তুলসীচা

তুলসীচা নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকালের নাশতায়, বিকেলের আড্ডায়, কাজের বিরতিতে, দাওয়াতে-আপ্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়েই থাকে চা। চীন ও জাপানে প্রাচীনকাল থেকে প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে চা ব্যবহার করা হয়ে আসছে। বিশ্বজুড়ে কয়েকশ’ প্রজাতির চায়ের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন উপকারিতা। আমাদের দেশে যে পানীয় গুলো সবচাইতে বেশী প্রচলিত, তাদের মাঝে একটি হলো চা। চা হচ্ছে সেই পানীয়, যা ছাড়া বাঙালির যেন চলেই না। চা আমাদের রোজকার জীবনের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, নিত্যদিন চাই চা। কারো কারো তো চায়ের এমন নেশাই থাকে যে তাঁদের মতে একবেলা কম খেলেও চলবে কিন্তু চা মিস হওয়া চলবে না। 
 
 
অফিস পাড়া থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের আড্ডা , নিজের বাড়ি থেকে শুরু করে অন্য কারো বাড়িতে বেড়াতে যেয়েও চাই এক কাপ চা। কেউ পছন্দ করে লিকার চা কারো বা পছন্দ দুধ চা। এই দুধরনের চায়ের পাশাপাশি আবার এখন হরেক রকমের চাও পাওয়া যায় যেমন- তুলসী চা, আদা চা, সবুজ চা, নিম চা,সুগন্ধী চা আরও কতো রকমের চা! কিন্তু চা কি শুধু পানীয় রূপেই পান করার যোগ্য? তেমনই এক উপাদান হলো তুলসী, তুলসী গাছ আমাদের আশেপাশেই থাকে অনেক সময় । কিন্তু, আমরা তার সদ্ব্যবহার করতে পারি না। শুধু পুজো-অর্চনাতেই তুলসী পাতার প্রয়োজন পড়েনা ৷ আয়ুর্বেদে তুলসীকে ভেষজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে ৷বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানী । 
 
মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই তাঁর অসুখ বিসুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ , লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। এসবে কোন পার্স প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে। এটি দেহের বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক রোগ প্রতিরোধ করে ক্ষুধা বৃদ্ধি, সর্দি-কাশি,চর্মরোগ, কিডনি ও লিভারের সমস্যা এবং ক্যান্সারসহ জটিল রোগ প্রতিরোধ করে।
 
 
শুধু তাই নয়, স্তন ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে তুলসী বিশেষ সহায়ক। তুলসী চা শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করে, মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানুষের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়, রোগ-প্রতিরোধশক্তি দ্বিগুণ হয়। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমিয়ে হূৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের গাঁথুনিতে ব্যথা দূর করে এবং শরীরের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে অবদান রাখে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলে পাওয়া যাচ্ছে একশত ভাগ তুলসি পাতার নির্যাস থেকে 
 
 
“ইন্ডিয়ান অর্গানিক তুলসী চা এর টি ব্যাগ” ,যাহা 
একশত ভাগ ক্যাফেইন মুক্ত। 
এই প্যাকে টি ব্যাগ এর সংখ্যা আছেঃ ১৮
আয়ূর্বেদিক মহৌষধ তুলসীর অসাধারণ নির্যাস সম্বলিত এই চা মানসিক চাপ কমায়
শরীরকে রাখে নির্মেদ
ওজন কমায়ত্বকের ঔজ্জল্য বাড়ায়
কোন ক্ষতিকর উপাদান নেই
 
কোথা থেকে কিনবেন ?
উপকারি এই অর্গানিক টি বা তুলসী চা কিনতে আপনাকে দোকানে দোকানে ঘুরতে হবে না।বাংলাদেশের সবথেকে বড় অনলাইন শপিং সাইট আজকেরডিলে অর্ডার দিয়ে খুব সহজেই কিনতে পারবেন।  উপরের ছবিতে ক্লিক করে আপনার পছন্দের তুলসী টি ব্যাগ আজই কিনে ফেলুন। 
*তুলসীচা* *অর্গানিক-টি* *চা* *স্মার্টশপিং*

ঝিঁঝিপোকা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘরের কোণে একটি তুলসি গাছ লাগানো এমন কোনো বড় ঝামেলার কাজ নয়। আর এই তুলসি গাছ আপনাকে রক্ষা করবে নানা ধরণের সমস্যা থেকে। যেমন ধরুন, ঘরের বিষাক্ত বাতাস শুষে নেবে, ঘরকে মশামুক্ত রাখবে, ঘরে এক ধরণের মিষ্টি সুবাস ছড়াবে। এগুলো তো গেল সাধারণ কিছু বিষয়। আপনি জানেন কি এই তুলসি গাছের পাতার তৈরি চা আপনাকে রক্ষা করতে পারে ৮ টি শারীরিক সমস্যার হাত থেকে? জানতে চান কী কী সমস্যা? চলুন জেনে নেয়া যাক।

১) শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে:
সর্দি, কফের সমস্যা এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যায় যারা রয়েছেন তারা নিয়মিত তুলসি চা পান করলে শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন দ্রুত।

২) জ্বর কমায়:
তুলসি চা জ্বরের ঔষধ হিসেবে পান করলে অনেক ভালো উপকার পাওয়া যায়। বিশেষ করে যদি চায়ে যোগ করা হয় দারুচিনি তাহলে দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব।

৩) পেটের গণ্ডগোল দূর করে:
হজমে সমস্যার কারণে অনেকে প্রায়ই পেটে গণ্ডগোলে ভুগে থাকেন। নিয়মিত তুলসি চা পানের অভ্যাস করুন সমস্যার সমাধান হবে।

৪) খারাপ কলেস্টোরল কমায়:
প্রতিদিন ১ কাপ তুলসি চা পানের অভ্যাস দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমিয়ে দেয়। তুলসির ফাইটোকেমিক্যালস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অর্গানিক কম্পাউন্ড দেহের খারাপ কলেস্টোরলের মাত্রা কমায়।

৫) দৃষ্টিশক্তির সমস্যা দূর করে:
তুলসির বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ চোখের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। এটি রাতকানা রোগ সহ নানা চোখের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

৬) দাঁত ও মুখের সমস্যা দূর করে:
তুলসি পাতার ভিটামিন সি দাঁত ও মাড়ির নান সমস্যা সমাধানে বিশেষভাবে কার্যকরী। এছাড়াও তুলসি পাতার গুঁড়ো পানি দিয়ে মিশিয়ে পেস্টের মতো দাঁত ব্রাশের কাজে ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

৭) মানসিক চাপ দূর করে:
খুব বেশি মানসিক চাপের মধ্যে সময় কাটালে প্রতিদিন তুলসি চা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। কারণ তুলসি চায়ের মতো অ্যারোমেটিক বেভারেজ মানসিক চাপ দূর করতে বিশেষভাবে সহায়ক।

৮) অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে:
তুলসি পাতার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোকেমিক্যালস ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এছাড়াও এর ভিটামিন এবং মিনারেলস দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে অল্প বয়সে বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

* যেভাবে তৈরি করবেন তুলসি চা:
    - ২ কাপ পানিতে ১ মুঠো তুলসি পাতা ভালো করে ধুয়ে ছেঁচে দিয়ে জ্বাল দিন চুলায়।
    - পানি শুকিয়ে ১ কাপ হয়ে এলে কাপে ঢেলে নিন। চাইলে ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
* এছাড়াও তুলসি পাতা রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে চা পাতার মতো ব্যবহার করতে পারেন।




সূত্রঃ ইন্টারনেট



*চা* *হেলথটিপস* *তুলসীচা* *গরমপানীয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★