দাবা

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা সময় বাড়ির রোয়াকে বসে দাবা খেলার চল ছিল। দুপুরের খাওয়া দাওয়া সেরে শুরু হয়ে যেত খেলা। এরপর ঘণ্টার পর ঘণ্টায় কেটে যেত এই খেলায় নেশায়। দিন বদলে গিয়েছে এই সব দৃশ্য এখন দেখা যায় না।এসব দিনের কথা ভেবে অনেকে মন খারাপ করে থাকে। আসলে এখন ডিজিটালের যুগ বাড়িতে বসে অনলাইনেই সব কিছু হয়ে যায়। তা থেকে বাদ পড়েনি দাবা খেলাও। বাড়ির ডেস্কটপে মাউসের কারসাজিতে এতদিন এই খেলায় সুযোগ ছিল। এবার অনলাইনে সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটে বন্ধুদের সঙ্গেও দাবা খেলতে পারবেন আপনি। সুযোগ মিলবে ফেসবুক অ্যাপের মাধ্যমে। শুধু ডেস্কটপ নয়, অনলাইনে দাবা খেলতে পারবেন স্মার্টফোনের ইউজাররাও। অতএব দাবা খেলার জন্য বাড়ির কাউকে না পেলে আর হতাশ হবেন না। এবার আপনি দূরের বন্ধুদের সঙ্গে দাবা খেলুন ফেসবুক মেসেঞ্জারে। তার জন্য ফেসবুক মেসেঞ্জারে গিয়ে @fbchess play -তে enter করতে হবে। চাল দিয়ে বাজিমাত করতে হলে ব্যবহার করা যাবে @fbchess Pd3 – এর মতো কম্যান্ড। কোন ঘরে কোন ঘুটিতে চাল দেবেন তার জন্যও রয়েছে নির্দিষ্ট কম্যান্ড। রাজা বা রানির ঘুটি নেওয়া যাবে K ও Q বাটন প্রেস করে। একইভাবে দাবার নৌক, বিশপ ও বড়ে ব্যবহার করা যাবে যথাক্রমে R, B ও B বাটনের মাধ্যমে দান দিয়ে।

*দাবা* *ফেসবুক* *টেকনোটিপস*

মি"ল"ন: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(আতশবাজি)(আতশবাজি)দাবার গুঠির আন্তর্জাতিক নাম(আতশবাজি)(আতশবাজি)
(হার্ট) রাজা= কিং (KING) (আতশবাজি) (হার্ট) মন্ত্রী= কুইন (QUEEN) (আতশবাজি) (হার্ট) হাতি= বিসপ (BISHOP) (আতশবাজি) (হার্ট) ঘোড়া= নাইট (KNIGHT) (আতশবাজি) (হার্ট) নৌকা= রোক (ROOK) (আতশবাজি) (হার্ট) বোড়ে/সৈন্য= পৌন (PAWN)(আতশবাজি)
*দাবা*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দাবা খেলার নাম শুনলেই ভয় লাগে! ওরে বাবা আমার মাথায় দাবা খেলার মত ভারী ব্রেন নাই। আমার না থাকলে কি হবে অাপনার নিশ্চয় বাড়তি বুদ্ধিমত্তা আছে? আপনি নিশ্চয় দাবা খেলতে পছন্দ খুব পছন্দ করেন? বলছিলাম দাবা খেলা কঠিন, কিন্তু দাবা খেলা যদি কঠিনই হবে তাহলে দাবার এত্তো নিয়ম কানন কে নিয়ে আসল। বন্ধুরা দাবা নিয়ে বেশ দারুন কিছু কথা ও ইতিহাস আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চলুন দাবা খেলা সম্পর্কে জেনে নেই। 

সারা বিশ্বে দাবা খেলা সমধিক পরিচিত। তবে বিশ্বজুড়ে দাবা খেলা নিয়ে আলোচনা সমালোচনার কোন  কমতি নেই। এত্তো আলোচনা সমালোচনা প্রিয় এই খেলার  জন্মস্থান ভারতীয় উপমহাদেশ। খ্রিস্টিয় ৭ শতকে অর্থাৎ আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এখানে দাবা খেলা চালু হয়। সেসময় এই খেলার নাম ছিলো চতুরঙ্গ ("চতু" মানে "চার" এবং "অঙ্গ" মানে "অংশ")। আসলে তখন দাবায় হাতি, ঘোড়া, রথ ও পদাতিক সৈন্য এই চারটি অংশ ছিলো। তাই এরকম নাম ছিলো।

কিন্তু চতুরঙ্গ খেলাটা আজকের দাবা বা চেজ হয়ে উঠতে অনেক সময় এবং দেশ পাড়ি দিতে হয়েছে। সেই দীর্ঘ ইতিহাসকে সংক্ষেপে জানাচ্ছি।

ভারতের সাথে প্রাচীনকালে পারস্যের বানিজ্যিক যোগাযোগ ছিলো বেশ ভালো। পারস্যের বণিকেরা ভারতে এই মজার খেলা খেলতে দেখেছিল। তাদের কাছেও খেলাটা ভালো লেগে যায়। এসব বণিকদের হাত ধরে চতুরঙ্গ একসময় পারস্যে চলে যায়। সেখানে এর নতুন নাম হয় "শতরঞ্জ"। সেটা খ্রিস্টীয় ৬০০ সালের দিকের ঘটনা। এখানে দাবা খেলার নিয়ম কানুন আরও উন্নত হয়। প্রায় একই সময় ভারত থেকে খেলাটা চীনযাত্রা করে। চীনারা এর নামকরণ করে জিয়ানকুই (xiangqi)। তবে চীনাদের দাবি জিয়ানকুই তাদের নিজেদের উদ্ভাবিত খেলা। শুধু তাই নয়, তাদের দাবি, দাবা খেলা আসলে ভারতে নয় চীনে উদ্ভাবিত হয়েছে।

প্রাচীন পারস্য বা আজকের ইরান এক সময় মুসলমানদের দখলে চলে আসে। ধীরে ধীরে দাবা মুসলমানদের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় ইউরোপের স্পেন ছিল মুসলমানদের শাসন। তাই পারস্য থেকে শতরজ্ঞ এক সময় স্পেনে তার শক্ত আসন গড়ে নেয়। পারস্যের শতরঞ্জ স্পেনে এসে Ajedrez নাম ধারণ করে।

শুধু তাই নয় পারস্য থেকে শতরঞ্জ আরও নানাভাবে ইউরোপে প্রবেশ করে। খ্রিস্টীয় দশম থেকে ১২ শতকে পারস্যে সালাউদ্দিনের শাসনামলে ইউরোপের ক্রুসেডাররা জেরুজালেম রক্ষার জন্য দলে দলে ভিড় জমায় পারস্যে। দীর্ঘদিন পারস্যে থাকতে থাকতে তারা পারস্যের অনেক কিছুই আমদানী করতে থাকে ইউরোপে। এভাবে শতরঞ্জও এই সময় ইউরোপে ও রাশিয়ায় ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখানেও সে নতুন নাম পায় "চেজ"। যা পুরাতন ফরাসী ভাষা 'echec' (অর্থ চেক) থেকে উদ্ভুত। শুধু নামেই নয়, খেলাটার আরও অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়। ইউরোপেই দাবায় প্রথম বিশপ (হাতি) যুক্ত হয়। আরও পরে যোগ হয় রাণী।

পরে এই খেলা ইউরোপীয়দের মাধ্যমে একসময় সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এই জনপ্রিয়তার কারণেই ১৯২৪ সালে ফান্সের প্যারিস শহরে "দি ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডেস চেস" (এফআইডিই) গঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি দাবা খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম কানুন নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংস্থা আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজক। দক্ষতার উপর নির্ভর করে এফআইডিই খেলোয়াড়দের ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার এবং গ্রান্ডমাস্টার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। যে সব খেলোয়ার প্রতিযোগিতায় সবার সেরা হয় তারাই গ্রান্ডমাস্টার। বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ১৫৯টি দেশ এফআইডিই এর সদস্য।

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, বাংলাদেশ থেকে বেশ কয়েকজন এই খেলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন। নিয়াজ মোর্শেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্রান্ডমাস্টার। তিনি ১৯৮৬ সালে গ্রান্ডমাস্টার হন। বাংলাদেশে পরবর্তীতে আরও চারজন গ্রান্ডমাস্টার হয়েছেন। তারা হলেন জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আবদুল্লাহ আল রাকীব, এনামুল হোসেন রাজীব।

বর্তমানে কম্পিউটার গেমিং এর যুগে দাবা খেলা আরো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পার্টনার না থাকলেও কম্পিউটারকে পার্টনার বানিয়ে জমিয়ে তুলতে পারেন আপনার রোমাঞ্চ। 
*দাবা* *খেলাধুলা*

খেলার খবর: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খেলোয়াড়দ্বয় চুপচাপ আর দর্শকরা নিরবেই তা উপভোগ করে চলেছে, এ যেন এক সুনশান নিরবতার রঙ্গমঞ্চ।  কথা বিহীন নিশ্চুপ রোমাঞ্চে মুগ্ধ খেলোয়াড় ও দর্শকরা। হ্যাঁ বন্ধুরা হয়তা বুঝেই নিয়েছেন কি নিয়ে লিখেতে যাচ্ছি। লিখতে যাচ্ছি জনপ্রিয় খেলা দাবা নিয়ে কিছু কথা। বিশেষজ্ঞদের মতে নিশ্চুপ রোমাঞ্চের আরেক নাম দাবা খেলা। তবে ঐতিহাসিক ভাবে এই খেলার আরকেটি নাম হচ্ছে চতুরঙ্গ। চলুন দাবা খেলা সম্পর্কে জেনে নেই।

দাবা খেলা ৬৪টি বর্গাকৃতির ঘর সম্পন্ন একটি বোর্ডের উপর দুজন খেলোয়াড় খেলে থাকেন। ৬৪টি বর্গাকৃতির এই ঘরটিই হচ্ছে দাবা খেলার মাঠ। দাবা খেলায় ১৬টি সাদা ও সমসংখ্যক কালো মোট ৩২টি ঘুঁটি থাকে।

দাবা খেলার জন্ম ভারতবর্ষে বলেই প্রচলিত ধারণা। আমরা জানি আমাদের পাশের দেশ ভারতে এই খেলার জন্ম হয়েছে। এ ছাড়াও ইরানে তৃতীয় শতাব্দীতে প্রচলিত শতরঞ্জ এবং চীনে দ্বিতীয় শতাব্দীতে প্রচলিত শিয়াংছি নামক খেলাকে দাবার পূর্বসূরী হিসেবে গণ্য করার পক্ষেও মতামত আছে। প্রাচীন ভারতীয় খেলা হিসেবে দাবার সংস্কৃত শব্দ শতরঞ্জ খেলাটি পরিবর্তিতরূপে পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ইউরোপে পরিমার্জিত হয়ে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।

ক্রীড়াবিদরা দাবায় কৌশল এবং বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে খেলাটির ধারাই পরিবর্তন করে দিয়েছেন। অনেক বছর ধরে দাবা খেলায় কম্পিউটারের প্রোগ্রামের সহযোগিতা নিচ্ছেন দাবাড়ুরা। এ রকম একটি প্রোগ্রাম ডিপ-ব্লু। এটিই প্রথম যন্ত্রচালিত প্রোগ্রাম, যা ১৯৯৭ সালে তৎকালীন বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভকে পরাজিত করে। বিশ্ব দাবা প্রতিযোগিতায় ১৮৮৬ সালে প্রথম অফিসিয়ালি শিরোপাধারী হন উইলিয়াম স্টেইনজ।

বর্তমানে কম্পিউটারে দাবা খেলা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মধ্যবয়সী লোকজন দাবা খেলতে বেশি পছন্দ করে। বিশ্লেষকদের বিবেচনায় দাবা হচ্ছে বুদ্ধির খেলা। ভারী ব্রেইনের লোকজন এ খেলায় বেশি পারদর্শী হয়।

*দাবা* *খেলাধুলা*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 দাবা চ্যাম্পিয়নদের গ্র্যান্ড মাস্টার বলা হয় কেন?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*দাবা* *খেলাধুলা* *গ্র্যান্ডমাস্টার*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

দাবা বিশ্বের একমাত্র খেলা যেখানে স্বামীদের প্রকৃত অবস্থান খুজে পাওয়া যায়! রাজা শুধু ১ পা নড়াচড়া করতে পারে, আর রাণী যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারে!!!
*জোক্স* *দাবা* *স্বামী*
ছবি

যারিন তাসনিম: ফটো পোস্ট করেছে

(খিকখিক) বিড়ালের দাবা খেলা (খিকখিক)

*মজারছবি* *দাবা*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমার প্রিয় খেলা ক্রিকেট। আপনার প্রিয় খেলা কোনটি?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*খেলাধুলা* *ক্রিকেট* *ফুটবল* *ভলিবল* *হকি* *টেনিস* *খেলাধূলা* *দাবা*
ছবি

শাহান: ফটো পোস্ট করেছে

তাস দিয়ে দাবা!

very creative to say the least

*তাস* *দাবা*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

দু জন দাবা খেলছিল। পাশে দাঁড়িয়ে আবুল পাক্কা দু ঘন্টা ধরে তাদের দাবার চাল বলে দিচ্ছিলেন আর তাদের ভুলের সমালোচনা করছিলেন। শেষমেশ অতিষ্ঠ হয়ে একজন খেলোয়ার বলল, তা হলে আপনিই খেলুন না। আবুল প্রায় আঁতকে উঠে বললেন, না, না আমার এত ধৈর্য কোথায়! (মামাকিদেখলাম)(ব্যাপকটেনশনেআসি)(অবাক)
*সমালোচনা* *দাবা* *ধৈর্য*

আফিয়া আঞ্জুম তামান্না: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সর্বনিম্ন কত চালে দাবা খেলা জেতা যায়?

উত্তর দাও (৮ টি উত্তর আছে )

*দাবা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★