চিঠি

নিপু: কতবছর পার হয়ে গেছে কোন চিঠি আসে না আর আমাদের ঠিকানায় ! কাগজের ওপর কালিতে লেখা আবেগ জড়ানো শব্দ গুলো ছুঁয়েও দেখা হয় না তাই ! আমরা আর কেউ কাউকে লিখি না, সময়ের বড্ডো অভাব, আর তার থেকেও বড় কথা চিঠি বহু পুরোনো হয়েগেছে- দ্রুত গতির প্রযুক্তি গ্রাস করেছে, নান্দনিক এক যোগাযোগের শিল্পকে ! আহা- কত বছর পরেও মৃত বাবার চিঠি ছুঁয়ে পড়তে পারতো ছেলেটা, আর অকালে চলে যাওয়া মেয়েটার চিঠি দিয়ে ছুঁয়ে দিতে পারতো মা ! সময় আর নেই চিঠির জন্য, আমরা আর কেউ লিখিনা কাউকে !

*চিঠি*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নীলাদ্রিতা,

শেষ বিকেলে তুমি লাজুক হেসে বলেছিলে, 'আমি আপনার বন্ধু হতে চাই।'

আমি বলেছিলাম, 'কোন সমস্যা নাই।'

দেখলাম, তুমি অবাক চোখে ভাবলে আমায়। কিছু বললে না। বুঝলাম, আমার উত্তরটা অদ্ভুত হয়েছে। আমার নিজের কাছেই এটা ছিল অদ্ভুত।

যাই হোক, এরপর তুমি কত কথা বললে। আমি শুনলাম। আর হাসলাম। ‍তুমি রেগে যেতে। অভিযোগ করতে, আমি কেন হাসলাম। আমার শুধু হাসি পায়, বললাম।

তারপর আমাকে কত গান শুনালে, শুনালে কত কবিতা। তুমি জানতে, আমি গান ভালবাসি, ভালবাসি কবিতা।

আমি মুগ্ধ হতাম। হতাম বিষ্মিত। কারন, আমার ভাল লাগার ছন্দ, সুর তুমি শোনাতে আমায়।

ভাবতাম। কে তুমি?

কিন্তু বলতাম না। জানি না কেন। এ নিয়ে আমি চিন্তিত ছিলাম না। নিদেনপক্ষে ভাবতামও না।আমার এ উদাসীনতা কি তোমাকে পোড়াত? জানি না।

অনেক দিন পরে তুমি এলে। অভিযোগের পাহাড় নিয়ে।

অভিযোগ, আমি কেন কথা বলি না।

আসলে আমি জানি না। আমি কেন কথা বলি না।

বোকার মত প্রশ্ন করেছিলাম, কেন কথা বলব?

এর উত্তরে তুমি যা বলেছিলে তাতে আমি হলাম, অশিক্ষিত, অমানুষ। তুমি উপদেশ দিলে, মানুষকে মানুষ হিসেবে ভাবতে।

এই বলে তুমি চলে গেলে। চলেই গেলে।

আমি রয়ে গেলাম নির্বাক; নিশ্চুপ।

তুমি আর এলে না।

সেদিন ছিল বসন্ত দিন।

তোমাকে বাসন্তীর বসনে দেখা হল না।

ভাল থেকো-

বসন্ত আসুক ফিরে বারে বারে তোমার কাছে।।

ইতি............

ক্ষ্যাপাটে ছেলে

*চিঠি* *ক্ষ্যাপাটে* *নীলাদ্রিতা* *ভালোবাসা* *আবেগ* *অভিমান* *অভিযোগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: চিঠি দিয়েছিলাম, পেয়েছো কি? জানি পাওনি পাবে কি করে! লিখেছি তো মনের খাতায়, অদৃশ্য রঙ তুলির আঁচড়ে তোমার সাথে তো আমার টেলিপ্যাথি সংযোগ নেই থাকলে ঠিক পেয়ে যেতে!

*টেলিপ্যাথি* *চিঠি* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর একটি গান আছে, 'ভাল আছি ভালো থেকো ! আকাশের ঠিকানায় চিঠি লেখো !' . ঠিকানা যখন আকাশ আর কল্পনা আমার চিঠি আমি লিখবো যাকে খুশি তাকে লিখবো !

*চিঠি* *রুদ্র* *আকাশ* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: এমন কিছু চিঠি আছে কখনো পোস্টও করা হয়না কখনো বলতে চেয়েও বলা হয়না ! সবার জীবন এমন কিছু মানুষ থাকে যাদের কখনো বলতে গিয়েও বলা যায় না ভালবাসি ! বড্ড ভালবাসি !

*ভালোবাসা* *মানুষ* *আবেগ* *চিঠি*

ওম: [শীত-শৈত্যপ্রবাহ] -------------------------------মিথ্যা আহব্বান !(শয়তানিহাসি)------------------------ প্রিয় শৈত্যপ্রবাহ(কিলক্ষ্মী), আমি (বস)প্রস্তুত তুমি কবে আসবে জানি না(চিন্তাকরি), কিন্তু আসবে আমি জানি এরই মাঝে হয়তো একদিন সকালে দেখবো তুমি এসে অলরেডি ভর করে ফেলেছো | গাছ-পালা সব নিঝুম বৃষ্টির মতো চুপসে থাকবে আর আমি দেরি করে ঘুম (হাইতুলি)থেকে উঠে বলবো ... ইশ আজ বাহিরে কি ঠান্ডা! সেদিন হয়তো আবার তোমায় বলতে হবে ছেড়ে দে মা কাইন্দে বাঁচি (ছেড়েদেশয়তান)

*চিঠি* *ঠান্ডারআহব্বান* *ফান* *শীত* *আড্ডা*

NatunSomoy : [পিরিতি-ভালোবাসারসংগ্রাম]প্রেমিকার কাছে ক্ষমা চেয়ে ‘জঙ্গির’ আবেগময় চিঠি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে `জড়িয়ে পড়লেও অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে রয়েছে তার গভীর প্রেম। অন্যদিকে নেতার হুকুম পালনে সাহজামাল বদ্ধপরিকর। এরকম এক পরিস্থিতে... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/2a7xhoE

*আড্ডা* *যান্ত্রিকজীবন* *প্রেম* *জঙ্গিরপ্রেম* *চিঠি* *ক্ষমা*

হোস্টিং বাংলাদেশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কয়েকদফা ঘোষণা দেয়ার পরও ডটবাংলা চালু করতে পারেননি টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ডোমেইন ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন্ড নেইমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইক্যান) এর অনুমোদনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কমার্স সেক্রেটারির কাছে চিঠি লিখেছেন প্রতিমন্ত্রী।

২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ডোমেইন হিসেবে ‘ডটবাংলা’ কার্যকর করতে আইক্যানের কাছে আবেদন করেছিলেন। বাংলাদেশের আবেদনের পর সংস্থাটি বাংলা ভাষাকে মূল্যায়ন করে। এরপর ইন্টারনেট অ্যাসাইনড নাম্বারস অথোরিটি (আইএএনএ) ২০১১ সালের ৩০ মার্চ ইন্টারন্যাশনালাইজড ডোমেইন নেইমে (আইডিএন) লেখার ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়।

এর পর এই ডটবাংলার দায়িত্ব কে নেবে সে বিষয়ে আইডিএনের কাছে আবেদন করে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াটি অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তই নেয়া হয়নি। ২০১৫ সালের জুন মাসে এসে ডট বাংলা ডোমেইনে বাংলাদেশ কর্তৃত্ব হারিয়েছে বলে খবর বের হয়। এরপর সরকার নড়েচড়ে বসে। গত বছরের ২৮ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ডোমেস্টিক নেটওয়ার্কিং কো-অর্ডিনেশন কমিটির (ডিএনসিসি) বৈঠকে বিটিসিএলকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে ডট বাংলার গতি হয়। এর তত্ত্বাবধানকারীর দায়িত্ব পায় বিটিসিএল। যদিও গত ৪ বছর ধরে অভিভাবকহীন ছিল ডট বাংল‌‌‌া।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের আগস্টে ঘোষণা দেয়া হয় ১৬ ডিসেম্বর ইন্টারন্যাশনালাইজড ডোমেইন নেইমে (আইডিএন) বাংলার(ডটবাংলা) উদ্বোধন করা হবে। পরে ১৭ নভেম্বর বিটিআরসির সঙ্গে এক বৈঠকে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন শুরুর কারণে ১৬ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এটি উদ্বোধন হবে। কিন্তু অনুমোদন না মেলায় ডোমেইনটি এখনও চালু হয়নি।

*ডটবাংলা* *ডোমেইন* *যুক্তরাষ্ট্র* *চিঠি*

শারমিন বীথি: যদি এমন হয়..... এমন কোন কথা বলতে মন চায়, যা সামনে বলতে মাথা কাটা যায়-- তবে *চিঠিলিখো*। . কাগজ কলম না পেলে না হয় 'বেশতো'-র চকপোস্টেই লিখো। (খিকখিক)

*চিঠি*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১২ ফেব্রুয়ারী বাবার ৪৪ তম জন্মদিন। বাবাকে লেখা আমার একটি ছোট্ট চিঠি ...

শুভ জন্মদিন বাবা, জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা এবং ভালবাসা রইল। তুমি কেমন আছ জানি না  তবে আমি ভালো নেই i miss you ..


জানি প্রতি বছরই তোমার জন্মদিন আসবে প্রতি বছর আমিও তোমার কথা ভেবে মন খারাপ করবো শুধু তুমি আসবে না আর ফিরে। 

এখন আর আমি  কারো সাথে অভিমান কিংবা অভিযোগ করবো না, করবো না নতুন কোন আবদার কারণ তুমি নেই। ঘরের ছাদের চেয়ার গুলো যেমন ছিল তেমনই থাকবে, শুধু থাকবে না চায়ের কাপ। শুনেছি বুবু নাকি এখনো মাঝে মাঝে ভুল করে ছাদে চা নিয়ে যায়। উপরে কাউকে না পেয়ে মনখারাপ করে নিচে চলে আসে। বুবু এখন আর আগের মতো চাপা অভিমান করে না,  অনেক ভাল হয়ে গেছে। 


আর মায়ের ও অনেক পরিবর্তন হয়েছে, এখন আর কাউকে কিছু বলে না। সারাক্ষণ কি যেন ভাবতে থাকে ধ্যানমগ্ন হয়ে। আমিও এখন অনেক ভাল হয়ে গেছি আগের মতো একদম নেই। জীবনের মানে কি সেটা বুঝতে শিখেছি তোমাকে হারিয়ে।  

ইতি
___ সাদ
১২-২-২০১৫


.



*শুভজন্মদিন* *জন্মদিন* *বাবা* *চিঠি* *আমারবাবা*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

হাতে লেখা চিঠি

(হাসি২)

*চিঠি* *ফটোরঙ্গ* *ছায়াবতী*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

...করোনা তুমি, দোহাই লাগে তোমার... আর যাই করো বেঈমানী করোনা, তোমার আত্মার সাথে। তোমার মন কি চায়, আগে জিজ্ঞেস করো, খুব ঠান্ডা মাথায় ভেবে তুমি ঠিক করো। যা তুমি করছো, তা কি তুমি চাও? তোমার আত্মা যেটা চায়, সেটা যদি করো, তাহলে তুমি ঠিকই আছো। আর যদি তোমার আত্মা যা চাইছে, তুমি নানা অজুহাতে, বিভ্রান্তি কিংবা শংকায় ভুগে করতে পারছো না, করছো না; তাহলে প্লিজ তুমি এখনই নতুন করে ভাবো, সাহস সঞ্চার করো। তোমার চারপাশের সবাই তোমাকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। দোহাই লাগে, ছলনা করোনা, ছলচাতুরী করোনা, মিথ্যার আশ্রয় নিওনা। এই জগতের আর কেউ না হোক, তোমার নিজের কাছে তো জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা থাকা চাই। যদি আমি সেই স্বচ্ছতা তোমার কাছ থেকে আশা করে থাকি কিংবা দাবি, আর তা যদি আমার ভুল হয়, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

করজোরে তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আর কখনো বলবো না, তোমার কি করা উচিৎ, কোনটা ঠিক, কোনটা ভালো অথবা মন্দ। তোমার পূর্ণ স্বাধীনতা এবং স্বার্বভৌমত্ব দিয়ে, তোমার মত করে তোমাকে চলবার অধিকার দিয়ে আমি শুধু চেয়েছিলাম একটু স্বচ্ছতা থাকুক আমার কাছে, কিছু না লুকোতে হোক আমার কাছে। কোন কিছুর অজুহাতে কেন তুমি যা করছো, তা লুকোতে হবে আমার কাছে? কেন তুমি যা করছো তার কোন ব্যাখ্যা নেই। অথবা ব্যাখ্যা আছে ঠিকই তোমার কাছে, কিন্তু তুমি যা বলছো তা মিথ্যে। কেন মিথ্যা কথায়, মিথ্যা আবেগে, মিথ্যা স্বপ্নে তুমি প্রকাশিত আমার কাছে?

ভয় পেয়োনা, তুমি তোমার চাওয়া-পাওয়ার স্বপ্ন সম্ভাবনায় এগিয়ে যাবেই। শুধু আশা করি তুমি যেন সত্যি সত্যি তোমার মনের ভেতরের কথা, হৃদয়ের আওয়াজ-আকাঙ্খা, আত্বার প্রতিধ্বনি বিবেচনা করতে পারো। যাতে কোনদিনই আর এমন করে আত্মার সাথে বেঈমানী করতে না হয়। আমি নেই তোমার দৃষ্টিসীমায়, ভালোবাসার যে সৎ-স্বচ্ছ-সত্য-প্রতিশ্রুতিশীলতার শিক্ষা নিয়েছি, সেই পরিচ্ছন্ন ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকা অথবা হতাশার কালো মেঘে ঢেকে যেতে, হারিয়ে যেতে, তোমাদের দুনিয়া ছেড়ে চলে যাওয়া আমার ভবিষ্যৎ। তোমার আগামী দিন আলোকিত হোক, হোক স্বর্নময়। ভালো থেকো!

লিখেছেনঃ সঞ্জীব রায়

*চিঠি*

নিরাপদ নিউজ: ‘আমি ভাববো এক সময় পৃথিবী নামে আমার পরিচিত একটা ছেলে ছিলো’- গোপনে লেখা ঐশীর শেষ চিঠি! ........................................ বিস্তারিত - http://www.nirapadnews.com/2015/11/17/news-id:106983/

*যান্ত্রিকজীবন* *চিঠি* *ঐশী* *আড্ডা*

বিডি আইডল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রিয় বাবা,
কেমন আছো? আশা করি ভাল আছো। তুমি ভালো করে জানো তোমার মেয়ে নাবালিকা থেকে সাবালিকা হয়েছে।

যদিও তুমি অনেক কাছেই আছো, তবুও কিছু কথা তোমাকে কিছুতেই মুখে বলতে পারছিনা। কিছুটা সামাজিক আচারের প্রতি নিষ্ঠা, আবার কিছুটা জড়তা এবং তোমার উত্তপ্ত চাহনি বিনিময়ের ভয়েই লেখার আশ্রয় নিচ্ছি।

কারন, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে আর যাই হোক কোন গঠনমূলক আলোচনা হতে পারেনা।

বুঝলে বাবা! পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষই মনে হয় দ্বিচারী মানসিকতার!

তুমি আমি আর আমাদের মতো সাধারণ মানুষরা এই অভ্যাস কিংবা স্বভাব থেকে কিছুতেই বের হতে পারছি না।

বাবা হিসেবেই আমার যে কাজটা তুমি মেয়ে হিসেবে সমর্থন করো নি, ছেলের জন্য সেই একই কাজকে দ্বিগুণ উৎসাহে করার উপদেশ দিয়েছ সবসময়।

যাই হোক! কিন্তু আজ জীবনের একটা বড় বাঁকে এসেও তুমি সেই কাজই করছো।

তোমার মনে আছে কি? ভাইয়ার যখন বিয়ের কথা চলছিলো তখন এই তুমিই বাসার সমস্ত হাদিস বই নামিয়ে হারিকেন জ্বেলে খুঁজছিলে মোহরানা যেন মাত্রাতিরিক্ত বা বোঝা হয়ে না দাড়ায় সেই সংক্রান্ত বিধি বিধান। এবং পেয়েও গিয়েছিলে ।

যেদিন লতা ভাবির বাসায় এই সংক্রান্ত আলাপে গিয়েছিলে সেদিন হাদিস বইটিও সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলে, যেন তোমার ছেলেকে মেয়ে পক্ষ মোহরানার চাপে পিষ্ট করে ফেলতে না পারে, তার একটা আদর্শিক ভিত্তি দাড় করাতে পারো।

আর আজ সেই তুমিই যখন মেয়ের বাবা, তখন তুমিই বলছ- যে লাখ লাখ টাকা কাবিন ধরতে হবে, নাহয় আমার বিয়ে যে টিকবে, এই ছেলেটা যে আমাকে ছেড়ে যাবে না, তার কি নিশ্চয়তা থাকবে!

আবার উদাহরণ ও টেনে দিলে দারুণ। রুনু খালার ২৫ লাখ টাকা কাবিন ছিল, তাই ডিভোর্সের সময় বর বাধ্য হয়ে তা পরিশোধ করেছিলো। শমি কায়সারের কথা বলতেও তুমি ভুলো নি।

আচ্ছা বাবা! যেই ছেলের উপর তোমার এতোটুকু আস্থা নেই যে সে তোমার মেয়েকে ভালো রাখবে, যার চরিত্রের উপর তোমার এতোটুকু বিশ্বাস নেই যে সে অন্য কোন মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবে না, তার কাছে তোমার আদরের কন্যাকে সমর্পণের চিন্তাই বা কি করে করো?

আর হাদিসেই তো আছে যে সৎ যুবক পেলে তার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিও না।তাকে কি তোমার যথেষ্ট সৎ মনে হয়েছে?

যদি হয়ে থাকে তাহলে অকারণে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করে কি লাভ? ভাগ্য বলতেও একটা কথা আছে। যদি ভাগ্য খারাপ হয়, কোটি টাকা কাবিন করেও তুমি আমার সংসার টিকাতে পারবে না।

আর গড়ার আগেই ভাঙার কথা যখন ভাবছ, তখন আসলেই এই সম্পর্কের ভিত্তির মজবুতি নিয়ে সংশয় দেখা দিচ্ছে।

বাবা, আদর্শ একটা প্যারামিটার। আর আমাদের এই প্যারামিটার হওয়া উচিৎ আমাদের জীবন বিধান। এখানে সবকিছুর মানদণ্ড ঠিক করে দেওয়া আছে। তুমি যখন ছেলের বাবা তখন তুমি অপরের মেয়ের অধিকার খর্ব করে এটা কখনোই আশা করতে পারো না যে তোমার মেয়ের প্রতিও আরেক ছেলের বাবা সদাচারন করবে।

আর মুসলিম তো ভাই, এক দেহের মতো। তুমি আরেকজনের মেয়ের জন্য ও তাই পছন্দ করবে, যা নিজের মেয়ের জন্য করো। যে হাদিস অপরের মেয়ের জন্য প্রযোজ্য তা কি তোমার নিজের মেয়ের জন্যই অযৌক্তিক ভাবছ?

তাহলে বলতে হয়- আমরা ভীষণ সুবিধাবাদী, ভোগবাদী, এবং স্বার্থবাদী। নচেত, এই দ্বিমুখী চরিত্র কপটতা ছাড়া আর কি!

যে ছেলেটির উপর তোমার যথার্থই বিশ্বাস আছে, যে হ্যা, আমার আদরের কন্যাটির মেধা ও মননের সবেচেয়ে বেশী মূল্যায়ন সেই করতে পারবে, তাকেই বেছে নাও না আজ আমার জন্য।

আর মূল্যায়নের জন্য সবসময় কাড়ি কাড়ি টাকার দরকার হয়না। দরকার হয় সুন্দর একটা মনের। রুনু খালার জামাই যে এক লাখ টাকা বেতন পেতো, খালা যে তার এক টাকার মালিক পর্যন্ত ছিল না তা নিশ্চয়ই জানো? শুধু টাকা থাকলেই মানুষ মানুষকে মূল্যায়ন করতে সমর্থ হয়না বাবা। মানুষকে সম্মান করতে হলে চাই একটা সুন্দর মন।

ভাবছ, এখন থেকেই হবু স্বামীর স্বার্থ দেখা শুরু করেছি? বলবে আমি এখনই পর হয়ে গেছি? এটা জানো কি! যে মানুষটা আমাকে ভালো ও বাসবে না, আবার অতিরিক্ত মোহরানার ভয়ে তালাক ও দিতে পারবেনা, দিনের পর দিন অত্যাচার করবে, তার সাথেই সামান্য টাকার জন্য আমি চার দেয়াল আঁকড়ে পরে থাকি, এই কি চাও?

তবে তাই বলে ভেবো না নিজের সম্মান আর প্রাপ্যটুকু আমি বুঝে নিবো না।

তবে সেটা অবশ্যই আমাদের আদর্শের প্যারামিটার অনুযায়ীই ঠিক করতে হবে। জীবন বিধানের কিছু অংশ মেনে কিছু অংশকে অগ্রাহ্য করে আর যাই হোক, একটা পবিত্র জীবন শুরু করার কথা আমি ভাবতেও পারছি না। আর ২০ লাখ ১০ লাখ ধরে বাকির খাতায় শূন্য আঁকার ইচ্ছাটাও তোমার মেয়ের নেই। আমরা যেন কপটতা থেকে বের হয়ে শুদ্ধ মানুষ হতে পারি। আজ রাখছি।

ইতি
তোমার আদরের দুলালী
*চিঠি*

বিম্ববতী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

,,,,বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের একটা চিঠির কিছু অংশ,,,,
মিলি, তোমার কি আমাদের বাসর রাতের কথা মনে আছে? কিছুই বুঝে উঠার আগে বিয়েটা হয়ে গেলো। বাসর রাতে তুমি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে যখন কাঁদছিলে, আমি তখন তোমার হাতে একটা কাঠের বাক্স ধরিয়ে দিলাম। তুমি বাক্সটা খুললে... সাথে সাথে বাক্স থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকী বের হয়ে সারা ঘরময় ছড়িয়ে গেলো। মনে হচ্ছিলো আমাদের ঘরটা একটা আকাশ... আর জোনাকীরা তারার ফুল ফুটিয়েছে!
কান্না থামিয়ে তুমি অবাক হয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে, "আপনি এতো পাগল কেনো!? মিলি, আমি আসলেই পাগল... নইলে তোমাদের এভাবে রেখে যেতে পারতাম না। কৃতজ্ঞতায়: @ZahidHq @fahim11
*চিঠি*

দস্যু বনহুর: [বাঘমামা-উশটাখাইসি] ঘুরানি ঘুরানি গিডি গিডি ওয়ারনাম জীলান নবী, ওয়া খাইতে স্বাদ লাগে ওয়া হাডাইয়ো। হাদা হাদা হম্বু হম্বু ওয়া খাইতে স্বাদ লাগেনা ওয়া হাডাইয়ো না। (চিন্তাকরি)

*চিঠি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★