ঘুরেএলাম

ঘুরেএলাম নিয়ে কি ভাবছো?

Partha: *ঘুরেএলাম* ঘোরাঘুরি যারা পছন্দ করেন তারা এই গ্রুপ এ join করতে পারেন !! share করতে পারেন বেড়ানো নিয়ে আপনার অনুভূতি ..ছড়িয়ে দিতে পারেন আপনার তোলা ছবি ... https://www.facebook.com/groups/ExploreBangladesh4tour/ join করেন এবং share করেন আপনার ভালো লাগা !

ছবি

লীনা জাম্বিল: ফটো পোস্ট করেছে

কুয়ালালামপুর এ একসময়

*ঘুরেএলাম*

সাদাত সাদ: *ঘুরেএলাম* চুয়াডাঙ্গা থেকে ভালই লেগেছে যদিও এটাই প্রথম।তবে আগামীতে আবার যখন যাব তখন অন্যান্য জায়গা গুলোতে ঘুরে আসতে একদম ভুল হবে(না) (মাইরালা২)

সাইফ: ঈদ বকরার ছুটিতে বাড়ী যাওয়া কম এডভেঞ্চার নহে বাপু । বেয়ার গ্রিল না হলে বাঙালী বাবু তো বট ! যুদ্ধ বিগ্রহ করে টিকিট যোগাড়, বৃষ্টিতে ভিজে, কাদাতে পা ডুবিয়ে, ভিড় উজিয়ে কয়েক মাইল পদ ভ্রমণে নিজ পাদুকার ফিতা পটাং করে ছিড়ে যাওয়া, মুচি বাবু খুজে বের করে তৈল মর্দন, তারপর ইঞ্জিন কভার আর মোড়া এড়িয়ে নিজ সিট গ্রহণ । কে বলে বাঙালী এডভেঞ্চার প্রিয় না !

*ঘুরেএলাম* *ঈদছুটি*

কিরীটী রায় : আমাদের টয়লেটের উপরে একটা ফলস ছাদ আছে,ওটা আজ *ঘুরেএলাম* (খুশী২)অনেক দিনের শখ ছিল জায়গাটার গভীরে ঢোকার (নাআআআ)আজ ভালো করে তন্ন তন্ন করে ভিতরে সবকিছু লন্ড ভন্ড করে ঘুরে এলাম,এরপর যথারীতি 'হাচ্চি' (কিগরম)আচ্ছা আপনারা বাড়ির এরকম ফলস ছাদে কবে ঢুকেছেন?

বেশতো Buzz: [বেশবচন-ঝালআছেমামা] আজকের নির্বাচিত স্টারডওয়ার্ডগুলো হচ্ছে (নিচেদেখ) *মানুষচেনা* *গৃহসজ্জা* *জীবনসঙ্গী* *ঘুরেএলাম* *সালাদ* *ঠান্ডাজুস* *ডিমেররেসিপি* *মাছেররেসিপি* *মনেরকথা* *যান্ত্রিকজীবন* (তালি)

*মানুষচেনা* *গৃহসজ্জা* *জীবনসঙ্গী* *ঘুরেএলাম* *সালাদ* *ঠান্ডাজুস* *ডিমেররেসিপি* *মাছেররেসিপি* *মনেরকথা* *যান্ত্রিকজীবন*
৫/৫

সো হা গ: [বাঘমামা-যাইগা]ঘুরে এলাম জাফলং, রাতারগুল আর মাধবকুন্ড (খুশীতেআউলা)(ইয়েয়ে)

*ঘুরেএলাম* *রাতারগুল*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

‘মাধবকুণ্ড’ জলপ্রপাত কমবেশি সবারই চেনা। তবে এর কাছেই যে আরেকটি জলপ্রপাত আছে, সেটা কি দেখা হয়েছে? স্থানীয় মানুষের কাছে এর নাম  ‘পরিকুণ্ড’। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই বুনো ঝর্ণাটি সবাইকে কাছে টানবে। মাধবকুণ্ডের চেয়ে পরিকুণ্ড কিছুটা নির্জন। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় ছেয়ে আছে এর চারপাশ। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের খাড়া পাহাড় বেয়ে শোঁ শোঁ শব্দ করে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ছে। নিচে বিছানো ছোট-বড় পাথর গড়িয়ে স্রোতধারা একটি বড় ছড়ায় মিশে গেছে। বড় একটি পাথরে বসে আনমনে খুব কাছ থেকেই জলপ্রপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে স্বচ্ছ পানির ছড়ায় ভালোমতো গোসলও সেরে নেওয়া যায়।

কিভাবে পরিকুণ্ডতে পৌছাবেনঃ
আপনারা যাঁরা মাধবকুণ্ডে বেড়াতে যেতে চান, তাঁরা চাইলেই পরিকুণ্ড দেখে আসতে পারেন। টিকিট কেটে প্রধান ফটক পেরিয়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের রাস্তা। হাঁটতে হাঁটতে সামনে গিয়ে হাতের বাঁ পাশে টিলার ওপর শিবমন্দির। এর ঠিক বিপরীতে রাস্তার সঙ্গে একটি নতুন পাকা সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। ওই সিঁড়ি দিয়ে নেমে মাধবকুণ্ডের মূল ছড়া। আর ওই ছড়াটির সোজাসুজি পাথর বিছানো ছড়া দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পরিকুণ্ড। ভয়ের কারণ নেই। ছড়ায় শুধু পায়ের পাতাই ভিজবে। ভয়ের অবশ্য দু-একটা কারণ আছে। নিচে বিছানো পাথরগুলো কিন্তু বেশ পিচ্ছিল। শ্যাওলা জমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই পা ফেলতে হবে খুব সাবধানে। মাধবকুণ্ড ও পরিকুণ্ড বেড়াতে এসে কাছাকাছি রাত্রিযাপনের জন্য জেলা পরিষদের দুই কক্ষের একটি বিশ্রামাগার আছে। সেটি কমপক্ষে সাত দিন আগে বুকিং দিতে হয়।

ঢাকা থেকে যেতে যা যা করতে হবেঃ
মাধবকুণ্ডের পথ অনেকেরই চেনা। আন্তনগর ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুলাউড়া জংশন রেলস্টেশনে নামতে হবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সরাসরি মাধবকুণ্ড পৌঁছাতে পারেন। ভাড়া নেবে তিন বা চার শ টাকা। কুলাউড়ায় নেমে বাসে করেও যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কাঁঠালতলী বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় মাধবকুণ্ড। দূরত্ব আট কিলোমিটার, ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা বা অন্য জায়গা থেকে সড়কপথে কাঁঠালতলী বাজার হয়ে মাধবকুণ্ডে পৌঁছানো যায়।
*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *জলপ্রপাত* *ঘুরেএলাম*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে দেশের বিভন্ন প্রান্তে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরী করা হয়েছে। সৌন্দর্য্যমণ্ডিত এই স্তম্ভগুলো স্মৃতি ধারক হিসেবে বিবেচিত হলেও এর শৈল্পিক সৌন্দর্য্য সহজেই সবাইকে আর্কষণ করে। রাজধানী শহর ঢাকায় অবস্থিত তেমনি নজরকাড়া একটি স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে আজকের আয়োজন। স্মৃতিস্তম্ভটির নাম ‘বীরসপ্তক’।

সন্ধ্যা হলেই আঁধার ফুঁড়ে পিরামিড আকৃতির সাতটি স্তম্ভ হয়ে ওঠে আলোয় রঙিন। সবুজ লতায় মাখা ঝলমলে সে আলো চোখে প্রশান্তি দেয় পথচারীদের। আর এ আলোতেই খুঁজে পাওয়া যাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠকে।

স্বাধীনতাযুদ্ধে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, হামিদুর রহমান, মোস্তফা কামাল, মো. রুহুল আমিন, মতিউর রহমান, মুন্সী আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ উপাধি পান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’। এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে রাজধানী ঢাকার মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের প্রবেশমুখ বিমানবন্দর সড়কে রেডিসন হোটেল পেরিয়েই বনানী এমইএস বাসস্ট্যান্ড। আর ফ্লাইওভারে ওঠা-নামার এ স্থানে বিমানবন্দর সড়কের বাঁকে শোভা পাচ্ছে নান্দনিক এ স্মৃতিস্তম্ভ ‘বীরসপ্তক’।

স্মৃতিস্তম্ভগুলোয় নানান রঙের আলোর প্রতিফলন সফটওয়্যারের মাধ্যমে সাজানো। কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত অ্যাডভান্স এলইডি পদ্ধতি বিভিন্ন দিবসেও আলাদা আলো দিয়ে আলাদা রঙের আবহ তৈরি করতে সক্ষম।
(সংকলিত)

*স্মৃতিস্তম্ভ* *বীরসপ্তক* *ঢাকা* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম* *ট্রাভেল* *ভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রূপের জাদু ছড়িয়ে আপনার মনযোগ কেড়ে নিতে বিন্দুমাত্র সময় লাগবেনা জাদুকাটার। মুহুর্তেই আপনি হারিয়ে যাবেন জাদুকরী সৌন্দর্যের আড়ালে। কিসের এই সৌন্দর্য্য? কেনই বা সে এতো সুন্দর? বন্ধুরা বলছি সুনামগঞ্জের জাদুকাটা নদীর কথা। চলুন তাহলে জেনে নেই জাদুকাটা নদী এবং তার আশেপাশের রহস্যময়ী প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা...

জাদুকাটা নদীঃ
দুই পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে নেমে এসেছে নদী। যেমন অদ্ভূত তার সৌন্দর্য তেমন অদ্ভূত তার নাম। বিমুগ্ধ করার মতো। মায়াবী নদীটির নাম জাদুকাটা। জাদুকাটা নদীর জাদু সবাইকে কাবু করতে যথেষ্ট। জাদুকাটা নদীর গভীরতা কম। আর তার জল এতটাই স্বচ্ছ যে নিচের বালুকণা পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায়। নদীর এক পাশে বিস্তীর্ণ বালুচর, অন্য পাশে সবুজ পাহাড়ের হাতছানি। কে না চায় এমন এক পরিবেশে নিজেকে কয়েকটা দিনের জন্য হারিয়ে ফেলতে!

জাদুকাটা নদীর অবস্থানঃ
সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে জাদুকাটার দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। কিন্তু বাসের রাস্তা নেই। যেতে হবে ভাড়া করা বাহনে অথবা নিজের মোটরবাইকে। এসব সমস্যা নিমেষেই হাওয়া হয়ে যাবে জাদুকাটার দর্শনে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে যেতে পারেন সুরমা নদীর সাহেববাড়ির ঘাটে। সেখান থেকে নৌকা যাত্রা। আধঘণ্টা পর দেখা মিলবে মণিপুরি ঘাটের। ঘাটে নেমে ভাড়ার মোটরবাইকে আবার যাত্রা শুরু। পলাশ বাজার, ধরপুর বাজার পেছনে ফেলে, চিনাকান্দি বাজার ছাড়িয়ে বাইক আপনাকে একেবারে নিয়ে যাবে পাহাড়ের কাছে। ডান দিকে চোখ দিলেই দেখা মিলবে মেঘালয়ের। এরপর বিজিবি ক্যাম্পের পাশ দিয়ে মোটরবাইক নিয়ে নেমে যেতে পারেন জাদুকাটার বালুচরে। মেঘ আর পাহাড়ের সমন্বয়ে এখানে নস্টালজিক হতে বাধ্য আপনি।

দৃশ্যমান জাদকাটাঃ
পায়ের নিচে জাদুকাটার ঠান্ডা জলের পরশ আর মাথার ওপরে পাহাড়। সেই পাহাড়ের পিঠ বেয়ে যেন বের হয়ে বাংলাদেশে এসেছে জাদুকাটা নদী। দেখে মনে হবে, নদীর উৎসমুখে দুই পাশ থেকে পাহাড় ঝুলে আছে। পেছনে আরও একটি পাহাড়ের দেখা মিলবে সেখানে। পশ্চিমে বারেকটিলা, পূর্বে শাহ আরেফিনের (রহ.) আস্তানা ও লাউড়েরগড় গ্রাম। সেই গ্রামের দক্ষিণ কোণের নদীতীরে রয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান। প্রতিবছর চৈত্র মাসে প্রায় একই সময়ে শাহ আরেফিনের আস্তানায় ওরস ও জাদুকাটা নদীতীরে পূণ্যস্নান হয়। দুই উৎসব ঘিরে সেসময় নদীতীরে বসে দুই ধর্মের মানুষের মিলনমেলা। হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে নদীর গা ঘেসে। একসময় এই জাদুকাটা নদীর তীরেই ছিল প্রাচীন রাজ্য লাউড়ের রাজধানী। সময়ের পরিক্রমায় সেখানে এখন রাজ্য নেই, নেই রাজধানীও। প্রাচীন সেই রাজ্যের নামের সাথে মিলিয়ে এখনও গ্রামটির নাম ‘লাউড়েরগড়’। গ্রামটিও ঘুরে দেখে আসতে পারেন।

বন্ধুরা, তাহলে আর দেরী কেন জাদুর টানে ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জের জাদুকাটা নদী থেকে। আপনার ভ্রমন হোক নিরাপদ ও আনন্দময় এই শুভ কামনা রইল।


*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *নদী* *সুনামগঞ্জ* *ছটিতেভ্রমন* *ঘুরেএলাম*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপরূপ সৌন্দর্য্য ও প্রকৃতির অপার লীলায় সজ্জিত বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলা। এ উপজেলার সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান হলো তিন্দু। স্থানীয়দের মতে তিন্দু হচ্ছে বাংলাদেশর অন্যতম ভূ-সর্গ। ভ্রমন পিপাসুদের মতে, পৃথিবী'তে তিন্দু-র মত এমন ঘুম-ঘুম সুন্দর জায়গা আর একটিও নেই। প্রাকৃতিক আকর্ষণের কারণে এ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকরা প্রতিদিন আকর্ষণীয় এই পর্যটন স্থানটিতে ভিড় জমান।

তিন্দু নামক অপরূপ সৌন্দর্য্যমণ্ডিত এই জায়গাটা এখনও লোক চক্ষুর প্রায় আড়ালেই রয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশেও তিন্দুর মত এমন স্বর্গ থাকতে পারে তা জানা ছিলনা। বান্দারবানে অনেকেই গেছেন। বগা লেক তাদের সবাইকেই মুগ্ধ করেছে। এখন এই ছোট্ট ভূ-স্বর্গ টাকে দেখে আসুন আশাকরি খুব ভাল লাগবে।

কিভাবে যাবেনঃ
> ঢাকা – বান্দারবান যাওয়ার শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন এর বাস আছে। রাত ১০ টায়/১১:৩০ টায় কলাবাগান/সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যায়। ভাড়া ৪০০-৪৫০ টাকা। 

> ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়েও যাওয়া যায়। বদ্দারহাট থেকে বান্দারবানের বাস ছাড়ে পুরবী/পুর্বানী ভাড়া প্রায় ১০০ টাকার মত।

সকাল ৭:৩০ এর মধ্যেই বান্দারবান পৌছে যাবেন। এখান থেকে চান্দের গাড়ী নিয়ে সোজা থানচি। আপনি চান্দের গাড়ী রিজার্ভ করে নিতে পারেন। এছাড়া লোকাল চান্দের গাড়ী আছে সেটাতে করেও আপনি থানচি যেতে পারেন। বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ।

থাকা খাওয়াঃ
বান্দারবান-থানচি থেকে তিন্দু গেলে সেখানে থাকার অনেক জায়গা পাবেন। এছাড়াও সেখানকার ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বারের তৈরী বাংলোতেও থাকতে পারেন। ইচ্ছে করলে তাবু গেড়েও ওখানে রাত কাটাতে পারেন।  খাওয়া দাওয়ার চিন্তা নাই। খাওয়ার জন্য হোটেল পাওয়া যায় অথবা আপনি যেখানে থাকবেন তারাই রেঁধে দিবে। মুরগীর ঝোল তারা অসাধারন রাঁধে। থাকা খাওয়ার খরচ প্রতিদিন ৪০০ টাকার বেশি হবে না। 

বন্ধুরা, তোমরা যারা ভ্রমন করতে ভালবাসো তারা নতুন কিছু জয়করার জন্য বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু থেকে ঘুরে আসতে পার। তোমাদের ভ্রমনের ভাল লাগা ও খারাপ লাগার প্রতিটি মূহুর্তের খবর আমাদের সাথে শেয়ার করে জানিয়ে দাও তুমি কেমন ভ্রমনপ্রিয়?


*ট্রাভেল* *ট্রাভেলার* *ভ্রমন* *বান্দরবান* *ঘুরেএলাম* *ভ্রমনগাইড* *তিন্দু*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লোকালয় ছেড়ে, দূর পাহাড়ের দেশে হারিয়ে যেতে কার না মন চায়! নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি রাঙ্গামাটি জেলায় ঘুরে বেড়াতে তোমারও নিশ্চয় মন চাইছে? প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ঘেরা রাঙ্গামাটি জেলায় রয়েছে, পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ। যেখানে সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ মিতালী করে হ্রদের সাথে, চুমু খায় পাহাড়ের বুকে। সারাক্ষণ চলতে থাকে পাহাড়, নদী আর হ্রদের এক অপূর্ব মিলনমেলা। রাঙ্গামাটির প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নয়ানাভিরাম দৃশ্যপট। রাঙ্গামাটির এই দৃশ্যপটে মুগ্ধ হয়ে দূর পাহাড়ের দেশে ভ্রমনে গেলে যে ৬টি দর্শনীয় স্থান মিস করা একদম ঠিক হবে না সেসব স্থান নিয়েই আজকের আলোচনা।

১. কাপ্তাই হ্রদ
রাঙ্গামাটির দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমন অন্যতম। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মানের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত হয়। অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারে অনুভূতি এক অনন্য অভিজ্ঞতা। দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে দিনভর নৌবিহার করা যেতে পারে। মজার ব্যাপার হলো আপনি চাইলে এই হ্রদ ঘুরতে ঘুরতেই দেখে ফেলতে পারবেন রাঙ্গামাটির অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলো।

২.  সুবলং ঝরনা
বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে যে কয়েকটি পাহাড়ি ঝর্ণা বা ঝিরি রয়েছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায় অবস্থিত সুবলং ঝর্ণা অন্যতম। মূলত পাহাড়ী সবুজের মাঝে বিস্ময় হয়ে থাকা এই ঝর্ণাটি তার উচ্চতা ও অবিরাম জলস্রোতের কারণেই পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। যদিও একথা সত্য যে, বাংলাদেশের অন্য অনেক ঝর্ণার মতো সুবলংয়ের এই ঝর্ণাটিও তার প্রকৃত রূপের পসরা সাজায় বর্ষার সময়টাতেই। এ সময় প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে সশব্দে পাহাড়ি এই জলধারা নেমে আসে সমতলে।

৩. ঝুলন্ত সেতু
রাঙ্গামাটি শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের তীর ঘেঁষে অবস্থিত সরকরি পর্যটন মোটেল। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান এটি। পর্যটন মোটেলেই অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি, যা পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এটি। পর্যটকদের প্রধান আকর্ষনের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে। পর্যটকরা সাধারণত প্রথমেই এই পর্যটন মোটেল এবং ঝুলন্ত ব্রিজে আসে। এখান থেকে শুরু হয় রাঙামাটি ভ্রমণ।

. পেদা টিং টিং + চাং পাং
কাপ্তাই হ্রদের চারিদিকে কেবল পাহাড় আর হ্রদ, যেন প্রকৃতির মাঝে আপিন এক আগন্তুক মাত্র। বুনো প্রকৃতি ছাড়া আর কিছুই আশা করা যায় না এখানে। কিন্তু আপনি অবাক হবেন যখন চলতি পথে কোন একটি টিলার উপর দেখবেন পেদা টিং টিং এবং চাং পাং। এমন এক পরিবেশে যেখানে আপনি এক গ্লাস খাবার পানি পাবেন না, সেখানে এই দুইটি রেষ্টুরেন্ট আপনার জন্য চা, কফি আর চিকেন ফ্রাই নিয়ে অপেক্ষা করছে। সত্যিই হতবাক করার মত ব্যাপার। এছাড়াও এখানে পাবেন স্থানীয় খাবার "বিগল বিচি", "কচি বাঁশের তরকারী", "কেবাং"। পেদা টিং টিং একটা চাকমা শব্দগুচ্ছ, যার অর্থ হচ্ছে পেট টান টান। অর্থাৎ মারাত্মকভাবে খাওয়ার পর পেটের যে টান টান অবস্থা থাকে, সেটাকেই বলা হয় পেদা টিং টিং। রাঙ্গামাটি শহর থেকে মাত্র ৪-৫ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের ভসমান একটি পাহাড়ে অবসথিত এই পর্যটন সংস্থা। এখানে রেস্তোরা, কটেজ, নৌবিহার ব্যবস্থা, সেগুন বাগান ও অসংখ্য বানর রয়েছে।

৫.রাজবন বিহার
রাজবন বিহার বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বৃহত্তম বিহার রাঙামাটি শহরের অদূরেই অবস্থিত। ১৯৭৭ সালে বনভান্তে লংদু এলাকা থেকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাঙামাটি আসেন। বনভান্ত এবং তাঁর শিষ্যদের বসবাসের জন্য ভক্তকূল এই বিহারটি নির্মান করে দেন। চাকমা রাজা দেবাশিষ রায়ের তত্ত্বাবধানে রাজবন বিহার রক্ষণাবেক্ষনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখানে আপনি যা যা দেখতে পাবেন...

৬. চাকমা রাজার বাড়ি
রাজবন বিহারের পাশেই রয়েছে চাকমা রাজার বাড়ি। চারপশে হ্রদ দ্বারা বেষ্টিত এই রাজবাড়িতে রয়েছে কাচারি, রাজ কার্যালয়, রাজার বাসভবন, চাকমা রাজা কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোঘল আমলের ফঁতে খার সজ্জিত কামান, সবুজ ঘন বাঁশঝাড় ও আরও অনেককিছু। 

ট্রাভেল প্রিয় বন্ধুরা, তাহলে আজকেই বেরিয়ে পড় পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে আর তোমার দুঃসসাহসিক ভ্রমনের ভাললাগা আমাদের সাথে শেয়ার কর। শুভ হোক তোমার ভ্রমনের দিন গুলি.. এই শুভ কামনা রইল। 
*ভ্রমন* *রাঙ্গামাটি* *রাঙামাটি* *ভ্রমনটিপস* *ট্রাভেল* *ঘুরেএলাম* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন ঐতিহ্যকে পঞ্চাশ টাকার নোটে সবাই দেখেছেন কিন্তু কাগজের নোটে কি আর সব সৌন্দর্য্য উপলব্ধি করা যায়? তাই নগদে প্রাচীন এই স্থাপত্যশৈলীর সৌন্দর্য্য অবলোকন করতে চাইলে ঘুরে আসুন রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে। কি আছে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় যার সৌন্দর্য্য পঞ্চাশ টাকার নোটে শোভা পেয়েছে? বন্ধুরা, রাজশাহীর বাঘাতে রয়েছে প্রাচীন স্থাপত্যশৈলীর এক চমকপ্রদ নিদর্শন ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ। চলুন তাহলে ঘুরে আসি রাজশাহীর ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ থেকে।

বাঘা মসজিদঃ
বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। সুলতান নাসিরউদ্দীন নসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ইতিহাস
মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নসরাত শাহ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।

স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য
মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে। উত্তর পাশের ফটকের ওপরের স্তম্ভ ও কারুকাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে । আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ। মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত। দৈর্ঘ্য ৭৫ ফুট প্রস্থ ৪২ ফুট, উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। দেয়াল চওড়া ৮ ফুট গম্বুজের ব্যাস ৪২ ফুট, উচ্চতা ১২ ফুট। চৌচালা গম্বুজের ব্যাস ২০ ফুট উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। মাঝখানের দরজার ওপর ফার্সি ভাষায় লেখা একটি শিলালিপি রয়েছে। মসজিদটির গাঁথুনি চুন-সুরকি দিয়ে। ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। বাঘা মসজিদের দৈর্ঘ্য ২২.৯২ মিটার, প্রস্থ ১২.১৮ মিটার এবং উচ্চতা ২৪ ফুট ৬ ইঞ্চি। এর দেয়াল ২.২২ মিটার পুরু। মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা বর্তমান। মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান। এছাড়া বাঘা মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি মাজার শরীফ।

বিবরণ
বাঘা মসজিদটির গাঁথুনি চুন এবং সুরকি দিয়ে। মসজিদের ভেতরে এবং বাইরের দেয়ালে সুন্দর মেহরাব ও স্তম্ভ রয়েছে। এছাড়া আছে পোড়ামাটির অসংখ্য কারুকাজ যার ভেতরে রয়েছে আমগাছ, শাপলা ফুল, লতাপাতাসহ ফার্সি খোদাই শিল্পে ব্যবহৃত হাজার রকম কারুকাজ। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণের উত্তর পাশেই রয়েছে হজরত শাহদৌলা ও তার পাঁচ সঙ্গীর মাজার। বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হুসাইন শাহর পুত্র নাসিরউদ্দীন নসরত শাহ জনকল্যাণার্থে মসজিদের সামনেই একটি দিঘী খনন করেন। শাহী মসজিদ সংলগ্ন এ দিঘিটি ৫২ বিঘা জমির ওপর রয়েছে। এই দিঘির চারপাশে রয়েছে সারিবদ্ধ নারিকেল গাছ। প্রতিবছর শীতের সময় এ দিঘিতে অসংখ্য অতিথি পাখির কলতানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। বর্তমানে দিঘিটির চারটি বাঁধানো পাড় নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এ মসজিদ সংলগ্ন জহর খাকী পীরের মাজার রয়েছে। মূল মাজারের উত্তর পাশে রয়েছে তার কবর। এ ছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাটির নিচ থেকে মহল পুকুর আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৭ সালে মাজারের পশ্চিম পাশে খনন কাজের ফলে ৩০ ফুট বাই ২০ ফুট আয়তনের একটি বাঁধানো মহল পুকুরের সন্ধান মেলেছে। এই পুকুরটি একটি সুড়ঙ্গপথ দিয়ে অন্দরমহলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিন দিক থেকে বাঁধানো সিঁড়ির ভেতরে নেমে গেছে। মসজিদের ভেতরে ও বাইরে রয়েছে প্রচুর পোড়ামাটির ফলক। মসজিদের ভেতরে উত্তর-পশ্চিম কোণে একটু উঁচুতে নির্মিত একটি বিশেষ নামাজের কক্ষ আছে। এ মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের দিন থেকে ৩ দিন পর্যন্ত 'বাঘার মেলা'র আয়োজন করা হয়। এ মেলাটি ৫০০ বছরের ঐতিহ্য। (উইকিপিডিয়া)

বন্ধুরা, ভ্রমন যাদের নেশা তাদেরকে বলছি একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসুন রাজশাহীর ঐহিহাসিক বাঘা মসজিদ থেকে আর আপনার ভ্রমনের অভিজ্ঞতা ও বাঘা মসজিদ কেমন লাগল তা লিখে জানাতে একদম ভুল করবেন না।
*বাঘামসজিদ* *ভ্রমন* *রাজশাহী* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *ঘুরেএলাম* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্রাভেল*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঢাকা জেলার খুব কাছের একটি জেলা হচ্ছে গাজীপুর। এ জেলাতে রয়েছে অনেক গুলি দর্শনীয় স্থান যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক। গাজীপুর ভাওয়ালের এই ন্যাশনাল পার্কটি প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানকার প্রাকৃতিক বন, জীবজন্তু আর পশুপাখি সহজেই আপনাকে মুদ্ধ করে ছাড়বে। আপনি ইচ্ছে করলেই খোলা হাওয়ায় প্রকৃতির এই সৌন্দর্যে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারেন! ঘুরে আসতে পারেন নিজে অথবা পরিবার পরিজনদের সাথে নিয়ে। চলুন জেনে নেই মনোমুদ্ধকর এই প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রটি সম্পর্কে।

ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কটির অবস্থানঃ
ঢাকা শহর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ও গাজীপুর সদর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জয়দেবপুরে গাজীপুর ন্যাশনাল পার্ক টির অবস্থান। ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কের পাশে এ পার্কটি অবস্থিত হওয়ায় অতি সহজে এবং ঢাকা থেকে অল্প সময়ে ঘুরে আসতে পারেন। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী যেকোনো বাসে চড়ে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ফটকের সামনেই নামা যায়। এ ছাড়া ঢাকার গুলিস্তান থেকে প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি বাস চলে এ পথে। ভাড়া ৫০-৬০ টাকা। নিজস্ব গাড়িতে গেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তা ছাড়িয়ে অল্প কিছু দূর গেলে হাতের ডানে পড়বে এর প্রধান প্রবেশপথ।

মুগ্ধ করার মত যা যা রয়েছে এই প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রটিতেঃ
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। প্রায় ২২০ প্রজাতির গাছপালা আছে এ বনে। এর মধ্যে ৪৩ প্রজাতির বিভিন্ন রকম গাছ, ১৯ প্রজাতির গুল্ম, ৩ প্রজাতির পাম, ২৭ প্রজাতির ঘাস, ২৪ প্রজাতির লতা, ১০৪ প্রজাতির ঔষধি গাছ। জীব বৈচিত্র্যেরও কমতি নেই এ বনে। প্রায় ১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫ প্রজাতির পাখি ও ৫ প্রজাতির উভচর প্রাণীও রয়েছে এ বনে। একসময় ভাওয়াল উদ্যানে পাওয়া যেত ব্লাক প্যান্থার, চিতা বাঘ, ময়ূর, হাতি। ক্রমাগত বন উজাড়ের ফলে দিনে দিনে এর পরিধি কমে আসায় এ বন থেকে বিলুপ্ত হয়েছে নানান বন্যপ্রাণী।

চলো হারিয়ে যাই প্রকৃতির মাঝেঃ
সারি সারি বৃক্ষের মাঝে পায়ে চলা পথ। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিশ্রামের জন্য আছে বেঞ্চ কিংবা ছাউনি। বনের মাঝে কোথাও কোথাও চোখে পড়বে ধানক্ষেত। কোথাও আবার পুকুর কিংবা ছোট আকারের লেক। এ ছাড়া ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ভেতরে আছে বেশ কয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র। এখানকার কটেজগুলোও বাহারি নামের। বকুল, মালঞ্চ, মাধবি, চামেলী, বেলী, জুঁই ইত্যাদি। নামের মতো এগুলোর পরিবেশও ভিন্ন আমেজের।

পিকনিক স্পট কিংবা রেস্ট হাউস ব্যবহার করতে হলে বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হয়। এ উদ্যানের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস নিয়ে প্রবেশ করতে লাগবে ৩০ টাকা আর মিনি বাসের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা। দুই-তিনজন এখানে বেড়াতে গেলে উদ্যানের বেশি ভেতরে না যাওয়াই ভালো।

বন্ধুরা,  তাহলে আজই বেরিয়ে পড়ুন গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানটি দেখার জন্য। আর অবশ্যেই ঘুরে আসার পর গাজীপুর ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কটির জানা অজানা আমাদের সাথে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না। 
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনগাইড* *ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *গাজীপুর* *ঘুরেএলাম*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য জেলা বান্দরবানে রয়েছে অনেক গুলো দর্শনীয় স্থান। পাহাড়, ঝর্না, লেক ও প্রাকৃতিক বনভূমির যোগসূত্র বান্দরবান জেলার সৌন্দর্য্যকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছে। ভ্রমন পিপাসু বন্ধুরা আপনারা যারা বান্দরবান ঘুরতে যাবেন তাদের সাথে বান্দরবানের দর্শনীয় একটি স্থানের পরিচয় করিয়ে দেব যার নাম নাফাখুম (নাফাখুম ঝর্না)। বান্দরবন গিয়ে নাফাখুম ঝর্না না দেখে বাড়ি ফিরলে আপনার ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে।

নাফাখুম ঝর্নার অবস্থানঃ

বান্দরবন জেলার একটি উপজেলা হচ্ছে থানচি। এই উপজেলার একটি এলাকার নাম রেমাক্রি। এটি একটি মারমা অধ্যুষিত এলাকা। বান্দরবান জেলার যে স্থানগুলোর কারণে এই জেলাটি পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে থাকা জেলাগুলোর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে তার একটি হচ্ছে ‘নাফাখুম ঝর্না’ । আর এই রেমাক্রি গ্রামটিকে কেন্দ্র করেই এই নাফাখুম  ঝর্নাটি অবস্থিত।

রেমাক্রি থেকে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টার হাটা দূরত্বে এই ঝর্নাটি  অবস্থিত। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই স্থানে এসে বাক খেয়ে প্রায় ৩০ ফুট নিচে পতিত হয়ে প্রকৃতির অপরূপ ছোয়ায় সৃষ্টি হয়ে অসাধারণ এই ঝর্নাটি।

নাফাখুম ঝর্না সম্পর্কে প্রচলিত গল্পঃ
ইতিহাস ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা যায়, স্থানীয় মারমা ভাষায় ‘খুম; শব্দের অর্থ ঝর্না। এছাড়া রেমাক্রী নদীতে এক ধরনের মাছ পাওয়া যায়, যার নাম নাফা মাছ। এই মাছ সবসময় স্রোতের ঠিক বিপরীত দিকে চলে। বিপরীত দিকে চলতে চলতে মাছগুলো যখন লাফিয়ে ঝর্না পার হতে যায় ঠিক তখনই উপজাতীয়রা লাফিয়ে ওঠা মাছগুলোকে জাল বা কাপড় দিয়ে ধরে ফেলে। এ থেকে এই ঝর্নার নাম দেওয়া হয়েছে নাফাখুম ঝর্না।

নাফাখুম ঝর্নার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যঃ
উপরে খোলা আকাশে রৌদ্র-মেঘের লুকোচুরি আর নিচে খরস্রোতা নদীর ধেয়ে আসা ছল ছল শব্দ। সব মিলিয়ে এ যেনো স্রষ্টার এক অপরূপ সৃষ্টি। চারিদিকে পাহাড়-পর্বত, নদী ও পাথুরে খাল দেখে যে কারো মনে হতে পারে যেনো শিল্পীর আকা কোনো ছবি চোখের সামনে ভাসছে। বর্ষাকালে ঝর্না দিয়ে তীব্র গতিতে বড় হয়ে পানি নিচের দিকে পতিত হয় এবং গ্রীষ্মকালে তীব্রতা কমে যায় ও ঝরনার আকার ছোট হয়ে আসে। তবে যারা নাফাখুম ঝর্নার প্রকৃত সৌন্দর্য দেখতে চান তারা সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের মধ্যে ভ্রমণ করলে তা দেখতে পারবেন। এই সময় উপর থেকে আছড়ে পড়া পানির প্রচন্ড আঘাতে ঝর্নার চারপাশে অনেকটা স্থান জুড়ে সৃষ্টি হয় ঘন কুয়াশার সেই সাথে উপর থেকে নিচে পানি পতিত হওয়ার আওয়াজ তো রয়েছেই। বাতাসের সাথে উড়ে যাওয়া পানির বিন্দু পর্যটকদের দেহ মন সব আনন্দে ভিজিয়ে দেয়। যা কিনা মুহুর্তের মধ্যে যে কারো মন ভালো করতে সক্ষম। এই স্থানের কিছু কিছু পাহাড় বেশ উচু। দেখে মনে হবে সেই সেই পাহাড়গুলোর চুড়া মেঘের আবরণে ঢাকা পড়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাঝে মাঝে রয়েছে টিনের ঘরবাড়ি। এই এলাকার নদীগুলোর গভীরতা খুব কম। কোনো কোনো স্থানে পানির নিচের মাটি দেখা যায়। তবে নদীগুলো সবসময় প্রচন্ড স্রোত থাকে। তাই পথ চলতে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।

কীভাবে যাবেন?
বান্দরবান শহর থেকে থানচি উপজেলা সদরের দূরত্ব ৮২ কিঃমিঃ। রিজার্ভ চাঁদের গাড়ীতে বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টা। বর্ষায় ইঞ্জিনবোটে থানচি থেকে তিন্দু যেতে সময় লাগবে আড়াই ঘন্টা। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যেতে লাগবে আরও আড়াই ঘন্টা। এই পাঁচ ঘন্টার নৌ-পথে আপনি উজান ঠেলে উপরের দিকে উঠতে থাকবেন। শীতের সময় ইঞ্জিন বোট চলার মত নদীতে যথেষ্ট গভীরতা থাকেনা। তখন ঠ্যালা নৌকাই একমাত্র বাহন।

ভ্রমন প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা যদি সত্যিকারের সৌন্দর্য্য পিপাসু  হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই নাফাখুম ঝর্না দেখে আসতে ভুল করবেন না। আর পাশাপাশি আপনার ভ্রমনের দুঃসাহসিক অভিযানের কথা আমাদের মাঝে শেয়ার করুন। 
*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন* *বান্দরবান* *নাফাখুমঝর্না* *ঘুরেএলাম* *ট্রাভেল*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যান্ত্রিক এই শহরে যে যার মত ব্যস্ত সময় পার করেন। শত কাজের ভিড়ে একটু খোলামেলা জায়গায় দম ফেলার বিন্দুমাত্র সুযোগ হয়তবা অনেকেরই হয়ে ওঠেনা। তারপরেও কাজের ফাঁকে একটু ছুটি পেলে অনেকেই ছুটেন বিনোদনের জন্য। একটু খোলা পরিবেশে ঘুরে বেড়ানো, সন্তানদের ছোটা-ছুটি, প্রাণ খোলে নিঃশ্বাস নেওয়ার মত বেশ কিছু জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানও রয়েছে রাজধানী ঢাকায়। কিন্তু দর্শনীয় স্থান গুলো কোন কোন দিন খোলা থাকে আর কোন কোন দিন বন্ধ থাকে সে সম্পর্কে ঠিক ঠাক না জানা থাকলে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট হতে পারে। তাই ঢাকার ভেতরে কখন কোথায় ঘুরতে যাবেন তা আগে থেকে জেনে যাওয়ায় ভাল। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সমূহ সম্পর্কে জানিয়ে দিতেই আজকের এই আয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেই...

আহসান মঞ্জিল জাদুঘর, সদরঘাট

সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৭৩৯১১২২, ৭৩৯৩৮৬৬
 
জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতিবার।
শুক্রবার খোলা থাকে বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত। শনি থেকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৮৬১৯৩৯৬-৯৯
 
লালবাগ কেল্লা, লালবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোমবার খোলা থাকে দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। মঙ্গল থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে মার্চ), সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
জুমার নামাজের জন্য শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি ১০ টাকা; তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ১০০ টাকা।
ফোন: ৯৬৭৩০১৮

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, ধানমন্ডি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
অন্য দিনগুলোতে খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকে।
ফোন: ৮১১০০৪৬

ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার (তবে রোববার অন্য কোনো সরকারি ছুটি থাকলে খোলা থাকে)।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (অক্টোবর-এপ্রিল)। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (মে-সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: ১০ টাকা। আগে আবেদন করলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের জন্য ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়।
ফোন: ৮০৩৫০৩৫, ৯০০২০২০, ৯০০২৭৩৮, ৯০০৩২৫২

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেগুনবাগিচা
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
সোম থেকে শনিবার খোলা থাকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা (অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি); সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত (মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর)।
ফোন: ৯৫৫৯০৯১-২

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি পাঁচ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯১১২০৮৪

নভোথিয়েটার, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বুধবার।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
প্রদর্শনী শুরু হয় প্রতিদিন বেলা ১১টা, দুপুর একটা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায় (শনি থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)।
শুক্রবার প্রদর্শনী বেলা সাড়ে ১১টা, বেলা তিনটা, বিকেল পাঁচটা ও সন্ধ্যা সাতটায়।
টিকিট: সকালের প্রদর্শনীর এক ঘণ্টা আগে এবং অন্যান্য প্রদর্শনীর দুই ঘণ্টা আগে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যায়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাসফরের ক্ষেত্রে অগ্রিম টিকিট নেওয়ার সুযোগ আছে।
টিকিটের মূল্য: ৫০ টাকা।
ফোন: ৯১৩৯৫৭৭, ৯১৩৮৮৭৮, ৮১১০১৫৫, ৮১১০১৮৪

সামরিক জাদুঘর, বিজয় সরণি
সাপ্তাহিক বন্ধ: বৃহস্পতি ও শুক্রবার।
শনি থেকে বুধবার খোলা থাকে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটি ও সেনাবাহিনীর ঐচ্ছিক ছুটির সময় বন্ধ থাকে।
ফোন: সেনানিবাস এক্সচেঞ্জ-৯৮৭০০১১, ৮৭৫০০১১

শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, শাহবাগ
সাপ্তাহিক বন্ধ: রোববার।
বুধবার শুধু দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য খোলা থাকে। দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); দুপুর দুইটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
বুধবার ছাড়া সোম থেকে শনিবার খোলা দুপুর একটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা (অক্টোবর থেকে মার্চ); বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত (এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর)।
প্রবেশমূল্য: জনপ্রতি আট টাকা এবং প্রতি রাইডের টিকিট মূল্য ছয় টাকা।
ফোন: ৮৬২৩৩০৪

শিশু একাডেমী জাদুঘর

সাপ্তাহিক বন্ধ: শুক্র ও শনিবার।
রবি থেকে বৃহস্পতিবার খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত।
সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে।
ফোন: ৯৫৫৮৮৭৪

জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), মিরপুর
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)।
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। শিশুদের জন্য প্রবেশমূল্য দুই টাকা। কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
ফোন: ৮০৩৩২৯২
 
বলধা গার্ডেন, ওয়ারী
প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল নয়টা থেকে বিকেল পাঁচটা (মার্চ থেকে নভেম্বর), সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা (ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি)
প্রবেশমূল্য: পাঁচ টাকা। অনূর্ধ্ব-১০ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে প্রবেশমূল্য দুই টাকা। আর শিক্ষাসফরে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশমূল্য তিন টাকা।
 
নন্দন পার্ক, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। যেকোনো সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯০২৮৩, ৯৮৯০২৯২, ০১৮১৯২২৩৫২৯

ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
প্রতিদিন খোলা থাকে বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। শুক্রবারসহ অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
ফোন: ৯৮৯৬৪৮২, ৮৮৩৩৭৮৬, ৭৭০১৯৪৪-৪৯

*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ঘুরেএলাম* *ভ্রমনগাইড* *ছুটিতেভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *ট্রাভেল* *ঢাকা*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অপার সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ আর নজরকাড়া সৌন্দর্যে ভরপুর রূপসী বাংলাদেশে রয়েছে হাজারও ভ্রমন স্পট। ভিন্নধর্মী সব বৈশিষ্ট্যের কারনে ভ্রমন পিপাসুদের কাছে সব ভ্রমন স্পটের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে তেমনি গুরুত্বপূর্ণ একটি  ভ্রমন স্পট হচ্ছে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার ছোট্ট দ্বীপ, নিঝুম দ্বীপ। একে 'দ্বীপ' বলা হলেও এটি মূলত একটি 'চর'। নিঝুম দ্বীপের পূর্ব নাম ছিলো চর-ওসমান। নানা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এ ভরপুর ও চিত্রা হরিণের আবাস্থল হিসেবে নিঝুম দ্বীপ বেশ জনপ্রিয়।

নিঝুম দ্বীপের যে সৌন্দর্য্য গুলো আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম হবেঃ
নিঝুম দ্বীপে আছে একটি জাতীয় উদ্যান যেখানে রয়েছে অসংখ্য চিত্রা হরিণ। নিঝুম দ্বীপের মতো  অন্য কোন বনে কাছাকাছি থেকে এত বেশি চিত্রা হরিণ দেখা যায় না। শীতে নানান রকম অতিথি পাখি এই দ্বীপে বেড়াতে আসে। অতিথি পাখির বিচরণ ও চিত্রা হরিণের ছোটাছুটি সহজেই আপনার মন কেড়ে নিতে সক্ষম। শীতকালে নিঝুম দ্বীপের সৌন্দর্য্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই ইচ্ছে থাকলে সঙ্গী নিয়ে, ঘুরে আসতে পারেন চিত্রা হরিণের দেশ থেকে। অবশ্য নিঝুম দ্বীপে পর্যটকদের থাকার ভালো ব্যবস্থাও আছে।

নিঝুম বনে আরও আছে উদ্বিড়াল, মেছো বাঘ, খেকশিয়াল ইত্যাদি। দ্বীপে পাখিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— নিশি বক, কানিবক, গোবক, পানকৌড়ি, ধূসর বক, কাদাখোঁচা, বালিহাঁস, লালপা, নানান জাতের মাছরাঙ্গা ইত্যাদি। পৃথিবী বিপন্ন ইন্ডিয়ান ইস্কিমার বা দেশী গাঙচষার অন্যতম বিচরণস্থল এই দ্বীপ।

নিঝুম দ্বীপে বেড়ানোর মূল আকর্ষণ এখানকার বন। ভালোভাবে জঙ্গল দেখতে হলে ‘নামা’ বাজারের পাশের খাল ধরে নৌকায় চড়ে যেতে হবে চৌধুরীর খালে। এই খাল একেবারে জঙ্গলের ভেতরে চলে গেছে। বেশি হরিণ দেখতে হলে নৌকায় কিংবা বনের পাশে কোথাও নিজেদের আড়াল করে নীরবে অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়া নিঝুম দ্বীপে আছে সমুদ্র সৈকত। জনমানবহীন এই সৈকতেও বেড়াতে পারেন। আর এখানকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রা দেখতে ভুলবেন না।

কিভাবে নিঝুম দ্বীপে যাবেন জেনে নিনঃ
ঢাকা থেকে দুই উপায় নিঝুম দ্বীপ  যাওয়া যায়। তুলনামূলক আরামদায়ক ও সহজ পথ হল ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে হাতিয়ার তমরুদ্দী।

সদরঘাট থেকে একটি করে লঞ্চ প্রতিদিন তমরুদ্দীর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ঢাকা থেকে বিকেল পাঁচটায় ছেড়ে তমুরুদ্দী পৌঁছাতে পরদিন সকাল হয়ে যায়। সেখান থেকে বন্দরটিলা ঘাট এ যেতে অটো রিকশা এ সময় লাগে । রিজার্ভ নিলে ভাড়া ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। যাওয়া যাবে তিন থেকে চারজন। সেখানে ট্রলারে চ্যানেল পার হলেই বন্দরটিলা। এরপর আবার নিঝুম দ্বীপের নামা বাজার যেতে হবে রিকশা কিংবা অটো রিকশায়। ভাড়া ৮০ থেকে দেড়শ টাকা। তারমানে সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে যাত্রা করে পরদিন দুপুরে পৌঁছানো যাবে নিঝুম দ্বীপে।

নিঝুম দ্বীপে যাওয়ার অন্য রাস্তা হল সড়ক পথ...
প্রথমে যেতে হবে নোয়াখালীর সোনাপুর। সেখান থেকে অটো রিকশা নিয়ে যেতে হবে চর জব্বার ঘাটে। এরপরে সি ট্রাক কিংবা ইঞ্জিন নৌকায় চড়ে যেতে হবে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট। সেখান থেকে আবার বাস কিংবা অটো রিকশায় জাহাজমারা বাজার। জাহাজমারা বাজার থেকে আবার ইঞ্জিন নৌকায় যেতে হবে নিঝুম দ্বীপ। তবে ভ্রমণে গেলে ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে যাওয়াই ভালো।

যা না খেয়ে ফিরবেন নাঃ
রসভরি পিঠা - রসে টইটুম্বুর থাকে বলেই এই পিঠার নাম রসভরি। এই পিঠা নোয়াখালীর একেবারেই নিজস্ব, ভাল হাতে তৈরী হলে এই পিঠা স্বাদে অতুলনীয় হয়ে ঊঠবে।

থাকবেন কোথায় আর খরচ কেমন হতে পারেঃ
নিঝুম দ্বীপে থাকার জন্য একমাত্র ভালো মানের জায়গা হল অবকাশ পর্যটনের নিঝুম রিসোর্ট। এখানে দুই শয্যার কক্ষ ভাড়া ১ হাজার ৫শ’ টাকা। তিন শয্যার কক্ষ ১ হাজার ৮শ’ টাকা। চার শয্যার কক্ষ ২ হাজার টাকা। ৫ শয্যার ডরমিটরির ভাড়া ১৮ হাজার টাকা। ১২ শয্যার ডরমিটরি ৩ হাজার টাকা।

বুকিং সুবিধা
ঢাকা থেকে এ রিসোর্টের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ: অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউ ইস্কাটন, ঢাকা। ফোন: ০২-৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ০১৫৫২৪২০৬০২।

নিঝুম দ্বীপে প্রচুর হরিণ দেখতে হলে ভ্রমণকালীন কিছু বিষয় মাথায়রাখা উচিত। যেমনঃ-
১.বনের ভেতরে চলতে হবে নিঃশব্দে। সামান্য হৈচৈ করলে এখানে হরিণের দেখা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
২.জঙ্গলে ট্রেকিংয়ের সময় যথা সম্ভব সবাই হালকা রংয়ের সুতি পোশাক পরবেন। বন্য প্রাণীদের দৃষ্টি খুব প্রখর। বেশে উজ্জ্বল রং এর পোশাকের কারণে দূর থেকে দেখে ফেলতে পারে।

বন্ধুরা, জানা হলো অনেক কিছু এবার তাহলে বেড়িয়ে আসার পালা। ঘুরে আসুন নিঝুম দ্বীপ থেকে আর চিত্রা হরিণের অরণ্য, নিঝুম দ্বীপ  ঘুরে কেমন লাগল তা আমাদের মাঝে শেয়ার করতে একদম ভুল করবেন না।


*ভ্রমন* *ঘুরেএলাম* *নিঝুমদ্বীপ* *বান্দরবান* *ভ্রমনগাইড* *নতুনভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব ও নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য মন্ডিত কারুকার্যে ভরপুর ঐতিহাসিক স্থাপনাশৈলীর নিদর্শন সমৃদ্ধ পর্যটন স্থান রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা। প্রাচীন সব স্থাপনার কারনেই পুঠিয়ার সুনাম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে। পুঠিয়াতে রয়েছে ঐতিহাসিক ৫টি স্থাপনা যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই! প্রাচীন করিগরদের নিপুন হাতে তৈরী প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী দেখার জন্য দেশী বিদেশী শতশত পর্যটক পুঠিয়া উপজেলায় ভিড় করে। এতক্ষণে নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে করছে কি কি রয়েছে পুঠিয়া উপজেলায়? আর কেনই বা শতশত পর্যটক পুঠিয়াতে ভিড় জমায়? বলবো সবি, তবে আপনি যদি সত্যিকারের ট্রাভেলার হয়ে থাকেন তাহলে রাজশাহীর পুঠিয়ার যে পাঁচটি জিনিস না দেখলে আপনার ভ্রমন বৃথা হতে পারে। তেমনই ৫টি স্থাপনা সাথে আজকে আপনাদের পরিচিত করিয়ে দেব।

পুঠিয়ার যে ৫টি স্থাপনা না দেখলেই নাঃ
পুঠিয়া নামক ছোট্ট উপজেলাটিতে দেখার মত অনেক কিছুই রয়েছে। ভ্রমন পিপাসুদের কাছে যা অনেক আনন্দেরও। চলুন জেনে নেই পুঠিয়ার সেই ৫টি জিনিস সম্পর্কে যা বাংলাদেশের অন্য কোথাও নেই!

১. শিব মন্দির
শিব মন্দির পুঠিয়ার অন্যতম ঐতিহ্য। এতো বড় প্রাচীন শিব মন্দির বাংলাদেশের আর অন্য কোথাও নেই। পরিসংখ্যান মতে এটিই এশিয়ার সবচেয়ে বড় শিব মন্দির।

ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের পুঠিয়া বাসস্টান্ড থেকে দেড় দুই কিলোমিটার সামনে রাস্তা ধরে দক্ষিণ দিকে  রিক্সা অথবা ভ্যান ধরে কিছুটা পথ সামনে গেলেই বিশাল একটা চুঁড়া জানান দিবে মন্দিরের অবস্থান। রাজবাড়ীর প্রবেশ পথে পুকুরের পাড়ে নিশ্চুপ দাড়িয়ে থাকা মন্দিরটির নাম শিব মন্দির। মহারাণী ভুবন মোহনী দেবী ১৮২৩ সালে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।  সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরের দোতলায় উঠলেই দেখা যাবে এর চার পাশের বারান্দা এবং একটি মাত্র কক্ষ যা দুই স্তর বিশিষ্ঠ বারান্দাকে ঘিরে রেখেছে। মন্দিরের মূল কক্ষের অভ্যন্তরে রয়েছে কষ্ঠি পাথরের বিশাল এক শিব লিঙ্গ। সমগ্র মন্দিরের দেয়ালে পৌরাণিক কাহিনী চিত্র খচিত আছে। শিব মন্দিরের কোল ঘেঁষে লাগানো পূর্ব পাশে গোল গুম্বুজ আকৃতির আরেকটি ছোট মন্দির আছে।

২. দোল মন্দির বা হাজার দুয়ারী ঘর
দোল মন্দির বা হাজার দুয়ারী ঘর এটিও বাংলাদেশের আর অন্য কোথাও নেই। শিব মন্দির পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে গেলেই চোখে পড়বে চার তলা বিশিষ্ঠ  মন্দিরটি যার নাম দোল মন্দির। চার পাশে প্রায় ১০০০ টি দরজা সম্বলিত এই মন্দিরটি স্থানীয় লোকজনের কাছে হাজার দুয়ারী ঘর নামে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী এ মন্দিরটি নির্মাণ করেন।

৩. পুঠিয়া রাজবাড়ী
দোল মন্দিরের সামনে ঘাসে ঢাকা বিশাল মাঠের দক্ষিণ প্রান্তে দাড়িয়ে আছে পুঠিয়ার ঐতিহাসিক রাজবাড়ী। রাণী হেমন্ত কুমারী দেবী তাঁর শাশুড়ি মহারাণী শরৎসুন্দরী দেবীর সম্মানার্থে ১৮৯৫ সালে নির্মাণ করেন বিশাল আকৃতির বিখ্যাত এই রাজবাড়ী। পুঠিয়ার এই রাজবাড়ীটি বর্তমানে লস্করপুর মহাবিদ্যা নিকেতনের একাডেমিক ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাজবাড়ীর পূর্ব পাশে রাজরাণীর গোসল করার জন্য পুকুরের কোল ঘেঁসে তৈরী করা হয়েছিল সান বাঁধানো রাণী ঘাট যার অস্তিত্ব এখনো বিদ্যমান।

৪. গোবিন্দ মন্দির
পুঠিয়া রাজবাড়ীর ভেতরে পোড়ামাটির অলঙ্করণে সমৃদ্ধ একটি মন্দির আছে যার নাম গোবিন্দ মন্দির। বাংলাদেশের অন্য কোন জায়গায় রাজবাড়ীর মধ্যে এতো সুন্দর মন্দির আর নেই। বর্গাকারে নির্মিত এই মন্দিরটির চার পাশে চারটি বর্গাকার কক্ষ আছে। মন্দিরটি আড়াইশ বছরের পুরোনো বলে প্রচলিত থাকলেও এর চাকচিক্য দেখে ধারণা করা হয় এটি উনবিংশ শতাব্দীতেই তৈরী করা হয়েছিল।

৫. আহ্নিক মন্দির ও গোপাল মন্দির
গোবিন্দ মন্দিরের দক্ষিণ পাশে ছোট আরো একটি মন্দির রয়েছে। রাজবাড়ীর পশ্চিম পাশে দিঘি এবং তার পশ্চিম তীরেই রয়েছে কারুকার্য খঁচিত আকর্ষণীয় বড় আহ্নিক মন্দির। আহ্নিক মন্দিরের পাশে দক্ষিণমুখী অবস্থায় আরো একটি মন্দির দাঁড়িয়ে আছে যার নাম গোপাল মন্দির। জানা মতে, বাহারি কারুকার্য খঁচিত এতো দারুন আহ্নিক মন্দির কপি পেস্ট বাংলাদেশে আর একটিও নেই।

সুপারী ও নারকেল গাছঘেরা ঐতিহাসিক স্থাপত্য শৈলীর প্রাচীন এই নিদর্শন গুলো দেখার জন্য প্রতিদিন দেশ বিদেশের শত শত পর্যটক ভিড় জমান রাজশাহীর পুঠিয়ায়। আমি বেশ কয়েক বার পুঠিয়া রাজবাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছি আমার খুব ভাল লেগেছে। তাই আপনাদেরকেও আমন্ত্রিত, আশাকরি আপনাদের ও খুব ভাল লাগবে। 


*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *পুঠিয়া* *রাজশাহী* *ঘুরেএলাম* *নতুনভ্রমন* *রাজবাড়ী* *ছুটিতেভ্রমন* *ট্রাভেল*

মায়াবতীর ছায়াসঙ্গী: মায়াবতীকে নিয়ে সেই যে শেষ *ঘুরেএলাম* ফয়েজ লেকে তারপর দীর্ঘ দিন বড় দীর্ঘ বেলা পেরিয়ে গেল কোথাও বেড়াতে যাওয়া হলো না তাই অনেক দিন বলা হলো না এই তো সেই দিন ...........থেকে *ঘুরেএলাম*I

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★