জমিজমা

জমিজমা নিয়ে কি ভাবছো?

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমেই বলে রাখছি আমি উকিল বা দলিল লেখক (ভেন্ডার) নই। তবে এই বিষয়ে আমার কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমাদের মত সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে তিল তিল করে টাকা জমিয়ে জীবনের একটা সময় একটি ঠিকানা গড়ে তোলার জন্য যার যার সাধ্যমত এক টুকরো জমি বা বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে চান। আর এখানেই থাকে সর্বস্ব হারাবার ঝুঁকি তাই ভালো ভাবে ভেবে চিন্তে এগোবেন।

জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট কেনার আগে যে সমস্ত বিষয় যাচাই বাছাই করতে হবেঃ

১. প্রথমেই আপনি জমি/বাড়ি বা ফ্ল্যাটটি নিজে সরজমিনে গিয়ে দেখবেন।

২. জমির রাস্তা আছে কিনা , জমির সীমানা যা বলা হয়েছে তা ঠিক আছে কিনা বা সীমানা নির্ধারিত করা আছে কিনা এবং যিনি মালিক জমিটি তার দখলে আছে কিনা এসব বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

৩. জমির কাগজ পত্র বা দলিল পত্র দেখবেন। জমির মূল দলিল, সি.এস.পর্চা, আর.এস.পর্চা, সিটি জরিপ, খাজনা, ডি.সি.আর, নামজারি জমা ভাগের প্রস্তাব পত্র, যিনি জমির মালিক তার জাতীয় পরিচয় পত্র এসব নিয়ে রেজিস্ট্রি অফিসে রেকর্ড চেক করবেন, খাজনার অফিসে গিয়ে চেক করবেন যে জমির দলিলের মালিকের নামের সাথে সরকারি রেকর্ড ঠিক আছে কিনা।
বাড়ি/জমি ফ্ল্যাটটি যদি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের হয় তবে অবশ্যই সেই অফিসে যেয়ে ভালো ভাবে খোঁজ খবর নিবেন যে সেই অফিসে দলিলের মালিকের নামে নামজারি আছে কিনা।

৪. বাড়ি/জমি/ফ্ল্যাটের মূল মালিকের সাথে কথা বলুন। তিনি কি কি কাজ করে দিবেন তা স্পষ্ট ভাবে বলে নিবেন। যেমন- বাড়ি/জমি ফ্ল্যাটটি জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের হলে বেচা বিক্রির আগে সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতি নিতে হয় এবং সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতির জন্য বিক্রেতাকে আবেদন করবেন তারপর সরকারি ফি জমা দিয়ে সেল পারমিশন বা বিক্রয় অনুমতি নিবেন, দখল বুঝিয়ে দিবেন কি ভাবে, টাকার লেন দেন কি ভাবে হবে ইত্যাদি।

৫. দলিল লেখকের কাছে গিয়ে জেনে নিন দলিল রেজিস্ট্রি খরচ কত হবে। জানার পর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি কিনতে পারবেন তবে পরিকল্পিত ভাবে বাড়ি/জমি/ফ্ল্যাট কেনার কাজটা সেরে ফেলুন।

- মূল: পরামর্শ.কম

*জরুরীটিপস* *জরুরীপ্রয়োজন* *দলিল* *জমিজমা*

মি"ল"ন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দলিলের বিষয়বস্তু এবং শ্রেণীভেদে  স্ট্যাম্পের মূল্যমান বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।
২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে দলিল সম্পাদনের জন্য স্ট্যাম্পের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুসরনে দলিল সম্পাদন না করা  হলে সে দলিল আইনগত বাতিল বলে গণ্য হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী:

  • রাজউকের প্লট এবং ট্যাক্সের দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প;
  • ট্রাস্ট ডিড-ক্যাপিটাল দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প;
  • অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • নকলের কবলা দলিল, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফাইড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, নাদাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট, রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • আমমোক্তারনামা দলিল এবং সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • পার্টনারশিপ বা অংশীদারি দলিলের জন্য ২০০০ টাকার স্ট্যাম্প;
  • মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে
    ক. এক টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০০০ টাকা
    খ. ২০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকা এবং
    গ. এক কোটি এক টাকার ওপরের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার এবং প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্পে সম্পাদন করতে হবে।



আন্তরিক ধন্যবাদ (খুকখুকহাসি)

(সংগ্রহীত)

*দলিল* *স্ট্যাম্প* *বেশতো* *জমিজমা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★