ছোটবেলা

ছোটবেলা নিয়ে কি ভাবছো?

প্যাঁচা : "আদুর বাদুড় চালতা বাদুড় কলা বাদুড়ের বে, টোপর মাথায় দে, দেখতে যাবে কে? চামচিকাতে বাজনা বাজায় খেংরা কাঠি দে।"

*ছড়া* *ছোটবেলা* *শৈশব* *আদর্শলিপি* *বাদুড়* *চামচিকা*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

ইকোনো

ইকোনো কলম ব্যবহার করেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না, এই কলম দিয়েই লেখা শুরু হয়েছিল আমার (তালি) আমি একটা কলম বড়জোর ৩-৪ দিন লিখতাম তাঁরপর সেটা দিয়ে লাঙ্গল বানিয়ে ফেলতাম যদিও সেই লাঙ্গল দিয়ে ক্ষেত চাষ করা যেতনা তবে আনন্দ পেতাম। মা প্রায়ই বলত কি কর কলম দিয়ে এক ডজন কলম এক মাসও যায়না!! আমি কি আর বলব কলম দিয়ে যে ক্ষেতের লাঙ্গল বানানো হয় সেটা কি আর মাকে বলা যায় (খিকখিক) ইকোনো কলমের কথা আজীবন মনে থাকবে, অনেক স্মৃতি আছে এই কলমে। টেবিলে অনেক জন মিলে কলম দিয়ে কি এক খেলা খেলা যেত খেলাটার নাম ভুলে গেছি, অন্য একদিন লিখব।

*ইকোনো* *স্মৃতি* *কলম* *আমারকথা* *ছোটবেলা* *স্মৃতিচারণ*

সাদাত সাদ: (২০০৭ সালের কথা) । । দৌড়াতে দৌড়াতে একটা মস্ত বড় গাছের নিচে আশ্রয় নিলাম আমরা কয়েকজন যুবক। রাফসান, তন্ময়, সুজন ,হিমেল এবং আমি। এই সবাই আমার সমবয়সী বন্ধু (মিয়াও) দৌড়ের মূল কারণ হল জুলহাস চাচা, আমরা সবাই মিলে যখন সিগারেটে ব্যস্ত ঠিক তখনই ভদ্রলোক কোথা থেকে জানি এলিয়েন এর মতো উদয় হলেন কি জানি। আমাদের সুন্দর আড্ডা টা ধ্বংস করলেন (রাগী) তখনকার দিনে সিগারেট খাওয়া তো ছোটখাটো ব্যাপার ছিল না। এখন তো দেখি ছেলেরা মুরুব্বী দের সামনেই খায়। সেইদিন গুলো মনে পড়ে

*স্মৃতি* *স্মৃতিচারণ* *শৈশব* *ছোটবেলা* *শৈশবেরবন্ধু* *শৈশবেরস্মৃতি*

Mahi Rudro: . মাথা মোটা দারোগা ডিম পেড়েছে বারোটা, একটা ডিম নষ্ট মাথা মোটার কষ্ট।

*পিছেলাগা* *ক্ষেপানো* *ছোটবেলা*

Mahi Rudro: . আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে ঢাক ঢোল ঝাঁঝর বাজে বাজতে বাজতে চললো ঢুলী ঢুলী গেলো কমলাফুলী কমলাফুলীর টিয়েটা সূর্যিমামার বিয়েটা আয় রঙ্গ হাটে যাই পান-গুয়োটা কিনে খাই একটা পানে পোকড়া মায়ে-ঝিয়ে ঝগড়া হলুদ বনে কলুদ ফুল তারার নামে টগর ফুল।

*ছড়া* *ছোটবেলা*

Mahi Rudro: একটি বেশব্লগ লিখেছে


মাঝেমাঝে খুব ছোটবেলার স্কুলের বন্ধুদের মনে পড়ে।
স্কুলের নাম ওয়াই,ডাবলু, সি, এ, (ইয়াং ওমেনস
ক্রিশ্চিয়ান এ্যাসোসিয়েশন) স্কুল। আমরা সংক্ষেপে
বলি মিশন স্কুল। নার্সারী থেকে ফাইভ পর্যন্ত ক্লাস হয়।
আমার স্কুল জীবনের প্রথম তিন বছর কেটেছে এখানে।
সেই সব বন্ধুদের অনেকের সাথেই এখন আর
যোগাযোগ নেই।
.
ছায়াছবির ফ্লাশব্যাকের মতো ওদের দেখি মাঝে মাঝে।
যাদের সাথে ক্লাসে একসাথে বসতাম। ক্লাসে টিচার না
থাকলে হৈ চৈ করতাম। হৈ চৈ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে
টিচার্স রূম থেকে কোন স্যার বা ম্যাম বকতে এলে
সোজা নিজের দোষ সুবিধামতো  কারো ঘাড়ে অবলীলায়
চাপিয়ে দিতাম। আর পড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা, রেষারেষি
তো ছিলোই।ঝগড়া, আড়ি নেয়া আবার পরদিন সকাল
হলে সেই বন্ধুর জন্যেই ছুটে যাওয়া.....
আর কখনও ফিরবে না সেই সময়..... কোথায় আছে ওরা ?

*ছোটবেলা*
ছবি

Moyna Manob: ফটো পোস্ট করেছে

ছোটবেলার চশমা।

*ছোটবেলা*

সাদাত সাদ: ছোটবেলা প্লেনের আওয়াজ শুনলে আমার দুচোখ আসমানে চলে যেত প্লেন দেখব বলে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্লেন আকাশে দেখা যেত ঠিক ততক্ষণ তাকিয়ে থাকতাম হেহেহে, অন্য রকম এক আনন্দ লাগতো মনে। কিশোর বেলা হঠাৎ একদিন সেই প্লেনে চড়ার সুযোগ হল, চড়লাম প্লেনে তবে মনের মধ্যে কোন আনন্দ ছিলনা। সেই শুরু হল প্লেন নামক একটি বাহনের সাথে পরিচয়। এখন প্রায় প্লেনে যাতায়াত করি সুখে (না)

*প্লেন* *যাতায়াত* *কিশোর* *ছোটবেলা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১) পৃথিবীতে দুইটা দেশ আছে বাংলাদেশ আর বিদেশ।
২) বিয়ে করলে বাচ্চা হয় নাইলে হয় না।
৩) কালো পিপড়া খাইলে সাঁতার শিখা যায় নয়তো যায় না ।
৪) কারো মাথার সাথে যদি নিজের মাথা একটা গুঁতা খায় তাইলে শিং ওঠে, দুইটা খাইলে আর ওঠে না।
৫) কোন ফলের বিচি খাইয়া ফেললে পেটের মধ্যে সেই ফলের গাছ হয়।
৬) সিনেমার মধ্যে নায়ক নায়িকারা নিজের গলায় গান গায়।
৭)"আই লাভ ইউ" খুব খারাপ একটা শব্দ, একেবারে অশ্লীল।
৮) টিভির পেছনে উকি দিলে ভেতরে মানুষ দেখা যাবে ।
৯) সিনেমার গানের মধ্যে নায়ক নায়িকা এত তাড়াতাড়ি ড্রেস চেঞ্জ করে কেমনে?
নিশ্চয়ই একটার উপর আরেকটা পরে থাকে, হুট করে উপরেরটা খুলে ফেলে দেয় কোনো সময়...
১০) এক লোকমা খাইলে বা একবার ভাত খাইলে গরু ঢিশ দেয় । তাই দুইবার খাইতে হয় ।

( বিঃদ্রঃ এখান থেকে ছোট বেলায় কার কয়টা প্রশ্ন কমন পড়েছে ?

*রসিকতা* *ছোটবেলা*
*ছোটবেলা*

অভ্র মেঘ: আমি আবার ছোট্ট আমি হতে চাই, জানালায় মুখ রেখে জমে থাকা পানিতে বৃষ্টি ফোঁটার বৃত্ত দেখতে চাই আমি আবার ছোট্ট আমিতে ফিরে যেতে চাই, শরত আকাশের নীল দেখে অবাক হতে চাই আমি আবার পুরোনো আমি হতে চাই, ঝুম বৃষ্টি ধারায় আধা ডোবা জলে নৌকো ভাসাতে চাই। আমি অন্ধ-রাতে মোমের আলোর কাঁপা নৃত্য দেখতে চাই।

*মোমবাতি* *আমি* *ছোটবেলা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিন দিন নিজেকে হারিয়ে অন্য মানুষে পরিনত হচ্ছি, পরিচিত বন্ধুমহল,চেনা মুখ, আর অসম্ভব প্রিয় মানুষগুলোকে সময়ের আবর্তে হারাচ্ছি ক্ষণে ক্ষণে। পড়াশুনার প্রয়োজনে স্বাভাবিক শৈশব আর কৈশোর কাটিয়েছি হোস্টেলের চার দেয়ালে ঠাস বুনেটে। মানুষ অভ্যাসের দাস বলে সেটাও মেনে নিয়েছিলাম, মানিয়ে নিয়েছিলাম চার দেয়ালের আমার মত শৈশব হারানো মানুষগুলোর সাথেও। প্রয়োজনে আর অপ্রয়োজনে তাদের সাথে কাটিয়েছি অনেকগুলো সময়।ভাল-মন্দ,লাভ-ক্ষতি, স্বার্থ এবং সু্যোগের চিন্তার নিউরনকে নিস্তেজ রেখে বন্ধুদের সাথে মিশেছি বিনা অজুহাতে।

সোনালী সেই সময়ের কথা চিন্তা করতেই মেরুদণ্ডের শিরঃদাড়া বেয়ে একটা হিমশীতল অনুভূতির জন্ম হয়। স্মৃতি কাতরতায় আড়ষ্ট হই, মুগ্ধতায় বিভোর হই। স্কুলের পাট চুকেবুকে যাবার পর চার দেয়ালের হারানো বন্ধুদের দীর্ঘদিন একসাথে থাকার মায়া পড়ে যাওয়া অনুভূতি থেকে কিছুটা দিন ফোনালাপের যোগাযোগ থাকলেও সূর্য মামার আহ্নিক ঘূর্ণনে সেটাও একসময় বন্ধ হয় কোন রকম কারন ও জিজ্ঞাসা ছাড়াই।

সময়ের স্রোতধারায় কলেজে বছর দু'য়েক একসাথে থেকে যেসব বন্ধুদের সাথে সম্পর্কের প্রেমে নিজেকে জড়িয়েছিলাম তারাও জীবনের কাছে জবাবদিহিতার প্রয়োজনে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। খুব চিন্তা করে দেখেছি এই সুন্দর সম্পর্কগুলো কোন রকম ঝামেলা ও বাক-বিতান্ডতা ছাড়াই শেষ হয়।কোন রকম লাভ-লোকসানের হিসেব নিকাশ ব্যতিরেকে সোজা ফুলস্টপ হয়ে নিঃশেষ হয় একসময়ের প্রানের সত্তাগুলোর ধার -দেনা।

সবাই নিজেদের নিয়ে খুব ব্যাস্ত হয়ে পড়ি, কালে ভদ্রে কোন বন্ধু-বান্ধবীকে কোন দরকারে ফোন দেয়া হলেও দুজনের কথায় বন্ধুত্বের সেই প্রানোচ্ছলতা আর ছন্দময়তা থাকে না। তারপরের University লেভেলের বন্ধুদের সাথে নিয়ে আরো কিছুটা দিন বন্ধুত্বের উৎসবে মেতে থাকার বৃথা চেষ্টা। স্কুল ও কলেজ লাইফের বন্ধুদের হৃদ্যতা, ছন্দময়তা ও ভালবাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের মাঝে না পেয়ে অনুমিতভাবেই সেই সম্পর্কগুলো খুব হৃদয় নিংড়ানোও হয়ে উঠে না।

ব্যাস্ততা আর জীবনের টানা পোড়নে যখন আপন সত্তা ভবিষ্যৎ চিন্তায় হাপিত্যেস, তখন আসলে নিজেও কিছুটা স্বার্থপরতার পরিচয় দেই।ফোনে সেভড এই সব মানুষগুলো নাম্বারে কখনো ইচ্ছে করে ফোন দেয়া হয় না, আবার তাদের ফোন থেকে কখনো ভুল করে একটা কল আমার ফোনের স্ক্রিনে কলিং হয়ে ভেসে উঠতে দেখি না /:) মাঝে মধ্যেই মনে হয় এই নিস্ক্রিয় নাম্বারগুলোকে ফোন থেকে কেটে দিব, সেটাও করা হয় না ফুসফুস থেকে প্রচন্ড জোরে প্রবাহিত হয়ে নাসিকা ভেদ করে বের হয়ে আসা একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাসের কারনে।

প্রযুক্তির কল্যানে অনেক বন্ধুদের ফেসবুক,টুইটার ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুঁজে পেলেও অনলাইনের নীল বাতি দেখেও অনেকের সাথে শুধু কি নিয়ে কথা বলবো এটা চিন্তা করেই চ্যাঁট করা হয় না। যদিওবা কালে-ভদ্রে তাদের সাথে সামান্য চ্যাটিং, লাইক ও কমেন্টসে ভাললাগা-মন্দলাগা ভাগাভাগি করা হয় তবুও সেই সম্পর্ক একটা জায়গা পর্যন্ত স্থিতিশীল। কোন ভাবেই কেউও নিজেকে প্রানবন্ত করে তুলতে পারি না ওপাশের বন্ধুটির কাছে।

সব হিসেব শেষেও যখন কোন এক রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ইচ্ছে হয় স্কুলের সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির কাছে ফোন দিয়ে কিছুক্ষণ সুখ-দুঃখের আলাপ করবো, তখন আবার ভাবী কি দরকার সম্পর্কের বেড়াজাল থেকে অনেকদুরে থাকা ''অন্য মানুষটিকে’’ রাতদুপুরে ডিস্টার্ব করার কোন মানে থাকতে পারে না।

আর এভাবেই সোনালী অতীতের সুন্দর ও মায়ার বন্ধনে জড়িয়ে থাকা সম্পর্কগুলো অযত্নে হারায় সময়ের কাছে খুব নির্মম ভাবে............ নিদারুন বাস্তবতায়

*বন্ধুত্ব* *সম্পর্ক* *ছোটবেলা*
*সম্পর্ক* *ছোটবেলা*

নাহিয়ান সেজান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কেন পারিনিনা ছোটদের মত করে চিৎকার করে হাত-পা ছড়িয়ে কাঁদতে!! খুব বেশিই কি বড় হয়ে গেছি, কেন এখন কান্নাটা খুব বেশি অস্বাভাবিক লাগে সবার কাছে!! আমি কি স্বাভাবিক নই?? আর ক্যামনেই বা স্বাভাবিক অবস্থায় থাকি, সেতো এখন মরিচিকা, তাই এখন থেকে প্রত্যেকটা উদাস দুপুর আর নির্জন রাতে কান্না ভেজানো কিছু গান ভরিয়ে যাবে মম প্রান!!!
হারানো সে দিন কোথা গেলো যে চলে,
সুখের সপনগুলো দুপায়ে ডলে,
আজ শুধু সাথী ওগো আহত অভিমান!!
প্রথমো প্রেম কি কভু যায়গো ঝরে!!
বুকের ভেতর সেতো গুমরে মরে!!
একা একা ঘুরে করি বিরহের বিষ পান!
*ছোটবেলা* *বড়বেলা*
ছবি

সেজুতী ত্রয়ী: ফটো পোস্ট করেছে

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

  প্রতিদিন আমার দেশে কত মানুষ খুন হয়, দুর্ঘটনায় নিহত হয়, কত নারী- শিশু ধর্ষিত হয়, কত মানুষ হাজার অন্যায়- অত্যাচার- দুর্নীতির শিকার হয়, হাজার মানুষ প্রতিদিন নিষ্পেষণ এর শিকার হয়- আমরা কি সব বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করি?
 সব 
বিষয়  নিয়ে কি কথা বলি? এসব বিষয় এর কারণ, উৎস মুখ জানতে চাই? আমরা কি আদিবাসী বাঙালির খবর রাখি? 
এসবের কিছুই করি না আমরা। তার কারণ টা কি? খবর ই তো রাখি না যে দেশের কোন কোণায় কি হচ্ছে। আমরা কিছু নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে কথা বলি, দৌড়াই, বিক্ষোভ - প্রতিবাদ করি।

আসলে
 কি এসব আমরা করি নাকি নষ্ট রাজনীতি , নষ্ট স্বার্থ পেছন থেকে কলকাঠি নাড়িয়ে আমাদের কে দিয়ে ওসব করায়? তাহলে কি বাকী হত্যা- খুন- দুর্ঘটনা- মৃত্যু- ধর্ষণ- অন্যায়- অত্যাচার- নিষ্পেষণ- দুর্নীতি কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না? সেসব কি তাহলে খুব সাধারণ স্বাভাবিক ঘটনা?

সেসব 
কি আমাদের মেনে নেয়ার মত ই সব পরিস্থিতি? আমরা কি আসলেই আহাম্মক? হয়তো তাই ই... নইলে আমরা বারবার হাল ছেড়ে দিতাম না কিংবা ক্ষণে ক্ষণে মুহূর্তের জন্য ছুড়ে দেয়া বল টা ক্যাচ করেই ক্ষ্যান্ত দিতাম না। আমরা আসলেই কি কোন সু-পরিবর্তনের জন্য কিছু করছি নাকি অন্যের হাতের পুতুল হয়েই নেচে যাচ্ছি? কেউ কেউ নিজ স্বার্থেই নেচে চলে কিন্তু বাকীরা?

 দেশের তো হাজার টা সমস্যা তাহলে সেই সমস্যা গুলো সমাধানে আমরা কি নিজেদের গুছিয়ে তৈরী করছি? আমরা কি একেক টি টীম করে দায়িত্ব ভাগ করে দেশের সমস্যা টির সমাধান এর পথে এগুচ্ছি? আমরা কি আদৌ বিশ্বাস করি যে, আমরা পারবো/ আমরা সু- পরিবর্তন আনতে পারবো? যদি আত্মবিশ্বাস ই থেকে থাকে আমাদের তাহলে আমাদের সেই কর্ম কোথায়? কোথায় সেই অবদান?

ছোটবেলায় পড়ায় ফাঁকি দেয়ার সময় বুঝতেই পারতাম না যে, আসলে নিজেকেই ফাঁকি দিচ্ছি, নিজের ই ক্ষতি করছি। আজ ও আমরা সেই ছোট ই আছি! বড় হইনি একটু ও।

আজ ও আমরা নিজেকে ফাঁকি দিয়ে, পালিয়ে পালিয়ে নিজের ই ক্ষতি করছি এবং সমূহ ক্ষতির দিকে ধাবমান হচ্ছি কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছি না!!! আমরা সেই ছোট টি ই রয়ে গেছি। আমরা পণ করেছি, আমরা আর কোনদিন বড় হবো না!!!!
*সুশীলসমাজ* *বাঙালি* *আদিবাসী* *নীতিকথা* *দুর্ঘটনা* *ছোটবেলা* *ফাঁকিবাজি* *সচেতনতা* *বিবেক* *বিচার* *সভ্যতা* *দৃষ্টিভঙ্গি*

নির্বান্ধব: আজো মনে পরে ছোটবেলায় যখন রোজা থাকতে পারতাম না কিন্তু থাকার জন্য জেদ করতাম তখন আম্মা শেষ রাতে সেহেরি খাবার জন্য ডাকতেন এবং বলতেন অর্ধেক রোজা থাকতে I পরদিন দুপুর ১২টার পর খেলে নাকি অর্ধেক রোজা থাকা হত I এই অর্ধেক রোজা নিয়ে বন্ধু-বান্ধবের সাথে সেকি গর্ব করতাম

*ছোটবেলা* *রমজানমাস*

একলা ঘাসফড়িং: *এলিয়েন* আমার প্রিয় একটা জিনিষ। *ছোটবেলা* তে প্রায় স্বপ্ন দেখতাম একটা *এলিয়েন* এর সাথে *প্রেম* করছি। কিন্তু হায় তা এখনও অধরাই হয় থাকলো।

*এলিয়েন* *ছোটবেলা* *এলিয়েন* *প্রেম*
ছবি

মেঘবালক: ফটো পোস্ট করেছে

আমাদের ছোট বেলা....

*ছোটবেলা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★