টোকাই

টোকাই নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ফটো পোস্ট করেছে

আক্ষেপ তার চোখ জুড়ে

আমরা বলি টোকাই সমাজ বলে টোকাই ।। বাস্তবতা হলো তারাও মানুষ

*টোকাই* *সমাজ* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রফিকুন্নবী ওদের টোকাই হিসেবে চিনিয়েছিলেন। জেমসের গানের কথায় যদি বলা যায় 'পথের বাপই, বাপরে মনা, পথের মা-ই মা, পথের মাঝেই খুঁজে পাবি আপন ঠিকানা। ' ওদের ঠিকানা পথ, এই পথেই বেড়ে ওঠা।

আপনার পরিচয় কি?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সোহেল কিংবা রাজুউক এর অর্পিতা! এই ধরনের কিছুইতো বলেন; নাকি?
অথবা বলেন আমি অমুক নেতার ভাতিজা, তমুকের মেয়ে! অমুক তমুক করে হলেও দেয়ার মত পরিচয়ের অভাব নেই আমাদের। আচ্ছা! আমাদের গলির মোড়ে বসে থাকা ছেলেটির কাছে, তার পরিচয় কি? টোকাই? মানুষ? নাকি অন্য কিছু! যে কিনা আমাদের নির্বুদ্ধিতাগুলোকে অতি যত্নের সাথে তার জীর্ন বস্তায় ভরে, ফেলে দেয়া জিনিসগুলোর আদলে।
.
আসুন না সবাই মিলে ওকে বলি "বাহ বাহ তুমি তো অনেক যত্নবান ছেলে"
আসুন না একবার মনে মনে ভাবি বাহ ছেলেটা তো দারুণ কাজের!
একবেলা পেট পুরে খেয়ে খুশি হতে না পারলেও; আনন্দে বিহবল হতে না পারলেও যেন এটুকু প্রশংসা শুনে ওর বাবা মার চোখ থেকে অন্তত আনন্দাশ্রু ঝড়তে পারে।
নাহ! অতটা সৌভাগ্য কি আর তাদের আছে! বাবা মা নামের এই ডাকগুলোর মালিকানা কাদের তাইতো ওদের অনেক সময়েই অজানা, অস্পৃশ্য!
আচ্ছা তাতে আমাদের কি?
.
ওর সাথে দেখা হলে "চল একটা স্যাড সেলফি তুলি" বলেই তো আমাদের দায়িত্ব শেষ, গল্পেরও শেষ !
না গল্পের শেষ এখানে না । গল্পটাকে বাড়াতে হবে । কিছু অগোছালো শব্দকে নিয়ে একটা গুছানো সুন্দর গল্প বানাতে হবে । সেই গল্পে থাকবে সবার সম্মানের কথা, থাকবে কিছু ভালোবাসার কথা, থাকবে এক হয়ে পথ চলার সাহসী কথা । তখনইতো আমরা বলতে পারবো "না আমরা শুধু সেলফি তুলেই মুখ ফিরিয়ে নেই না আমরা এখনও ওদের পাশে দাড়ানোর যোগ্যতাটুকু অন্তত রাখি"।
.
.
আর এই পাশে দাড়ানোর আহবান যদি আপনার ছোট ভাই, বোন, বন্ধুদের কাছ থেকে আসে তখন আপনার আমার সবার প্রান উসখুস করতে থাকে কিভাবে এই পরিস্থিতি বদলে দেয়া যায়, পরিবর্তন করা যায় এই চিন্তায়, হোক ব্যাস্ততার বেড়াজালে আবদ্ধ জীবনে খনিকের জন্যই। তা নাহলে এই লিখাটুকু পড়া হতো না। যারা নিরন্তর এই আহবান জানিয়ে যাচ্ছে তারাই আসলে আগামীর বাংলাদেশের পরিবর্তনের নেতৃত্বে।।

*টোকাই* *সমাজ* *ভালোবাসা* *আবেগ* *বাস্তবতা* *সেলফি* *জেমস*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফুটপাতে দাড়িয়ে একটা ছেলে কাঁদছে। বয়স বেশী হবেনা ৮ থেকে ১০ হয়তো। তাঁর দেহে কিছুই নেই, ওর কাছে গিয়ে বললাম, কাঁদছ কেন?
সে মুখ ফুটে কিছুই বলতে পারছে না। তবুও আমি একের পর এক প্রশ্ন করেই যাচ্ছি।
তোমার মা বাবা কোথায়?  তোমার বাসা কোথায়?
ছেলেটা অনেক্ষণ পর কাঁপানো গলায় বলল, মা বাবা নাই রাস্তায় থাকি 
ওর কথা শুনে আমার বুঝতে কষ্ট হয়নি সে কে। অতপর তাঁকে আর কিছুই বললাম না। পকেট থেকে ৫০০ টাকা বের করে তাঁর হাতে দিয়ে বললাম, এই টাকা দিয়ে গরম কাপড় কিনে নিও। 
সে হাসিমুখে টাকা টা গ্রহণ করলো, কিন্তু আমার মুখে হাসি ছিল না। নিজেকে বড় অপরাধী মনে হচ্ছিলো। এই সামান্য টাকা দিয়ে এই ছেলেটা কি করবে সেটা ভেবে।  
তাঁর কাছ থেকে বিদায়ের আগে ওর হাতে আমার কার্ড টা দিয়ে বললাম, পরে এক সময় আমাকে ফোন দিও কোন দোকান থেকে, মিসকল দিলেও চলবে।
বাসায় আসার পর হঠাৎ মনে হল ওর নাম টাই জানা হল না। নামটা জানার দরকার ছিল, কারণ কত মানুষই তো ফোন করে, নাম না জানলে তাকে চিনবো কি করে।

.
ছেলেটা আর ফোন করেনি, দ্বিতীয়বার দেখা হলে তাঁকে ভাল একটা শীতের কাপড় কিনে দিতাম। অন্তত নিজের অপরাধবোধ টা কিছুটা হলে কমে যেতো 

*কিতাঁরপরিচয়* *শীতকাল* *ফুটপাত* *টোকাই*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

অল্পতেই যারা খুশী

অল্পতেই যারা খুশী, তাদের মনে কষ্টও খুব কম।

*শিশু* *টোকাই*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাস্তার পাশে দাড়িয়ে ছিলাম, হঠাত  কে জানি 

গেঞ্জি ধরে টানলো। ঘুড়ে
দেখলাম এক ৭-৮ বছরের একটা মেয়ে।
-ভাই ৫ টাকা দেন না।
-৫ টাকায় কি হবে ?
-ভাত খাবো।
-৫ টাকায় ভাত হয় ??
-অল্প করে খাবো।
-(speechless !!) কত টাকা হলে বেশি
করে খাওয়া হবে ?
-৫০ টাকা। ভাত ১০ আর তরকারি ৪০।
দিবেন ?
-হুম দিতে পারবো।
-এত টাকা দিবেন !! (চোখে মুখে
বিস্ময়)তয় ভাত কিইনা দেওন
লাগবোনা,একটা উপকার করেন।
-কি উপকার ?
-ঐ টাকার চাউল কিনে দেন। বাসায়
নিয়ে যাবো। মা সহ খাবো।
-বাসায় কে কে আছে আর তোমার ?
-মা বুইন আর একটা ভাই। মা হাটবার
পারেনা। বুবু কাজ করে। বড় ভাই চা
এর দোকানে থাকে। আমি ভিক্ষা
করি।
- তোমার বাবা ?
-ছাইড়া গেছে অনেক আগে, মনে
নাই।
-হুম। পড়াশোনা কর না ?
-পড়লে ভিক্ষা করতাম কখন ? খাওন
জুটবোনা।
১ কেজি চাউল আর কিছু ডিম কিনে
দিয়ে বিদায় নিলাম। ৪ জনের
সংসারে একদিন চলে যাবে।
খুব অদ্ভুত ভাবে বেড়ে উঠে ওরা।খুব
অল্প বয়সেই জীবনকে বুঝে নিতে
শেখে।
৭ বছরে যথসম্ভব আমি “কেজি/ওয়ান” এ
পড়তাম। এই বিকাল টাইম টাই Drawing
করতাম। অবসরে ওটাই শখ ছিল।
নিশ্চিন্তে Drawing করতাম। খাওন
জুটবে কই থেকে এই চিন্তা অন্তঃত
ছিলনা। “পড়লে খাওয়োন জুটবো কই
থেকে” এই ধরণের প্রশ্নও মাথায়
আসেনাই।এগুলো চন্তার জন্য বাবা-
মা ছিল।
>> ৫ টাকায় আমি তো ছোটবেলায়
কলম কিনেছি। আমার শিক্ষার
উপকরণ। সে ৫ টাকায় ভাত খুজে। তার
বেচে থাকার উপকরণ। বর্তমানে
আমাকে অফিস থেকে কলম দেওয়া
হয়, যার দাম ১৯০ টাকা। আর যেই
সিগারেট টা খাচ্ছিলাম তার দাম
১০ টাকা।
পথের ধুলোয় অদ্ভুত ভাবে বেড়ে
উঠার মাঝেও তাদের মধ্যে
বিবেকবোধ তৈরী হয়েছে। ৫০
টাকা্য হোটেল থেকে ভাত-
তরকারি কিনে খাওয়ার থেকে
বাসায় পঙ্গু মা আর ভাই বোন কে
নিয়ে খাওয়া বেশি তৃপ্তিজনক সেই
বোধও এই ৭-৮ বছরের অশিক্ষিত
মেয়ের মাঝে তৈরী হয়েছে।
# শিক্ষায়_শুধুমাত্র_বিবেক_বোধ_শে
খায়না
এর বয়সে রোজ সকালে আমি
ভাবতাম আজ স্কুলে যেয়ে টিফিনে
কি খেলব, কার পাশে বসবো,
স্যারের কোন হোমওয়ার্ক আছে
কিনা।
আর এই মেয়েটা ভাবে রোজ
সকালে “কোন রাস্তায় ভিক্ষা
করলে বেশি টাকা পাবে” আর ৫০
টাকা আমাদের একদিন মোবাইলে
খরচ যায় আর ওদের সবাই মিলে এক
বেলা খাওয়া হয়ে যায়।
একই স্রষ্টার স্রিষ্টি আমরা দুইজনই।
দুইজনই দুইজনের বাবা-মা এর সন্তান।
স্রষ্টা চাইলে আমার আর স্থান টাও
উল্টো হতে পারতো। আমরা ভুলে
যাই সব।অনেক অহংকার আমাদের।
গরীব দের মানুষ ভাবিনা। কখনও
তাদের গায়ে হাত তুলি। কাছে
আসলে রুমাল নাকে দিই।আমাদের
ভাব ভঙ্গি এমন যে আজ আমাদের যা
ভালো পজিশন এর ক্রেডিট
আমাদের।অথচ স্রষ্টা চাইলে আজ সে
চা খাইতো আর আমি গেঞ্জি
টেনে ৫ টাকা চাইতাম অল্প করে
ভাত খাওয়ার জন্য।
ভালো রেখেছেন স্রষ্টা সত্যিই
অনেক। নিম্নবিত্ত এই মানুষ গুলোর
জীবন বৈচিত্রের সাথে তুলনা না
দেওয়া পর্যন্ত সত্যিই বুঝিনা আমি
কতটা সুখে আছি, কতটা ভাল
আছি…………
তাই কখোনো এই সব ছোট পথ শিশুদের
গায়ে হাত তুলবেন না, নাকে রুমাল
দিয়ে তাদের কে তাড়িয়ে
দিবেন না, তাদের ই সমবয়সী
আমাদের ও আছে ভাই বোন, আজকে
এই পথ শিশুর জায়গায় আপনার ছোট
ভাই বা বোন থাকলে আপনি কি
করতেন? নাকে রুমাল দিয়ে
তাড়িয়ে দিতেন????

*ভাতদে* *মানচিত্রখাব* *অভাব* *টোকাই*

©The Arafat™: এমন উজার করে না দিলেও হয় ! চিরদিনই টোকাই আর ছিচকে চোর ছিলাম, অল্প খাবারে পেট ভরা আমার অভ্যেস !!

*টোকাই*

মন্টি মনি: কমলাপুরের বস্তির ছেলে, ডাক দিনু যেই *টোকাই* বলে, ছেলেটি তখন মুচকি হেসে বলল আমার কাছে ঘেষে, কি কইলেন সাব টোকাই? কেউ আমারে কইলে টোকাই মনের মাঝে দুঃখ যে পাই | কি সাব চাইয়া দেখতাছেন কি? ভদ্দর লোকের পোলা হইলে কি কইতেন, কইতেন না সাব খোকন?

*টোকাই*

রনি রহমান: ওদের আকাশটা কিছুটা ভিন্ন,ওখানে অশ্রুবৃষ্টি হয়। ধুলোর জামা পড়ে মুক্তবিহঙ্গের চেয়ে দুরন্তপনা নিয়ে ছুটে বেড়ায়।ওরা অর্ধখাদ্য পিপাসু, মলিনতা ওদের চিরসাথী। শিক্ষা ধরা দেয় মরিচিকা রূপে,ওরা স্বপ্ন দেখে ফেলনার মাঝে। জাগ্রত ও ঘুমন্তের মাঝে রাজপথের যোদ্ধা।ওরা..

*টোকাই*

স্বার্থপর জয়: বাংলাদেশের আমার দেখা আলাদা রকম চরিত্র *টোকাই* । এরা টেকার জন্য অনেক কাজ করে । আবার কেও আসে বড় স্বপ্ন দেখে । এদের স্বপ্ন দেখবার অধিকার নাই । এরা তহ আমাদের সমাজের ময়লা । এইখানে একটা আপু *টোকাই* নিয়ে একটা কবিতা লিখসে । তিনি কি *টোকাই* কলে নিয়ে আদর করবে?

অসমাপ্ত কাব্য: *টোকাই* কেউ মরে প্রেমের জালায়,, আর কেউ মরে পেটের জালায়,, অদ্ভুত এই দুনিয়ার মানুষগুলো...!!

সাইফ: . বাস করি ফুটপাতে টোকাই আমার নাম দু:খ কষ্ট সঙ্গী সাথি নাই কোন দাম । বড় হলাম অবহেলায় অবহেলাই সঙ্গী বড় হলে হয়ত হবো বড় কোন জঙ্গী । আমারও তো স্বপ্ন আছে সুন্দরভাবে বাঁচার ভালবাসুক সবাই আমায় এইটুকু প্রত্যাশা আমার ।(দুঃখ)

*টোকাই*

সুমি রহমান: ক্যাম্পাসের পুচকু পুচকু *টোকাই* গুলোর কথা খুব মনে পড়ে! এত মায়া দিয়ে আপু আপু নিজের ভাইবোনেরাও ডাকেনি !

শিমুল হালদার: *টোকাই* হিসেবে আমরা যাদের চিনি, ওদের রাস্তায় দেখলেই আমার মোশারফ করিমের "ঠুয়া" নাটকের কথা মনে পরে -কাহিনীটা আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়ই? ...মনে হয় ওদের সাহায্য করতে না পারি; ওদের প্রতি যেন কোন অন্যায় না করি।।

প্যাঁচা : *টোকাই* কে পাশে বসিয়ে একই খাবার শেয়ার করে খাইছেন কে কে?টোকাই বা সেরকম কেউ।এদের সাথে কথা বললে আপনার কথা বলার ধরন পালটে যাবে।কারণ তারা এত বুলশীটের ধার ধারেনা,তারা 'আই লাভ ইউ,প্যান্ট খোলো'-তে বিশ্বাস করে।নো বুলশীট।হাহাহাহা...(বমি)

মাসুদ হাসান: *টোকাই* *টোকাই* মানে সমাজের বঞ্চিত মানবতার প্রতিচ্ছবি। টোকাই মানে আমাদের দেখেও না দেখা। টোকাই মানে রফিকুন্নবীর কার্টুন, সৃষ্টিশীলতা আর মানবাত্মার মনের কথামালায় সৃজিত বিচিত্র জীবন। (রোদেপোড়া)(বৃষ্টিতেভেজা)

*টোকাই* *টোকাই*

কালো মনের মানুষ: *টোকাই* হওয়ার বহু শখ ছিল একসময় কারণ, বাসায় যত আজগুবি জিনিস দিয়ে আমর ড্রয়ার ভর্তি থাকত !ভাঙ্গা পেন্সিল,প্যাকেট,কয়েল,মটর যত আজগুবি জিনিস সবই ড্রয়ারে ছিল !(খুশী২) তো একদিন খেয়াল করলাম টোকাই মানুষটার সাথেও এই দিক দিয়ে মিল আসে আর যায় কোথায় ! (খুশী২)

শুভ্র: জীবন নামক মহা সমুদ্রে আমরা সবাই, এক হিসেবে *টোকাই* ই বটে! এখান সেখান থেকে এটা সেটা কুড়িয়ে নিচ্ছি ভবিষ্যতের জন্য! কারো কারো ভান্ডার ভরে উঠে বহু রঙা মনি-মানিক্যে! কেউবা খালি হাতেই হাটতে থাকে উদভ্রান্তের মতো! দিন শেষে সবাই হিসেব মিলিয়ে দেখি- কি জমলো! (হিহিহি)(হিহিহি)(হিহিহি)

হাফিজ উল্লাহ: টোকাই এরা রাস্তাঘাট থেকে নানা ধরনের পরিত্যাক্ত জিনিস সংগ্রহ করে। দিন শেষে এই জমা করা জিনিসগুলো বিক্রি করে কোন মতে দিন চালায়।ওরা টোকাই, ঘর, বাড়ী, স্বপ্ন যাদের নেই। খোলা আকাশের নীচেই ওদের বাস।তবে আমাদের চারপাশটা সুন্দর রাখতে ওদের ভুমিকা অসীম(জোস)(গুরু)

*টোকাই* *পরিত্যাক্ত* *সংগ্রহ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★