দাঁত পরিষ্কার

দাঁতপরিষ্কার নিয়ে কি ভাবছো?

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই দারুণভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। এবং অবশ্যই নিয়ম মেনে।

চলুন জেনে নেই কিভাবে ব্যবহার করবেন কলার খোসা।





♦ দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।

♦ কলা উল্টো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উল্টো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।

♦ খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।

♦ এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌঁছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে।

♦ দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

৪/৫ দিন নিয়ম মেনে পরিষ্কার করলেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। 

*দাঁতেরযত্ন* *সাদাদাঁত* *দাঁতপরিষ্কার* *ঝকঝকেদাঁত*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চা, কফি বা এই ধরনের পানীয় পান করার ফলে দাঁতে হলদেটে ছোপ পড়তে পারে। তাছাড়া ধূমপানের ফলেও দাঁতের স্বাভাবিক রং নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরিষ্কার সাদা দাঁত চাইলে কিছু সাধারাণ অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে। চলুন জেনে নেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাঁত সাদা করার কিছু সাধারণ উপায়।

যে কোনো ধরণের পানীয় পান করার পর ব্রাশ করা: খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করাই সব থেকে ভালো, তবে সবসময় এটি করা হয় না। বিশেষ করে কোথাও বেড়াতে গেলে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বেশিরভাগ খাবারই দাঁতে দাগ ফেলে না, তবে যারা কফি খেতে ভালোবাসেন এবং যারা ধূমপান করেন তাদের দাঁতে দাগ পড়া খুবই স্বাভাবিক। তাই খাওয়ার পরপরই দাঁত মাজতে না পারলেও তিনমাস অন্তর চিকিৎসকের কাছে গিয়ে দাঁত পরিষ্কার করানো যেতে পারে।

বেকিং সোডা: দাঁত ঝকঝকে করতে বেকিং সোডার জুরি নেই। পেস্টের সঙ্গে কিছুটা বেকিং সোডা নিয়ে সাধারণভাবে দাঁত মাজলেই দাঁত পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং হলদেটেভাব দূর হবে। পেস্ট ছাড়াও শুধু বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁতের হলদেটে ভাব দূর হয়। তবে বেকিং সোডা বেশ অমসৃণ। তাই এটি ব্যবহারের সময় অল্প পরিমাণ নিয়ে পানি বা পেস্টের সঙ্গে মসৃণ পেস্ট তৈরি করে তবেই দাঁতে ব্যবহার করতে হবে।

অলিভ অয়েল : অলিভ অয়েল দাঁতের হলদেটেভাব দূর করে বেশ দক্ষতার সঙ্গেই। ব্রাশ করার পর দাঁতে খানিকটা অলিভ অয়েল লাগিয়ে নিতে হবে। দুইভাবে অলিভ অয়েল দাঁতে লাগানো যাবে, দাঁত মাজার ব্রাশে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল নিয়ে আবারও দাঁত ব্রাশ করতে হবে। অথবা পরিষ্কার কোন কাপড়ে অলিভ অয়েল নিয়ে দাঁতে লাগাতে হবে।

অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: কফি এবং নিকোটিনের কারণে দাঁতের হলদেটে দাগ দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার খুবই কার্যকর একটি উপাদান। প্রথমে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার দিয়ে দাঁত মাজার পর সাধারণ টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলেই দাঁত পরিষ্কার ও ঝকঝকে হয়ে যাবে।

 

 

 

 

 

 

 

লেবু ও কমলার খোসা : দাঁত সাদা করার আরও একটি সহজ উপায় হল লেবু বা কমলার খোসা ব্যবহার। তবে এর এসিডিক উপাদান দাঁতের এনামেলের ক্ষতি করতে পারে। তাই সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি পেস্ট করে মুখের ভিতর দাঁতের উপর ভালোভাবে ছড়িয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। স্ট্রবেরির মধ্যে আছে ব্লিচিং উপাদান যা দাঁতের হলদেটেভাব দূর করে দাঁত ঝকঝকে করে তুলে। তাছাড়া দাঁতে স্ট্রবেরি ঘষে নিলেও কাজ হবে।

 

 

 

 

 

 

মাশরুম : দাঁত সাদা করতে মাশরুম খেতে পারেন। এতে প্রচুর পরিমাণে পলিস্যাকারাইড থাকে। যা ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ও ডেন্টাল প্লাক হতে দেয়না।

গ্রিন টি: এতে প্রচুর ফ্লুরাইড থাকে। এছাড়া এটি এন্টি এসিডিক হওয়ার কারণে দাঁতে হলুদ রং পড়তে বাঁধা দেয়।

কাঠকয়লা : আগে মানুষের দাঁত পরিষ্কারে ব্যবহৃত হতো কাঠকয়লা। কাঠকয়লা আপনার দাঁত সাদা করতে সাহায্য করে। তাই মাঝে মাঝে কাঠ কয়লা মিক্স ব্যবহার করতে পারেন।

 

 

 

 

 

 

ফ্লস: ফ্লস ব্যবহার দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও রং সুরক্ষায় ফ্লসও বেশ উপকার দেয়। দাঁতের ফাঁক থেকে খাদ্যের কণা দূর করতে নিয়মিত ফ্লস ব্যবহার করুন। বিশেষত সারা দিন খাবারদাবার খাওয়ার পর প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফ্লস ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার ও উজ্জ্বল রাখা যায়। 

টিথ হোয়াইটনিং কিট: সবশেষে যার নাম বলবো সেটি হলো টিথ হোয়াইটনিং কিট, আজকাল মানুষ দাঁতের রূপ পালটে ফেলার জন্য ঝটপট করিয়ে নিচ্ছেন 'টিথ হোয়াইটনিং'। আগে ডাক্তারের ক্লিনিকে গিয়ে করতে হত টিথ

হোয়াইটনিং। কিন্তু এখন আর সবসময় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। অনলাইনে কিনতে পাওয়া যায় দাঁত সাদা করার DIY কিট যা দিয়ে নিজে ঘরের বসেই পাওয়া যায় সুন্দর ঝকঝকে দাঁত। কিন্তু এইসব কিটে প্রয়োজনের তুলনায় ৩০০ গুণ বেশী থাকে অক্সিজেন পারঅক্সাইড, যা মারাত্মক ক্ষতিকারক। তাই প্রতিদিন ব্যবহার করা চলবে না মোটেও। প্রাকৃতিক উপায়গুলোর আশ্রয় নেয়া ভালো, তবে কালেভদ্রে মাসে একবার করতে পারেন। আজকের ডিলে মোটামোটি ভালোমানের একটি টিথ হোয়াইটনিং কিট পাওয়া যায়, সেটি দিয়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন, প্রতিটি ক্যাপ ১০০ বার ব্যবহার করা যায় । 

https://youtu.be/MnMTsr_gf2s এটি ভিডিও টিউটোরিয়াল, এখন থেকে ব্যবহার বিধি সমন্ধে জেনে নিতে পারেন। 

*ঝকঝকেদাঁত* *সাদাদাঁত* *দাঁতপরিষ্কার* *লাইফস্টাইলটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★