টিপস

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘর পরিচ্ছন্ন রাখার সহজ কিছু টিপস জানতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*টিপস* *লাইফস্টাইলটিপস*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কিভাবে আমি আত্মবিশ্বাসী হতে পারি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*আত্মবিশ্বাস* *টিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রসুনের খোসা ছাড়ানোর দ্রুততম উপায় কি?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

.
*রসুন* *টিপস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলছে। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের (আইএআরসি) সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১২ সালে বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ ২৪ হাজার এবং প্রতি বছর আরও ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে।

 

 

বাংলাদেশে নারী ও পুরুষের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার হার কাছাকাছি হলেও সচেতনতার দিক থেকে নারীরা অনেক পিছিয়ে আছেন। । নারীদের মধ্যে যেসব ক্যান্সারের মূলত বেশি প্রকোপ দেখা যায় সেগুলো হল স্তন ক্যান্সার ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার। আমাদের দেশে নারীরা লজ্জা পেয়ে বা অবহেলা করে এসব ক্যান্সার পরীক্ষা করাতে চান না। এতে করে অনেক ক্যান্সার রোগী সময়ের অনেক পরে গিয়ে জানতে পারেন তার ক্যান্সার আছে কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যায়। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।ক্যান্সারের চিকিৎসা খুবই ব্যয়বহুল এবং প্রতিবছর অনেক নারী এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করছে তবে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে ক্যান্সারের প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। সুস্থ থাকা যায়।

টোব্যাকো বা ধূমপান ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। বর্তমানে বাংলাদেশে মেয়েদের মধ্যেও ধূমপানের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। তামাক এবং ধূমপান ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর। ধূমপান ছেড়ে দিলে শুধু ক্যান্সারে রিস্কই কমবে না, এর সাথে সাথে হৃদরোগ এবং গর্ভাবস্থার অনেক জটিলতাও কমে যাবে। এখানে জেনে রাখা ভালো যে গর্ভবতী নারীর জন্য নিকোটিন খুবই ক্ষতিকর।

জরায়ু মুখ ক্যান্সারের ক্ষেত্রেঃ

জরায়ুমুখ ক্যান্সার ( Cervical cancer) নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি এবং জরায়ুমুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর ৫০ লক্ষাধিক নারী নতুন করে আক্রান্ত হন (প্রেক্ষিত ২০১০)। তাই সঠিক সময়েই ভ্যাক্সিন নিয়ে নিন। সাধারণত ১৫ বছর বয়সের পর থেকেই জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধক টিকা নেয়া যায়। মোট তিন ডোজ টিকা নিতে হয় প্রথম ডোজের এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ এবং প্রথম ডোজের ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ টিকা নিতে হয়। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা করালে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের আক্রমণ হার কমিয়ে আনা যায়।

টিকা ছাড়াও সার্ভিকাল ক্যান্সার থেকে বাচার উপায় হল নিয়মিত স্ক্রিনিং। স্ক্রিনিং এর ফলে এই ক্যান্সার প্রথম দিকে ধরা যায়, ফলে সহজে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়। সারভাইকাল ক্যানসারের স্ক্রিনিং এর জন্য ৩০ বছর বয়স থেকে (অথবা বিয়ের পাঁচ বছর পূর্ণ হবার পর থেকে) প্রতি তিন বছর পর পর নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে ভায়া (VIA: Visual inspection by acetic acid) পরীক্ষা করানো উচিত। বাংলাদেশে বেশিরভাগ সরকারী হাসপাতালে বিনামূল্যে এই স্ক্রিনিং করা হয়। তবে ৬৫ বছরের পর এই ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়, সুতরাং তখন আর নিয়মিত এই স্ক্রিনিং করানোর প্রয়োজন নেই।

স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রেঃ
যত দ্রুত স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়, তত দ্রুত তার ভয়াবহতার মাত্রা কমিয়ে আনা সম্ভব।আপনার স্তনে যদি কোনো ধরনের অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সতর্ক হবেন যখন দেখবেন:

- স্তনের ভেতর কোন কিছু জমাট বেঁধে আছে বলে মনে হচ্ছে, কোনো মাংসপিণ্ডের মতো যা আগে ছিল না। এটা ছোট কিংবা বড় হতে পারে, অনেক সময় বাইরে থেকে দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে অনুভূত হয়। বিশেষ করে একটি স্তনে এমন হলে।

- স্তনের চামড়ায় কোনো ধরনের পরিবর্তন দেখা দিলে, যেমন, কুঁচকে যাওয়া, গর্ত হয়ে যাওয়া, কালশিটে পড়া/ ঘা হওয়া, স্তনের রঙ বদলে যাওয়া, লালচে র‍্যাশ হওয়া, স্তনের চামড়া ওঠা ইত্যাদি।

- স্তনবৃন্তে পরিবর্তন আসা, যেমন, বৃন্ত ভেতরে ঢুকে যাওয়া, শক্ত হয়ে যাওয়া, ঘা হওয়া কিংবা অস্বাভাবিক লালচে রঙ দেখা দেওয়া।

- স্তনবৃন্ত থেকে কোনো ধরনের তরল নিঃসৃত হওয়া

-স্তনে ক্রমাগত ব্যাথা, টনটনে ব্যাথা

নির্দিষ্ট সময় পর পর মেয়েদের উচিত নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা। ইউটিউবের সাহায্যে এখন ঘরে বসেই স্তন পরীক্ষা করার উপায় শিখে নেয়াযায়। আপনি নিজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে দেখতে পারেন স্তন ক্যান্সারের কোনো লক্ষণ আপনার মাঝে আছে কিনা। যদি কোনো লক্ষণ দেখা যায় বা স্তনের আকৃতিতে হঠাৎ কোন পরিবর্তন দেখতে পান তবে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন । যাতে করে কোনো বিপদের সম্ভাবনা থাকলে সঠিক সময়েই তা শনাক্ত করে তার প্রতিকার নেয়া সম্ভব হয়। কারণ ক্যান্সারের শনাক্তকরণ যদি শুরুর দিকেই করা যায় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে সহজেই তা নিরুপণ সম্ভব হয়। ক্যান্সার বর্তমান বিশ্বের অত্যান্ত ভয়াবহ একটি রোগ। এখানে খামখেয়ালির কোনো সুযোগ নেই। কোন সন্দেহ থাকলে, কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অতিসত্তর ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ক্যান্সারের কারণে প্রিয়জনেরা কখনোই হারিয়ে যাক, এটা আমাদের কারোই কাম্য নয়। তাই সচেতনতার শুরু হোক পরিবার থেকেই।

*চিকিৎসা* *নারী* *ক্যান্সার* *টিপস* *স্বাস্থ্য* *সচেতন* *বাংলাদেশ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খাঁটি মুক্তা বা মুক্তার গয়না চেনার উপায় কি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*খাঁটিমুক্তা* *মুক্তা* *টিপস* *মুক্তারগয়না* *মুক্তারগহনা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিথিদের কি কি আইটেম দিয়ে আপ্যায়ন করা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*গায়েহলুদ* *হলুদসন্ধ্যা* *অতিথিআপ্যায়ন* *উৎসব* *টিপস*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক টুকরো জমি মানুষের বিপদের সম্বল। তবে জমি কেনার আগে দলিলগুলো সঠিক আছে কি না তা ভালো করে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। প্রায়ই দেখা যায়, জাল দলিল তৈরি করে প্রতারকচক্র জমি বিক্রির নামে প্রতারণা করছে। তাই জমিজমার দলিল দেখে সঠিক উপায়ে যাচাই-বাছাই করে দেখা উচিত কোনো জাল দলিল আছে কি না। একটু সতর্ক হয়ে দলিলটি পরীক্ষা করলেই জাল দলিলটি সহজেই চিনে নেওয়া যায়।

যেভাবে জাল দলিল হয় :

  • বণ্টননামার ক্ষেত্রে সহ-শরিকদের অজান্তে ভুয়া বণ্টননামা করে দলিল জাল
  • এজমালি সম্পত্তি অর্থাৎ ভাইবোন মিলে যে সম্পত্তি ভোগ করে থাকে, এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ভাইয়েরা বোনদের না জানিয়ে দলিল তাদের নামেই করিয়ে থাকে
  • মালিকানা ছাড়াই দলিলদাতা সেজে বা কাউকে মালিক সাজিয়ে জমি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রি করে নেয়া হয়
  • অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।
  • সাধারণত যেসব ক্ষেত্রে আদালত থেকে বণ্টননামা সম্পন্ন করা হয় না, সে ক্ষেত্রে দলিল জালের সম্ভাবনা বেশি থাকে
  • মালিক বিদেশে থাকলে মূল দলিল থেকে জালিয়াতি করা হতে পারে

জালের রকমফের :
অনেক সময় ঘষামাজা করে এবং ওভাররাইটিং বা কাটাছেঁড়া করেও দলিল জাল করতে পারে। আবার মূল তারিখ ঠিক রেখে দলিলের বিষয়বস্তু জাল করতে পারে।

কি করে বুঝবেন আপনি যে জমিটি কিনছেন সেটার দলিল জাল কি-না :
১। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাথে সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে সংরক্ষিত থাকে।

২। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

৩। সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, পর্যবেক্ষণ করুন। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল থাকলে ধরে নিতে হতে সমস্যা আছে।

৪। দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহৃত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

৫। একাধিক মালিকের ক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৬। ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়।

৭। অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

৮। ভালো করে তারিখ, কাগজ, সিল ইত্যাদি লক্ষ্য করুন। দেখুন কোন অসংলগ্ন চোখে পড়ে কিনা।

৯। জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করুন। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, পরীক্ষা করুন।

১০। সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

১১। কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

১২। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেওয়া দরকার।

যেভাবে নেবেন আইনের আশ্রয় :
দলিল নিয়ে জালিয়াতির শিকার হলে ফৌজদারি মামলা করার সুযোগ আছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ থেকে ৪৭৭ ধারা পর্যন্ত জালিয়াতি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা আছে এবং দায়ী ব্যক্তর বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রয়েছে। আর যদি দলিলটি বাতিল এবং অকার্যকর হিসেবে ঘোষণা চান তাহলে দেওয়ানি আদালতে দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে হবে।

সূত্র : ইন্টারনেট

*জমি* *জমিরদলিল* *জালদলিল* *টিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুখী ও স্বাচ্ছন্দময় জীবন সকলেরই কাম্য। প্রতিদিনের কিছু ভুলের কারণে আমরা জীবনের প্রাপ্ত সুখ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অথচ কিছু কার্যকরী নিয়ম মানলেই কিন্তু সুখী ও সুন্দর জীবন যাপন করা সম্ভব। চলুন এমন কিছু কার্যকরী টিপস সম্পর্কে জেনে নেই্।

 ১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০ মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।
৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার নাও মেনে নিতে পারেন।
১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন, ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন, গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।
২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে। পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট করুন। কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন।
২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।

মূল লেখক: ডা:শিরিন চৌধুরী মেরী

*সুখ* *লাইফস্টাইল* *টিপস*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই মাসের ২ তারিখ থেকে অনলাইনে প্রবেশপত্র পাওয়া যাচ্ছে। যারা এখনো প্রবেশপত্র সংগ্রহ করো নি, তারা আবেদনের সময় সরবরাহকৃত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে http://dghs.teletalk.com.bd/ এই ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নাও। পরীক্ষার হলে শুধু প্রবেশপত্র নিলেই হবে না, নিতে হবে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডটিও। কেন্দ্রের নাম ও কোড নম্বরও পাওয়া যাবে এসএমএসের মাধ্যমে।

পরীক্ষার পদ্ধতি:  পরীক্ষা ১০০ নম্বরের হলেও মেধা তালিকা করা হবে ৩০০ নম্বরের ভিত্তিতে। ২০০ নম্বর আসবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ থেকে। এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএর ১৫ গুণ (জিপিএ ৫ হলে ৭৫ নম্বর) এবং এইচএসসির জিপিএর ২৫ গুণ যুক্ত হবে ভর্তি পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে। পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের ওপর। এক ঘণ্টার মধ্যে ১০০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নে এই পরীক্ষা হবে। জীববিজ্ঞান থেকে ৩০টি প্রশ্ন, রসায়ন থেকে ২৫টি, পদার্থ বিজ্ঞান থেকে ২০টি, ইংরেজির ১৫টি ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ১০টি। সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি থেকে থাকবে ৬টি আর আন্তর্জাতিক বিষয় থেকে ৪টি। প্রশ্নগুলো বিষয়ভিত্তিকভাবে আলাদা করা থাকবে না; বরং সব বিষয়কে মিশিয়েই প্রশ্নপত্র সেট করা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ বা তার চেয়ে বেশি নম্বরপ্রাপ্ত ছাত্রদের কৃতকার্য বলে গণ্য করা হবে। এরপর প্রকাশিত হবে মেধা তালিকা।এবারের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে তিন হাজার ২১২টি আসনে ভর্তির জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে। ৮৪টি আসন থাকবে কোটায়, আর তিন হাজার ১২৮টি আসন বণ্টন করা হবে সাধারণ মেধা তালিকার ভিত্তিতে।

কোটা : মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২ শতাংশ (৬৪টি), পার্বত্য উপজাতি কোটায় ৯টি, পার্বত্য অ-উপজাতি কোটায় ৩টি ও উপজাতি কোটায় ৮টি আসন। ২০ শতাংশ ভর্তি হবে জেলা কোটায়।

জানো নিশ্চয়, এবার ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এমবিবিএস ডিগ্রির জন্য এই ৩০টি মেডিক্যাল কলেজের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ অক্টোবর, ডেন্টাল কলেজগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর। এবার সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে বাংলাদেশের ১২৬টি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বেসরকারি মেডিক্যালগুলোতে আসন সংখ্যা ৫৩২৫টি। সরকারি কলেজগুলোতে ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা এসব বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারবে।

অপেক্ষমাণ তালিকা : সরকারি মেডিক্যাল কলেজে মেধা তালিকা অনুযায়ী ভর্তির পর আসন খালি থাকা সাপেক্ষে একটি অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৪ অক্টোবর।

সূত্র : ইন্টারনেট

*মেডিক্যালভর্তি* *ভর্তিপরীক্ষা* *ভর্তিযুদ্ধ* *টিপস* *পড়াশুনা* *শিক্ষা*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোরবানীর গরু কিনতে গেছেন। সুন্দর তর তাজা গরু দেখে লোভ হচ্ছে। ভাবছেন কিনেই ফেলি। হুম, কিনবেন তো বটেই তবে ভেজাল কি না তা যাচাই করেই তবে কিনুন। কারণ  বিপদের কথা হল, দেখতে স্বাস্থ্যবান হলেও গরু সুস্থ হবে এমন কিন্তু নাও হতে পারে। তবে কোরবানির কয়েকদিন এই মাংস খেলেই যে অসুস্থ হয়ে যাবেন তা নয়। শরীর যদি সুস্থ থাকে তাহলে হয়ত ধাক্কাটা সামলে নিতে পারবে। তবে যাদের আগে থেকেই আর্থ্রাইটিস, হাঁপানি ইত্যাদি রোগ আছে তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই গুরু গরু কেনার আগে সাবধান ! 

শুনেছি, গরু মোটাতাজা করার জন্য একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি রয়েছে। এই পদ্ধতিতে ইউরিয়া, চিটাগুড়, খড় মিশিয়ে গরুকে খাওয়ানো হয়। এই পদ্ধতিতে গরুকে মোটাতাজা করতে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগে। ঈদের বাজারে ভালো দাম পেতে তিন সপ্তাহ থেকে দুই মাসের মধ্যে গরুকে মোটা করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করেন অনেক ব্যবসায়ী।

  • পশু চিকিৎসকেরা বলেন যে, বস্তুত ওষুধ বা রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারে গরু মূলত মোটাতাজা হয়না, বরং শরীরে পানি জমে যাওয়ার কারণে হৃষ্টপুষ্ট দেখায়। এসব ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্য গরুর শরীরের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়া নষ্ট করে। মানব চিকিৎসকেরা বলেন যে, গরুর উপর স্টারয়েড ট্যাবলেটের যে প্রভাব পড়ে, ওই গরুর মাংস খেলে আমাদের শরীরেও একই প্রভাব দেখা যায়। এর মধ্যে আছে শরীরে পানি জমে যাওয়া, মূত্রনালী ও যকৃতের বিভিন্ন সমস্যা, চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।
  • এরকম মোটাতাজা করা গরু চেনার উপায়  আছে কিছু , যেমন : স্বাভাবিকভাবেই গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে মাংস একটু দেবে যায়। সুস্থ গরুর ক্ষেত্রে এই চাপ ছেড়ে দিলেই মাংস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তবে কৃত্রিম প্রক্রিয়ার মোটাতাজা করা গরুর গায়ে আঙুলের চাপ দিলে তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে বেশি সময় নেবে।
  • পাশাপাশি দেখতে হবে গরু চটপটে কিনা। শরীরে পানি জমার কারণে কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুগুলো এক জায়গায় বসে থাকে, নড়াচড়া কম করে। ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে গরুর শ্বাস-প্রশ্বাস দেখতে হবে। ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়, মনে হয় যেন হাঁপাচ্ছে আর প্রচণ্ড ক্লান্ত দেখায়।
  • পাশাপাশি ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর মাংসে পানি জমার কারণে মাংস অত্যন্ত নরম হয়ে যায়। এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পেছনের রানের মাংস পরীক্ষা করতে হবে। সুস্থ গরুর রানের মাংস থাকবে শক্ত। আর ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর ক্ষেত্রে তা হবে নরম। এধরনের গরুর প্রস্রাবের পরিমাণও কমে যায়।
  • মনে রাখবেন যে চকচক করলেই কিন্তু সোনা হয় না !  হাটের যে চকচকে চামড়ার গরু আপনার নজর কাড়ছে সেই গরুই ট্যাবলেট প্রয়োগ করা গরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মানুষের শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে বা পানি জমলে সেই অংশের ত্বক যেমন চকচক করে, ট্যাবলেট খাইয়ে মোটা করা গরুগুলোও তেমনি চকচকে হয়।
  • তাই গরুর স্বভাবসুলভ উসকোখুসকো চেহারা, চামড়ার উপর দিয়ে পাঁজরের কয়েকটা হাড় বোঝা যাচ্ছে এমনটা দেখেই কেনা উচিৎ। ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর আরেকটি লক্ষণ হল মুখে অতিরিক্ত লালা বা ফেনা থাকা।

তাহলে উপরের আলোচনা থেকে আমরা মোট চারটি বিষয় পেলাম, যা দেখে আমরা ভেজাল গরু সহজেই চিনতে পারি ।


১. ঝিমানো ভাব, পা ও মুখ ফোলা থাকবে
২. গরুর সিনার হাঁড় দেখা যাবে না।
৩. গায়ে চাপ দিলে চামড়া বা মাংস দেবে যাবে। সাথে সাথে সমান হয়ে যায় না।
৪. মুখে অতিরিক্ত ফেনা জমে থাকবে।


আপাতত এই চারটি পদ্ধতি ভালো করে খেয়াল রাখবেন আর খাঁটি গরু কিনবেন , কোরবানি দিবেন আর পরিবারের সবাই মিলে দারুন একটা ঈদ উদযাপন করবেন   ।

 

*হাটেরঅভিজ্ঞতা* *ভেজালগরু* *গরুচেনারউপায়* *পশুরহাট* *কোরবানিরপশু* *টিপস*

❤ তমা ❤: ছোটখাটো অলংকার আমরা সবাই পরি, আর গলার চেইন বা ব্রেসলেটের চেইনে গিঁট লাগলে এই গিঁট খুলতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । অনেক সময়ে টানাটানিতে চেইন ছিঁড়েও যায়। আজকে আমি সহজ টিপস দিবো ,যা দ্বারা খুব সহজে এরকম গিট খুলতে পারবেন l এইজন্য আপনার দরকার হবে বেবি পাউডার বা ট্যালকম পাউডার এবং একটি পিন। চেইনের গিঁটের ওপর কিছুটা পাউডার ছিটিয়ে দিন এবং চেইনে যতটা সম্ভব পাউডার মাখানোর চেষ্টা করুন। এরপর একটি পিন দিয়ে সাবধানে খুলে আনুন গিঁট। দেখুন কি সহজে গিঁটটি খুলে l

*টিপস*

❤ তমা ❤: ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১চা চামচ মেথি চিবিয়ে অথবা আগের রাতে মেথি ভিজানো পানি খেয়ে দেখতে পারেন l এটি রক্তে খারাপ কোলেস্টোরল এবং ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা রাখে l

*কোলেস্টোরল* *ডায়াবেটিকস* *মেথি* *টিপস*

জারা: ঘর পরিষ্কারের কাজ অথবা বাগানে কাজ করার সময়ে সবারই হাত নোংরা হয়। নখের নিচে ময়লা ঢুকে গেলে সেটা সহজে পরিষ্কার করা যায় না। এই সমস্যা থেকে সহজে রেহাই পেতে করতে পারেন একটি কাজ। এর জন্য কাজ শুরুর আগেই একটি শুকনো সাবান নিন এবং এতে নখ ঘষে নিন যাতে নখের নিচে সাবান আটকে যায়। এরপর কাজ করুন। কাজের শেষে ব্রাশ দিয়ে ঘষলেই সাবান উঠে যাবে, নখ আর ময়লা থাকবে না।

*টিপস*

সাদাত সাদ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘরের পানির ট্যাংক পরিচ্ছন্ন রাখার সহজ উপায় কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*পানীরট্যাংক* *পরিচ্ছন্ন* *টিপস* *উপায়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★