তথ্য

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে একটা বাজে বিশ্বাস বা কনসেপ্ট হল, ব্যথার ভয়ে নড়াচড়া বা এক্টিভিটি থেকে বিরত থাকা! অর্থাৎ নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যাবে এই বিশ্বাস রোগীর ব্রেইনে সেট হয়ে যায় ! ফলে অনেকে নড়াচড়ার অভাবে ডিজ্যাবিলিটি ( প্রতিবন্ধিতার) সম্মুখীন হয়। সেটা মাস, বছর, এমনকি সারাজীবনের জন্যও হতে পারে। আমি নিজেও অহরহ এমন রোগী পাই। দিনের পর দিন রেস্টে আছে, কাম কাজ বাদ দিয়ে। ভয় একটাই, কাজ করলে ব্যথা যদি আরও বেড়ে যায়!!

সম্প্রতি এটা নিয়ে অনেক গবেষনা হয়েছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটাকে নাম দেওয়া হয়েছে Fear Avoidance Beliefs (FAB)। তাই এইসব রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি পর্যাপ্ত কাউন্সেলিংও করতে হবে। এদেরকে এমডিডিটি এপ্রোচে চিকিৎসা করানো উচিত।

ধন্যবাদ

ডাঃ সাইফুল ইসলাম, পিটি

প্রতিষ্ঠাতা ও কো-অর্ডিনেটর

ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার, উত্তরা, ঢাকা ।

 

*স্বাস্থ্য* *তথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্যাথেরিন জনসন ১৯১৮ সালের ২৬ই অগাস্ট হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন. তিনি ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন, যা পরবর্তীতে ন্যাশনাল এরোনটিক্স এন্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA) নামে পরিচিত হয়.

ক্যাথেরিন ১৯৩৭ সালে সর্বোচ্চ সম্মান সহ স্নাতক হন এবং ভার্জিনিয়াতে একটা কালোদের স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন. জেমস গোব্লেকে বিয়ে করার পর এবং তিন মেয়েকে দেখাশুনা করার জন্য তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দেন. মেয়েরা বড়ো হওয়ার পর ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন. ১৯৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তার স্বামী মারা যান.

১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক স্যাটেলাইটে উৎক্ষেপণ করার পর মহাকাশ বিজ্ঞনের ইতিহাস যেমন পাল্টে যেতে থাকে তেমনি পাল্টে যেতে থাকে ক্যাথেরিন জনসনেরও জীবন. তিনি ১৯৫৮ সালে চালক বিহীন বিমান চালনার ক্ষত্রে কিছু গাণিতিক সমাধান প্রদান করেন. ১৯৬১ সালে আমেরিকার প্রথম মানুষ্য চালিত মহাকাশ ভ্রমণ, ফীডম ৭ মিশনের, গতি পথের গাণিতিক বিশ্লেষণ করেন.

১৯৬২ সালে নাসা সিদ্ধান্ত নেয়, জন গ্লেনকে কক্ষপথ পরিভ্রমনে পাঠাবে. কিন্ত এটা ছিল খুবই জটিল একটা কাজ. কারণ কম্পিউটার তখন এত উন্নত ছিলোনা. আই বি এম কম্পিউটারের মাধ্যমে একটা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে যুক্ত থাকবে ওয়াশিংটন ডিসি, কেপ ক্যানাভেরাল, এবং বারমুডা. কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করা হলো, উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে মহাকাশযানের সমুদ্র-অবতরণ পর্যন্ত কক্ষপথকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য. কিন্তু মহাকাশচারীরা ভরসা করতে পারছিলেননা, তাদের জীবন শুধুমাত্র কম্পিউটার প্ৰগগ্রামের উপর ছেড়ে দিতে. গ্লেন ইঞ্জিনীরদেরকে বললেন "সেই মেয়েকে নিয়ে আসো", ক্যাথেরিন জনসন যে কম্পিউটারের পাশাপাশি তার মেকানিকাল ক্যাল্কুলেটিং মেশিন দ্বারা গানিতিক বিশ্লেষণ করবে. মহাকাশচারী গ্লেন বললেন, হিসাব করার পর ক্যাথেরিন জনসন যদি বলে কম্পিউটারের হিসাব ঠিক আছে, তাহলেই আমি মহাকাশ অভিযানে যেতে প্রস্তুত. গ্লেনের অভিযান সফল হয়ে ছিল, যা মহাশূন্য অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে এগিয়ে দেয়.
ক্যাথেরিন জনসনের সবচে বড়ো অবদান হচ্ছে এপোলোর লুনার ল্যান্ডের মডিউল ও সার্ভিস মডিউলকে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপনের ক্ষত্রে সঠিক হিসাব নির্ণয় করা. তিনি স্পেস শাটল এবং আর্থ রিসোর্সেস স্যাটেলাইটও কাজ করেছেন. তিনি এ পর্যন্ত ২৬টা গবেষণা রিপোর্টের লেখক অথবা সহ-লেখক. তিনি ১৯৮৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন. ২০১৫ সালে ৯৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট ওবামা তাকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম পদকে ভূষিত করেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ সম্মামনা পদক.

*তথ্য* *ব্যাক্তি* *ক্যাথরিন* *ইন্টারনেট* *নাসা* *যুক্তরাষ্ট্র* *সম্মান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র হচ্ছে সূর্য। এটি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম তারা। আসুন, সূর্য সম্পর্কে জেনে নেই কিছু সাধারণ তথ্য।
কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল সূর্য? আমরা জানি, মহাশূন্যে সবসময়ই গ্যাস বা ধূলিকণা ভেসে বেড়ায়। সেই সাথে মৃত নক্ষত্রের কিংবা মৃত তারার অবশিষ্ট শক্তিও তরঙ্গাকারে মহাশূন্যে ভেসে বেড়ায়। সূর্য নামক আমাদের কাছের তারাটি আজ থেকে প্রায় ৫০০ কোটি বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল মহাশূন্যে ভেসে বেড়ানো এরকমই কিছু গ্যাসীয় কণা এবং মৃত কোনো তারার অবশিষ্ট তরঙ্গ শক্তি নিয়ে। ভেসে বেড়ানো হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসীয় কণাগুলোকে দূর থেকে ভেসে আসা তরঙ্গ শক্তি ধাক্কা দিয়ে একত্রিত করে। এরপরে সেখানে তৈরি হয় গ্যাসীয় মেঘ। গ্যাসীয় কণাগুলো পরস্পরের নিকটবর্তী হয়ে মাধ্যাকর্ষণ বলের আকর্ষণে এরা পুঞ্জীভূত হয়ে একটি গ্যাসীয় পিণ্ডে পরিণত হয়। মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে কণাগুলোর মধ্যে সংঘর্ষও হয়, যার ফলে কণাগুলো চার্জিত হয়। ফলে এরা আয়নিত গ্যাসে রূপান্তরিত হয়ে প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। প্লাজমা মানে হচ্ছে পদার্থের চতুর্থ অবস্থা। আমরা সাধারণত পদার্থের তিনিটি অবস্থার কথা জানি। এগুলো হল- কঠিন, তরল ও বায়বীয়। এই তিন অবস্থা ছাড়াও চার্জিত বা আয়নিত গ্যাসীয় অবস্থাকে পদার্থের চতুর্থ অবস্থা বলে। প্লাজমা অবস্থায় গ্যাসীয় কণাগুলোকে দূর থেকে দেখলে অগ্নিময় দানা দানা রূপে দেখা যায়। যাই হোক, এরপরে সৃষ্ট গ্যাস পিন্ডের চার্জিত গ্যাসীয় কণাগুলোর মধ্যে ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয়। অর্থাৎ হাইড্রোজেন গ্যাস ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে হিলিয়াম গ্যাসে রূপান্তরিত হয়। এতে শক্তি হিসেবে আলো নির্গত হয়। সূর্যের বেশীর ভাগ অংশ মানে প্রায় ৭৩ ভাগ হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ২৫ ভাগ হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত। বাকী অংশগুলো অক্সিজেন, কার্বন,নিয়ন এবং আয়রন দ্বারা গঠিত। তবে এগুলোর সবই জ্বলন্ত এবং আয়নিত অবস্থায় রয়েছে। সূর্যকে বলা হয় সুষম প্লাজমা গোলক।
আগেই বলেছি সূর্যের বয়স ৫০০ কোটি বছর। এটি আয়তনে পৃথিবী থেকে প্রায় ১৩ লক্ষগুণ বড়। এর ভর পৃথিবীর ভরের চেয়ে ৩৩০০০০ গুণ ভারী। সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৬৫০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং কেন্দ্রের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০০০০০০ (তিন কোটি) ডিগ্রী সেলসিয়াস। এটি পৃথিবী থেকে গড়ে ১৪ কোটি ৮৮ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। তাই সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে ৮ মিনিট সময় লাগে। বিজ্ঞানীরা হিসেব করে দেখেছেন আনুমাণিক আরো ৫০০ কোটি বছরের মধ্যেই সূর্যের হাইড্রোজেন জ্বালানী নিঃশেষ হয়ে যাবে। সূর্যের মধ্যে নিয়ত সঙ্ঘটিত হওয়া ফিউশন বিক্রিয়ায় যে আলো উৎপন্ন হয় তার রং সাদা। আমরা জানি, সাদা রং মৌলিক নয়, যৌগিক। এটি মূলতঃ সাতটি রং-এর সমন্বয়ে গঠিত। সেই সাতটি রং হল- বেগুনী, ঘন নীল, আসমানী নীল, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল। সূর্যের আলো হচ্ছে পৃথিবীতে বিদ্যমান সকল প্রাণের শক্তির একমাত্র উৎস।
সূর্য নামক নক্ষত্র না থাকলে আমাদের এই পৃথিবীতে কোনোদিন প্রাণের উৎপত্তিই হত না।

*সাধারনজ্ঞ্যান* *সূর্য* *তথ্য* *বিজ্ঞান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চীন নিয়ে সব মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। চীনাদের জীবনযাপন চলা ফেরা অন্যান্য দেশের চেয়ে একটু অন্যরকম। চীনারা অন্যরকম বলেই সবাই জানতে চায় তাদের সংস্কৃতি নিয়ে। আজ জেনে নিন চীন সম্পর্কে নতুন কিছুঃ

১. সম্প্রতি চীনা কর্তৃপক্ষ অনেক জায়গায় পাহারার জন্য কুকুরের পরিবর্তে রাজ হাঁস নিযুক্ত করেছে। কেননা রাজা হাঁস যাকে তাড়া করে সেই জানে এটার ক্ষিপ্রতা কেমন!
২. প্রতিবছর চীনে এক কোটি ত্রিশ লাখ শিশু গর্ভপাতের মাধ্যমে মেরে ফেলা হয়।
৩. বেইজিংয়ে ট্রাফিক জ্যামে ক্ষতির পরিমাণ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার।
৪. বেইজিংয়ে বাতাস এতটাই দূষিত, যে প্রতিদিন এক প্যাকেট সিগারেটের খেলে যে ক্ষতি হয়, বেইজিংয়ের বাতাসে একদিন শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে সেই পরিমাণ ক্ষতি হয়।
৫. টয়লেট পেপার প্রথম চীনে আবিষ্কৃত হয়েছিল শুধুমাত্র সে দেশের রাজা টয়লেটে ব্যবহার করবেন বলে।
৬. নাবালক ছেলেদের মূত্র দ্বারা সিদ্ধ করা ডিম খাওয়াকে পবিত্র কাজ মনে করা হয়
৭. সামরিক বাহিনীর অফিসারদের কোটে পিন দেয়া থাকে, যাতে তারা দাঁড়ানোর সময় মনোযোগ সহকারে দায়িত্ব পালন করেন। সামান্য হেলে পড়লেই পিন চামড়ায় গেঁথে যাবে!
৮. তারা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের হাঁটার জন্য আলাদা লেন তৈরি করেছে।
৯. তারা এলিস ইন ওয়ান্ডার ল্যান্ড মুভিটা নিষিদ্ধ করেছিল এই কারণে যে, মুভিতে পশুপাখিরা মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারে।
১০.পুলিশদের একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় হাত উঁচিয়ে রাখার ট্রেনিং দেয়া হয়।

 

তথ্য সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

*চীন* *বেশম্ভব* *বেশটেক* *অজানা* *তথ্য*
ছবি

MYandroidBD.com: ফটো পোস্ট করেছে

তথ্য গোপন রাখার কিছু সহজ কৌশল যেনে নিন! Read more at: http://myandroidbd.com/how-to-protect-your-data

শেয়ার করুন।

*তথ্য* *টিপস*

মোঃ হাবিবুর রহমান (হাবীব): একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমার জন্ম নিবন্ধন এর তারিখ এবং অরজিনাল জন্মতারিখ আলাদা আলাদা । আমার প্রশ্নটি হচ্ছে, বিভিন্ন তথ্য প্রদানের সময় আমি কোন জন্মতারিখ এর ব্যবহার করবো ? এবং কেনো করবো ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*আমার* *জন্ম* *নিবন্ধন* *তারিখ* *প্রশ্ন* *বিভিন্ন* *তথ্য* *প্রদান* *সময়* *জন্মতারিখ* *ব্যবহার*
ছবি

আমির: ফটো পোস্ট করেছে

জেনে নিন লিপ ইয়ার সম্পর্কে এমন কয়েকটি তথ্য, যেগুলো হয়তো আপনি জানেন না।

১) লিপ ইয়ার নামটি দিয়েছিলেন পোপ গ্রেগরি ত্রয়োদশ। ২) লিপ ইয়ারে এখনও ইউরোপে বেশিরভাগ দেশের মেয়েরা তাঁদের পছন্দের পুরুষকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ৩) ডেনমার্কে কোনও মেয়ে যদি কোনও ছেলেকে লিপ ইয়ারে প্রেমের প্রস্তাব দেয়, আর সেই ছেলেটি সেই প্রস্তাবে সাড়া না দেয়, তাহলে মেয়েটিকে এই জন্য এক ডজন দস্তানা দিতে হয়! ৪) একটা সময় গ্রিসে লিপ ইয়ারে বিয়ের চল ছিল না। তাঁরা মানতেন এই দিনে বিয়ে করলে, খারাপ হয়। ৫) রাশিয়ায় এমনটাই বিশ্বাস যে, লিপ ইয়ারের দিন গোটা বিশ্বেই বিপর্যয়ের সম্ভাবনা থাকে। মানুষের মৃত্যুও বেশি হয় এই দিনে। ৬) জ্যোতিষবিদরা বিশ্বাস করেন লিপ ইয়ারে যারা জন্মায়, তারা প্রচণ্ড প্রতিভাবান হয়।

*লিপ* *ইয়ার* *তথ্য*

সাদাত সাদ: বিজ্ঞান বিশেজ্ঞরা বলছেন আগামী ২০৪০ সাল নাগাদ পৃথিবী হয়ে যাবে রোবটিক, মানে রোবট পরিচালনা করবে পৃথিবী। উল্লেখ্য বর্তমানে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে রোবট দ্বারা বিভিন্ন মার্কেট সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে অবদান রাখছে রোবট।

*তথ্যপ্রযুক্তি* *তথ্য* *বিজ্ঞান* *রোবটিক*

আল ইমরান: “লবন” নামক বস্তুটির সাথে আমরা সবাই কম বেশী পরিচিত। একে হিন্দিতে “নামাক” এবং ইংরেজিতে “সল্ট” বলা হয়। আমরা প্রায়ই একটা কথা শুনি যে “নুন খাই যার গুন গাই তার”। আবার রুপকথার গল্প বা ঠাকুমার ঝুলির গল্পে আমরা “নুনের মত ভালবাসা”-এর সন্ধান পাই। “নিমকহারাম” শব্দটিও শুনি অনেক জায়গায়, এটি বেঈমান বোঝাতে ব্যাবহার করা হয়। আবার এও শুনি যে “ছিল্লা কাইট্টা লবন লাগায়া দিমু” বা “কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা”। তো এই নুন ওরফে নামাক ওরফে লবন ওরফে Salt নিয়ে এই লেখা। সিরিয়ালি যাবে। *লবন* এই স্টার ওয়ার্ড দিয়ে খুঁজলে পাবেন। **এক সময় বাংলাদেশে লবনের খুব দাম ছিল। গরুর গোস্তের মূল্যের চারগুন। মানুষ ও গবাদিপশুর বেঁচে থাকার জন্য লবন অত্যাবশ্যকীয় ছিল। সেগুলো ছিল লাল লবন। এজন্যই একটি কথা প্রচলিত আছে যে “নুন আনতে পান্তা ফুরায়”।

*লবন* *জানা-অজানা* *তথ্য* *সিরিজ* *লবন* *নুনবিশারদ*

মোজাহিদুল ইসলাম মিফতাহ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

সিম এবং ফোনের তথ্য বের করুন খুব সহজে।
http://myandroidbd.com/archives/1204
*সিম* *তথ্য* ...বিস্তারিত
*সিম* *তথ্য*
১১৮ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

রক্তের গ্রপের সাথে রাজনৈতিক আদর্শ এর সাংকেতিক মিল!!!
A+ এরা আওয়ামী লীগের প্রতি খুব পজিটিভ। O+ এরা অন্যান্য দলগুলোর প্রতি খুব পজিটিভ আওয়ামী লীগ বিএনপি ছাড়া। B+ এরা বিএনপির প্রতি খুব পজিটিভ। AB+ এরা আওয়ামী লীগ বিএনপি উভয়ের প্রতি পজিটিভ অন্যন্য দলের প্রতি নেগেটিভ। A- এরা আওয়ামী লীগের প্রতি নেগেটিভ। O- এরা অন্যান্য দলগুলোর প্রতি নেগেটিভ । B- এরা বিএনপির প্রতি নেগেটিভ। AB- এরা লীগ ও বিএনপির প্রতি নেগেটিভ।
*রাজনীতিরঙ্গ* *রাজনীতি* *তথ্য*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★