ডিজিটাল

ডিজিটাল নিয়ে কি ভাবছো?
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ছোট্ট এক বাচ্চা স্কুলে যাচ্ছে। পথিমধ্যে এক পরিচিত বয়স্ক লোকের সঙ্গে তার দেখা।তিনি রসিকতা করে ছেলেটিকে উদ্দেশ করে বললেন, বাবু তোমার পোস্ট অফিস তো খোলা। ছেলেটিও কম যায় না। ঝটপট উত্তর দিল, সেকি আঙ্কেল! আপনি তো দেখি ব্যাক ডেটেড। এই ইন্টারনেটের যুগেও আপনি পোস্ট অফিসের দিকে তাকিয়ে আছেন়।
*রসিকতা* *বাচ্চা* *ডিজিটাল* *জোকস*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এখন আর ডায়েরি (জিডি) করতে থানায় গিয়ে আবেদনপত্র লিখতে হবে না। ঘরে বসে অনলাইনে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আপনি নিজেই করতে পারেন সাধারণ ডায়েরি। আপনার দলিল, সার্টিফিকেট, পরিচয়পত্র ইত্যাদি হারানো, চুরি, ছিনতাই সংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে বাসায় বসেই নিরাপদে অনলাইনে জিডি করতে পারেন।শুরুতে শুধু ঢাকা মেট্রোপলিটনের সব থানার আওতায় বসবাসকারীরা এ সুযোগ পাচ্ছেন। পাসপোর্ট, ব্যাংকের চেক বই, সার্টিফিকেটসহ কোনো গুরুত্বপূর্ণ দলিল হারিয়ে গেলে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি করা যাবে।
এ ছাড়া বখাটে, মাদকসেবী বা অপরাধীদের আড্ডাস্থল বা অন্য কোনো অবৈধ সমাবেশ সম্পর্কিত অভিযোগ অনলাইনে করার সুযোগ রয়েছে.
যেভাবে জিডি করবেন-

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়েবসাইট এই ঠিকানায় প্রবেশের পর প্রধান পৃষ্ঠার ব্যানারের নিচেই দেখতে পাবেন Citizen Help Request নামের একটি ট্যাব। এই ট্যাবে ক্লিক করলে চলে আসবে আলাদা একটি পাতা। পাতার শুরুতেই অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি নিয়ে কিছু বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। নিচের অংশে রয়েছে তথ্য দেওয়ার তালিকা। এই তালিকা থেকে আপনি যে ধরনের সাধারণ ডায়েরি করতে চান তা নির্বাচন করুন।
নির্বাচনের মাধ্যমে পরবর্তী পাতায় আপনি পাবেন ডায়েরি করার ফরম। ফরম পূরণের শুরুতে আপনি যে থানায় ডায়েরিটি করবেন তা নির্বাচন করতে হবে। এরপর আপনার নাম, ঠিকানাসহ সংশ্লিষ্ট তথ্যাবলি পূরণ করে Submit বাটনটি ক্লিক করলেই সংশ্লিষ্ট থানায় পৌঁছে যাবে আপনার তথ্য।
এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনি একটি শনাক্তকরণ নম্বর ও থানা থেকে কখন ডায়েরি সংক্রান্ত সত্যায়িত কাগজটি সংগ্রহ করবেন তার সময় জানতে পারবেন। নম্বরটি সংরক্ষণ করুন। কারণ থানা থেকে আপনার সাধারণ ডায়েরির সত্যায়িত কপিটি সংগ্রহ করতে পরে নম্বরটির প্রয়োজন পড়বে।
তথ্য ও পরামর্শ
অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি সংক্রান্ত যেকোনো পরামর্শ ও তথ্যের জন্য bangladesh@police.gov.bd ঠিকানায় মেইল পাঠাতে পারেন। অথবা ফ্যাক্স করতে পারেন ০২-৯৫৫৮৮১৮ নম্বরে।

*জিডি* *সাধারণডায়েরি* *অনলাইন* *ডিজিটাল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (Virtual Reality) VR- নামে আপনার বাচ্চার চোখের ক্ষতি করছেন কি???
★★★★★★★★★★★★★

VR Box ব্যাবহারে মাথা ব্যাথা, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, motion sickness, cyber sickness, cyber addiction থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের বিকৃতি, নার্ভ টিস্যু ডেমেজ হয়ে থাকে। এই কথা গুলো wall streat journal এ উঠে এসেছে।

তাছাড়া চোখের ক্ষতিকর দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলঃ

১. কাছের বস্তু দেখার জন্য ২৫ সেন্টিমিটার দূরত্ব দরকার হয়। ঐ দূরত্বের থেকে, আর ও কাছে কোন স্বাভাবিক চোখ, কোন বস্তুকে স্পষ্ট দেখতে পায় না। VR Box এর ডায়ামিটার ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার!!!

২. চোখের কর্নিয়া নষ্ট হয়ে যেতে পারে!!!!

চোখের কর্নিয়ার নিজের কোন রক্ত চলাচলের নালিকা নেই, তাই সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে, অক্সিজেন গ্রহন করে, তাছাড়া ডিফিওসানের মাধ্যমে ও অক্সিজেন গ্রহন করে থাকে। VR BOX ব্যাবহার এ কর্নিয়ার অক্সিজেন গ্রহনের মাত্রা কমে যায়। দৈনিক ১২ ঘন্টার বেশ সময় এই VR Box ব্যাবহার করলে চোখের কর্নিয়ার মারাত্বক ক্ষতি হতে পারে।

৩. চোখ জ্বালাপোড়া করে, এর কারন হল কর্নিয়ার ড্রাইনেস। এবং কিছু সময় পর পর চোখ দিয়ে পানি পরা শুরু হতে পারে।

৪. আমাদের চোখের গঠন অনেকটা ক্যামেরার মত। চোখের লেন্স, কাছের বস্তু দেখার জন্য বড় হয়ে যায় এবং দূরের বস্তু দেখার জন্য, লেন্সের ডায়ামিটার কমিয়ে ছোট করে ফেলে, সমস্ত প্রকৃিয়াটিকে এ্যাকোমোডেশান বলে। অধিক সময় বাচ্চারা যদি VR Box ব্যাবহার করে, গেইম বা মুভি দেখে, তাহলে এ্যাকোমোডেশানে সমস্যার কারনে চোখে ঝাপসা দেখতে পারে।

৫. EyeStrain - চোখের ক্লান্তি!!! চোখ সঠিক ভাবে ব্যাবহার না করলে, বিকৃত যান্ত্রিক ভাবে চোখকে ব্যাবহার করলে, একদৃষ্টি তে বেশিক্ষন তাকিয়ে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টেব ও ব্যাবহার করলে EyeStrain হয়ে থাকে।
যা VR Box ব্যাবহারকারিরা ও এ সমস্যায় পরতে পারে।

৬. আর যদি আপনার চোখের লেন্সে, আগে থেকে কোন সমস্যা থাকে, আপনি চশমা ছড়া, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি টের ও পাবেন না। কর্তিপক্ষ আপনার কথা না ভেবেই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বক্স তৈরি করেছে।

★★★★ আমার কল্পনায়, যে ভার্চুুয়াল রিয়েলিটির কাজ করে, তা আমি কাউকে বুঝাতে পারি না!!! এটা ঠিক!!!
কিন্তু আপনি চাইলে, চোখ বন্ধ করেই 3D, 4D, 5D তে আপনার সব চেয়ে, প্রিয় মানুষজনের মুখ দেখতে পারবেন। মহান সৃষ্টিকর্তা, আমাদের সকলকেই এই ক্ষমতা দিয়েছেন। এজন্য আলাদা কোন ডিভাইজ্ দরকার হয়ে না!!!

★★★★★★★★★★★★★★★
বিজ্ঞাপনটি তে বলা আছে..... এটি
যেকোন স্মার্টফোনের সাথে সেট করুন, আর হারিয়ে যান 3D'র দুনিয়ায়!!!!
চোখে দিয়ে উপভোগ করুন অসাধারণ প্রাণবন্ত সিনেমা অভিজ্ঞতা!!!! তাই অসাধারন এই অভিজ্ঞতা নিতে আজই আপনার বা আপনার শিশুর জন্য VR Box পণ্যটি সংগ্রহ করুন!!!!!
VR Box Headset
• হালকা ওজন তাই দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারযোগ্য
• লেন্সঃ HD Aspheric surface (চোখের কোনো ক্ষতি করে না)!!!!!
★★★★★★★★★★★★★★★

লেখাঃ
ডাঃ শেখ মাহ্ফুজুল হক সোহাগ

*বেশটেক* *বেশম্ভব* *ভার্চুয়াল* *ডিজিটাল* *অন্ধত্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটেল যুগের ভালবাসা টিকিয়ে রাখতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে মানিয়ে নিতেই হবেঃ
>
-টুনি সেলফি আপলোড করবে বিভিন্ন গ্রুপে পেইজে কুনু সমস্যা নেই !
>
-তার একটা দুইটা BF মানে Best Friend থাকবে ৷
>
-টুনি নিজেই বলে দিবে বেস্ট ফ্রেন্ডগুলো আবার ভাইয়ের মত দেখতে !
>
-কুনু প্রকার সন্দেহ করা যাবে না, সর্বদা বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যেতে হবে ৷
>
-ভুলেও পার্সনাল বিষয় নাক গলানো যাবে না যেমন ফেসবুক পাসওয়ার্ড ইত্যাদি ইত্যাদি
>
-'প্রত্যেক মানুষের প্রাইভেসি বলে কিছু বেপার সেপার আছে থাকে' - এসব কথা শুনে ফোর-জি গতিতে হ্যাঁ বলার অভ্যেস করতে হবে ৷
>
-ক্রাশ নামক কোন গ্রুপ/পেইজ হঠাৎ একদিন দেখবেন টুনির রূপের বর্ণনা, সেইই ফিগার, টানা টানা চোখ, সেলফি'তে বকের মত বেঁকে যায় ঠোট-- টুট টুট যা আপনারও জানা ছিল না মিস দীপিকাকে হার মানানো লেখনি তা দেখে রাগ করা যাবে না !
>
-দুই একটা লেট নাইট পার্টি তার সাথে একটু ড্রিংকস দুই একটা সিগারেট খেলে তেমন কিছু আসে যায় না টুনির আপনার ও তা দেখে ইগো আসা যাওয়া করা যাবে না ৷
>
-বাসার শীতকালীন শাক সবজি সব পেস্ট বানিয়ে মুখে পরিবেশন করলে ও কিচ্ছু বলা যাবে না ৷
>
-রাঙ্গামাটি থেকে অর্ডার দিয়ে নিয়ে আসা কলার হাফ ডজন থেতলিয়ে চুলে দিলেও না বলা থাকতে হবে ৷
>
সর্বোপরি, আপনাকে ফ্রি মাইন্ডের হতে হবে ৷ ডায়লগ একটাই, "উই আর ডোন্ট মাইন্ড ৷"
>
আর যদি তা না পারেন সত্যি আপনার কপালে টুনি আছে থাকবে কি না তা ভাবতে হবে তবে যারা এখনো ম্যাডাম টুনি হতে পারে নি মানে "ক্ষেত টুনি" তাদের খুঁজে নেওয়া এখন সময়ের দাবী ৷

*ভালোবাসা* *ডিজিটাল* *এনালগ* *আবেগ* *প্রতারনা*
*ডিজিটাল* *এনালগ* *আবেগ* *প্রতারনা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে




মহিলারটির নাম "Pauline Shoemaker"। বাংলাদেশে এসেছিলেন "Full Bright Scholarship"-এর মাধ্যমে। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির বিদেশীদের নিয়ে বিশেষ পর্বে অভিনয়ও করেছেন। সেখানেই ছবি তুলেন রিক্সাচালকসহ বিভিন্ন দেশী মানুষের সাথে। সেই ছবির একটি US Embassy, Dhaka তাদের ফেইসবুকে পোস্ট দেয়। view this link


২-৩ মাস পর যেটি কোনভাবে নজর কারে রেডিও ঢামাকা নামক কোন পেইজের।
view this link
ব্যাস! প্রসব হয়ে গেল নিউজ- "সততায় মুগ্ধ মার্কিন যুবতি, বিয়ে করলেন বাঙালি রিক্সা চালককে"


Pauline-এর নাম হয়ে গেল ব্রাউন। যে রিক্সাচলকের সাথে ছবি তুলেছেন তার নাম হয়ে গেল মোকলেস। "bangladesh24online"-নামের একটি "বস্তুনিষ্ঠ" অনলাইন "পত্রিকায়" জায়গা করে নিল। মজা করেই হোক বা বিশ্বাস করেই হোক, শেয়ার হল ৭.৬ হাজার, তাদের পেইজে লাইক পেল ৫ হাজারের উপরে। অত:পর আরো বিভিন্ন ২৪, ৪২০ নিউজ পোর্টালে খবরটি ছাপা শুরু হল। পাবলিক ডিমান্ড বলে কথা!
গতকাল আবার bangladesh24online পত্রিকা সংশোধনী ছেড়েছে। view this link

ফেইসবুক বন্ধ করাতে অনেকেরই ব্যবসায়িক ক্ষতি অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু এসব বিবেকহীনতা ও নির্বুদ্ধিতার মাঝে এই সামাজিক মাধ্যম প্রতিদিন দেশের জাতিগত মূর্খতাকে যেদিকে নিয়ে যাচ্ছে, সেই ক্ষতি টাকায় মাপলে কি খুব কম হবে?
ফেইসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা যেমন সমাধান না, তেমনি এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন লাইসেন্সবিহীন "মিডিয়াগুলো"-কে অবাধে চলতে দিয়ে মূর্খতা প্রসার করতে দেওয়াও উচিত না। সরকারের উচিত আরো একটু মাথা খাটানো। স্কাইপ, ফেইসবুক, ভাইবার ব্যবহার করে নাশকতার পরিকল্পনা করছে সন্ত্রাসীরা, বুঝলাম। কিন্তু সেই নাশকতা সফল হয় সাধারন জনগণকে বিভ্রান্ত করেই। যদি জনগনকে সচেতন করা যায়, একত্র করা যায়, তবে এইসব নাশকতা সফল হওয়া সম্ভব হবে না। তাই এসব কান্ডজ্ঞানহীন মিডিয়াগুলোকে দায়িত্বশীল করুন। নিবন্ধনের আওতায় আনুন। মিনিটে মিনিটে চাচা-খালা-ভাই নিয়ে ঘরে বসে বসে এদের খবর প্রসব করা বন্ধ করুন। ওয়েব সাইটের মাধ্যমেই এরা টাকা উপার্জন করে। এটাই তাদের মূল মোটিভেশন। সেটা না থাকলে, ফেইসবুকে এরা এসব অবিবেচক নিউজ প্রচার করবে না। এসব ব্যপারে হূটহাট সিদ্ধান্ত না, দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী পরিকল্পনা দরকার।

ফেইসবুকে আপনারা যারা এসব নিউজ না ঘেটেই মজা করে শেয়ার দিচ্ছেন, দয়া করে মনে রাখবেন আপনার শেয়ারের মাধ্যমে এসব মিডিয়াগুলো আরো ফলোয়ার পাচ্ছে। আজ এরা "দেখতে অক্ষতিকর" নিউজ দিলেও কাল এরাই চাঁদে সাইদিকে দেখাবে। রাস্তায় মানুষ মরবে আবারো।
দায়িত্ব নিন নিজে, দায়িত্ব কেবল সরকার না, আপনাকেও নিতে হবে। তাই, সতর্ক থাকুন।

*নিউজ* *সচেতনতা* *জনগন* *পেপার* *বাংলাদেশ* *ইউএস* *খবর* *মানসিকতা* *ডিজিটাল*
*সচেতনতা* *জনগন* *পেপার* *বাংলাদেশ* *ইউএস* *খবর* *মানসিকতা* *ডিজিটাল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


এরাই আইন করে নিজেদের সুবিধার জন্য। আবার সেই আইনও ভঙ্গকরে নিজেদের প্রয়োজনের বেলাই! একদম ডিজিটাল সিস্টেম ;)

একটা ব্যাপার ভেবে খুব হাসি পাচ্ছে- সরকার নাশকতা এড়াতে ফেসবুক, ওয়াটসাপ, ভাইবার সব বন্ধ করে দিল। অথচ সবাই সেই আগের মতই এসব ব্যবহার করে যাচ্ছে। আমাদের কথা নাহয় বাদ-ই দিলাম। সরকার দলের এমপি মন্ত্রীরাও তাদের সরকারকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাচ্ছে। এ কেমন জাতি! কেমন দেশ! কেমন সরকার! আর কেমন তার এমপি মন্ত্রী! :D

এমন ডিজিটাল বাংলাদেশ কি জাতি চেয়েছিল?

মানলাম, নাশকতা সৃষ্টিকারীরা এসব মাধ্যম ব্যবহার করে নাশকতা ছড়াতে পারে তাই সরকার এগুলো বন্ধ করেছে। আচ্ছা, নাশকতা সৃষ্টিকারীরা কি গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক, রবি, এয়ারটেল এগুলো ব্যবহার করতে পারে না?

যাগ্গে, কোন বিষয়ে বেশি মাতামাতি করলে সে বিষয়ে মজা তো থাকেই না, বরং বিরক্তি ধরে যায়। অনেক ঘুরাঘুরি করেছেন। এবার সেই আগের নিয়মেই যারযার মত ফেসবুক ব্যবহার করুন।

যার কেহ নাই, তার প্রক্সি আছে.।

*ফেসবুক* *ডিজিটাল* *বাংলাদেশ* *বেশটেক*
*ডিজিটাল* *বাংলাদেশ* *বেশটেক*
ছবি

নাবালক: ফটো পোস্ট করেছে

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ডিজিটাল বাংলাদেশ
আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখন থেকে আরও ডিজিটাল হবে। আশা করা যায়. অচিরেই ঢাকা শহরের যানজট একদম কমে যাবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। আমরা বাঙ্গালী জাতি সেই সপ্ন দেখতেই পারি। কেননা ঢাকার যে অবস্থা রাস্তাঘাট সমুদ্র হয়ে গেছে এখন শুধু রাজপথে লঞ্চ স্টিমার নৌকা চলার অপেক্ষাই সেটা ও বোধহয় বেশিদিন লাগবেনা
*ঢাকা* *মেঘ* *ডিজিটাল* *কানাই* *সাদ*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[রানী-হাসাইলিরে] ডিজিটাল ভিক্ষা: মায়া গো ... দুইল্লা Like দিবাইন ? - তুমি না কাইলও আইলা ? ওইডা আমি নাগো ... আমি বিসুদ-শুক্কুরবার ছাড়া আয়ি না! - আমি যেইনো হেইনো Like দেই না। মাপ করো ! Like না দিলে মাপ করতাম না। - যা ভাগ এন্তে ! হুনুইন ... দিলে দিবাইন, না দিলে নাই...হাশরের ময়দানো মাউস লইয়া পিছে দৌড় পারলেও কাম অইতো না ... কইয়া থইলাম!!!
*মাথানষ্ট* *পুরাইধরা* *ডিজিটাল* *কমেডিয়ানহাফিজ*

Risingbd.com: ‘৩০০ সিনেমা হল ডিজিটাল হবে’ যারা সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করবেন, তারা কর অব্যাহতি পাবেন। ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। আকাশ সংস্কৃতির যুগে প্রতিযোগিতায়...বিস্তারিত- http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=101207

*সম্প্রতি* *সিনেপ্লেক্স* *ডিজিটাল* *চলচ্চিত্রশিল্প*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কেউ একজন বলেছিল " জীবন সবচেয়ে জটিল অংক। যেভাবেই তুমি সমাধান করো না কেন? এর ফলাফল মৃত্যু" তাই বারবার মৃত্যু উধাহরন হয়ে অাসে অামদের জীবনে।

ইউটিউবে যখন পিনাক-৬ এর ডুবে যাওয়া দেখি, রানা প্লাজা ধসের সময় মানুষের অার্তনাদ, বাঁচার অাশায় ছাদ থেকে লাফিয়ে রক্তাক্ত হওয়া দৃশ্য, অত:পর স্বজনের প্রিয় হারানোর প্রলাপ শুনি। তখন মনে হয় যখন ঘটনা গুলো ঘটে তখনকার সম্ভাব্য মৃত্যু কিভাবে সহনশীল হয়ে ওঠে? সম্ভাব্য মৃত্যুপথযাত্রীদের?

এমনই একটা ভয়ংকর সত্য ফলাফলের মুখোমুখি হতে দেখেছি। নতুন করে চিন্তার ভিতর, মৃত্যু চিন্তার বীজ বপণ হলো।

এসব মুহুর্তে সবার মধ্যেই বাঁচার এক অব্যর্থ অকুলতা কাজ করে। যতটুকু না নিজের প্রয়োজনে, তারচেয়েও বেশী পরিবারের প্রয়োজনে ( পরোক্ষভাবে)। তবে সমরেশ মুজুমদারে কথায় বলেতেই হয়। অর্জনের খাতাটা ভারি করে কি লাভ? যদি অামাদের মৃত্যুর কাছে এভাবে চুপিচুপি অার্তসমপর্ন করতে হয়?

প্রত্যাশা : প্রাকৃতিক আগুনে দগ্ধ হতে চায় বারবার। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশে, ডিজিটাল ভবনে,ডিজিটাল অাগুনে পুড়ে মরতে, মাইরি বলছি খুব লজ্জা করে। অামরা যদি ডিজিটাল বাংলাদেশে সত্যিই বসবাস করি, তাহলে  নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বলয়ে ডিজিটাল হতে চাই, মৌখিক ডিজিটালতা চাই না, সত্যিই চায় না।
*ডিজিটাল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডিজিটাল বাংলাদেশের আদলে প্রতিবেশি রাষ্ট্র মালদ্বীপ নিজেদের দেশকে করবে ‘ডিজিটাল মালদ্বীপ’। বাংলাদেশের ডিজিটালাজেশন কার্যক্রম দেখে এই মডেল অনুসরণের আগ্রহী মালদ্বীপ।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প এবং মালদ্বীপ সরকারের ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফরমেশন টেকনোলজি’র মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মালদ্বীপের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং হেড অব কমিউনিকেশন আহমেদ আদিম এবং এটুআই প্রকল্পের পরিচালক কবীর বিন আনোয়ার।

মালদ্বীপ ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল অভিজ্ঞতা তাদের নিজ দেশে বাস্তবায়নের আগ্রহের কথা জানায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে। মালদ্বীপে সরকারের প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফরমেশন টেকনোলজি’ তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ, অগ্রগতি ও প্রসারে কাজ করে।

চুক্তির আওতায় এটুআই প্রোগ্রাম মালদ্বীপ সরকারকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম তৈরি, ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা, অনলাইনে হজ ব্যবস্থাপনা, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রসেস, বিদ্যমান সরকারি সেবাকে ই-সেবায় রূপান্তর, ন্যাশনাল পোর্টাল ও ডাটা সেন্টার স্থাপন বিষয়ে সহযোগিতা করবে। এ উদ্যোগ সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে বলে জানা গেছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা অন্যদেশে ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে এটি প্রথম কোনো সমঝোতা স্মারক। এটুআই সূত্রে জানা গেছে, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ থিম বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভুটান, নেপাল ও সেশেলেস আইল্যান্ড।

এটুআই জানায়, মালদ্বীপে স্কুলের সংখ্যা অপ্রতুল। যে স্কুল রয়েছে সেগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম তৈরি করে আধুনিকায়ন শিক্ষাদান কার্যক্রম চালু করা হবে। একই সঙ্গে টেলিমেডিসিন সেবাও চালু হবে বলে তিনি জানান। হজ ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের কাজও করবে এটুআই প্রকল্প। প্রতি বছর বহু লোক মালদ্বীপ থেকে হজ করতে যায়। কিন্তু যারা হজ করতে যায় তাদের ‘ট্র্যাক’ করার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মালদ্বীপকে সমস্যা পোহাতে হয়। এ কারণে দেশটি এটুআই কাছ থেকে হজ ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করবে, দেশটির সমুদ্র বন্দরকে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে ‘কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স প্রসেস’ও তৈরি করে দেবে এটুআই।
*বাংলাদেশ* *ডিজিটাল* *বেশটেক*
*ডিজিটাল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সরকারি কাজে গতিশীলতা আনতে কর্মকর্তাদের হাতে ২৫ হাজার ট্যাবলেট পিসি তুলে দিচ্ছে সরকার। রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার কর্মসূচির অংশ হিসাবে ‘ইনফো সরকার-২’ নামের একটি প্রকল্পের আওতায় কর্মকর্তাদের এই ২৫ হাজার ট্যাব দেওয়া হচ্ছে। ট্যাবলেট পিসি ব্যবহার করে ডিজিটাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে একজন কর্মকর্তা অফিসের বাইরে থেকেও দাফতরিক কাজ এগিয়ে নিতে পারবেন। যেকোনো সময় কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। ফাইলের সর্বশেষ অবস্থাও জানতে পারবেন। সরবরাহ করা ট্যাবে উন্নত প্রযুক্তি সন্নিবেশ ও এটি যাতে টেকসই হয় তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং টিম কাজ করেছে। একই প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ের ৩০টি সরকারি অফিস এবং জেলা পর্যায়ের ৫৫টি সরকারি অফিস একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি অফিসসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম চালু করার লক্ষ্যে ৪২১টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়সহ ৮০০টি অফিসে ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। ৪৮৫টি উপজেলার অফিসগুলোতে রাউটার অব্যাহতভাবে চালু রাখতে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়কে ওয়াই-ফাইয়ের আওতায় আনাসহ দেশের উল্লেখযোগ্য ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পের আওতায় যশোরে একটি ডাটা রিকভারি সেন্টার স্থাপিত হচ্ছে। সরকারের এ দুয়ার দিয়েই বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার বার্তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের এমন উদ্যোগে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়ানোর পাশাপাশি কাজের দীর্ঘসূত্রতা কমবে বলে আশা করছে বিশেষজ্ঞরা।

*বেশটেক* *ডিজিটাল* *সরকার*
*ডিজিটাল* *সরকার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★