চাঁদ

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ছোটবেলা জানতাম
চাঁদ সূর্য দুজন আপন ভাইবোন (খিকখিক)
*চাঁদসূর্য* *চাঁদ*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

[চলছে]...

চান্দের দেশে কেন মানুষ আসলে লো আর্ত অরবিট ছাড়া তেমন বেশি দূরেই যায়নি,এই বিশ্বাস থেকেই আমার কাছে যৌক্তিক কারণগুলোর উপস্থাপণ করছি এবং একই সাথে বিশাল একটা সত্য খোজার চেষ্টা করছি,আশা করি কিছুটা হলেও সফল হব।হাহাহাহা...

দ্বিতীয় সমস্যা, "ভ্যান হেলেন রেডিয়েশান বেল্ট" যা ১৯৫৮ সালে ফিজিসিস্ট ভ্যান হেলেন আবিষ্কার করেন। এই রেডিয়েশান বেল্ট আসলে আমাদের পৃথিবীর যে মেগনেটিক ফিল্ড বা শেলের ভেতর আছে তার কারণেই তৈরী হয়েছে। সূর্য রশ্মির সাথে নানা চার্জ পার্টিকাল থাকে আর সেসব পৃথিবীর মেগনেটিক শেলের কারণে আমাদের ক্ষতি করতে পারে না ঠিকই কিন্তু একেবারে চলেও যায় না।কিছু চার্জ পার্টিকাল এই মেগনেটিক ফিল্ডের মাঝে আটকে যায় এবং একটি রেডিও একটিভ জোন তৈরী করে যা ভ্যান হেলেন রেডিয়েশান বেলট নামে পরিচিত।যেহেতু সূর্য রশ্মির চার্জড পার্টিকাল এই বেল্টের খাবার জোগায় তাই সূর্যের একটিভিটির উপর এই বেল্টের ব্যাপ্তি নির্ভর করে।তাই আজকাল সূর্য নিয়ে নানা গবেষণামূলক কাজের কথা শুনে থাকবেন,কোরোনা, ডার্ক স্পট, কোরোনাল ম্যাস ইজেকশান ইত্যাদি ইত্যাদি।

ভেন হেলেন বেল্ট  দুটো ভাগে বিভক্ত, ইনার বেল্ট (পৃথিবী থেকে ১০০০ থেকে ৮০০০ মাইল) ও আউটার বেল্ট (১২০০০ মাইল থেকে ২৫০০০ মাইল)।ইনার বেল্ট প্রোটন সমৃদ্ধ যা ইলেকট্রণ থেকে অনেক ভারী এবং যে কোন ম্যাটারের সংস্পর্শে আসলে বেশি ক্ষতি করতে পারে বলেই বলেন বিজ্ঞানীরা।(আমি নিজে এর আগা মাথা বুঝিনি,তাই বিস্তারিত লিখতে পারছিনা)। তবে প্রোটনের কারণে "Mass" এর তৈরী হয় বলেই শুনেছি। ২০১২ এর অগাস্টে নাসা-র ভ্যান হেলেন প্রোব আরো একটি রেডিয়েশান বেল্ট আবিষ্কার করে। তবে তা সবসময় স্থায়ী হয় না।যেমন যদি সূর্য থেকে কোরোনাল ম্যাস ইজেকশান হয় তাহলে হয়ত  অতিরিক্ত চার্জ পার্টিকেলের কারণে তৃতীয় বেল্টটি তৈরী হয়। যেমন হঠাৎ করে আসে তেমনি হঠাৎ-ই চলে যায়। তবে বিস্তারিত কিছু আমি ঘেটে দেখেনি তাই ভুল হতেই পারে।হাহাহা...

সুতরাং যদি আসলেই আউটার স্পেইসে যেতে হয় তাহলে আগে সূর্যের গতিবিধি এবং নানা কার্যকলাপের প্রভাব সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে যা এখনো পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না।আমরা এই তো কিছুদিন আগেই কেবল সূর্যের দিকে তাক করেছি কিছু স্যাটেলাইট কেবল সূর্যের সারফেসের কার্যকলাপ দেখার জন্য।এমনকি তিনটি সার্বক্ষণিক স্যাটেলাইট দিয়ে থ্রি ডিমেনশানে দেখার ব্যবস্থাও হয়েছে শুনেছি।হাহাহাহা...মোদ্দা কথা, চাঁদে যাইলাম কেমনে যদি রেডিয়েশান সিকনেসে এস্ট্রনমারদের কেউ মারাই না গেল বা অসুস্থই না হইল।

সুতরাং, চাঁন্দের দেশে যাই নাই...যদি চান্দের দেশ নিয়ে এত ছলা কলা হয় তাহলে আর কি কি নিয়ে জানি ছলা কলা হয়েছে আল্লাহ ভাল জানেন। পৃথিবী আসলে কেমন আকৃতির? এটা নিয়ে কথা বলতেতো ভয়ই লাগতেছে নাকি ভয় করে...হুমমম...

***ভুল হলে বসে বসে মুখ টিপে না হেসে শুধরে দেবেন।আর আদার বেপারীর জাহাজের খবর নিয়ে কি কাজ ভাববেন না।মনে রাখবেন, যত যা সৃষ্টি তার সবটুকু আপনার জন্য তৈরী এবার আপনি কতটুকু কেটে খাবেন সেটা আপনার উপর নির্ভর করে।আদার বেপারী, জাহাজী সেসবের উপর নয়...হাহাহাহা...

*বিজ্ঞান* *মহাশূন্য* *চাঁদেঅবতরণ* *চাঁদ*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

চান্দের দেশে মানুষ কি গেছে নাকি যায় নাই, তা নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক আছে তবে অনেকেই বিশ্বাস করেন আজকাল যে মানুষ আসলে চান্দের দেশে যায় নাই,আমিও সেই দলের।আপনি হয়ত অনেকের মতই বলবেন,তাহলে মানুষ গেছে বলার কি মানে? কেনই বা এত কষ্ট করে এসব করা? আমি নিজেও মাঝে মাঝে এটা ঠিক বুঝি না তবে এটা বলতে পারি, সব জ্ঞান সবার জন্য না; হয়ত তাই কেন কি হয়েছে বা কেন আসলে জানানো হয়নি সেটা পরিষ্কার বলা যাবে না।তবে এটা বলা যেতে পারে, মানুষ হয়ত চেষ্টা করেই ব্যার্থ হয়েছে আর তা ঢাকতেই এত বড় একটা অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।নিজের মুখো বাচলো,প্রেসিডেন্টের চাপও কমলো।

প্রেসিডেন্ট তো আর বিজ্ঞান নিয়ে ব্যস্ত নন,তিনি কেবল নীতি তৈরী করছেন।বিজ্ঞান চলছে বিজ্ঞানীদের হাত ধরে।এখন আমাকে যদি রকেট তৈরী করতে কি কি চ্যালেঞ্জ আছে তা বিজ্ঞানি সারাদিনো বোঝান আমি বুঝব কোন ছাই।আমি প্রেসিডেন্ট হলে কেবল বলব, "এত কিছু জানি না,বুঝতেও চাই না; আমাদের চাঁদে যেতেই হবে সবার আগে"। হাহাহাহা...ব্যাস, বিজ্ঞানীরা আমাকে আর কি বোঝাবে, তার চেয়ে বরং কিভাবে কি করলে নিজেদের মুখও থাকবে আর দেশের পরিচালকের মুখও বাচবে সেটা নিয়ে ভাবা উচিৎ। যদি পরবর্তীতে পরিচালক সাহেব এমন কিছুর সত্যতা আচঁ করেই ফেলেন তখন দরকার হলে তাকেই সরিয়ে দেয়া যাবে।হাহাহাহা...

কল্পকাহিনী বা সত্যের অনুসন্ধান, যা-ই হোক না কেন; মোদ্দা কথা, চান্দের দেশে মানুষ যায়নি। তবে যেসব যুক্তি বা সমস্যা আমার চোখে ধরা পড়েছে তার সাথে চান্দে দুইটা ছায়া দেখার সম্পর্ক নেই এটা বলতে পারি।হাহাহা...

প্রথম সমস্যা, আপনি বর্তমানে "ORION" স্পেইস্ক্রাফট নিয়ে ভিডিও দেখলেই একটা কথা শুনবেন বারবার, "চাদে যাবার পর থেকে এই পর্যন্ত মানুষ লো আর্ত অরবিট ছাড়া আর কোথাও যায়নি"। এমনকি এটাও শুনে থাকবেন, "মানুষ লো আর্ত অরবিট থেকে বেশি দূরে যায়নি"। "লো আর্ত অরবিট" পৃথিবী থেকে ১৬০কিঃমিঃ - ২০০০কিঃমিঃ উপরের একটি অঞ্চল। তাদের ভাষাতেই যদি বলি, " Low earth orbit is an orbit around the earth with an altitude ranging from 160km to 2000km above the earth".

চাঁদ আমাদের থেকে ৩৮৪,৪০০ কিঃমিঃ দূরে অবস্থিত।আমরা চাঁদে গেছি কবে? ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই...কিন্তু এর থেকেও ১০ বছর আগে সোভিয়েত ইউনিয়নের "লুনা-২" চাঁদে গেছে।জ্বি, ১৯৫৯ সালে এবং অবশ্যই মানূষবিহীন। ১৯৫৯ সালের ১লা ডিসেম্বর আরেকটা বিশাল কাজ হইছিল, তা হচ্ছে  "এন্টার্কটিক ট্রিটি" যা ১২টি দেশ (আর্জেন্টিনা, দঃআফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, চিলি, ফ্রান্স, জাপান, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র) এই বলে সম্মতি দেয় যে কোন দেশ বা গভঃ এন্টার্কটিকা নিয়ন্ত্রণ করে না, এক কথায় "নো মেনস ল্যান্ড" ঘোষণা করা হয় এবং ২০১৬ অবধি মোট ৫৩টি দেশ এই ট্রিটিতে সম্মতি প্রদান করেছে। আজিব, তাই না? যেখানে এক টাকা লাভের জন্য আমরা অন্য দেশ দখল করে ফেলতে চাই এনিওয়েতে সেখানে ট্রিটি করে এত বড় একটা কন্টিনেন্ট আমরা 'নো মেন্স ল্যান্ড' বা সবার জন্য ওপেন করে রেখেছি কিংবা সবার থেকে আড়াল করে রেখেছি।

আমার কথা শুনে কেন কেবল বসে থাকবেন। নিজেই ঘেটে দেখুন, এন্টার্কটিকায় ভ্রমণ করতে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার ডলার লাগে এবং আসলে কয়টি প্রতিষ্ঠান এখানে ভ্রমণের ব্যবস্থা রেখেছে এবং তারা কি আসলে ভিন্ন প্রতিষ্ঠান নাকি একটি প্রতিষ্ঠানই নানা নামে ছড়িয়ে আছে।ভ্রমণে কি কি কাভার করে? হাহাহাহা...এন্টার্কটিকা, আমি বা আপনি যা ভাবি আসলে তা না। নানা থিওরি হয়ত শুনবেন ঘাটাঘাটি করলে তবে আমি প্রথম যা শুনে খুবই অবাক হয়েছিলাম তা হচ্ছে, "এন্টার্কটিকার সমুদ্রে সুপেয় পানি" এই কথা শুনে।হাহাহাহা...বরফ বা আইস শেলফ খুবই অবাক করা বিস্ময় রাখে। রাখে চাঁদের মতই ল্যান্ড স্কেপ যা পৃথিবীর জন্ম থেকে আজ অবধি কোন মানুষের পা পড়েনি। এন্টার্কটিকা এমনই বিস্ময় লালন করে,যার সবটুকু বরফে ঢাকা নয় যেমনটা আমরা কল্পণা করি।হাহাহাহা...ড্রাই ভ্যালের ছবি দিলাম।

The Labyrinth (77°33′S 160°48′ECoordinates: 77°33′S 160°48′E) is an extensive flat upland area which has been deeply eroded, at the west end of Wright Valley, in Victoria Land, Antarctica. It was so named by the Victoria University of Wellington Antarctic Expedition (1958–59) because the eroded dolerite of which it is formed gives an appearance of a labyrinth.

To be continued...

*বিজ্ঞান* *মহাশুন্য* *প্রশ্ন* *এন্টার্কটিকা* *চাঁদেঅবতরণ* *চাঁদ*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আজকের চাঁদ

*শখেরফটোগ্রাফি* *ছায়াবতী* *চাঁদ*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

শেষ রাতে (খুকখুকহাসি)

দেখে কি মনে হয় এটা চাঁদ (হিহিহি)

*চাঁদ*

Mahi Rudro: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(শুভরাত্রি)
চাঁদের নিজের কোন আলো নেই সেটা আমরা ভুলেই গিয়েছি।
*চাঁদ* *সুবোধসরকার*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভোরের চাঁদ কিন্তু ভয়ংকর সুন্দর (ঈদেরচাঁদ) (ঈদেরচাঁদ)(ঈদেরচাঁদ)
*চাঁদ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আগামীকাল অর্থাৎ ২৯ আগস্ট ২০১৫, বছরের ৪র্থ সুপারমুন দেখতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী। এ দিন  চাঁদ পৃথিবীর খুব কাছে অবস্থান করবে। সুতরাং বিশ্ববাসী আরো একটি বড় চাঁদ দেখতে যাচ্ছে যাকে আমরা সুপারমুন বলছি।

চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর গড় দূরত্ব দুই লাখ ৩৮ হাজার মাইল বা তিন লাখ ৮২ হাজার নয়শো কিলোমিটার। তবে সুপারমুনের সময় চাঁদের কেন্দ্র থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দূরত্ব থাকে দুই লাখ ২৪ হাজার আটশো ৩৪ মাইল বা তিন লাখ ৬১ হাজার আটশো ৩৬ কিলোমিটারের মধ্যে।

চলতি বছর মোট ছয়টি সুপারমুন রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সুপারমুন পার হয়ে গেছে বছরের শুরুর দিকে। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে দেখা দিয়েছিল তিনটি সুপারমুন। বাকি আরও তিনটি সুপারমুন ২৯ আগস্ট, ২৮ সেপ্টেম্বর ও ২৭ অক্টোবরে দেখা যাবে।

২৯ আগস্ট সার্বজনীন সমন্বিত সময় (ইউনিভার্সাল টাইম কোঅর্ডিনেটেড) ১৮ টা বেজে ৩৫ মিনিটে দেখা যাবে আসন্ন চতুর্থ সুপারমুন। পূর্ণ এ চাঁদকে সুপারমুন বলার আরও একটি কারণ হলো, এসময় চাঁদ অন্য সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বড় ও ৩০ শতাংশ উজ্জ্বল হয়।

পরবর্তী ২৮ সেপ্টেম্বরে হবে এ বছরের সবচেয়ে নিকটবর্তী সুপারমুন। এসময় পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব হবে দুই লাখ ২১ হাজার সাতশো ৫৪ মাইল বা তিন লাখ ৫৬ হাজার আটশো ৯৬ কিলোমিটার।  বছরের শেষ সুপারমুনটি দেখা যাবে ২৭ অক্টোবর সার্বজনীন সমন্বিত সময় ১২টা বেজে পাঁচ মিনিটে।
*সুপারমুন* *চাঁদ*

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমার ভালবাসা
যদি তোমায় আমি চাঁদ বলি ভুল হবে আমার তুমি চাঁদের চেয়েও সুন্দর। যদি তোমায় আমি ফুল বলি ভুল হবে আমার, তুমি ফুলের চেয়েও সুন্দর
*চাঁদ* *প্রিয়* *জীবন*

মোঃআশিকুর রহমান: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আজ চাদ দেখা গেলে কাল ঈদ।না হলে ঈদ রোববার।
আমি কিন্তু ঈদের চাদ বেশতো তে দেখে ফেলেছি!!!!!
*চাঁদ*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

জেগে থাকি আমি আর ঐ একা চাঁদ, আজ ভালো লাগে নিঃসঙ্গ মায়াবি রাত।

মাঝ রাতে চাঁদ যদি আলো না বিলায়, ভেবে নিবো আজ তুমি চাঁদ দেখনি আকাশের নীল যদি আধাঁরে মিলায়, বোঝে নিবো তারে তুমি মনে রাখনি

*চাঁদ* *জেগে-থাকা-রাত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★