দাম্পত্য জীবন

দাম্পত্যজীবন নিয়ে কি ভাবছো?

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্ত্রী: এই শোনো, ভাবছি চুলটা ছোট করে
কেটে ফেলি। কি বল?
স্বামী: কেটে ফেল।
স্ত্রী: এত কষ্ট করে বড় করলাম...
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু আজকাল ছোট চুলই তো
ফ্যাসান...
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: আমার বন্ধুরা বলে যে আমার মুখের সাথে বড়
চুলই মানায়।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু ইচ্ছে তো করে।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: ছোট চুলে তো বিনুনি হবে না।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: ভাবছি এক্সপেরিমেন্ট করেই ফেলি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: বাজে করে কেটে দিলে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না। কেটেই দেখি না একবার।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: যদি আমাকে স্যুট না করে তাহলে কিন্তু
তুমি দায়ী।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আসলে ছোট চুল সামলাতে সুবিধা।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: ভয় করে, যদি খারাপ লাগে।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: নাঃ, একবার কেটেই দেখি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: তাহলে কবে যাবে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আমি মায়ের কাছে যাবার কথা বলছি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: কি সব বলছ আবোলতাবোল। শরীর
খারাপ নাকি?
স্বামী: তাহলে কেটো না।

ছেলেটি এখন পাবনায় ভর্তি আছে, এখনো
মাঝে মাঝেই হঠাৎ করে বলে ওঠে "তাহলে
কেটো না'' আর "তাহলে কেটে ফেল" ...

(সংগ্রহ)

*জোকস* *স্বামী-স্ত্রী* *দাম্পত্যজীবন* *সংসার*

প্যাঁচা : (মাইরালা)ক্ষুধায় জান ফানাফিল্লা হইয়া যাইচ্ছে...(আম্মুউউউ)...খানা সামনে খাওনের উপায় নাই,জিদ্দের চোটে মনে কয় কি যে করি?আল্লাহর নিজের ক্ষুধা থাকলে বুঝতেন ক্ষুধা নিয়া খাবার সামনে করে বসে থাকা কেমন কষ্টের কাজ...আর কেমন রাগ লাগে তখন?(চিৎকার)কেন্নে কিত্তাম?...ইচ্ছা করতাছে পেচিরে হুদাই কিছুক্ষণ ঝাড়ি লাগাই,শুইনা ঐটার মাথা খারাপ হইয়া যাইব,শুরু হইব ফাইট ব্যাস সময় পার হয়ে যাবে চোখের পলকে।হাহাহাহা...(হাসি২) কিন্তু ক্ষুধা লাগছে,কথাও কইতে ইচ্ছা করতাছে না(মানিনা)

*ক্ষুধা* *রমজান* *দাম্পত্যকলহ* *দাম্পত্যজীবন*

প্যাঁচা : প্যাচি চায়ে চিনি কম দেয় দেখে বলছিলাম চিনি এত কম দাও কেন?আমি এত কম চিনির চা খাই না...ব্যাস এখন আমার চায়ের বদলে গরম শরবত খাওয়া লাগছে।এখন চিনি বেশি হইছে সেটা বলবো নাকি বলবো না এই দুশ্চিন্তায় চা-ই ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে...পরে যদি চিনি ছাড়াই চা করে দেয়।কেন্নে কিত্তাম???

*সম্পর্ক* *দাম্পত্যজীবন* *দাম্পত্যকলহ*

সাদাত সাদ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঠিক কি কি কারণে দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়ন দেখা যেতে পারে?

উত্তর দাও (৪ টি উত্তর আছে )

.
*দাম্পত্যজীবন* *সম্পর্ক* *অশান্তি*

বিডি আইডল: একটি বেশব্লগ লিখেছে


দাম্পত্য সম্পর্ক সুন্দর রাখতে নিচের ৫০ টি বিষয় যা আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন 

১. সুন্দর সম্পর্ক নিজে থেকেই তৈরি হয় না, সেটি তৈরি করতে হয়। তাই আপনাকেও সেটি তৈরি করতে হবে।

২. কর্মক্ষেত্রেই যদি আপনার সবটুকু কর্মক্ষমতা নিঃশেষ করে ফেলেন, তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

৩. আপনার উৎফুল্ল আচরণ হতে পারে আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর জন্য খুব দামি একটি উপহার।

৪. কাউকে একইসাথে ভালোবাসা এবং ঘৃণা করা আপনার জন্য অসম্ভব নয়।

৫. আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর ব্যাপারে বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া আপনার দাম্পত্য সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

৬. দাম্পত্য জীবনে তা-ই নিয়ম যা দুইজনের পছন্দের ভিত্তিতে ঘটে।

৭. সাময়িক ঝগড়া বিবাদের কারণে দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় না। মনের মধ্যে জমে থাকা চাপা ক্ষোভ আর যন্ত্রণাই দাম্পত্য জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয়।

৮. দাম্পত্য সম্পর্ক, “কী পেলাম?” –এর হিসেবে মেলানোর জন্য নয়। বরং সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে “কী দিতে পেরেছি,” তা-ই দাম্পত্য সম্পর্কের মূলকথা।

৯. “জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী হিসেবে আমি সর্বোত্তম”-এমনটি মনে হওয়া অতি আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ। এমনটি মনে হলে নিজেকে যাচাই করুন।

১০. সংসারের ক্রমাগত আর্থিক সচ্ছলতা অর্থ এই নয় যে, দাম্পত্য জীবনও সুখের মধ্য দিয়ে কাটছে।

১১. যদি বিশ্বাস ভেঙ্গে গিয়ে থাকে, তাহলে সেই বিশ্বাস জোড়া দেওয়ার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। এজন্য যেকোনো সময়ই উপযুক্ত সময়।

১২. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যা নিয়ে তর্ক হয় তা আসল বিষয় থাকে না।

১৩. ভালোবাসা কেবল অনুভুতি নয়; বরং আমাদের কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

১৪. বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মনের হতাশা ও অতৃপ্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

১৫. দাম্পত্য জীবনের অনেক তর্কই হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে ক্ষতিকর বিতর্ককে এড়িয়ে যেতেই হবে।

১৬. জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর প্রতি আপনার গভীর মনোযোগ পরস্পরের জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।

১৭. অনেক সময় সুখী দম্পতিরাও ভাবেন যে, তারা ভুল মানুষটিকে বিয়ে করেছেন।

১৮. আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী আপনাকে সুখী করার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে না পারলেও তিনি আপনার সুখী হওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই সাহায্য করতে পারেন।

১৯. মিথ্যা বলে হয়ত সামান্য কিছু সুবিধা পান। কিন্তু পরিমাণে মিথ্যা বলার জন্য সুবিধার চেয়ে অনেক বেশি চড়া মূল্য দিতে হয়। অতএব, মিথ্যা বলা বর্জন করুন।

২০. আপনার মতামত যে সবসময় সঠিক, এমনটি ভাববেন না।

২১. বছরের পর বছর ধরে যে বিশ্বাস আপনি গড়ে তুলেছেন, তা এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

২২. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অপরাধবোধকে দীর্ঘায়িত করে তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করে আপনি যা পেতে চান, তা কখনোই পাবেন না।

২৩. আপনার বন্ধুদেরকে অবহেলা করবেন না।

২৪. আপনার যদি মনে হয়, ‘তুমিই আমার জন্য সঠিক মানুষটি, যাকে আমি বিয়ে করেছি’, তাহলে আপনি ঠিক পথেই আছেন।

২৫. কোনোকিছু প্রমাণ করতে যাওয়ার প্রলোভনকে দমন করতে পারলে, বস্তুত আপনি অনেক কিছুই প্রমাণ করতে পারলেন।

২৬. আত্মিক উদারতা একটি সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রধান ভিত্তি।

২৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কোনো রক্ষণাত্মক আচরণ করে, তাহলে তার রক্ষণাত্মক হওয়ার পক্ষে আপনিও কিছু কারন দেখাতে পারেন।

২৮. বিয়ে কোন ৫০/৫০ সম্ভাবনা না; বরং এটি হলো ১০০/১০০।

২৯. দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কোনোকিছু এখনও পরিশোধ করতে পারেন আবার পরেও পারেন। তবে যতদেরিতে তা করবেন, ততবেশি জরিমানা আপনাকে দিতে হতে পারে।

৩০. সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন। এমনটি করতে পারলে, আপনি আপনার ত্যাগের চেয়ে ভোগই বেশি করতে পারবেন।

৩১. ক্ষমা কোন সাময়িক গুণ নয়; বরং ক্ষমা একটি চলমান প্রক্রিয়ার নাম।

৩২. দাম্পত্য জীবনের কঠিন সময়গুলো আপনাকে একজন ভালো মানুষ করে তুলবে।

৩৩. বিয়ে অনেকটা রকেট উৎক্ষেপণের মতো। যখন তাতে মাধ্যাকর্ষণ টান পূর্ণ থাকে, তখন ফ্লাইট চলতে খুব সামান্য জ্বালানীর প্রয়োজন হয়।

৩৪. দাম্পত্য জীবনে সাফল্য পেতে হলে, অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে, ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।

৩৫. আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞতা বোধকে নিজের ভেতর চেপে রাখবেন না।

৩৬. বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে নীরবতা পালন করা একটি অসাধারন উপায়।

৩৭. আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আপনার সর্বোত্তম প্রশ্নগুলোর একটি হতে পারে, “আমি কীভাবে তোমাকে আরও বেশি ভালোবাসতে পারি?”

৩৮. চাইলেই দাম্পত্য জীবনকে চিরসবুজ করে রাখা যায়।

৩৯. যৌক্তিক অনুমানের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। তবে পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্বে অনুমানকে যাচাই করে নেওয়াই আবশ্যক।

৪০. মনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যই সবকিছু নয়, কিন্তু তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।

৪১. সার্থক যৌন সম্পর্ক সার্থক দাম্পত্য সম্পর্কের নিশ্চয়তা দেয় না। তবে তা সার্থক দাম্পত্য সম্পর্ক নির্মাণে সহায়তা করে।

৪২. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে না। তবে সন্দেহজনক বিষয় নিয়ে লুকোচুরি করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে।

৪৩. সঙ্গী/সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা এবং ঈর্ষাপরায়ণতার জন্ম হয় ভয় থেকে, ভালোবাসা থেকে নয়।

৪৪. বিশ্বাসযোগ্যতা বিশ্বাসযোগ্যতার জন্ম দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলে।

৪৫. আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনোকিছুকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে, তাহলে তা আপানর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৪৬. দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমাবেগের প্রয়োজন কখনোই ফুরিয়ে যায় না।

৪৭. নতুন সম্পর্কের ঔজ্জ্বল্য সবসময়ই ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।

৪৮. নীরবতাও আক্রমণাত্মক হতে পারে যখন তা অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

৪৯. অধিক উত্তম হলো নিজে কীভাবে সঠিক কাজটি করতে পারেন সেদিনে মনোযোগ দেওয়া। তারপর আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী কী ভুল করেছে সেদিকে মনোযোগ দেওয়া।

৫০. দাম্পত্য সম্পর্ককে মানিয়ে নেওয়া একেবারেই অসম্ভব মনে হলে, কেবল তখনই বিচ্ছেদের দিকে পা বাড়াতে পারেন।
*বিয়ে* *সুখীদাম্পত্য* *দাম্পত্যজীবন* *জীবনসঙ্গী* *সুখীজীবন*
খবর

মৃন্ময়ী সাবিহা: একটি খবর জানাচ্ছে

ফেসবুক প্রেমের বিয়ে!.. সুখি হয় দাম্পত্য জীবন......
bangla.mtnews24.com/post.php?id=9018&page=8
(শয়তানিহাসি) ...বিস্তারিত
*বিয়ে* *দাম্পত্যজীবন* *সুখ* *ফেসবুক*
১৪৭ বার দেখা হয়েছে

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী দুজনেরই ওজন বেড়ে যায়। বিয়ের পরে ওজন বেড়ে যাওয়ার ফলে চেহারা ও শরীরের ব্যপক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। আপনার ওজন যদি দিন দিন বাড়তেই থাকে তাহলে শরীরকে কোন ভাবেই কন্ট্রোল করতে পারবেন না। কিন্তু কেন বিয়ের পরে ওজন বাড়ে আর ওজন যাতে না বাড়ে তার জন্য কি করতে হবে তা জানা একান্ত প্রয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেই।

ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণঃ

বিয়ের পর মেয়েরা যে শুধু নিজের বাড়িটা পেছনে ফেলে আসে তা নয়। সেই সঙ্গে ফেলে আসে এত দিনের পুরানো খাদ্যাভ্যাস, খাবার সময়সিমা ও পরিমাণ। একটি নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেয়া, নতুন পরিবারের সবাইকে খুশি করে চলা, নতুন অভ্যাসে নিজেকে মানিয়ে নেয়া, সব মিলিয়ে একরকমের অনিয়মের কারণে কখন যে অজান্তে ওজন বেড়ে যায় তা টের পাওয়া খুব মুশকিল। আর ছেলেদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। শশুর বাড়ি ও বউয়ের আত্নীয় স্বজনের বাড়িতে গিয়ে বেশি বেশি খাওয়ার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।

জেনে নিন কিছু সহজ উপায় যাতে বিয়ের পর ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে শেপে থাকতে পারেন৷ বিয়ের পরের সঠিক ডায়েট টিপস। তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ দুইয়েরই জন্য এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন আপনার ওজন...

ওজন কমানোর টিপসঃ

১। নিজের খাবারের সময়ের খুব বেশি বদলে দেবেন না। দুই বেলার খাবারের খাওয়ার মধ্যে যেন খুব বেশি তফাত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন অনিয়মেই ওজন বাড়ে।

২। হানিমুনে গেলে খুব বেশি ফাস্টফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। আর খাবারের তালিকায় স্যালাড যেন অবশ্যই থাকে৷ আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন ৷ ফ্রুট স্যালাড আর ফলের রস খেতে পারেন।

৩। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজ নিয়ম করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে, নতুন লোকজন, নতুন দায়িত্ব নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে এই ভিটামিন বি ৷

৪৷ শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাবে মোটা হয়ে যাওয়ার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা, কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কম করুন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার খাবেন, কারণ দুধ হল ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। অনেকের আবার দুধ পছন্দ নাও হচে পারে কিন্তু তবুও কষ্ট হলেও এই রুটিনটা মেনে চলুন।

৫৷ নতুন পরিবারে গেলেও নিজের ব্যায়ামের রুটিনটা বদলাবেন না। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন দিনে অন্তত আধ ঘণ্টা শরীর চর্চা করুন। খুব অসুবিধা হলে নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করতে পারেন।

৬৷ জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য মহিলারা পিলের ওপর ভরসা করবেন না ৷ বেছে নিন অন্য কোন পদ্ধতি। পিল আপনার শরীরে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখায় তার মধ্যে প্রধান হল অকারণে ওজন বৃদ্ধি।

মনে রাখবেন, একবার ওজন বেড়ে গেলে তা কমানো খুবই ক্ষ্টকর তাই আগে থেকেই ওজন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করুন।


*স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *দাম্পত্যজীবন* *ওজনসমস্য* *স্লিমিংটিপস*

তোফায়েল আহমদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

অমূল্য বচন ...!
যে সংসারে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সুখ-দুঃখের ভাগীদার না হয়, স্বামীর কাজে স্ত্রী এবং স্ত্রীর কাজে স্বামী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দেয়, স্ত্রীর সামান্য দোষ দেখলেই স্বামী অথবা স্বামীর সামান্য দোষ দেখলেই স্ত্রী চটে যায় বা মেজাজ দেখায়; সে সংসারে শান্তি কখনোও আসে না! সুখময় হয় না তাদের দাম্পত্য জীবন!!!
*সম্পর্ক* *দাম্পত্যজীবন*
৫/৫

প্যাঁচা : বউ আজকে কয়টা সিগারেট খাই এটা গুনবে বলছে?আল্লাহ আমারে বাচাইয়া দাও এই যাত্রা...আমার লাইগা সবতে একটু দোয়া কইরেন,প্লিজ...ধরা খাইলে এইবার আর জামিন নাই...(ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

*ধূমপান* *সিগারেট* *বউ* *দাম্পত্যজীবন* *ছুটিরদিনেরসকাল*
সাক্ষী

প্যাঁচা : একটি ঘটনা জানাচ্ছে

এত ঝাপসা মনে হবার কিছু নাই...হাহাহাআহহা...ফায়ারিং স্কোয়াডে যে নেয় নাই,এই তো বেশি...হাহাহাহা
*দাম্পত্যকলহ* *ঝগড়া-বিবাদ* *ঝগড়া* *দাম্পত্যজীবন* *সংসার* *সম্পর্ক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★