টাকা

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ, টাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর !!
*টাকা* *স্বাস্থ্য* *বাস্তবতা*

রবিন পথিক: একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে যে পরিমান টাকা নষ্ট হয়, তা দিয়ে বিশটি পরিবার অনায়াসে এক সপ্তাহ পর্যন্ত পেট পুরে খেয়ে বাঁচতে পারবে।(মনখারাপ)

*বিয়ে* *বিয়েরখরচ* *সামাজিকতা* *লৌকিকতা* *প্রাচুর্য* *প্রতিযোগিতা* *পরিবার* *টাকা*
জোকস

Lutfun Nessa: একটি জোকস পোস্ট করেছে

জোকস - ৩: বাবার নিকট চিঠি... বাবার কাছে ছেলের চিঠি লিখেছে . "শ্রদ্ধেয় বাপ, পড়ার বড় চাপ। ফুরিয়ে গেছে টাকা, কেমনে থাকি ঢাকা...? টাকার দরকার তাই, কিছু টাকা চাই। ইতি, তোমার কানাই।" , বাবা চিঠি পেয়ে উত্তর দিলেন...., , "জাদু কানাই, সত্য কথা জানাই। পকেট এখন ফাকা, কেমনে পাঠাই টাকা...? টাকার খুব অভাব, ইতি তোর বাপ।"
*টাকা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হ্যালো এমআইটি! ধন্যবাদ। অভিনন্দন ২০১৭ সালের স্নাতক। আজ এখানে আসতে পেরে আমি সত্যি খুব খুশি। আজকের দিনটা উদ্‌যাপনের। গৌরবের। জীবনের নতুন একটা যাত্রা তোমরা শুরু করতে যাচ্ছ। এই যাত্রায় কিছু প্রশ্ন তোমার মাথায় আসবে—আমি কোথায় যাচ্ছি? আমার গন্তব্য কোথায়? হ্যাঁ, এই প্রশ্নের মুখোমুখি আমিও হয়েছিলাম এবং উত্তরটা খুঁজে পেতে প্রায় ১৫ বছর সময় লেগে গেছে। আজ আমার অভিজ্ঞতা তোমাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে হয়তো আমি তোমাদের খানিকটা সময় বাঁচাতে পারব।

‘বড় হয়ে তুমি কী হতে চাও?’ হাইস্কুলে পড়ার সময় ভাবতাম, এই ‘বহুল প্রচলিত’ প্রশ্নের উত্তর পেলেই বুঝি জীবনের লক্ষ্যটা আমার জানা হয়ে যাবে। হলো না। কলেজে উঠে ভাবলাম, ‘তুমি কোন বিষয়ের ওপর মেজর করছ?’ এই প্রশ্নের উত্তরেই হয়তো জীবনের লক্ষ্য লুকিয়ে আছে। তা-ও হলো না। অবশেষে ভাবলাম, একটা ভালো চাকরি পেলে হয়তো গন্তব্য খুঁজে পাব। কয়েক দিন পর মনে হলো, লক্ষ্য খুঁজে পেতে হলে বোধ হয় চাকরিতে কিছুটা পদোন্নতি পেতে হয় । এই ভাবনাও ভুল প্রমাণিত হলো।

আমি নিজেকে বারবার বোঝাচ্ছিলাম, এই তো সামনেই, আর কদিন পরই লক্ষ্যটা খুঁজে পাওয়া যাবে। সে আশার গুড়ে বালি। এবং এই গন্তব্যহীনতা সত্যিই আমাকে খুব ভোগাচ্ছিল। আমার একটা অংশ আমাকে নতুন একেকটা অর্জনের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল। একই সঙ্গে আরেকটা অংশ প্রশ্ন করছিল, ‘এসব অর্জন করে কী হবে?’ উত্তরের খোঁজে আমি ডিউক স্কুলে গিয়েছি। যোগ ব্যায়াম করেছি। বিখ্যাত দার্শনিক, লেখকদের লেখা পড়েছি।

জীবনের নানা মোড় ঘুরে, এই নিরন্তর অনুসন্ধান অবশেষে আমাকে অ্যাপলে নিয়ে এল। সেটা প্রায় ২০ বছর আগের কথা। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি টিকে থাকার জন্য লড়াই করছিল। স্টিভ জবস তখন মাত্রই অ্যাপলে ফিরে এসেছেন এবং ‘থিংক ডিফারেন্ট’ প্রচারণা শুরু করেছেন। সেরা কাজটা বের করে আনতে তিনি তখন খ্যাপাটে, বিদ্রোহী, ঝামেলাদায়ক কর্মীদেরই বেশি করে সুযোগ দিচ্ছিলেন। স্টিভ জানতেন, এরাই একটা বড় পরিবর্তন আনতে পারবে।

তাঁর মতো এত অসাধারণ নেতার সঙ্গে আমার আগে দেখা হয়নি। স্পষ্ট লক্ষ্য আছে, এমন প্রতিষ্ঠানে আমি আগে কাজ করিনি। এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য সহজ—মানবতার সেবা। দীর্ঘ ১৫ বছর অনুসন্ধানের পর হঠাৎ অ্যাপলে এসে মনে হলো, আমার প্রশ্নের উত্তর আমি পেয়েছি। অবশেষে একটু থিতু হলাম। থিতু হলাম এমন একটা প্রতিষ্ঠানে, যেখানে চ্যালেঞ্জ আছে, যার লক্ষ্য অনেক বড়। এমন একজন নেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হলো, যিনি বিশ্বাস করেন, নতুন কোনো প্রযুক্তিই পারে আগামী দিনের পৃথিবীটাকে বদলে দিতে। আমি নিজের ভেতরে নিজেও থিতু হলাম, খুব গভীরে অনুভব করলাম, আমি এখন অনেক বড় একটা কিছুর অংশ।

প্রতিষ্ঠানের একটা লক্ষ্য আছে বলেই আমি নিজের লক্ষ্যটা খুঁজে পেয়েছিলাম। স্টিভ এবং অ্যাপল আমাকে আমার পুরোটা উজাড় করে দিতে সাহায্য করেছে, প্রতিষ্ঠানের মিশনকে আমি নিজের মিশন ভাবতে পেরেছি। কীভাবে আমি মানবতার সেবা করতে পারি? এটা জীবনের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আমি মনে করি, এই প্রশ্নই তোমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে? কীভাবে তুমি মানবতার সেবা করতে চাও?

সুখবর হলো, তোমরা সঠিক পথেই আছ। প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে পৃথিবীর জন্য ভালো কিছু করা যায়, এমআইটিতে তোমরা সেটা শিখেছ। ক্যানসার থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন কিংবা শিক্ষার বৈষম্য, সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে প্রযুক্তি। আবার কখনো কখনো এই প্রযুক্তিই সমস্যার অংশ।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। বেশির ভাগ সময় এটা আমাদের ভালোর জন্য ব্যবহার হচ্ছে, আবার গোপনে ক্ষতিকর দিকটাও ছড়িয়ে পড়ছে। নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা, মিথ্যা সংবাদ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অসামাজিক করে তোলা—সবকিছু নিয়েই কথা হচ্ছে। যে প্রযুক্তির আমাদের একে অপরের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার কথা, সেই প্রযুক্তিই আমাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে অসাধারণ সব পরিবর্তন আনা যায়। তবে এই পরিবর্তন আনার ক্ষমতা প্রযুক্তির হাতে নেই, আছে আমাদের হাতে। এই দায়িত্ব আমাদের, পরিবারের, প্রতিবেশীর, সমাজের। সৌন্দর্যের প্রতি ভালোবাসা, বিশ্বাস, উদারতা, শালীনতাবোধ—এ সবই আমাদের পথ দেখাবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কম্পিউটারকে মানুষের মতো ভাবার সক্ষমতা দিচ্ছে, এ নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমি বরং চিন্তিত এই নিয়ে যে মানুষ কম্পিউটারের মতো ভাবতে শুরু করেছে। যে ভাবনায় মূল্যবোধ নেই, সমবেদনা নেই। এসব ক্ষেত্রেই তোমাদের সাহায্য আমাদের প্রয়োজন। কারণ, বিজ্ঞান যদি অন্ধকারে একটা অনুসন্ধান হয়, তাহলে মানবতা হলো সেই মোমবাতি, যা আমাদের দেখাবে আমরা কোথায় আছি, সামনে কোনো বিপদ আছে কি না।

স্টিভ একবার বলেছিলেন, শুধু প্রযুক্তিই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন প্রযুক্তির সঙ্গে শিল্প ও মানবতার মিলন। সবকিছুর কেন্দ্রে যখন ‘মানুষ’ থাকবে, তখনই তুমি দারুণ একটা ফল পাবে। যেমন আইফোন, যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষকে ম্যারাথনে দৌড়াতে সাহায্য করে। যেমন অ্যাপল ওয়াচ, যা হার্ট অ্যাটাক রোধ করতে হৃৎস্পন্দনের খবর দেয়। যেমন আইপ্যাড, যা বিশেষভাবে সক্ষম শিশুদের একটা অন্য জগতের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। অর্থাৎ এমন এক প্রযুক্তি, যা মানুষের মূল্যবোধের সঙ্গে একাত্ম হয়ে আছে।

তোমাদের ব্যাপারে আমি আশাবাদী, কারণ তোমাদের প্রজন্মের ওপর আমার আস্থা আছে। আমরা সবাই তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছি। বাইরের পৃথিবীতে এমন অনেক কিছু আছে, যা তোমার মনকে ঘৃণায় ভরে দেবে। ইন্টারনেট মানুষের হাতে যেমন ক্ষমতা তুলে দিয়েছে, তেমনি ইন্টারনেটই কেড়ে নিতে পারে তোমার শালীনতা ও সৌন্দর্যবোধ। এই অন্ধকারে হারিয়ে যেয়ো না। জীবনটাকে এত তুচ্ছ করে দেখো না। ‘ট্রল’ এ ডুবে থেকো না, এবং তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো এমন কিছু কোরো না যেন তুমিই একটা ট্রলের অংশ হয়ে যাও। মানবতার প্রতি তোমার অবদান ‘লাইক’ দিয়ে বিচার কোরো না, বরং দেখো কতগুলো জীবনে তোমার ছোঁয়া আছে।

লোকে কী ভাববে, এ নিয়ে ভাবা যখন বন্ধ করলাম, তখনই আমার পৃথিবীটা বড় হয়ে গেল। তুমি কী চাও, সেদিকেই মনোনিবেশ করো। মানবতার জন্য তুমি কী করেছ, সেই প্রশ্নের উত্তরও একদিন দিতে হবে। তৈরি হও।

সূত্রঃ প্রথম আলো

*টিমকুক* *মোটিভেশন* *বক্তব্য* *বাস্তবতা* *টাকা* *জীবন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ট্রেনের এসি কামরায় ভ্রমন করছিলেন ৷ ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি। আশে পাশেও কেউ নেই। ট্রেন মোটাুটি খালিই বলা চলে।
.
একটু পরে, একজন সুন্দরী মেয়ে উঠে ভদ্রলোকের পাশের সিটটাতে বসলেন ৷ ইঞ্জিনিয়ার বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে, যাক জার্নিটা বোধহয় বোরিং হবে না!
.
ভদ্রমহিলা ইঞ্জিনিয়ার এর  দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন । এতে ব্যাংকার ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করলো। মেয়েটি ইঞ্জিনিয়ার তরুনের আরও ঘনিষ্ট হয়ে বসলেন । তরুন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কি করবেন আর কি না করবেন বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুনের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন 'সঙ্গে যা আছে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন, নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে, আমাকে একলা পেয়ে, আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করার চেষ্টা করছিলেন।'

*ভালোবাসা* *ইঞ্জিনিয়ার* *টাকা* *মেয়ে* *জোকস* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্বাধীনতার সাজ। রাজধানী বিজয় সরণি সিগনালের রূপ যেন জ্বলজ্বল করছে। রূপ ফুটেছে ওপারের সিগনালেও। লাল-নীল রঙের ঝাড়বাতিগুলো যেন এ আনন্দের রাতের অতন্ত্র প্রহরী হয়ে আছে। সড়কের দু’ধারে সারি সারি লাল-সবুজের পতাকা পতপত করে উড়ছে।
মধ্য রাতের সড়ক। সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে খানিকটা বিশ্রাম নেয়ার ভঙ্গিতে নিঃশাস ফেলছে। তবে সে নিঃশ্বাস ফের লেপ্টে দিয়ে যাচ্ছে রাতের যন্ত্রগুলো। তেমনি একটি যন্ত্র থেকে (প্রাইভেটকার) উচ্চস্বরে ভেসে এলো ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা’ শিরোনামের গানের সুর।

এদিকে এমন গান আর সুরেও ‘ওদের’ মন গললো না। সন্ধ্যার পর থেকেই নাকি পুলিশ তাড়া করছে। এ বেলায় যে ওরা ভারি বিরক্ত, ক্লান্ত তা চোখের তির্যক চাহনিতেই প্রকাশ পাচ্ছিল। পুলিশের তাড়া খেয়ে অন্যেরা চলে গেছে। তবে রঙিন বাতিগুলোর সঙ্গ নিয়ে ‘ওরা’ তিনজন দাঁড়িয়ে আছে।
ওদের একজন লিমা। কড়া মেকআপ আর ছলনাময়ী অঙ্গ সাজের কারসাজিতে বয়সের সঠিক সীমা দেয়া যাচ্ছিল না। কোন বেলায় পান খেয়েছিল, তা কে জানে? তবে পানরস শুকিয়ে গেলেও ঠোঁট খানিকটা লাল রয়েছে এ বেলাতেও। পাশ দিয়ে ছুটে চলা গাড়িগুলোর হেডলাইটের আলো যখন ওর মুখে গিয়ে পড়ছে, তখন পানমাখা ঠোঁট দুটো বেশ রক্তিম হয়ে উঠছে। ঠোঁটের নিচে লেগে থাকা এক চিমটি শুকনো চুনও সুভ্রতা ছড়াচ্ছিল অমন আলোতে।
গাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে। খানিকটা আনমনা বটে, তবে পথচারী পুরুষেরা ওর দৃষ্টি এড়াতে পারছে না। চোখ ঢুলুঢুলু। কিছুটা লালচেও। যে গাছে ভর করে দাঁড়িয়ে লিমা, তা যে একেবারেই সরু এমনটিও নয়। তবুও আড়াল করতে পারছে না লিমা নিজেকে। শরীর থেকে তার পেট যেন বেরিয়ে আসছে।
কাছে গিয়ে পরিচয় দিয়ে কথা বলতেই ওড়না দিয়ে পেট আড়াল করার চেষ্টা। কিছুটা সংযতও বটে। কিন্তু পুরো পেট ঢাকার চেষ্টা বৃথাই রইল। ওড়নার বাকি অংশ দিয়ে মাথা ঢেকে নেয় লিমা।
কথা বলায় প্রথমে অস্বস্তি ছিল, তবে আলাপের সৌজন্যে মুহূর্তেই জড়তা কেটে যার ওর। এ পথে আসা আরও দশজন যৌনকর্মীর মতোই লিমার জীবন কথা। সমাজ, পরিবার থেকে নিজেকে বাঁচাতে অনেক সময় ওদের কথায় অসচ্ছতা থাকে, থাকে সত্যের সঙ্গে মিথ্যার সংমিশ্রণও। হয়ত লিমাও তার ব্যতিক্রম নয়।
সত্য-মিথ্যার মাপকাঠিতে ওর জীবনকথা মূল্যায়ন করা না গেলেও জীবনযুদ্ধে যে এক পরাজিত সৈনিক তা সহজেই বোঝা যাচ্ছিল। না হলে মধ্যরাতে খদ্দেরের আশায় এমন শরীরে কেউ রাস্তায় দাঁড়ায়!
বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়। কৈশোরের সীমা না পেরুতেই এক আত্মীয়ের মাধ্যমে ঢাকায় আসেন অন্যের বাসায় কাজের বুয়া হিসেবে। ভালোই কাটছিল সে সময়। কিন্তু ভাগ্য বিড়ম্বনায় সে সুখ স্থায়ী হয়নি তার। বাসার মালিক বিদেশ চলে যাওয়ার পরে ছন্দ পতন ঘটে লিমার জীবনে।
পাশের বাসার আরেক বুয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়েই জীবনের স্রোত বিপরীত মুখে প্রবাহিত হয় তার। ১৪ বছর বয়স থেকেই ফার্মগেটের হোটেলে দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এ কিশোরী। প্রায় ১৩ বছর ধরে রয়েছেন এ পেশায়। আলোর পথে ফেরার চেষ্টা ছিল। তবে তা আর হয়ে ওঠেনি।
রূপ আর গতরে ভাটা পড়ার পর ছাড়তে হয়েছে হোটেল আঙ্গিনা। এখন রোজ রাস্তায় দাঁড়িয়েই পুরুষের সঙ্গী হয় লিমা। দিনে ঘুমান ফামর্গেট পার্কে। আর নিশি কাটে বিজয় সরণীর সড়কে খদ্দেরের পথ চেয়ে।
সুখ টানে নয়, সিগারেটের ধোয়ার সঙ্গে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলেন লিমা। বলেন, ‘স্বাধীনতা নাকি কিসের দিন আইজ! আগ রাইত থেহে (থেকে) পুলিশে জ্বালাতন করতাছে। ভোরে ভিআইপি যাইব বলে আমাগো আর দাঁড়াইতে দিচ্ছে না। দৌড়ানি খায়া অনেকেই চলে গেছে।’
পেটের উপর অসহায়ত্বের হাত বুলিয়ে বলেন, ‘আমি আছিই। দুটি কাজ করেছি। কন (বলেন) তো এমন ড্যাবড্যাবা (টানটান) প্যাট (গর্ভবতী) নিয়া কেউ রাস্তায় খাড়ায়! কি করুম? সবই কপাল। নইলে ভাতারের (স্বামী) নেশার ট্যাকা (টাকা) পামু কই? দুঃখ ভুলতে নিজেও তো খাই।’
উৎসঃ জাগো নিউজ

*যৌনকর্মী* *টাকা* *পতিতা* *গর্ভবতি* *দেশ* *স্বাধীনতা* *বাস্তবতা* *নেশা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটা সত্যি কাহিনী নিজের সাথে ঘটা ... এক মেয়ে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো "এই ছেলে আপনি আমাকে সরাসরি বিয়ে করবেন" ???? আমি আপনাকে ভালোবাসি বিয়ে করলে ভালো কথা নইলে জোড় করে করবো ।। আমি বললাম "কতো টাকা আছে তোমার ব্যাংক এ " মেয়ে বললো " কেন" ? আমি বললাম " সরাসরি বিয়ে করার মতো হাতে টাকা এই মুহুর্তে আমার কাছে নেই " ।। মেয়ে তো থ আমি ও পুরাই পার্ট এ ।।

*মেয়ে* *রসিকতা* *বিয়ে* *টাকা* *ব্যাংক* *সত্যি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★