ছুটিতে ভ্রমণ

ছুটিতেভ্রমণ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এই শীতে কোথায় ভ্রমণ করতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*শীতকাল* *ছুটিতেভ্রমণ*

শাহেদ সুলতান মহিউদ্দিন: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কুয়াকাটা ভ্রমণের বিস্তারিত জানালে উপকৃত হতাম। কুয়াকাটায় সবচেয়ে ভালো হোটেল কোনগুলো?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*কুয়াকাটা* *ভ্রমণ* *ছুটিতেভ্রমণ* *প্রয়োজনীয়তথ্য*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গুল বাগিচা পিকনিক স্পট সমন্ধে বিস্তারিত তথ্য কেউ জানাতে পারেন কি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*গুলবাগিচা* *পিকনিকস্পট* *ছুটিতেভ্রমণ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকা থেকে নাফাখুম জলপ্রপাত ঘুরতে যাবার বিস্তারিত তথ্য কেউ দিতে পারেন কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*নাফাখুমজলপ্রপাত* *বান্দরবান* *ভ্রমণ* *ছুটিতেভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

  ঈদ আসছে আর এ সময়টায় অনেকেই ছুটি কাটাতে বেড়িয়ে আসেন শহরের বাইরে। তবে ছুটিতে যাবার আগে খুব দরকারি একটা কাজ করতে ভুলে গেছেন আর তার দুশ্চিন্তায় পুরো ছুটিটাই মাটি- এমন ঘটনাও ঘটে খুব। তাই মোটেই ভুলে যাওয়া যাবে না এই কাজগুলোকে।

১) বিল শোধ করে ফেলুন
 
ছুটিতে যাবার আগে সেই মাসের বিলগুলো দিয়ে ফেলুন। নয়তো দেখা যাবে ছুটি শেষ করে আসতে আসতে বিল দেবার তারিখ পার হয়ে গেছে।
 
২) ওয়ালেট থেকে অপ্রয়োজনীয় জিনিস বের করে ফেলুন
 
পুরনো বিভিন্ন রিসিপ্ট, বাজারের লিস্ট, আগের ছুটির বাস/ট্রেন/প্লেন টিকেট ইত্যাদি বের করে ফেলুন ওয়ালেট বা পার্স থেকে। এগুলো পরে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।
 
৩) দরকারি ডকুমেন্ট কপি করে রাখুন
 
বিশেষ করে দেশের বাইরে বেড়াতে গেলে এই কাজটি অবশ্যই করবেন। আপনার আইডি, পাসপোর্ট, ক্রেডিট কার্ড এগুলোর ফটোকপি করে রাখুন। স্ক্যান করে সেই কপি আপনার ইমেইলেও সেভ করে রাখতে পারেন।
 
৪) অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করুন
 
ডাক্তার, ডেন্টিস্ট অথবা অন্য কোনো জায়গায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকলে সেটা মনে করে ক্যান্সেল করে যান। আপনার অফিসেও যদি কোনো মিটিং এ বসার কথা থাকে তাহলে জানিয়ে যান তা হচ্ছে না।
 
৫) সুইচ অফ
 
বাড়ি থেকে বের হবার আগে অবশ্যই সবকিছুর সুইচ বন্ধ করে যাবেন। সব ইলেকট্রনিক জিনিস প্লাগ খুলে রাখবেন। এতে শক্তি এবং টাকা দুটোই বাঁচবে।
 
৬) লিস্ট চেক করুন
 
কি কি নেওয়া লাগবে সাথে তার জন্য একটা লিস্ট তৈরি করে রাখুন আগে থেকেই। বের হবার আগে ভালো করে কয়েক বার এই লিস্ট চেক করে নিন। দরকারি ওষুধ সাথে করে নিতে ভুলবেন না অবশ্যই।
 
৭) বই এবং স্ন্যাকস
 
অনেকেই বাসস্ট্যান্ড, ট্রেন স্টেশন বা এয়ারপোর্ট থেকে বই, ম্যাগাজিন, চিপস, চকলেট এসব কিনে থাকেন। কিন্তু এতে খরচটা বেশি হয়ে যায়। এর চাইতে বাসা থেকেই কয়েকটা পেপারব্যাক বই নিয়ে নিন, স্ন্যাকস তৈরি করে নিন অথবা ফলমূল কেটে নিয়ে নিন। খরচ কিছুই হবে না।
 
৮) ফ্রিজ এবং ডাস্টবিন খালি করে রাখুন
 
পচে যেতে পারে এমন জিনিস খালি করে ফেলুন ফ্রিজ থেকে। সম্ভব হলে ফ্রিজ একেবারেই খালি করে পাওয়ার অফ করে যান। এছাড়া বাড়িতে কোনো আবর্জনাও রাখবেন না। বাইরে এমন জায়গায় রেখে দিন যাতে ময়লাওয়ালা নিয়ে যেতে পারে।
 
৯) ধোয়া-মোছা
 
সম্ভব হলে বেড়াতে যাবার আগে বিছানার চাদর, বালিশের কভার, ময়লা পোশাকগুলো ধুয়ে, শুকিয়ে গুছিয়ে রেখে যান। এতে ফিরে এসে আর এগুলো ধুতে হবে না। আর জার্নির ক্লান্তি দূর করতে পরিষ্কার বিছানায় ঘুমের তো তুলনায় হয় না। ময়লা বাসন-কোসন ধুয়ে পানি ঝরাতে রেখে দিন। এর পাশাপাশি টয়লেট, বাথরুম এবং সিঙ্কে অল্প করে বেকিং সোডা ছড়িয়ে দিয়ে যান। এতে দুর্গন্ধ হবে না।
 
১০) চার্জ করে নিন ঠিকমতো
 
আপনার মোবাইল, ল্যাপটপ এ জাতীয় সবকিছু চার্জ করে নিন এবং চার্জার নিতে ভুলবেন না।
 
১১) রিজার্ভেশন
 
হোটেল এবং গাড়ির রিজার্ভেশন চেক করে নিন আগে থেকেই।
 
১২) বাচ্চাদের জন্য আলাদা ব্যাগ
 
সাথে বাচ্চা থাকলে তাদের যত্নের জিনিসগুলো আলাদা একটি ব্যাগে নিতে ভুলবেন না যেন। দুধের বোতল, ডায়াপার, ওয়েট ওয়াইপ এগুলো নেওয়া হয়েছে কিনা চেক করে নিন।
 
১৩) পোষা প্রাণীর এবং গাছ
 
বাসায় কোনো পোষা প্রাণী যেমন পাখি, বিড়াল, কুকুর, খরগোশ এগুলো থাকলে কোনো আত্মীয় বা বন্ধুকে দিয়ে যান যারা আপনার ছুটির সময়টায় এদের যত্ন নিতে পারবে। গাছাপালা দরজার বাইরে রেখে যান এবং প্রতিবেশি যাতে একটু সময় করে এগুলোতে পানি দেয় তার ব্যবস্থা করে যান।
 
১৪) জানিয়ে যান
 
পরিবার এবং কাছের বন্ধুদের জানিয়ে যান আপনার ভ্রমণের সব তথ্য। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কতদিন থাকবেন, কোনদিন কোন এলাকায় ঘুরতে যাবেন এ ব্যাপারে জানিয়ে যান। ফোন নাম্বার দিয়ে যান এবং সবসময় যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখুন। এতে আপনার কোনো বিপদ হলে তারা টের পাবেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
 
১৫) নিরাপত্তা
 
বাড়ি খালি করে চলে গেলে তাতে চুরি-ডাকাতি হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। প্রতিবেশিকে জানিয়ে যান আপনি থাকছেন না এবং তিনি যেন বাড়ির দিকে একটু নজর রাখে তা নিশ্চিত করে নিন। সব দরজা জানালা শক্ত করে বন্ধ করা হয়েছে কিনা চেক করুন। এছাড়াও সব পর্দা টেনে দিয়ে রাখুন।  
*ভ্রমণটিপস* *ভ্রমণ* *সতর্কতা* *জানা-অজানা* *পরামর্শ* *ভ্রমণ* *ছুটিতেভ্রমণ*
৫/৫

বিডি আইডল: [রানী-ডেটিং-এযাই] কোথাও বেড়াতে যেতে চাইলে অল্প সময়ের মাঝে প্রস্তুতি নিবেন কিভাবে ? (চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি)(চিন্তাকরি) হ্যা দ্রুত ব্যাগ গোছাানোর মজার টিপসটি দেখুন নিচের ভিডিওতে https://www.youtube.com/watch?v=yrwtexpqLW8

*টিপস* *ভ্রমণটিপস* *ছুটিতেভ্রমণ* *ঘরকন্না* *ট্রাভেলটিপস*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে অবস্থিত সবুজ সুন্দর শহর ময়মনসিংহের প্রাণকেন্দ্রে জমিদার আমলের এক অনন্য স্থাপনা রয়েছে। ‘শশী লজ’। হুমায়ূন আহমেদের অয়োময় নাটকটির প্রাণরূপ দিয়েছিল এই "শশী লজ" l  সেই যে জমিদার মীর্জা সাহেব আর তার দুই স্ত্রী এলাচী আর লবঙ্গ, মনে আছে নিশ্চয়ই আপনাদের l  সেই নাটকে যে জমিদার বাড়ি দেখানো হয়েছিলো সেটি এই ‘শশী লজ’। সেই থেকে স্থানীয়ভাবে ‘শশী লজ’ জমিদার বাড়ি হিসেবে পরিচিত হতে থাকে।

জনমুখে প্রচলিত, মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে নির্মান করেছিলেন এক মনোরম প্রাসাদ ‘ক্রিস্টাল প্যালেস’ যা ‘রংমহল’ নামেও পরিচিত ছিলো। কিন্তু ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে বিখ্যাত ‘রংমহল’ ধ্বংস হয়ে গেলে সেই স্থানে নির্মান শুরু করেন বাইজেন্টাইন ধাঁচের বর্তমান ভবনটি। ভবনটির নির্মান সম্পন্ন হওয়ার আগেই সূর্যকান্ত আচার্য মত্যুবরণ করেন। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী ভবনটির নির্মান শেষ করেন ১৯০৫ সালে এবং তাঁর নাম অনুসারে এর নামকরণ করেন ‘শশী লজ’

নয় একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত শশীলজের মূল ফটকে রয়েছে ১৬টি গম্বুজ। সাধারণ বাসভবন ছাড়াও বাড়িটিতে আছে হলঘর, বিশ্রামঘর, নাচঘর, স্নানঘর। সর্বমোট ২৪ টি কক্ষ রয়েছে এই ভবনটিতে। শশীলজের মূল ভবনের সামনে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাগান। বাগানের মাঝখানে আছে শ্বেতপাথরের ফোয়ারা, যার মাঝখানে রয়েছে গ্রিক দেবী ভেনাসের স্নানরতা মর্মর মূর্তি। লাল ইট আর হলুদ দেয়ালে নির্মিত শশীলজের পাশেই আছে পদ্মবাগান। শশী লজের ভেতরের বারান্দা অতিক্রম করে কয়েক ধাপ সিঁড়ি পেরোলেই রঙ্গশালা। সুদৃশ্য সেই রঙ্গশালার এক প্রান্তে বিশ্রামঘর। বিশ্রামঘরের পর কাঠের মেঝেযুক্ত হলঘর। হলঘরের পাশেই মার্বেল পাথরে নির্মিত আরেকটি জলফোয়ারা। 


মূল ভবনের পেছনভাগে রয়েছে একটি দোতলা স্নানঘর। কথিত আছে এই স্নানঘরে বসে রানী পাশের পুকুরে হাঁসের খেলা দেখতেন। পুকুরটির ঘাট মার্বেল পাথরে বাঁধানো। এছাড়াও অর্ধ গোলাকার খিলান এবং ডরিক স্তম্ভ সম্বলিত প্রধান প্রবেশ পথটি শশী লজের স্থাপত্যিক সৌন্দর্য বাড়তি শোভা যোগ করেছে । বাড়িটিতে বেশ কিছু স্নানঘর রয়েছে। এক স্নানঘরে রয়েছে একটি সুড়ঙ্গ। ধারণা করা হয় এই সুড়ঙ্গপথেই গোপনে মুক্তাগাছা যাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। উল্লেখ্য, মুক্তাগাছার জমিদার বাড়িতেও এই রকম একটি সুড়ঙ্গপথ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ব অধিদপ্তর ১৯৮৯ সালে ‘শশী লজ’কে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে ঘোষনা করে এবং এখানে একটি জাদুঘর নির্মানের প্রকল্প নেয়া হয়। তবে অদ্যাবধি শশী লজের অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে এটি ‘মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষন কেন্দ্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
*শশীলজ* *ভ্রমণ* *ট্রাভেল* *ছুটিতেভ্রমণ* *ভ্রমণটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★