জঙ্গি

জঙ্গি নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভাস্কর্যটি অপসারন করে আনেক্স বিল্ডিঙের সামনে পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। হেফাজত ক্যান সবাই বুঝেছে তাতে যে লাউ সেই কদু হয়েছে !! শ্যাম ও আছে কূল ও রয়েছে !! মারহাবা।

মাঝখানে এসে সুলতানা কামাল তার মুর্খতার দারুন পরিচয় দিয়ে গেলেন নিউজ ২৪ টকশোতে । তিনি বলেছেন “ভাস্কর্য না থাকলে মসজিদও থাকার দরকার নেই, এটিও অপসারণ করা হোক”

এই মূর্খ মহিলা কি অপসারিত ভাস্কর্যটিকে পূজা করতেন। তারা মূর্তিকে ভাস্কর্যের সাথে মিলাবে না। কিন্তু মসজিদের সাথে ভাস্কর্যের সমতা চাইবে, নাউজুবিল্লাহ। এই মুর্খ মহিলার মাথায় গোবর ছাড়া আর কিছুই নেই মনে হয়।

কোর্টের মসজিদে মানুষ নামাজ আদায় করে থাকেন। অন্যদিকে এ ভাস্কর্যের কেউ পূজা করে না সেখানে।সুতরাং ভাস্কর্য না রাখলে মসজিদও থাকবে না দাবিটা সুলতানা কামাল এর গোবর ভর্তি মাথা থেকে ছাড়া আর কোথাও হতে আসতে পারে না !!! ঐ ভাস্কর্য যদি সুলতানা কামালের দেবী মূর্তি হয়ে থাকে তবে তিনি হাই কোর্ট এলাকায় একটি মন্দির স্থাপনের দাবি করার পাশাপাশি ঐ মন্দিরে ভাস্কর্যটি মূর্তি হিসেবে রাখার দাবি করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে সরাসরি সমজিদে আক্রমন করলেন অতচ এই ভাস্কর্যটি অপসারনে মসজিদের কোন ভুমিকা ছিল না।

 

সুলতানা কামালের এই মূর্খতার পরে আপনারা যারা ভাস্কর্যটি মূর্তি নয় স্রেফ ভাস্কর্য আর এটি ন্যায়বিচারের প্রতীক হেসেবে সুপ্রিম কোর্টে স্থাপন করা হয়েছে বলে আসছিলেন তাদের বক্তব্য ও মিথ্যা প্রমান হল। আমি বুঝিনা এত মুর্খতা নিয়ে কিভাবে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক হয়েছেন সুলতানা কামাল। এই মুহূর্তে দেশে কত বড় বড় ইস্যু রয়েছে কথা বলার, অতচ সব বিষয়ে মুখে কুলুপ দিয়েছেন আর কথা বলছেন সস্থা ভাস্কর্য অপসারনের অযুহাতে মসজিদ অপসারনের দাবিতে। আসলে সুলতানা কামালের উদ্যেশ্য ভাস্কর্য বা মূর্তি নয় তার আসল উদ্যেশ্য হচ্ছে ইসলামকে হেয় করা, যে কোন ভাবে এই দেশের শান্ত প্রিয় মুসলমানদের উস্কে দিয়ে যাতে আবার জঙ্গি জঙ্গি করে লাফাতে পারে সেই খেয়ালেই আছেন তিনি।কারন এ রকম উল্টা পাল্টা কথা বললে বাংলাদেশের শান্ত প্রিয় ধর্মপ্রাণ মানুষ রাস্তায় নামে। আর এই রাস্তায় নামাকে সুলতানা কামালরা নাম দেন জঙ্গি।

*ইসলাম* *বিদ্বেষী* *সুলতানা-কামাল* *মসজিদ* *খবর* *জঙ্গি*

বিম্ববতী: "সুন্দরবনকে বাঁচানোর এ আন্দোলনেই আছে আবহমান বাংলা। বাংলার নদী, মাটি, শিকড়, ফুল আর ফসল। ধর্মের নামে খুনখারাবি আর অযৌক্তিক চিন্তাভাবনা ছড়ানোর দিনে এখানেই তৈরি হয়েছে একটা সিস্টেমেটিক বিজ্ঞান আর যুক্তিচর্চার প্ল্যাটফর্ম। এটা একটা পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক আন্দোলন। এটা একটা বিজ্ঞানমনস্ক আন্দোলনও। এটুকু বিশ্বাস করি, এমন একটা আন্দোলনের চেতনা ও শক্তি যত ছড়াবে, এ দেশে তরুণদের জঙ্গি হওয়ার সম্ভাবনা ততই মলিন হবে।" ----------------------------------মাহা মির্জা

*সাংস্কৃতিক-আন্দোলন* *জঙ্গি* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন* *তরুণ* *তরুণ-সমাজ*

বিম্ববতী: "আমি পাবলিক এবং সংবিধান অনুযায়ী এ দেশের মালিক, তাই আমার উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা আমলে নিয়েই নীতি তৈরি করতে হবে, এই গভীর রাজনৈতিক উপলব্ধি আছে,, ,,,(বৃষ্টি),,,মা মাটি মোহনা ধ্বংস হতে দেবে না—এমন স্লোগান আছে। এটা আমার সংস্কৃতি না? এটা সাংস্কৃতিক আন্দোলন না? তাহলে কোনটা সাংস্কৃতিক আন্দোলন!,," http://www.prothom-alo.com/opinion/article/934801/জঙ্গিবাদের-দিনে-রামপাল-কেন

*সাংস্কৃতিক-আন্দোলন* *জঙ্গি* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *সুন্দরবন*

NatunSomoy : নিখোঁজ শেহজাদ ও তাওসীফ দেশেই! গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেহজাদ ও তাওসীফ বাড়ি থেকে উধাও হন। সন্দেহভাজন এই দুই তরুণের পাসপোর্ট ধরে খোঁজ নিয়ে গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন যে তারা দুজন দেশত্যাগ করেননি।হামলায়... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/2anwKlC

*নিখোঁজ_জঙ্গি* *নিখোঁজ* *জঙ্গি* *আড্ডা* *সারাবাংলা*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা, আমাদের মতো দরিদ্র দেশের মধ্যবিত্তদের, তথাকথিত প্রগতিশীল মধ্যবিত্তদের কথা বলছি- এহেনও মধ্যবিত্তদের কিছু অদ্ভুদ দোদ্যুলমান  গুনের মধ্যে একটা হলো এরা ঢালাওভাবে মাদ্রাসাকে মৌলবাদী বা জঙ্গি তৈরির কারখানা বলতে দ্বিধা করেনি! তবে খুব বেশি নড়ে চড়েও যে বসেছে তাও নয়! ঐটুক বলেই এক পংক্তিতেই ডুব!! কিন্তু তার চেয়েও অদ্ভুদ একটা মনোভাব হলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাদের একটা কেমন দনো -মনো ভাব! যদিও এখন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মধ্যবিত্তরাও পড়াশোনা করছে,,,তবে কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এখনো বেশিরভাগ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে! যার মধ্যে অন্যতম হলো নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি! কিন্তু মজা হোক বা নিষ্ঠুরতা ই হোক না কেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাই কিন্তু বেশি এগিয়ে যাচ্ছে এই কর্পোরেট যুগে,,শুধু তা নয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র থেকে শুরু করে দেশ বিদেশের মাটিতে উজ্জ্বল ছাপ রেখে চলেছে যা অনেক ক্ষেত্রেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি অগ্রগামী,,,যেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হয়ে গ্যাছে তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলোর অপ-ব্যবহারের জঘন্যতম আখঁড়া,,,,মনের দরজা খুলে আকাশ স্পর্শে দেয়ার মতো বিশ্ববিদ্যালয় (পাবলিক কিংবা প্রাইভেট), দুঃখজনক হলেও সত্যি যে এখন আমাদের এই অভাগা দেশে রূপকথা ই হয়ে গ্যাছে!

নাহ আমি পাবলিক আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে বসিনি,,,আমি শুধু আমাদের মধ্যবিত্তদের একটা দোদ্যুলমান নগ্নতা বলতে চাইছি,,,যখন জানা গেলো শুধু মাদ্রাসা নয় নর্থ সাউথ এর মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া কেউ জঙ্গিতে নাম লিখিয়েছে, তখন যেন আমাদের এই তথাকথিত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সমাজ খুব আয়েশ করে পায়েস খাওয়ার অবস্থায় বিরাজ করছেন! কিন্তু ভুলে যাচ্ছেন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়টা পাড়ার নয়, আমাদের ঘরের! কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন,,,,সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,ইতিহাস থেকে সহজেই অনুমেয় শিক্ষিত তরুণরাই এইসব পথে আগে অগ্রসর হয়! কারণ সেখানে যেমন ই হোক একটা আদর্শ তুলে ধরা হয় সে যে নষ্ট পথেই আদর্শ তোলা হোক না কেন! আমরা কি পেরেছি পাল্টা কোনো আদর্শ তাদের সামনে বা আপনারা কি পেরেছেন আমাদের সামনে তুলে ধরতে? আমরা কাজ চাই,,,,আমাদের রক্ত টগবগ করে কিছু করার নেশায়,,,নেশাই বলবো , আকাঙ্খা তো আরো পরিণত বয়সের ব্যাপার!,,,নেশার মধ্যে তুলে দিলেন মাদক-দ্রব্য আর ভারতীয় সেইসব সংস্কৃতি যা নষ্ট (ভালো টা নয়) ! নতুবা আজকে এই যে সুন্দরবন বাঁচাও সুন্দরবন বাঁচাও বলে চিৎকার করছি তবু তো কই কিছু হচ্ছে না তো?,,,আমাদের শক্তি কোথায়! আমরা নিজেদের শক্তিহীন দেখছি আবার তা মেনে নিতেও পারছি না! আমরা আপনাদের নষ্ট রাজনীতি করতে পারছি না,,,সঠিক দাবি করলে গলা চেপে ধরা হচ্ছে,,,,,আমাদের তাহলে কাজটা কি??,,,পাঠ্যবই এ মুখ ডুবিয়ে রাখা! প্রতিবাদের জায়গাগুলো আমরা ভুলে যাচ্ছি,,,,আমরা নষ্ট মিডিয়া দ্বারা এতোটাই মোহ গ্রস্থ হয়ে পড়ছি যে বুঝে উঠতে পারছি না কোথায় প্রতিবাদ করতে হবে! হয়ে পড়ছি দিক-হারা! আর এটাও সত্য যে- যে দেশে বিরোধী দলকে অকার্যকর করে দেয়া হয় সে দেশে জঙ্গি তৈরি হবেই,,,,এটা একটা ক্রোধ! গণতন্ত্রের ন্যূনতম অনুপস্থিতির ক্রোধ!,,যেটা দেখা যায় না,,,ধীরে ধীরে মানুষে মানুষে ছড়িয়ে পরে গভীরে,,,,

আমি একটা দিক আকর্ষণ করতে চাই এহেনও মধ্যবিত্ত মানুষদের মানসিকতা নিয়ে,,,এই যে জঙ্গি ইস্যু নিয়ে কথা হলেই বারবার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করছেন, এর ফলাফলটা ভেবে দেখেছেন?,,,যদিও জীবন ধারণ করতেই আমাদের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে ভাবনার জায়গা কোথায়! তবু আমাদের ই ভাবতে হবে! ইতিহাসে উজ্জ্বল - যে কোনো সমস্যায় এই দোদ্যুলমান মধ্যবিত্তরাই আগে প্রতিবাদ করেন, এদের মাঝ থেকেই বুদ্ধিজীবীরা উঠে আসেন!,,,একটা প্রতিষ্ঠানকে যখন ঢালাও ভাবে দোষারোপ করা হয় তখন সেই প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্র-শিক্ষকদের কথা ভেবে দেখেছেন কখনো?,,,তারা দেশ বিদেশে এখন কিভাবে দিন কাটাচ্ছে?,,,,যেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া হলেই জঙ্গি!! আশ্চর্য!! এইসব মেধাবী  ছাত্ররা যখন দেশের বাইরে উচ্চ শিক্ষার জন্য বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠানে বা গবেষণার জন্য যেতে চাইছে তাদের কি ধরণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে?,,,,জানার প্রয়োজন বোধ করেন নি!,,,,কেননা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে এখনো আমরা প্রাশ্চাত্য সংস্কৃতি বলে যেভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে চাই তা আসলে কিছু ঠিক মতো জানতে না চেয়ে নিজের দুর্বলতা ঢাকার ই অভিপ্রায় মাত্র,,,,অনেকেই মুখ ফুটে বলেন আর অনেকে বলেন না,,,কিন্তু প্রতিটা মধ্যবিত্ত মানুষের ভিতর ই একটা কি যেন ক্ষোভ কাজ করে এইসব ইউনিভার্সিটি নিয়ে,,,,এইসব দৌন্যতা দূর করতে হবে!,,এই মেধাবী প্রতিষ্ঠানের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে নিজেদের স্বার্থে!,,,অন্যথায় এইভাবে দোষারোপ করতে থাকলে বিদেশের মাটিতে আমরা হেয় প্রতিপন্ন হবো,,,মাথা নিঁচু হয়ে আসবে!,,, হয়তো এইসব মানুষদের ধারণাতেই নেই বিদেশের মাটিতে দেশের এহেনও অবস্থায় কিভাবে দিন কাটাতে হয়!,,,অথচ তারাই দেশের মুখ বিদেশে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে,,,অন্ধকারে কিছুটা হলেও আলো ফোটাচ্ছে!

আসুন একটু ভেবে নিয়ে কথা বলি,,,আপনি হয়তো নিজেকে খুব ক্ষুদ্র ভাবছেন! ভাবছেন আমার একটা কথায় কি এসে যায়! এসে যায় অনেক কিছুই,,,,মানুষের মুখের কথাতেই এক সময় সব ধ্বংস করার মতো মারণাস্ত্র তৈরি হয়ে যায়,,,,আর আপনি আমি হলাম সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ - শিক্ষিত মধ্যবিত্ত অংশ,,,,

নিজেকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন,,,,নিজেকে শ্রদ্ধা করুন!,,,,,(বৃষ্টি),,

অশ্রদ্ধা দৃঢ় কণ্ঠে জানান অন্যায়ের!,,,(বৃষ্টি),,,,,,

কোনো কথা বলার আগে ভেবে নিন - সব কিছুর আগে দেশপ্রেমকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরুন!,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উপর আঙ্গুল না উঁচিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন!,,,,(বৃষ্টি),,,

সোচ্চার হোন অপ-রাজনীতির বিরুদ্ধে!,,,(বৃষ্টি),,,,,

 

(বৃষ্টি),,কে আছেন?
দয়া করে একটু আকাশকে বলুন-
সে যেন আর একটু উপরে উঠে
আমি আর দাঁড়াতে পারছি না",,,(বৃষ্টি),,,

------------------------হেলাল হাফিজ

 

*মুখের-কথা* *তরুণ* *মধ্যবিত্ত* *জঙ্গি* *প্রাইভেট-বিশ্ববিদ্যালয়* *সুন্দরবন-বাঁচাও* *গণতন্ত্র* *অপ-রাজনীতি* *রাজনীতি* *মিডিয়া* *প্রতিবাদ* *ছাত্র* *বিদেশ* *বোধোদয়* *শ্রদ্ধা*

ঝর্না রায়: একটি বেশব্লগ লিখেছে


জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটি এখন বৈশ্বিক সমস্যায় রূপ নিয়েছে। কিন্তু আশার কথা হলো, গোটা পৃথিবীর মানুষ জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা যে কোন মূল্যে এর দমন দেখতে চান। বিশ্ব নেতারাও এ ব্যাপারে এক কাতারে। তাই সমাজের প্রত্যেক মানুষকে জঙ্গীবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা রোধে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার জঙ্গী উৎখাত করতে বদ্ধপরিকর । সরকার সমূলে জঙ্গী নির্মূল ও ধ্বংস করার নীতিতে বিশ্বাসী। এর সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতা ও লেনদেনের সম্পর্ক নেই। কোন হুমকি-ধমকিতে কাজ হবে না। অত্যন্ত স্বল্পতম সময়ে গুলশানে জঙ্গী দমন প্রশংসার দাবিদার। যা আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশই পারেনি। দেশে যে মাত্রার জঙ্গী তৎপরতা আছে তা মোকাবেলা করার সক্ষমতা আমাদের আছে। জঙ্গীবাদকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা না করাই ভাল। এটি আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক সমস্যা। তাই বলে জীবন বর্বরদের হাতে পরাজিত হতে পারে না। আগুন যুদ্ধবাজদের জাতি পরাজিত করেছে, জঙ্গী-সন্ত্রাসবাদকেও পরাজিত করবে। গুলশান ট্র্যাজেডিতে আমাদের বিশ্বাস হয়েছে যে শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। দেশে চলমান বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। জঙ্গী দমনে অবশ্যই সরকার বিদেশী সাহায্য প্রয়োজন। তবে এমন কোন সাহায্য নেওয়া যাবে না যা দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সব প্রতিবন্ধকতাকে পাশ কাটিয়ে আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারব ইনশাল্লাহ।

*জঙ্গি*
খবর

বিম্ববতী: একটি খবর জানাচ্ছে

গণতান্ত্রিক পরিবেশ ছাড়া সেটা সম্ভব হওয়ার কথা নয়। সন্ত্রাস ও যুদ্ধের মোকাবিলা কেবল নিরাপত্তা বাহিনী দিয়ে করা যাবে না। যায়নি কোথাও। বলপ্রয়োগ আরও বলপ্রয়োগের রাস্তা খুলে দেয়।
http://m.prothom-alo.com/opinion/article/916309/সমাজই-এ-যুদ্ধের-প্রধান-শিকার
মুসলিম মাত্রই সম্ভাব্য সন্ত্রাসী অথবা সন্ত্রাসের সমর্থক—এমন ধারণার পৃষ্ঠপোষকতাও করা হয়েছে। এর ফল হলো, যুদ্ধের ময়দান রাষ্ট্র-সীমান্ত থেকে সামাজিক সীমান্ত পর্যন্ত প্রসারিত করে দেওয়া। একই দেশের, একই জাতির,একই ধর্মের,একই সমাজের মানুষ বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে, ...বিস্তারিত
*সমাজ* *ঘৃণা* *রাজনীতি* *বিশ্ব-রাজনীতি* *সন্ত্রাস* *জঙ্গি* *অধর্ম* *গণতন্ত্র*
১০২ বার দেখা হয়েছে

NatunSomoy : [বেশবচন-তুইরাজাকার]৪ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী নিখোঁজ! .......... জবাই করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করবে এটা বিবেকবান মানুষের কাজ নয় | এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে মাঠ পর্যায়ে যারা রয়েছেন তাদের মধ্যে এক শ্রেণীর কর্মকর্তা ...বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/29C4onE

*জঙ্গিআতঙ্ক* *জঙ্গি* *জঙ্গিহামলা* *নিখোঁজ* *শিক্ষার্থী_নিখোঁজ* *আড্ডা* *বেশম্ভব*
খবর

অনি: একটি খবর জানাচ্ছে

১০ দিনের বেশি অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তথ্য চায় মন্ত্রণালয়
http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/910117/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9C-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিন বা তার বেশি অনুপস্থিত থাকা শিক্ষার্থীদের নাম পরিচয় মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া এই নির্দেশের কথা জানান মন্ত্রী। ঈদের ছুটি পর আজ... ...বিস্তারিত
*জঙ্গি* *শিক্ষার্থী* *সাবধানতা*
১৬৩ বার দেখা হয়েছে

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিছুতেই কোথাও মন বসাতে পারছি না,,,কিছুতেই নাহ,,,,অস্ত্রের মুখে যে ছিল সে আমার অতিথি,,বন্ধু,,,আমার স্বজন,,,আর অস্ত্র যে ধরে রেখেছিলো সে কিছুদিন আগেও আমার কষ্টে বুক ভাসিয়েছিল,,,আমার বন্ধু আমার ভাই আমার সন্তান,,,,কিসের ক্ষোভকে পুঞ্জীভূত করলে এতটা মানুষহীন হওয়া যায়,,,???,,কতটা মানসিক অস্থিরতা থাকলে নিজের ব্রেইনটা এভাবে ওয়াশ করতে দেয়া যায়????,,,,আমি বুঝিনা,,,জানিনা,,,রাস্তায় যখন নামছি মাথা আপনি আপনি হেট হয়ে যাচ্ছে,,,কার কাছে? কেন? জানিনা,,,নিজের ভিতর কিসের অস্তিত্ব যেন মৃদু কেঁপে কেঁপে উঠছে,,,বুকের গভীরে নীরবে কাকে লালন করছি আমি,,,হু??,,,,এই নষ্ট ব্যবস্থা আমাদের বুকের গভীরে কেমন ক্ষত  যুগের পর যুগ ধরে সৃষ্টি করলে আমরা এতো হিংস্র হয়ে উঠতে পারি,,,?,,,আমরা কি?,,,,অস্ত্র যারা ধরে রেখেছে সেকি আমরা নই???,,,,,হিংস্রতাকে অন্যায়ভাবে কাজে লাগাতে কেন দ্বিধা করছি না???,,,,,অস্ত্র চালিয়ে দিচ্ছি ভাই বোন বন্ধুর  বুকে কি নির্দ্বিধায়!!,,,,যে অস্ত্র একদিন গর্জে উঠতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গতভাবে,,,,!!,,

"যে পিতা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে ভয় পায় 
আমি তাকে ঘৃণা করি- 
যে ভাই এখনও নির্লজ্জ স্বাভাবিক হয়ে আছে 
আমি তাকে ঘৃণা করি- 
যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরাণী 
প্রকাশ্য পথে এই হত্যার প্রতিশোধ চায় না 
আমি তাকে ঘৃণা করি-" 

কোন হত্যার প্রতিশোধ?,,,,আমাদের ভিতরের মানবিকতা হত্যার প্রতিশোধ নেবো না?,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

"কিসের নেশায় কেমন করে মরছে যে বীর লাখে লাখে!",,,কে বীর আর কে বীর না?,,,,(বৃষ্টি),,,,,,

কে অন্যায় করছে আর কে অপ-ব্যবহৃত হচ্ছে???,,,,,,(বৃষ্টি),,,,

এমন দুর্দিনেও কেন আমরা একতাবদ্ধ হতে পারছি না,,? ,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,

যে পুলিশ অভিযানে মারা গেছে সে ভালো না খারাপ সে তর্ক এখন কেন? এখন তো সে শহীদ হয়েছে! যখন অন্যায় করেছিল তখন তো দিব্যি পদে বহাল রেখে অপকর্ম করতে দেয়া হয়েছিল! এইসব তর্ক কিসের ইঙ্গিত করে? হত্যার জাস্টিফিকেশন?,,,,(বৃষ্টি),,,,

কে সূরা পড়তে পেরে বের হয়ে এলো এইসব সংবাদের পিছনের সত্য কি?,,মানুষের মানসিকতায় কি বীজ বপন করতে চাইছে এরা নীরবে? কে এই আসল সন্ত্রাস?,,,যখন সরকারি উচ্চ পদে থেকে নির্দ্বিধায় বলে ফেলেন- ধর্ম নিয়ে কিছু বলে যদি কেউ হত্যা হয় সে দায়ভার আমরা নেবো নাহ!!!,,,কি ব্যবস্থাকে নীরবে অঙ্কুরোদ্গম করছে তারা??,,,,,,,(বৃষ্টি),,,

"আটজন মৃতদেহ 
চেতনার পথ জুড়ে শুয়ে আছে 
আমি অপ্রকৃতিস্থ হয়ে যাচ্ছি 
আট জোড়া খোলা চোখ আমাকে ঘুমের মধ্যে দেখে 
আমি চীৎকার করে উঠি 
আমাকে তারা ডাকছে অবেলায় উদ্যানে সকল সময় 
আমি উন্মাদ হয়ে যাব 
আত্মহ্ত্যা করব 
যা ইচ্ছা চায় তাই করব।"

নবারুণের মতো চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে-

"এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না 
এই জল্লাদের উল্লাসমঞ্চ আমার দেশ না 
এই বিস্তীর্ণ শ্মশান আমার দেশ না 
এই রক্তস্নাত কসাইখানা আমার দেশ না"

এই নষ্ট দুর্গন্ধ পঁচে যাওয়া দগদগে ক্ষত আমার শরীর না-
আমার পৃথিবী না,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,মানি না,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,

"আমি আমার দেশকে ফিরে কেড়ে নেব 
বুকের মধ্যে টেনে নেব কুয়াশায় ভেজা কাশ বিকেল ও ভাসান 
সমস্ত শরীর ঘিরে জোনাকি না পাহাড়ে পাহাড়ে জুম 
অগণিত হৃদয় শস্য, রূপকথা ফুল নারী নদী 
প্রতিটি শহীদের নামে এক একটি তারকার নাম দেব ইচ্ছে মতো 
ডেকে নেব টলমলে হাওয়া রৌদ্রের ছায়ায় মাছের চোখের মত দীঘি 
ভালোবাসা-যার থেকে আলোকবর্ষ দুরে জন্মাবধি অচ্ছুৎ হয়ে আছি- 
তাকেও ডেকে নেব কাছে বিপ্লবের উৎসবের দিন।"

,,,,পারছি না,,,,,পারছি না,,,,বুকের মধ্যে কুয়াশায় ভেজা কিছুই টেনে নিতে পারছি না,,,,পা দুটো বড্ড টলে যাচ্ছে বারবার,,,,প্রতিবার,,,,,,মৌলিক প্রশ্নরা এসে পথ রুদ্ধ করে,,,,কোথায় দাঁড়াবো আমি???,,,আমরা??????,,,,(বৃষ্টি),,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,

*আমি* *আমরা* *মানুষ* *সমাজ* *রাষ্ট্র* *সমাজ-ব্যবস্থা* *তরুণ* *তারুণ্য* *হত্যা* *জঙ্গি* *বন্ধু* *ক্ষত* *হিংস্রতা* *অন্যায়*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

কিসের তাড়নায় এরা মানুষ এইভাবে খুন করার অধর্ম নেশায় মত্ত হলো,,??,,,

এর দায় ভার কি রাষ্ট্র থেকে শুরু করে আমরা প্রতিটা সমাজধারী মানুষ অস্বীকার করতে পারি???,,,, http://www.dhakatimes24.com/2016/07/03/118826 http://www.somoyerkonthosor.com/2016/07/03/9799.htm

*অধর্ম* *দায়ভার* *রাষ্ট্র* *তরুণ-সমাজ* *তরুণ* *সমাজ* *জঙ্গি* *হত্যা* *ব্যর্থতা*
খবর

ওম: একটি খবর জানাচ্ছে

জীবন্ত অবস্থায় যুবকের চামড়া ছাড়িয়ে নিল তালেবান
http://www.natunsomoy.com/%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B2-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8/57223
নির্বিচারে গণহত্যা করা মাথা কেটে নেওয়া বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা তালেবানের জন্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু এবার আফগানিস্তানের তালেবান কমান্ডাররা পরস্পরে সঙ্গে নৃশংসতার প্রতিযোগিতায় নামতে চাইছেন। অতালেবানদের হত্যা করার সময় কত রকমভাবে কষ্ট দেওয়া যায় তার ন ...বিস্তারিত
*আড্ডা* *ভাগ্য* *যান্ত্রিকজীবন* *হত্যা* *তালেবান* *জঙ্গি* *আইএস* *নৃশংসতা*
১৩৫ বার দেখা হয়েছে
ছবি

আন্তর্জাতিক খবর: ফটো পোস্ট করেছে

আফগানিস্তানে সেনা অভিযানে ৩৯ জঙ্গির মৃত্যু

টানা ২৪ ঘণ্টা সেনা অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জঙ্গির। বুধবার আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে একথা জানানো হয়। তবে এখানেই শেষ নয়, জঙ্গি নিকেশে এই সেনা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় । প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গি দমন অভিযান নিয়ে এদিনই আফগান পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে স্থির হয়েছে, দেশের ৩৪টি প্রান্তে জঙ্গি দমন অভিযান করা হবে। বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত অনুসারে, সেদিনই দেশের ৫টি প্রান্তে জঙ্গি দমন অভিযান শুরু করেছে আফগান সেনাবাহিনী।

*জঙ্গি* *আর্ন্তজাতিকসংবাদ* *চটখবর*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★