ডিভোর্স

ডিভোর্স নিয়ে কি ভাবছো?

জিসান জাকারিয়া: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ভাই, বিয়ে তো জীবনে একবারই করবেন !!
বিয়ে জীবনে একবারই করবো (ভালবাসি) তাই খুব ভালো ভাবে বিয়ে করবো । আর পকেট একদম ফাঁকা করে ফেলে বিয়ে করবো । (কুল)
ভাই বরং বলেন, প্রথম বিয়ে তো জীবনে একবারই করবেন । (ব্যাপকটেনশনেআসি) কারন যেভাবে ডিভোর্সের খবর পাই আকাশে বাতাসে, বিয়েটা আবার করতে হতেও পারে (চুপ২)
*বিয়ে* *দাম্পত্যেটানাপোড়েন* *ডিভোর্স*

Risingbd.com: ডিভোর্সের পথে সালমানের বোন স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না অনেক দিন ধরেই। অভিযোগ উঠেছে মারধর করারও। তাই তাকে ডিভোর্স করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালমান খানের ‘রাখি বোন’ শ্বেতা রোহিরা। গত বছরই অভিনেতা পুলকিত...বিস্তারিত- http://bit.ly/1Q18Ism

*বিনোদন* *বলিউড* *তারকাখবর* *ডিভোর্স* *বিয়ে* *সালমানখান*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

[এজে-ইস্টপ] ডিভোর্সের প্রথম শর্ত পালন করলাম। - সে কি? আপনি কি আপনার বরকে ডিভোর্স করতে যাচ্ছেন? . . না, মানে কেবল বিয়ে করলাম আর কি।
*ডিভোর্স* *বিয়ে* *কমেডিয়ানহাফিজ*

মোঃআশিকুর রহমান: [শেয়ালপণ্ডিত-কিআছেজীবনে] যে সম্পর্কে বিশ্বাসের অভাব, ডিভোর্স সেখানে উপস্থিত থাকে।

*ডিভোর্স*

Dipti: [পিরিতি-হৃদয়েআমারআগুনজ্বলে] মানুন আর নাই মানুন, বন্ধুরা সংসারে অশান্তি তৈরি তথা ডিভোর্সের জন্য অনেক ভাবেই দায়ী। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেয়া, স্বামী বা স্ত্রীর সাথে বন্ধুর পরকীয়া, বন্ধুর ভুল পরামর্শে নিজের সংসারে অশান্তি, প্রতারণা বা ছলনার শিকার হওয়া ইত্যাদি খুব সাধারণ বিষয়।

*ডিভোর্স* *সম্পর্ক*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। প্রায় ১৬ হাজার মানুষের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে এ ক্ষেত্রে নারীরা মানসিকভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এমনকি দ্বিতীয়বার বিয়ে করলেও তারা সেই মানসিক ধকল কাটিয়ে উঠতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল সার্কুলেশনে প্রকাশিত এই গবেষণায় আরো বলা হয়েছে বিবাহ বিচ্ছেদের ফলে যে প্রবল মানসিক চাপ তৈরি হয় সেটি দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

তবে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন বলছে বিবাহ বিচ্ছেদকে হৃদরোগের জন্য বড় ঝুঁকির হিসেবে চিহ্নিত করার আগে আরো গবেষণা করা প্রয়োজন। সাধারণত প্রিয়জনের মৃত্যু হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলার বিষয়টি অনেকেরই জানা। এখন যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় বিবাহ বিচ্ছেদের পর একই ধরনের প্রভাবের কথা বলছে। ১৯৯২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত চালানো গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের অন্তত একবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে পুনরায় বিয়ে করলে নারীদের ক্ষেত্রে হৃদরোগের ঝুঁকি সামান্য কমলেও পুরুষরা সেটি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নারীদের ক্ষেত্রে প্রথম বিয়ে নিজেদের জন্য সুরক্ষা দিলেও পরবর্তী বিবাহে তাদের জন্য খানিকটা অনিশ্চয়তা থাকে। গবেষকরা বলছেন মানুষের মানসিক চাপ তৈরি হলে সেটি তার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। উচ্চরক্তচাপের কারণে যেসব ঝুঁকি তৈরি হয় সেগুলোর জন্য ওষুধ থাকলেও বিবাহ বিচ্ছেদের ফলে যে মানসিক চাপ তৈরি হয় তার কোনো সহজ সমাধান নেই। গবেষকরা বলছেন মানুষের মানসিক চাপ তার শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে তারা বলছেন হৃদরোগের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ কতটা বড় ঝুঁকি তৈরি করে সেটি নির্ণয় করার জন্য আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

*ডিভোর্স*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[ভাউ-শয়তান] স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়ার পর- স্ত্রীঃ এবার কিন্তু আমি তোমাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হব! স্বামীঃ এই, এই নাও চকলেট খাও। স্ত্রীঃ থাক থাক, আর রাগ ভাঙাতে হবেনা! স্বামীঃ না রে পাগলি, "শুভ কাজের আগে, একটু মিষ্টি মুখ করতে হয়।"
*ঝগড়া* *ডিভোর্স* *কমেডিয়ানহাফিজ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দাম্পত্য জীবন মানেই সম্পূর্ণ ভিন্ন মানসিকতার দুজন মানুষের একে অন্যর পরিপূরক হয়ে ওঠার এক অসম চেষ্টা, একজন আরেকজনের ভালো মন্দ, হাসি কান্না আর সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করার এক দীর্ঘ যাত্রা।

এই যাত্রা পথে আমাদের সামনে নানা প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয় যার সবটাকে আমাদের অত্যন্ত কৌশল আর বুদ্ধিমত্তার সাথে মোকাবেলা করতে হয়। আপনি যদি সফল হন তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবন সুরক্ষিত থাকে আর অন্যথায় আপনার দাম্পত্য জীবনে নেমে আসে ডিভোর্সের মতো ভয়ানক ব্যাপার।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ডিভোর্স কি আপনার জীবনের সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে? তাই খুব বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নিন। ডিভোর্স দেওয়ার আগে আপনার কিছু ব্যাপার সম্পর্কে ভাবা খুব জরুরী।

আপনি আপনার সঙ্গীকে এখনো ভালোবাসেন কি?

ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যেই ব্যাপারটা আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে তা হল আপনার সঙ্গীর প্রতি আপনার সমস্ত ভালোবাসা শেষ হয়ে গেছে কি না। আপনি যদি নিতান্তই ঝোঁকের বশে, রাগের বশে বা পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন কিন্তু মনে প্রাণে এখনো আপনি আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসেন তাহলে বলবো আপনি আরেকবার ভাবুন। আপনার সঙ্গীর প্রতি যদি আপনার মনে ভালোবাসা নামক বস্তুটি এখনো পর্যন্ত শেষ না হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে ডিভোর্স আপনার সমস্যা বাড়াবে।

ডিভোর্সের জন্য যুক্তিপূর্ণ কোন কারণ আছে তো?

বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ হবেই এটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। কিন্তু আপনি সেই কলহের সূত্র ধরে সেটাকে ডিভোর্স অব্দি ইয়ে যান তাহলে সেটা হবে আপনার নিতান্তই ভুল সিদ্ধান্ত। তাই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন ডিভোর্স নিচ্ছেন তার একটি যুক্তিপূর্ণ কারণ দেখান।

আপনি ঠিক করছেন তো?

পরিস্থিতির চাপে পড়ে মানুষের মনে একেক সময় একেক রকম বাজে চিতা ভাবনা চলে আসে। তাই ডিভোর্স যদি নিতেই চান অথবা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেন তাহলে একবার শান্ত মনে ভেবে দেখুন আপনি ঠিক কাজই করছেন কিনা। একবার যদি ডিভোর্স হয়ে যায় তাহলে কিন্তু আর ঠিক ভুল বিচার করার কোন অপশন আপনি পাবেন না।।

ডিভোর্স পরবর্তী আপনার করণীয় ঠিক করেছেন তো?

ডিভোর্স দিলেই আপনার জীবনের মর ঘুরে যাবে আপনার জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে সবটা মেনে নিলাম আপনার সব ধারণা ঠিক আছে। কিন্তু আপনি নিজে একবারও ভেবে দেখেছেন ডিভোর্স পরবর্তী আপনার পদক্ষেপ কি হবে? আপনার পরিবারে আপনার অবস্থান কোথায় যাবে, সমাজে আপনার পরিচয় কি হবে আর, পারবেন তো সবটা সামলে আগে বাড়তে? তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে আগে ডিভোর্সের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ভেবে নিন।

ভেবেছেন আপনার সন্তানের কথা?

ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত আপনাকে আরও সতর্কতার সাথে নিতে হয় যখন আপনার সাথে আপনার সন্তানের জীবনও জড়িয়ে থাকে। আপনারা ডিভোর্স নিয়ে নিজেদের জীবন ঝুঁকিমুক্ত রাখলেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার সন্তানের উপর এই অনাকাংক্ষিত ঘটনা কতোটা প্রভাব ফেলবে সেটা সবার আগে ভাবুন। দেখবেন আপনাদের এই ডিভোর্সের বোঝা সারাজীবন না আপনার সন্তানকে বহন করতে হয়।

ডিভোর্স নিয়ে নিলেন ঠিক আছে, কিন্তু পরবর্তীতে আপনি যে আরও কোন সম্পর্কে আবদ্ধ হবেন না আর আবার যে এই একই রকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে না এর কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই মাথা ঠাণ্ডা রেখে সবটা ভেবে চিন্তে তারপর কোন সিদ্ধান্ত নিন।

-মূল: , পরামর্শ.কম

*ডিভোর্স* *সম্পর্ক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★