চুলের সাজ

চুলেরসাজ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদের দিনে পোশাকের পাশাপাশি যারা সাজের চমক দিয়ে অন্যকে চমকে দিতে চান তাদের জন্য পারফেক্ট মেকওভারের অন্যতম শর্ত হচ্ছে পারফেক্ট হেয়ারস্টাইল। নট পনিটেইল একটি অতি সিম্পল এবং আকর্ষণীয় একটি হেয়ারস্টাইল। এটি একটি টিনএজ লুক হেয়ারস্টাইল, টিনেজার মেয়েদের সিম্পলভাবে হেয়ারস্টাইল করলেই বেশি ভালো দেখায়।

এতে বিশেষ কিছুই লাগবে না, চুল একটু লম্বা হতে হবে আর সাথে হেয়ার ব্রাশ ও হেয়ার ক্লিপ থাকলেই আপনি এটি করে ফেলতে পারবেন।

চলুন পদ্ধতিগুলো সমন্ধে জেনে নেই:
(১) প্রথমে চুল ভালোভাবে আঁচরে নিতে হবে, এক্ষেত্রে আপনি উষ্কখুষ্ক ভাব সরাতে হেয়ার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এরপর চুল একপাশে এনে একে দুটিভাগে ভাগ করে নিতে হবে।

(২) এবার চুলে নট বাঁধার মত করেই নট করতে হবে। প্রথম নটটি দেয়ার পর দ্বিতীয়টি দিয়ে ফেলতে হবে।

(৩) নটের শেষ মাথায় ইলাস্টিক ব্যান্ড দিয়ে আঁটকে দিতে হবে। এবার নটটি পিন দিয়ে আঁটকে দিতে হবে।

(৪) এবার কিছুটা ট্রেন্ডি ভাব নিয়ে আসতে নটের নিচের চুলে হালকা টিজিং করে ফেলতে হবে।

 

*ঈদেরসাজ* *হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ* *বিউটিটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনআদিকাল থেকে চুল রূপসজ্জার অন্যতম অনুসঙ্গ। আধুনিক যুগের নানান রকম স্টাইলিশ চুলের আবেদনকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। যে যারমত বাহারি স্টাইল ও কাটছাট দিয়ে আরও ফ্যাশনেবল হয়ে উঠছে। চুল ফ্যাশনের এই স্টাইলে আপনার সঙ্গী হতে পারে হরেক রকম হেয়ার ব্যান্ড। যদিও মাথার চুল আটকে রাখাই ব্যান্ডের কাজ। তারপরও নান্দনিক সব ব্যান্ডের মাধ্যমেই তৈরি করে ফেলা যায় চুলের বাহারি সব স্টাইল। সাধারণ জিনিসেই ফুটিয়ে তোলা যায় অসাধারণত্ব। 

হরেক রকম হেয়ার ব্যান্ড

কিনতে ক্লিক করুন

বর্তমান বাজারে হরেক রকমের স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড পাওয়া যায়। কাপড়ের ওপর প্রিন্ট অথবা ছোট চেকের ব্যান্ডগুলো জনপ্রিয়তা পেয়েছে বেশ। এগুলো অবশ্য কিছুটা মোটা ধাঁচের হচ্ছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফ্লাওয়ার শেপ হেয়ার ব্যান্ড। এ ছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি কালো, সাদা, মেরুনসহ বিভিন্ন রঙের ব্যান্ড রয়েছে। সাদা পুঁতিগুলোকে কালো সুতায়ও সাজানো হচ্ছে। কখনো পাথরের ঝলকানিতে মাথার শোভা বাড়াচ্ছে। মোট কথা, বিভিন্ন রঙে এবং নকশার খেলায় খেলে যাচ্ছে উপকরণটি। কিনতে ক্লিক করুনসোজা চুলে এ ব্যান্ডগুলো বেশি মানানসই, তবে কোঁকড়া চুলেও এনে দেয় আলাদা সৌন্দর্য। ছোট চুল ও বড় চুলে সমান মানানসই। হালকা বেণি, ফ্রেঞ্চ বেণি ও ঝুঁটি করে ব্যান্ড পরে নিলেই হবে। যে কোনো পোশাকের সঙ্গেই ব্যান্ড মানানসই, তবে শাড়ির সঙ্গে না পরলেই ভালো। বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে পরলেই বেশি ভালো লাগবে। পোশাক ও অনুষ্ঠানের সঙ্গে মানানসই ব্যান্ডই পরা উচিত। শুধু ব্যান্ড ব্যবহার করে চেহারায় পরিবর্তন আনা যায়। দরকার চেহারা, চুল ও স্টাইলের কথা চিন্তা করে জিনিসটি কেনা। চুলের স্টাইলে বাড়তি সৌন্দর্য আনার এ উপকরণটি তা না হলে দেখতে বেমানান লাগবে।


চুলের সাজে

কিনতে ক্লিক করুন
বড় হোক, ছোট হোক চুলের সাজ বাড়াতে, চেহারায় ভিন্নধর্মী লুক আনতে জুড়ি নেই ব্যান্ডের। ব্যান্ডের সঙ্গে চুল বেঁধে রাখলে ভালো লাগবে না। কোঁকড়া হোক কিংবা সোজা, খোলা চুলেই ব্যান্ড ব্যবহার করা উচিত। চেহারার গঠনের সঙ্গে মিল রেখে ব্যান্ড পরা উচিত।
লম্বাটে চেহারার অধিকারীরা ব্যান্ড পরার সময় পাশ দিয়ে কিছুটা চুল বের করে রাখবেন। এতে চেহারার লম্বা ভাবটি কেটে যাবে। কপাল বড় থাকলে তাও ঢেকে যাবে।
কিনতে ক্লিক করুনএকইভাবে পরবেন গোল কিংবা ফোলা গালের অধিকারীরা। সামনের দিক দিয়ে অথবা গালের দুই পাশ দিয়ে চুল থাকলে ভালো লাগবে।
ছোট মুখ যাদের, তারা সব চুল পেছনে টেনে নিয়ে পরবেন।
কোঁকড়া চুলের আছে আলাদা সৌন্দর্য। ব্যান্ড পরলে এতে যোগ হয় আলাদা মাত্রা। কপাল থেকে সব চুল টেনে পরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, কপাল ও ব্যান্ডের মধ্যে দূরত্ব যেন একদমই না থাকে। কপাল থেকে খুব বেশি পেছনে চলে না যায়। অর্থাৎ ব্যান্ড কপালের কাছাকাছি পরতে হবে।
ব্যান্ডের সঙ্গে জুতার একটা সামঞ্জস্য রাখতে হবে। ব্যান্ড পরলে অবশ্যই হিল ছাড়া ফ্ল্যাট জুতা পরবেন।

কোথায় থেকে কিনবেন:

কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিমপুর, গুলিস্থান, ধানমন্ডি, উত্তরা ও বনানীর মার্কেট গুলোতে নান্দনিক সব হেয়ার ব্যান্ড পেয়ে যাবেন। তাছাড়াও অনলাইনে কেনা যাবে দেশের প্রায় সবগুলো অনলাইন শপ থেকে। তবে বিশ্বস্থতার সাথে দ্রুত ডেলিভারীর নিশ্চয়তা দিয়ে পণ্য সরবারহ করছে দেশ সেরা শপিংমল আজকের ডিল। তাদের কাছ থেকে স্টাইলিশ হেয়ার ব্যান্ড কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*হেয়ারব্যান্ড* *চুলেরসাজ* *হেয়ারস্টাইল* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এতদিনে নিশ্চয়ই বৈশাখের শাড়ি, গয়না ঠিক করে ফেলেছেন। কিভাবে সাজবেন তাও হয়ত ভেবে নিয়েছেন, তবে হয়ত বা এই গরমের কি হবে চুলের সাজ তা নিয়ে এখনো ভাবছেন। নিশ্চয় নিজেকে চান ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে বছরের প্রথম দিনে। পাশে সিঁথি করে চুলটাকে কখনো ফুলিয়ে নিতে পারেন, আবার কখনো টুইস্ট করে পেঁচিয়ে ক্লিপ দিয়ে কানের পাশে আটকে দিতে পারেন। এবার পছন্দমতো খেজুর বেণি করে চোখে ব্যবহার করতে পারেন রাশভারী চশমা। আর জমকালো ভাব আনতে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে পেঁচিয়ে খোলা রাখতে পারেন। কানের পাশে গুঁজে দিতে পারেন বড় ফুল।চলুন দেখে নেই, বৈশাখের প্রথম দিনে কিভাবে চুলের উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারেন l

খানিক এলোচুলে ছিমছাম
চুলটাকে সাজাতে পারেন এলোমেলোভাবে। শুরুতে সামনের চুলগুলো এক পাশ করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এরপর নিচের চুলকে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে নিন। চোখের ওপরে দিন আইলাইনের ছোঁয়া। ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক। হাতে আংটি ও কানে ছোট্ট দুলে ছিমছাম সাজ।

স্নিগ্ধ সাজের চুল 
হাইনেক গলার ব্লাউজ, পরনে তাঁতের শাড়ি। হাতে নানা রকমের বালা। কানে বড় দুল। চুলটাকে রোলার দিয়ে বড় বড় কোঁকড়া করে খোলা রাখতে পারেন। সাজ হতে পারে হালকা। এতেই দেখাবে স্নিগ্ধ। সকালে এমন সাজেইবের হতে পারেন।

জমকালো খোঁপা 
চুলটাকে কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে এলোমেলো চুলগুলো উঁচু করে খোঁপা করে ফেলুন। চিরুনি ব্যবহার না করেও খোঁপাটি করতে পারেন। জমকালো ভাব আনতে কানের পাশ দিয়ে একটি-দুটি চুল বের করে দিতে পারেন। সঙ্গে চোখে স্মোকি সাজ আর ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক। উজ্জ্বল রঙের শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট ব্লাউজ। গতানুগতিকভাবে না করে ভিন্নভাবে খোঁপা করা যেতে পারে। খোঁপায় বিশেষত্ব আনতে চাইলে সামনের চুলগুলো কার্লার দিয়ে কোঁকড়া করে নিন। এরপর কোঁকড়া চুলগুলো পেঁচিয়ে ফুলের মতো করে ক্লিপ দিয়ে আটকে নিন। এভাবে দু-তিনটি চুলের ফুল সামনে করা যেতে পারে। আরপেছনের চুল এক পাশে নিচু করে খোঁপা করে নিন। খোঁপার ওপর লাগিয়ে নিতে পারেন কয়েকটি চিকন বেণি। এরপর খোঁপায় গুঁজতে পারেন পছন্দের কোনো ফুল।

*চুলেরসাজ* *বৈশাখীসাজ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনার হেয়ার স্টাইল কেমন হবে মূলত তার উপর ভিত্তি করেই আপনার চেহারার ভিন্নতা, চুলের প্রকৃতি ও ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। ভিন্নধর্মী হেয়ার স্টাইল বিভিন্ন সময়ে আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করে। তাই বর্তমানে হাল ফ্যাশনে হেয়ার স্টাইল অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। হেয়ার কাট, কালার, রিবন্ডিং বা কার্লিং, পার্ম আরও কত কী, সবই এখন ফ্যাশনের অন্তর্ভুক্ত। তবে যে ফ্যাশন বা স্টাইলই করতে ইচ্ছা হোক না কেন, সবচেয়ে জরুরী হচ্ছে একটা ভালো ও মানানসই হেয়ার কাট, কেননা চুলের আকার-আকৃতি ঠিক না থাকলে কোন রকম স্টাইলই ফুটে উঠবে না। তাই আর দেরী না করে তটজলদি জেনে নিন, কিভাবে করবেন মনের মত হেয়ার স্টাইল?

প্রথম ধাপ-
এমন হেয়ার কাট বছাই করুন যা আপনার চেহারার সৌন্দর্য্য বর্ধন করে-
সাধারণত, চেহারার সাথে বৈপরীত্ব রেখেই হেয়ার কাট করা হয়ে থাকে। নামী-দামী হেয়ার স্টাইলিস্টরা এ নিয়ম মেনেই ভিন্ন ভিন্ন গ্রাহকদের ভিন্ন ভিন্ন হেয়ায় স্টাইল তথা হেয়ার কাট সাজেস্ট করে থাকেন।

আপনার চেহারার আকার সম্পর্কে জানুন-
চেহারার আকার জেনে ফেললেই হেয়ার স্টাইল নিয়ে আপনার বহুবিধ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এক নিমিষেই; অনেকের কাছে হয়ত নিজের চেহারার আকার নির্ণয় করাটাই কঠিন কাজ। কিন্তু দেখুন এটি আসলেই কত সহজ। প্রথমেই সমস্ত চুল মুখের কাছ থেকে সরিয়ে নিন এবং আঁচড়ে বেঁধে নিন। এবার আয়নার সামনে সোজা হয়ে দাঁড়ান, একদম সোজা হয়ে দাঁড়াবেন একটুও আঁকাবাঁকা হওয়ার চেষ্টা করবেন না। এবার লিপস্টিক বা বডি বাটার দিয়ে আয়নায় ফুটে উঠা আপনার প্রতিচ্ছবিতে আউটলাইন করুন (শুধু মুখমন্ডল)।

গোলাকার মুখমন্ডল-
এ ধরনের চেহারাতে গোলাকৃতির গাল লক্ষ্য করা যায়, কপাল ও থুতনি থাকে চওড়া এবং চিকবোনও বেশ চওড়াই হয়ে থাকে। চেহারার ধরণ এমনটি হলে থুতনির নিচ পর্যন্ত লং বব, কাঁধ অবধি লং লেয়ার কিংবা স্টেপ উইথ ফ্রন্ট লেয়ারও কাটতে পারেন। সোজা লম্বা চুল বা ছোট আকৃতির বব কাট দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

চৌকোণাকার মুখমন্ডল-
সম্পূর্ণ মুখমন্ডল চওড়া, কোণাকার চোয়াল, প্রশস্ত চিকবোন ও চওড়া কপালের অধিকারীদের মুখমন্ডলকে চৌকোণাকৃতি ধরা হয়। আপনারা চাইলে কার্ল, লং বা স্লীক লেয়ার কিংবা ব্যাঙস উইথ ইউ লেয়ার কাট দিতে পারেন যা কিনা পিঠ পর্যন্ত যাবে না বরং চোয়ালের গোড়া অবধি থাকবে আর এতে আপনার চোয়াল সুন্দর দেখাবে।

ডিম্বাকৃতি মুখমন্ডল-
এটি দেখতে অনেকটা গোলাকার মুখের মতই তবে আরো একটু লম্বা ধরনের। এ ধরনের চেহারার সাথে যে কোনও হেয়ার কাট ভীষণ মানানসই। তাই আপনার পছন্দের যে কোনও কাট ট্রাই করতে পারেন।

পানপাতাকৃতি মুখমন্ডল-
এদের ক্ষেত্রে সরু থুতনি ও চওড়া কপাল লক্ষ্যণীয়। চিকবোন কপালের মত বা তার চেয়েও বেশি প্রশস্ত হয়ে থাকে। যে কোনও ধরনের ব্যাঙস কাট আপনাকে ভালো মানাবে ,তবে লং লেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

বরফি আকৃতি মুখমন্ডল-

এমন মুখে শুধু প্রশস্ত চিকবোন দেখা যায় এবং কপাল ও থুতনি তুলনামূলক ভাবে সরু হয়। সামনে শর্ট ব্যাঙস ও পেছনে লেয়ার কাটুন।

লম্বাকৃতি মুখমন্ডল-
লম্বা মুখমন্ডলের ক্ষেত্রে কপাল, চিকবোন, থুতনি সমান আকৃতির হয়ে থাকে। যে কোনও হেয়ার কাটকেই শর্ট করে কাটলে এমন মুখে মানিয়ে যায়। যেমন-সাইড ব্যাঙস, ববস, ইত্যাদি। ঢেউ খেলানো কার্লি স্টাইলও ভালোই যায় এমন চেহারায়।

এবার আপনার চেহারার গঠন, চুলের প্রকার, যত্নআত্নির কথা বিবেচনা করে একটা ফাইনাল হেয়ার কাট বেছে নিন এবং পছন্দ মত কোন পার্লার বা সেলুন এ গিয়ে দিয়ে নিন আপনার উপযুক্ত হেয়ার কাটটি। আপনার মূল্যবান চুল থাকুন সুরক্ষিত ও সুন্দর আর আপনার বেছে নেওয়া হেয়ার কাট আপনার মুখে এনে দিক সেই বড় মাপের হাসি।
(সংকলিত)

*হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ*
ছবি

বিডি আইডল: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

পার্টিসাজের অংশ হতে পারে এমন স্টাইলিশ খোপা

*হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ*
ছবি

বিডি আইডল: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

ইন্ডিয়ান ব্রাইডাল হেয়ারস্টাইল

*হেয়ারস্টাইল* *চুলেরসাজ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★