জলপ্রপাত

জলপ্রপাত নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঝর্ণা ও জলপ্রপাতের মাঝে পার্থক্য কি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ঝর্ণা* *জলপ্রপাত* *পার্থক্য*

নিরাপদ নিউজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

                    
প্রকৃতির পাহাড়, র্ঝনা, লেক ও বাগিচা সমুদ্রে আমাকে অধিক হাতছানি দেয়। এবং অফুরান আনন্দ ও সুখ- শান্তি বয়ে আনে। তাইতো ৯০ সালের মাঝমাঝি সময় থেকে আমি কখনো পাহাড়ের খোঁজে, কখনো ঝর্নার খোঁজে, কখনো বা লেক ও সমুদ্রের খোঁজে বছরে ৩/৪ বার বিদেশ ভ্রমন করি পর্যটক হয়ে। যতদিন সৃষ্টিকর্তা আমাকে বাচিয়ে রাখেন এবং যতদিন আর্থিক সচ্ছলতা থাকবে, ততদিন আমি ভ্রমনের মাঝেই ডুবে থাকবো।কেননা ভ্রমন আমার যন্ত্রনা কিছুটা হলেও মোচন করে।
                               
                    চিত্রকোট জলপ্রপাতে যাওয়ার পথে লেখক, সাংবাদিক ও পর্যটক নাসিম রুমি
দেশ বিদেশের অসংখ্য ঝর্না আমার ইতিমধ্যে ভ্রমন করা হয়েছে। তার পরেও ঝর্না দেখার সাধ মিটেনি। তাই তো গত বছরের জানুয়ারি তে ঝর্নার খোঁজে চলে গেলাম ভারতের চিত্রকোট জলপ্রপাতে। চিত্রকোট জলপ্রপাতকে ভারতের নায়াগ্রা বলা হয়। চিত্রকোট জলপ্রপাতে যেতে হলে প্রথমে কলকাতা থেকে বিমানে কিংবা ট্রেনে রায়পুর যেতে হবে। ট্রেনে ১৪ ঘন্টা সময় লাগে। চিত্রকোট জলপ্রপাতটি ভারতের সবচেয়ে বড় এবং সৌন্দর্যে ভরা জলেপ্রপাত হয়ে দেশী -বিদেশী প্রর্যটকদের আকৃষ্ঠ করে আসছে। বর্ষার সময় এর রূপ আরও বৈচিত্রময়।
                             
                              লেখক জলপ্রপাতে গোসল করছেন
কিন্তু আমার বর্ষার সময় যাওয়া সম্ভব হয়নি। তার পরও আমি পুরোপুরি মুগ্ধ । ওড়িশা থেকে বয়ে আসা ইন্দ্রাবতী নদী ঝাঁপিয়ে পড়ছে ৯৬ ফুট নীচে, একাধিক ধারায়। পতনের প্রাবল্যে সৃষ্টি হচ্ছে জলকণার ধোঁয়া, সূর্যের আলো পড়ে সৃষ্টি হচ্ছে রামধনু। অপুর্ব এই দৃশ্য পর্যটককে মোহিত করে দেয়। তিনটি ভাগে উঠে- নেমে দেখা যায় এই অনিন্দ্যসুন্দর জলপ্রপাতকে। নীচে জলধারা যেখানে পড়ছে সে জায়গার দৃশ্যাটি খুব সুন্দর দেখায়। কাছেই রয়েছে চিত্রকোট গ্রাম। এই গ্রামের নামেই জলপ্রপাতের নাম হয়েছে চিত্রকোট।
কিভাবে যাবেন ?
.......বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1PRXbId

*ভ্রমনস্থান* *ভ্রমন* *বিনোদন* *জলপ্রপাত* *ঝরনা* *আড্ডা*
ছবি

অসামাজিক কবি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

নাইক্ষ্যংকুম জলপ্রপাত...বান্দরবন

*জলপ্রপাত* *ছবিতেপ্রকৃতি*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

‘মাধবকুণ্ড’ জলপ্রপাত কমবেশি সবারই চেনা। তবে এর কাছেই যে আরেকটি জলপ্রপাত আছে, সেটা কি দেখা হয়েছে? স্থানীয় মানুষের কাছে এর নাম  ‘পরিকুণ্ড’। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই বুনো ঝর্ণাটি সবাইকে কাছে টানবে। মাধবকুণ্ডের চেয়ে পরিকুণ্ড কিছুটা নির্জন। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালায় ছেয়ে আছে এর চারপাশ। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে পাথরের খাড়া পাহাড় বেয়ে শোঁ শোঁ শব্দ করে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ছে। নিচে বিছানো ছোট-বড় পাথর গড়িয়ে স্রোতধারা একটি বড় ছড়ায় মিশে গেছে। বড় একটি পাথরে বসে আনমনে খুব কাছ থেকেই জলপ্রপাতের নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করা যেতে পারে। ইচ্ছা করলে স্বচ্ছ পানির ছড়ায় ভালোমতো গোসলও সেরে নেওয়া যায়।

কিভাবে পরিকুণ্ডতে পৌছাবেনঃ
আপনারা যাঁরা মাধবকুণ্ডে বেড়াতে যেতে চান, তাঁরা চাইলেই পরিকুণ্ড দেখে আসতে পারেন। টিকিট কেটে প্রধান ফটক পেরিয়ে মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের রাস্তা। হাঁটতে হাঁটতে সামনে গিয়ে হাতের বাঁ পাশে টিলার ওপর শিবমন্দির। এর ঠিক বিপরীতে রাস্তার সঙ্গে একটি নতুন পাকা সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। ওই সিঁড়ি দিয়ে নেমে মাধবকুণ্ডের মূল ছড়া। আর ওই ছড়াটির সোজাসুজি পাথর বিছানো ছড়া দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটলেই পরিকুণ্ড। ভয়ের কারণ নেই। ছড়ায় শুধু পায়ের পাতাই ভিজবে। ভয়ের অবশ্য দু-একটা কারণ আছে। নিচে বিছানো পাথরগুলো কিন্তু বেশ পিচ্ছিল। শ্যাওলা জমে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই পা ফেলতে হবে খুব সাবধানে। মাধবকুণ্ড ও পরিকুণ্ড বেড়াতে এসে কাছাকাছি রাত্রিযাপনের জন্য জেলা পরিষদের দুই কক্ষের একটি বিশ্রামাগার আছে। সেটি কমপক্ষে সাত দিন আগে বুকিং দিতে হয়।

ঢাকা থেকে যেতে যা যা করতে হবেঃ
মাধবকুণ্ডের পথ অনেকেরই চেনা। আন্তনগর ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুলাউড়া জংশন রেলস্টেশনে নামতে হবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সরাসরি মাধবকুণ্ড পৌঁছাতে পারেন। ভাড়া নেবে তিন বা চার শ টাকা। কুলাউড়ায় নেমে বাসে করেও যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কাঁঠালতলী বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোরিকশায় মাধবকুণ্ড। দূরত্ব আট কিলোমিটার, ভাড়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা বা অন্য জায়গা থেকে সড়কপথে কাঁঠালতলী বাজার হয়ে মাধবকুণ্ডে পৌঁছানো যায়।
*ট্রাভেল* *ভ্রমন* *ছুটিতেভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *জলপ্রপাত* *ঘুরেএলাম*
ছবি

আলোর সন্ধানী: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

আইসল্যান্ডের একটি সুন্দর জলপ্রপাত।

*জলপ্রপাত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★