চিকিৎসা

চিকিৎসা নিয়ে কি ভাবছো?

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কাপিং কি ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*কাপিং* *কাপিংপদ্ধতি* *চিকিৎসা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ভারতে চিকিৎসার জন্য ইমার্জেন্সি মেডিকেল ভিসার আবেদন কোথায়, কিভাবে করতে হবে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ভারত* *চিকিৎসা* *ইমার্জেন্সিমেডিকেলভিসা* *মেডিকেলভিসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন স্নায়ুজাত ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে শিশুর ‘ভাষা বিকাশ’ পর্বটি পরিপূর্ণ না-ও হতে পারে। অথবা তার বিকশিত ভাষার দক্ষতাটি হারিয়েও যেতে পারে। ভাষাগত সমস্যা শুধু এখনকার নয়, সব যুগেই এ সমস্যা ছিল। তবে বিষয়টি সম্পর্কে মানুষ তেমনভাবে সচেতন ছিল না।

কোনো কারণে যদি আপনার শিশু ‘ভাষা সমস্যায়’ ভোগে, তাহলে নিচের উপসর্গগুলো দিয়ে খুব সহজেই বোঝা যাবে—
* মানসিক অবস্থা ও আবেগ প্রকাশে সমস্যা বা আচরণগত সমস্যা
* কথা বলার সময় বিপরীত ব্যক্তির চোখে চোখ না রাখা
* ভাষা অনুধাবনে তাৎপর্যপূর্ণ ঘাটতি
* শিশুর আয়ত্ত করা শব্দের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম হবে। বিশেষ করে, ‘যাই’, ‘করি’, ‘খাই’ ইত্যাদি বৈচিত্র্যময় ক্রিয়াপদের সংখ্যা নেই বললেই চলে।
* সংলাপ চালিয়ে যাওয়ায় সীমাবদ্ধতা
* সমবয়সীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশতে সমস্যা
* কিছু স্বর বা শব্দ বারবার বলা
* প্রতীকী খেলায় অপারগতা

স্বাভাবিক শিশুর ক্ষেত্রে চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই ভাষার মৌলিক কাঠামো গড়ে ওঠে, তবে শব্দাবলি আয়ত্তকরণের প্রক্রিয়াটি পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পরও চলতে থাকে।
মনে রাখতে হবে, কোনো শিশু চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে দৈনিক পাঁচ থেকে দশটি শব্দ দিয়ে পরিবেশ এবং প্রতিবেশ অনুযায়ী যদি মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারে, তাহলে তা উদ্বেগজনক। এ ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

সুত্র:প্রথম আলো

*শিশু* *ভাষা* *সমস্যা* *চিকিৎসা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের (আইএআরসি) সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১২ সালে বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ ২৪ হাজার এবং প্রতি বছর আরও ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।

 

 

বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হার কাছাকাছি হলেও সচেতনতার দিক থেকে নারীরা অনেক পিছিয়ে আছেন। । নারীদের মধ্যে যেসব ক্যান্সারের মূলত বেশি প্রকোপ দেখা যায় সেগুলো হল স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার। আমাদের দেশে নারীরা লজ্জা পেয়ে বা অবহেলা করে এসব ক্যান্সার পরীক্ষা করাতে চান না। এতে করে অনেক ক্যান্সার রোগী সময়ের অনেক পরে গিয়ে জানতে পারেন তার ক্যান্সার আছে কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।ক্যান্সারের চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল এবং প্রতিবছর অনেক নারী এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছে তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে ক্যান্সারের প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। সুস্থ থাকা যায়।

টোব্যাকো বা ধূমপান ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। বর্তমানে বাংলাদেশে মেয়েদের মধ্যেও ধূমপানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। তামাক এবং ধূমপান ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। ধূমপান ছেড়ে দিলে শুধু ক্যান্সারে রিস্কই কমবে না, এর সাথে সাথে হৃদরোগ এবং গর্ভাবস্থার অনেক জটিলতাও কমে যাবে। এখানে জেনে রাখা ভালো যে গর্ভবতী নারীর জন্য নিকোটিন খুবই ক্ষতিকর।

জরায়ু মুখ ক্যান্সারের ক্ষেত্রেঃ

জরায়ুমুখ ক্যান্সার ( Cervical cancer) নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর ৫০ লক্ষাধিক নারী নতুন করে আক্রান্ত হন (প্রেক্ষিত ২০১০)। তাই সঠিক সময়েই ভ্যাক্সিন নিয়ে নিন। সাধারণত ১৫ বছর বয়সের পর থেকেই জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধক টিকা নেয়া যায়। মোট তিন ডোজ টিকা নিতে হয় প্রথম ডোজের এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ এবং প্রথম ডোজের ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ টিকা নিতে হয়। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা করালে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের আক্রমণ হার কমিয়ে আনা যায়।

টিকা ছাড়াও সার্ভিকাল ক্যান্সার থেকে বাচার উপায় হল নিয়মিত স্ক্রিনিং। স্ক্রিনিং এর ফলে এই ক্যান্সার প্রথম দিকে ধরা যায়, ফলে সহজে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়। সারভাইকাল ক্যানসারের স্ক্রিনিং এর জন্য ৩০ বছর বয়স থেকে (অথবা বিয়ের পাঁচ বছর পূর্ণ হবার পর থেকে) প্রতি তিন বছর পর পর নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ভায়া (VIA: Visual inspection by acetic acid) পরীক্ষা করানো উচিত। বাংলাদেশে বেশিরভাগ সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে এই স্ক্রিনিং করা হয়। তবে ৬৫ বছরের পর এই ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়, সুতরাং তখন আর নিয়মিত এই স্ক্রিনিং করানোর প্রয়োজন নেই।

স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রেঃ
যত দ্রুত স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়, তত দ্রুত তার ভয়াবহতার মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব।আপনার স্তনে যদি কোনো ধরনের অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সতর্ক হবেন যখন দেখবেন:

- স্তনের ভেতর কোন কিছু জমাট বেঁধে আছে বলে মনে হচ্ছে, কোনো মাংসপিণ্ডের মতো যা আগে ছিল না। এটা ছোট কিংবা বড় হতে পারে, অনেক সময় বাইরে থেকে দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে অনুভূত হয়। বিশেষ করে একটি স্তনে এমন হলে।

- স্তনের চামড়ায় কোনো ধরনের পরিবর্তন দেখা দিলে, যেমন, কুঁচকে যাওয়া, গর্ত হয়ে যাওয়া, কালশিটে পড়া/ ঘা হওয়া, স্তনের রঙ বদলে যাওয়া, লালচে র‍্যাশ হওয়া, স্তনের চামড়া ওঠা ইত্যাদি।

- স্তনবৃন্তে পরিবর্তন আসা, যেমন, বৃন্ত ভেতরে ঢুকে যাওয়া, শক্ত হয়ে যাওয়া, ঘা হওয়া কিংবা অস্বাভাবিক লালচে রঙ দেখা দেওয়া।

- স্তনবৃন্ত থেকে কোনো ধরনের তরল নিঃসৃত হওয়া

-স্তনে ক্রমাগত ব্যাথা, টনটনে ব্যাথা

নির্দিষ্ট সময় পর পর মেয়েদের উচিত নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা। ইউটিউবের সাহায্যে এখন ঘরে বসেই স্তন পরীক্ষা করার উপায় শিখে নেয়াযায়। আপনি নিজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে দেখতে পারেন স্তন ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ আপনার মাঝে আছে কিনা। যদি কোনো লক্ষণ দেখা যায় বা স্তনের আকৃতিতে হঠাৎ কোন পরিবর্তন দেখতে পান তবে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন । যাতে করে কোনো বিপদের সম্ভাবনা থাকলে সঠিক সময়েই তা শনাক্ত করে তার প্রতিকার নেয়া সম্ভব হয়। কারণ ক্যান্সারের শনাক্তকরণ যদি শুরুর দিকেই করা যায় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে সহজেই তা নিরুপণ সম্ভব হয়। ক্যান্সার বর্তমান বিশ্বের অত্যান্ত ভয়াবহ একটি রোগ। এখানে খামখেয়ালির কোনো সুযোগ নেই। কোন সন্দেহ থাকলে, কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অতিসত্তর ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ক্যান্সারের কারণে প্রিয়জনেরা কখনোই হারিয়ে যাক, এটা আমাদের কারোই কাম্য নয়। তাই সচেতনতার শুরু হোক পরিবার থেকেই।

*চিকিৎসা* *নারী* *ক্যান্সার* *টিপস* *স্বাস্থ্য* *সচেতন* *বাংলাদেশ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বয়স্ক ব্যক্তিদের কানে কম শোনা রোগের কি ধরণের চিকিৎসা হতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*বয়স্কব্যক্তি* *কানেকমশোনা* *প্রবীণস্বাস্থ্য* *চিকিৎসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কলিকাতা হারবালে গিয়ে কইলাম দুর্বল বড্ড দুর্বল !
-একটু চেকাপ করে দেখি ?
.
এই মিয়া ঐ দিকে হাত দিয়েন না !
-আপনি তো কইলেন দুর্বল ! বড্ড দুর্বল !
.
আমি ওর প্রতি দুর্বল
-তো কতক্ষণ সবল ?
.
সারাক্ষণ ই দুর্বল !
-বিয়ে করছেন কতদিন হয় ?
.
দূর মিয়া ! কি ডাক্তারি করেন ! বিয়ে করলে কি আর দুর্বল থাকি !
-তো পরকীয়া করছেন ?
.
আরে আমি দুর্বল ! বড্ড দুর্বল ! আমি ওর প্রতি দুর্বল ! মাই হার্ট ইজ গোয়িং অন !
-ও বুজছি ! প্রেমে পড়েছেন !
.
ডাক্তার সাব বাঁচান বড্ড দুর্বল আমি বড্ড দুর্বল !
-আগে বিয়ে করে পরে আসেন !
.
এই নেন আমার ভিজিটিং কার্ড !
.
ঔখানে লেখা,
আপনি কি দুর্বল ! বিশেষ মুহূর্তে দুর্বল ! এক মূহূর্তেই সমাধান !

*রসিকতা* *কলিকাতাহারবাল* *চিকিৎসা* *দূর্বল* *প্রেম* *জোকস*

সাইফুল ইসলাম: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*চিকিৎসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গর্ভবতী অবস্থায় ঔষধ গ্রহণ :- গর্ভাবস্থায় শিশুর মা যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই নানা প্রকার ঔষধ খেতে থাকে, তা শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। অনেক ঔষধ ভ্রুনের অঙ্গ সৃষ্টিতে বাঁধার সৃষ্টি করে ফলে শিশু যে কোন ধরনের বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধিতা নিয়ে জন্ম গ্রহণ করতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টি :- গর্ভবতী মা যদি দীর্ঘদিন যাবৎ রক্তাল্পতায় ভোগেন, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার না খান তবে ভ্রুনের গঠনগত বিকলাঙ্গড় দেখা দেয়, মস্তিস্কের বিকাশ ব্যাহত হয়, ফলে শিশু বিকলাঙ্গ অথবা প্রতিবন্ধী হয়। দেখা যায় এই কারণেই বাংলাদেশে ৩৭ শতাংশ নবজাতক কম ওজন নিয়ে জন্মায় এবং তাদের অর্ধেকেরই মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে জন্মের প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের রোগসমূহ :- গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসে মা যদি যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, জার্মানহাম, চিকেনপক্স, মাম্পস, রুবেলা ভাইরাস, এইডস ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হন তবে গর্ভস্থ শিশুর উপর তার প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর হয়। এর ফলে শিশু শারীরিকভাবে বিকলাঙ্গ ও মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। এ ছাড়া মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ, কিডনির সমস্যা, থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা প্রভৃতি শারীরিক অবস্থায় গর্ভস্থ শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে।

মায়েরা ফরমালিন দেয়া খাদ্য খেলে :- মায়েরা ফরমালিন দেয়া খাদ্য খেলে বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নিতে পারে। এর পাশাপাশি সন্তানেরা বোকা হাবা-গোবা হয়ে যেতে পারে।

মায়ের বয়স :- গর্ভধারনের সময় মায়ের বয়স কম বা বেশি দুটিই শিশুর জীবনের জন্য ঝুঁকি পূর্ণ। অপরিণত বয়সে প্রজণন অঙ্গের বিকাশ সম্পূর্ণ হয় না। তাই অপরিণত বয়সে মা হলে ত্রুটিপূর্ণ শিশু জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার বেশি বয়সে অন্ত:ক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যাবলি হ্রাস পায়। তাই ৩৫ বৎসরের পর যে সব মহিলা প্রথম সন্তান জন্ম দেন, সে সব শিশু বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধী হওেয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

গর্ভাবস্থায় ঘণ ঘণ খিঁচুনি :- গর্ভাবস্থায় মা যদি ঘন ঘন খিঁচুনি রোগে আক্রান্ত হন তবে গর্ভস্থ শিশুর শরীরে অক্সিজেনের অভাব ঘটে ও তার মস্তিস্কের ক্ষতি করে। ফলে শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী বা বিকলাঙ্গ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় তেজস্ক্রিয় পদার্থের প্রবেশ :- গর্ভাবস্থায় বিশেষত প্রথম তিন মাস এক্স-রে বা অন্য কোনো ভাবে মায়ের দেহে যদি তেজস্ক্রিয় রশ্মি প্রবেশ করে তবে গর্ভস্থ ভ্রুণের নার্ভতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী বা বিকলাঙ্গ হয়।

মা বাবার রক্তের Rh উপাদান :- মা যদি Rh পজেটিভ আর বাবা যদি Rh নেগেটিভ হয় তা হলে গর্ভস্থ সন্তানের Rh পজেটিভ বা নেগেটিভ হতে পারে। মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মধ্যে যদি মিল না থাকে তবে তাকে Rh অসংগতা Rh Incompatiability বলা হয়। এতে মৃত সন্তান হয়। আর যদি শিশু বেঁচে যায় তাহলে পক্ষাঘাতগ্রস্থ বা মস্তিস্কের ত্রুটি নিয়ে জন্মায়।

*স্বাস্থ্যতথ্য* *চিকিৎসা* *মা* *সন্তান*
*চিকিৎসা* *মা* *সন্তান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিডনি রোগ একটি নীরব ঘাতক। আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। মানুষের শরীরে দুইটি কিডনি থাকে যেগুলো শরীরের পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং বিভিন্ন দূষিত পদার্থ ছেঁকে ফেলে। বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিবছর অনেক মানুষ এই রোগে মৃত্যুবরণ করে। এই ধরণের রোগের চিকিৎসাও বেশ ব্যয়বহুল। তাই আগে থেকেই কিডনির যত্ন নেয়া উচিত। আসুন জেনে
নেয়া যাক কিডনি ভালো রাখার ১০টি উপায়।
লবণ কম খান
খাবারে অতিরিক্ত লবন খাওয়া কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের শরীরে প্রতিদিন মাত্র ১ চা চামচ লবণের চাহিদা থাকে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত লবন খাওয়া পরিহার করার অভ্যাস করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খান
প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়া উচিত। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে পানি খাওয়ার পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে কিডনিতে পাথর হয়না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে।
অতিরিক্ত প্রানীজ প্রোটিন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
গরুর মাংস, শুকরের মাংস ইত্যাদি খেলে কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এমনকি চিপস, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ইন্সট্যান্ট নুডুলস এবং লবণ দিয়ে ভাজা বাদামও কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। খাবার তালিকায় অতিরিক্ত প্রোটিন থাকলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং কিডনির দূর্বল কোষ গুলোর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রানীজ প্রোটিন এড়িয়ে মাছ বা ডাল জাতীয় প্রোটিন রাখুন খাবার তালিকায়।
রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখুন
রক্তচাপ ১৪০/৯০ এর উপরে থাকলে কিডনির সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কিডনি ভালো রাখতে রক্তচাপ সবসময় ১৩০/৮০ অথবা এর কম রাখার চেষ্টা করুন। রক্তচাপ কমিয়ে রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করা ও লবণ কম খাওয়া জরুরী।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে কিডনির রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত রক্তের সুগারের পরিমাণ পরীক্ষা করান। সুগার বেশি থাকলে মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান থাকুন
কম বেশি প্রায় সব ওষুধই কিডনির জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে ব্যথা নাশক ওষুধগুলো কিডনির জন্য একেবারেই ভালো নয়। নিয়ম না জেনে নিজে নিজে ওষুধ কিনে খেলে আপনার অজান্তেই কিডনির বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই যে কোনো ওষুধ খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।
প্রয়োজনের বেশি ভিটামিন সি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
মানুষের শরীরে প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিন সি এর প্রয়োজন নেই। নিয়মিত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম বা এর কম ভিটামিন সি গ্রহণ করুন।
কোমল পানীয় ত্যাগ করুন
অনেকেই পানির বদলে কোমল পানীয় বা বিভিন্ন রকমের এনার্জি ড্রিঙ্কস খেয়ে থাকেন। এ ধরণের পানীয় গুলো কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই কোমল পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং যখনই তৃষ্ণা পায় পানি খেয়ে নিন।
ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন
ধূমপান ও মদ্যপানের কারণে ধীরে ধীরে কিডনিতে রক্ত চলাচল কমে যেতে থাকে এবং এর ফলে কিডনির কর্মক্ষমতাও হ্রাস পায়। ফলে ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ী ব্যক্তি এক পর্যায়ে গিয়ে কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়।
কিডনীর পরীক্ষা করান
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন অথবা পরিবারের কারো কিডনি সমস্যা থাকলে কিডনি রোগ হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। যাদের কিডনি রোগের ঝুকি আছে তাদের অবশ্যই নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো উচিত।

*স্বাস্থ্যতথ্য* *কিডনি* *সুস্থতা* *টিপস* *চিকিৎসা*
*কিডনি* *সুস্থতা* *টিপস* *চিকিৎসা*

Risingbd.com: ‘আই লাভ ইউ’ বলে ক্যানসার থেকে মুক্তি! ‘আই লাভ ইউ’ বলতে বলতে এক ব্যক্তি ক্যানসার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। ক্যানসার ধরা পড়ার পর তিনি কোনো চিকিৎসা করাননি। কি আশ্চর্য! মারণব্যাধি ক্যানসার....বিস্তারিত-http://bit.ly/1QY6Mkx

*ক্যানসার* *আইলাভইউ* *রোগমুক্তি* *মরণব্যাধি* *চিকিৎসা* *বেশম্ভব* *ভাগ্য*

নিরাপদ নিউজ: পঞ্চম শ্রেণি পাস কবিরাজের অদ্ভুদ চিকিৎসা! মৌলভী বাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার জালালপুর গ্রামে তার বাডি়। হিন্দুদের কির্তন থেকেই তার কবিরাজি জ্ঞানের সূত্রপাত। বাহিরে সাটানো বড় প্যান্ডেল। চারিদিকে ....বিস্তারিত - http://www.nirapadnews.com/2015/12/10/news-id:113727/

*কবিরাজ* *চিকিৎসা* *এক্সক্লুসিভ* *যান্ত্রিকজীবন* *সচেতনতা*

ভিনদেশী তারা: *চিকিৎসা* -দোস্ত, তুই তো ডাক্তার হবি তাই না ? :হুম হবো -সার্জন হবি তো তাই না ? :হুম হবো,ক্যান ?? -নাহ মানে তাইলে ভালই কামাবি :হুম,তো ? -নাহ তাইলে তরে বিয়া কইরা ফালামু ! বাচ্চাগোর টিচারের খরচ , ঘরের বুয়ার খরচ , ডাক্তারের খরচ সবই বাচব ! : কি কইলি!(রাগী)(কিবল্লা)(খাড়াআইতাসি)

খবর

Online Khobor: একটি খবর জানাচ্ছে

যেভাবে বুঝবেন আপনার শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক আছে - Online Khobor
http://onlinekhobor.com/health/news/31363
অনলাইন খবর ডটকমঃ  রক্তসঞ্চালন দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে ঠিকভাবে ...বিস্তারিত
*স্বাস্থ্য* *স্বাস্থ্যবার্তা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথ* *হেলথটিপ্স* *হেলথটিপস* *চিকিৎসা* *ডাক্তার* *হাসপাতাল* *রক্তচাপ* *অনলাইনখবর*
১৯৯ বার দেখা হয়েছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★