চিঠি দিলাম

চিঠি-দিলাম নিয়ে কি ভাবছো?

নাফিসা আনজুম রাফা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বহুদিন পর আয়োজন করে লিখতে বসলাম তোকে...

মেয়ে,আর কত?আর কতদিন এমন করে কুড়ে কুড়ে নিজেকে নিঃশেষ করবি বলতো?

এইবার ক্ষান্ত দে।সরে যাচ্ছিস দিনকে দিন নিজের ভালোলাগার জায়গা থেকে,ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারাতে বসেছি তুই।

কেন?

কেন হচ্ছে এমন?

একবারো কি ভেবে দেখেছিস?ভাবতে আজকাল তুই কম বসছিস।এখন কেবল তুই নিমজ্জিত থাকিস অথৈ কাব্য আর কল্পনায়।

জরুরি ভাবনাদের ভুলতেই বসেছিস,তারাও তোর অপেক্ষায় ক্লান্ত এখন।

তাই স্তিমিত কিছুটা,কিছুটা মরচে পড়ে গেছে ভাবনাদের মাঝে।

তোর মনে পড়ে মেয়ে,রাত আর আকাশ কি অদ্ভুত প্রিয় ছিল তোর?

এখনো আছে,থাকাটাই স্বাভাবিক,নিজের ভিত্তিটাকে কি ভোলা সহজ?

কিন্তু এখন আর আগের মতো রাতের আধাঁরে তুই অচেনা কারো কল্পনায় ভাসিশ না,অপেক্ষায় ব্যস্ত হস না অদেখা কারোর।

এখন আকাশের মেঘে মেঘে অন্য কারোর সুর তোর চোখে ভাসে,কথামালারা কানে আসে অন্য কারোর কন্ঠে ভেসে।

নিজেক কারো মাঝে হারিয়ে ফেলাকে কি বলেরে মেয়ে?

প্রেম?

ভালোবাসা?

নাকি ধবংস?

কে জানি...উত্তর জানতে ইচ্ছে হয়না কিছু প্রশ্নের,জানলেই ফুরিয়ে যাবে এমন লাগে এইসব প্রশ্নরা...

জীবনে কিছু প্রশ্ন ত থেকে যাওয়াই ভালো কি বলিস মেয়ে?

আজ গেলাম...ভালো থাক।

হুটহাট কোন এক রাতের একটা বা দুইটায় ল্যাপ্টপের কিবোর্ডে ঝড় তুলতে ইচ্ছে হলে আবার দেখা হবেনে।

ততদিন পর্যন্ত টুকটাক মিছেমিছি আয়নার মিথ্যে প্রতিবিম্বের মতই নাহলে তোকে দেখে নিবনে...

 

ইতি

আমি নিজেই

*চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রিয় বাংলাদেশ,
কিছু কথা বলার ছিলো।...
জানো নিশ্চয়ই তোমাকে স্লো পয়জনিং করানো হচ্ছে।সেটা শুরু হয়েছে বহু আগে থেকেই ,এখন বিষের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে শুধু।তোমার কিছু অংশ বিষক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই অচল হয়ে গেছে।আরো কিছু জায়গায় মাত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে বিষের প্রতিক্রিয়া।কিন্তু এখনো,হুম ...এখনোও বিষ প্রয়োগ বন্ধ করতে এগিয়ে আসেনি কেউ।ভয়ে ,দ্বিধায় ,প্ররোচনায় তোমার বুকে বেঁচে থাকা বিভ্রান্ত মানুষগুলো স্থবির হয়ে আছে।তোমারই আলো হাওয়ায় বেড়ে ওঠা কিছু মানুষ অমানুষিক হিংস্রতায় ধ্বংস করছে তোমাকে।এত রক্ত ঝরিয়ে পাওয়া স্বাধীনতাটা কি আসলে কোনো নাটক ছিলো উপরের মহলের?যেখানে বলির পাঁঠা হয়েছিল হাজার হাজার সাধারণ মানুষ!যারা ভীষণ আবেগে দেশটাকে বাঁচাতে নিজের জীবন,নিজের পরিবার সবকিছু বিসর্জন দিয়েছিল!তখন থেকে আজ পর্যন্ত সবই কি চুক্তিযুদ্ধের নাটক?
প্রশ্ন এসে যায়,কিছু মনে করোনা।তুমি তো সবই জানো।শব্দ করতে পারোনা বলে কিছু কিছু মানুষ পার পেয়ে যাচ্ছে,কিছু রহস্য আজো অজানা,কিছু 'ওপেন সিক্রেট' এখনো ওপেন হয়নি।কিছু রহস্য আজো গজিয়ে উঠছে।কিন্তু তোমার নিঃশব্দ আর্তচিৎকার শুনতে পাই প্রায়ই।
মাঝে মাঝে আরো কয়েকটা প্রশ্ন জাগে।
তুমি আর কতদিন 'স্বাধীন' থাকবে?
তুমি কবে 'স্বাধীন' হবে?

ভালো থেকো।ভালোবাসি।

ইতি,
উত্তর না পাওয়া একজন ক্লান্ত নাগরিক

17/3/16
*আবোল-তাবোল-নিজ* *হীমালাপ* *চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: কাজী নজরুল ইসলামের নার্গিসকে লেখা প্রথম ও শেষ চিঠি..(জোস) https://youtu.be/tHhh0_071iU

*আবৃতি* *চিঠি-দিলাম* *কাজী-নজরুল-ইসলাম* *আবৃত্তি*

ফাহীমা: ২০১৬, আরেকটু লিখতে ভুলে গেছি..তোমার প্রতি কোনরকম প্রত্যাশা নেই..একটুও না...ভয় পেয়োনা. আর ২০১৫, তোমার প্রতিও কোনো অভিযোগ নেই..একদম না...চিন্তা করোনা .. #দুজনে ভাগ করে পড়ে নিও.এটা দুজনেরই...মারামারি করোনা যেন! ইতি, আগের চিঠি দেখো

*আবোল-তাবোল-নিজ* *হীমালাপ* *চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: ২০১৬ , প্রথমে ভেবেছিলাম বলব, এস না ! প্রস্তুত না আমি!.তারপর ভাবলাম ,থাক!তুমি যেমন বেহায়া ,তাতে এসেই যাবে...so welcome !..তোমার আসার আরো কিছু সময় বাকি আছে...আসো,হেলেদুলে আসো... তোমার কাছে কিছু চাইনা..যত নিতে পারো নিয়ে যাও...দিয়ে দেবো..সত্যি !!তবে চারপাশের মানুষগুলোর হাসি নিতে দিচ্ছিনা!মানুষগুলোর হাসি যেন মলিন না হয়,এ জন্য দোআ ছাড়া আর কিছু অবস্য করতেও পারব না!(ভেঙ্গানো)so lame !! না?(হাসি২)......দেখেশুনে আঁটঘাঁট বেধে আসো...আমার জ্বালায় তুমিও না আবার ছারখার হয়ে যাও..(শয়তান২) ইতি, নাই

*আবোল-তাবোল-নিজ* *হীমালাপ* *চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: ভাই শীত, পাল্টে যেয়ে ভালো করনি..বুঝলে?সবাই পাল্টে যায়..তাই বলে তুমিও?তুমি আসলেই কি কারো কাছে পিঠা খাওয়ার আবদার করেছি?নাকি লেপ কম্বল গায়ে আরামছে বেলা করে ঘুমিয়েছি?..তোমার আসার সময় হলে যে সুবাস ছড়াও,যে খুশি খুশি বাতাসটা তোমার থলেতে ভরে আনো সেটাই যা ভালবাসি...খুবই ভালবাসি..সবাই তোমাকে গালাগাল করে ,অনেকেই করে..আমিতো করিনা...তবে,পাল্টে যাচ্ছ কেন?...আমাদেরও দোষ আছে মানছি ..অনেক দোষ ....তাতে কি?...তাড়াতাড়ি এস..পাল্টে যাওয়ার মতলবটা পাল্টাও...ভালো থেক...

*চিঠি-দিলাম* *আবোল-তাবোল-নিজ* *শীতকাল* *ফাপ্রলাপ* *হীমালাপ*

ফাহীমা: বুঝলে সময়, হঠাত হঠাত ....উহু...সবসময়ই প্রায় ,পরিচিত মনগুলো এ মনের বিচ্ছিরি দরজায় ক্লকওআইজ ঘুরে ঘুরে যায়...কখনো ঢঙ ঢঙ ,কখনো টিং টং ,কখনোবা ঝরনার মত ঝিরঝিরে শব্দ করে মুচকি হেসে, ব্যঙ্গ করে, অথবা তিরস্কারের দৃষ্টিতে তাকাতে তাকাতে যেতে থাকে....কেউ ভুল করেনা..একবারটি করে স----বগুলো মন আসবেই আসবে ...ঘড়িটি কখনো কখনো এন্টিক্লকওয়াইসও দ্রুত ঘুরতে থাকে..তখন বুকের ব্যথাও তত জোরে প্যাডেল মারতে চায়...সে সময় বেশ অপরাধী লাগে নিজেকে...কেন?জানিনা...কিংবা ,হয়ত জানি! কি বিপদ বল দেখি! যাদের ভাবলে মুগুর দিয়ে ভর্তা বানাতে ইচ্ছে হয় তারাও আসে!..তোমার সাথে বসে একদিন শলাপরামর্শ করতে হবে...আজ তাহলে ভাগো... ইতি, দূর্মতি

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

ফাহীমা: অধরা মাযকা , মাঝে মাঝে মনে হয় তুমিহীনতাই যত নষ্টের গোড়া...বর্তমান ভবিষ্যত সবকিছুতেই প্যাচ লাগানো শুধু তোমার তুমি না থাকার জন্য...তুমি আছ ,কিন্তু তোমার তুমি তো নাই..এত গন্ডগোল তাই! ..আসলে জন্ম থেকে যাদের কিছু কিছু জিনিস পেয়েও পাওয়া হয়না,তাদের এই হলো সমস্যা--সবকিছুই আধাখেচরা... হুউউ ..খুবই খারাপ খুবই খারাপ ...আধা আধা ব্যাপার থাকা খুবই খারাপ...তবে থাক এভাবেই....দেখা যাক কি হয় ! ......[কাকতাড়ুয়া-হায়রেকপাল]

*চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: পথিক, সকলকে হারিয়ে,সকলকে ছাড়িয়ে ,সকলকে তাড়িয়ে দূরের পথে হাটতে হাটতে হঠাত কোনো এক সময় বুকের ভেতরের রক্তক্ষরণের জন্য তৈরী থেকো...তৈরী থেকো হার মানার...আজ হয়ত স্বীকার করছনা...একদিন অবলীলায় স্বীকার করতেই হবে.....যেদিন দিনের মত জীবনেরও সূর্যাস্ত ঘনিয়ে আসবে,সেদিন যে অনেক কিছুই সহজ লাগে...অনেক কিছুই মেনে নেয়া যায়.... মধ্যগগনের জীবনসীমায় যা কিছু অসহজ ,জটিল আর অসম্ভব ...যা কিছু ভেবেচিন্তে পা ফেলতে হয়;সূর্যাস্তের সময় কি আর এত বিচারের অবসর পাওয়া যায়?? (খুকখুকহাসি)

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

শাকিল আহমেদ: . প্রিয়তমেষু, আজ আর কেমন আছো জানতে চাইবো না... পাছে তুমি সত্য প্রত্যুত্তর দিতে না পারার দরুন অস্বস্তিতে ভুগো। আর কিছু না হোক নিজের জগতে শান্তিতে আছো... থাকার তো কথা ছিল। যেমনটা চেয়েছিলে তেমনটাই তো হয়েছে। যাক শেষ পর্যন্ত পিছু ছুটলো, মুক্তি পেলে। না.. না.. ভুল হয়ে গেল, কাউকে মুক্তি দেবার আমি কে! তোমার এটা প্রাপ্য ছিল। তোমার সাজানো নিভৃত কোণ আর কখনো অযাচিত প্রশ্নের সম্মুখীন হবে না। মনের গোপন কুঠুরিতে আর কেউ অহেতুক কড়া নাড়বে না। তুমি তো পারলে না। তাই আমিই বেপারটা তোমার জন্য সহজ করে দিলাম, দেরিতে হলেও দিলাম। নাহ আমার কোনো অনুশোচনা হচ্ছে না, কোণ রাগ বা অভিমানও নেই। থাকবেই বা কেন! থাকার তো কথা ছিল না...থাকার কোনো যৌক্তিকতাও নেই। তোমাকে আর আমার খারাপলাগা নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগতে হবে না, এটাই তো সবচেয়ে খুশির ব্যাপার তাই না? নাহ অনেক কিছু লিখে ফেললাম, আজ এ পর্যন্তই.. ইতি ......

*চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা: সময়, দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছ তুমি..তাল মিলাতে পারছিনা...আমি বরাবরই ক্ষ্যাত টাইপের মানুষ..এলোমেলো...পাগলাটে...এতে আরও বেশি ঝামেলা বাধছে..নিজের মত করে,নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ারও কোনো উপায় নেই...থেমে থাকলেও বিপদ..এগোতেও দেবেনা...ভালো..তুমি হিংসুটে,তুমি ভীতু....হারিয়ে দিব তোমাকে,তাই আগে থেকেই আটকে রেখে দিয়েছ...তোমার লজ্জা পাওয়া উচিত... ইতি -----

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

ফাহীমা: অপ্রিয় সময়, মানুষ কি স্বার্থপর দেখেছ! চট করে সম্বোধন পাল্টে দিলাম! হাহা..আজ বিকেলে হঠাত করে একটা সোনার বালা পরা হাত আর আটপৌরে করে শাড়ি পেঁচানো ছুটোছুটি করে বেড়ানো অবয়ব মিস করছিলাম..আচ্ছা,মিস করার করার বাংলা কি?শুন্যতা অনুভব করা?..সেটা কিভাবে হয়!শুন্যতা তো সেইই অনুভব করে যার ওই বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা থাকে,জানা থাকে,অনুভূতি থাকে...তা তো নেই!...আচ্ছা বাদ দাও..তুমি কেমন আছ? তোমার ছুটে চলতে ক্লান্ত লাগেনা?এই যে গরুর মত আমাদের হ্যাট হ্যাট করে দাবড়িয়ে বেড়াও..ভালো লাগে?...কারো কাছে বসে একদন্ড কথা বলতে ইচ্ছে করেনা!!....কখনো ইচ্ছে করলে আমার কাছে এসো..কেমন?...আমি কিন্তু ভালো শ্রোতা..বলতে তো পারিনা..তাই অন্যদের প্রকাশ ক্ষমতায় ভালই লাগে...যারা অনুভূতিগুলো ঠিক ঠিক শব্দে,কথায় বলে ফেলতে পারে ..তারা খুবই ভাগ্যশালী.... এই যেমন এখন তো অন্য কিছু বলতে চেয়েছি..কিন্তু বেরোলো না..বেরোবেও না..জানি... এখন ...এখন যাই...ভালো থেকো পারলে.. ইতি,,,, আমি..আমিই তো..

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

ফাহীমা: প্রিয় সময়, ছোট্ট কয়েকটা স্বপ্ন আর ইচ্ছেগুলোকে শেষমেষ তোমার বাক্সে ভরে দিলাম...তুমি যদি না বের করো,নিজে থেকে কোনদিন খুলেও দেখবোনা.. তুমিই জিতলে...জিতে যাও..সাধারণ একজনের হাস্যকর কিছু ইচ্ছে পূরণ না হলে কিছু আসে যায়না তোমার...ইচ্ছেপূরণের চেষ্টায় থাকা মানুষের ইচ্ছেটাই তুমি খুব বুদ্ধির সাথে তিক্ততায় ভরিয়ে দাও যে আর...সেই ইচ্ছের, স্বপ্নের এক ঝলকও হঠাত করেই বড্ড কুত্সিত লাগতে থাকে.... যা নাকি হয় ভালোর জন্য?...ওকে ফাইন....বুকের ভেতর ,মাথার মধ্যে পেরেক মেরে মেরে তুমি ভালো করতে থাকো.... ইতি ভুলে গেছি..

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

ফাহীমা: প্রিয় সময়, মাঝে মাঝে মনে হয় কারো সামনে ভাতের থালা এগিয়ে দিয়ে বলতে পারলে হত,"আরেকটু ভাত দাও"..কখনোবা "আজ মাংস ভুনা খেতে ইচ্ছে হচ্ছে..রেঁধে দাও"....হাহাহ...ঘুম থেকে উঠতে দেরী হলে কারো ব্যাগ গুছিয়ে ঠেলে ঠেলে উঠিয়ে স্কুলে পাঠানোর স্মৃতি থাকলেও বেশ মজা হত....লুকিয়ে গল্পের বই পড়ছি জানলে রাম ধমক খাওয়ার স্মৃতিটারও আজকাল বেশ দরকার হয়.... কখনো কখনো .....কখনো কখনো.....মাঝে মাঝে........কত কিছুর দরকার পরে যায়..কতজনের দরকার হয়ে যায়..... আসলে হয়ত এসব কিছুরই দরকার থাকেনা কারো কারো!!...তাই তো তোমার মাঝে এগুলোর কিছুই নেই.....হয়ত এ ভাবনাগুলোর সবই কারো কারোর বিলাসিতা....? ইতি কেউ একজন

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *হীমালাপ*

ফাহীমা: প্রিয় সময়, হঠাত করে দম বন্ধ লাগছে...কান্না আসেনা, নইলে চিত্কার করে কাউকে জড়িয়ে কাঁদতে ইচ্ছে হত হয়ত...খুব ছোটবেলায় আমার কাল্পনিক সুন্দর একটা দুনিয়া ছিল..সেখানের সবচেয়ে সুন্দর ছিল বিকেলের আলো-ছায়ায় গাছের ফাকে থাকা রোদ..মাঝে মাঝেই সেই রোদ চোখের সামনে খেলে যায়..এই যে এখন রাত..অন্ধকারে বসে আছি..তবুও সেই রোদের স্পর্শ এসে লাগছে গায়ে,গালে,চোখে...কবে কিভাবে কেন এই রোদটা ভালোবেসেছি জানিনা..তবুও প্রায়ই মাথার ভিতর এর অনুভূতিটা ঝিম ধরে থাকে.... ভাই সময়, তুমি আমার জীবনে প্রতিদিন এলোমেলো হয়েই দিন পার করছ..কবে নিজেকে গুছিয়ে আমাকে শান্তি দেবে?মনে হচ্ছে যেন অকাজে,কোনো কাজের কাজ করার জন্যই বেঁচে থাকাটা হচ্ছে না...সাঁপের মত কুন্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে তোমার সাথে রাত-দিন পার করা শুধু.. তোমার মনে পরে?এর চেয়ে ভয়াবহ ....বা ঠিক এভাবেই ছোটবেলা কেটেছে আমার...একা একা...বহু বছর,বহুদিন কথা বলিনি ...কারো দিকে মুখ তুলে তাকাইনি..কান্নাও করিনি...তবে বেশ হাসতাম...তোমার সাথে দিন পার করেছি একা একাই হেসে...কিন্তু এখন সব কেমন যেন ....বেঁচে থাকার মানে নেই..মরে যে শান্তি পাবো ..তেমন কাজও তো করিনি....ঝাপসা ঝাপসা সেই কল্পনার মায়া মাখানো মুখের নারীটিকে মনে পরে,এট্টু....ইচ্ছা করে সব ছেড়ে সব ভাবনা ধুয়ে ফেলে তার নরম কোলে মাথা রেখে খোলা আকাশের নিচে সবুজ ঘাসের মাঠে শুয়ে থাকি.....আহ সময়! চলেই যখন যাও তখন ভালো কিছুই দিয়ে যাও!...আজ পর্যন্ত কোনো চিঠির উত্তর তুমি দাওনি..কাউকে দিয়েছ কখনো?....হেঃ..থাক..থাক....যাই এখন....তোমাকে লেখার মুড চলে গেছে....তুমি থাক এরকমই..কর যা খুশি.....তবুও ভালো থেক,ভালো রেখো.. ইতি সময়ের পুতুল..

*আবোল-তাবোল-নিজ* *চিঠি-দিলাম* *আমারকথা* *হীমালাপ*

ঝিঁঝিপোকা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

~অয়ন

একটা চিঠি কি লিখবে আমায়? হলুদ খামের একটা চিঠি। তুমি যেখানে থাক সেখান থেকে পোস্ট অফিস কত দূরে তা জানি না। তবু বলছি, লিখবে একটা সত্যিকারের চিঠি?
বুঝেছি। তুমি আমায় পাগল ভাবছ। ভাবছ এই মেয়ের সাথে যোগাযোগ বন্ধ না করে দিলে রেহাই নেই। কখন কোন আজব খেয়াল চেপে বসে এর মাথায়! কে চায় এর সাথে নিজেকে জড়াতে! ঠিকই ভেবেছ। দেখা যাবে কোন শীতের ভোরে হঠাত বৃষ্টি এল। তোমায় ধরে নিয়ে গেলাম বৃষ্টিতে ভিজতে। দেখা যাবে তোমার সাধের রঙ চায়ে দিয়ে দিয়েছি এত্তগুলো লিকার। তেতো করে ফেলেছি। অন্যমনস্ক হয়ে তোমাকেই ভাবতে গিয়ে। কোনওদিন দেখা যাবে হাওয়াই মিঠাইওয়ালার কাছ থেকে স্ট্যান্ডসহ কিনে নিয়েছি সবগুলো হাওয়াই মিঠাই। তুমি শুধু চেয়ে দেখবে আর বিরক্ত হবে।
কোনওদিন হয়তোবা বায়না ধরেছি একশটা লাল গোলাপের। কোনওদিন হয়তো দেখবে তোমার প্রিয় নীলচে ছাইরঙা চেক শার্টটা ইস্তিরি করতে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছি কলারের কাছে। অন্যমনস্ক হয়ে তোমাকেই ভাবতে গিয়ে। কোনওদিন হয়তো কথা দিয়ে কথা রাখনি বলে অভিমান করে ছাদে গিয়ে আকাশের তারা গুনছি সারারাত্রি। হয়তো ঝড়ের রাতে বারান্দায় এসে পড়ে থাকা মৃতপ্রায় চড়ুই পাখিটাকে ভোরবেলা খুঁজে পেলাম। হাতে নিয়ে দেখি মৃত। মন খারাপ করে সারাদিন খেলাম না কিছু।
এসবের কোন মানে হয়? পাগলামী সব। নাহ। আমার সাথে একটা জীবন পার করা যায়না সত্যি। অর্ধেকটাও না।
তাই চলেই যাও তুমি। কিন্তু একটা চিঠি তোমাকে লিখতেই হবে। শেষ এবং প্রথম । না। কোন এসএমএস নয়। ই-মেইল নয়। সত্যিকারের চিঠি।
ভাবছ, এ কী মেয়ে রে বাবা! আদিম যুগে পড়ে রয়েছে। ভাগ্যিস নিজের জীবনকে এর জীবনের সাথে জড়াইনি! ঠিকই ভেবেছ। আমি এমনই। আমার ভালোবাসার অনুভূতিগুলো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি। আটকে রয়েছে আগের যুগে। তাই তাল মেলাতে পারি না আমি। কাউকে বুঝি না। কেউ আমাকেও ঠিক বুঝতে পারে না। না পারলেও ক্ষতি নেই। আমি এমনই থাকতে চাই।
আমার এই চিঠিটা যদি হাতে পাও তবেই লিখতে হবে তোমাকে। না হলে তো বেঁচেই গেলে। হাতে না পাওয়ার সম্ভবনাই বেশি। লেটারবক্সে তো কেউ খোঁজ করে না আজকাল।
হয়তো পাবে একদিন। তখন অনেক দেরি হয়ে যাবে। তবু ইচ্ছে হলে লিখ একটা উত্তর। আমার ঠিকানায়।
ভালো থেক।

 ~ নবনী                                

 

 

*চিঠি* *চিঠি-দিলাম*
৪/৫

নাফিসা আনজুম রাফা: প্রিয় রাত, সবাই খালি আমাকে তোর থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়। তারা চায় তোকে প্রাণভরে না দেখে আমি কেবল ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেই,কিন্তু এতো অসম্ভব।কারণ, তোকে ছাড়া আমি আমিই না,তোকে দেখতে বসলেই কবিতারা মাথায় জড়ো হয় তোকে সাথে নিয়ে আমি নিজেকে খুঁজে ফিরি. তোকে ছাড়া কি আমার চলে?আমি জানি আমার মতো ক্ষুদ্রর জন্য তোর আলাদা মায়া নেই,কিন্তু আমি তো তোকে ছাড়া অচল ইতি আমি আরকি

*চিঠি-দিলাম*
৫/৫

নাফিসা আনজুম রাফা: অপ্রিয় নিজ, তোকে একসময় প্রচন্ড ভালোবাসতাম... বোকা ছিলাম... ভেবেছিলাম তুই ই সেরা... তুই মিথ্যে ভান করিস না... অথচ দেখ... সময় আর কালের খেলায় তুই ও আজ প্রতারক...মিথ্যেবাদী...বানোয়াট অনুভূতির ধারক... তাই তোকে এখন কেবলই...কেবলই করুণা হয়...কিছুটা ঘৃণাও... তবুও ভিতরে ভিতরে কিছুটা ভালোবাসা রয়ে যায়... নিজেকে কি একদমই ভালো না বেসে থাকা যায়????? ইতি আমি আরকি

*চিঠি-দিলাম*

জোবায়ের রহমান বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

_____________________________________________________________________

হিমালয়

 

জানিনা কেমন আছ। আজ অনেকদিন পর খুব করে তোমাকে মনে পড়ছে। জানিনা কেন। তাই ভাবলাম একটা চিঠি লিখে ফেলি তোমার কাছে।

তোমাকে বলেছিলাম একদিন, হিমালয় থেকে হিমু হবে? একদিন কটকটে হলুদ একটা পাঞ্জাবি পরে হাঁটবে আমার পাশে? আমিও না হয় হলুদ শাড়ি পরব সেদিন।

হিমুরা কারও হাত ধরেনা। তুমি কিন্তু আমার হাত ধরে থাকবে। যাবে একদিন?

তুমি বলেছিলে, ঐসব বাউন্ডুলে মার্কা চিন্তা ভাবনা তোমার পছন্দ না । তুমি নাকি খুবই বাস্তববাদী। আমার মাথা থেকে ঐসব হিমুর ভূত ছাড়াতে বলেছিলে তুমি।

ভূত আমি ছাড়িয়েছিলাম। আর কখনও ধরিনি ওরকম কোন বায়না।

তোমাকে একদিন বলেছিলাম, কাগজে কলমে একটা চিঠি লিখতে। আক্ষরিক অর্থে প্রেমপত্র। ভালোবাসার কিছু কথা কাগজে বন্দি করে।

তুমি বলেছিলে, চিঠি ফিঠি লেখার সময় নেই তোমার। আমাকে ওসব ফালতু আবেগ ঝেড়ে ফেলতে বলেছিলে তুমি।

ওহ, ঐদিন অবশ্য বাংলিশ একটা মেইল পেয়েছিলাম তোমার।

ফালতু আবেগগুলোকেও মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিলাম একে একে।

একদিন বলেছিলাম, চলনা ভিজি বৃষ্টিতে। ঐ যে ক্যাম্পাসের সারি সারি কদম গাছে ফুটে থাকা স্নিগ্ধ ফুলগুলো হাতছানি দিয়ে ডাকছিল আমাদের। ঐদিন।

তুমি বললে, বাদ দিতে এসব পাগলামি। শেষে নাকি ঠান্ডা লাগিয়ে জ্বর বাধাতে পার। আমার পাগলামিকে প্রশ্রয় দিতে গিয়ে নিজের অসুবিধা করতে পারবেনা তুমি।

মেনে নিলাম। পাগলামিগুলোকে ছেড়েই দিলাম।

ফুচকা খাওয়া ছেড়ে দিলাম।

বেলিফুল! কত ভালোবাসতাম। ভুলে গেলাম ঐ ফুলের সুবাসও। কারণ, তোমার ভাষায় ওটা ফালতু জংলি ফুল।

বৃষ্টি ভুলে গেলাম। কারণ, বৃষ্টি তোমার পছন্দ নয়।

স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিলাম। কারণ, স্বপ্নবাজদের তুমি নাকি দু’চক্ষে দেখতে পারনা।

আমি এভাবেই ‘আমার আমি’ থেকে ‘অন্য এক আমি’ হয়ে গেলাম। হারিয়ে গেলাম নিজের থেকেই। অচেনা কোথাও।

ঐ ‘আমার আমি’টাকেই তুমি নাকি ভালোবেসেছিলে। তাহলে ভালোবাসার দায় দেখিয়ে আমাকে কেন পালটে দিলে তুমি!

আমিও নিজের চেয়ে তোমাকেই বেশি ভালোবেসে হতে চাইলাম তোমার মনের মত!

কী যে বোকা ছিলাম আমি!

তারপর একদিন।

তুমি ঠিকই হিমালয় থেকে হিমু হলে।

হিমুরা কোন বাঁধনে জড়ায় না। তুমিও জড়ালে না। আমাকে ছেড়ে চলে গেলে।

হঠাৎ হিমুর বৈশিষ্ঠ্য তোমার মাঝে কেন দেখা দিল তার কারণটা অবশ্য কখনই বুঝতে পারিনি।

আমাকে ছেড়ে চলে গেলে তুমি।

যাক, তবুও তো একদিনের জন্য হলেও হিমু সাজলে!

ভালো থেক।

 

হিমিকা

____________________________________________________________________

*চিঠি-দিলাম*

ফাহীমা বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"*চিঠি-দিলাম* এর তৃতীয় চিঠি......."

প্রিয়দর্শিনী,

কেমন আছেন আপনি?
প্রশ্ন হয়ে গেল?
জানি, পত্রের শুরুতে শুভেচ্ছা জানাতে হয়। কিন্তু আমার যে আজ শুভেচ্ছা জানাতে ইচ্ছে করছে না।
রাত্রি প্রায় তিনটে হয়ে এলো। হঠাৎ করেই যেন মনে পড়লো, সৌন্দর্য সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে যার সৃষ্টি হয়েছে তার জন্যে আমার দু’লাইন লেখা হয়নি। আরাম কেদারায় বিরামহীন বসে থাকতে থাকতে কেটে গেছে বুঝি সময় নামক মূল্যবান জিনিসের অনেকখানি। জানালাটা খুলে দিয়ে কাগজ কলম নিয়ে টেবিলে বসলাম। হলদে পৃষ্ঠায় কলমের আঁচড় দিতে গিয়ে উপলব্ধি করলাম, আপনাকে কি নামে সম্ভাষিত করবো তা আমার জানা নেই। জানালার বাইরে তাকিয়ে রইলাম কয়েক মুহূর্ত। মাথার চুলে হাত বুলাতে বুলাতে ভাবছি। বাইরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বেশ কিছু আগ থেকেই শহুরে মেঘের মৃদু অহঙ্কারী হুংকার কানে ভেসে আসছিল। আমলে নেই নি। এখন তার অসহায় কান্না শুরু হয়ে গেছে। জানালার রেলিং গড়িয়ে বৃষ্টির ছিটে ফোঁটা আমার টেবিলে ফোঁটা ফোঁটা হয়ে জমতে লাগলো। আজ আর আঙ্গুল দিয়ে পানি ছুঁতে ইচ্ছে হলো না।
বৃষ্টি নিয়ে অত কি ভাবছি? ...
আপনার তো আবার বৃষ্টি পছন্দ নয়।
মনযোগ দিলাম চিঠির পাতায়। দু আঙুলের ফাঁকে কলমটাকে ঘোরাচ্ছি আর ভাবছি কি দিয়ে শুরু করবো। অসহায় বোধ করলাম। প্রতিদিন পাহাড়সম প্রশ্ন নিয়ে ঘুরে বেড়াই আপনাকে করবো বলে। আর আজ কাগজ কলম নিয়ে বসতেই শব্দেরা বেমালুম পাখা মেলে উড়ে গেছে যেন শূণ্যের ঠিকানায়।
ভোর পাচটা। ঘড়ির কাঁটাটা টিক টিক করে ঘুরে চলেছে। বড্ড বেশী কানে লাগছে।
সিগারেট জ্বালালাম একটা। জানালার বাইরে তাকিয়ে ধোঁয়া ছাড়লাম। ধোঁয়ার কুন্ডলী মেঘ হয়ে ভেসে ভেসে গেল জানালার বাইরে।
বৃষ্টি থেমেছে অনেক আগেই। মৃদু শীতল বাতাস বইছে এখন।
সৌন্দর্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য যার সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য আজ ও আমি কিছু লিখতে পারলাম না।
হলদে পাতায় গোটা গোটা হরফে লিখলাম,
“প্রিয়দর্শিনী,
কেমন আছেন আপনি?”
সত্যি করে উত্তর দিলে খুশি হতাম। ভাল আছেন? নাকি ভাল নেই?
নাকি করে আছেন মন খারাপ?
কলম বন্ধ করলাম।
ইতি টানার রীতিতে আর যেতে চাইলাম না। যার সূচনাই হয় নি তাহলে তার কোন উপসংহার নেই।
আলো ফোঁটে নি পুরো।
রাত্রি শেষ? নাকি প্রভাত শুরু?

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★