চীন

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাত্র বিশ ত্রিশ বছর আগের কথা, চায়নাতেও বিশ্বায়নের ছোঁয়া লেগেছে কিন্তু অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে বাণিজ্যের মহারথীরা চিন্তায় পড়ে গেছে, 'এখন কি হবে রে চান্দু! পুরো বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে! কেমনে কি!'

.

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অগ্রানাইজেশনে (WTO) অংশগ্রহণ নিয়ে শুরু হলো বিতর্ক,

.

একদল বিশ্বায়নের পক্ষে আরেকদল বিপক্ষে! চলছে টক্ শো!

.

মাত্র ত্রিশ বছর পরের ইতিহাস, আমেরিকার পতাকার নিচের স্ট্যান্টে 'মেইড ইন চায়না' খোদায় করা,

.

জনসংখ্যার দিক দিয়ে কেনো বিশ্বে প্রথম চায়না তার উত্তরে মজা করে বলা হয় তাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীগুলো 'মেইড ইন চায়না'

.

চীন এমন একটি দেশ যে দেশে বিপ্লবের পর এক যুগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বন্ধ ছিলো কারণ এতো উচ্চশিক্ষিতদের জন্য কর্মসংস্থান কে করবে? তারচেয়ে বরং তাদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা হয়েছিলো!

.

তাই হয়তো আজ আমার জাইঙ্গার লেভেলের পিছনেও 'মেইড ইন চায়না' লেখা,

.

২৬ লক্ষ শিক্ষিত বেকার! বেকারত্বের চিপায় প্রেমিকা হাওয়া হয়ে গেছে!

.

প্রতিনিয়ত চার লক্ষ সোনার ছেলে চারশ পোস্টের জন্য যৌবন জীবন পণ রেখে দৌড়াচ্ছে তো দৌড়াচ্ছে,

.

ভাবা যায়!!!

.

কথায় আছে,

.

জীবন স্বর্গ- যখন আপনার কাছে জার্মান গাড়ি, আমেরিকান সেলারি, চাইনিজ ফুড আর বাঙ্গালী বউ থাকে,

.

জীবন নরক- যখন আপনার কাছে চাইনিজ গাড়ি, জার্মানির খাবার, আমেরিকান ওয়াইফ আর বাঙ্গালী সেলারি থাকে,

.

চায়না পুরো পৃথিবীর এক বিস্ময়কর জাতীর নাম,

.

৯০ দশকের পর যে জাতী মাত্র কয়েক দশকে পুরো বিশ্ব দখল করে নিয়েছে! কম দামে আপনি যা চাইবেন তারা আপনাকে তা ই বানিয়ে দিবে! তাদের তৈরী জিনিসে আপনি আপনার ব্রান্ড লাগিয়ে দিলেও তার কোন আপত্তি নেই!

.

কি এমন আছে চীনে? সহজ উত্তর, ১৩০ কোটি মানুষের ২৬০ কোটি কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হাত এবং কর্মমুখী শিক্ষার সাথে সঠিক পরিকল্পনা,

.

এহেন অবস্থায়,

চীন সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজ দেশে ঢুকছেন এমন সময় তাকে বিমান বন্দরে থামিয়ে দেওয়া হলো! তখন তিনি চটে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের সাহস তো কম না! আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে সার্চ করা শুরু করেছো! তখন পাশ থেকে একজন জবাব দিলো, মাননীয় প্রেসিডেন্ট, পরীক্ষা করে দেখছি চীন থেকে প্রকৃত ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রেখে কপি কিংবা ক্লোন ট্রাম্পকে পাঠিয়ে দিয়েছে কি না!

*চীন* *আবিষ্কার* *বাস্তবতা* *বেকার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চীন নিয়ে সব মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চীনাদের জীবনযাপন চলা ফেরা অন্যান্য দেশের চেয়ে একটু অন্যরকম। চীনারা অন্যরকম বলেই সবাই জানতে চায় তাদের সংস্কৃতি নিয়ে। আজ জেনে নিন চীন সম্পর্কে নতুন কিছুঃ

১. সম্প্রতি চীনা কর্তৃপক্ষ অনেক জায়গায় পাহারার জন্য কুকুরের পরিবর্তে রাজ হাঁস নিযুক্ত করেছে। কেননা রাজা হাঁস যাকে তাড়া করে সেই জানে এটার ক্ষিপ্রতা কেমন!
২. প্রতিবছর চীনে এক কোটি ত্রিশ লাখ শিশু গর্ভপাতের মাধ্যমে মেরে ফেলা হয়।
৩. বেইজিংয়ে ট্রাফিক জ্যামে ক্ষতির পরিমাণ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার।
৪. বেইজিংয়ে বাতাস এতটাই দূষিত, যে প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেটের খেলে যে ক্ষতি হয়, বেইজিংয়ের বাতাসে একদিন শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে সেই পরিমাণ ক্ষতি হয়।
৫. টয়লেট পেপার প্রথম চীনে আবিষ্কৃত হয়েছিল শুধুমাত্র সে দেশের রাজা টয়লেটে ব্যবহার করবেন বলে।
৬. নাবালক ছেলেদের মূত্র দ্বারা সিদ্ধ করা ডিম খাওয়াকে পবিত্র কাজ মনে করা হয়
৭. সামরিক বাহিনীর অফিসারদের কোটে পিন দেয়া থাকে, যাতে তারা দাঁড়ানোর সময় মনোযোগ সহকারে দায়িত্ব পালন করেন। সামান্য হেলে পড়লেই পিন চামড়ায় গেঁথে যাবে!
৮. তারা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের হাঁটার জন্য আলাদা লেন তৈরি করেছে।
৯. তারা এলিস ইন ওয়ান্ডার ল্যান্ড মুভিটা নিষিদ্ধ করেছিল এই কারণে যে, মুভিতে পশুপাখিরা মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারে।
১০.পুলিশদের একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় হাত উঁচিয়ে রাখার ট্রেনিং দেয়া হয়।

 

তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

*চীন* *বেশম্ভব* *বেশটেক* *অজানা* *তথ্য*

Risingbd.com: পোশাক যত ছোট ডিসকাউন্ট তত বেশি পণ্যের প্রচার করতে বা মানুষের মধ্যে নিজেদের পণ্যের চাহিদা তৈরি করতে নানা রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো। তেমনি প্রচারণার অংশ হিসেবে...বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1r4Qihl

*ছোটপোশাক* *ডিসকাউন্ট* *আড্ডা* *সারাবিশ্বে* *চীন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রংধনুর পর্বত! শুনতেই অবাক লাগে! কোনো রুপকথা নয় , চীনের Zhangye Danxia ল্যান্ডফর্ম ভূতাত্ত্বিক পার্কের রেনবো পর্বতমালা বিশ্বের একটি ভূতাত্ত্বিক আশ্চর্য। এই বিখ্যাত চীনা পর্বতমালা পারলৌকিক রং দ্বারা তৈরি ঘূর্ণায়মান পাহাড়ের উপর আঁকা রামধনুর জন্য জন্য পরিচিত।






এটি সম্ভবত প্রথম উদাহরণ যেখানে ভূতত্ত্ব আমাদের মনোযোগ কেড়ে নিতে বাধ্য এনং প্রশ্ন আসে রেনবো পর্বতমালা কি উপায়ে রঙ্গিন হয়? এখানে আমি diagenetic এবং mineralogical প্রসেস নিয়ে কিছু বলব যার মাধ্যমে এই পাহাড় লাল, সবুজ , হলুদ এবং নীল রঙে পরিণত হয়.


Zhangye Danxia ন্যাশনাল পার্ক ২০০ বর্গমাইল নিয়ে চীন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গানসু প্রদেশে অবস্থিত। ২০০৯ সালে এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান নামে নামকরণ করা হয় এবং অনেক চীনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য গন্তব্যে পরিণত হয়.

নিশচয় ভাবছেন, রেনবো পর্বতমালা কিভাবে ফর্ম হয়?


*বেশটেক* *বেশম্ভব** *





রেনবো পর্বতমালা ক্রিটেসিয়াস বেলেপাথর ও siltstones নামের পাথর দ্বারা গঠিত হয় যেটি হিমালয় পর্বতমালার গঠনেরও আগের কথা। যে রং আমরা আজ দেখতে পাই, তা বালি, পলি লোহা এবং ট্রেস খনিজ গঠনের মূল উপাদানের সন্নিবেশের জন্যই তৈরি। প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর আগে ভারতীয় প্লেট এবং ইউরেশীয় প্লেটের মধ্যে দ্বন্ধের কারণে একটি স্তরপূর্ণ অনুভূমিক এবং ফ্ল্যাট স্তরবিন্যাস ব্যাহত হয়েছিল। অনেকটা দুটি গাড়ি একটি রেকে উঠিয়ে নিলে যা হয়, গাড়ি দুটা একই রেকে নিজেদের মধ্যে দ্বন্ধে লিপ্ত হবে এবং তাদের ফ্ল্যাট অংশ ভাঙতে থাকবে, একই প্রক্রিয়ায় রেনবো পর্বতমালার ফ্ল্যাট বেলেপাথরে হয়েছিল। এই প্রক্রিয়া পাললিক শিলার যে অংশ মাটির নিচে লুকিয়ে ছিল তা উদ্ভাসিত করে পর্বতের ওপর অবস্থান নেয়। ওয়েদারিং এবং ক্ষয় মহাদেশীয় siliciclastic শিলার উপরিতলের স্তর মুছে ফেলে বিভিন্ন ধাতুবিদ্যা এবং রসায়নের সঙ্গে অন্তর্নিহিত গঠনে উদ্ভাসিত হয়।





এই রেনবো পর্বতমালা জুড়ে থাকা রং গুলো আকর্ষণীয় প্রকরণ ঘটায়। কিভাবে রেনবো পর্বতমালা গঠিত হয় তার একটি ধারণা পেলেন। এবার আমরা কিভাবে এই রঙ দেখতে পাই একটু আলোচনা করা যাক। ত্বরান্বিত ভূগর্ভস্থ বেলেপাথর শস্য মাধ্যমে চলে আসে এবং শস্য মধ্যবর্তী খনিজ ট্রেসে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়া বিশ্বজুড়ে বেলেপাথর এর পারলৌকিক রং জন্য অনুমতি দেয়!

এই পর্বতের বেলেপাথরের প্রাথমিক রঙ গভীর লাল। লাল রঙের বেলেপাথরের মধ্যে, একটি আয়রন অক্সাইড লেপ সংযোজন আছে, যা মূল্যবান্ আকরিক লৌহবিশেষ (Fe2O3) নামেও পরিচিত এ কারণে.

ওয়েদারিং, পানি ও অক্সিজেনের সঙ্গে মিশ্র আয়রন অক্সাইড মৌল লোহা তৈরি করে, যা তার গাঢ় লাল রঙের জন্য উল্লেখযোগ্য। রেনবো পর্বতমালা মূলত তার বেলেপাথর Danxia গঠনের এই আয়রন অক্সাইড এর কারণে চিহ্নিত করা যায়।

মাঝে মাঝে আয়রন অক্সাইড অধিকাংশই একটি গাঢ় লাল রঙ্গক জ্ঞাপন, তবে সেখানে অক্সাইড বিভিন্ন রং গঠন করে। উদাহরণস্বরূপ, জারিত limonite বা goethite বেলেপাথর এ বাদামী বা হলুদ পুনরায় উত্পাদন হবে, এমনকি ম্যাগনেটাইট কালো বেলেপাথর পুনরায় গঠন করতে পারে, যদি সেখানে লোহার সালফাইড থাকে। আবার, সালফার দ্বারাএকটি ধাতব হলুদ রঙ তৈরি হয়ে থাকে। এদিকে, সবুজ রং তৈরি হয়য় ক্লোরাইট বা লোহা সিলিকেট এঁটেল কারণে। এগুলো মাত্র কিভাবে বেলেপাথর diagenesis এর সময় রং পরিবর্তন করা যেতে পারে কিছু উদাহরণ! আরো অনেক উপাদানের দরুনও এখানে অনেক রঙ উৎপাদন হয়ে থাকে!






ভাগ্যক্রমে ঠিক এই একই প্রক্রিয়া দেখতে, আপনাকে উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে চীন ভ্রমণ করতে হবে না। এডভ্যাঞ্চারে যান এবং সর্বাঙ্গে একটি লাল রং আছে এমন শিলা চেনার চেষ্টা করুন! হয়ত আপনি একটি আয়রন অক্সাইড দাগী বেলেপাথর চিহ্নিত করে ফেলতেও পারেন!. পেলে জানাবেন কিন্তু!

রংধনুর পাহাড়ের গল্প এখানেই শেষ করছি!

তথ্য সূত্রঃ ফোর্বস ম্যাগাজিন

ছবিঃ গুগল থেকে নেওয়া

 

 

 

*বেশম্ভব * *রংধনু* *পর্বত* *চীন* *প্রকৃতি* *পরিবেশ*

*বেশম্ভব** *রংধনু* *পর্বত* *চীন* *প্রকৃতি*

হোস্টিং বাংলাদেশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চীনের বাজারে এখন অ্যাপল কিংবা স্যামসাং শাওমির সাথে পেরে উঠছে না।শাওমির নতুন স্মার্টফোন বের হওয়ার সাথে সাথেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস টেকনোলজি জানিয়েছে, গত বছর শাওমি ৭০ মিলিয়ন ইউনিট স্মার্টফোন বিক্রি করে। যদিও গত বছর শাওমির লক্ষ্য ছিল ৮০ মিলিয়ন ডিভাইস বিক্রি করার।

চলতি বছরের শুরুতেই শাওমি এমআই৫, রেডমি ৩, রেডমি ৩ প্রো স্মার্টফোন এনে বাজার মাতিয়ে রেখেছে। তবে বাজারের এখনো তিনটি প্রান্তিক বাকি আছে।পরবর্তীতে বাজার ধরে রাখার জন্য ৬.৪ ইঞ্চি ডিসপ্লের ট্যাবলেট ‘ম্যাক্স’ আনতে যাচ্ছে শাওমি । বড় ডিসপ্লের এই ফোনটি বছরের শেষে বা মাঝামাঝি সময়ে বাজারে আসতে পারে।

স্মার্টফোনের বাজারে বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি এক কোটি ৪৮ লাখ স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। তাদের বিক্রি দিনে দিনে আরও বাড়ছে।

*শাওমি* *চীন* *স্মার্টফোন* *বিক্রি*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হোয়াংহো নদীকে কেন চীনের দু:খ বলা হয় ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*হোয়াংহো* *চীন*

Risingbd.com: চীনের আকাশে ভাসমান শহর (ভিডিও) ভাসমান শহরের সেই ছবি ক্যামেরাবন্দি করে ইউটিউবে পাঠান এক বাসিন্দা। ইউটিউবে সেই ভিডিওর ‘ভিউ’ হয়েছে অর্ধকোটির কাছাকাছি। ১৩ অক্টোবর ভিডিওটি....বিস্তারিত- http://bit.ly/1HabGUj

*জানাঅজানা* *গুজব* *এক্সক্লুসিভ* *চীন* *ইউটিউব* *ভাসমানশহর*
ছবি

নিউজ ফ্ল্যাশ: ফটো পোস্ট করেছে

এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসছে চীন (খুকখুকহাসি)

সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার দেশ চীনে ১৯৮০-তে প্রচলিত এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসার কথা শোনা যাচ্ছে।। যদিও ৫০ এবং ৬০-এর দশকেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়েছিল। বিয়ের বয়স বাড়িয়ে দেওয়া, দু’সন্তানের জন্মের মধ্যে ব্যবধান বাড়ানো, সন্তানের সংখ্যা কমানোর মতো জন্মের হার কমানোর নানা উপায় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সে ভাবে সুফল মেলেনি। এ বার পালা বদলের নতুন পালা । এক সন্তান নীতি থেকে সরে আসছে চীন। এ বছরের শেষেই এই ঘোষণা হতে পারে প্রশাসন সূত্রে।

*চটখবর* *একসন্তাননীতি* *চীন* *আজবনীতি*
ছবি

জিসান: ফটো পোস্ট করেছে

আড়াল থেকেই বলছি: যেকোন শিক্ষার্থীর জন্য চীন সরকারের স্কলারশিপ, পাবেন ৪৮ লাখ টাকা.. ২৭৯ টি চীনের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কোর্স করা যাবে। Science, Engineering, Agriculture, Medicine, Law, Economics, Management, Education, Liberal Arts, Philosophy, History এবং Fine Arts এর উপর ডিগ্রি নেয়া যাবে।

*স্কলারশিপ* *চীন*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে



দেড়শ কোটিরও বেশি মানুষের দেশ চীন অতীতকাল থেকেই মানব সভ্যতা গড়ে তোলার জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। চীনের প্রাচীর পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম—এ আমরা জানি। আকুপাংচারের মতো বিস্ময়কর চিকিৎসা পদ্ধতিও চীনে আবিষ্কৃত হয়েছে। কিন্তু কয়েক বছর আগে চীন দেশে এমন একটি স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে, যা বিশ্ববাসীকে শুধু অবাকই করেনি, মুগ্ধও করেছে। এটি হচ্ছে শিল্পনগরী সাংহাইয়ে গড়ে তোলা পার্ল টাওয়ার। চীনের প্রযুক্তি বিদ্যার এক অপূর্ব নিদর্শন এই টাওয়ারটি দেখার জন্য প...্রতি বছর ২০ লাখেরও বেশি পর্যটক সাংহাই যান।
পার্ল টাওয়ার আইফেল টাওয়ারের চেয়েও উঁচু এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত। এ টাওয়ারে ফ্লোর রয়েছে ১৫টি। কাচ দিয়ে ঘেরা বিশাল আকৃতির দুট রেস্টুরেন্ট রয়েছে এখানে। এসব রেস্টুরেন্টে ৮০ ধরনের এশীয় ও ইউরোপীয় খাবার পাওয়া যায়। খাবার তৈরি হয় একেবারে নিচের ফ্লোরে। অর্ডার দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে লিফটের মাধ্যমে খাবার পৌঁছে দেয়া হয়। এ ছাড়াও এখানে রয়েছে কমিউনিটি সেন্টার ও চারটি বাস্কেটবল খেলার কোর্ট। খেলাধুলা করার জন্য অতিরিক্ত ফ্লোরও রয়েছ পার্ল টাওয়ারে। সে সব ফ্লোর বিয়ে বা অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেয়া হয়।
পার্ল টাওয়ারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৯১ সালে—১৯৯৫ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। নির্মাণ শেষে পার্ল টাওয়ারের ওজন এসে দাঁড়ায় ১২ হাজার টনে। এখানে ছয়টি টেলিভিশন সম্প্রচার কেন্দ্র এবং ১১টি বেতার কেন্দ্র রয়েছে। সাংহাই এবং এর পার্শ্ববর্তী ১১টি প্রদেশের এক কোটি ২০ লাখ মানুষ এসব কেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারে।
টাওয়ারটিতে ওঠানামা করার জন্য রয়েছে ২১টি বড়সড় লিফট। টাওয়ার আলোকিত করার জন্য ৪৩৮টি ফ্লাড লাইট একসঙ্গে যখন জ্বালানো হয় তখন একে স্বপ্নপুরীর মতো মনে হয়। এর চূড়াটি সোনার মতো ঝলমলে। রোদ ও লাইটের আলোয় দিন-রাত সেই চূড়া ঝকমক করে।

(ছবি ও বর্ণনা- নাইম)
*দর্শনীয়-স্থান* *ভ্রমন-টিপস* *চীন* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বাক্ষী চীনের মহাপ্রাচীর প্রাচীন ইতিহাসের অংশ হিসেবে সারা বিশ্বের পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রাচীন এই স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্য ও সৌন্দর্য্য অবলোকন করলে আপনি মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না। পরিসংখ্যান মতে, এটি মানুষ নির্মিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা। কথিত আছে, চাঁদ থেকেও এই স্থাপনা দেখতে পাওয়া যায়। অপরূপ সৌন্দর্য্য এবং প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক হওয়ায় চীনের মহাপ্রাচীরকে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন নির্মিত হয়েছিল এই মহাপ্রাচীরঃ

ঐতিহ্যবাহী এই প্রাচীরকে চীনা ভাষায় বলা হয় ‘ছাংছং’ । ‘ছাংছং’-এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে দীর্ঘ দেয়াল। হাজার হাজার বছর আগে কেন এতো জনবল,সম্পদ,সময় ব্যয় করে এই মহা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল? আসলে এই মহা প্রাচীর নির্মাণের প্রধান লক্ষ্য ছিল বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করা।

চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য। এই প্রাচীরের উচ্চতা প্রায় ৫ থেকে ৮ মিটার এবং ৮৮৫১.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি শুরু হয়েছে সানহাই পাস থেকে এবং শেষ হয়েছে লোপনুর নামক স্থানে। খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দী থেকে শুরু করে প্রায় ২০০০ বছর পর্যন্ত এর নির্মাণ,সংস্কার, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের কাজ চলতে থাকে। এর মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২২১ সালে।
চীনের প্রথম সম্রাট ছিন শি হুয়াং বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে তাঁর নবনির্মিত সাম্রাজ্য নিরাপদ রাখতে নির্মাণ করেন মহাপ্রাচীরের বিভিন্ন অংশ। তবে সেই সময়ে নির্মিত প্রাচীরের তেমন কিছুই আজ আর অবশিষ্ট নেই। পরবর্তী ডাইন্যাস্টিগুলোতে এর নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত থাকে। তবে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ছিন, হান এবং মিং ডাইন্যাস্টি। এই তিনটি ডাইন্যাস্টি মিলে নির্মিত প্রাচীরের দ্যৈর্ঘ প্রায় ১০০০০ কিলোমিটারের অধিক।
বর্তমানে চীনের সিনচিয়াং, কানসু, নিনশিয়া, চিয়াংশি, ইনার মঙ্গোলিয়া, শানসি, হোপেই, পেইচিং, থিয়েনচিন, লিয়াওনিং, চিলিন, হোইলুংচিয়াং, হোনান, শান্তুং, হুপেই ইত্যাদি অঞ্চলে মহাপ্রাচীরের প্রাচীন অংশের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।

দেখার আছে অনেক কিছুঃ
এই মহা প্রাচীর নির্মাণের স্বর্ণযুগ হচ্ছে মিং ডাইন্যাসটি (১৩৬৮-১৬৪৪)। বর্তমানে আমরা মহা প্রাচীরের যে অংশগুলো দেখতে পাই, তা মূলত মিং ডাইন্যাস্টিতে নির্মিত। এই সময়ে নির্মিত অংশ ৩৭৩ মাইলের বেশি দীর্ঘ। এতে রয়েছে ৮২৭ টি শহর প্রাচীর প্ল্যাটফর্ম,৭১টি গিরিপথ এবং অগুনিত দুর্গ।

মিং রাজার সময়ে নির্মিত প্রাচীরের যে অংশগুলো মোটামুটি ভালোভাবে সংরক্ষিত রয়েছে সেগুলো হচ্ছে: পাতালিং, মুথিয়ানাইয়ু, সিশাথাই, চিনশানলিং, হুয়াং হুয়া চং, কুপেইখৌও, চিয়ানখৌও ইত্যাদি।  তবে এর মধ্যে দেশি বিদেশি পর্যটকদের মাঝে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘পাতালিং’ । মহা প্রাচীরের এই অংশটিই প্রথম সাধারণ পর্যটকদের জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছিল। বেইজিং শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার উত্তরে ইয়ানছিং কাউন্টিতে এর অবস্থান। মিং ডাইন্যাস্টিতে এটি ভৌগোলিক ও সামরিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুপাশের অপরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশ এর সৌন্দর্যে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা। 

চীনের মহাপ্রাচীরে বছরের ৪টি ঋতুতে উপভোগ করা যায় চার ধরনের সৌন্দর্য। শীতকালে শুভ্র তুষারে ঢাকা প্রাচীর যেমন আপনার মনে এনে দিতে পারে এক ধরনের পবিত্র প্রশান্তি, তেমনি বসন্তের রঙবেরঙের ফুল আপনার মনকে করে তুলবে উত্ফুল্ল। গ্রীষ্মকালে গ্রেট ওয়ালের চারপাশের সবুজ স্নিগ্ধ পরিবেশ আর ঝিরিঝিরি বাতাস প্রশান্ত করবে আপনার মন ও হৃদয়কে।

ভ্রমন করা যাদের নেশা তারা একবারের জন্য হলেও ঘুরে আসুন পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য থেকে। আপনার দুঃসাহসিক ভ্রমনের জানা অজানা আমাদের মাঝে শেয়ার করুন। সবাইকে জানিয়ে দিন আপনি সত্যিকারের একজন ট্রাভেলার।

*ভ্রমন* *চীন* *ট্রাভেল* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রহস্যময়ী রূপবৈচিত্রে ভরপুর এই পৃথিবীটাকে ঘুরে দেখার শখ আমাদের সকলেরই রয়েছে। কিন্তু সাধ থাকলেও অনেকেরই সাধ্য নেই। আবার অনেকের সাধ্য থাকলেও সুন্দর এই পৃথিবীটা এতো বড় যে পুরোটা ঘুরে দেখার মত সময় হয়না। সুন্দর এই পৃথিবীতে এমন কিছু স্থান আছে যেগুলো মৃত্যুর আগে অন্তত একবার হলেও ঘুরে দেখা উচিত। রূপকথাকেও হার মানিয়ে দেবার মত তেমনি অদ্ভুত সুন্দর ও বিস্ময়কর ৬টি স্থান নিয়ে আজকের আলোচনা। আশাকরি,নতুনকে জয় করার স্বপ্ন যাদের মনে তারা একবারের জন্য হলেও পৃথিবীর এই ৬টি স্থান ঘুরে দেখবেন।

চীনের রিড ফ্লুট গুহা
ছবিতে যে আলোকিত স্থানটি দেখতে পাচ্ছেন সেটি চীনের রিড ফ্লুট গুহা। ২৪০ মিটার দীর্ঘ এই গুহা প্রায় ১২০০ বছর ধরে চীনের অন্যতম আকর্ষনীয় স্থান। পানির প্রতিফলন ও আলো আধারিতে সৃষ্টি হওয়া নানান রঙের প্রাকৃতিক আলোতে স্বর্গের কোনো স্থান বলে মনে হয় গুহাটিকে।




বলিভিয়ার সালার ডি ইউনি
বৃষ্টির মৌসুমে পৃথিবীর সবচাইতে বড় সল্ট ফ্ল্যাট পরিণত হয় পৃথিবীর সবচাইতে বড় আয়নায়। প্রাচীন অনেক গুলো লেকের সমন্বয়ে তৈরী হয়েছে সালার সালার ডি ইউনি। বৃষ্টির সময় পুরো আকাশের প্রতিবিম্ব দেখা যায় বলে এটাকে বিশাল একটি আয়না বলে মনে হয়।




মালদ্বীপের তারার সমুদ্র
ভেবে দেখুনতো, একটি সমুদ্রের সামনে বসে আছেন আপনি। আপনার সামনে সমুদ্রের ঢেউ আছড়ে পড়ছে বার বার। আর সমুদ্রের পানিতে ভাসছে অসংখ্য তারা! ঠিক এমনই একটি সমুদ্র আছে মালদ্বীপে। তবে সমুদ্রের পানিতে যেগুলোকে জ্বলজ্বল করতে দেখছেন সেগুলো তারা নয়। সন্ধ্যায় অন্ধকার হয়ে গেলেই হলেই অসংখ্য ফাইটোপ্লাঙ্কটন জ্বলজ্বল করে এই সমুদ্রের পানিতে।




আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাত
আমেরিকার অ্যারিজোনার আন্টেলপ গিরিখাতটি বহুবছর আগে পানির প্রবাহের ফলে সৃষ্টি হয়। বেশ চাপা এই গিরিখাতটিতে তেমন আলো প্রবেশ করতে না পারলেও সৃষ্টি হয় নানান রঙের। প্রাকৃতিক এই রঙের খেলার কারণে এই স্থানটি পৃথিবীর অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান হিসেবে পরিচিত।




ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী
ভাবছেন বরফের মধ্যে এগুলো কি তাই না? এগুলো ফিনল্যান্ডের মেরুঅঞ্চলের প্রহরী হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে এগুলো হলো বরফে ঢেকে যাওয়া উঁচু উঁচু গাছ। তাপমাত্রা -৪০ থেকে -১৫ এর মধ্যে থাকলে এই অঞ্চলের গাছ গুলো দেখতে এরকম হয়ে যায়।




নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোর জোনাকির গুহা
নিউজিল্যান্ডের ওয়েটোমোরে আছে একটি অসাধারণ গুহা। এই গুহার বৈশিষ্ট্য হলো গুহাটির ছাদে ও দেয়ালের গায়ে লেগে থাকে লক্ষ লক্ষ জোনাকি পোকা। জোনাকি পোকার আলোতেই আলোকিত হয়ে থাকে গুহাটি। দেখে মনে হয় গুহার দেয়ালে ও ছাদে মিট মিট করে জ্বলছে অসংখ্য তারা। সত্যিই অসাধারণ সুন্দর একটি স্থান।

ভ্রমন পিপাসু বন্ধুরা, সাধ্য এবং সাধ দুটোই যাদের আছে তারা অবশ্যই রহস্যময়ী অদ্ভূত সুন্দর এই স্থানগুলো দেখতে ভুল করবেন না। ঘুরে আসুন পৃথিবীর দর্শনীয় স্থান গুলো থেকে আর আপনার ভ্রমনের অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করুন।
*ভ্রমন* *ট্রাভেল* *ভ্রমনটিপস* *বিদেশভ্রমন* *মালদ্বীপ* *আমেরিকা* *ফিনল্যান্ড* *চীন* *ভ্রমনগাইড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★