দিনাজপুর

দিনাজপুর নিয়ে কি ভাবছো?

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিনাজপুরের পূর্বনাম ছিল ঘোড়াঘাট। জানা যায় জনৈক দিনাজ বা দিনাজরাজ নামক ব্যক্তি দিনাজপুরে রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর নামানুসারে জেলার নামকরণ হয়েছে দিনাজপুর। প্রধান নদনদীর মধ্যে রয়েছে -যমুনা, আত্রাই, পুনর্ভবা, ঢেপা, কাঞ্চন, খরখরিয়া ইত্যাদি। খনিজ সম্পদের জন্য সমৃদ্ধ দিনাজপুর। দিনাজপুরের যে দুটি কীর্তির জন্য রাজা রামনাথ অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন তার একটি কান্তজীর মন্দির অন্যটি রামসাগর। কথিত আছে, রাজা রামনাথের আমলে বৃষ্টিপাতের অভাবে একবার ক্ষেতের সব শষ্য নষ্ট হয়ে যায়। প্রকৃতি হয়ে ওঠে রুক্ষ ও ধূসর। অনাবৃষ্টির অভিশাপে জর্জরিত হয় সাধারণ প্রজা। প্রজাদের দুঃখদৈন্য মেটাতে মহাপ্রাণ রাজা খনন করান দীঘিটি। তারপর থেকে বহুকাল পর্যন্ত এটি রয়ে গেছে। রামসাগারকে ঘিরে যে সৌন্দর্যের পশরা বসেছে তা বর্ণনাতীত।

আছে কান্তজীর মন্দির, বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর মন্দির । শুধু বাংলাদেশ নয়, উপমহাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য কীর্তির অসাধারণ এক নিদর্শন এই মন্দির। দিনাজপুরের টেপা নদীর ওপারে কান্তনগর গ্রামে এর অবস্থান।  দিনাজপুরে প্রবেশেই চোখে পরে সড়কের দুদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য লিচু গাছ। দিনাজপুর অঞ্চল তো লিচুর এক দেশই বটে। এখানে এসে লিচু খাওয়ার মজাই আলাদা।

লিচুর রাজ্য দিনাজপুরের মাশিমপুর লিচুবাগান
মধুমাসে ভ্রমন করতে যাওয়ায় সকলের লিচু খাওয়া। দিনাজপুর জেলার সবখানেই কম-বেশি লিচুর চাষ হয়। তবে মাশিমপুর লিচুর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত। এখানকার বাড়িতে বাড়িতে দেখা গেল সবাই লিচু নিয়ে ব্যস্ত। সড়কের দুপাশে শুধুই লিচুগাছ। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ডাল ভারী হয়ে ঝুলছে লাল লাল লিচু।বাজার থেকে কিনে লিচু খাওয়া আর বাগানের গাছ থেকে নিজ হাতে পেড়ে লিচু খাওয়ার মধ্যে অনেক তফাৎ আছে।প্রধান সড়ক ছেড়ে ছোট একটি রাস্তায় ঢুকতেই পাওয়া যায় আরো শত শত লিচুবাগান। 


মাশিমপুরের লিচু বেশিরভাগই বাড়ি কেন্দ্রীক। ঘরের আঙিনা, আশপাশেই বেশিরভাগ লিচু গাছ। বাগানও আছে প্রচুর। ভ্রমণে গেলে এখানে তাই কমবেশি আতিথেয়তাও পাওয়া যায়। এই এলাকার যে কোনো বাড়ি কিংবা বাগানে ঢুকে পড়তে পারেন আপনিও দিনাজপুর ভ্রমনে গিয়ে। মাশিমপুরের বাগানে প্রতি শত লিচু জাতভেদে দাম ২শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। দেশি ও মাদ্রাজি লিচুর দাম সবচেয়ে কম। আকারে বেশ বড় ও সুস্বাদু হওয়ায় বোম্বাই ও চায়না-থ্রি লিচুর দাম সবচেয়ে বেশি। বোম্বাই আর মাদ্রাজি লিচুর দাম কিছুটা কম, প্রতি ১০০ লিচু ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। বেদানা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আর চায়না-থ্রি জাতের লিচু ৮০০ টাকা থেকে শুরু। এছাড়া রয়েছে কালিতলা নিউমার্কেট, যেখানে লিচুর হাট বসে, সেখানে লিচু কিনে পার্সেল করে দিতে পারেন আপনার গন্তব্যে। দিনাজপুর থেকে লিচু আনার এটাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, তবে পরিমাণে অল্প হলে হাতে করেই নিয়ে আসা যায়।


লিচুর রাজ্যে ঘুরে দেখে লিচুর স্বাদ নিয়ার এটাই উপযুক্ত সময়। তাই এখনই বেড়ানোর পরিকল্পনা করে ফেলতে পারেন যে কেউ।

কিভাবে যাবেন,কেমন খরচ?
ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেন দুই পথেই যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী (Dinajpur) বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯০০ টাকা।
এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ,এস আর ট্রাভেলস,কেয়া পরিবহন, এস এ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল পরিবহনের নন-এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা। ঢাকা থেকে আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মোড় অথবা গাবতলী হতে নাবিল, বা বাবলু এন্টারপ্রাইজের চেয়ার কোচে করে সরাসরি দিনাজপুর । প্রায় সারাদিন ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর গাড়িগুলো ছেড়ে যায়। তা ছাড়া উত্তরা হতেও কিছু পরিবহন দিনাজপুর যায়।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে ঢাকার উদ্দেশে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ?
দিনাজপুর শহরের কোন হোটেলে থাকতে পারেন। দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কপোর্রেশন এর মোটেলসহ অনেকগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেল রয়েছে। আপনি চাইতে এখানে থাকতে পারেন। হোটেল ডায়মন্ড, পূর্নভবা, হোটেল আল রশিদ উল্লেখযোগ্য।দিনাজপুর (Dinajpur) শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এ ছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দিতে পারেন। দিনাজপুরের (Dinajpur) পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১৫০০ টাকা এবং এসি টুইনবেড ডিলাক্স কক্ষ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া দিনাজপুরের (Dinajpur) অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেলে ১০০-১২০০ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে। কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হলো—মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড (০৫৩১-৬৪৬২৯),নিমতলায় হোটেল আল রশিদ (০৫৩১-৬৪২৫১), হোটেল নবীন (০৫৩১-৬৪১৭৮), হোটেল রেহানা (০৫৩১-৬৪৪১৪), নিউ হোটেল (০৫৩১-৬৮১২২)।

দিনাজপুরের বিশেষ খাবার গুলোঃ
দিনাজপুর (Dinajpur) এর বিখ্যাত এবং খুব জনপ্রিয় খাবার লিচু,চিড়া,পাপড় খেতে ভুলবেন না।

বিস্তারিত জানিয়ে দিলাম দিনাজপুরের লিচু রাজ্য সম্পর্কে। এবার তাহলে ভ্রমনের সরঞ্জামাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। 

*লিচু* *লিচুবাগান* *মাশিমপুর* *লিচুররাজ্য* *দিনাজপুর*

নিরাপদ নিউজ: অলৌকিক ঘটনা কি এটা? অঝরে কাঁদছে নাকি তুত গাছ! স্বামী পুরঞ্জয় রায় সোয়া ৩ শতক জায়গা বাড়ীসহ ক্রয় করে। তার বাড়ীর সম্মুখে সন্যাসী ঠাকুর, হুমায়ুন ঠাকুর, চন্ডি বিশহরী ঠাকুর ও মাশান কালী ঠাকুরের থানসহ একটি তুত গাছ রয়েছে। উক্ত থানে সন্ধ্যা.... বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2016/02/21/news-id:132309/

*তুতগাছ* *দিনাজপুর* *কান্না* *বেশম্ভব* *এক্সক্লুসিভ* *জানাঅজানা* *আড্ডা* *অলৌকিক*

নিরাপদ নিউজ: কেমন লাগবে ! যদি কখনো শুনেন মেসি, রোলান্ড, পেলে , কাকা এদের চেয়েও একজন ফুটবল মহারথী দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মাটিতে আছেন একমাত্র ফুটবল জাদুকর | যার নৈপুণ্যতা ও পায়ের জাদুতে হতবাক ইউরোপের ফুটবল বোদ্ধার| বিস্তারিত পড়ুন- http://bit.ly/1R0GyPk

*ফুটবল* *মেসি* *খেলাধুলা* *বেশম্ভব* *দিনাজপুর* *ভাগ্য* *আড্ডা*

নিরাপদ নিউজ: দিনাজপুরে রাসমেলার যাত্রা মঞ্চে ককটেল বিস্ফোরনে ১০জন আহত | দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কান্তজিউ রাস মেলায় ককটেল বিস্ফোরনে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়.. বিস্তারিত আরো... http://www.nirapadnews.com/2015/12/05/news-id:111977/

*দিনাজপুর* *কাহারোল* *কান্তজিউ* *ককটেল* *বিস্ফোরন*

Risingbd.com: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কান্তজিউ মন্দির প্রাঙ্গণে বোমা বিস্ফোরণ, আহত ৭
দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় কান্তজিউ মন্দির প্রাঙ্গণে বোমা বিস্ফোরণ- http://bit.ly/1XPxFrp
*আড্ডা* *বোমা* *দিনাজপুর* *কান্তজিউমন্দির* *আতঙ্ক* *যান্ত্রিকজীবন*

নিরাপদ নিউজ: বাংলাদেশের প্রথম ‘সোলার সাইকেল’ তৈরী হলো চার্জের খরচ নেই। দিনের বেলায় এটি সুর্যের আলোয় চার্জ হয় এবং যদি রাতে চালায় তবে রাস্তায় অন্যান্য যানবাহনের হেড লাইটের আলোতেও এটি চার্জ হবে..বিস্তারিত - http://www.nirapadnews.com/2015/11/06/news-id:103914/

*বিজ্ঞান* *আবিস্কার* *দিনাজপুর* *সোলারসাইকেল* *সাইকেল* *বেশম্ভব* *জানাঅজানা* *আড্ডা*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রামসাগর কোন সাগর নয় তারপরেও তার নাম রামসাগর। সৌন্দর্য্য এবং আয়তনের দিক থেকে রামসাগর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দীঘি। এ দীঘিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জাতীয় ‍উদ্যান। রামসাগর ও জাতীয় এই উদ্যানকে ঘিরে প্রতিদিন সারা দেশ থেকে ভ্রমন পিঁপাসু হাজার হাজার পর্যটক ভিড় জমায়। বন্ধুরা তোমরা যারা দিনাজপুর ভ্রমন করতে যাবে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, দিনাজপুর গেলে কিন্তু রামসাগর দেখতে যাওয়া চাই-ই-চাই। কারণ রামসাগর না গেলে দিনাজপুর ভ্রমনের আনন্দটাই মাটি। চলো তাহলে ঘুরে আসি দিনাজপুর জেলার রামসাগর দীঘি থেকে।
 
দিনাজপুর  সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর শহর থেকে ৫ মাইল দক্ষিণে এই দিঘিটির অবস্থান। শুধুমাত্র জলাধার বা ‌ঐতিহাসিক কীর্তি নয়, এক বিশাল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী একটি মনোরম পার্ক রয়েছে এখানে। পলাশী যুদ্ধের প্রাক্কালে দিনাজপুরের বিখ্যাত রাজা রামনাথ ১৭৫০-১৭৫৫ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে রামসাগর দীঘিটি খনন করান এবং তার নামেই এর নামকরণ করা হয়।

কি দেখবেন রামসাগর গিয়েঃ
এ চারপাশে সবুজ বৃক্ষরাজি ঘেরা রামসাগরকে দূর থেকে অরণ্য ভেবে ভুল করতে পারেন অনেকে। ইট বিছানো উঁচু রাস্তাটিতে উঠে বাঁ দিকে চোখ ফেরাতেই বিস্তীর্ণ জলরাশি চোখের সামনে মূর্ত হয়। অবাক দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকতে হয় সাগরের মতো বিশাল দিঘিটির দিকে। স্থির, স্বচ্ছ রূপ নিয়ে মনোহরণ করতে থাকে। মূল দিঘির চারপাশে উঁচু টিলা। টিলাজুড়ে নানা জাতের গাছগাছালি। গাছগুলোতে জমে পাখির আড্ডা। তাদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠছে চারপাশ। রয়েছে (রামসাগর জাতীয় পার্ক) চারিদিক প্রদক্ষিণ করার রাস্তা। নানা ধরনের পুরানো এবং নতুন গাছের সমাহারে সাজানো রয়েছে চারিদিক। রয়েছে পরবর্তীতে কৃত্রিমভাবে বানানো নানা ধরনের পশু পাখির প্রকৃতি। এছাড়া কিছু হরিণও আপনার চোখে পড়বে ।এছাড়ও দিঘিতে ভেসে থাকা অজস্র শাপলা ফুল রামসাগরের সৌন্দর্য্যেকে দিয়েছে নান্দনিকতার ছোঁয়া যা সহজেই আপনার মন কাড়তে সক্ষম হবে।

দিঘির উত্তর দিকে প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত লাল ইটের একটি প্রাচীন স্থাপনা দেখা যায়। এটি নিয়ে নানা কথা প্রচলিত আছে স্থানীয়দের কাছে। কারও মতে এটি একটি মন্দির আবার কারও মতে এটি একটি বিশ্রামাগার।

রামসাগর নামটি কিভাবে আসলো?
কথিত আছে, বহু বছর আগে রাজা রামনাথ রাজ্যের মানুষের পানির অভাব মেটানোর জন্য একটি দীঘি  খনন করা শুরু করেন। কিন্তু যতই খনন করা হোক না কেন, দীঘি দিয়ে পানি উঠে না। কেউ কোনো কারণ বুঝতে পারছিল না। হঠাৎ একদিন রাজা স্বপ্ন দেখেন, দীঘির মাঝে একটি ছোট মন্দির স্থাপন করে রাজা পূজা করলে দীঘিতে পানি উঠবে। স্বপ্নমতে রাজা রামনাথ মন্দির স্থাপন করে পূজা করলে দীঘিতে পানি উঠে এবং রাজা রাম পানিতে ডুবে মারা যান। পরে তার স্মৃতিস্বরূপ এই স্থানের নাম হয়েছে ‘রামসাগর’।

রামসাগর ভ্রমনের প্রয়োজনীয় তথ্য
প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে রামসাগর জাতীয় উদ্যান । এখানে প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২ টাকা। নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করে গাড়ি নিয়েও জায়গাটিতে প্রবেশ করা যায়। রামসাগরে  বাহনের প্রবেশ মূল্য রিকশা ৫ টাকা, কার বা জিপ ৩৫ টাকা, সাধারণ মাইক্রোবাস ৬০ টাকা, বড় মাইক্রোবাস ৭৫ টাকা। নিজস্ব বাহন না থাকলে দিনাজপুর শহর থেকে ব্যাটারি চালিত রিকশায় রামসাগর আসতে সময় লাগে প্রায় ত্রিশ মিনিট। ভাড়া ১০০-১৫০ টাকা।

কীভাবে যাবেন,কেমন খরচ?
ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেন দুই পথেই যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনাজপুরগামী (Dinajpur) বাসগুলো সাধারণত ছাড়ে গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে। এ পথে নাবিল পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৯০০ টাকা।
এ ছাড়া হানিফ এন্টারপ্রাইজ,এস আর ট্রাভেলস,কেয়া পরিবহন, এস এ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, নাবিল পরিবহনের নন-এসি বাসও চলাচল করে এ পথে। ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
 ঢাকা থেকে আসাদগেট, কলেজগেট, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মোড় অথবা গাবতলী হতে নাবিল, বা বাবলু এন্টারপ্রাইজের চেয়ার কোচে করে সরাসরি দিনাজপুর । প্রায় সারাদিন ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরপর গাড়িগুলো ছেড়ে যায়। তা ছাড়া উত্তরা হতেও কিছু পরিবহন দিনাজপুর যায়।

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। আর আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। ঢাকা থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে মঙ্গল ও বুধবার। ভাড়া শোভন সিট ১৮৫ টাকা,শোভন চেয়ার ২৫০, প্রথম শ্রেণি চেয়ার ৩৫০, প্রথম শ্রেণি বার্থ ৫৩৫, এসি চেয়ার ৬১৮, এসি বার্থ ৮৯৭ টাকা।
 
দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে ঢাকার উদ্দেশে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ছাড়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে আর একতা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ৯টা ৫০ মিনিটে। দিনাজপুর (Dinajpur) থেকে একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে যথাক্রমে সোমবার ও বুধবার।

কোথায় থাকবেন, কেমন খরচ?
 রামসাগরের ভেতরের এক অংশে রয়েছে বন বিভাগের একতলাবিশিষ্ট একটি বাংলো। সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এখানে থাকতে পারেন। এখানে থাকতে হলে স্থানীয় বন বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হয়। একতলা ভবনটিতে তিনটি সাধারণ এবং একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ আছে। প্রতিটি সাধারণ কক্ষের ভাড়া প্রতি রাত ৫০০ টাকা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের ভাড়া ১০০০ টাকা। নিজেদেরই খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়। এছাড়াও দিনাজপুর শহরে রয়েছে কয়েকটি উন্নতমানের আবাসিক হোটেল। অল্প খরচেই সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যায়।কাছ থেকে রাম সাগরের লোভনীয় সৌন্দর্য্য উপভোগ করার জন্য এটি একটি আদর্শ হোটেল।
  
এছাড়া দিনাজপুর শহরের কোন হোটেলে থাকতে পারেন। দিনাজপুর শহরে থাকার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন কপোর্রেশন এর মোটেলসহ অনেকগুলো ব্যক্তি মালিকানাধীন হোটেল রয়েছে। আপনি চাইতে এখানে থাকতে পারেন। হোটেল ডায়মন্ড, পূর্নভবা, হোটেল আল রশিদ উল্লেখযোগ্য।

হোটেল বুকিং সুবিধা

দিনাজপুর (Dinajpur) শহরে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল হচ্ছে পর্যটন মোটেল (০৫৩১-৬৪৭১৮)। এ ছাড়া ঢাকায় পর্যটনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দিতে পারেন।
ফোন :৯৮৯৯২৮৮-৯১ ।

দিনাজপুরের (Dinajpur) পর্যটন মোটেলে এসি টুইনবেড ১৫০০ টাকা এবং এসি টুইনবেড ডিলাক্স কক্ষ ১৮০০ টাকা। এ ছাড়া দিনাজপুরের (Dinajpur) অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেলে ১০০-১২০০ টাকায় রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা আছে।
 
কয়েকটি সাধারণ মানের হোটেল হলো—মালদহ পট্টিতে হোটেল ডায়মন্ড (০৫৩১-৬৪৬২৯),নিমতলায় হোটেল আল রশিদ (০৫৩১-৬৪২৫১), হোটেল নবীন (০৫৩১-৬৪১৭৮), হোটেল রেহানা (০৫৩১-৬৪৪১৪), নিউ হোটেল (০৫৩১-৬৮১২২)।

বিশেষ খাবার গুলোঃ

দিনাজপুর (Dinajpur) এর বিখ্যাত এবং খুব জনপ্রিয় খাবার  লিচু,চিড়া,পাপড় খেতে ভুলবেন না।

বন্ধুরা বিস্তারিত জানিয়ে দিলাম দিনাজপুরের রামসাগর সম্পর্কে। এবার তাহলে ভ্রমনের সরঞ্জামাদি নিয়ে বেরিয়ে পড়। সাথে আমাকে নিতে কিন্তু ভুল করনা। না না আমাকে না তোমার ক্যামেরাটাকে। তোমাদের ভ্রমন নিরাপদ হোক। শুভকামনা রইল...

*রামসাগর* *দিনাজপুর* *ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *উদ্যান* *দিঘি*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

বিভিন্ন জেলার বিখ্যাত খাবার ও বস্তুর নাম:: ০১) নাটোর —কাঁচাগোল্লা,বনলতা সেন ০২) রাজশাহী —আম,রাজশাহী সিল্ক শাড়ী ০৩) টাঙ্গাইল —চমচম, টাংগাইল শাড়ি ০৪) দিনাজপুর —লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড় ০৫) বগুড়া —দই ০৬) ঢাকা—বেনারসী শাড়ি,বাকরখানি ০৭) কুমিল্লা —রসমালাই, খদ্দর(খাদী) ০৮) চট্রগ্রাম —মেজবান , শুটকি ০৯) খাগড়াছড়ি—হলুদ
*নাটোর* *রাজশাহী* *টাঙ্গাইল* *দিনাজপুর* *বগুড়া* *ঢাকা* *কুমিল্লা* *চট্টগ্রাম* *খাগড়াছড়ি* *খাবার* *বিখ্যাত* *প্রথম*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★