জিম

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকা শহরে লেডিস জিম কোথায় কোথায় আছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*জিম* *লেডিসজিম*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সকালে জিমে যাওয়ার আগে কি কি করা উচিত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সকাল* *জিম* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 'জিম' ছাড়া ওজন কমানোর কি কি উপায় রয়েছে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*জিম* *ওজনকমানো* *বাড়তিওজন* *ওজনসমস্যা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জিম করার আগে এবং পরে কি ধরনের খাবার খেতে হয়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*জিম* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘর ও বাইরের বিভিন্ন কাজ সামলানোর পর নিয়ম করে সময় মেনে অনেকেরই জিমে যাওয়া হয়ে ওঠে না। তাই বাড়িতেই একটি ছোট্ট জিম তৈরি করে নিতে পারেন। তবে জিম তৈরির আগে চাই সঠিক পরিকল্পনা।এতে আকাশচুম্বি কোনো খরচ হবে না। একটি হোম জিম থাকলে আপনি জিমে যাতায়াতের সময় ও জিমের সদস্য ফিস বাঁচাতে পারবেন এবং জিমের গাদাগাদি পরিবেশে কোনো একটা সরঞ্জাম ব্যবহারের অপেক্ষায় আপনাকে বসে থাকতে হবে না। ব্যায়ামের সরঞ্জাম যদি আমাদের বাড়িতেই থাকে তাহলে খুব সম্ভবত আমরা নিয়মিতভাবে ব্যায়াম চালিয়ে যাবো। এটা অবশ্যই বেশি সুবিধাজনক।
 
বাড়িতে জিম করার পরিকল্পনা থাকলে প্রথমেই আপনার ফিটনেস এক্সপার্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তালিকা করে জিমের ফিটনেস ইকুইপমেন্ট কিনুন এবং প্রতিটি ইকুইপমেন্ট ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি ও ওয়ারেন্টি  জেনে নিন। 
 
 
স্থান নির্বাচন 
প্রথমেই আপনাকে যা করতে হবে তা হলো, ব্যায়ামের জন্য আপনার বাড়ির কোন স্থানটি ব্যবহার করতে চান তা ঠিক করা। এর জন্য আপনি যদি একটি নির্ধারিত ব্যায়ামকক্ষ তৈরি করে নেন তাহলে আপনি অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এবং সম্ভবত প্রতিদিনই আপনি তা ব্যবহার করবেন। আপনি আপনার বাড়ির বেজমেন্ট, গ্যারেজ অথবা কোনো একটি অতিরিক্ত কক্ষকে হোম জিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। কক্ষটি খোলামেলা এবং আরামদায়ক হতে হবে। গ্যারেজটি যদি তেলের গন্ধযুক্ত থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই তা পছন্দ করবেন না। সেক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো স্থান নির্বাচন করুন।
 
 
আপনার কাজ চালানোর মতো কোনো কক্ষ যদি নাই থাকে তবে আপনাকে আপনার বাড়ির কোনো একটা কক্ষের সাথেই ব্যায়ামকক্ষটিকে সমন্বয় করে নিতে হবে। সেটিকে তখন লিভিংরুম, গ্রেটরুম অথবা মিডিয়ারুমের এক কোণায় স্থাপন করার কথা ভাবা যেতে পারে। এটি নির্ভর করে কক্ষটির আকার-আয়তন এবং এটি কতটা গাদাগাদি অবস্থায় রয়েছে তার উপর। বেডরুমকে পারতপক্ষে ব্যায়ামকক্ষ হিসেবে ব্যবহার করবেন না। 
বাড়িতে জিম তৈরি করার আগে কী ধরনের শরীরচর্চা করতে চান সে সম্পর্কে নিদিষ্ট ধারণা রাখুন। ওয়েট ট্রেনিং করতে চাইলে অপেক্ষাকৃত কম জায়গা লাগবে। অ্যারোবিকস করতে চাইলে একটু বেশি জায়গা নিয়ে গড়ে তুলুন আপনার জিম। জিম তৈরির আগে কি কি  করবেন জানুন।
 
♦ বাড়ির জিমে অবশ্যই মিউজিক সিস্টেম রাখুন।
♦ বাড়ির বসার ঘরে বা শোবার ঘরে জিম তৈরি করবেন না। যে ঘরে জিম তৈরি করতে চান, তার মধ্যে দিয়ে রান্নাঘর বা বাথরুমে যাওয়ার পথ যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। কারণ আপনার শরীরচর্চার সময় বাড়ির সদস্যরা ক্রমাগত জিম দিয়ে যাওয়া-আসা করলে আপনার মনসংযোগে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
♦ হোম জিম পরিকল্পনার জন্য প্রথমেই আপনার ফিটনেট এক্সপার্টের সাথে যোগাযোগ করুন। নির্দিষ্ট তালিকা জেনে নিয়ে জিমের ফিটনেস ইকুইপমেন্ট কিনুন এবং প্রতিটি ইকুইপমেন্ট ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন।
♦ বাড়ির জিমে ট্রেডমিল, টুইস্টার, স্টেশনারি সাইকেল, বল অবশ্যই রাখতে পারেন।
♦ আপনার নিজের গড়া জিমটি যেন দেখতে সুন্দর হয় সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন। জিমের দেয়ালের রঙ, দেয়ালসজ্জার মাধ্যমে জিমটিকে আকর্ষক করে তুলুন।
♦ বাড়িতে জিম তৈরির জন্য আপনি যে ঘরটিকে বেছে নিয়েছেন তাতে জায়গা খুব কম মনে হলে ঘরের একদিকের দেয়াল জুড়ে আয়না বসাতেন পারেন। এর ফলে ঘরটিকে বেশ বড় মনে হবে এবং আপনি ঠিকমতো ব্যায়াম করছেন কি না, তাও দেখতে পাবেন।
♦ বাড়ির জিমের ট্রেডমিল বা স্টেশনারি সাইকেলের সামনে সুন্দর কোনো পোস্টার লাগান।
♦ যোগাসন, মেডিটেশন বা জিম করার সময় কী ধরনের মিউজিক শুনবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন এবং জিমের নির্দিষ্ট সিডি র্যাকে প্রয়োজনীয় সিডি গুছিয়ে রাখুন।
♦ নিয়মিত আধ ঘণ্টার বেশি জিম করলে কাছাকাছি একটি টেবিলে প্রয়োজনীয় পানি, ফলের জুস রাখুন।
♦ পরিবারের কোন সদস্য কোন সময়ে বাড়ির জিম ব্যবহার করবেন সেটা আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন।
♦ বাড়িতে জিম তৈরি করার প্রাথমিক পর্যায়ে খুব বেশি খরচ করতে না চাইলে সেকেন্ড হ্যান্ড ফিটনেস ইকুইপমেন্ট কেনার কথা ভাবতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ইকুইপমেন্টের অবস্থা ভালো করে যাচাই করে নিন।
♦ জিমের ঘরের মেঝে কার্পেট দিয়ে ঢেকে রাখার চেষ্টা করুন এবং জিমটির জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখুন।
♦ জিম করার জায়গা কম মনে হলে ঘরের একদিকের দেয়ালজুড়ে আয়না বসাতেন পারেন। এর ফলে ঘর বড় মনে হবে এবং আপনি ব্যায়াম করার সময় নিজেকে দেখতে পাবেন। 
 
 
ব্যায়ামকক্ষের জন্য অর্থপরিকল্পনা
যে কোনো ব্যায়ামকক্ষের জন্য ট্রেডমিল এবং ইলেপ্টিক্যাল যন্ত্রপাতি (elliptical machine) চমৎকার অনুষঙ্গ হতে পারে। সেগুলো যে খুব বেশি দামী হতে হবে এমন নয়। প্রায়শই, লোকেরা ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়ার জন্য কঠিন প্রতিজ্ঞা করে বটে, কিন্তু সেই প্রতিজ্ঞা মেনে চলতে পারে না। বাস্তাবিকপক্ষেই, একসময় তারা ঘরের জায়গা উদ্ধারের জন্য সরঞ্জামটি বিক্রয় করে দেয়। আপনি ব্যবহৃত জিম সরঞ্জাম স্বাভাবিক দামের চেয়ে অনেক কমমূল্যে ক্রয় করার মাধ্যমে লাভবান হতে পারেন। বিক্রেতা যদি সরঞ্জামটি সামান্যই ব্যবহার করে থাকেন তবে তো হয়েই গেল। আপনি ব্যাপক দরকষাকষিতে একরকম নতুন জিনিসই পেয়ে যাবেন। ব্যবহৃত স্টেশনারি বাইক (stationary bikes), স্টেয়ার ক্লাইম্বার্স (stair climbers) এবং মাল্টিস্টেশন ওয়েট মেশিনও (multi-station weight machine) কিনতে পাওয়া যায়।
দরকারি জিনিসপত্র ক্রয়
আপনি কোন ধরনের জিম তৈরি করতে চান সে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর আপনাকে ম্যাট (mat) এবং স্টোরেজের (storage) মত দরকারি জিনিসপত্র সম্পর্কে ভাবতে হবে। যোগব্যায়াম প্রেমীদের অনুশীলনের জন্য তাদের জিমের মেঝেতে ম্যাট বিছানোর দরকার হবে। এটিকে একটি প্রশান্ত স্থানে পরিণত করার প্রয়োজনে এখানকার আলোকসজ্জা এবং স্বাচ্ছন্দ আনয়নকারী উপাদান যেমন হালকা সংগীতের জন্য স্টেরিও ইত্যাদি নিয়ে আসার কথা ভেবে দেখতে হবে। ব্যায়াম করার জন্য ভিডিও, মিউজিক সিডি এবং রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ডগুলো (resistance bands) রাখার জন্য আপনার একটি গোপন জায়গার (hidden storage) দরকার হবে। ওয়েট (weight) রাখার জন্য একটি স্ট্যান্ডও (stand) সাহায্যকারী হতে পারে। কক্ষটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে আপনি সেখানে কিছু চারাগাছ এনে রাখার কথাও ভাবতে পারেন, তাছাড়া সেগুলো ব্যায়ামকক্ষে অক্সিজেনের যোগান দিতেও সাহায্য করবে। একটি ব্যায়ামকক্ষকে বিশৃংখলা এবং মনোযোগ বিচ্ছিন্নকারক উপদান থেকে মুক্ত রাখা উচিত।
শুরু করার সময়
আপনার কর্মপরিকল্পনা ছকে নিয়ে সরঞ্জামাদি ক্রয় করার পর এবং আপনার ব্যায়ামকক্ষটিকে আকর্ষণীয় ও হৃদয়গ্রাহী করে সাজানোর পরই আপনি ব্যায়াম শুরু করতে পারেন। আপনার নিয়মিত ব্যায়ামের জন্য কিছু ব্যায়ামের পোষাক (workout clothes) ও আরামদায়ক জুতা (comfortable shoes) কিনতে ভুলবেন না। মনোযোগের ঘাটতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে কমিয়ে আনতে ব্যায়ামের সময়টুকু পারিবারিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে একান্ত নিজস্বভাবে কাটান। এই সময়টুকু কেবল আপনার নিজের উপরে মনোযোগ নিবদ্ধ করার জন্যই বরাদ্দ রাখুন।
 
হোম জিম অনেক লোকের জন্যই একটি সঠিক জিনিস হতে পারে কারণ তারা কোনো জিমে যোগ দিতে কিংবা ব্যায়াম করার জন্য বাহিরে যেতে চান না। এটি ব্যক্তিগত এবং এটি আপনাকে ব্যায়ামের জন্য অনেক বেশি স্বাধীনতার সুযোগ দেয়। আপনাকে কোনো মাসিক ফি দিতে হয় না, পার্কিং লটে গাড়ি পার্কিংয়ের ঝামেলা পোহাতে কিংবা ব্যায়ামের সরঞ্জাম খালি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। আপনার নিজের একটি হোম জিম থাকলে মনোযোগের বিঘ্ন ঘটারও কোনো কারণ থাকে না। সম্ভাব্য সেরা শারীরিক গঠন (the best possible shape) পেতে আপনি তখন নিজের উপর এবং নিজের শরীরের উপর মনোযোগ দিতে পারেন।
 
কোথায় পাবেন
আপনি এসব পেয়ে যাবেন স্টেডিয়াম মার্কেট, গুলিস্তান, নিউ মার্কেট সহ যে কোনো বড় শপিং মলে l এছাড়া অনলাইন শপ আজকের ডিল তো আছেই l 
 

 

*জিম* *বাড়িতেজিম* *ব্যায়াম* *শরীরচর্চা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কে না চায় নিজের ফিগার সুন্দর রাখতে ? সুস্থ জীবনের জন্য মেদবিহীন ঝরঝরে শরীর সব তরুণেরই কাম্য। শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত ওয়ার্ক আউট এর কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সময় বের করে অনেকেই জিমে যেতে পারেন না। তাই বাড়িতে বসেই ওয়ার্ক আউটের জন্য কিনে নিতে পারেন নিচের সামগ্রীগুলো। 



PROLINE পুশ আপ বার
৯৯০ টাকা
ম্যাটেরিয়াল: ষ্টেইনলেস ষ্টিল
স্লীপ প্রিভেন্টিং ফোম 
গ্রিপ টেকসই ও মজবুত





SUPER K চেস্ট এক্সপান্ডার
৭৯০ টাকা
ব্র্যান্ডঃ Super K
কমফোর্টেবল ও টেকসই
এডজাস্ট্যাবল ডিজাইন 
কালারঃ ব্ল্যাক




রোলার স্লাইডার
১,৩১৯ টাকা
রোলার স্লাইডার 
শরীরের ওজন কমানোর জন্য একটি আদর্শ প্রোডাক্ট
হাই কোয়ালিটি ম্যাটেরিয়ালে তৈরী 
ব্র্যান্ড নিউ প্রোডাক্ট





ডাম্ববেল (4 কেজি - ১টি)
৬২০ টাকা
ডাম্ববেল 4 কেজি 
আপনার দেহ গঠনের জন্য ব্যবহার করুন
 ১টি





SUPER K ডিজিটাল জাম্প রোপ
২৫০ টাকা
ব্র্যান্ডঃ Super K
সব বয়সীদের জন্য চমৎকার ডিজিটাল জাম্প রোপ 
কালারঃ ব্ল্যাক




SUPER K ফিগার ট্রিমার
৫৯০ টাকা
ব্র্যান্ডঃ Super K
ফিগার ট্রিমার আপনার শরীরের শেপ ঠিক রাখতে সহায়তা করবে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে 
পোর্টেবল ডিজাইন;
বহন করা ও ব্যবহার করা খুবই সহজ 
কালারঃ ব্লু

ওয়ার্ক আউটের জন্য এসব সামগ্রীগুলো কিনতে বা আরো বিস্তারিত দেখতে ক্লিক ওয়ার্ক আউট কিট
*ওয়ার্কআউট* *জিম* *বডিশেপ* *ব্যায়াম* *মেদকমান* *স্মার্টশপিং*

শুভাশীষ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শরীর চর্চা, মেকআপ, জিম নিয়ে কতটুকু সচেতন আপনারা? ফিটনেস ঠিক রাখার জন্যে কে কি ধরনের ডায়েট মেনে চলেন?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*শরীরচর্চা* *মেকআপ* *জিম* *ফিটনেস* *সচেতন* *ডায়েট* *লাইফস্টাইল*

Nisha Char: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হাতের পেশী কিভাবে বাড়ানো বা মোটা করা যায়???

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*জিম* *শরীরচর্চা* *পেশীগঠন* *ব্যায়াম*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

বেবী পিকেটার (ফান ফটোপোষ্ট)

*জিম* *হরতাল* *হরতালজোকস* *জোকস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে মানুষের জীবন সম্পূর্ণরূপে প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠেছে। কম্পিউটার ও ইন্টারনেট প্রযুক্তি মানুষকে পুরোটাই অলস বানিয়ে দিয়েছে। অধিকাংশ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সময়টা এখন চেয়ার-টেবিল আর কম্পিউটারে সীমাবদ্ধ। কম্পিউটারের প্রতি এই আসক্তি  শরীরকে বিপথে ঠেলে দিতে পারে তাই এই মুহূর্তে  চাই জিম সচেতনতা। শরীর ও মন সুস্থ্য রাখতে হলে জিম ও নিয়মিত ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। 

একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন, দিনে দিনে আপনার ওজন কতটা বেড়ে গেছে। অজান্তে বাসা বাঁধে রোগবালাই। সময় হয় না নিয়মিত জিমে যাওয়ার। ব্যায়ামই সমাধান দিতে পারে এমন অনেক সমস্যার। 

কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মুক্তহস্তে অনেক ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন--
 নাচ, জগিং, সুইমিং, অ্যারোবিক্স, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা সবই এক ধরনের মুক্ত ব্যায়াম। এর থেকে যেকোনো একটি অথবা সুযোগমতো অল্প অল্প করে কয়েকটি ব্যায়াম করা যায় সহজেই। এর মাধ্যমে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায় নিয়মিত ব্যায়াম হূদযন্ত্রের ক্রিয়া সুস্থ রাখে। অন্যান্য হূদরোগ মোকাবেলয়াও ভূমিকা রাখে খালি হাতের ব্যায়াম।
মুক্তহস্তে ব্যায়ামই সমাধান দিতে পারে এমন অনেক সমস্যার। উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ঘুমের সমস্যা দূর করে শরীর ঠিক রাখা বা শরীরকে একটা কাঙ্ক্ষিত মাপে নিয়ে আসতে এ ব্যায়াম কার্যকর। ক্লান্তি ও হতাশা দূর হয় মন থেকে এ ব্যায়ামের মাধ্যমে তাড়াতাড়ি ফিটনেস অর্জন সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে পাওয়া গেলেও এর কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী। 

নাচ, জগিং, অ্যারোবিক্স যা-ই পছন্দের হোক না কেন, তা নিয়মিত করুন। একেক দিন একেক রকম ব্যায়াম করলে তা কাঙ্ক্ষিত ফল লাভের জন্য উপযুক্ত নয়। তবে কয়েক রকম ব্যায়ামের একটা তালিকা তৈরি করে তা সারা সপ্তাহের ফিটনেস রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। সুযোগ থাকলে এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কারোর সঙ্গে আলাপ করে দেখতে পারেন। এ ব্যায়ামে শরীরের ভেতর বা বাইরে কোনো সমস্যা হয় না।

ভারী যন্ত্রও ব্যবহার করতে হয় না, যে কারণে শরীরে বাড়তি চাপ পড়বে। নিজের হাতেই থাকবে সব নিয়ন্ত্রণ। স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। ঘাড়, হাত ও পায়ের জন্য উপযুক্ত বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ বেছে নিন।

যারা নিয়মিত জিম করেন, তারা জিম শুরুর আগে ওয়ার্মআপ করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম আগ থেকেই করুন। এতে পরবর্তী সময়ে সুবিধা পাবেন। যোগাসন করার আগেও ওয়ার্মআপের জন্য কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম সেরে নিতে পারেন।

মনেরাখবেন, কম্পিউটারের কাজের চাইতে আপনার শরীরটা অনেক বেশী দামী। তাই এঘেয়েমি বসে না থেকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে ব্যায়াম সেরে নিন।
*জিম* *ব্যায়াম*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যারা নতুন জিমে যেতে চান বা যাওয়া শুরু করেছেন তাদের জন্যই এই টিপস। জিম শুরু করার আগেই দরকার খাদ্যাভ্যাস এ পরিবর্তন আনা। কারণ শুধু জিম করেই বডি শেপিং বা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চাওয়াটা বোকামি। তাই চলুন জেনে নিই জিম করার পুর্বে কিছু টিপস।

নরমাল খাবার আগে যা খেতেন তাই খাবেন,কিন্তু পরিমানে একটু বেশি করে।সাস্থ্য বাড়ানোর জন্য জিম করলে তা বিকালে করা ভালো(দুপুরের খাবার খাওয়ার ২/৩ ঘন্টা পর)।কারন তখন খাবার গুলো গ্লুকোজ হয়ে যায়,ফলে জিম এর সময় এনার্জি বডি থেকে না টেনে খাবার থেকে টানে।বডি থেকে এনার্জি গেলে কিন্তু ওই পরিমার খাবার বডি না পেলে উলটা সাস্থ্য কমে অসুস্থ্য হয়ে যেতে পারেন।

· রোজ দুইটা ডিম খাবেন(জিম শেষ করার এক ঘন্টার ভিতরে),কারন ওই টাইমএ বডি খাবার চায়।

· পানি খাওয়া বাড়ায় দিবেন,নাহলে অতিরিক্ত ঘাম ঝরার কারনে জন্ডিস হয়ে যাবে।

· নতুন কেউ জিম এ ভর্তি হলে একটা বেপার ঘটে,অনেক উপদেষ্টা আসে,তারা সাপ্লিমেন্ট(হাই প্রটিন) নিতে বলে তাড়াতাড়ি বডি বাড়াইতে।ওদের প্রধান কাজ এগুলা বিক্রি করা।এসব নেয়া ঠিক না,অন্তত শুরুতে তো না ই।বডি যখন সেইপে চলে আসবে তখন নেয়া যায়,তাও দেশের বাইরে থেকে
আনায় নেয়া ভালো।এদেশে সস্তায় ইন্ডিয়ান যেটা পাওয়া যায় ওটা অতটা ভালো হয় না।না খাওয়াটা বেশি ভালো।

· যেই দিন থেকে জিম শুরু করবেন,ওই দিন ভুলেও এক সাথে পুরা রুটিন ফলো করবেন না।তাহলে আমাকে গালি দিয় জিম ছেড়ে দিবেন।আর ব্যাথায় তো রাতের ঘুম হারাম হবেই।(জিম এর শুরুর দিন বডির টিস্যু ছিড়বে এবং এক্সপান্ড করবে।ভয়ের কারন নাই,এই ব্যাথা ৩ দিন থাকে,এই ব্যাথার কারনে ওষুধ খাওয়া ঠিক না।আর ব্যাথার ভয়ে জিম না ছেড়ে হাল্কা হাল্কা ব্যাথার উপর জিম করা ভালো,ব্যাথা দ্রুত কমবে তাতে।

· জিম এ ঢুকেই নিজে যতটা পারেন তার চেয়ে বেশি ওয়েট নিয়ে টানাটানি শুরু করবেন না,এখানে পাওয়ার দেখানোর দরকার নাই,আস্তে আস্তে এনার্জি বাড়বে,তখন হেভি ওয়েট নিতে পারবেন(অতিরিক্ত ওয়েট নেয়ার কারনে লিগামেন্ট ছিড়ে যেতে পারে,মেরুদন্ডে টান খেতে পারেন,যা আজীবন ভোগাবে)।

· কাঁচা ছোলা ধ্রুত মাসল বিল্ড করে,কলা বেশ কাজে লাগে,রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ ভালো কাজ করে,মাছ আর মাংস পাইলে ধুমায়ে খান,চর্বি ছাড়া হলে ভালো,ডিম কুসুম ছাড়া খাওয়া ভালো,যাদের বডি বেশি শুকনা তারা একটা কুসুম খেতে পারে(ডিমের সাদা অংশ প্রটিন,কুসুম এ ফ্যাট)


ওহ.. একটা কথা বলতে ভুলেই গেছি... কারো যদি এই নিয়ম কানুন ভাল লাগে তাহলে এই নোটটি শেয়ার করবেন।
আরো কিছু জানতে চাইলে প্রশ্ন করতে পারেন,আমার জানা থাকলে হেল্প করবো। ভুল হলে সরি,যদি কারো উপকারে আসে তাহলেই আমি খুশি।

*জিম* *ফিটনেস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে স্বাস্থ্যসচেতন প্রত্যেক নারী-পুরষ জিমনেশিয়ামে গিয়ে নিয়মিত জিম করছে। হাঁটা-চলা ও ডায়েট কন্ট্রোলের পাশাপাশি অনেকেই এখন জিমে গিয়ে নিয়মিত ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন। তবে জিমে যাওয়ার সময় ওয়াক-আউটের পাশাপাশি সেখানকার নিয়ম-কানুন, আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকাটাও জরুরি। তাই জিমে গিয়ে জিমের নিয়ম কানুন মেনে চলুন-

জিমনেশিয়ামে যা-যা করবেন
* ব্যায়ামের সময় মনোযোগ একটি জরুরি বিষয়। মনোযোগ দেওয়া না হলে অনেক সময় ব্যয় করেও বিশেষ লাভ হবে না। তাই ব্যায়ামের সময় যথাযথ মনোযোগ দিন।
* জিমে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় বাছাই করুন। ঘন-ঘন ব্যায়ামের সময় বদলাবেন না।
* ব্যায়ামের পর ইনস্ট্রুুমেন্টগুলো যথাস্থানে রেখে দিন।
* ব্যায়ামের কোনও ইনস্ট্রুমেন্ট যদি একাধিকবার ব্যবহার করতে হয়, তবে সেটি আটকে না রেখে বিশ্রামের সময় অন্যদের ব্যবহার করতে দিন।

জিমনেশিয়ামে যা করবেন না
* জিমে ব্যায়ামের সময় খুব বেশি শব্দ বা চ্যাঁচামেচি করবেন না।
* ইনস্ট্রুমেন্টগুলো নাড়াচাড়া করার সময় শব্দ করবেন না।
* নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন— জামা-কাপড়, জুতা, তোয়ালে, পানির বোতল ইত্যাদি ছড়িয়ে রাখবেন না।
* অন্যের ফিটনেস, চেহারা, চালচলন নিয়ে মন্তব্য ও হাসিঠাট্টা একেবারেই করবেন না। 

জিমে গিয়ে ব্যায়াম বা অনুশীলনের সময় উপরিউক্ত নিয়ম কানুন মেনে চললে অন্যরা আপনাকে দেখে শিখবে এবং কেউ আপনার প্রতি অসন্তুষ্ট হবে না। ফিটনেস ধরে রাখুন, নিয়মিত জিম করুন এবং জিমের নিয়ম কানুন মেনে চলুন।
*জিম* *লাইফস্টাইলটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★