টাইগার

টাইগার নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিন বদলিয়েছে, আম্রা আর ছোট দল নেই। সেটা বুঝা যায় খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সের সাথে সাথে তাদের কথা বার্তায় ও তাদের শারিরীক ভাষায়। এখন সময় হয়েছে আমাদের দর্শকদেরও ম্যাচিউর হওয়ার, প্রফেশনাল হওয়ার। সময় হয়েছে সব ঘটনা প্র্যাক্টিকালি চিন্তা করার। বিশেষ করে বহির্বিশ্ব থেকে কোন খেলোয়াড়, দর্শক কিংবা সাংবাদিক আমাদের টাইগারদের নিয়ে কোন মন্তব্য করলে সেটা প্রথমে ওক্ত বক্তার অবস্থান থেকে বিচার করে দেখতে হবে, তাহলেই সমস্ত ঘটনা/দুর্ঘটনা মেনে নিতে খুব সহজ হবে।

এটা ভাল করে বুঝতে হবে যে, আমাদের বর্তমান পারফরমেন্স যতই ভাল হোক, আমাদের যতই জয় আসুক, কিন্তু আমাদের ক্রিকেটের শিকড় ততটা গভিরে নয় যতটা পাকিস্তানের, যতটা ভারতের। ভারত পাকিস্তানের ক্রিকেটের ডেপ্থের মত ডেপ্থ আমাদের এখনো হয় নি। আম্রা আজ যা অর্জন করছি তা ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান অর্জন করে আসছে অনেক আগেই। এবং এটাই বাস্তবতা। এবং এতে আমাদের কোন লজ্জা বা কমতি নেই, কারণ আম্রা খেলা শুরু করেছি অনেক পরে।

আমাদের বাংলাদেশের জন্মের অনেক অনেক আগে থেকেই এই পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হয়ে আসছে। কাজেই যারা আমাদের চেয়ে অনেক অনেক সিনিয়র তাদের প্রতি কিছুটা সম্মান দেখানো আমাদের অবশ্যই কর্তব্য।

আমাদের দর্শকদের এক্টি বড় সমস্যা হলো আম্রা ক্রিকেট নিয়ে তর্ক শুরু করে তারাতারী তর্কটা অন্যদিকে ডাইভার্ট করে দেই। শুরু করে দেই গালাগাল। এতে ফলাফল কিন্তু আমাদের বিপক্ষেই যায়, নিজেদের নির্বুদ্ধিতার কারণে আমরা আমাদের প্রিয় ক্রিকেটারদের হেয় করি, নিজেদের অসভ্য হিসেবে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করি।

অথচ আমাদের সামনে কত সুন্দর এক্টি স্টেজ প্রস্তুত হয়ে আছে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার, নিজেদের সভ্যতা, নিজেদের ভদ্রতা, নিজেদের কালচার, নিজেদের হিউমার দিয়ে পৃথিবীবাসিকে আকৃষ্ট করার।

ক্রিকেটের এই মাহেন্দ্রক্ষনে এসে আমরা আনন্দে ভাসবো, অন্যদেশের ফেসবুক পেইজে গিয়ে সুন্দর সুন্দর ট্রল করে আসবো, তারা আমাদের টিমকে ট্রল করলে কিউট পন্থায় প্রটেক্ট করে আসবো এটাই হলো আন্তর্জাতিক ইভেন্টের মজা ও সৌন্দর্য।
আর এমনটা করতে পারলে ক্রিকেটিয় এই সুন্দরক্ষন আরো মধুময় হবে, হবে আরো বেশি ফলপ্রসূ।

আসুন সবাই ক্রিকেটিয় এই মধুক্ষণ ইনজয় করি, নিজেরে লেখনি ও ট্রল দিয়ে প্রতিবেশি/ভিনদেশিদের সাথে শত্রুতা না বাড়িয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলার চেষ্টা করি।

*ক্রিকেট* *ক্রিকেটরঙ্গ* *বাংলাদেশ* *টাইগার* *সমর্থক*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশ ক্রিক্রেট দলকে টাইগার উপাধি কে দিয়েছেন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*টাইগার* *টিমবাংলাদেশ*
ছবি

ফাহিম মাশরুর: ফটো পোস্ট করেছে

টাইগার্স . .

*টাইগার*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। টানা চার ম্যাচ জিতে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরবও অর্জন করল যুবারা। সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের গত দুটি আসরই অনুষ্ঠিত হয় নেপালে। দুবারই বাংলাদেশের কিশোররা সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ে। ২০১১ সালে প্রথম আসরে ছয় দলের মধ্যে চতুর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ। পরের আসরে (২০১৩ সালে) সাত দলের মধ্যে তৃতীয় হয় বাংলাদেশের কিশোররা। আর ২০১৫ সালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ান জয় বাংলার কিশোররা। এ যেন টাইগারদের পিছনে পিছনে হাঁটছে বাংলার ফুটবলাররা। সাবাস বাংলাদেশ! সাবাস!
*বাংলাদেশ* *ফুটবল* *সাফচ্যাম্পিয়ন* *টাইগার* *যুবা*
*ফুটবল* *সাফচ্যাম্পিয়ন* *টাইগার* *যুবা*

রং নাম্বার: [পিরিতি-আগডুমবাগডুম] নাচ মেরে ময়না তুই পয়সা পাবি রে (গ্যাংনাম)(চুম্মা)(গ্যাংনাম)(চুম্মা)(গ্যাংনাম)(চুম্মা) দারুণ গান বেধেছে টাইগারদের নিয়ে(জোস) https://www.facebook.com/hitbdtoday/videos/461089370737868/

*টাইগার* *ক্রিকেট* *বিনোদন*
ছবি

খেলার খবর: ফটো পোস্ট করেছে

টেস্ট রেটিংয়ে সর্বোচ্চ বিন্দুতে বাংলাদেশ!

চট্টগ্রামের পর ঢাকা টেস্টও ড্র হলো। ফলে ক্রিকেট বিশ্বের নম্বর ওয়ান টেস্ট খেলুড়ে দেশের সাথে সিরিজ ড্র করলো বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট সিরিজ ড্র। র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সিরিজ ড্র করায় দ্রুত ফল পেল বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের রেটিং ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪৭ হয়েছে। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত সেরা রেটিং এটি। তবে দলগত র‍্যাঙ্কিংয়ে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বাংলাদেশ এখনো নবম স্থানেই আছে।

*খেলাধুলা* *টেস্ট* *চটখবর* *ক্রিকেট* *টাইগার* *টিমবাংলাদেশ* *বাংলাদেশ-না-সাউথআফ্রিকা*
ছবি

খেলার খবর: ফটো পোস্ট করেছে

ধোনির মুখে টাইগার বন্দনা

বাংলাদেশের সাথে সিরিজ হারের পর অনেকটা আড়ালেই চলে গিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।কিন্তু অনেকদিন পর তার মুখেই শোনাগেল টাইগার বন্দনা। চেন্নাইয়ের একটি অনলাইনে ধোনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে সিরিজ জেতা উচিৎ ছিল কিন্তু সম্ভব হয়নি কারণ তারা বেশম্ভব ভাল খেলেছে। তবে সমালোচকদের এখন বোঝা উচিত, বাংলাদেশ ক্রিকেটে কতটা এগিয়ে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পিছিয়েও ওয়ানডে সিরিজ জয় করেছে বাংলাদেশ। সুতরাং এটা এখন মেনে নিতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে দারুণ শক্তি সঞ্চয় করেছে। আর এখন তাদের কাছে হারাটা আমাদের অসম্মানের নয়।

*চটখবর* *খেলাধুলা* *টাইগার* *ক্রিকেট*

Aziz_bappy: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সিরিজ জিতলো টাইগাররা..
ফিল্লিং কি কইতাম হে হে হে সব কা হাওয়া টাইট ,কারা আবার {আমাগো কাছের মানুষ (ফাক্কে অ্যান্ড হাতুড়ে সিং এর দেশিরা)}. লহ এবার তোরা মুড়ি কা
সরকার করে দিসে আফ্রিকা কে চারকার । মগর শেষ পর্যন্ত তামিম আমাদের চট্রগ্রামের মানসম্মান রাখসে । নইলে হেতের কি একদিন , আর আমাগো কি একদিন । ট্যাঙ্ক উ ।
*টাইগার* *ক্রিকেট*

আমানুল্লাহ সরকার: বাঘ কি এবার পারবে তার মর্যাদা ধরে রাখতে? গো টাইগার গো.....

*টাইগার* *টিমবাংলাদেশ* *ক্রিকেট*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভারতের বিপক্ষে টাইগারদের ওয়ানডে স্কোয়াড
বাংলাদেশ দল : মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, আরাফাত সানি , তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন, রনি তালুকদার, লিটন কুমার দাস, মুস্তাফিজুর রহমান।
*টিম-বাংলাদেশ* *টাইগার্স* *টাইগার* *খেলাধুলা* *বাংলাদেশ-না-ভারত*
৫/৫

খোরশেদ আলম: আমাদের সব সময় প্রার্থনা টাইগারদের জন্য ভালো খেলার জন্য। জয় পরাজয় মূখ্য নয়।

*টাইগার*
ছবি

অনি: ফটো পোস্ট করেছে

টাইগার!

*টাইগার*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাটি হাটি পা-পা করে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ নতুন একটি ক্রিড়ার সাথে পথচলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ দল। দেখতে দেখতে নানা অর্জনের মধ্য দিয়ে ২৯টি বছর পূর্ণ করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মেলবোর্নে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে ১৯৭১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্ম হয়েছিল। তবে রঙিন পোশাকের এই ক্রিকেটে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ। এশিয়া কাপের ঐ অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান। এরপর দেখতে দেখতে কেটে গেছে ২৯টি বছর। এক-দুই-তিন করে বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে ৩০০টি ওয়ানডে ম্যাচ।

গত ২৯ বছরে ‘টাইগার’ খ্যাত বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন ১৩ ক্রিকেটার। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এর পর একে একে দায়িত্ব পালন করেছেন- মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আকরাম খান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজন, রাজিন সালেহ, খালেদ মাসুদ পাইলট, হাবিবুল বাশার সুমন, মোহাম্মদ আশরাফুল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাশরাফি বিন মতুর্জা। এদের মধ্যে হাবিবুল বাশার সর্বোচ্চ ৬৯টি ম্যাচে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই ৩০০ ম্যাচে লাল-সবুজের জার্সিতে মোট ১১৬ ক্রিকেটার মাঠে নেমেছে, ওয়ানডে ক্যাপের ছায়ায়। সর্বশেষ বাংলাদেশের ওয়ানডে অভিষিক্ত ক্রিকেটারের নাম তাইজুল ইসলাম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার অভিষেক হয়েছে গত বছর। ২৯ বছরে ৩০০ ওয়ানডে ম্যাচের ৮৮টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭৫টি ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

এই দীর্ঘ ২৯ বছরে খুব বেশি প্রাপ্তি না থাকলেও তামিম-সাকিব-মাশরাফি ও মুশফিকদের মতো ক্রিকেটাররা দেশের বড় সম্পদ হয়ে উঠেছেন। আর ২০১৫ বিশ্বকাপে তাসকিন-সৌম্য-সাব্বিরের মতো তরুণ ক্রিকেটারের সৃষ্টি হয়ে উঠার মধ্যদিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা।

ওয়ানডে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসরটির নাম বিশ্বকাপ ক্রিকেট। যার যাত্রা শুরু ১৯৭৫ সালে। বাংলাদেশ এই আসরে প্রথম খেলেছে ১৯৯৯ সালে। এরপর সদ্য সমাপ্ত আসরটিসহ মোট ৫টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের সাফল্যও কম নয়। প্রথম আসরে পাকিস্তানকে, ২০০৭ সালে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে, ২০১১ ও ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রমাণ রেখেছে বড় দলগুলোর বিপক্ষে কম যায় না টাইগাররা।

এর বাইরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলোকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব, ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালের খেলার কৃতিত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য।

২৯ বছরে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান-
•    বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে ১৯৯৭ সালে।
•    বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ, পাকিস্তানের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হেরে যায়।
•    বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডেতে ৯৪ রান সংগ্রহ করেছে।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ প্রথম জয় পায় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৯৯৮ সালের ১৭ মে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে কেনিয়াকে হারিয়েছে।
•    বাংলাদেশ দলের হয়ে প্রথম উইকেট নিয়েছেন জাহাঙ্গীর শাহ বাদশা।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম বলটি মোকাবেলা করেছেন রকিবুল হাসান।
•    বাংলাদেশের হয়ে প্রথম হাফসেঞ্চুরি করেছেন আজহার হোসেন, ১৯৯০ সালের ২৮ এপ্রিল।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন মেহরাব হোসেন অপি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ।
•    ওয়ানডেতে প্রথম ৫ উইকেট নিয়েছেন আফতাব আহমেদ; নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহক সাকিব আল হাসান। তিনি ৪১৭৩ রান করেছেন।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক; ২০৭ উইকেট।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হয়েছেন হাবিবুল বাশার; ১৮ ম্যাচে।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা; ৪৪টি।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন হাবিবুল বাশার; ৬৯ ম্যাচে।
•    ওয়ানডেতে সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি ১৭টি ম্যাচে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মধ্যে জয় ১১টিতে ও পরাজয় ৬টিতে। জয়ের হার : ৬৪.৭০%।
•    ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল; ১৭৫টি ম্যাচ।
•    ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ করেছেন রাজিন সালেহ-হাবিবুল বাশার। কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭৫ রানের পার্টনারশিপ করে অপরাজিত ছিলেন।
•    ওয়ানডে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসিয়াল করেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ১৪৬টি ডিসমিসিয়াল করেছেন।
•    ওয়ানডেতে এক ইনিংসে বেস্ট ইকোনমি বোলার সাকিব আল হাসান। তিনি ১০ ওভারে ১১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। ইকোনমি রেট ১.১০।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ৪ উইকেট পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। তিনি ৬ বার ৪ উইকেট নিয়েছেন।
•    ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি ৫ উইকেট পেয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি ৪ বার ৫ উইকেট পেয়েছেন।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে সেরা বোলিং ফিগার মাশরাফির। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।
•    ওয়ানডে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস তামিম ইকবালের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৯ সালে ১৫৪ রান।
•    ওয়ানডে সবচেয়ে বেশি ব্যাটিং গড় বর্তমান ওপেনার এনামুল হক বিজয়ের। ৩০ ম্যাচে ৩৫.১৮ গড়ে তার সংগ্রহ ৯৫০ রান।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি সাকিব আল হাসানের। ১৪৭ ম্যাচে ৬টি সেঞ্চুরি।
•    ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি সাকিব আল হাসানের। ১৪৭ ম্যাচে ৩৪টি।
•    ওয়ানডেতে রানের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ১৬০ রানে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে ক্যারিবিয়ানরা।
•    ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন স্কোর ৫৮। ২০১১ সালের ৪ মে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এবং ২০১৪ সালের ১৭ জুন ভারতের বিপক্ষে সর্বনিম্ম এই স্কোর গড়ে বাংলাদেশ।
•    ওয়ানডে ক্রিকেট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩২৬। যদিও গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই রান করেও জয় বঞ্চিত হয়েছিল টাইগাররা।
•    ওয়ানডেতে উইকেটের হিসাবেও বাংলাদেশের বড় জয় ওয়েস্টইন্ডিজে বিপক্ষে, ৯ উইকেটে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬১ রানে অল আউট করেছিল।
(সংকলিত) 
*ক্রিকেট* *টিমবাংলাদেশ* *বাংলাদেশক্রিকেট* *টাইগার* *টাইগার্স*
৫/৫

ফাহিম মাশরুর: ভারতীয় ক্রিকেট আগ্রাসনের প্রতিবাদে আমরা সবাই মুখর . . অথচ আমাদের প্রিয় টাইগারদের জার্সিতে এখনো ভারতীয় একটি 'টাউট' কোম্পানির (সাহারা) লোগো এখনো শোভা পাচ্ছে! আমাদের আত্মসম্মানবোধ কি এতই কমে গেছে যে এই স্পন্সরশিপ কন্ট্রাক্ট বাতিল করে আমরা এই অসম্মান থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে মুক্ত করতে পারি না?

*টাইগার*
৪/৫

আমানুল্লাহ সরকার: (খুশীতেআউলা)(খুশীতেআউলা)টাইগাররা নাকি বিমানবন্দর ঘিরাও করেছে? আর বাঘ দেখার জন্য নাকি বিশাল লাইন পড়ে গেছে বিমানবন্দরে ??(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)(খাড়াআইতাসি)

*টাইগার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★