ধর্ম

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ধর্ম ও প্রগতিকে মুখামুখি দাড় না করিয়ে বরং রেললাইনের মতো সমান্তরালে চলতে দেওয়া উচিত। তাহলে এই আস্তিক ও নাস্তিক মার প্যাচ থেকে এই জাতী মুক্তি পাবে।।

*বাস্তবতা* *ধর্ম*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই রয়েছে ডিপ্রেশন,হতাশা। তবে
এমন কিছু মানুষ দুনিয়াতে আছে যাদের হতাশা অন্যান্য
মানুষের থেকে অনেক বেশি। তারা অনেকটাই আমার মত
অভাগা। ডিপ্রেশন যে কতটা টা ভয়ঙ্কর হতে পারে সেটা
ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানে না। আর এই ডিপ্রেশন যে
কত মানুষকে নিরবে খুন করেছে তা অজানা। এটা একটা
নিরব ঘাতক। অনকেই এই ডিপ্রেশন সইতে না পেরে
আত্নহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি বর্তমানে তরুণদের মাঝে
বেশি দেখা যায়। এখনকার তরুণদের মধ্যে ডিপ্রেশনের
প্রধান কারণ হল প্রেমঘটিত তবে এটা ছাড়াও অন্যান্য
কারণ আছে। এখন আসি এ থেকে মুক্তি লাভের উপায়ে।
আমি এ বছর এইচ.এস.সি পাস করে ভার্সিটির জন্য
প্রিপারেশন নিচ্ছিলাম এর মধ্যে আমার প্রায় দুই বছরের
রিলেশন টা ফুললি ব্রেকআপ হয়ে গেল। আমার অনেক বন্ধু
থাকলেও আমি খুব বেচে বন্ধুদের সাথে চলি। তেমনি
অল্প কিছু বন্ধুদের সাথে চলতাম তাদেরকে আমি নিজে
এড়িয়ে চলা শুরু করলাম কারণ কারণ আমি সেল্ফিস পছন্দ
করি না। হয়ে গেলাম সম্পূর্ণ একা খুব খারাপ লাগত
ভাবলাম ভার্সিটিতে ভর্তি হতে পারলে হয়তবা ভাল
বোধ করব। ভার্সিটিতে এডমিশন টেস্ট দিলাম কোন
পাবলিক ভার্সিটিটে টিকলাম না। এমনিতে আমি একা
এর মধ্যে সময় সময় ওর কথা মনে পড়ে ওকে ভুলতে
পারতিছি না কোন ভাবে তার নিজের ফিউচার কি হবে
তা জানি না। এমন একটা পরিস্থিতি তে যে পড়বে সে
বুঝবে কেমন ফিল হয় তখন আমার মত হয়ত এমন কারও না
হলেও। আমার মতই হয়ত অনেকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত
হয়ে পড়েন। তাদের জন্য আমার মেসেজ হল আমাদের
প্রত্যেকেরই নিজ নিজ ধর্ম রয়েছে কেউ মুসলিম,কেউ
হিন্দু,কেউ খ্রিস্টান,কেউ বৌদ্ধ। আমাদের প্রত্যেকেরই
নিজ নিজ ধর্মের আচার,আচরণ,নীতি রয়েছে এবং
প্রত্যেক ধর্মেরই নিজ উপশনালয় আছে। আমারা যদি
কিছুটা সময় নিজ ধর্মের রীতি অনুযায়ী ধর্মকর্মে
মনোনিবেশ করি। কিছুটা সময় প্রার্থনায় রত থাকি
তাহলে দেখবেন অনেকটাই আপনার ডিপ্রেশন হালকা
হয়ে গেছে মন অটোমেটিক ভাল হয়ে যাবে। নিজ
উপশনালয়ে অনেক ধরনের ধর্মীয় কথা হয় সেগুলো শুনতে
পারি। নিজ ধর্মীয় গ্রন্থ রয়েছে এগুলো পাঠ করতে পারি
দেখবেন মন কত ভাল হয়ে গেছে আগের কথা গুলো মনেই
আসবে না। আপনি এক অন্য জগৎ এ প্রবেশ করবেন। মুসলিম
হলে তাবলিক জামাতে যেতে পারেন। আমি যেহুতু একজন
মুসলিম তাই আমি নামাজ পড়া শুরু করেছিলাম আমি যখন
নামাজ পড়ে মসজিদ এর দরজা দিয়ে বের হতাম এবং
আকাশের দিয়ে তাকতাম মনে মনে এত্ত আনন্দ পেতাম
কেন যেন ভাল লাগল ফুরফুরে মনে হত নিজেকে। আগের
অবস্থা থেকে অনেকটাই রিকভার করতে পেরেছি। তাই
যার যে ধর্মই হোক ডিপ্রেশনে থাকলে নিজ ধর্মকর্মে মন
দিন দেখবেন আগের থেকে ভাল আছেন।

*ডিপ্রেশন* *ধর্ম* *নামাজ* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

" হে নারী......! " ණ কানাডায় প্রতি সপ্তাহে একদম উলঙ্গ হয়ে একজন নারী হাজারো পুরুষের সামনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকে। আর পুরুষরা তার যৌবনের প্রশংসা করে । এতে সে অনেক ডলার আয় করে । দাড়ি শেইভ করার ক্রিমের বিজ্ঞাপনেও এখন নারীকে ব্যবহার করা হয় । যে কোন প্রোগ্রামের উদ্বোধনীতেও অশ্লিল ভঙ্গিমায় কিছু ভাড়াটে নারী তাদের যৌনতা দেখায় । এবার আপনি বলুন ! এগুলোতে কি নারীর সম্মান বৃদ্ধি পাচ্ছে?? আইয়ামে জাহিলিয়্যাতে নারীদের দুই পা'কে দুটি ঘোড়ায় বেঁধে দুইদিকে ছেড়ে দেয়া হতো । আর নারীর দেহটি দ্বিখন্ডিত হয়ে যেত মুহুর্তেই । কোন কণ্যা সন্তান জন্ম নিলে তাকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো । ইহুদী ধর্মঃ- নারীদের গুণের চেয়ে পুরুষদের দোষও ভাল । খ্রিষ্ট ধর্মঃ- নারীরা নরকের দ্বার । বৌদ্ধ ধর্মঃ- সকল পাপের মূলে নারী । হিন্দু ধর্মঃ- নারীদের কোন উত্তরাধিকার নেই । গ্রিস ধর্মঃ- নারীরা শয়তানের প্রতিভূ । ইসলাম ধর্মঃ- মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত । গর্ত থেকে তুলে মা , মেয়ে , স্ত্রীর মর্যাদা ইসলাম দিয়েছে তোমাদের । সম্পদে বা অন্য কোন ক্ষেত্রে নারীদের বিন্দুমাত্র অধিকার ছিলনা । কিন্তু রাসূল ( সা: ) তাদের পদতলে জান্নাতের টিকেট দিয়েছেন । বিবাহের জন্য মোহর বাধ্যতামূলক করেছেন । পিতার চেয়ে মাতার অধিকার তিন গুণ বাড়িয়েছেন । সম্পদে তাদের ভাগ দিয়েছেন । এখনো হিন্দু ধর্মে নারীদের কোন সম্পদের অধিকার নেই । তবুও ইসলামে নাকি নারীদের অধিকার নেই । হে নারী! তুমি তোমার অধিকার জেনে নাও । জেনে রাখ ! পর্দাতেই তোমার সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে ; অশ্লীল দেহ প্রদর্শনীতে নয় । তোমার ইজ্জাত - আভ্রুর হেফাজত করার দায়িত্ব তোমারই ।এ সমাজ তোমাকে কি দিয়েছে ধর্ষন ছাড়া, আর যার বিচার ও পাওনা। অথচ রাস্তায় নাম তুমি অধিকার চেয়ে কিন্তু নবীকে কেউ গালি দিলে তুমাকে রাস্তায় দেখিনা কেন? যে নবীর জন্য আজ তুমি নারী হয়ে বেঁচে আছ।

*নারী* *সম্মান* *মূল্য* *ইসলাম* *ধর্ম* *ইতিহাস* *কানাডা* *সংগৃহিত*

প্যাঁচা : খুব বেশি ঘাটাঘাটি না করেই বলছি সো,এলোমেলো হলে আমার দোষ নাই।ইসলাম ধর্মের চার শ্রেষ্ঠ নারী,ফাতিমা(রাঃ),আছিয়া(রাঃ),বিবি খাদিজা(রাঃ) ও মরিয়ম(রাঃ)।ওনাদের কথা বা জীবনি নিয়ে কথা বলতে আমি ধার্মিক কোন নারীকে খুব একটা শুনি না কেন?এমনকি ধার্মিক পুরুষদেরও বলতে শুনিনা তেমন...এটা কি আমার দেখার ভুল নাকি আসলেই খুব একটা বলা হয় না।আমি কি ভুল বললাম?

*ইসলাম* *নারী* *মানুষ* *ধর্ম*

প্যাঁচা : যদি বলি ধর্মকে যেমন নিজের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যবহার করা হয়েছে,এখনো হচ্ছে সেই একই দল এখন বিজ্ঞানকে একইভাবে ব্যবহার করছে,তাহলে আপনার কি আমাকে ধর্মের বিরুদ্ধে বা ধর্মের পক্ষের মনে হবে নাকি বিজ্ঞানের পক্ষে বা বিপক্ষে মনে হবে?নাকি কেবলই রাবিশ কথাবার্তা মনে করে এড়িয়ে যাবেন? যদি বলা হয়,যত কিছু আমরা জানি বা জানার মত আছে,তার সাথে যত বেশি মানুষ জড়িত হয়েছে তত বেশি বিকৃত হয়েছে কিংবা স্বার্থ উদ্ধারে আসল চেহারা পাল্টেছে।একটি হচ্ছে ধর্ম,উদীয়মান তারকা বিজ্ঞান(শয়তানিহাসি)(হাসি২)

*ধর্ম* *বিজ্ঞান* *স্বার্থদ্ধার* *বিকৃত*

প্যাঁচা : যারা ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করেছেন সবাই যুলকারনাইনের নাম বলে থাকেন।উনি ইয়াযুয-মাযুয জাতিটিকে বন্দী করে গিয়েছিলেন এই পৃথিবীতে এমনভাবে যে এমনকি বাতাসো নাকি ঐ দেয়াল বা ড্যামের ঐ পারে যেতে পারে না এবং আসতে পারে না।কিন্তু ইতিহাসের কোথাও এমন একজন রাজার কথা কোথাও নাই।কারো কি জানা আছে যদি থেকে থাকে? বা কোণ সময়ে আসলে উনি বর্তমান ছিলেন?ইসলামিক চিন্তাবিদরা কেনই বা খুজে বের করার চেষ্টা করছেন না...(চিন্তাকরি)

*ধর্মীয়শিক্ষা* *ধর্ম* *শিক্ষা*

বিম্ববতী: গতকাল রাত থেকে মনটা ভীষণ অন্যরকম একটা কষ্টে ডুবে আছে,,,একটা চোখের কি তীব্র প্রশ্ন আমাকে কিছুতেই শান্ত থাকতে দিচ্ছে না,,,,,সেই চাহনির কোনো উত্তর কি আমাদের আছে ওই নতুন প্রজন্মকে দেয়ার !!,,,কিসের আশায় এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা মুনাফাভোগী অপ-দেবতাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি আজন্ম অপ-ব্যবহৃত হয়ে???,,,(বৃষ্টি),, 'ফিরাক' একটি সিনেমা'র নাম,,https://goo.gl/oBfNtI

*ধর্ম* *সাম্প্রদায়িকতা* *অপ-দেবতা* *বাজারজাতকরণ* *যুদ্ধ* *পাপ* *কষ্ট* *নতুন-প্রজন্ম* *শিশু* *মুনাফাভোগী* *সিনেমা* *মুভি*

বিম্ববতী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কার বাজার দখলের আকাঙ্খায় তোমার সৃষ্টি ISIS ???
,,,,,,,,,,,,,(মেঘ),,,,,,,
আমরা সবাই উটপাখি,,,উটপাখি কি করে জানেন তো?,,,মরুভূমিতে যখন ঝড় হয় তখন মাথাটা বালুতে গুঁজে রাখে আর ভাবে কিচ্ছু হচ্ছে না তো !,,,সব ঠিক আছে,,,আমরা যেমনি বলি এইটা বিশ্ব রাজনীতি,,এইসব আমরা বুঝব না,,,চেষ্টা করেছেন কখনো সঠিকটা জানার??,,নাকি ইউএস'র শিখানো বুলিতে বলে যাব এইটা ধর্মীয় উদ্দেশ্যমূলক,,,এর ভিতরে অন্য কোনো রাজনীতি নেই,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(মেঘ),,,,,,,,,,,
আর আমরা নাম মাত্র ধর্মীয় মানুষরা এই ISIS কে কিভাবে নিচ্ছে তা আমি নিজে দেখেছি,,, ISIS হামলা করতে পারে বলে এক বিদেশে থাকা ভাই তার বোনকে ফোনে বলছেন যে ISIS ওখানেও হামলা করতে পারে,,,সেখানের সরকার তাদের সাবধানে থাকতে বলেছে,,এই কথা বলে ভাইটি বোনকে বলছে, আশ্চর্য! কিভাবে মানুষ ধর্মের নামে এটা করতে পারে!,,,তখন এই দেশে থাকা বোনটি, যে জানে তার ভাইও যে কোনো মুহুর্তে ISIS এর স্বীকার হতে পারে, ISIS কে সাপোর্ট করে বলছে "ISIS কেন এইসব করছে তা কি আর আমরা সাধারণ মানুষ বুঝব !",,,,আশ্চর্য আমাদের ধর্মীয় বোধ, যে বোধ মানুষকে মানুষ থাকতে দিচ্ছে না,,,,ধর্মকে করছে অধর্ম !!

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(মেঘ),,,,,,,,,,,
ধিক্কার সেইসব মানুষকে যারা ইউএস এর মত সন্ত্রাস কে সাপোর্ট করে যাচ্ছে ISIS কে সাপোর্ট করার মধ্য দিয়ে !! 

https://www.youtube.com/watch?v=Nob_GI29RCI
এইযে শুনুন - ভিডিওটা এড়িয়ে না গিয়ে দেখুন,,আর কত অবুঝ থাকবেন,,,,,কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করুন,,,,,,,,,না বুঝতে চাইলেও ক্ষতি নেই,,,কার কি তাতে, হু?,,,,,,,দিব্যি আছি তো,,,,,,
জলের রাজকন্যা বিম্ববতী,,,,,,,(বৃষ্টি),,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(গরুনিয়েযাওয়া),,,,,,,,,,,,,,,,,
আমার কথা শেষ,,,,,শিশুর ভয়ার্ত বুকের ধুকধুক শব্দকে অস্বীকার করে আসুন আবার উটপাখি হয়ে যাই,,,,,,এ শিশু আমাদের নয়,,,,,,পৃথিবীর নয়,,,এ শিশুরা দেবশিশুই বটে,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,,,,,,,
তুমি কি সমুদ্রের হাসিতেও
বিপদ টের পাও না?
তুমি কি পপিফুলের খুনরঙা আঁশগুলোর ভেতর
একটা হুমকি দেখতে পাও না?
তুমি কি দেখ না যে আপেল গাছগুলো ফুল ফোঁটায়
কেবল আপেলের ভেতর মরবার জন্য?
বিস্মৃতির বোতল ভরতি হাসি পরিবৃত হয়ে
তুমি কি কাঁদো না?
-----------------পাবলো নেরুদা 

*রাজনীতি* *পলিটিক্স* *বাজারদখল* *সন্ত্রাস* *টেররিসম* *বলদ* *ধর্ম* *শিশু* *মানুষ* *দেবশিশু* *আইএস*

নিরাপদ নিউজ: আগামী ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) ফলে রবিবার ১৩ ডিসেম্বর সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী ১৪ ডিসেম্বর সোমবার থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে....বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2015/12/12/news-id:114506/

*ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী* *রবিউলআউয়াল* *ধর্ম* *ইসলাম* *আড্ডা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে বলিউডের মি. পার্ফেক্টশনিস্ট খ্যাত তারকা আমির খান। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি তাকে চড় মারার জন্য এক লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে।



ভারত একটি ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। সাধারনভাবেই ধরে নেওয়া যায় ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র মানে সেখানে কোন ধরনের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা থাকবেনা। কিন্তু আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের দিকে তাকালে দেখা যায় তারাই সবচাইতে বেশী ধর্মীয়ভাবে অসহিষ্ণু! কারন সেখানে প্রায়ই রায়ট/দাঙ্গা হয়। যেটা হয় সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দু ও সংখ্য লঘু মুসলমানদের মধ্যে। যেটা সবা্ই স্মরন করতে পারবেন তা হলো গুজরাট দাঙ্গার কথা। এছাড়াও বেশ কয়েক মাস যাবত গরুর গোশত খাওয়া নিয়ে অনেক মুসলমানকে হ্ত্যাও করেছে সেদেশের সন্ত্রাসীরা।সেদেশের সরকার এসব বিষয়েতো কোন ভাল পদক্ষেপ নেয়ইনি বরং এই ঘটনাগুলোকে আরো উস্কে দিয়েছে। এটা দু:খজনক।

তারই ধারাবাহিকতায় দেখা যাচ্ছে-

সেখানকার পরিস্থিতি বেশ বিশৃঙ্খল। আপনারাও দেখছেন সবকিছু। তারা (আমির এবং তার পরিবার) কয়েকদিনের জন্য আমেরিকায় যাওয়ার চিন্তা করছেন। পরিস্থিতি ঠিক হয়ে গেলে তারা আবার ফিরে আসবেন।’ গতকাল হঠাৎ করেই করা নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে লুধিয়ানা থেকে মুম্বাইয়ে ফিরে আসেন আমির খান। মুম্বাই এয়ারপোর্ট থেকে ভিআইপি গেট দিয়ে বের হয়ে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে বাসায় যান তিনি। পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় দাঙ্গাল সিনেমার শুটিং করছিলেন আমির খান। কিন্তু পাঞ্জাবের একজন শিবসেনা নেতা ঘোষণা দেন, ‘আমিরকে যদি কেউ চড় মারতে পারে তাহলে এক লাখ রুপি পুরস্কার দেওয়া হবে। এরপর লুধিয়ানায় আমির যেখানে অবস্থান করছিলেন সেই হোটেলের সামনে আন্দোলনরত অনেক মানুষকে দেখা যায়। তারা আমিরের পোস্টার পুড়িয়ে তার বিরুদ্ধে শ্লোগান দিচ্ছিলেন। পরিস্থিতি বুঝে সেখান থেকে মুম্বাই ফিরে আসেন আমির খান। এর আগে আমির খান সম্প্রতি রামনাথ গোয়েঙ্কা এক্সেলেন্স ইন জার্নালিজম পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘গত ৭-৮ মাস ধরে ভারতজুড়ে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা চলছে। সমাজের মানুষের মধ্যে ‘নিরাপত্তাহীনতা’ এবং ‘ভয়’ কাজ করছে।’ এ ছাড়া ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার কারণে আমির ভারত ছাড়ারও চিন্তা করেছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘কিরণ এবং আমি প্রথম থেকেই ভারতে বসবাস করছি। কিন্তু এই প্রথম সে আমাকে দেশ ছাড়ার কথা বলেছে। বাড়িতে এই বিষয়টি নিয়ে আমি যখন কিরণের সঙ্গে কথা বলি; সে আমাকে বলছিল, তাহলে কী আমাদের এখন দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত?’ -আমার বাংলাদেশ

এই হলো ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের অবস্থা! সে হিসাবে মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে আমারা অনেক ভাল আ্ছি। আমরা যারা বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানাতে চাই তাদের জন্য ভারত থেকে অবশ্যই শিক্ষা নিতে হবে।

আশা করি ভারত সরকার ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে এবং এই উপমহাদেশে শান্তি বজায় রাখতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে।

*সংবাদ* *খবর* *আমিরখান* *ধর্ম* *বাংলাদেশ*
*খবর* *আমিরখান* *ধর্ম* *বাংলাদেশ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডা. জাকির নায়েক
কিছু লোক আছে যারা আরবী বর্ণমালাগুলোর নির্দিষ্ট মান দিয়ে যোগফল বের করে। তারপর ঐ মান দিয়ে তারা কোনো আয়াত বা দোয়া বা কোনো নাম নির্দেশ করার চেষ্টা করে।

উদাহরণ দিয়ে বলা যায় “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”-এর ‘বা’, ‘আলিফ’, ‘সিন’ এ বর্ণমালাগুলোর মান বসিয়ে তার বের করেছেন ৭৮৬ আবার ৯২ দিয়ে বুঝান মুহাম্মাদ (সা) এভাবে আরো অনেক কিছু। কিন্তু এমন ব্যবহার কোরআন বা সহীহ হাদীসের কোথাও পাওয়া যায় না।

কিছু লোক তর্ক করে যে, আমরা যখন আরবি বর্ণমালা না পাই, তখন দাওয়াতপত্র ভিজিটিং কার্ড ইত্যাদি ছাপাতে সংখ্যাগুলো লিখি। কিন্তু আমার কথা হলো, আপনি আরবী শব্দটি ইংরেজিতে বানান করে লিখেন। আর যদি মনে করেন সবাই বুঝবেনা তাহলে অনুবাদ লিখতে পারেন। যেমন “পরম করুনাময় দাতা ও দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে”. এত সহজ উপায় থাকতে এমন কঠিন ও বিদঘুটে পদ্ধতির প্রয়োজন কি?

আসলে বিভিন্ন সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধারনা আমাদের সমাজে দেখা যায়। যেমন পশ্চিমা সমাজে ১৩ সংখ্যাটিকে অপয়া ভাবা হয়। তারা বলে ‘আনলাকি থার্টিন’. আবার তারা ৬৬৬ দ্বারা বুঝায় শয়তান।

আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে চোর, বাটপার, ফটকাবাজদের ৪২০বলা হয়। এর অবশ্য কারণ আছে, ভারতীয় উপমহাদেশের সবদেশেই যদি কোন চোর বাটপার ধরা হয় তাহলে তাকে যে ধারায় শাস্তি দেয়া হয় সেটি পেনাল কোডের ৪২০ নং ধারায় বর্ণীত। তাই যদিও কারণ আছে তবুও অনেকে না বুঝেই বলে।

যারা বলেন যে বিভিন্ন বর্ণের অবস্থানগত মান যোগ করে ঐ শব্দের প্রতিনিধিত্বকারী সংখ্যা বের করেছেন, তাদের আমি সমর্থন করি না।
কারন, একই মান দিতে পারে এমন সংখ্যা দুটি শব্দের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। যার একটি ভালো অন্যটি খারাপ। সে ক্ষেত্রে আপনি কোনটি গ্রহন করেবেন?

উদাহরণ দেই, যদি বলি ইংরেজি বর্ণ B এর মান ১ এবং A এর মান৭ আর ধরুন D এর মান ৪/ এখন যোগ করলে আমরা পাই ১২/ অর্থাৎ BAD (খারাপ)এর সংখ্যাগত মান পেলাম ১২/ এখন G এর মান ২, O এর মান ৩, D এর মান ৪ ধরলে GOOD এর মান কত?দেখুন ২+৩+৩+৪=১২. অর্থাৎ (GOOD)ভালো এর সংখ্যাগত মান পেলাম ১২ ।

এখন আমি ১২ কে ভালো বা মন্দ কোনটা নির্দেশক বলব? যদি প্রথমটি মেনে বলি ১২ একটি মন্দ নির্দেশক তখন পরে আবার দেখলাম সংখ্যাটি যে মান ধরে নেয়া হয়েছে তা ভালকেও নির্দেশ করে।

তাই যারা ‘বিসমিল্লাহ্‌’ কে ৭৮৬ দ্বারা প্রকাশ করেন তাদেরকে বলি, এমন অনেক শব্দ পাবেন যেগুলোর বর্ণের মান যোগ করলে ৭৮৬ পাওয়া যাবে। সেশব্দ বা বাক্যগুলোর কিছু হতে পারে ভালো আবার কিছু হতে পারে খারাপ নির্দেশক।

তাই কোনো মুসলমানকেই সমর্থন করিনা যখন সে ৭৮৬ দ্বারা বিসমিল্লাহ প্রকাশ করে। আশাকরি সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন
*ইসলাম* *আইন* *মুসলমান* *ধর্ম*
*আইন* *মুসলমান* *ধর্ম*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★