চাদর

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চলছে জানুয়ারী মাস। পরিসংখ্যান বলছে জানুয়ারী মাসেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। শীতের এই সময়টাতে হিম হিম বাতাসের সাথে গরম কাপড় আর গরম চা ছাড়া যেন সকালটাই জমে না। এই শীতের মৌসুম ফ্যাশন প্রিয় মানুষদের কাছে খুবই পছন্দের একটি সময়। শীতের হরেক ফ্যাশনের মধ্যে তরুণ-তরুণী সবার পছন্দের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে শাল। এটি শুধু এখন না অনেক আগে থেকেই শালের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে।

শাল নানা ধরনের হতে পারে। কোনোটি হালকা আবার কোনোটি ভারী। বহনে শাল যেমন সহজ তেমনই এটি শীতে আরামদায়ক। শালের ক্ষেত্রে খাদি শাল সবার পছন্দের শীর্ষে। এছাড়া শীতের শালের উপর উলের কাজ কিংবা নানা সুতার কাজ শাল এর মাঝে নিয়ে এসেছে নতুনত্ব।

শাল যে শুধু খাদির হয়ে তা কিন্তু নয়। বর্তমানের ফ্যাশন হাউজগুলো ফ্যাশন প্রিয় মানুষদের কথা চিন্তা করে তৈরি করছে সিল্ক, পশমি সুতা, মোটা সুতি ইত্যাদি কাপড়ের শাল। এসব চাদরে এখন আবার যুক্ত হয়েছে নানা নকশা। তাতে কখনো কখনো যুক্ত হচ্ছে পুঁতি, চুমকি এবং দুই রঙা কাপড়ের ব্যবহার। অফিসে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা বাড়িতে সব জায়গাতেই ছেলেমেয়ে উভয়ের কাছেই শালের চাহিদা সমান।

শালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য শাল হচ্ছে কাশ্মীরি শাল। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এই শাল সংগ্রহ করে। এই কাপড়ে রয়েছে উষ্ণতা তা শীতকে আপনার কাছে থেকে অনেক দূরে রাখে। শালের ক্ষেত্রে বাইরের শালের কদরও কম নয়। নানা রঙের আর ডিজাইনের শালের চাহিদা অনেক। বাইরের দেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশের শালের চাহিদাও কম নয়। মানুষ আগ্রহ নিয়ে দেশীয় পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। দেশে তৈরি শালের মধ্য পশমিনা শাল উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া রয়েছে লুধিয়ানা, জয়পুরি, চায়নিজ, বার্মিজ সহ আরো অনেক শাল।

শীতের শুরু থেকেই শালের গ্রহণযোগ্যতা থাকে অনেক। হালকা শীতে আপনি বাছাই করে নিতে পারেন খাঁদি, তাঁত, গ্রামীণ চেক সহ প্রিন্ট এবং এম্ব্রয়ডারি আর হাতের কাজ করা শাল। এসব শাল আপনি ঘরে পরার পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে পড়ে যেতে পারেন। তবে পার্টির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন ধরনের শাল পছন্দ করা উচিৎ। এসব জায়গার জন্য আপনার পছন্দে রাখতে পারেন সিল্কের, ফেব্রিক্সের উপর নকশিকাঁথার সহ নানা ধরনের ভারী কাজের শাল। আরেকটু জমকালো ভাব আনতে চাইলে তাতে পুঁতি কাঁচ বসিয়ে নিতে পারেন। রঙের ক্ষেত্রে সাদা-কালো, সবুজ, বাদামী, ম্যাজেন্ডা রঙ পছন্দ করতে পারেন।

শালের ক্ষেত্রে রঙের পাশাপাশি এর কাজের প্রতিও সমানভাবে নজর দিন। অনেকে কেবল রঙ আর নকশা দেখে শাল কিনে নেয়। এ কাজটি করা ঠিক নয়। শালের ক্ষেত্রে উষ্ণতার কথা সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। আর এই শীতের হিম শীতল বাতাসকে ঢেকে নিন শালের উষ্ণ পরশে।


বন্ধুরা, ফ্যাশনেবল এই সব শাল আপনি ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমেই কিনে নিতে পারবেন। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইনে শপিংমল আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে হরেক রকমের ফ্যাশনেবল শাল আপনি দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে তাদের কালেকশনগুলো দেখে অর্ডার করতে পারেন। অনলাইনে শাল কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*শীতফ্যাশন* *শাল* *চাদর* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকেরডিলে বৈশাখী বেডশীটবাংলা বর্ষবরণ উৎসবকে ঘিরে চারদিকে কেনাকাটার সাজ সাজ ভাব বিরাজ করছে। যে যার মত পহেলা বৈশাখে নিজেকে সাজিয়ে নেওয়ার জন্য পাঞ্জাবী, ফতুয়া, শাড়ি সহ নানান রকমের বাঙ্গালিয়ানা অনুসঙ্গ বেছে নেবেন। নিজেকে সাজানো পাশাপাশি বৈশাখ উপলক্ষে নিজের ঘরটাকেও সাজিয়ে নিতে ভুল করবেন না অনেকেই। কারণ সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে ।  এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীঠ আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ  সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই বৈশাখে আপনার  ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন  কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই একপলকে।
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে বেডশীড গুলো দেখতে ও কিনতে পারবেন)
 
বৈশাখী বেডশীটঃ
বৈশাখে সারা দিনের ঘোরাঘুরি শেষে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য বৈশাখের আগেই ঘরসাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই। 
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনবেডশীট কেনার পূর্বে  ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে। 
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনমূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুন হালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।
 
বেডশীটটি কিনতে ক্লিক করুনরাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে বৈশাখী সাজে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তাহলে  ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। আজকের ডিলের বৈশাখী আয়োজনে দারুন দারুন সব বৈশাখী বেডশীট পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে বেডশীট কিনতে পারবেন। 
 
বিস্তারিত জানতে ও কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন
*গৃহসজ্জা* *চাদর* *বেডশীট* *স্মার্টশপিং* *বৈশাখীসাজ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিশিরে ভেজা শীতের সকাল। এ সময় ঘর থেকে বের হলে বেশ ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। সন্ধ্যা বেলাতেও ঠান্ডার কমতি হয় না। শীতের শুরুতে এই গরম এই ঠাণ্ডা। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়ে হালকা একটা শাল না হলেই নয়। তবে শালের ক্ষেত্রে ফ্যাশনটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। শাড়ি পরলে ধরনটা একরকম আবার জিন্স বা ফতুয়া পরলে অন্যরকম। হালকা শীতে পাতলা শাল ও চাদর নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

ছেলেমেয়ে উভয়ই এখন শীতের ফ্যাশন হিসেবে চাদর ও শাল ব্যবহার করেন। হিমেল হাওয়া বিকেলটাকে সুন্দর করতে বেছে নিতে পারেন একটি রঙিন শাল। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠতে চাদরও আপনার সুন্দর সঙ্গী হতে পারে। এ বিষয়ে রঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা বলেন, ‘ইদানীং শীতের সময়টা তারুণ্যের কাছে একটা উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাই তাদের কথা মাথায় রেখে রঙে ডিজাইন করা হচ্ছে নানারকম শীত কাপড়ের। হালকা শীতের জন্য তাদের পছন্দ পাতলা চাদর ও বাহারি শাল। এটা ছেলে কিংবা মেয়ে উভয়ই ব্যবহার করতে পারেন সমানভাবে। চাদরের ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে চাইলে এটাকে মাফলার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।’

কর্মজীবী নারীরা যারা শাড়ি কিংবা থ্রিপিস পরেন তারা পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চাদর ও শাল ব্যবহার করতে পারেন। থ্রিপিসের সঙ্গে ওড়না হিসেবে এগুলো বেশ মানানসই। ছেলেরা শার্ট, গেঞ্জি এবং পাঞ্জাবির সঙ্গে শাল পরতে পারেন।

এবারে চাদরের রঙের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে নীল, খয়েরি, কফি, মেজেন্টা, বাদামি, অফ-হোয়াইট ইত্যাদি। আবার অনেক চাদরে দেখা যাচ্ছে দুই পাশে দুই রকম কালার ব্যবহার করা হয়েছে যাতে একটি চাদর ভিন্ন ভিন্ন পোশাকের সঙ্গে পরা যায়। শাল-চাদরের কদর আমাদের দেশে অনেক আগে থেকেই ছিল। কিন্তু তা নিতান্তই বয়সী মানুষের মধ্যে প্রচলিত হয়ে আসছে। কিন্তু এখন তেমনটি নেই। ইদানীং তরুণ ছেলেমেয়ের মাঝেও শাল-চাদরের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ, শাল শুধু একটি বা দু’টি ডিজাইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এর ডিজাইন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে মোটা শাল, পাতলা শাল; যা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে আর ফ্যাশনটাকে আরো বাড়াতে আমরা যত বেশি সম্ভব ডিজাইন সমৃদ্ধ করছি। তাতে থাকছে আলাদা ধাঁচের সব কাপড়। এসব কাপড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।

এর পর বেশি শীতের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে উলেন কাপড়ের শাল। এছাড়া সুতা, চুমকি, পুঁতি, এমব্রয়ডারি, ব্লকপ্রিন্ট, টাইডাই, স্ক্রিনপ্রিন্ট, স্কেচ, কাশ্মীরি শাল এবং জরির কাজ করা শাল তো থাকছেই। আড়ংয়ের বিভিন্ন শো রুমেও দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের শাল চাদর। ক্রেতার সুবিধা সব সময়ই মাথায় রেখে পণ্য বাজারজাত করা হয়। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। বরং কিছু নতুন ডিজাইন আনা হয়েছে, যা বিভিন্নতার পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় সাজিয়ে দেবে শীতের সকাল-বিকেলকে। তাছাড়া প্রত্যেকটি আউটলেটে পাওয়া যাবে হাতের ডিজাইনে কিছু শাল, যা ব্যবহারে অন্যের নজর কাড়বে খুব সহজেই। সেই সঙ্গে শরীরে প্রয়োজনীয় চাহিদা শীত নিবারণ হবে অতি আপন মনে। সিনথেটিক কাপড়ের ওপর হাতের কাজ, পুঁতি বসানো এবং হাতের সেলাই করা বিভিন্ন ফুলের ডিজাইন উঠে এসেছে এবারের ডিজাইনগুলোয়।

ভাবছেন কোথায় পাবেন শীতের শাল :
বঙ্গবাজার, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেট, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, মৌচাক, আজিজ সুপার মার্কেটের নিউমার্কেট, গাউছিয়া ইত্যাদি জায়গায় সাশ্রয়ী দামে পাতলা চাদর ও শালের সন্ধান পাওয়া যাবে। এছাড়াও দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো নিয়ে এসেছে রকমারি চাদরের সম্ভার। এসব ফ্যাশন হাউসে পাওয়া যাবে সাধ্যানুযায়ী পছন্দসই চাদর। এবারের শীতে আড়ং, অঞ্জনস, কেক্র্যাফট, রঙ, দেশাল, নগরদোলা, সাদা-কালো, বাংলার মেলা, প্রবর্তনা, বিবিয়ানা, ওজি, পালকি, ফড়িং, প্রভৃতি ফ্যাশন হাউস নিয়ে এসেছে রকমারি চাদর।

কেমন হবে চাদর ও শালের দরদাম :
নিউমার্কেট, গাউছিয়া এবং চাঁদনী চকে পাতলা চাদর ও বাহারি ডিজাইনের শাল পাওয়া যাবে ৩০০-১০০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া আড়ংয়ে পাতলা চাদরের দাম পড়বে ৬০০-১৫০০ টাকার মধ্যে। কেক্র্যাফটে ৮০০-১৫০০ টাকা, অঞ্জনসে ৩০০-৫০০ টাকা, রঙে ৪০০-৫৫০ টাকা, দেশালে ৩৫২-৫০০ টাকা, সাদা-কালোতে ৭৫০-১৫০০ টাকা।
(দরদাম ও স্থান সমূহের নাম সংগৃহীত)

*শাল* *শীতেরফ্যাশন* *চাদর*

আশিকুর রাসেল: টিভিতে দেখলাম সারাদেশ নাকি নিরাপত্তার চাদরে ঢেখে ফেলা হয়েছে...চিন্তা করতেছি শীত তো আইয়াই পরছে প্লাস দেশের ও যেই অবস্থা একটা নিরাপত্তার চাদর কিন্নাই ফালামু...কেউ কি কইতে পারেন এই জিনিস কই পাওয়া যাই?? (শয়তানিহাসি)

*নিরাপত্তা* *শীত* *শীতেরসকাল* *সারাদেশ* *চাদর* *শীতবস্ত্র*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★