ঠান্ডা পানীয়

ঠান্ডাপানীয় নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইফতারে জনপ্রিয় পানীয় লাবাং --- বাসায় কিভাবে বানানো যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ইফতার* *ঠান্ডাপানীয়* *লাবাং* *শরবত*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইফতারে সারাদিনের ক্লান্তির শেষে একগ্লাস ঠান্ডা পানীয় না হলে মন প্রাণকেমন আনচান করে। এখন ফলের মৌসুম। রসালো আম কাঁঠালে ফল বাজার সয়লাব। সেখান থেকে ফল এনে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর সব পানীয়। আম-কাঁঠাল-দুধের শরবতের রেসিপি-

 

উপকরণ : দুধ ১ কাপ, আম টুকরা করা ২ কাপ, কাঁঠালের কোষ ১০/১২টি, চিনি আধা কাপ, আইসক্রিম ১ কাপ।

প্রণালি : টুকরা করা আম আধা কাপ দুধ ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। কাঁঠাল, দুধ ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। প্রথমে আম একটি গ্লাসে ঢেলে নিন। এবার আইসক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ।

*শরবত* *ইফতার* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগ যুগ ধরে চলে আসা হামদর্দ ফুড প্রোডাক্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় রুহ আফজা নিতে পারেন ইফতারির পানীয় হিসেবে। হামদর্দ ভারত উপমহাদেশের একটি বিখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং একইসাথে পৃথিবীর বৃহত্তম ইউনানী ঔষধের প্রস্তুতকারক। তাই নির্ভয়ে রুহ আফজা খেতে পারেন। এই পানীয়টিতে আছে প্রায় ২৬ প্রকারের উপাদান। উপাদানগুলির মধ্যে কেওড়া, গোলাপ, শাপলা, গাজর, চন্দন, নাসপাতি, আঙ্গুর, ডালিম, আপেল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। প্রত্যেকটি উপাদানই সঠিক পরিমাণে আয়ুর্বেদিক নিয়ম অনুযায়ী রুহ আফজায় মেশানো হয়েছে। কোনো পার্শ্বপতিক্রিয়াও নেই।

হামদর্দ ১৯০৭ সালে রুহ্ আফজাকে প্রথম উৎপাদন করে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, নয়াদিল্লির ফার্মাকোলজি বিভাগের ইনচার্জ এস. কে. গুপ্ত রুহ্ আফজার ওপর একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি তার গবেষণা ফলাফলের সারসংক্ষেপ নিম্নোক্তভাবে তুলে ধরেন :


♦ রুহ্ আফজাতে বিভিন্ন খনিজ উপাদান যথা- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সালফার, জিংক বিদ্যমান।
♦ রুহ্ আফজা দেহের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট পানি ঘাটতি দূর করে।
♦ রুহ্ আফজা ডায়রিয়াতে শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে।
♦ রুহ্ আফজা একটি মানসিক চাপ দূরকারক পানীয়।
♦রুহ্ আফজা অতিরিক্ত দাবদাহে মূর্ছা যাওয়া, কায়িক পরিশ্রান্তি, অবসাদগ্রস্ততা, অত্যধিক ঘাম নিঃসরণজনিত ক্লান্তিসহ অন্যান্য অস্বস্তি দূর করে।
♦এলিমেন্টোলজিক্যাল ও জৈব রাসায়নিক পরীক্ষণে প্রমাণিত হয়েছে রুহ্ আফজা দেহের সর্বজনীন প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্মুলেশন।

রুহ্ আফজা হৃৎপিণ্ডের শক্তি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রুহ্ আফজা অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের গতি স্বাভাবিক করে। স্বল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা বা বুক ধড়ফড় করা প্রতিরোধ করে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনে। এছাড়া রুহ্ আফজা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ, কিডনি, মেরুদণ্ড, পাকস্থলী, অন্ত্র, যকৃত, প্লীহা, হাড়, ত্বকসহ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহের উপর বিরূপ প্রভাব না ফেলেই হৃৎপিণ্ডের মায়োকার্ডিয়ামে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। মিরাটের এল. এল. আর. এম মেডিকেল কলেজের এ. কে. গুরওয়ারা আরেকটি গবেষণায় দেখতে পান যে, রুহ্ আফজার ব্যথা নাশ করার ক্ষমতা রয়েছে। গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, অপারেশনের পূর্বে ৩ দিন যাবৎ দিনে ২ বার ও অপারেশনের ২ ঘণ্টা আগে ৩০ মিলি রুহ্ আফজা সেবন করলে অপারেশনজনিত ব্যথা ও অপারেশনে সুক্সামেথোনিয়াম প্রয়োগ পরবর্তী ব্যথা প্রতিরোধ করা যায়।

তাই সারাদিন রোজা শেষে এক গ্লাস রুহ আফজার শরবত আপনার ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে নিমিষেই।ইফতারির পানীয় হিসেবে নির্বাচিত করার আগে শুধুমাত্র স্বাদের কথা বিবেচনা না করে দেখে নিন তাতে কি কি উপাদান রয়েছে। আপনার সারাদিনের পানিশূন্যতা দূর করার ক্ষমতা আছে কিনা নির্বাচিত পানীয়টির।

৭৫০ মিলি এবং ৩০০ মিলি’র সাদা বোতলে রুহ আফজা কিনতে পাওয়া যায়। মূল্যও একেবারে হাতের নাগালে। যথাক্রমে ২০০ টাকা ও ১০০ টাকা। সারা দেশের যে কোনো ডিপার্টমেন্টাল স্টোর কিংবা ফার্মেসীতে কিনতে পাওয়া যাবে রুহ আফজা। এ ছাড়া হামদর্দের নির্দিষ্ট আউটলেট তো আছেই। এছাড়া মিলবে অনলাইন শপেও, আজকের ডিল রমজানের আয়োজন হিসেবে রেখেছে নানাধরনের ফুড আইটেম, সেখান থেকেও চাইলে রুহ আফজা অর্ডার করতে পারেন ।

*রুহ-আফজা* *ইফতার* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়* *হেলথড্রিঙ্কস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গরম পড়লে সারাদিনে গরম চা, কফি পান থেকে দূরে থাকেন অনেকেই। বরং সেই জায়গায় লাচ্ছি, শরবত, ফলের রসের সঙ্গে আইস টি, কোল্ড কফিতেই বেশী ঝোঁকেন মানুষ। এই প্রচন্ড দাবদাহে ঘরে ফিরে তরতাজা ও রিফ্রেশ হতে প্রাণ জুড়োনো পানীয় হিসেবে কোল্ড কফির সহজ রেসিপি।

উপকরণ:

ঠান্ডা দুধ-২ কাপ
পানি-১/২ কাপ
ইন্সট্যন্ট কফি পাউডার-৩ চা চামচ
চিনি-২ টেবিল চামচ
ক্রিম-২ টেবিল চামচ
বরফ কুচি

প্রণালী:

এক চামচ পানিতে কফি পাউডার ও চিনি মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। বাকি পানি  গরম করে ফুটন্ত জলে ফেটানো কফি মিশিয়ে নামিয়ে নিন ঠান্ডা করে নিন। ব্লেন্ডারে কফি ও ঠান্ডা দুধ ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। ওর মধ্যে ১ টেবিল চামচ ক্রিম ও বরফ কুচি দিয়ে আরও একবার ভাল করে ব্লেন্ড করে লম্বা কাচের গ্লাসে ঢেলে ওপরে বাকি ক্রিম ও এক চিমটে গুঁড়ো কফি দিয়ে গার্নিশ করে পরিবেশন করুন কোল্ড কফি।

*কোল্ডকফি* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরান ঢাকার জজ কোর্ট এলাকায় যেতে রায়সাহেব বাজারে বিউটি লাচ্ছির অবস্থান। স্বাদে অতুলনীয় বিউটি তিন ধরনের ঠান্ডা বিক্রি করে থাকে। লেবুর শরবত, মিষ্টি দই দিয়ে তৈরি বিউটির লাচ্ছি ও ফালুদা। মিষ্টি দইয়ের লাচ্ছি বিট লবণ দিয়ে পান করতে পারেন।


বিউটির লেবুর শরবতের চাহিদা খুব। বানানোর পদ্ধতিটাও আপনাদের জন্য বলে দিলেন এখানকার কারিগর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।


লেবুর শরবত
উপকরণ
পানি পরিমাণমতো, লেবু চারটা, চিনির শিরা ৪০০ গ্রাম এবং বরফকুচি পরিমাণমতো!


প্রণালি
পানির সঙ্গে চিনির শিরা আর লেবুর রস মেশালেই হয়ে যাবে শরবত। আট গ্লাস শরবতের জন্য ৪০০ গ্রাম চিনির শিরা তৈরি করে নিতে হবে। এবার আটটি গ্লাসে পানির সঙ্গে শিরা মিশিয়ে নিন। প্রতি গ্লাসে অর্ধেকটা করে লেবুর রস চিপে দিন। তবে যেকোনো লেবু হলে হবে না, বিউটির শরবতের মতো স্বাদ পেতে চাইলে কিনতে হবে কলম্বো লেবু। প্রতি গ্লাসে পরিমাণমতো বরফের কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

*লেবুরশরবত* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লালবাগের কেল্লায় যান আর না যান, রয়েল হোটেলে একবার হলেও আসুন। লালবাগ এলাকার ৪৪ হরনাথ ঘোষ রোডে অবস্থিত রয়েল হোটেলের কোথাও কোনো শাখা নেই। ১২ বছর ধরে তাঁরা ভোজনরসিকদের মনমতো খাবারের চাহিদা পূরণ করে চলেছেন। এখানে কোনো বাসি খাবার বিক্রি হয় না, এমন কি একবার তেল পুড়লে সেটা দ্বিতীয়বার ব্যবহার হয় না।

অন্যান্য খাবারের সঙ্গে এখানে ঠান্ডা-জাতীয় খাবারের মধ্যে পাবেন লাবাং, বোরহানি, মালাই কুলফি, ফালুদা, লাচ্ছি, পাঞ্জাবি লাচ্ছি, দইবড়া এবং পেস্তাবাদামের শরবত। রয়েল হোটেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মালেকের মতে, তাঁদের পেস্তাবাদামের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এখানে এক লিটার পেস্তাবাদামের শরবতের দাম হলো ২২০ টাকা।

রয়েলের পেস্তা বাদাম শরবতের রেসিপি

উপকরণ: পেস্তাবাদাম পরিমাণমতো, মালাই পরিমাণমতো, দই পরিমাণমতো, খাঁটি জাফরান পরিমাণমতো, চিনি পরিমাণমতো, দুধ পরিমাণমতো।


প্রণালি: দই, মালাই, দুধ ও চিনি ঘুঁটনি দিয়ে ঘুঁটে গ্লাসে ঢেলে পেস্তাবাদাম ও জাফরান মিশিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। খাওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে বের করে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিন, তারপর পরিবেশন করুন। মনে রাখবেন, একবার এ শরবত তৈরি করলে তা ডিপ ফ্রিজে তিন দিন রেখে খাওয়া যাবে। আর একবার মুখ বা বোতলের ছিপি খুললে পুরো শরবত সে সময়ই খেয়ে ফেলতে হবে।

*পেস্তাবাদামেরশরবত* *বাদামেরশরবত* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়*

ফারজানা সিদ্দিকী নম্রতা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জলজিরা বানানোর পদ্ধতি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*জলজিরা* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়*

পূজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জাফরান শরবতের রেসিপি চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শরবত* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নানা খনিজ উপাদান ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ টমেটোর জুসে রয়েছে ভিটামিন এ, কে, বি১, বি২, বি৩, বি৫ ও বি৬। আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাসের মতো গুরত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান রয়েছে এতে। টমেটোর জুসে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমূহ শুধু আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য নয়, ত্বক ও চুলের জন্যও বিশেষভাবে উপকারী। জুস তৈরির জন্য টাটকা টমেটো বেছে নিন l  জেনে নিন স্বাস্থ্যকর ৬টি টমেটো জুসের রেসিপি :

টমেটোর জুস:
টমেটোর খোসা ছিলে ছোট করে কাটা ১ কাপ, ঠান্ডা পানি ৪ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, চিনি ৪ টেবিল চামচ, বিট লবণ ১ চা চামচ, জিরার গুঁড়ো আধা চা চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়ো আধা চা চামচ, বরফের কুচি পরিমাণমতো, কাঁচামরিচের কুচি আধা চা চামচ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করতে হবে।


টমেটোর জল জিরা:
টমেটোর জুস, ঠান্ডা পানি, চিনি, লবণ, জালজিরা, লেবুর রস দিয়ে ভাল করে হ্যান্ড বিটার দিয়ে বিট করলে তৈরি হয়ে যাবে টমেটোর জুসের জল জিরা। 



শসা ও টমেটোর জুস
টমেটোর জুসের সকল উপকরনের সাথে শশা ব্লেন্দ করেও খেতে পারেন, এতে বাড়তি পুষ্টিও পেয়ে যাবেন।


স্পাইসি টমেটো জুস:
টমেটো জুসের সাথে বিট লবন, কাঁচা মরিচ, গোল মরিচ, চিনি, এলাচ, দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন l 


স্ট্রবেরি টমেটো জুস:
টমেটো পেস্ট, স্ট্রবেরি পেস্ট, ভ্যানিলা আইসক্রিম, চিনি, বরফকুচি, এলাচ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন l 


আপেল, গাজর ও টমেটোর জুস: 
আপেল, গাজর ও টমেটো কুচি কুচি করে কাটুন। এবার ব্লেন্ড করে নিন। জুস হয়ে গেলে গ্লাসে নিয়ে সামান্য পরিমাণ পানি মিশিয়ে দিন। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পরিবেশন করুন। বরফ দিয়েও পান করতে পারেন। পরিবেশনের সময় গোল করে কাটা টমেটো বা লেবু ও ধনে পাতা ব্যবহার করতে পারেন। 


ফ্লু ফাইটার:
অরেঞ্জ জুস, টমেটো জুস, আমের জুস, মধু, বরফের টুকরা দিয়ে নাড়াচাড়া করে ভালো করে মেশালে তৈরি হয়ে যাবে ফ্লু ফাইটার। 


*টমেটোজুস* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★