ঢাকাইয়া খাবার

ঢাকাইয়াখাবার নিয়ে কি ভাবছো?

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফারসি শব্দ শিরমাল। ‘শির’ অর্থ দুধ এবং ‘মাল’ অর্থ মালিশ করা বা দলা। একসময়ের জনপ্রিয় রুটি শিরমাল এখন প্রায় বিলুপ্ত। কালেভদ্রে এর দেখা মেলে। শবেবরাত বা বিশেষ কোনো উপলক্ষে এখনও পুরান ঢাকায় তৈরি হয় এই রুটি। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে ঐতিহ্যবাহী আনন্দ বেকারি। এখন ঢাকায় এতরকম শিরমাল পাওয়া না গেলেও আনন্দ বেকারি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কারণেই এখনও উৎসবে পার্বণে শিরমাল রুটির দেখা মেলে।

ইতিহাসবিদদের মতে- শিরমাল রুটি ঢাকায় আসে মুঘল আমলে। ঢাকায় মুঘল সুবেদাররার শিরমাল নিয়ে আসে। অভিজাত পরিবারে জিয়াফতে বাড়িতে তন্দুর বসিয়ে অভিজ্ঞ বাবুর্চি দিয়ে শিরমাল তৈরি করা হতো। সে সময় শিরমাল সুজি দিয়ে তৈরি হতো। কখনো কখনো রুটির ময়দাও দেয়া হতো। আসল শিরমালে ব্যবহার করা হতো মাওয়া, ঘি ও দুধ । এতে পানির ব্যবহার ছিল না। প্রথমে ময়দার সাথে মাওয়া মেশানো হতো। কিছুক্ষণ পর ঘি আর বাকি ময়দা দিয়ে দুধ মিশিয়ে দলা হতো।

কয়েকঘণ্টা ভেজা চাদরের নিচে রাখার পর রুটি বানিয়ে তারপর তন্দুরে সেকা হতো। সেকাকালীন একটু পর পর দেয়া হতো দুধের ছিটা। এতে রুটিতে লালচে ভাব হতো, বাড়ত ঘ্রাণ। শিরমাল বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্ধ্যায় তৈরি হতো এবং রাতের খাবারে দুধ বা কোরমা দিয়ে খাওয়া হতো। ভোরে শিরমালের খামির দিয়ে যে রুটি তির হতো তাকে বলা হতো গাওদিদাহ।

ভারতের লখনউ থেকে আসা হালুইকররা সবচেয়ে ভালো শিরমাল তৈরি করতো। তখন শিরমাল ছিল কয়েক রকম। তন্দুরে থাকা অবস্থায় দুধ ছিটিয়ে যে রুটি তৈরি করা হতো তা ছিল রওগনি শিরমাল নামে পরিচিত। ঢাকার অদূরে মিরপুরের বাথান থেকে ভালো দুধ আসতো, এটি দিয়েই তৈরি হতো শিরমাল। ঘি ছাড়া রোগীর জন্য তৈরি হতো ডিম্বাকৃতির আরেক রকম শিরমাল। এর নাম ছিল গাওযবান। শিরমাল ঢাকায় ‘সুখি’ ‘নিমসুখি’ নামেও পরিচিত ছিল।

সূত্র: ঢাকাই খাবার

*শিরমালরুটি* *ঢাকাইখাবার* *পুরানঢাকারখাবার* *ঢাকাইয়াখাবার* *ঐতিহ্য* *লখনৌ*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই ভারতীয় ছবি ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ নামেই নামকরণ করা হয়েছে এই রেস্তোরাঁর। ‘লুঙ্গি ড্যান্সের’ আবেশ আনতে সাইনবোর্ডে আছে লুঙ্গি পরা অবস্থায় অভিনেতা রজনিকান্তের ক্যারিকেচার।

খাবারেও আছে কিছু ‘বাহারি’ নাম, আবার বিশেষ ব্যবস্থায় এখানে মিলবে হাজির বিরিয়ানিও। তবে খাবার এখানে বেশিরভাগই ভারতীয়।
 
আর একারণেই বলিউড সিনেমার নামে নামকরণ "চেন্নাই এক্সপ্রেস"

পাওয়া যায় ‘চেলো কাবাব’, কলকাতার পিটার ক্যাট নামক রেস্তোরাঁর একটি বিশেষ খাবার। যাতে এক সঙ্গে মিলবে পোলাও, চিকেন রেশমি কাবাব, বিফ বা মাটন কাবাব, মিক্সড ভেজিটেবল, ডিম পোচ, বাটার লাচ্ছি আর পুদিনার পানি। অন্যান্য খাবারের মধ্যে আছে হরেক রকমের কাবাব, দই ফুচকা, পাপড়ি চাট, বেশ কয়েকরকমের রোল ইত্যাদি।


সাত রকমের সেট মেনু আছে, দাম ৩৭৫ থেকে ৪৯৯ টাকা। হাজির বিরিয়ানিসহ সেট মেনু সাড়ে তিনশ টাকা।
*রেস্টুরেন্ট* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার* *আড্ডা*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঢাকার রেস্তোরঁগুলোর নাম নিয়ে প্রতিযোগিতা হলে ঢাকার ‘চাপের গলি’‘চাপ সামলাও’ অন্তত ‘তামাশা’ বিভাগে হয়ত পুরষ্কার জিতেও নিতে পারত! এই তামাশাকে অবশ্য কিছু পাঠক পোস্টমডার্ন ঘরানার ‘প্লেফুলনেস’য়ের সঙ্গে হয়ত মেলাতে পারবেন। তবে এই ‘চাপের গলি’ কিন্তু পুরান ঢাকার কোথাও না! আদতে এর অবস্থান বনানীতে, ১৭/এ রোডের ২৮ নম্বর বাড়িতে। আর রেস্তোরাঁর কারণে পোশাকি নাম বদলে তারা গলির নাম বদলে দিয়েছেন।  

চাপ সামলাও
চাপ সামলাও

রেস্তোরাঁর ভেতরে ঢুকলে অবধারিতভাবে চোখে পড়বে শুধু চাপ আর চাপ! পাঠক এখানে আসলে ভেতরের ছোট ছোট ছবির কথা বলা হচ্ছে, কারণ প্রতিটি ছবির থিম ওই ‘চাপ’! দুই বাসের মাঝে সিএনজি চালিত অটো রিক্সার চাপ, বা বিদেশের এক দম্পতির চুম্বনে নবজাতকের চাপ খাওয়া দেখতে দেখতে খেতে একটা ‘আলগা’ মজা অনেকেই পেতে পারেন। বনানীর ১৭/এ নং রোড ধরে হেঁটে যেতে যেতে সামনে পড়বে বাংলা সিনেমার পোস্টার সদৃশ এক সাইনবোর্ড! চাপ সামলাও!নানা স্বাদের চাপ, লেমোনেড আর দুধেল এক কাপ চায়ের টানেই জমে এখানে আড্ডা! থিমটা অনেক মজার বটেই। এই জগতে সবচেয়ে বেশি চাপে থাকে কারা? বাংলা সিনেমার নায়কেরা! তাদেরকে রিকশা চালিয়ে ধনী হয়ে বড়লোকের মেয়ের মন জোগাতে হয়! এমনি এক পরিস্থিতিতে চাপ সামলাও তাই নজর দিল বাংলা সিনেমাতেই। সারাদিন চলছে নানান ধাঁচের গান, ষাটের সত্তরের দশকের বাংলা গানগুলোও দিব্যি চলছে এখানে। দেয়ালজুড়ে চোখে পড়বে চাপের কত্ত বাহারি সব ছবি। অর্ডার করে বসে থাকার সময়ে দিব্যি ছোট্ট ইন্টেরিয়রের চারপাশটা দেখতে দেখতেই সময় কেটে যায়। এবার আসুন তো জানিয়ে দিই এখানে কী কী খাবার আছে! ঝামেলায় না গিয়ে চলে যেতে পারেন সেট মেন্যুতে।

পাওয়া যাবে বিফ, চিকেন, ফিশ চাপ। বিফের চাপের দাম ১৩০ টাকা। চিকেন ১৯০ আর মাছ (রূপচাঁদা) ২২০ টাকা। এছাড়াও মিলবে গিলা-কলিজা, মগজ, গুর্দা ইত্যাদি। সঙ্গে লুচি। আর এইসব চাপের সঙ্গে ‘গ্রিন সালাদ’ আর পানীয়সহ দাম ২৩৫ থেকে ৩৩৫ টাকা। বিফ চাপ, চিকেন চাপ, ফিশ চাপ, বিফ বটি, চিকেন বটি, চিকেন ফ্রাই! এগুলোর সবগুলোর সাথে দুই পিস লুচি, সালাদ, কোল্ড ড্রিংকস, অথবা হতে পারে লেমোনেড আর চা! দামটা শুরু ২৩৫ থেকে। রূপচাঁদার চাপ খেতে চাইলে ফিশ চাপের অর্ডার করুন! ৩৩৫ টাকা গুনতে হবে সে ক্ষেত্রে। এটি সর্বোচ্চ মূল্যের আইটেম। তবে মাছের চাপ বলে কথা! আর যদি একটু যাচাই বাছাই করে খেতে চান তাহলে তো সিঙ্গেল মেন্যুতে চোখ বুলাতে পারেন। এখানেও আলাদাভাবে চাপগুলো পাবেন ১৩০ টাকা থেকে শুরু করে ২২০ টাকায়। চিকেন রাই অথবা মগজ ভুনাও চেখে দেখতে পারেন। আছে খিরি আর গুরদাও! 

লুচিগুলো আলাদা যত খুশি অর্ডার করতে পারেন। আর সাথে লেমোনেড বা কোক, যেই ড্রিংকসই নেন না কেন, দাম পড়বে পঁচিশ টাকা মাত্র। জম্পেশ খাওয়া শেষে চা এলে রীতিমতো অবাক হবেন। মাটির ছোট্ট ভাড়ে চা। আর এত্ত ঘন দুধেল সরওয়ালা চা হয়তো এই শহরে অনেকদিনই খাননি আপনি। তাই চাইলে এবার যেতে পারেন চাপ সামলাও রেস্তোরাঁটি, আর দেখতে পারেন চাপের কত্ত বাহার আর তা সামাল দিতে প্রতিদিন বিকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত তরুণদের আনাগোনা। আসছে অনেকে সপরিবারেও। আপনিও একদিন ০১৮৩৫৬০০৫০০ নম্বরে ফোন দিয়ে চলে আসুন বন্ধুদের নিয়ে! 

এবার ভাবুন ‘চাপ’ নিতে পারবেন তো!

"আমি এবার যাচ্ছি কিন্তু চাপ সামলাতে"
*রেস্টুরেন্ট* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার* *আড্ডা*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

বেস্ট অফ ঢাকা ২০১৪ গ্র্যান্ড ফুডিস ফেস্ট

*ঢাকাইয়াখাবার* *বাইরেখাওয়া*

Moinul Imran Munna: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 গভীর রাতে পুরান ঢাকার খাবার কে কে খেয়েছেন? অভিজ্ঞতা জানতে চাইছি।

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

.
*রাতেরঢাকা* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার* *পুরানোঢাকা*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

মামুন বিরিয়ানি ৮৩ নাজিমউদ্দিন রোড, ঢাকা

*পুরানোঢাকা* *বিরিয়ানি* *বাইরেখাওয়া* *ঢাকাইয়াখাবার*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

৩/৫

"তাড়কা" রোড-১০, হাউস-৬২, ব্লক-ডি, বনানী মডেল টাউন, ঢাকা

ভারতীয় ও পাকিস্তানি খাবারের সমারোহ পানির বাটার মাসালা, মাটান হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানি, শাহী স্পেশাল কুলফি ইত্যাদি ...

*ঢাকাইয়াখাবার* *বিরিয়ানি* *বাইরেখাওয়া*

বেশতো Buzz: আপনাদের জন্য কিছু স্পেশাল স্টারড ওয়ার্ড আজ তুলে ধরছি, সেগুলো যথাক্রমে *ঈদরেসিপি* *মাংসেররেসিপি* *সুন্দরবন* *সিলেট* *ছুটিতেভ্রমন* *মেদভুড়ি* *টি-শার্ট* *ঈদফ্যাশন* *পূজাফ্যাশন* *মাছেররেসিপি* *ঢাকাইয়াখাবার* আপনারা এগুলো দিয়ে চটপোস্ট ছাড়াও বেশব্লগ, খবর, টিপস, ফটো দিতে পারেন আর সেইসাথে এই সম্পর্কিত প্রশ্ন করতে আর পরামর্শও চাইতে পারেন এবং দিতে পারেন l

*ঈদরেসিপি* *মাংসেররেসিপি* *সুন্দরবন* *সিলেট* *ছুটিতেভ্রমন* *মেদভুড়ি* *টি-শার্ট* *ঈদফ্যাশন* *পূজাফ্যাশন* *মাছেররেসিপি* *ঢাকাইয়াখাবার*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভোজন রসিক যেকেউ যাতে নিজের স্বাদ আর স্বাধ্যের ভিতর ভুড়িভোজ করতে পারেন এজন্য পুরোন ঢাকা অন্যতম বেস্ট প্লেস হতে পারে। তবে এ জন্য আপনারা ইচ্ছে হলেই ছুটির দিন অথবা খেতে ইচ্ছে হলে সুবিধামতো এই সব জায়গাতে চলে যেতে পারেন। আসুন আবার জেনে নেই  পুরান ঢাকার বিখ্যাত আর ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানের নাম ও কোথায় অবস্থিত।
১. বেচারাম দেউরীতে অবস্হিত নান্না বিরিয়ানি এর মোরগ-পোলাও
(প্রতি মাসের ৫ তারিখ আস্ত মোরগের কাচ্চি)
২. মতিঝিলের ঘরোয়া হোটেল এবং হীরাঝীলের ভূনা খিচুড়ী
৩. হোটেল আল-রাজ্জাকের কাচ্চি, গ্লাসি
৪. নবাবপুর রোডে হোটেল স্টার এর খাসীর লেকুশ, চিংড়ি ,ফালুদা
৫. নারিন্দার ঝুনু বিরিয়ানী
৬. নাজিরা বাজারের হাজীর বিরিয়ানী
৭. নাজিমুদ্দিন রোডের হোটেল নিরবের ব্রেন ফ্রাই আর অনেক ধরনের ভর্তা
৮. নাজিরা বাজারের হাজি বিরিয়ানী এর উল্টা দিকের হানিফের বিরিয়ানী
৯. লালবাগের ভাটের মসজিদের কাবাব বন
১০. বংশালের শমসের আলীর ভূনা খিচুড়ী
১১. হোসনী দালান রোডে রাতের বেলার পরটা আর কলিজা ভাজি
১২. নাজিরা বাজার মোড়ে বিসমিল্লার বটি কাবাব আর গুরদার
১৩. লালবাগ রয়্যালের কাচ্চি, জাফরান-বাদামের শরবত, চিকেন টিক্কা আর লাবান
১৪. চানখারপুলের মামুন হোটেলে’র স্পেশাল(প্রতি মাসের ১ম শুক্রবার) কাচ্চি
১৫. ঠাটারীবাজার স্টার এর কাচ্চি বিরিয়ানি, লেগ রোস্ট আর ফালুদা
১৬. ঠাটারী বাজারের গ্রিন সুইটস এর আমিত্তি
১৭. রায় সাহেব বাজারের গলিতে মাখন মিয়ার বিরিয়ানি
১৮. সুত্রাপুর বাজারের রহিম মিয়ার বিরিয়ানি
১৯. গেন্ডারিয়ার আল্লার দান বিরিয়ানি আর রহমান এর কাবাব
২০. তাতিবাজারের কাশ্মির এর কাচ্চি
২১. নাজিরা বাজারের মিয়াজী বিরিয়ানি
২২. কলতাবাজারের নাসির হোটেলের গরুর মাংশ আর পরাটা
 
*ঢাকাইয়াখাবার* *ভোজনরসিক*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সুতলি কাবাব কিভাবে তৈরী করতে হয় ? রেসিপি আনতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*পুরানোঢাকা* *ঢাকাইয়াখাবার* *ভোজনরসিক* *রেসিপি* *কাবাব*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে নবাববাড়ির পানের সুনাম। বিয়েসহ নানা অনুষ্ঠানে এই পানের বেশ কদর রয়েছে।অনেকে বিদেশে থেকেও এই পানের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হতে চায় না এর জন্য বিদেশে যাবার সময় ডালা ভর্তি করে নিয়ে যায়। ইসলামপুরে নবাব বাড়ির পুরোনো গেটের এক পাশে টং পেতে চলছে ঐতিহ্যবাহী এই দোকানটি।

নবাব বাড়ির কর্মচারী শেখ মো. শামসুদ্দিন নবাব ব্রিটিশ আমলে পান সরবরাহ করার জন্য এই পানের দোকানটি করেন।তখন নবাবদের ডালায় পান সাজিয়ে পাঠানো হত তাদের  অন্দরমহলে আর বৈঠকখানায়। মাঝে মাঝে দু-একটা পান বিক্রি হত বাইরের লোকজনের কাছেও।যাদের মাধ্যমেই  দিনে দিনে এই পানের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। পানপ্রেমীদের ভিড় বাড়তে শুরু করে নবাববাড়ির পানের দোকানে। শামসুদ্দিন মারা যায় ১৯৭১ সালে। তার মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে আবদুর রহমান ও মো: সালাউদ্দিন এই দোকানের হাল ধরেন। আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর ভাই সালাউদ্দিন ভাতিজাদের সঙ্গে নিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই দোকানটি এখনো টিকিয়ে রেখেছেন । এখানে পান খেয়েছেন নওয়ার হাবিবুল্লাহ,খাজা হাসান আসকারী,খাজা আহসানুল্লাহ,বেগম শামসুন্নাহার, সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাসহ অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ। খুবই দক্ষতার সঙ্গে তিন পুরুষ ধরে তারা পান বানাচ্ছেন । আজ পর্যন্ত পান-মসলার মান রেখেছেন আগের মতোই। তারা ব্যবহার করেন সাচি পান। বিক্রমপুর অঞ্চল থেকে আসা এই পান সাধারণ পানের মতো ঝাল স্বাদের নয়। এই সাচি পান রপ্তানি হয় পাকিস্তানেও। এ দোকানে সুপারি আগুনে ভেজে নেওয়া হয়। ভেজে নিলে সেই সুপারি খেলে মাথা ঝিম ঝিম করে না। সব কিছুর দাম বাড়লেও নবাববাড়ির পানের দাম খুব একটা বাড়েনি। ইসলামপুরের এ দোকানের সাইনবোর্ড না থাকলেও অসংখ্য ছোটখাটো দোকানের ভীড়ে খুঁজে নিতে একটুও কষ্ট হয় না।

ঠিকানা : নবাববাড়ি গেট, ইসলামপুর,ঢাকা।

*ঢাকাইয়াখাবার*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


রসমালাই এবং জাফরান মিষ্টি দেখতে এক নয়। রসমালাইয়ে মিষ্টিগুলো ছোট ছোট, মিষ্টিগুলো স্রেফ মিষ্টি এবং মালাইরস মেশানো। কিন্তু জাফরান মিষ্টি আকারে এবং আয়তনে বেশ বড়। জাফরান মিষ্টির উপর শুধু মালাইয়ের রস ঢেলে দিয়ে তা মুখে দিতেই মনে হয় এই স্বাদ কখনো ভোলার নয়। জাফরান মিষ্টি বিশেষ ভাবে তৈরী যা মিষ্টির মতোই কিন্তু মুখরোচক। প্রবাদ আছে যে খাইলেই চাটবেন, না খাইলে পস্তাইবেন। হ্যা ঠিক তাই। জাফরান মিষ্টির স্বাদ অন্য যেকোন মিষ্টির স্বাদের তুলনায় যেন অতুলনীয় একটি স্বাদ। জাফরান মিষ্টি কুমিল্লার রসমালাইকে হার মানাবে। জাফরান মিষ্টি একটি লোভনীয়, মজাদার এবং সুস্বাদু খাবার। স্থানীয় বাজারে রসমালাই এর মূল্য প্রতিকেজি ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। কিন্তু এক পিস জাফরান মিষ্টির মূল্য ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। জাফরান মিষ্টি রসমালাইয়ের উন্নত সংস্করন বললে অত্যুক্তি হবে না। রসমালাইয়ের মতো জাফরান মিষ্টি তৈরী করেত প্রয়োজন হয় ছানা, চিনি, ময়দা, বেকিং পাউডার এবং পূর্ণ নণীযুক্ত দুধ। জাফরান মিষ্টি পাওয়া যায় পুরনো ঢাকার লালবাগে।

জাফরান মিষ্টি খেতে যোগাযোগের ঠিকানা
মদিনা মিষ্টান্ন ভান্ডার

৯২ লালবাগ রোড, ঢাকা-১২১১।

ফোন: ৯৬৬০৬২৪

মোবাইল: ০১৮১৪-৪৯৬২৫২, ০১৮২২-১৫১৩২৫
*ঢাকাইয়াখাবার* *মিষ্টি*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকান নান্না মিয়ার বিরিয়ানী সুস্বাদু মোরগ পোলাওয়ের জন্য প্রসিদ্ধ। ‘নান্না মিয়ার বিরিয়ানী’র প্রধান শাখাটি বেচারাম দেউরিতে অবস্থিত। শাখাটি ১৯৭৩-৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দোকানের কর্ণধার হাজী নান্না মিয়া পুরনো ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা, ১৯৬২-৬৩ সালের দিকে বিরিয়ানীর ব্যবসা আরম্ভ করেন। এখন তাঁর শুভানুধ্যায়ী, পরিবার, বন্ধু এবং আত্বীয়-স্বজনেরা হাল ধরেছেন।

এখানে শাহী মোরগ পোলাও, কাচ্চি বিরিয়ানী, লাবাং, বোরহানী, ফিরনী, টিকিয়া ইত্যাদি বিক্রি হয়। প্রতিদিনই এখানে প্রচুর ক্রেতা সমাগম হয়। এখানে খেতে এসে সংগে নিয়ে যান কয়েক প্যাকেট। আবার কারো বেশী পরিমানে অর্ডার থাকলে, তার আয়োজন করা হয়। এধরনের আয়োজন প্রায় প্রতিদিনই থাকে। বিরিয়ানীর দোকানটি চার রাস্তার মুখে অবস্থিত বলে পাশ দিয়ে গেলে বিরিয়ানীর সুঘ্রানে আশে পাশে ভরে যায়। ইদানিং এখানে একটি বিশেষ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, নির্ধারিত সংখ্যক অতিথি খেতে আসতে চাইলে তারা বিরিয়ানীর সাথে কি কি খেতে পছন্দ করেন তা ফোনের মাধ্যমে জানিয়ে দিলে তৈরী করে রাখা হয়। এখানে শাহী মোরগ পোলাও বেশ জনপ্রিয়। রোস্টের ঝোল বরাবরই মুখরোচক। পাত্রে ঝোল থাকা সত্ত্বেও তাই অনেকে আগ বাড়িয়ে বাড়তি ঝোল দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

লালবাগ চৌরাস্তা, নাজিমুদ্দিন রোড, মতিঝিল এবং নাজিমুদ্দিন রোডে এর শাখাসমূহ অবস্থিত। তবে মূল শাখা বেচারাম দেউরীর বিরিয়ানীর স্বাদ অন্য যেকোন শাখাকে হার মানাবে। এখানকার তৈরী লাবাং ইতিমধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

নান্না মিয়ার বিরিয়ানীর দোকান মূলত সুস্বাদু মোরগ পোলাওয়ের জন্য বিখ্যাত বলে গুলশান, ধানমন্ডি, বারিধারা, উত্তরা এবং ক্যান্টনমেন্টসহ অন্যান্য দুরবর্তী এলাকা থেকে এখানে ক্রেতার সমাগম হয়।


এখানে মূলত দুই ধরনের মোরগ পোলাও পাওয়া যায়। ১. পোলাওয়ের সাথে রোস্ট মিশানো ২. পোলাও ভিন্ন, মসলাদার রোষ্ট বিশিস্ট। তবে ২ নং মোরগ পোলাওয়ের স্বাদ অতুলনীয়। এই বিশেষ স্বাদ অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। একবার খেলে ক্রেতাকে আবার এখানে আসতে হবে। খাসির বিরিয়ানীর মধ্যেও সেই একই রীতি চলে আসছে, ১. পোলাওয়ের সাথে খাসির মাংস মিশানো ২. পোলাও ভিন্ন, মসলাদার খাসির মাংস বিশিষ্ট। এছাড়া এখানে সপ্তাহে ১টি দিন থাকে বিশেষ দিন। সেই দিনে ৩ জনের খাওয়ার মতো একবোল পোলাও এবং সংগে থাকে একটি গোঁটা মুরগী।

সুস্বাদু মোড়গ পোলাওয়ের জন্য প্রসিদ্ধ অন্যান্য দোকানগুলো হলো নয়াবাজারের করিমের বিরিয়ানী, ইসলামপুরের রূপম বিরিয়ানী এবং নাজিমুদ্দিন রোডের মামুন বিরিয়ানী।
*ঢাকাইয়াখাবার* *মজারখাবার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★