টেলিপ্যাথি

টেলিপ্যাথি নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: চিঠি দিয়েছিলাম, পেয়েছো কি? জানি পাওনি পাবে কি করে! লিখেছি তো মনের খাতায়, অদৃশ্য রঙ তুলির আঁচড়ে তোমার সাথে তো আমার টেলিপ্যাথি সংযোগ নেই থাকলে ঠিক পেয়ে যেতে!

*টেলিপ্যাথি* *চিঠি* *ভালোবাসা*

সাদাত সাদ: গতকাল দুপুরে ৮০ হাজার টাকা পাবার কথা, কেনো জানি বারবার মনে হচ্ছিল, ভদ্রলোক ৪০ হাজার দিবেন এবং বলবেন বাকি টাকা টা এক সপ্তাহ পর দিব আমি একটা ভীষণ সমস্যায় আছি। '.... অবশেষে সেটাই হল ৪০ হাজার পেলাম, এবং ভদ্রলোক বললেন আগামী সপ্তাহে বাকি টাকা টা দিয়ে দেব, একটু সমস্যায় আছি। আমি সত্যিই অবাক কি হচ্ছে এসব!!

*টেলিপ্যাথি*

সাদাত সাদ: মাঝেমধ্যে মনে হয় আমি যেন আমি যেন এ কাজ টা আগেই করেছি কিংবা কারো সাথে দেখা হলে মনে হয় সে যেন আমার আপন কেউ। কোনো কাজেকর্মে গেলে মনে হয় এই কাজের স্থান টা যেন আমার পূর্বপরিচিত। কোনো বিষয় নিয়ে ভাবতে গেলে মনেহয় এই ভাবনা টা যেন বহুকাল আগেই আমি ভেবেছিলাম। ইত্যাদি -ইত্যাদি.... এইগুলো আসলে কি কেন এমন হচ্ছে?

*আধ্যাত্মিক* *অবাক* *ভাবনা* *টেলিপ্যাথি*

Mehedi hasan: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেক সময় আমাদের মনটা হঠাৎ করেই খুশি হয়ে যায় আর পর মুহূতেই দেখতে পাই আমাদের প্রিয় কোন মানুষ এসে হাজির বা কোন ভাল সংবাদ পাই। আর এই না দেখে কিছু বলে দেয়া বা কোন ঘটনা আগে থেকে অনুমান করা কে বলা হয় টেলিপ্যাথি। আমরা সবাই এই টেলিপ্যাথি শব্দটার সাথে পরিচিত। টেলিপ্যাথি শব্দটা এসেছে গ্রীক শব্দ টেলি এবং প্যাথিয়া থেকে । টেলি শব্দের অর্থ দূরবর্তী এবং প্যাথিয়া শব্দের অর্থ অনুভূতি ।
টেলিপ্যাথি, অতীন্দ্রিয় উপলব্ধি বলতে মনের বিশেষ ক্ষমতার মধ্যে দিয়ে তথ্য সংগ্রহকে বুঝানো হয়। এখানে শারীরিক কার্য্যকলাপের তেমন কোনো ভুমিকা নেই। অতীন্দ্রিয় উপলব্ধির আরেক নাম ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা sixth sense । ১৯৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জে. বি. ও তাঁর স্ত্রী লুসিয়া রাইন এই টেলিপ্যাথি বা অতীন্দ্রিয় অনুভুতি নিয়ে কাজ শুরু করেন। লুসিয়া রাইন স্বতঃস্ফূর্ত বিষয়গুলো নিয়ে এবং জে. বি. রাইন পরীক্ষাগারে কাজ করতে থাকেন। তিনি কিছু জেনার কার্ড নিয়ে বাস্তব নিরীক্ষা চালান। বর্তমানে কার্ডগুলি ইএসপি কার্ড নামে পরিচিত। এসব কার্ডে সার্কেল, স্কয়ার, ক্রস, স্টার এসব চিহ্ন রয়েছে। পাঁচধরণের ২৫ টি কার্ড একটি প্যাকেটে থাকে। আর এসব কার্ড এর ভিজুয়্যাল করার ক্ষমতার মাধ্যমে একজন মানুষের টেলিপ্যাথি ক্ষমতা নির্ধারন করা হয়।



ইতিহাস বলে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরও আগে অন্যদের মনোজগতে ভ্রমন করতে পারে এমন লোকদের নিয়ে কিছু পরীক্ষা চালিয়েছিল দ্যা গ্রেট সোভিয়েত ইউনিয়ন, আমেরিকা এবং ব্রিটেন আর তার ফলাফলও ছিল মজার। সে সময় টেলিপ্যাথি মিলেটারি ইন্টিলিজেন্সে একটি বিশেষ আসন করে নিয়েছিল এবং এর ধারকদের বলা হত 'সাই এজেন্ট। এখন অবশ্য টেলিপ্যাথিকে বিজ্ঞানীরা রিমোট সেন্সিং বলে থাকেন। এজেন্টরা তাদের মনটাকে ব্যবহার করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এবং বস্তু সম্পর্কে তথ্য দিতেন।

আর এই টেলিপ্যাথি ক্ষমতা গবেষনার করছে অনেক দেশ। আর এই গবেষনা যদি সফল হয় তাহলে আমরা অদূর ভবিষ্যতে হয়ত এমন সুপার কম্পিউটার পেয়ে যেতে পারি যেটা ভবিষ্যত বলে দিতে পারবে আর মানব জাতি অনেক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাবে।
অনেক সময় টেলিপ্যাথির মাধ্যমে অন্যের মনকেও কন্ট্রোল করা যায়। আমাদের সবার মাঝেই কিছু না কিছু টেলিপ্যাথি ক্ষমতা আছে। আর মেডিটেশন এর মাধ্যমে টেলিপ্যাথি ক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়।

সূএ: ইন্টারনেট
*টেলিপ্যাথি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★