ট্রেন

ট্রেন নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 দিল্লি ভ্রমে ট্রেন ভালো নাকি বিমান?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*দিল্লি* *ভ্রমণ* *ট্রেন* *বিমান*

সো হা গ: [বাঘমামা-হেব্বিফুর্তি]বিগত কয়েক মাস ধরে সুবর্ণ কন্টিনিউয়াসলি ছেঁকা দিয়ে যাচ্ছিল। :/ কিছুতেই টিকেট পাচ্ছিলাম না। তাই গত ঈদে প্রভাতীতে, আর বাসে যাতায়াত করতে হয়েছে। তবে এবার ভালবাসার প্রতিদান পেলাম ^_^ এই ঈদের মৌসুমেও সুবর্ণ আমার প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছে :D মুলকথা হল- "টিকিট পাইয়া গেসি" ইয়ে :D :D :D \m/

*ঈদযাত্রা* *ট্রেন*

একজন 'র': একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

এই গরমে পূর্ণদৈর্ঘ্য এক ঘণ্টা ট্রেনের পেটের ভেতর একই স্থানে বসিয়া থাকিবার পর অনুভূতি
১২ টার ট্রেন কয়টায় ছাড়ে?
*গরম* *ট্রেন* *অনিয়ম*

সাদাত সাদ: *বাসভ্রমণ* এ সবচেয়ে বিরক্তিকর হলো ধাক্কা (ভেঙ্গানো) আমার ভাগ্যটা ও ধাক্কার মতোই। জীবনে যদি শতবার বাসে উঠিয়া থাকি তবে হয়তো ৯৫ বার দাড়িয়ে ভ্রমণ করতে হয়েছে। যদিও আমি দূরের পথে যেতে *ট্রেন* এর উপর ই ভরসা করি। বাসে একদমই উঠা হয়না। ৩,৪ কিলোমিটার হলে নিরুপায় হয়ে উঠতে হয়।

*বাসভ্রমণ* *ট্রেন*

Risingbd.com: হাওয়ায় ওড়া ট্রেন একটুখানি ভূমিকা দিয়েই হাওয়ায় ওড়া ট্রেন সম্পর্কে জানাব। যুক্তরাষ্ট্রে যখন তুমুল হট্টগোল, বিতর্ক চলছে দ্রুতগতির ট্রেন চালু করা উচিত কি না, তখন এশিয়া...বিস্তারিত- http://bit.ly/1WsVwgO

*ট্রেন* *দ্রুতগামীট্রেন* *নতুনআবিস্কার* *বিজ্ঞান* *জানাঅজানা* *সারাবিশ্বে* *আড্ডা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভাসমান ট্রেন আবিষ্কার করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন বাংলাদেশি গবেষক ড. আতাউল করিম। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানী এমন একটি ট্রেনের নকশা করেছেন- যা চলার সময় ভূমিই স্পর্শ করবে না! ফলে তার এ অভিনব আবিষ্কার পৃথিবী জুড়ে রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে এ ট্রেন বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের চিন্তা ভাবনা চলছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে এ ভাসমান ট্রেনের প্রকল্পটি হাতে নেন তিনি। দেড় বছরের মাথায় ট্রেনটির প্রোটোটাইপ তৈরি করতে সক্ষম হন। যেখানে ওল্ড ড্যামিয়ান ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ৭ বছর চেষ্টা করেও সফলতা পায়নি। পরের সময়টায় নাম করা বিজ্ঞানীরা এ মডেলটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছে। কিন্তু কোন খুঁত খুঁজে না পাওয়ায় এটা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও জানা গেছে, ট্রেনের প্রচলিত ধারাকে পেছনে ফেলে ড. আতাউল করিম সম্পূর্ণ নতুন এক পদ্ধতিতে এই ট্রেনের ডিজাইন করেছেন। এ ট্রেনের গঠনশৈলীও খুবই আকর্ষণীয়। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য, এটা চলার সময় ভূমিই স্পর্শ করবে না। ট্রেনটি চুম্বক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সাবলীলভাবে চলবে। এর গতিও অনেক বেশি হবে। অনেকটা বুলেট ট্রেনের মত! জার্মানি, চিন ও জাপানে ১৫০ মাইলের বেশি গতির ট্রেন আবিষ্কৃত হয়েছে। তবে এগুলির সঙ্গে আতাউল করিমের ভাসমান ট্রেনের পার্থক্য হচ্ছে, ওই ট্রেনে প্রতি মাইল ট্র্যাক বসানোর জন্য গড়ে খরচ পড়ে ১১ কোটি ডলার। আর সে জায়গায় আতাউল করিমের আবিষ্কৃত এই ট্রেনে খরচ হবে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ ডলার।

প্রসঙ্গত ড. আতাউল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আমেরিকার অ্যালাবামা ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এমএস, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এমএস এবং ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি ডিগ্রি পান যথাক্রমে ১৯৭৮, ১৯৭৯ এবং ১৯৮১ সালে। পেশাগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সফল।
-ইন্টারনেট
*আবিষ্কার* *ট্রেন* *গবেষণা*

Muna: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঢাকা থেকে কোলকাতার "মৈত্রী" ট্রেন সপ্তাহে কতবার, কবে কবে, কয়টার সময়, কোলকাতার উদ্দেশ্যে ছারে?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*ট্রেন* *পরিবহন* *ভ্রমনটিপস* *জরুরীপ্রয়োজন* *মৈত্রীট্রেন* *ঢাকা-কলকাতা*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

[ফুলকি-যাভাগ] গিট্টু : জানিস, আমি কোনদিন ট্রেনের টিকিট কাটি না। ফুলকি : যেদিন টিটি ধরবে সেদিন মজা বঝবি! . . . গিট্টু : আরে টিটি আমায় পাচ্ছে কোথায়, আমি তো ট্রেনেই চড়ি না।
*ট্রেন* *টিকিট* *কমেডিয়ানহাফিজ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য ট্রেন ঘন্টায় ৬০৩ কিলোমিটার গতিতে ছুটে! সম্প্রতি ঘণ্টায় ৬০৩ কিলোমিটার গতিতে ছুটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে জাপানের নতুন ‘ম্যাগনেটিক লেভিটেশন’ (ম্যাগলেভ) ট্রেন

ট্রেনটি মাউন্ট ফুজি পর্বতের কাছাকাছি এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়। সেন্ট্রাল জাপান রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান ওই দ্রুতগামী ট্রেনটি পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ট্রেনটি প্রায় ১১ সেকেন্ড ছুটে ঘণ্টায় ৬০০ কিলোমিটারের বেশি গতি অর্জন করতে সমর্থ হয়। এটি এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে ঘণ্টায় ৫৯০ কিলোমিটার গতিতে চলে ২০০৩ সালের রেকর্ড (ঘণ্টায় ৫৮১ কিলোমিটার) ভেঙেছিল।

ম্যাগলেভে রয়েছে সাতটি কামরা। বৈদ্যুতিক প্রক্রিয়ায় চার্জ করা চুম্বকের শক্তির সাহায্যে তীব্র বেগে ছুটে চলার সময় এটি রেললাইন থেকে প্রায় ১০ সেন্টিমিটার ওপরে ভেসে থাকে। সেন্ট্রাল জাপান রেলওয়ে টোকিও থেকে মধ্যাঞ্চলীয় শহর নাগোয়া পর্যন্ত ২৮৬ কিলোমিটার পথে ২০২৭ সালের মধ্যে ম্যাগলেভ ট্রেনটি নিয়মিত চালাতে চায়। তখন ঘণ্টায় ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেনটি দুই শহরের মধ্যে মাত্র ৪০ মিনিটের যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে এখন জাপানে যেসব বুলেট ট্রেন চলে, সেগুলোর চেয়ে অর্ধেকেরও কম সময় নেবে ম্যাগলেভ। তবে দ্রুতগামী ট্রেনের জন্য রাস্তা বা রেললাইন তৈরির খরচ পড়বে অনেক, যা অনেকটা মহাকাশযানের ব্যয়ের সঙ্গে তুলনীয়। নাগোয়া পর্যন্ত লাইন স্থাপন করতেই আনুমানিক ব্যয় হবে প্রায় ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

তথ্য সহযোগিতাঃ বিবিসি
*ট্রেন* *তথ্যপ্রযুক্তি* *রেকর্ড* *উদ্ভাবন*

অনি: কমলাপুরে ট্রেন-ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

*ট্রেন* *ভ্যান* *সংঘর্ষ* *নিহত*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★