ঠোটের যত্ন

ঠোটেরযত্ন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে ঠোঁট ফাটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। ঠোঁট ফাটার কারণ হচ্ছে ঠোঁট ও শরীরে আর্দ্রতার অভাব। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে বলে ঠোঁট আর্দ্রতা হারায় খুব তাড়াতাড়ি। তাই, শীতকালে  খুবই আদর-যত্নে রাখতে হয় ঠোঁট। ঠোঁট ফাটা দেখতে যেমন খারাপ লাগে তেমনি ঠোঁট ফেটে যাওয়ার যন্ত্রণাও কম নয়। আগেভাগে একটু সচেতন হলে সহজেই ঠেকাতে পারবেন শীতে এই ঠোঁট ফাটার সমস্যাকে।

শীতের কবল থেকে ঠোঁট সুরক্ষায় জন্য যা যা করণীয় :

• শীতকালেও গরম কালের মতোই প্রচুর পানি পান করুন। শীতকালে পানি যেমন কম খাওয়া হয়, মুখও কম ধোয়া হয়। তাই হয়তো কথা বলার সময় অনুভব করেন, আপনার ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে। যখনই এমন অনুভব করবেন, তখনই ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

• হাত-মুখ ধোয়ার সময় বা দাঁত মাজার সময় কোনোভাবেই যাতে ঠোঁটে জোরে জোরে ঘষা-মাজা না লাগে তা খেয়াল রাখা দরকার। এ সময় নরম ঠোঁটে আঁচড় পড়লে তা ভোগাতে পারে।


• শুষ্ক ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন। প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে বেরোবেন না, বিশেষ করে যখন ঠান্ডা বাতাস থাকে অথবা খুব তীব্র শীত পড়ে, তখন ঘরেই থাকতে চেষ্টা করুন।


• বাইরে গেলে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলী বা লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন; যাতে এটি আপনার ঠোঁটকে শীতের হাওয়া থেকে আড়াল করে রাখে।  সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ঠোঁটকে বাঁচাতে লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। এসপিএফ ১৫ বা তার বেশি—এমন লিপবাম ব্যবহার করুন। বাইরে বেরোলে সঙ্গে লিপবাম বা লিপবাটার রাখতে পারেন। শীতে বাইরে গেলে ঠোঁট বেশি ফাটে এবং ঠোঁটে ধুলাও লেগে যায়। তাই তখন মাঝেমধ্যে ঠোঁট একটু ধুয়ে নিয়ে লিপবাম বা লিপবাটার লাগিয়ে নিন। ঠোঁট ধোয়ার সুযোগ না পেলে প্রথমে একটু লিপবাম লাগিয়ে সেটি মুছে ফেলুন। এতে আপনার ঠোঁট পরিষ্কার হবে। তারপর আবার লিপবাম লাগান।


• কখনোই জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না, এভাবে ঠোঁট ভেজালে আপনার ঠোঁট আরও বেশি ফাটবে।


• ফাটা ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেওয়া কঠিন। চেষ্টা করুন ফাটা ঠোঁটকে যতটা সম্ভব আর্দ্র রাখতে। ঠোঁট ফাটা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত শুষ্ক বাতাস থেকে ঠোঁটকে সুরক্ষিত রাখুন অবশ্যই। ফাটা ঠোঁটে কখনো কখনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে, তাই ঠোঁট ফাটার ব্যাপারে হতে হবে সচেতন।

• লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত লিপস্টিক বেছে নিন। যদি ম্যাট লিপস্টিক লাগাতেই চান, সে ক্ষেত্রে সম্ভব হলে প্রথমে তুলা বা টিস্যুর সাহায্যে সামান্য একটু লিপবাম ঠোঁটে লাগিয়ে নিন এবং তারপর লিপস্টিক লাগান। শীতে গ্লসওয়ালা লিপস্টিকই ঠোঁট সজীব রাখবে এবং এতে আপনার সাজও প্রাণবন্ত লাগবে।


• শীতে অনেকের ঠোঁট কালো হয়ে যায় এবং খুব বেশি ফেটে যায়। তারা ঘরোয়া পদ্ধতিতেই নিতে পারেন বাড়তি যত্ন। গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে মধু বা মাখন মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারা রাত। বিট-রুটের রসের সঙ্গেও গোলাপের পাপড়ি ও মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে পারেন সারা রাত।

• প্রতিদিন রাতে একটুখানি দুধ-মালাই দিয়ে ঠোঁট দুটো আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। সামান্য কিছুক্ষণ এমন ম্যাসাজে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং দুধ-মালাই থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাবে আপনার ঠোঁট। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার ঠোঁট শীতের ঠান্ডা মোকাবিলায় প্রস্তুত।

এই পন্থাগুলো মেনে চলুন আর শীতের হাত থেকে ঠোঁটকে রাখুন সুরক্ষিত। নইলে শীতে ফেটেছে ঠোঁট, হৃদয়ে লেগেছে চোট, সেই ফাটা ঠোঁট দেখে মনে লাগে চোট ! এমন অবস্থায় পড়তে পারেন।

বাজারে নানা ব্র্যান্ডের পেট্রোলিয়াম জেলী ও লিপবাম কিনতে পাওয়া যায়, সবসময় চেষ্টা করুন ভালোমানের প্রসাধনী কিনতে। আজকের ডিলের উইন্টার কসমেটিক্স কালেকশন থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার শীতের প্রসাধনীগুলো।

*শীতকাল* *ত্বকেরযত্ন* *শীতেত্বকেরযত্ন* *ঠোঁটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

সত্যজিৎ রায়ের নায়িকা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তির সহজ কি কি উপায় আছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শীতেত্বকেরযত্ন* *ঠোঁটফাটা* *ঠোঁটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিগারেট থেকে হওয়া ঠোঁটের কালো দাগ দূর করাটা একটা বড় সমস্যা! এর জন্য প্রথমত আপনার ধূমপান করা ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু তাতেও সমস্যা সমাধান হয়না। অনেকের ঠোঁট বংশগত কারণেই কালচে হয়ে থাকে। তবে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, ধূমপান, অ্যালার্জি, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ, হরমন সমস্যা ইত্যাদি কারণেও ঠোঁটের রং কালচে হয়ে যায়। তাছাড়া নিয়ম করে যত্ন না নিলেও ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে।

আসুন, জেনে নেওয়া যাক ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে যা করবেন।

১। একটি পাতলা লেবুর টুকরোর ওপরে খানিকটা চিনি ছিটিয়ে প্রতিদিন ঠোঁটে ঘষুন। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে পরিষ্কার করতে এবং লেবু সূর্যের ফলে কালো হয়ে যাওয়া ঠোঁটের চামড়াকে উজ্জল করতে সাহায্য করে।

২। মধুর সঙ্গে চিনি এবং কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে ১০ মিনিট ঠোঁটে ঘষুন।

৩। ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাক্টিক অ্যাসিড খুব উপকারী। নিয়মিত দুধ খাবার সাথে সাথে খানিকটা দুধ তুলোয় করে ঠোঁটে ঘষে নিন। শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলার মাধ্যমে দুধ ঠোঁটের কালো হওয়াকেও প্রতিরোধ করে।

৪। গোলাপের পাপড়িও ঠোঁটের গোলাপী ভাব আনতে সাহায্য করে। এজন্য গোলাপের পাপড়ি দুধের মধ্যে রেখে তাতে মধু ও গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। প্রলেপটি ১৫ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর দুধ দিয়ে ঠোঁটকে মুছে নিন। প্রতিদিন এই প্রলেপটির ব্যবহার আপনার ঠোঁটকে করে তুলবে আকর্ষনীয়।

৫। লেবুর ভেতরের এসিড ঠোঁটের শুষ্ক চামড়াকে তুলে ফেলতে সাহায্য করে। তবে লেবুর রসের সাথে খানিকটা চিনি ও মধু মিশিয়ে ঘরে বসেই নিতে পারেন ঠোঁটের পুরোপুরি যত্ন। প্রলেপটি মাখার একঘন্টা পর ধুয়ে নিন।

৬। লেবুর রসের সাথে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে ঠোঁটে মাখুন। কয়েকদিনেই আপনি পাবেন চমত্কার ফলাফল।

৭। বাদামের তেল, মধু ও চিনির মিশ্রন করুন। প্যাকটি আপনার ঠোঁটকে কেবল সুন্দরই করবে না, কোমলতাও বাড়াবে।

৮। ঘুমানোর আগে ঠোঁটে পালং পাতা ঘষে নিন। সাথে রাখতে পারেন জাফরানও। এই দুটি সহজলভ্য উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার আপনার শুষ্ক ঠোঁটকে সারিয়ে তুলবে এক নিমিষেই।

৯। কমলালেবু খাবার সময় এর বীচিগুলোকে সংরক্ষণ করুন এবং নিয়মিত ঠোঁটকে এগুলোর দ্বারা পরিষ্কার করুন।

১০। প্রতিদিন টমেটো পেষ্ট করে ঠোঁটে মাখুন। আপনার ঠোঁট হবে উজ্জ্বল।

১১। শশার রসও ঠোঁটের কালো হওয়কে প্রতিরোধ করে। ফলাফল পেতে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট শসার রস ঠোঁটে ঘষুন।

মনে রাখবেনঃ
  ১. ধুমপান ঠোঁটের জন্যে ক্ষতিকর। তাই ধুমপান থেকে বিরত থাকুন।
  ২. রাতে ঘুমাতে যাবার আগে লিপস্টিক তুলে ফেলতে ভুলবেননা।
  ৩. জিহ্বা দিয়ে অবিরত ঠোঁট ভেজানো বন্ধ করুন। এতে সাময়িক আরাম মিললেও আসলে ঠোঁটের            সৌন্দর্য হানি হয়। বদলে ব্যবহার করুন লিপজেল।
  ৪. ফাস্টফুডের পরিবর্তে শাক-সব্জী খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান।
  ৫. চা এবং কফির পরিবর্তে পানি খাবার পরিমাণ বাড়ান। প্রচুর পরিমাণে পানি আপনার ঠোঁটকে রাখতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যময়।
(সংকলিত) 
*ধূমপান* *ঠোঁটেরযত্ন* *ঠোটেরযত্ন* *কালদাগ* *দাগউঠানোরউপায়*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীর সৌন্দর্য্যে অন্যতম হল ঠোঁট। আর এই ঠোঁটকে রাঙাতে লিপিস্টিকের জুড়ি নেই। কিন্তু শীতের রুক্ষতায় ঠোঁট ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এই সময় কি লিপস্টিক ব্যবহার করা যাবে? অবশ্যই শীতেও লিপিস্টিকস ব্যবহার করা যাবে। চুলন শীতে ব্যবহার উপযোগী ৪টি লিপিস্টিক সম্পর্কে জেনে নেই। যে গুলো ঠোঁটে কয়েকবার লাগালেই এর সফট,বাটারি টেক্সচার অনুভব করতে পারবেন। ক্রিমের ন্যায় এই লিপস্টিক গুলো শীতের সময় ব্যবহারে ঠোঁটের রুক্ষতা কমানোর সাথে সাথে ঠোঁটকে কোমল করে তুলবে।

ELF ময়শ্চারাইজিং লিপস্টিক
এটি ময়শ্চারাইজিং লিপস্টিক। শীতের সময় যাদের ঠোঁট ফেঁটে যায় তারা অনায়াসে এই লিপিস্টিক ব্যবহার কেরতে পারেন। এটি শীতের হাত থেকে আপনার ঠোঁটকে রক্ষা করবে।  বাজারের অন্যান্য লিপিস্টিকের চেয়ে এটি হাই-কোয়ালিটির। এই ধরনের লিপিস্টিকের রয়েছে ক্রিমি ফরমুলা যা আপনার ঠোঁটকে রাখবে সবসময় সজীব। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন A, C, ও  E এর সংমিশ্রন। এই ধরনের তিন পিস লিপিস্টিকের দাম  ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।

MAYBELLINE সেনসেশনাল লিপস্টিক
লিপিস্টিক দিয়ে মহময়ী রুপে সাজতে যাদের ভাল লাগে তারা বেছে নিতে পারেন মেবিলাইন সেনসেশনাল লিপিস্টিক। এই লিপস্টিকটি গ্লসি ধাঁচের। ঠোটের আবেদন বাড়িয়ে দেয় বলে এই লিপস্টিকের চাহিদা প্রচুর। শীতে যারা ঠোঁট সাজাতে ভয় করেন তাদের জন্য এই লিপিস্টিকটি অন্যতম প্রসাধনী হতে পারে। এই ধরনের তিন পিস লিপিস্টিকের দাম একটু বেশি। ভালমানেরটা কিনতে গেলে আপনাকে  ৮০০ থেকে ১৫০০  টাকা পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। 


3 MUA MATTE লিপস্টিকস
মুউয়া ম্যাট লিপিস্টিকস বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। এই লিপিস্টিক গুলোর বেশ কয়েকটি কালার কম্বিনেশন রয়েছ। এই লিপস্টিকটি লাগানোর সময় বেশ ক্রিমি মনে হলেও কিছুক্ষণ পরে একদম ম্যাট হয়ে যায়। ঠোটে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় এটি। শীতের এই সময়টাতে যারা ঠোঁট ফাটা নিয়ে চিন্তা করেন তারা নির্দ্বিধায় এই প্যাক বেছে নিতে পারেন। এটি আপনার ঠোটের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির পাশাপাশি শীতের শুষ্কতাও কিছুটা কমাবে। 

REVLON BURST লিপ গ্লস
যারা লিপিস্টিকের বদলে একই ধাচের লিপ গ্লাস ব্যবহার করেন তাদের জন্য REVLON BURST লিপ গ্লসটি খুব কার্যকরী হবে। এটি আপনাকে আকর্ষণীয় লুক দেবার পাশাপাশি ঠোঁটকে রাখবে কোমল ও মসৃন। এই লিপ গ্লাসটি ঠোঁটে লিপস্টিকের মতো ভারী আবরণের বদলে হালকা লালচে শেড দিবে। যারা বেশি গাঢ় লাল পছন্দ করেন না তারা এখনি এই লিপ গ্লাসটি কিনে নিতে পারেন।
*লিপিস্টিক* *ঠোটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

ওমর ফারুক শরীফ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতকালে ঠোঁট ফাটে কেন? ঠোঁট ফাটার কারন ও সমাধান কি?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*ঠোটফাটা* *ঠোটেরযত্ন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শুষ্ক ঠোঁটের যত্ন নিতে কি করা প্রয়োজন?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*ঠোটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

Abdullah Al Amin: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কালছে ঠোট লাল করার উপায় কী আছে?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*কালোঠোট* *গোলাপীঠোট* *ঠোটেরযত্ন*

অপরিচিত: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমি সিগারেট খাই না । তবুও আমার ঠোট কালো হয়ে থাকে । কি করব ?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

*কালোঠোট* *গোলাপীঠোট* *ঠোটেরযত্ন*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমে হাল্কা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন | ভাল কোনও ফেস ওয়াশ দিয়ে | এরপর ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিন | লোশন বা ময়শ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না | কিন্তু তা যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয় |

এরপর আপনার গায়ের রঙ অনুয়াযী ফাউন্ডেশন লাগান | এরপর হাল্কা করে সিমার পাউডার বুলিয়ে নিন | চিক বোনস আর কপালের ধারে এবার ব্লাশার লাগিয়ে নিন |

চোখের জন্যে: প্রথমে চোখের পাতায় আই শ্যাডো লাগান | এই বছর মেটালিক কালারস যেমন কপার, ডার্ক সিলভার, গোল্ড,লাইট সিলভার আর রোজ গোল্ড খুব ইন | এর থেকে যে কোন একটা বেছে নিন | 

এরপর আইলাইনার লাগিয়ে নিন | পোশাক অনুযায়ী ব্লু, বা গ্রিন আই লাইনার লাগাতে পারেন | যদি এই রঙ গুলো নিয়ে কনফিডেন্ট না থাকেন তাহলে কালো আইলাইনার ব্যবহার করুন | এরপর ২, ৩ কোট মাস্কারা লাগান | সব শেষে আই ব্রো পেন্সিল দিয়ে ভ্রূ এঁকে নিন |

ঠোঁটের জন্য : প্রথমে আই লাইনার দিয়ে ঠোঁট একে নিন | ব্রাশের সাহায্যে লিপ স্টিক লাগান এরপর | এই বছর 'রেড লিপ্স' খুব ইন | গায়ের রঙ যাই হোক‚ লাল রং কিন্তু মোটামুটি সবাইকে ভাল লাগে | এছাড়া ইলেকট্রিক অরেঞ্জও ট্রাই করে দেখতে পারেন | এক্সট্রা লিপস্টিক ট্যিসু পেপার দিয়ে ব্লট করে নিন | এরপর যদি মনে হয় লিপ গ্লস লাগাতে পারেন | কিন্তু মনে রাখবেন লিপ গ্লস খুব সহজেই উঠে যায় তাই একটুক্ষণ পর পর রিটাচ করতে ভুলবেন না |

নখের জন্যে: নখ পরিষ্কার করে শেপ করে নিন | কালারলেস বেস লাগান প্রথমে | শুকিয়ে গেলে নেইল পলিশ লাগান | ১০ মিনিট পরে আর এক কোট লাগান | কালারলেস বেস কোট আরও একবার লাগিয়ে নিন | সবশেষে‚ সিলভার বা গোল্ড নেইল পলিশ লাগাতে পারেন |
*ভ্যালেনটাইনসাজ* *পার্টিসাজ* *সাজগোজ* *ঠোটেরযত্ন* *নখেরযত্ন* *ভ্যালেনটাইনডে*
৪/৫

মো:আ:মোতালিব: কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।(তালি)

*ঠোটেরযত্ন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঠোঁট রাঙাতে লিপিস্টিকের জুড়ি নেই। তবে কোন রঙের লিপিস্টিকের কি আবেদন কখন কোন রঙ আপনার জন্য পারফেক্ট তা কিন্তু আপনাকে জানতেই হবে। লিপিস্টিকের রঙের কম্বিনেশন না বুঝলে নারীর আবেদন ও আকর্ষণ ধরে রাখা খুবই কষ্টকর।
একটি পুরুষের চোখে নারীর মুখমন্ডলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হচ্ছে ঠোঁট আর রঙিন ঠোঁট জোড়া থেকে পুরুষের চোখ স্বভাবতই সরানো মুশকিল। কেন নানান রঙে রাঙানো ঠোঁটের প্রতি পুরুষের এতো আকর্ষন? এর কারন হল ভিন্ন ভিন্ন রঙের লিপস্টিক প্রকাশ করে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সেটার আছে আলাদা আকর্ষন করার ক্ষমতা। লিপস্টিকের রঙ দিয়েই আপনি প্রকাশ করতে পারবেন আপনার ব্যক্তিত্ব ও মনের ভাব। চলুন তাহলে জেনে নেই লিপিস্টিকের রঙ বিচিত্রা।

লাল লিপস্টিক :
লাল হলো আবেদনময় একটি রঙ। লাল রঙের লিপস্টিক সাধারণত ঠোঁট জোড়াকে আবেদনময় দেখানো ও বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করার জন্যই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বিশেষ করে তা যদি হয় গ্লসি লাল লিপস্টিক তাহলে সেটা নিঃসন্দেহে যৌন আবেদন প্রকাশ করে। ম্যাট লাল লিপস্টিক চেহারায় একটি নাটকীয় সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে। চেহারায় কিছুটা আবেদন ও কিছুটা রহস্যের সংমিশ্রন তৈরী করে ম্যাট লাল লিপস্টিক। লাল লিপস্টিক হলো ড্রামা, যৌন আবেদন, প্যাশন, উত্তেজনা ও আনন্দের প্রতীক। বিজ্ঞানীরা বলেন, তীব্র যৌন উত্তেজনার সময়ে নারীর ঠোঁট রক্তিম হয়ে ওঠে। লাল লিপস্টিক সেই রক্তিমতার প্রতীক।

গোলাপি লিপস্টিক :
গোলাপি, ম্যাজেন্টা, হট পিঙ্ক কিংবা হালকা গোলাপি রঙের লিপস্টিক সমগ্র বিশ্বেই বেশ জনপ্রিয়। বেশ প্রাচীনকাল থেকেই ঠোঁট জোড়াতে গোলাপি আভা নিয়ে আসতে নারীরা গোলাপি লিপস্টিক লাগাতে ভালোবাসেন। গোলাপি রঙটি নারীত্ব, কমনীয়তা ও রোমান্সের প্রতীক। নিজের নারীত্বকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে গোলাপি লিপস্টিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ত্বকের রঙের সাথে মিলিয়ে হালকা কিংবা গাঢ় গোলাপি রঙ ব্যবহৃত হয়।

কমলা বা কোরাল লিপস্টিক :
যৌবনের উচ্ছাস, আনন্দ, খুশি ও প্রানশক্তি প্রকাশের জন্য কমলা লিপস্টিককে আদর্শ হিসেবে ধরা হয়। নিজের মনের ভেতরের উচ্ছাস প্রকাশের ভাষা হতে পারে কমলা কিংবা কোরাল লিপস্টিক। মানুষের সাথে কথা বলার সময় তাদের মনযোগ আকর্ষণ এবং নিজেকে প্রানবন্ত দেখানোর জন্য ঠোঁট জোড়াকে রাঙিয়ে নিতে পারেন কমলা কিংবা কোরাল রঙের লিপস্টিকে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ত্বকের সঙ্গে মানানসই রঙ বেছে নিতে হবে।

বার্গেন্ডি বা পার্পল লিপস্টিক :
বার্গেন্ডি কিংবা পার্পল লিপস্টিক ম্যাজিক, ক্ষমতা, মর্যাদা, আভিজাত্য ও গভীরতা প্রকাশ করে। আপনার গায়ের রঙ যদি শ্যামলা হয় তাহলে পার্পল ও বার্গেন্ডি লিপস্টিক আপনার নারীত্বকে বেশ মর্যাদার সাথে প্রকাশ করবে। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা এই রঙ ২টার হালকা শেড গুলো ব্যবহার করে প্রকাশ করুন নিজের মর্যাদা, নারীত্ব ও আভিজাত্য।

ন্যুড ও ব্রাউন লিপস্টিক :
ন্যুড ও ব্রাউন লিপস্টিকের প্রচলন সব সময়েই থাকে। এ রঙ গুলো ব্যবহার করে প্রায় সবাই বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। ন্যুড ও ব্রাউন লিপস্টিক প্রকৃতি ও নিরপেক্ষতার প্রতীক। ন্যুড ও ব্রাউন রঙের লিপস্টিক প্রায় সব ধরনের ত্বকেই মানিয়ে যায়। তবে এ দুটি রঙের লিপস্টিক লাগালে দাঁত কিছুটা হলুদ দেখানোর সম্ভাবনা থাকে।
*প্রশাধনী* *লিপিস্টিক* *ঠোটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাকৃতিক কারনে মেয়রা এমনিতেই সুন্দর হয়। তারপরেও বেশির ভাগ সময় সাজগোজ নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটান ফ্যাশন প্রিয় নারীরা। সৌন্দর্য্যের বিকাশ ঘটানো এবং নিজেকে আকর্ষনীয় করে তুলতে অন্যান্য অনুসঙ্গ গুলোর মধ্যে অন্যতম উপাদান প্রসাধনী।  নারীর সৌন্দর্য্যে অন্যতম হল ঠোঁট। আর এই ঠোঁটকে রাঙাতেই ব্যবহৃত নানারকম ঠোঁট পালিশ বা রঙ যাকে কিনা লিপস্টিক বলে। কোথায় এবং কিভাবে এই লিপস্টিকের উদ্ভব তা বের করতে ইতিহাসের পাতায় ডুব দিতে হল।

আজ থেকে ৫০০০ বছর আগে ব্যবিলনের কাছে ঐতিহাসিক উর শহরে মেসপটেমিয়ান নারীদের ঠোঁটে লিপস্টিকের ব্যবহার প্রথম দেখা যায়। সেসময় লিপস্টিক হিসেবে ব্যবহৃত হয় মূল্যবান পাথর গুড়া। পাথর চূর্ণ করে একেবারে মিহি গুড়ার প্রলেপ লাগানো হত ঠোঁটের উপর। ইন্দাস ভেলি সভ্যতায় নারীরা লাল রং তাদের ঠোঁটে প্রয়োগ করত।

ঐতিহাসিক মিশরীয় নারীরা আয়োডিন এবং ব্রোমিন থেকে রক্ত বর্ণ রং নিংড়ে বের করত ঠোঁট পালিশ হিসেবে ব্যবহার করার নিমিত্তে। সময়ের আবর্তনে এর নাম হয় মৃত্যু চুম্বন (The kiss of death)। রানী ক্লিওপেট্রা তাঁর ঠোঁটে লিপস্টিক ব্যবহার করতেন। ক্লিওপেট্রার লিপস্টিক তৈরী হত মেরুন রঙের বিটল পোকা থেকে। যা একটি গাঢ় লাল রঙের আভা তৈরী করত। তাছাড়া লিপস্টিকের বেজ হিসেবে ব্যবহার করতেন পিঁপড়া। ১৬০০ শতাব্দিতে ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথ এর শাসনকাল লিপস্টিক বেশ জনপ্রিয় প্রসাধনী ছিল। চক সাদা মুখে গাঢ় রঙের পালিশের প্রকাশ ঘটান। তখন এই ঠোঁট পালিশ তৈরি করা হত মোম আর গাছ-গাছড়া থেকে।

লিপস্টিক একটি আকর্ষনীয় এবং জনপ্রিয় প্রসাধনী হলেও এর বিরুদ্ধে রয়েছে বহু সমালোচনা। প্রথমদিকে ইংল্যান্ডের এক ধর্মযাজক থমাস হল লিপস্টিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেন। তার মতে, মুখে রং ব্যবহার করা শয়তানের কাজ।

১৭৭০ সালে ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট একটি আইন পাশ করে লিপস্টিকের বিরুদ্ধে। সেখানে বলা হয়, কোন নারী সৌন্দর্য্য চর্চার মাধ্যমে কোন পুরুষকে বিবাহের জন্য বিমোহিত করলে তা ডাইনির মত কাজ বলে বিবেচিত হবে।১৮০০ সালে রানী ভিক্টোরিয়া প্রকাশ্যে এই লিপস্টিকের বিরোধিতা করেন। এত সমালোচনার পরও চলচ্চিত্রের কল্যাণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর লিপস্টিক আরো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। (তথ্য-ইন্টারনেট)

লিপস্টিকের আকার হয় মোম দন্ডের ন্যায়। এটা তৈরীতে বিশেষ উপাদান হল জলপাই, খনিজ, রেড়ির তৈল, কোকোয়া বাটার, পেট্রোলিয়াম এবং ভেড়ার চর্বি। এছাড়াও ভিটামিন-ই, এ্যলোভেরা, এমাইনো এসিড, সানস্ক্রিন, কোলাজেন এর সাথে বিভিন্ন রঙ মিশিয়ে আকার প্রদান করা হয়। বর্তমানে বহু রকম লিপস্টিক পাওয়া যায়। সময়ের আবর্তনে লিপস্টিক ধারণ করে আধুনিক রূপ। ১৯৯০ সালে লিপ লাইনার এর আগমন ঘটে।

বর্তমানে লিপিস্টিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঠোঁট রাঙাতে নানা রঙের লিপিস্টিক সব সময় ব্যবহার করে থাকেন নারীরা। তাইতো ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গ হিসেবে লিপিস্টিকের জুড়ি নেই।
*লিপিস্টিক* *প্রশাধনী* *ঠোটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★