ছেলে

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমি ছেলে তাই............... বিয়ের আগে মেয়ের বাড়িতে প্রমান দিতে হয় আমার মাইনে কতো

*ছেলে* *আবেগ* *মাইনে* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: মেয়েঃ আমি কি অনেক মিষ্টি একটা মেয়ে ? ছেলেঃ না । মেয়েঃ তুমি কি আমার সাথে থাকবে ? ছেলেঃ না । ... মেয়েঃ আমি যদি তোমাকে ছেড়ে চলে যাই , তাহলে তুমি কাঁদবে না ? ছেলেঃ না । মেয়েটি অনেক কষ্ট পেলো , এবং কাঁদতে সুরু করলো । তখন ছেলেটি তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, এবং বললঃ ♥ তুমি অনেক মিষ্টি নও, কিন্তু সুন্দর ...... আমি তোমার সাথে থাকতে চাই না , কিন্তু বেঁচে আছি তোমার জন্য ... যখন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে তখন আমি কাঁদবো না , কিন্তু মরে যাব.....।।

*প্রেমকাহিনী* *ছেলে* *মেয়ে* *ভালোবাসা* *আবেগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: [এজে-সবফিনিশ]"বিশ্বাস করুন রুমডেটের পর ছেলেটার সবচেয়ে বিরক্তরি কারন হয় মেয়েটা আর মেয়ে টার সবচেয়ে ভালোবাসার মানুষ হয় ছেলেটা "

*বাস্তবতা* *ছেলে* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ভালোবাসি বলবে কম, ভালবাসবে বেশী। মেয়ে তুমি এত বোকা কেন। খোঁচা খোঁচা দাড়ির কালোতে ভুল, ১৮০ সিসি বাইকের আলোতে ভুল, সিগারেটের ধোয়াতে ভুল। চশমার সাথে সত্যিই ভালোবাসার কোন সম্পর্ক নেই। মেয়ে তুমি তবুও চশমার কাঁচে ভুল…

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে গ্ল্যালাক্সি এনে দেয়ার স্বপ্ন না দেখিয়ে তোমাকেই পুরো গ্যালাক্সি বানাবে। চাঁদ কে দেখিয়ে দেবে প্রিয়তমার রূপ। উচ্ছল চোখে নিউ মার্কেটের ফুটপাথ থেকে কেনা লেইস ফিতার বাক্স থেকে দুলটা নিয়ে হাতে দুলিয়ে বলবে "কেমন। সুন্দর না!।"

মেয়ে তুমি সেই ছেলেকে খুঁজে নাও যে সপ্তাহের প্রতিটা দিন একটি করে লিপস্টিক তোমার হতে তুলে দিয়ে বলবে, লিপস্টিকের ফ্লেভার আমার ভীষণ পছন্দ। তোমার হতে হাত রেখে বাড়ির ছাদের রেলিং ধরে দাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলবে এই আকাশ তোমায় দিলাম….

মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও। যে ফ্ল্যাটের রাস্তা না স্বপ্নের সিঁড়িটা দেখাবে। শরীরের ভাজে লুকানোর চেয়ে তোমার অভিমানের পাহাড় ডিঙ্গানোর উৎসাহ যার সবচেয়ে বেশি।

মেয়ে তারপর কোন এক বসন্ত বিকেলে,বাতাস কে সাক্ষী রেখে সে পাগলটার ঠোটের আটলান্টিকে ডুব দাও। তোমার লিপস্টিকের পূর্ণ ফ্লেভার তাকে উপভোগ করেতে দাও। মেয়ে একটা ব্যাকডেটেড ছেলে খুঁজে নাও, ভালোবাসার থার্মোমিটার ফাটিয়ে দাও……

 

*মেয়ে* *ছেলে* *আবেগ* *প্রেম*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভদ্র ছেলেদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য -
১। ভদ্র ছেলেরা কখনোই সিগারেট খায়
না ,
তবে তাদের বন্ধুরা খায় । তারা অবশ্য
বন্ধুদের
সিগারেট খেতে মানাও করতে পারে না ।
২। ভদ্র ছেলেরা রাস্তাঘাটে মেয়েদের
দিকে খুব
একটা চোখ তুলে তাকায় না , অবশ্য
বেজায়
সুন্দরী হলে একটু-আধটু তাকায় । কিন্তু
তাদের
বন্ধুদের সাধারণত এক্ষেত্রে ব্যাপক
পারদর্শীতা থাকে ।
৩। ভদ্র ছেলেরা পর্ণ দেখে না , কিন্তু
কোনদিনই
দেখেনি তা অবশ্য হলফ
করে বলা যাবে না ।
৪। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত রাত
জেগে ফোনালাপে মগ্ন থাকে না ,
তাদের আবার
পরদিন স্কুল/কলেজে/ভার্সিটি যাবার
তাড়া থাকে তো !
৫। ভদ্র ছেলেরা ফেসবুকে মেয়েদের
অযথা বিরক্ত
করে না । নিতান্ত আকর্ষণ
না থাকলে কাউকে নক করে না

৬। ভদ্র ছেলেরাও একটু-আধটু
গালি জানে ।
তবে তারা সচরাচর ওসব বলে বেড়ায়
না ।হুম !
বুঝতে হবে ।
৭। গার্লফ্রেন্ড থাকলেই
যে আপনি অভদ্র-অসভ্য
হয়ে যাবেন তা কোন
পুস্তকে লেখা আছে শুনি !
৮। বলা বাহুল্য , অনেক ভদ্রছেলেরাই
টুকটাক গল্প-কবিতা-গান লিখে থাকে ।
এটা তাদের ফ্যাশন নয় ,প্যাশন !
৯। কোন মেয়ে প্রেমের প্রস্তাব
নিয়ে এগিয়ে এলে ভদ্র ছেলেরা আবার
‘না’
করতে পারে না ।ইনফ্যাক্ট তার বেশ
মানবতাবাদী তো তাই !
১০। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত বয়েজ
স্কুলের ছাত্র
হয়ে থাকে ।এই কারণেই
তারা উল্লেখযোগ্য
হারে প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে থাকে ।
তবে অনেকের
বেলাতেই খানিকটা ব্যাতিক্রমধর্মী
দৃশ্যপটও
পরিলক্ষিত হয় ।
১১। ভদ্র ছেলেরা বেশ সাহায্যপ্রবণ
হয়ে থাকে ।
বাচ্চা , নর কিংবা নারী সকলেই
নির্বিশেষে তার
সাহায্যের শিকার হয় !
১২। ভদ্র ছেলে মাত্রই কিউট , কিউট
এবং কিউট।ব্যাপারটা দিবালোকের মত
পরিষ্কার ।

*ভদ্র* *ছেলে* *সাহায্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি তোকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবো.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : তুই কথায় কথায় বলিস আমাকে ভালবাসিস না.....
ছেলে : চুপ থাক.....
মেয়ে : হু.. এখন তো আমার কথাও শুনতে ভাল লাগেনা...
ছেলে : চুপ থাকতে বলসি নইলে কানের নিচে একটা দিব.....
মেয়ে : দে.. ওইটাই দে.....
ভালোবাসা তো দিবিনা.....
কানের নিচেই দে.....
ছেলে : চুপ করবি নাকি সত্যি লাগাব ??
মেয়ে : মেরে ফেল আর কতো কষ্ট দিবি ??
ছেলে : আমি তোরে কষ্ট দেই??
মেয়ে : হু দেস.....
ছেলে : তাহলে চলে যা দূরে.. আর কষ্ট পেতে হবেনা.....
মেয়ে : সেটাই তো চাস যে আমি দূরে চলে যাই.....
ছেলে : হু যা ভাগ তুই.....
মেয়ে : রাগ উঠতেছে কিন্তু......
ছেলে : ওইটার অপেক্ষায় তো আসি.....
মেয়ে : মানে??
ছেলে : মানে রাগলে তোকে অনেক সুন্দর লাগে.....
মন চায় বুকে চেপে ধরে রাখি অনন্ত কাল.....♥♥
মেয়ে : তুই এতো ফাজিল কেন?
ছেলে : তুই এতো ভাল তাই আমি এতো ফাজিল.....
এখন চুপ করে করে মাথা রেখে ঘুমা.....
আমি তোর নিঃশ্বাস শুনি..

*ভালোবাসা* *আবেগ* *জড়িয়েধরা* *ছেলে* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছেলেটি মস্ত এক ক্ষ্যাত ছিল। যেনতেন ক্ষ্যাত নয়, একেবারে জৈবসার সমৃদ্ধ উর্বর ক্ষ্যাত। কখন কোন পরিস্থিতিতে কি বলতে হবে, তা তার ক্ষ্যাত মস্তিষ্কে কস্মিনকালেও আসে না। ঠিকমতো গুঁছিয়ে কথা বলাটি সে তার জন্মেও শিখতে পারে নি। তবে কোন ঘটনা ঘটে যাবার পর, কিংব উল্টোপাল্টা কিছু বলে বা করে ফেলার পর হয়তো সে বুঝতে পারে যে কি বোকামীটাই না সে করে ফেলেছে। তখন রাগে-দুঃখে সে তার মাথার গুটিকয় চুল ছিড়তে থাকে। ভাবে- "ইশ, তখন কথাটি এভাবে না বলে ওভাবে বলতাম!" বা "কাজটি যদি ঠিকমতো করতে পারতাম!" এই বিবেচনায় তাকে একেবারে এঁদো ক্ষ্যাত হিসেবে আখ্যায়িত করা সুবিচারপ্রসূত হবে না। সে ক্ষ্যাত, তার মধ্যে রবি শস্যের আবাদ হয়তো করা যাবে না, কিন্তু উন্নত জাতের ফডার ঘাস দিয়ে এই ক্ষ্যাত নিশ্চিতভাবেই ভরিয়ে তোলা যাবে। ছেলেটিও দীর্ঘ ক্ষ্যাত জীবন যাপন করতে করতে একসময় উপলব্ধি করতে পারে যে, সে একটা বিশাল মাত্রায় ক্ষ্যাত। এই ক্ষ্যাত অবস্থা থেকে মুক্তি না পাওয়ায় ছেলেটি ভেতরে ভেতরে আরও গুঁটিয়ে যায়। আজকাল অনেক কথাই আর প্রকাশ করে না সে, পাছে আরো বড় কোন অঘটন ঘটিয়ে ফেলে!

যদিও ছেলেটি বিশাল মাত্রায় ক্ষ্যাত এবং কেউই এমন ক্ষ্যাত জীবন চালিয়ে নিতে চায় না, মাঝে মাঝে এই ক্ষ্যাত ছেলেটিরও স্মার্ট হয়ে তার ক্ষ্যাতাবস্থা থেকে পরিত্রাণ লাভ করতে চায়। সে-ও চায় একটু স্মার্ট হয়ে লোকজনের কাছে নিজেকে শো-অফ করবে। কিন্তু অতিমাত্রায় ক্ষ্যাত হলে যা হয় আরকি- সবকিছু ভজকট পাকিয়ে কিছু না কিছু গুবলেট করে ফেলে সে। সে তার আউটলুকের পরিবর্তন আনতে চায়, চায় স্মার্ট ছেলেদের মত করে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে। নতুন হেয়ার কাট, ট্রেন্ডি পোষাক-আশাক, ইত্যকার ফ্যাশন এক্সেসরিজ নাই যে ছেলেটি ট্রাই করে দেখে নি। কিন্তু ক্ষ্যাতের ভাগ্যের শিকে আর ছিঁড়ে না। দু'চারদিন পর সে তার পুরনো ক্ষ্যাত চেহারাতেই ফিরে যায়। হাল আমলের ক্রেজ আর তার বয়ে বেড়ানো হয় না। লোকজন তাকে আরও পচায়, সে-ও পচে। পচতে পচতে সে আরও উর্বর হয়। যে হারে সে পচতে থাকে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে তার মধ্যে ধানের বাম্পার ফলন সম্ভব বলে মোটামুটি নিশ্চিন্ত হওয়া যায়। এভাবে দিনকে দিন তার ক্ষ্যাত অবস্থার উন্নতি বৈ অবনতির কোন লক্ষণ দেখা যায় না। ফলে সে-ও এই ক্ষ্যাত হওয়াটাকে নিয়তির অংশ হিসেবে মেনে নিত বাধ্য হয়।

ক্ষ্যাত হলেও মাঝে মাঝেই তার মানবজাতির সহজাত আকাঙ্খা-অনুকরণপ্রিয়তা জেগে ওঠে। আশেপাশের লোকজনের স্মার্ট লাইফস্টাইল দেখে সে-ও তাদের মত করে জীবন সাজাতে চায়। আজকাল সে স্মার্টনেসের নতুন একটা দিক খুঁজে পায়। অধিকাংশ স্মার্ট ছেলে এক বা একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়ায়। নিজের লিমিট সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল না হলেও সে এটা বুঝতে পারে যে, কোন একটি মেয়েকে পটাতে পারলেই তার ক্ষ্যাত জীবন স্বার্থক হবে। তাকে আর সবাই ক্ষ্যাত বলে টিটকারী মারতে পারবে না। এমন আজাইরা ভাবনা থেকেই সে এর-ওর কাছে একটা মেয়ের সন্ধান চায়। তার সাথে কারো লাইন-ঘাট করে দেয়ার জন্য অনুনয় করে বেড়ায়। কিন্তু ক্ষ্যাত ছেলের ক্ষ্যাতমার্কা ভাগ্যে কিছু জোটে না।

তার এই ক্ষ্যাত জীবনে কয়েকজন দয়াশীল লোকজন তাকে বন্ধু হিসেবে স্বীকৃতি দেয়াটাও তার একটা বিশাল এক অর্জন বলে সে স্বীকার করে। এই বন্ধুমহলও অনেক চেষ্টা করে বেড়ায় যাতে তাদের এই ক্ষ্যাত বন্ধুটির কপালে কোন নারীর সংস্পর্শ এসে এর ক্ষ্যাতজীবনের খানিকটা উন্নতি ঘটুক। কিন্তু তাদের অনেক চেষ্টাগুলোও সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হতে থাকে। কোন সুস্থমস্তিষ্কের নারীই এমন ক্ষ্যাতের সাথে তাদের জীবন জড়াবে না। ফলে ক্ষ্যাত ছেলেটির সিঙ্গেল থেকে কাপল তকমা লাগিয়ে উদ্ভট উপায়ে স্মার্ট হওয়াও আর হয় না। বন্ধুদের পক্ষে আর অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হয় না। ব্যর্থ হৃদয়ে ছেলেটি তার দীর্ঘ ক্লান্তিকর জীবন টানতে থাকে আর হা-হুতাশ করতে থাকে

ছেলেটিও অন্যদের দেখাদেখি ফেসবুক নামক উর্বর স্থানে তার ক্ষ্যাতমার্কা সময়গুলোর নিয়মিত সদ্ব্যবহার করে থাকে। তার ফেসবুকের বন্ধুলিস্টে সে নানা প্রকার বন্ধু খুঁজে পায়। এদের কেউ আল্ট্রা স্মার্ট, দু'-চারজন ওভার স্মার্ট, কয়েকজন শুধুই স্মার্ট। এইসব স্মার্ট বন্ধুরা তাদের পার্টনারদের নিয়ে কাপল সেল্ফি, চেক ইন, ডাইন ইন ফেসবুকে আপলোড দেয়। নিউজফিডে চোখ বুলায় আর এদের জীবন দেখে ছেলেটির হতাশা বারতে থাকে। তবে কয়েকজন ক্ষ্যাত বন্ধুও তার চোখে পড়ে। তাদেরকে সে কিছুটা স্বান্তনা খুঁজে পায়। প্রতিরাতে সে ফেসবুকে লগইন করে আর বন্ধুদের কার্যকলাপ দেখে। তবে ফেসবুকে তার সবচেয়ে ভালো সময় কাটে বিভিন্ন ফানপেইজের মজাদার ট্রল, মিম, ভিডিও দেখে। এসব দেখে সে প্রাণখুলে হাসে, কখনো কখনো হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খায়। কিছু সময়ের জন্য হলেও সে তার বিরক্তিকর জীবনের যন্ত্রণা ভুলে থাকে।

এমন করে হতাশা-ব্যর্থতার জীবনটাকে ছেলেটি প্রায় মেনে নিয়েছ। সে বুঝতে পারে যে তার আর এ জন্মে প্রেম করা হবে ন, আর স্মার্টনেসের ধারের কাছেও ঘেষা হবে না। নিত্যকার মতো সেরাতেও ক্ষ্যাত ছেলেটি ফেসবুক খুল বসে ছিল। বন্ধুদের সঙ্গে ক্যাজুয়াল আলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে তার ফোনটি বেজে উঠল। ছেলেটি ঘড়ি দেখল, রাত প্রায় ১ টা। এত রাতে কে ফোন দিল ! সাধারণত ছেলেটির ফোনে খুব একটা কল আসে না। মাঝে মাঝে বাড়ির বাইরে আড্ডা দিতে দিতে দেরি করে ফেললে বাসা থেকে ফোন যায়। আর কিছু বন্ধু-বান্ধব অতি প্রয়োজনে কিছু কল দেয়। তাই বলে এত রাতে কেউ কল দেয় না। টেবিল থেকে মোবাইল ফোনটি হাতে নিয়ে স্ক্রিনে তাকালো সে, অচেনা নাম্বার! কে আবার এত রাতে কল দিল ! ছেলেটি কলটি রিসিভ করে বলল:

-হ্যালো।

-হ্যালো। আপনি ক্ষ্যাত ছেলেটি বলছেন?

-হ্যা, আমি ক্ষ্যাত ছেলেটি বলছি।

ছেলেটি অবাক হলো, অচেনা কণ্ঠস্বর-নারীর কণ্ঠ। চিনতে না পেরে সে তার পরিচয় জানতে চাইল। কিন্তু টেলিফোনের অপরপাশের মেয়েটি তার পরিচয় না দিয়ে উল্টো বলে:

-মাঝে মাঝে এই নাম্বারে কল দিবেন।

-দিলাম, কিন্তু কেন?

-দিতে বলেছি, দিবেন। না দিলে রিগ্রেট করবেন।

ছেলেটি তো আকাশ থেকে পড়লো! কি বলে এই মেয়ে ! এটা কি করে সম্ভব! ছেলেটি ভাবে। ক্ষ্যাত হলেও তার মাথায় এই বুদ্ধিটুকু আছে যে কোন মেয়ে তাকে অন্তত কল দিয়ে এভাবে বলবে না। ক্ষ্যাত ছেলেট পুরোপুরি বিস্ময়ে বিমূঢ়। কিছুটা ঘোর কাটিয়ে ছেলেটি জিজ্ঞেস করে:

-মানে!

-মানে কিচ্ছু না। মাঝে মাঝে কল দিবেন।

-আচ্ছা, তা না হয় দিলাম। কিন্তু আপনি কে বলছেন?

-আরে ধীরে ধীরে। যেদিন আমার মুড ভালো থাকবে, সেদিন বলব-আমি কে।

-এখন কি মুড ভালো নেই? এখন বলেন।

-না, এখন মুড ভালো নেই আমার। এখন তো বলতে ইচ্ছে করছে না।

-ওহ, তাই?

-হুম, তাই।

এ পর্যন্ত ছেলেটি মোটামুটি ঠিক ছিল। কিন্ত পরের কথা শুনে তার মাথা পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেল। মেয়েটি হঠাৎ বলতে শুরু করলো:

-আচ্ছা, আপনি এত মুডি কেন?

-মুডি ! আমি মুডি ? মানে?

-হ্যা আপনার অনেক মুড।

মেয়েটি বলে চলে:

-আর হ্যা, আপনার গেটআপটায় একটু চেঞ্জ আনেন। বুঝছেন?

-মানে !

-মানে, নতুন হেয়ার কাট নেন। ট্রেন্ডি পোষাক-আশাক পরেন। ট্রাই সামথিং নিউ।

-ওকে।

ছেলেটি বুঝতে পারল না, আর কি বলবে। সে প্রশ্ন করে:

-আচ্ছা, আপনি কি আমাকে চেনেন?

-চিনতে পারি।

-আমি কি আপনাকে চিনি?

-চিনতে পারেন।

-তাহলে বলছেন না কেন, আপনি কে?

-ঐ যে বললাম আজকে মুড নাই।

-ওহ, তাই?

-হ্যা। আচ্ছা ভালো থাকবেন।

-হুম।

-আর হ্যা মাঝে মাঝে এই নাম্বারে কল দিবেন। শুভরাত্রি।

-শুভরাত্রি।

এরপর অপরপাশ থেকে লাইনটি কেটে গেল। ছেলেটি কিছু সময়ের জন্য অবাক হয়ে পুরোই তব্দা খেয়ে গেল। সে বুঝতে পারছে না, এইমাত্র তার সাথে কি ঘটে গেল। অবশেষে কি তার ক্ষ্যাত জীবনের মধুর পরিসমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে, নাকি সে কোন প্র্যাঙ্কের শিকার হলো! সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে সে মনে মনে ঠিক করলো- নাহ, স্মার্ট তাকে হতেই হবে। যদি সত্যিই কেউ এসে থাকে তবে তো আর ক্ষ্যাত থাকা সম্ভব না।

সেরাতে তার ক্ষ্যাত অবস্থার আশু উন্নতির স্বপ্ন দেখতে দেখতে ছেলেটি ঘুমাতে গেল। ছেলটির সেরাতের ঘুমটি অস্বস্তিকর সুন্দর হলো।

*ক্ষ্যাত* *ছেলে* *স্মার্ট* *মেয়ে* *ভালোবাসা* *আবেগ* *ফোন* *কল* *গল্প*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমার সব রকমের মেয়েকে ভাল্লাগেনা। যেসব মেয়েদের ভালো লাগে তাদের লিস্ট দিচ্ছিঃ

- যে মেয়ে সুন্দর,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে হাসলে টোল পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে হিজাব পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ঠোঁটের আশেপাশে তিল আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের দাঁত সব ঠিক আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের দাঁত আঁকাবাঁকা,উঁচু তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের চুল বড়,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে স্কুলে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে কলেজে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ভার্সিটি তে পড়ে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে সিংগেল,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে মিংগেল,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ছ্যাঁকা খেয়েছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে ছ্যাঁকা খায়নি,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ভয়েস সুন্দর,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়েকে শাড়ী তে সুন্দর লাগে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়েকে সব ড্রেস এই মানায়,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ফেসবুক আইডি আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ফেসবুক আইডি নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের ভাইবোন নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ে তার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান না,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের বান্ধুবী নাই,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের বান্ধুবী আছে,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের প্রেম ভালো লাগে না,তাকে ভালো লাগে!
- যে মেয়ের প্রেম করার অনেক শখ,তাকে ভালো লাগে!

আবার বলছি,আমার কিন্তু সব রকমের মেয়ে ভালো লাগে না! যার সব রকমের মেয়ে ভালো লাগে, সে তো 'বাজে' ছেলে! প্রচুর বাজে ছেলে!

*মেয়ে* *ভালোলাগা* *তিল* *বাজে* *ছেলে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ছেলেরাও কান্না করে যখন দেখে তাদের মা কষ্টে আছে ছেলেরাও কান্না করে যখন দেখে তাদের বাবা কোন ঝামালার মাঝে আছে কে বলেছে ছেলেরা কাদে না ? তারাও কান্না করে যখন দেখে তাদের বোন বিবাহ এর পরে চলে যায় তাকে একা করে । ছেলেরাও কান্না করে যখন তারা কোণ কষ্ট পায় তাদের হ্রদয় ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ।। ছেলেরাও কাদতে জানে তারা কান্না করে কারন তারা অনুভূতিহীন কোন রোবট নয় তাদের ও কিছু অনুভূতি ,আবেগ আছে ।। ছেলেরাও কান্না করে কিন্তু দেখায় না ।।

*ছেলে* *আবেগ* *অনুভূতি*

ঈশান রাব্বি: আমার দুই জমজ ছেলের বয়স প্রায় ৮ বছর এখন সমস্যা হল দুজনই অসুস্থ সবাই ওদের জন্য দোয়া করবেন প্লিজ(কান্না)

*জমজ* *ছেলে* *সন্তান*

এরশাদুল বারী সিদ্দিকী ফারাবী: বেকার ছেলের দু:খ কেউ বোঝে না

*পুরুষ* *বেকার* *ছেলে* *ক্যারিয়ার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রচণ্ড ভিড়ের মাঝে শিশুটির হাত থেকে রঙ্গিন গ্যাসবেলুনগুলো উড়ে গেল আকাশের নীলে। বাবা কোথায়? মা কোথায়? জগতভরা মানুষ! কেবল হাত পা, মুখ আর মুখ। তার কান্না পাচ্ছে, কে জানে! গ্যাস বেলুনের জন্য? না বাবা মায়ের জন্য?

*জীবন* *বাবা* *মা* *ছেলে* *বাস্তবতা* *কষ্ট* *নীল* *বেলুন*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে? বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ? ছেলে: না।
*রসিকতা* *জোকস* *বাবা* *ছেলে* *ইডিয়ট*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছোট ছেলেকে একদিন প্রস্তাব দিলাম, "যাবে আমার অফিস দেখতে?"

এর পিছনে আমার শৈশবের এক মধুর স্মৃতি কাজ করেছিল। আব্বু তাঁর অফিসে নিয়ে গিয়ে একটা টাইপরাইটারের সামনে বসিয়ে দিয়েছিলেন। সেই ৩৫ বছর আগে। চাবি টিপে টিপে টাইপ করার সেই আনন্দ আজও ভুলিনি। ভেবেছিলাম, আমার ছেলেও লাফ দিয়ে উঠবে।

কিন্তু প্রথমেই প্রশ্নঃ " অফিসে কি আছে? কেন যাব?"

বললামঃ "গিয়েই দেখবে, চল। বাবা কি করে। কোথায় কাজ করে।"

মনে হলো, অর্ধ-ইচ্ছায় রাজি হলো। তা-ও যাক। একটা স্মৃতি হয়ে থাকবে।

আধবেলা কাটালো আমার সাথে। পুরোটা সময় ট্যাবে গেম খেলে। আর কোন কিছুতেই আগ্রহ নেই। অফিস জিনিসটা কি, ভেবেছিলাম কিছু হলেও জিজ্ঞেস করবে। কিসের কি? কিন্তু তখনও বুঝিনি, এ জিনিস এযুগের। আমাদের মত ওল্ড মডেল নয়।

এটম বোমাটা মারল বাড়িতে ফিরে।

আমি টিভি দেখছি। হঠাৎ কান গেলো ছেলে আর মায়ের কথোপকথনের দিকে।

"আম্মু, বাবা অফিসে কি করে সারাদিন?"

ওর মা জিজ্ঞাসু চোখ ফেরালো। আরো শুনবে।

"কিছুই তো করে না।
শুধু বসে থাকে চেয়ারে।
মাঝে মাঝে চা খায়।
আর অন্যদের হুকুম দেয় - এই কর, সেই কর।
কোন কাজ তো করলো না।
এইটাকেই কি অফিসের কাজ বলে?"

শেষে ট্যাগ-লাইন মেরে দিল - "সাচ আ ওয়েস্ট অফ মানি।"

স্যালারির কথাই বুঝালো কি না, প্রভু জানেন।

 

(সংগৃহীত)

 

*বাস্তবতা* *অফিস* *টাইম* *ছেলে* *জেনারেশন* *গ্যাপ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তোমার মিরপুরের ফ্ল্যাটের শোবার ঘরের একমাত্র জানালায় আবছা শাদা পর্দা একদিন উজ্জ্বল হয়ে ফুটে থাকবে। ঘুম ভাঙার পর কিছুতেই বুঝতে পারবে না, সময়টা সকাল না বিকেল। দিনের হিসেবও গোলমেলে মনে হবে। বিছানা ছেড়ে আলস্যভরে ধীরে ধীরে জানালার পর্দা সরিয়ে তিনতলার নীচে তাকিয়ে দেখতে পাবে, চুলের ফিতার মত আঁকাবাঁকা সরু রাস্তা। নির্জন পথ ধরে একজন লোক হেঁটে যাচ্ছে। জ্বলন্ত সিগারেট হাতে।

তোমায় দেখার জন্য পায়চারী করছে ।। 

*মিরপুর* *আবগ* *ভালোবাসা* *ছেলে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সন্দ্বীপ স্পীড বোটে যাওয়ার সময় এক মেয়ে এক ছেলেকে বলছে ভাইয়া আমার ব্যাগটা একটু ধরবেন প্লিজ সেই থেকে শুরু ভদ্রলোক এখন রোজ দুবেলা করে বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাসায় ফিরে !
*কাপল* *মেয়ে* *ছেলে* *আবেগ* *ভালোবাসা* *ব্যাগ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ভাইয়া আপনি ভালো লিখেন আমাকে একটু টিপস দিবেন সেই থেকে শুরু তারপর তারা এখন সংসার করছে আর মেয়েটি রোজ বাজারের লিস্ট লেখালেখি করছে ! হাউ কিউট !

*আবেগ* *ভালোবাসা* *বাজার* *ছেলে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাধারণত প্রেমের প্রথম ধাপে ছেলেরা ‘ দেখে’ এবং মেয়েরা’ ‘ শুনে ‘ প্রেমে পড়ে... অর্থাৎ তারা 'দেখেশুনে' প্রেমে করে। চেনা নেই জানা নেই একটা মানুষকে দেখা মাত্র ক্রাশ খাওয়ার ব্যাপারগুলো গুলো ছেলেদের ক্ষেত্রেই বেশি হয়। এরপর কিছু সিস্টেমের ভেতর যেতে হয়।।

ক্রাশ খাওয়ার ব্যাপারটি মেয়েটিকে সহজ ভাবে বললে কাজ হবে না। সুন্দর করে গুছিয়ে বলতে হবে। সে কতটা অসাধারণ...আর দশটা ছেলেদের মত না টাইপ সস্তা কথা বলে মেয়েকে বুঝিয়ে দিতে হবে সে এলেবেলে কেউ না। প্রথম দিকে ছেলেদের অতিরিক্ত বাড়িয়ে বলার ব্যাপারটি এখান থেকেই আসে।এই পর্যায় এসে তার কথা শুনেই মেয়েটি হয় প্রেমে পড়বে অথবা না।।

এই ফর্মুলা সবার ক্ষেত্রে কাজ করবে এমনটি মনে করার কোন কারণ নেই... আমার মনে হয় প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের প্রেমে পড়ার প্রথম ধাপে এই ব্যাপারটি মুখ্য থাকে। দ্বিতীয় ধাপে এসে ‘ সৌন্দর্য’ ব্যাপারটি আর মুখ্য থাকে না। কোন সৌন্দর্যই আপনাকে বেশি সময় আগলে রাখবে না... কক্সবাজারে টমটম চালায় এরকম একজনকে আমি একবার জিজ্ঞাসা করেছি ; আপনি শেষ কবে সমুদ্রে নেমে গোসল করেছেন ? তার জবাব ছিল ; প্রায় দু বছর আগে ! সমুদ্রকে খুব কাছ থেকে দেখার অপরাধে সমুদ্র এখন আর তাকে টানে না।।

এই সময়টিকে বলা হয় ‘ ক্লাউড নাইন’ এই সময় তাকে 'জয়' করার ব্যাপারটি চলে আসে। ' মনোয়ামাইন ' নামে কিছু স্নায়ুকোষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে... যার ফলে বাতি বন্ধ করে রোজ রাতে অঞ্জনের গান শুনতে হয়। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় যে কোন টপিকেই কথা বলতে গেলে ঘুরে ফিরে ঐ মানুষটির প্রসঙ্গে চলে আসে।।

দ্বিতীয় ধাপ না... আধুনিক মনোবিজ্ঞানীরা তৃতীয় ধাপের সময়টিকেই সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এই সময় একজন মানুষকে অন্য একজন মানুষ বুঝতে শুরু করে। রেস্তোরাঁর অনেক স্মৃতি জমা হতে থাকে। সারাক্ষণ মুগ্ধ করার মত ছেলেমানুষিকতা আর কাজ করে না। একজন অন্যজনকে কেয়ার করা, খোঁজ খবর রাখা, সাপোর্ট দেয়া ,শেয়ারিং. সব মূলত এই সময়ে বেড়ে যায়।।

মজার ব্যাপার হল উপরের তিনটি স্তরের কোনটিকেই সত্যিকার অর্থে ভালবাসা বলা যায় না। কেননা এর কোনটিই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে না। কেননা কারো প্রতি যখন আপনার আবেগ বেড়ে যাবে তখন মস্তিস্কের বেশ কিছু রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বেড়ে যাবে।।

তাকে হাতের মুঠোয় পাবার পর ‘পী পদার্থ’ কমতে শুরু করবে।আবেগ কমে যাবে।এ জন্যই সম্পর্কের শুরুর দিকের একটিভিটি দু- তিন বছর পর আর থাকে না। এই সময়টাকেই মনে করা হয় সত্যিকারের ভালবাসা। যদিও বেশিরভাগ ভাগ মানুষ এই স্টেইজে আসার আগেই ঝরে পড়ে। যারা টিকে যায় তারাই ভাগ্যবান।।

আমার জীবনের দেখা সব থেকে রোমান্টিক দৃশ্যে কখনোই একুশ বছরের তরুন তরুণীর নৌকা ভ্রমন থাকে না। আমি জানি এই নৌকা ডুবতে শুরু করলেই তারা ফ্যান্টাসি কথা বাদ দিয়ে একজন অন্যজনকে ফেলে বাঁচার জন্য চিৎকার শুরু করবে... শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক দৃশ্য দেখতে চাও ? তাহলে বৃদ্ধদের কাছে যাও... প্রচণ্ড খারাপ সময়ের ভেতরেও একজন অন্যজনকে আগলে রেখেছে... রাত তিনটায় সামান্য বুকে ব্যথা হলে অন্যজন অস্থির হয়ে ডাক্তারকে ফোন দিবে। ডাক্তারের সান্ত্বনা মূলক কথাতেও তাদের মন শান্ত হয় না... জেগে থাকে সারারাত... !।

এটাই ভালবাসা... শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক দৃশ্য দেখতে চাও ? মৃত স্বামীর ছবির ফ্রেম দেয়ালে ঝুলিয়ে যে স্ত্রী তার সন্তান্দের মানুষ করছে.. ভেঙ্গে মচকে যাবার পরেও নীতির কাছে হার না মানার এক জেদ কাজ করে...মানুষটির উপস্থিতি কিংবা অনুপস্থিতি মুখ্য বিষয় না... মুখ্য হল প্রতিশ্রুতি...।

সামান্য ' সুন্দর' কিংবা তার থেকে ব্রাইট ফিউচার অন্য কাউকে পেয়ে কোটি কোটি মানুষ প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যায় অথচ কেউ কেউ ঠিকই আছে... যারা রোড এক্সিডেন্টে দুটি পা হারিয়ে ফেলার পরেও আগলে রাখে কাছের মানুষটিকে... ইয়েস ডুড... এটাই প্রতিশ্রুতি... ।

*প্রেম* *ভালোবাসা* *আবেগ* *ধাপ* *ছেলে* *মেয়ে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোন এক ঘুম না আসা গভীর রাতে নিজের মনের সাথে যুদ্ধ করে হেরে যাবার পর মেয়েটা কাঁপাকাঁপা হাতে ছেলেটাকে মেসেজ পাঠালো, "জেগে আছো?"
অনেকদিন পর প্রিয় মানুষটার অনাকাঙ্খিত মেসেজ পেয়ে ছেলেটা ও কাঁপাকাঁপি হাতে রিপ্লাই দিলো "হ্যাঁ জেগে আছি"

মেয়েটা অন্য কিছু জিজ্ঞেস না করে সোজাসুজি জিজ্ঞেগ করলো, "এতো রাত পর্যন্ত জেগে আছো যে? যখন আমাকে ভালোবাসতে তখন তো এতো রাত পর্যন্ত জেগে থাকতে না । বেশ তাড়াতাড়ি ই ঘুমিয়ে যেতে । এখন কার জন্য জেগে থাকো?" :)

ছেলেটা মুচকি হেসে রিপ্লাই দিলো "আগে আমি নির্ভার থাকতাম । মনে কষ্ট ছিলোনা । 'তুমি তো আমার ই' এই ভেবে আমি তাড়াতাড়ি ই ঘুমাতাম ।
আর এখন 'তুমি তো আমার না' এই ভেবেই আমার ঘুম আসে না :)

দুজন ই হঠাত্‍ চুপচাপ হয়ে গেলো! ভালোবাসার মানুষ রাত জাগার কারণ হয় । কেউ 'থেকে' গিয়ে, কেউ 'চলে' গিয়ে!

*ভালোবাসা* *আবেগ* *মেয়ে* *ছেলে*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েটা তার বান্ধুবিদের সাথে চ্যাটে ফাজলামি করছিলো । হঠাত্‍ তার এক বান্ধুবি তাকে নক দিয়ে বললো "একটা ছবি দেখবি?"
মেয়েটা ভাবলো হয়তো কোন ফানি পিক দেখাবে । তাই সে রিপ্লাই দিলো "আচ্ছা দেখা" :-D

তার বান্ধুবি তাকে ছবি পাঠালো । ছবিটা দেখে সে থমকে গেলো! তার জীবন থেকে চলে যাওয়া মানুষটার ছবি! পাশে একটা মেয়ে দাড়ানো । দুজন ই হাসি মুখে ছবি তুলেছে ।
মেয়েটা নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করলো । তারপর কাঁপাকাঁপা হাতে রিপ্লাই দিলো "আর মানুষ পাইলি না তুই?? হাহাহা! এই ছবি আমাকে দিলি ক্যান? আমি তো তার মতোই সুখে আছি । যত্তোসব বালছাল এর ছবি দেখাস!" :-D

রিপ্লাই দিয়ে ছবিটা ডাউনলোড করে মেয়েটা অফলাইনে চলে গেলো ।

তারপর মনযোগ দিয়ে আবার ছবিটা দেখতে লাগলো আর ভাবতে লাগলো "এই 'বালছাল' টা কেই তো সে এখনো ভালোবাসে । এখনো হুটহাট করে মনে পড়ে । এখনো সে হুট করে মন খারাপের কারণ হয়ে যায় । মেয়েটা ছবিটা ভালো করে লক্ষ্য করছে । ছেলেটা কে মেয়েটার পাশে অনেক সুখী ই দেখাচ্ছে । তার হাসির মধ্যে কোন ভেজাল নেই । সে মেয়েটা কে নিয়ে সুখেই আছে!

ছবি দেখতে দেখতেই মেয়েটার সব অস্পষ্ট হয়ে পড়লো । চোখ ঘোলা হয়ে গেলো । নিজেকে সামলাতে না পেরে সে চোখ বন্ধ করে অতীতে চলে গেলো । সামনেই ভ্যালেন্টাইনস ডে আসছে । কোন একটা ভ্যালেন্টাইনস ডে তে ছেলেটা মেয়েটার হাত টা শক্ত করে ধরে রেখে বলেছিলো "এই হাত ছাড়বো না কখনো । সারাজীবন এভাবেই থাকবো আমরা ।"
পরের ভ্যালেন্টাইনস ডে'র আগেই ছেলেটা মেয়েটাকে ছেড়ে চলে যায় । একেবারের মতো । মেয়েটাকে দিয়ে যায় ভালোবাসার শাস্তি!

ছেলেটা মেয়েটা কে ব্লক করে দিয়েছিলো । তবুও মেয়েটা প্রতিদিন ছেলেটার আইডি তে ঘুরতো আর স্ট্যাটাস দেখে বুঝার চেষ্টা করতো মেয়েটার কথা ছেলেটার মনে পড়ে কিনা! মেয়েটা হতাশ হতো । তারপর আস্তে আস্তে আইডি চেক করা অফ করে দিলো ।

আজ অনেকদিন পর ছেলেটার ছবি দেখে মেয়েটার অতীতের কথা মনে পড়ে গেলো । সামনেই তো ভ্যালেন্টাইনস ডে আসছে । কই? ছেলেটা তো আর মেয়েটার হাত ধরে বলেনি 'এই হাত ছাড়বো না কখনো!' মেয়েটা নিজের হাতের দিকে চোখ বুলায়! পরমুহুর্তে অনুভব করে হাতে কোথথেকে যেনো পানি পড়ছে!

প্রিয়মানুষগুলো যাবার আগে বলে যায় 'ভালো থেকো!' কিন্তু তারা বুঝেই না তাদের ছাড়া ভালো থাকা অসম্ভব । চলে যাওয়ার সময় মনে প্রশ্ন জাগে 'চলে যাবে যদি তবে এসেছিলে কেনো?' সত্যি ই যদি আমার 'ভালো' চাও, তাহলে চলে যাচ্ছো ক্যানো? জানো না? তোমাকে ছাড়া ভালো থাকতে পারবো না

 

ঃ মুগ্ধ

*প্রেম* *মেয়ে* *ছেলে* *অভিমান* *গল্প* *ভালোবাসা* *আবেগ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★