পাবেন ইমিটেশন জুয়েলারির বিশাল কালেকশন। এখানেও পুঁতির নানা ধরনের গয়না পাবেন। লম্বা মালা, চিক, দুল, চুড়ি থেকে শুরু করে কোমরবন্ধ পর্যন্ত পাবেন পুঁতির তৈরি। তবে এসব গয়না খুবই আকর্ষণীয়। যারা একটু অন্য রকম গয়না কিনতে চান, তারা কিনতে পারেন পুঁতির কালেকশন থেকে। চেইনের মতো লম্বা মালা এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দুই বা তিন লহরের মুক্তা বা পুঁতির একপাশে গোল্ডের ডিজাইন করা লকেটের মতো লম্বা মালাগুলোও এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে স্বর্ণের অলঙ্কারের মধ্যে আংটি, কানের দুল, লকেট, ছোট সেটগুলোই ক্রেতারা বেশি কিনে থাকেন।

(আজকের ডিলের সকল প্রকার গয়নার কালেকশন দেখতে ও কিনতে উপরের ছবিতে ক্লিক করুন)

গয়নার রং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বর্তমানে যেসব রং বেশি চলছে তার মধ্যে আছে ‘অলিভ, গোল্ডেন হলুদ, জাম, লাল, কমলা, মেরিগোল্ড, মেরুন, সাদা, অফহোয়াইট, কালো, পিচ, পেঁয়াজ, কাঁঠালি হলুদ, বটল গ্রিন, নীল, সবুজ, ফিরোজাসহ আরও অনেক ধরনের রং। বর্তমান গয়নার ডিজাইন শুধু নান্দনিক দিকটি ফুটে ওঠে না। একেকটি গয়না যেন সৃজনশীলতার প্রকাশ। এবারের ঈদে লম্বা কামিজ বেশ জাঁকিয়ে এসেছে। এই লম্বা কামিজের সঙ্গী হচ্ছে লম্বা লম্বা কানের দুল। সোনা, রুপা, ব্রাসো, কাঠ, কড়ি, পুঁতি উপাদান যা-ই হোক, ফ্যাশন কিন্তু একটাই লম্বা দুল।

কানের দুল, গলার মালা বা গয়না, যা-ই বলি না কেন, কয়েক পরতের ডিজাইন অথবা একটু বড় ডিজাইন, এই হলো এবারের পূজার গয়নার ফ্যাশন। কানের দুলে যেমন থাকছে লম্বাটে ভাব, তেমনি গলার গয়না হতে পারে ছড়ানো, লম্বাটে লকেট অথবা তিন, পাঁচ, সাত লহরের মালা। হাতে ব্যাঙ্গেলস বা বালার ব্যবহার তো এখন হাই-ফ্যাশন। শুধু এক রঙের একটি বালাতেই হবে না, চাই তিন-চার রকমের, তিন-চার রঙের বালা।


এবারের পূজা ফ্যাশনে গয়না হবে মূলত দুই ধারার। ফ্যাশন বা কস্টিউম গয়না এবং গতানুগতিক গয়না। গয়নাতেও এবার প্রাধান্য পেয়েছে একটু বড় ডিজাইন। একটির সঙ্গে আরেকটি উপাদান মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে কানের দুল ও গলার গয়না। বাজাওে এবারের গয়নাসম্ভারে প্রতিটি গয়নাই স্বতন্ত্র নকশার। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে হয়তো একটি কানের দুল পরলেই পরিপূর্ণতা পাবে সাজ। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে জুয়েলারিতে। ব্যবহার করা হয়েছে ব্রাসো, সিরামিক, কাঠ, সুতা, পুঁতি, কড়ি, রাদ্রা। আর বিশেষভাবে ব্রাসোতে খোদাই করা কাজ, যা 'ছিলার কাজ' নামে পরিচিত তা বেশ প্রাধান্য পেয়েছে। রুপার কানের দুলে বরফি, চার কোনা, গোলাকার এই ধরনের আকৃতি প্রাধান্য পেয়েছে। সোনার গয়নায় মেশানো হয়েছে পুঁতি ও পাথর।

তামাটে বা অক্সি রঙে থাকলেও অনেক বেশি প্রাধান্য পেয়েছে ব্রাসোতে সোনালি রঙের গয়না। কানের দুলেও ঝুলানো নকশার গয়না বেশি দেখা যাচ্ছে। উপাদান যা-ই হোক, ব্রাসো কিংবা সোনা এগুলো হবে রত্নখচিত। কখনো দামি পাথর আবার কখনো ফ্যাশন পাথরই হবে এবারের ফ্যাশনের ধারা। সব সময়ের মতো এবারের পূজার  গয়নাতেও অনেক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে গোল্ড প্লেটেড গয়না। এবারের পূজার  গয়নার বেশির ভাগ নকশাই পুরনো আমলের। অনেকটা মোগল সময়ের নকশা। আর এই নকশায় প্রাধান্য রয়েছে সোনালির পাশাপাশি কপার বা অ্যান্টিক রঙের। পাথরের ক্ষেত্রে পলকি কুন্দনের পাশাপাশি থাকছে ডায়মন্ড ডাস্টের ব্যবহার।


কস্টিউম বা ফ্যাশন জুয়েলারির ক্ষেত্রে কমলা, মিষ্টি গোলাপি ও হলুদ এই ধরনের সব রং ফ্যাশন। মালা বা দুলের পাশাপাশি হাতের বালা ও আংটিও এবারের ফ্যাশন ট্রেন্ড। পাথরের ক্ষেত্রে সব সময়ের মতো এবারও প্রাধান্য পাবে গার্নেট। পূজা এলেই সোনা কিনতে হবে। এমন ধারণা এখন অনেকের মধ্যেই কমতে শুরু করেছে। তার পরও সোনার গয়নার চাহিদা লক্ষ্য করা যায় ঈদ এলেই। এবারের পূজাতে  তাই সোনার নকশায় পুরনোর ছোঁয়া এসেছে। হীরার গয়নাও কয়েক বছর ধরে নজর কেড়েছে বাঙালির। ছোট ছোট নকশার হীরার গয়না এখন ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

(কন্টেন্টের গয়নাগুলো কিনতে ছবিগুলোতে ক্লিক করুন)

যেসব শোরুমে নিজস্ব ডিজাইনের গয়না পাওয়া যাবে তার মধ্যে আছে অঞ্জন’স, কে ক্র্যাফট, দেশাল, নিপুণ, বাংলার মেলা, পিরান অন্যমেলা, নিত্যউপহারসহ আরও বেশকিছু ব্রান্ড আইটেমের দোকান। এছাড়া চাঁদনিচক, গাউছিয়া, নিউমার্কেটে পাওয়া যায় ইমিটেশনের গয়না। অন্য দিকে ফুটপাথেও রয়েছে গয়নার বিশাল সম্ভার। চুলের কাঁটা থেকে শুরু করে পায়ের নূপুর পর্যন্ত সবই পাবেন এসব দোকানে। দামও হাতের নাগালেই। ডিজাইনেরও কমতি নেই। তাই অনেকে এখান থেকেও কিনতে পারেন পছন্দের গয়না। পাবেন অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও, তাই এই গরমে ভিড় ঠেলে শপিংয়ে যেতে না চাইলে আজকের ডিলের গহনার সম্ভার থেকে দেখে শুনে পছন্দমতো গয়না অর্ডার করুন।

*ঈদফ্যাশন* *গয়না* *গহনা* *অলংকার* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুব সাধারণ ও হালকা সাজে আভিজাত্য আনতে চাইলে মুক্তার গয়নার কোনো জুড়ি নেই। এই উপমহাদেশে অনেক বছর ধরেই মেয়েরা মুক্তার গয়না পরে আসছেন। ছিমছাম, কিন্তু অভিজাত, যা সবাইকে প্রায় সব পোশাকের সঙ্গেই মানায়, একবাক্যে এভাবেই মুক্তার গয়নার বৈশিষ্ট্য বলে দেওয়া যায়। আগে এর সঙ্গে সোনাই বেশি ব্যবহৃত হতো। আশির দশকের শেষে দিকে ও নব্বইয়ের শুরুতে মুক্তার সঙ্গে রুপার ব্যবহার শুরু হলো। এরপর দিনে দিনে মুক্তার সঙ্গে আরও নানা রকম উপাদান দিয়ে গয়না তৈরির চল এসেছে।
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l  এখনো নানাভাবে এটি উপস্থাপিত হচ্ছে। তবে এখনো রয়ে গেছে এক লহরের মুক্তার মালা ও কানে ছোট টপ পরার চল। মুক্তার ছোট মালা ও টপ মানিয়ে যায় ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, কামিজ এমনকি আনুষ্ঠানিক সাজে পশ্চিমা ঘরানার পোশাক ব্লেজার কিংবা কোটের সঙ্গেও। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে কয়েক রঙের মুক্তার গয়নাও আজকাল পরতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের। মুক্তার আসল রং চাপা সাদা, কিছু মুক্তা আছে, যার মধ্য থেকে হালকা গোলাপি অথবা বেগুনি একটা আভা আসে। তবে এখন প্রযুক্তির বদৌলতে একে কালো, সোনালি, লাল, সবুজ, ধূসর—ইচ্ছেমতো রঙ্গে রাঙানো যাচ্ছে। 
 
 
 
কিনতে ক্লিক করুন l তবে যত যা-ই হোক, প্রাকৃতিক রঙে মুক্তার যে রূপ, তার আবেদন অমলিন। সব রঙের পোশাকের সঙ্গেই এটি মানানসই। মুক্তার আংটি, কয়েক লহরের মালা, প্যাঁচানো মালা ও কানের ছোট টপ এখন বেশ চলছে। এ ছাড়া দেখা যাচ্ছে মুক্তার পেনডেন্ট ও টাইনি বা খুব ছোট দানার মুক্তার মালা। লম্বা গলার মেয়েদের ছোট মালা ও ছোট গলায় লম্বা মালা পরলে ভালো দেখাবে। কোন পোশাকের সঙ্গে কেমন গয়না মানাবে, তা পুরোপুরি নির্ভর করবে পরিবেশ ও ব্যক্তিত্বের ওপর। 
 
 
 
আসল মুক্তা চিনতে
বিশেষজ্ঞরা জানালেন আসল মুক্তার গায়ে কখনো আঁচড় পড়বে না। আগুনের সংস্পর্শে আনলেও এটির রঙে কোনো পরিবর্তন আসবে না। নকল মুক্তার গায়ে দানা দানা দাগ দেখা যেতে পারে। আসল মুক্তা বেশি দীপ্তিমান ও গোল হয়। পরার পর মুছে পরিষ্কার পাতলা কোনো সুতির কাপড় দিয়ে মুড়ে রাখলে আসল মুক্তার গয়না নষ্ট হবে না।
 
 
 
মুক্তার গয়নার দাম
মুক্তার গয়নার দাম নির্ভর করে এর মান ও দানার আকারের ওপর। চাইলে আলগা মুক্তা কিনে নিজেও গয়না বানাতে পারবেন। এ ছাড়া অনেক দোকানে নকশা দেখিয়ে দিলে তারা কারিগর দিয়ে তা তৈরি করে দিতে পারবেন।
*মুক্তারগহনা* *মুক্তারগয়না* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আংটির প্রতি মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। আংটি এমন একটি অলঙ্কার যে নারী-পুরুষ সবাই এটা হাতে পরতে পারেন। বিয়েতে তো বটে, বিগত কয়েক হাজার বছর ধরে এটি পুরুষদের ফ্যাশন স্টেটমেন্টের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে। কখনও সেটা সম্পত্তির আড়ম্বর, কখনও বা সেটা একটি মেসেজ বহন করে। হাতের গয়না বলতে এখন নজর কাড়ছে আংটিই। 
 
 
হালের ফ্যাশনে একটু বড় ও অসমান বা আঁকাবাঁকা আকৃতির আংটির চল এসেছে। কুর্তা বা ফতুয়ার সঙ্গে এ ধরনের আংটি বেশ মানিয়ে যায়। পরা যেতে পারে শাড়ি বা কামিজের সঙ্গেও। তবে দেশি পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী নকশার বড় আংটিই বেশি মানানসই। পোশাকের রঙের সঙ্গে না মিলিয়ে বরং বিপরীত রঙের পাথর ও নকশার আংটি পরলেই বেশি ভালো দেখাবে। 
 
 
এ ক্ষেত্রে যেহেতু আংটিটাই বেশি দৃষ্টিগোচর হবে, তাই হাতে মোটা বালা, চুড়ি বা অন্য কিছু না পরাই ভালো। আর পরলেও তা হতে হবে খুব সাধারণ ও ছিমছাম। তবে চাইলে অন্য হাতে বালা অথবা ঘড়ি পরা যেতে পারে। অন্য সময় অনামিকাতে পরা হলেও আকারে বড় হওয়ায় এ ধরনের আংটি মধ্যমা, অর্থাৎ মাঝের আঙুলে পরা উচিত। কারণ, এটি দুই পাশের দুই আঙুলেরও কিছু অংশ ঢেকে রাখে।
 
 
গয়না ও পোশাক দুটিই জমকালো নকশার হলে ভালো দেখায় না। তাই পোশাক ও অনুষঙ্গের মধ্যে সব সময় ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। একটি জমকালো হলে আরেকটি হওয়া চাই ছিমছাম। লম্বা আঙুলে এ ধরনের আংটি দেখতে খুব সুন্দর। যাদের হাত বেশি রোগা এবং আঙুলগুলো ছোট, তাঁদের বড় আংটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। কাঠের বড় আংটিগুলো দেখতে ভারী মনে হলেও তা আসলে অনেক হালকা। আকারে বড় হলেও যেন কাজের সময় অসুবিধা না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই আংটিগুলোর নকশা করা হয়েছে। শাহিদার মতে, পশ্চিমা ধাঁচের পোশাকের সঙ্গে নতুনত্ব আনতে এ রকম বড় ও ভিন্নধর্মী নকশার আংটি পরা যেতে পারে। চুড়ি বা ব্রেসলেটের বদলে আংটিতেই এখন বেশি স্টাইলিশ দেখাবে।
 
 
কোন পোশাকের সঙ্গে কী ধরনের আংটি ভালো দেখাবে, তা নির্ভর করে পোশাক ও আংটির নকশার ওপর। আজকাল অনেককে ফাংকি টাইপের কিছু আংটিও পরতে দেখা যাচ্ছে। অনলাইন দোকান অরেঞ্জ থিওরির সংগ্রহে আছে বেশ মজার ও ভিন্নধর্মী কিছু আংটি। এ ধরনের আংটিগুলো বেশির ভাগই গোল, বরফি, তিন কোনা ও ডিম আকৃতির। এতে ধাতু ও রং-চঙে পাথরই বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এগুলো পাওয়া যাচ্ছে বিবিয়ানা, আড়ং, রঙ, অঞ্জনস, আইডিয়াস ইত্যাদি ফ্যাশন হাউসে। এ ছাড়া পাওয়া যাবে অনলাইন শপ আজকের ডিলেও। 
 
 
 
 
অনামিকায় নয়, আংটি এখন পরা হচ্ছে হাতের সব কটি আঙুলেই।
ছোট্ট পাথর বা মুক্তা বসানো সোনার আংটির চলও কমে গেছে।
এর বদলে দেখা যাচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, মিনা করা ও পাথরে নজরকাড়া নকশার বড় আংটি।  
 
 
চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন আঙুলে পরা আংটি কোন স্টেটমেন্ট বহন করে।
 
 
বুড়ো আঙুল: সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। আপনিও পরতে পারেন তবে খেয়াল রাখবেন, আংটি যেন বিরাট আকৃতির না হয়। এমনিতেই সব থেকে মোটা আঙুল এটি। তার ওপর যদি পাথর দেওয়া মোটা আংটি হয়, তবে দেখতে খুবই বেমানান মনে হতে পারে। 
 
 
কড়ে আঙুল : সাধারণ যাঁরা রিং পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য কড়ে আঙুলে আংটি পরাই আদর্শ। এ আঙুলে আংটি পরার আরও কয়েকটি সুবিধা রয়েছে। সাধারণত, এ আঙুলের আংটির পরার সঙ্গে বিশেষ কোনও রীতি জড়িয়ে নেই। তাই ইচ্ছে হলে পরে ফেলুন। তাছাড়া, এই আঙুলে আংটি থাকার দরুণ ভারি কাজ করার সময় বিশেষ কোনো সমস্যা হয় না। 
 
অনামিকা আঙুল: সাধারণত ডান বা বাঁ হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এমন রীতি তৈরি হয়েছে। 
 
মধ্যমা আঙুল: হাতের সব থেক বড় আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলে, যাঁরা প্রথমবার আংটি পরেন, তাঁরা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে 'ম্যানলি' লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো। 
 
তর্জনী আঙুল: বুড়ো আঙুলের পরে আমাদের দৈনন্দিন কাজে যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ পুরুষই ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন পুরুষরা। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ।
 
আংটি বরাবরই ফ্যাশনের একটি বিশেষ অনুষঙ্গ। ডিজাইনের বাহার না থাকলেও আগেকার দিনে নারীরা আংটি ব্যবহার করতেন। হালফ্যাশনে ডিজাইনের সঙ্গে পরিবর্তন এসেছে আংটি পরার ধরনে। 
 
অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে কিনতে পারেন নানান ডিজাইন অার শেপের ফিংগার রিং আজকের ডিলের বিশাল কালেকশন থেকে।
*আংটি* *গহনা* *গয়না* *অলংকার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পায়ের সাজে গয়নার প্রচলন বহু দিনের। আজও সেই প্রচলন শেষ হয়ে যায়নি । আপনিও আপনার পা জোড়াকে সুন্দর কিছু অলংকারে সাজিয়ে সবার সামনে উপস্থাপন করতে পারেন আকর্ষণীয় ভাবে। এতে নিজের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। এ জন্য যে খুব বেশি সময় খরচ করতে হবে তা কিন্তু নয়। বরং নিজের জন্য সপ্তাহের কিছুটা সময় বরাদ্দ করে নিন। টুকটাক যত্ন নিয়ে খানিকটা সাজিয়ে রাখুন আপনার পদযুগল। 
 
 
 
বসনের ঐশ্বর্য যেমনই হোক সাথে মানানসই অলংকার যেন নারীদের অহংকারের অংশ। রূপসজ্জ্বায় যুগে যুগে তাই গয়না ছিল নারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। শরীরের নানা অংশে নানা আকৃতির গয়নার প্রচলন আছে আমাদের এই দেশে। এসব গয়না প্রতিটি নিজের জায়গা থেকে স্বকীয়। কিন্তু সারা গায়ে ভর্তি গয়নার মাঝে একজোড়া গয়না থাকে যা কিনা বেজে চলে রিনঝিন সুরে। সেটি নূপুর। 
 
 
নিটোল পায়ে একজোড়া নূপুর রমণীর পায়ে রিনঝিন সুরে মাতিয়ে তুলতে পারে জগৎ সংসার। রমণীর পায়ের নূপুর কখনো সুর তোলে তার মনের আনন্দ কথার। আবার বিষাদের সময়ও নূপুর বেজে চলে বেদনার সুরে। রবীন্দ্রনাথের গল্প-উপন্যাস থেকে শুরু করে এযুগের আধুনিক মেয়ে সবারই পদযুগল সাজায় নূপুর। হাঁটতে গেলে আওয়াজ করে এমন গয়না হওয়াতে অনেক বাঙালি বাড়িতে একসময় নূপুর ছিল নিষিদ্ধ। একটা সময় ছিল যখন নূপুরের জায়গা ছিল শুধুমাত্র নৃত্যশালায়। ধীরে ধীরে নূপুর উঠে এসেছে বাঙালিদের ঘরে ঘরে। 
 
 
পায়ের অন্যান্য অলংকারঃ রুপার আংটি আর রুপার মলের চল এখনও রয়েছে ছোট বা বড় উৎসবভেদে সব সময় এ ধরনের অলংকার মেয়েরা পায়ে পরে থাকেন। তবে এখনকার তরুণীদের হাই ফ্যাশনের তালিকায় আছে মেটাল, সুতা, পুঁতির তৈরি ম্যাচিং কন্ট্রাস্ট মল। যেগুলো তাঁরা কখনো জোড়ায় জোড়ায় পরছেন, আবার কখনো তপুর গানে সাড়া দিয়ে এক পায়ে পরছেন। যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই চলতে পারে এ ধরনের মেটালের পায়েল। তাই তরুণীরা এগুলো বেশ পছন্দ করছেন। 
 
ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে মধ্যবয়সী সবার পায়ে এখন নূপুর সাজে। হাল সময়ে নুপুরের জনপ্রিয়তা বুঝি একটু বেশিই বেড়ে গেছে। এর কারণ হলো পরিধানের পোশাকে কিছুটা পরিবর্তন। মেয়েদের সালোয়ার, প্যান্ট, জিনস সবকিছুই এখন দৈর্ঘ্যে কিছুটা সংকুচিত। ফ্যাশনের এই নতুন ধারায় গা ভাসিয়েছেন সবাই। জিনস্‌টাকে গুটিয়ে উপরে তুলে রাখা, সালোয়ার একটু খাটো করে তৈরি করা, আর থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পরা এসবকিছুই এখন ফ্যাশনের অংশ। আর যেখানে পায়ের অনেকটা অংশই উন্মুক্ত সেখানে খালি পা সাজাতে একচিলতে নূপুর না হলেই নয়।
 
নূপুরের ধরনঃ একসময় নূপুর দু’পায়ে একই ডিজাইনে জোড়া বেঁধে পরার রেওয়াজ থাকলেও হাল ফ্যাশনে নূপুরের আচরণটা কিন্তু একটু ভিন্ন। এখন এক পায়ে পাঁচ ছয়টা নূপুর ঝোলানোও স্টাইলের পর্যায়ে পড়ে। নূপুরের এক পায়ে উঠে আসার স্টাইলটা ঢাকাতে পুরনো। চিকন, সুক্ষ্ম কাজের এসব নূপুর অনেকেই ২/৩টা পেঁচিয়ে পায়ে জড়িয়ে থাকেন। তৈরি উপকরণের হিসেবে নূপুর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। স্বর্ণের দাম আকাশচুম্বি হওয়াতে সোনার নূপুর এখন অনেকটাই উপন্যাসের পাতায় ঠাঁই পেয়েছে। আর সেখানে জায়গা করে নিয়েছে রুপা, ইমেটেশন সহ আরো নানা উপকরণের নূপুর। ঢাকাতে স্বর্ণের নূপুরের তুলনায় ইমেটেশনের নূপুরই বেশি জনপ্রিয়। খুব জমকালো নূপুরের ডিজাইনের প্রচলন এখন আর নেই বললেই চলে। এখন নূপুরের স্টাইলটা খুব হালকা ধরনের। সাথে থাকতে পারে পুঁতি, স্টোন, কৃত্রিম মুক্তা আর ইমেটেশনের নানান ইলাস্ট্রেশন। এছাড়া স্বর্ণের নূপুরগুলোও ডিজাইনে অনেকটাই হালকা হয়ে এসেছে। কিছু পুঁতি আর মিনার কাজ করা নূপুর মানিয়ে যাবে যে কোন পোশাকের সাথে।
 
কোথায় পাবেন নূপুরঃ যদি স্বর্ণ কিংবা রুপার নূপুর কিনতে হয় তাহলে যেতে হবে সোনারুর দোকানে। ঢাকার চাঁদনী চক, মৌচাক, তাঁতিবাজার, বাইতুল মোকাররম আর বড় সবগুলো শপিং মলেই আছে কম বেশি স্বর্ণের দোকান। যেখানে স্বর্ণ বা রুপার নূপুর কিনতে পাওয়া যাবে। এছাড়া ক্যাটালগ দেখে কিংবা নিজের ডিজাইন অনুযায়ী অর্ডার করেও তৈরি করতে পারেন নূপুর। সেজন্য যেতে পারেন বাইতুল মোকাররম কিংবা তাঁতিবাজার এলাকায়। যদি ইমিটেশনের নূপুর কিনেত হয় যেতে পারেন ঢাকার যে কোন শপিং মলগুলোতে। সব শপিংমলই কম বেশি ইমেটেশনের গয়নার দোকান থাকে। তবে যারা নূপুরে বিশেষ ধরনের স্টোন বা ডিজাইন ব্যবহার করতে চান তারা যেতে পারেন বসুন্ধরা সিটির নিচতলায় ইরানি ইম্পোরিয়ামে। এছাড়া ঢাকার অন্যতম প্রসিদ্ধ ইমেটেশন গয়নার দোকান জেমস্‌ গ্যালারির প্রায় সবগুলো শাখাতেই পাওয়া যাবে নানান আকৃতি ও উপকরণের নূপুর। ইমেটেশন আর স্বর্ণ এর মাঝামাঝিও এক ধরনের নূপুর বাজারে এখন জনপ্রিয় এটি হচ্ছে রুপার নূপুরের উপরে স্বর্ণের ইলেক্ট্রোপ্লেটিং পদ্ধতিতে প্রলেপ দেয়া। এই ধরনের গয়না খুব সহজে রং নষ্ট হয় না পাশাপাশি দামেও তুলনামূলকভাবে স্বর্ণের গয়না থেকে অনেকাংশেই কম। নূপুর যেমনই কিনুন না কেন খেয়াল রাখবেন খুব বিরক্তি শব্দ তৈরি করে এমন নূপুর পায়ে না ঝোলানোই ভালো। পাশাপাশি কেনার সময় দেখে কিনুন আপনার পায়ে যেন নূপুরটি আটসাট হয়ে অস্বস্তিকর ভাব তৈরি না করে। এছাড়া আজকের ডিল তো আছেই।
 
অন্যান্য অলংকার কোথায় পাবেনঃ পায়ের সাজে রুপার পায়েল আর আংটি কিনতে পাওয়া যায় আড়ংয়ে এবং চাঁদনী চকে বা রুপার দোকানগুলোতেও। রুপার গয়নার দাম নির্ভর করে ওজন ও নকশাভেদে। এ ছাড়া পিরান, যাত্রা, দেশাল,মাদুলি, বিবিয়ানায় পাওয়া যায় মেটাল, পুঁতি বা সুতার পায়েল। এগুলোর দাম ৫০ থেকে ২৫০-এর মধ্যে জোড়া। আবার বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে দেখা যায়, পুঁতির পণ্যের পসরা সাজিয়ে নারীরা জোড়া ১০ টাকায় বাহারি রঙের পায়েল বিক্রি করছেন। এ ছাড়া নেইল পেইন্ট, স্টোন বা প্লাস্টিকের আংটি এবং ইমিটেশন পায়েল পাওয়া যায় বড় বড় শপিং মলে। সুন্দর করে পা সাজিয়ে ঢেকে রাখলে চলবে না। পরতে হবে চুড়িদার পায়জামা বা চাপা জিন্স, সঙ্গে ফিতে বাঁধা চটি স্যান্ডেল। তবেই না পায়ের সাজ ভালো দেখাবে। আজকের ডিল তো আছেই। ক্লিক করুন এখানে
 
*পায়েল* *নূপুর* *পায়েরসাজ* *গহনা* *গয়না*
শপিং

যারিন তাসনিম: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

দাম: 950
http://www.sheraponno.com/thai-perl-necklace

অরিজিনাল থাই পার্ল নেকলেস Hotline: 01788888600 bKash: 01788888599

*জুয়েলারী* *গয়না* *নেকলেস*
১৪৮বার দেখা হয়েছে

শপিং

যারিন তাসনিম: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

950
http://www.sheraponno.com/thai-perl-necklace

অরিজিনাল থাই পার্ল নেকলেস Hotline: 01788888600 bKash: 01788888599

*জুয়েলারী* *গয়না* *নেকলেস*
১৬৮বার দেখা হয়েছে

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের আয়োজনের সবশেষ কেনাকাটায় ব্যস্ত এখন নগরবাসী। বছর ঘুরে সব আয়োজনের মিলনমেলা ঘটায় ঈদ। তাই খুশির ঈদে যেন কোনো কিছুর অভাব না থাকে। সে দিকেই এখন লক্ষ্য সবার। কেনা হয়েছে ঈদের পোশাক। তাতেই কি শেষ ঈদের কেনাকাটা।

তা কী করে হয়, এখনও যে বাকি পোশাকের সঙ্গে মিল করে গহনা কেনা। হ্যাঁ ঠিক তাই, ঈদের আয়োজনে মেয়েদের কেনাকাটার বড় অংশজুড়ে থাকে গহনা। তাই কেনাকাটা শেষ হলেও এখন ভিড় বাড়ছে গহনার দোকানগুলোতে।

গহনার কেনাকাটা সাধারণত একটু দেরি করেই করে মেয়েরা। পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে পরা হয় গহনা। তাই পোশাক কেনার পর ঠিক হয় গহনা কেনার লিস্ট। ঈদে মেয়েদের সাজের সবচেয়ে বড় সঙ্গী গহনা। নারী সৌন্দর্য প্রকাশের এক নীরব ভাষা এটি। ঈদে পোশাকের সঙ্গে মেয়েদের গহনা নিয়ে থাকে নানা আয়জন। ঈদ পোশাক যাই হোক তার সঙ্গে মিল করে চাই গহনা। তাই প্রতিবারের মতোই এবারের ঈদেও গহনার জনপ্রিয়তা পৌঁছে গেছে সব ছাড়িয়ে। শাড়ি, থ্রি-পিস ও অনান্য পোশাকের সঙ্গে গহনা যোগ করে বাড়তি সৌন্দর্যের মাত্রা। মেয়েরা প্রায় সব ধরনের গহনাই পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই নগরীর ফুটপাত থেকে শুরু করে সব দোকানে গহনার পসরা বসে গেছে ঈদকে কেন্দ্র করে।

এবারের ঈদ বাজারে পোশাকের পাশাপাশি এসেছে বাহারি সব গহনা। তবে স্বর্ণ কিংবা রুপার চেয়ে কাটতি বেশি ডায়মন্ডকাট স্টোনের নেকলেস ও গোল্ড প্লেটের ওপর কাজ করা রাজস্থানি, জয়পুরি ও কাশ্মীরি গহনার। রয়েছে ইমিটেশন ও রুপার গোল্ড প্লেটের তৈরি নানা ডিজাইনের গহনা। ঈদকে কেন্দ্র করে এসেছে বিভিন্ন ডিজাইনের হালকা রঙের কোরিয়ান নেকলেস সেট, লকেট, নাকফুল ও চুড়ি। থাইল্যান্ডের সিরামিক কাজ করা আংটি ও ব্রেসলেট। ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি, জয়পুরি, রাজস্থানির বাহারি হার ও ঝুমকার চাহিদা বেশি ঈদকে ঘিরে। অনেকেই ঈদকে কেন্দ্র এক্সক্লুসিভ সাজের জন্য পরতে চান স্বর্ণ আথবা ডায়ামন্ডের ভারি গহনা। পরতে চান পোশাকের সঙ্গে মিল করা ডিজাইনের গহনা। তাই ঈদের বেশ কিছুদিন আগেই ভিড় করছেন অর্ডারের গহনা দোকানগুলোতে পচ্ছন্দমতো ডিজাইনের গহনা বানানোর জন্য। এবারের ঈদে স্বর্ণের চেয়ে ডায়ামন্ডের চাহিদা বেশি। বিভিন্ন ডায়মন্ড পাথরে তৈরি হালকা রঙের নেকলেস সব পোশাকের সঙ্গে মিল করে পরা যায়। এসেছে পার্লসের সঙ্গে স্বর্ণ দিয়ে কাজ করা গহনা। নানা রঙের পালর্সের সঙ্গে হালকা স্বর্ণ দিয়ে ডিজাইন করা নেকলেস, ঝুমকা। কখনও কখনও কান-গলা-হাতের জন্য সেট করে করা হয় এসব গহনা। স্বর্ণের ওপর ডিজাইন করা হয়েছে নানা রঙের স্টোন দিয়ে। যারা স্বর্ণ-রূপার বাইরে ভিন্ন ধরনের গহনা পরতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এবারের ঈদে এসেছে কাঠ, সুতা, সিরামিক, মাটি, ও কাচের তৈরি নানা ডিজাইনের গহনা। যেগুলো সব পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে পরতে পারবেন ঈদে।

কোথায় পাবেন : নগরীর বিভিন্ন শপিংমলের গহনা দোকানে পাওয়া যাবে এসব গহনা। স্বর্ণ-রুপার অথবা ডয়ামন্ডের গহনা কেনার জন্য যেতে পরেন ঢাকার চাঁদনীচক, জেনেটিক প্লাজা, আড়ং, বসুন্ধরা, ইস্টার্ন প্লাজা, বায়তুল মোকাররম মার্কেটে। ডায়মন্ডের গহনা জন্য যেতে পারেন আল হাসান ডায়ামন্ড গ্যালারি, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডসহ বড় ব্রান্ডগুলোতে। স্টোনের তৈরি ভারি ডিজাইনের গহনা পাওয়া যাবে কে জেড, পালকি, জেমস গ্যালারি, অঞ্জন’স, রঙ, সেলিব্রেসন গ্যালারিতে। ভিন্ন মাত্রার গহনা পাওয়া যাবে আরডি, রঙ, সাদাকালো, পিরান ও বিবিয়ানাতে। এ ছাড়া ফুটপাতেও মাঝে-মধ্যেই বিভিন্ন যায়গায় গহনা নিয়ে পসরা বসায় বিক্রেতারা। পছন্দমতো দামে কিনতে পারেন সেখান থেকেও আপনার সাজের গহনাটি।

কেমন দাম : যেহেতু স্বর্ণ, রুপা অথবা ডায়ামন্ডের দাম প্রায় সবসময় একই রকম তাই দাম নিয়ে তেমন অভিযোগ নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে। ডায়মন্ডের ক্ষেত্রে বর ব্র্যান্ডগুলোর ফিঙার রিং পাবেন ১০ হজার-২০ হাজার টাকায়। নাকফুল পাবেন ২ হাজার ৫০০-৩ হাজার ৫০০ টাকায়। কানের দুল ১৫ হাজার - ২০ হাজর টাকায়। এছারাও পেন্ডেন্ট আক্ষর অথবা লকেট পাবেন ৬ হাজার - ৮ হাজার টাকায়। পেন্ডেন্ট সেটের দাম পড়বে ৩৫ হাজা - ৪৫ হাজার টাকা। স্বর্ণের গহনার ক্ষেত্রে বায়তুল মোকাররম স্বর্ণের মার্কেটের এক বিক্রেতা যানান, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ৫৭ হাজার ৪৫০ টাকা। ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫৪ হাজার ৮৭৯ টাকা। ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪৭ হাজার ৫ টাকা এবং রুপা প্রতি ভরি পাওয়া যাবে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। এ ছারাও ইমেটিসনের বিভিন্ন স্টোনের নেকলেস সেট পাওয়া যবে ৩০০-১০০০ টাকার মধ্যে। চুড়ি, আংটি, ব্রেসলেট, পাওয়া যাবে ৫০-৫০০ টাকা।

*ঈদফ্যাশন* *ঈদশপিং* *হালেরফ্যাশন* *গয়না* *গহনা* *জুয়েলারী**

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★