ধর্ষন

ধর্ষন নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লিটনের ফ্ল্যাট খালি আছে
চলো যাই ঘুরে আসি,
তোমার কী ভাল্লাগছেনা
বসে আছি পাশাপাশি?

সবসময় তো বসেই থাকি
করা হয় না কিছু,
বাজে চিন্তা মাথায় থাকলে
ছাড়ো আমার পিছু।

রাগ করো না প্রিয়া আমার
তুমিই আমার জান,
তাহলে এসব কথা বলে আর
কমিও না মান।

আমায় তুমি অবিশ্বাস কর
অথচ করবে বিয়ে,
বিশ্বাস করি প্রমাণ হবে
লিটনের ফ্ল্যাটে গিয়ে?

বিয়ের আগে সবার কিন্তু
এমন সুযোগ হয় না,
সত্যি বলতে মাঝে মাঝে
আমারও তর সয় না।

তাহলে আর দেরি কেন
চলো যাই আজি,
তুমি না বড্ড শয়তান
এত্তগুলা পাজি।

I N T E R V A L

স্যার,
সে আগে বলেছিল
করবে আমায় বিয়ে,
নিয়মিত করেছে ধর্ষণ
লিটনের ফ্ল্যাটে নিয়ে।

ধর্ষণ হয় জোর করে
আছে কী কোন প্রুফ?
এখনই তাকে ধরার জন্য
পাঠাইয়া দেই ট্রুপ।

হবু স্বামী আবদার করেছে
মেনে নিয়েছি দাবি,
বিশ্বাস করে ভেঙেছিলাম
সতীত্বের চাবি।

নিজের ইচ্ছায় সেক্স করলে
হয়না সেটা রেপ,
মুরুব্বীরা কইলে বল
জেনারেশন গ্যাপ।

আমি না হয় ভুল করেছি
তোমরা সতর্ক থাকো,
বিয়ের আগে লিটনের ফ্ল্যাটে
কখনো যেও নাকো।।

*লিটন* *ফ্লাট* *প্রেম* *ভালোবাসা* *ধর্ষন* *বাস্তবতা* *অবক্ষয়*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যৌনতা বন্ধ না হলে, ধর্ষণ বন্ধ হবে কি?? দয়া করে পুরো লেখাটা পড়বেন।

♦মোবাইল ভর্তি যৌনতা-- ইহা স্মার্টনেস !
♦টিভি ভর্তি যৌনতা-- উহা তো সিনেমা !
♦কাগজ ভর্তি যৌনতা-- উহা তো কবিতা !
♦ক্যাসেট ভর্তি যৌনতা-- উহা সঙ্গীত !
♦বিলবোর্ড ভর্তি যৌনতা-- উহা তো বিজ্ঞাপন !
♦ক্যানভাস ভর্তি যৌনতা-- উহা তো পেইন্টিং !
♦পাথর ভর্তি যৌনতা-- উহা তো ভাস্কার্য !

সমগ্র পৃথিবীর'' খাঁজে-ভাঁজে '' মাংসে-অংশে '' পাহাড়ে-নহরে '' উদ্যানে-বিদ্বানে '' শহরে-নগরে '' কন্দরে-বন্দরে যৌনতা !!!
উহা যে শিল্প'' উহা যে আর্ট'' উহা যে আর্টেরই পার্ট।
-------------------------ফলাফল------------------------
বাসে ধর্ষণ, বাসায় ধর্ষণ, গাঁয়ে ধর্ষণ, শহরে ধর্ষণ, কিশোরী ধর্ষণ, তরুণী ধর্ষণ, কোচিংয়ের নামে ধর্ষণ, পড়ানোর নামে ধর্ষণ, রাজনিতির নামে ধর্ষণ, নেত্রী বানানোর নামে ধর্ষণ, মডেলিংয়ের নামে ধর্ষণ, বিরহের নামেও ধর্ষণ!!

♥আজ বিপর্যস্ত মাধ্যাকর্ষণ ♦
সামাজিক স্ট্যাটাস বাড়াতে,আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হতে গিয়ে নিজের অল্প বয়সি মেয়েটাকে যখন টাইট ফিটিংস জাতীয় পোষাক কিনে দিলেন!একবার ও ভাবেন নি,এই পোষাকটাই আর তার জীবন নাশের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে!! ভেবেছেন কি??এ সমস্ত ফিটফাট পোশাক পড়লে মেয়েটাকে আরো ভালো লাগবে?? না!! ভুল!!

শালীনতার পরিবর্তে নিজেই যখন অশালীনতা বেছে নিলেন, কেন তবে ধর্ষকদের শাস্তি দাবী করেন?? ধর্ষকদের স্বাধীনতা চাওয়া উচিত। ধর্ষণের চাইতে আরও মারাত্বক বিষয়কে স্বাধীনতা দেয়া হলে, ধর্ষণতো নিজেদের তৈরিকৃত একটা ক্ষেত্র মাত্র!!
কিছু দিন পরে,কেউ হয়তো বুক ফুলিয়ে গর্ব করে বলবে আমি ধর্ষণকারী,সূচনা হবে নতুন দিগন্তের। রচিত হবে বাণী। ধর্ষণ হবে সামাজিক মূল্যবোধের মাপকাঠি। ধর্ষণ ই দর্শক। বিশ্ব বিদ্যালয়ে একটি সাবজেক্ট অন্তরবুক্ত হবে,গান রচিত হবে,কোরাশ গাইতে থাকবে ধর্ষণের জয় গান।

*বাস্তবতা* *ধর্ষন* *সমাজ* *আবেগ* *মেয়ে* *নারী* *মূল্যবোধ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কয়েকজন নারী দার্শনিকের নাম বলুনতো ? পারবেন না ।এমনকি গুগল করেও খুব একটা লাভ হবে না । এরিস্টটল ,প্লেটো অথবা এদের বন্ধু বান্দব প্রায় সবাই পুরুষ । দর্শন আর নারী খুব একটা যায় না । উকিপেডিয়ার এডিট প্যানেলের একটা পরিসংখ্যানে দেখা যায় শতের মাঝে মাত্র ৯ ভাগ নারী উকিপেডিয়ার এডিট করেন । মজার ব্যাপার হলো এডিটের ক্ষেত্রে দর্শন , ইতিহাস বা জিওগ্রাফি এই সব মোটেই নারীর আগ্রহের বিষয় নয় । বরং ব্যাক্তিগত প্রোফাইল এডিট নারীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে । এতে অবাক আবার কিছু নেই । নারী পুরুষের আগ্রহ ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক । তবে দর্শনের এই ভিন্নতা কিভাবে ধর্ষণকে প্রভাবিত করছে আসুন দেখা যাক ।

 

দর্শনের মতো আপেক্ষিক ব্যাপার স্যাপার পুরুষরা বেশ ভালো পায় । নারীর ক্ষেত্রে এভিডেন্স বা প্রমান হলো আসল জিনিস । যেমন ধরুন যে কোন নারী সবসময় অন্যের উদাহরণ দিতে পছন্দ করে । অমুক ভাবীর হাসব্যান্ড ঐটা করছে । অথবা অমুক ভাবি ওই জিনিসটা করছে । নারীদের বেশির ভাগ কথার মাঝে দেখবেন উদাহরণ থাকবেই । পুরুষদের ক্ষেত্রে যেটা আপেক্ষিকতায় পরিপূর্ণ । বেশির ভাগ পুরুষ অন্যকে বা অন্য কিছুকে উদাহরণ হিসাবে নেয় না । পুরুষদের এই ব্যাপারটা অনেকটা তত্ত্ব আর সত্যের মাঝামাঝি একটা জায়গায় অবস্থান করে । নারীর ক্ষেত্রে যা সত্য আর বাস্তব উদাহরণের মাঝখানের কোনো একটা অংশ । একটু জটিল মনে হলেও ছবি দেখলে বুজতে পারবেন কেন আপনি এতো খুঁজেও একটা নারী দার্শনিকের নাম মনে করতে পারেননি একটু আগে ।

এবার আসুন ধর্ষণের দর্শন তত্ত্ব কি বলে তা জানা যাক । ধর্ষণ বা নারী নির্যাতনের মতো অপরাধের একটা সাইকেল বা জীবন চক্র আছে । এই জীবন চক্র অনেকটা ছোটবেলায় বায়লোজি বইতে পড়া প্রাণীর হাইয়ারেরকি পিরামিডের মতো । যার শুরুটা হয় নারীর প্রতি ছোট খাটো তাচ্ছিল্ল বা "ম্যান উইল বি ম্যান " এই ধরণের রসাত্ববোধক টিভি কমার্শিয়াল দিয়ে । যেখানে সবাইকে বুজতে দেয়া হয় পুরুষ পুরুষই । এর পরের ধাপে দেখতে পাবেন সোশ্যাল মিডিয়া বা মোবাইল এ ছোট খাটো বুলিং বা মেয়েদের ছবি পোস্ট বা প্রতিশোধ মুলুক ভিডিও আপলোড এই সব । এবং সর্ব শেষ ধাপ পরিপূর্ণ ধর্ষণ বা নির্যাতন দিয়ে শেষ হয় । ভালো করে খেয়াল করে দেখুন আজকের আমাদের দেশে এই সব কয়টি ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত ধর্ষণের মতো একটা নির্যাতনের ধাপ আমরা পেয়েছি । হয়তো আমরা আগে জানতাম না বলে প্রথম দিকের ধাপ গুলোকে অতো গুরুত্ব দেইনি । সে যাই হোক আজকের দিনে এসেও যদি বুজতে পারি তাহলে হয়তো প্রতিকার সম্ভব ।

এই অবস্থার প্রতিকার কি ? বা কিভাবে সব আবার আগের মতো অবস্থায় অথবা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা যাবে ? যেহেতু আমরা জানি ধর্ষণের মতো নির্যাতন বেশ কয়েকটি ধাপের পর সমাজে মহামারী আকারে সংগঠিত হয় । সেহেতু এই ধাপ গুলুকে ভেঙে দিতে পারলে হয়তো কিছু সময় পর আবার সব কিছু সহনীয় হতেও পারে । ধর্ষণের দর্শন পিরামিডের ধাপ ভাঙা খুবই সহজ । যেমন ধরুন প্রথম ধাপে যদি আমরা "ম্যান উইল বি ম্যান " ধরণের টিভি কমার্শিয়াল বানাতে বাধা দেই তাহলে কেও ধর্ষণের প্রথম ধাপে পা রাখতে পারবে না । পুরুষ মানেই পুরুষের মতো কিছুটা অহংকার জনিত কণ্ঠ বন্ধ করে দিতে হতে পারে এর জন্য । কিভাবে এই অসাধ্য সাধন করা যাবে সেটা আমার ভাববার বিষয় নয় । সরকার আছে মিডিয়া আছে উনারা চাইলেই পারেন ধর্ষণের পিরামিড ভেঙে দিতে ।

মানলাম সবাই উদ্যোগী হয়ে ধর্ষণের সাইকেল বা পিরামিড ভেঙে দিলাম । কিন্তু যারা বর্তমানে পিরামিডের শেষ ধাপে এবং প্রায় পরিপূর্ণ ধর্ষক তাদের কিভাবে ঠেকানো যাবে ? এটাও খুবই সহজ একটা কাজ । আবার একটু কষ্ট করে খেয়াল করে দেখুন নারী পুরুষের দার্শনিক ভিন্নতা । যেহেতু পুরুষরা অন্য কোনো পুরুষের বা অন্য কারো সাথে নিজেকে উদাহরণ হিসেবে খুব একটা নেয় না । এক্ষত্রে সপাং সপাং করে ধর্ষকদের ফাঁসি দিয়ে দিলেও প্রকৃত ধর্ষকরা তাদের মনোকাম পূরণে একটুও চিন্তা করবে না । কারণ ফাঁসির বা ন্যায় বিচারের এই উদাহরণ টুকু শুধু নারীরই পছন্দ হবে ।

সরকার জঙ্গি দমনে প্রথম থেকে কোনো ছাড় দেয়নি । উদাহরণ স্বরূপ প্রত্যেক জঙ্গিকে মৃত্যুর সাধ নিতে হয়েছে । সেই সাথে সরকার সবচেয়ে ভালো যে জিনিসটি করেছে তা হলো একটা ভালো ক্যাম্পাইন । টিভি মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রায় সব জায়গায় জঙ্গি বিরোধী প্রচার । ফলাফল ছেলে জঙ্গি কমে গেলো । আর উদয় হলো নারী জঙ্গির । এর কারণ, সূত্র মতে পুরুষরা সরকারের জঙ্গি বিরোধী তত্ত্ব আর সত্য মেনে নিয়েছে । কিন্তু যেহেতু জঙ্গিদের উদাহরণ আছে তাই নারীরা খুব সহজে জঙ্গিবাদে আকৃষ্ট হয়ে পড়লো । কারণ এই ক্ষেত্রে নারী হিসেবে সত্য হিসাবে ইসলাম আর উধাহরন হিসাবে মৃত জঙ্গিদের মতবাদকে মূল্যায়ন করছে ।

সুতারং বুজতেই পারছেন কি করা উচিত । সরকার ঠিক যেভাবে জঙ্গি দমনে ব্র্যান্ডিং বা ক্যাম্পেইন করছে ধর্ষণের মতো নির্যাতন রোধেও একই রকম কর্মপন্থা বের করা উচিত । পুরুষদের ক্যাম্পাইনে তাদের বোঝাতে হবে নারীর দর্শন ভিন্ন । নারীরা এই ভিন্ন দর্শনে শীর্ষে । আর পুরুষ নিজের দর্শনে । এক করে ফেলা যাবে না কিছুতেই । সামাজিক মাধ্যম বা অন্য মিডিয়াতে আমরা যত বার এই সব নিয়ে লিখছি ততবার ধর্ষণের প্রথম ধাপের সবাইকে আরেক ধাপ এগিয়ে দিচ্ছি চূড়ান্ত ধর্ষকের পথে । যতবার আমরা নারীর চুল ছোট করে ফেলার বিজ্ঞাপন দেখবো ততবার আমাদের মনে হবে " ম্যান উইল বি ম্যান " এই কথাটাই আমাদের ধর্ষণ পিরামিডের প্রথম ধাপে পা রাখতে সাহায্য করছে ।

ইউরোপের অনেক দেশে ৭ বছরের কম বয়েসের কাওকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন নির্মাণ বন্ধ । এর কারণ এই বয়েসের একটা বাচ্চা অনেক সহজে যেকোনো চটকদাড় বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয় । আমাদের হয়তো শারীরিক বয়স হয়েছে । কিন্তু মানসিকতা যদি ৭ বছরের বাচ্চার মতো হয় তবে আমরাও এই রকম আকৃষ্ট হয়ে পুরুষ ও নারীর মাঝে দর্শনের বারোটা বাজিয়ে ধর্ষনিক হয়ে উঠবো । সরকারের কাছে একটা পরিপূর্ণ মিডিয়া প্ল্যান চাই জঙ্গি দমনের মতো করে । যেখানে নারী পুরুষ দুটি আলাদা দর্শনের মানুষের জন্য আলাদা আলাদা করে ক্যাম্পাইন থাকবে । কারণ দেখতে একই রকম হলেও আমরা কোনো ভাবেই একই দর্শনের মানুষ না । আমাদের বুজবার ক্ষমতাও ভিন্ন । আশা করি সরকার আমাদের মানে নারী পুরুষ সবাইকে বুজতে পারবেন । আলাদা আলাদা করে ।

*ধর্ষন* *দর্শন* *তত্ব* *সংগৃহীত* *নারী* *পুরুষ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এলাকার মান্যগণ্য সকলের আলোচনার ভিত্তিতে সিমিনের নতুন নাম দেয়া হলো ধর্ষিতা। তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এই নতুন নাম দেয়া হলো। নামটা যদিও নতুন নয়, এর আগেও অনেককে এমন নাম দেয়া হয়েছিলো। তাদের সবাই ছিলো নারী । ব্যাকরণ এবং মানব সমাজের ভাষায় এ নাম শুধুমাত্র স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে হঠাৎ এলাকায় বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা বেড়ে গেলো । ধর্ষণের কারণ এবং ধর্ষণের পেছনে ধর্ষিতার কী কী উপসর্গ এবং অনুসর্গ ছিলো তা নিয়ে চলছে অলিতে গলিতে চুলচেরা আলোচনা । যাবতীয় জ্ঞানগর্ব উক্তি এবং উদাহরণ দিয়ে একে অপরকে বুঝাচ্ছে সিমিনের শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, পোষাক পরিচ্ছদ এবং চারিত্রিকগতভাবে কতটুকু ইন্ধন জুগিয়েছিল এই ধর্ষণের পেছনে । এ সুবাদে সুরজের চায়ের ব্যবসা হয়ে গেল চাঙ্গা, সে চা বানাতে বানাতে বারবার একটা দ্বন্ধের মধ্যে পড়ে যায় সিমিন মেয়েটার দোষ কোথায় তা ভেবে । সে যতটুকু সিমিনকে দেখেছে বা জানে তাতে সিমিন ভদ্র পরিবারের একজন নম্র ভদ্র এবং শালীন পোশাক পরেই চলাফেরা করা একটা মেয়ে। সিমিনকে দেখে সিরাজও মাঝে মাঝে ভাবতো তার ছোট্ট মেয়েটাকে সিমিনের মত বানাবে।

এলাকার এই উত্তাপের মধ্যে হঠাৎ পানি ঢেলে দিলো কুদ্দুস পাগলা, সে বলে বেড়াচ্ছে এই ধর্ষণের পেঁছনে সিমিনের কোন দোষ নাই, তোরা যারা সিমিনের দোষ দিচ্ছিস সবাই নরকে পুড়বি । এ কথা শুনে সবাই একটু ঘাবড়ে গেলো। কারণ কুদ্দুস পাগলাও একসময়ের ধর্ষক ছিল । এরপর থেকেই সে পাগল । সেই রাতে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো । যারা যারা সিমিনের দোষ দিয়েছিলো তারা স্বপ্ন দেখলো, ফুলসজ্জার নরম বিছানায় তাদেরকে ধর্ষণ করছে একদল পুলিঙ্গধারী নারী। রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে বিছানা। আর সিমিন তা দেখে হো হো করে হাসছে। পরদিন সকালে পাগলের বেশে একদল পুরুষ ধর্ষিতা কুদ্দুস পাগলের পেঁছন পেঁছন এলাকা থেকে বের হয়ে গেল, সিরাজ তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

*ধর্ষন* *সমাজ* *পাগল* *পাপ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: "I wouldn't say that raped girl non-virgin who never wished to have sex before marriage. Rather I would say that girl non-virgin who never had sex yet, but wish to have sex without marriage." "আমি সেই ধর্ষিত মেয়েটিকে অসতী বলবো না যার কিনা কখনো বিয়ের আগে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা ছিল না। বরং আমি সেই মেয়েটিকে অসতী বলবো যে কিনা এখনো কারো সাথে মিলিত হয়নি বটে কিন্তু বিয়ে ছাড়াই মিলিত হতে ইচ্ছুক।"

*বাণী* *ধর্ষন* *মেয়ে* *সতিত্ব*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: স্বাধীন হবার পর প্রতিদিন ধর্ষিত হয়, বলে বিদ্রুপ করলে যাকে; সে আমার বাংলাদেশ।

*বাংলাদেশ* *ধর্ষন* *বাস্তবতা* *প্রিয়*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ধর্ষণ দিন দিন বেড়েই চলছে, পক্ষান্তরে বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
*বিয়া* *প্রেম* *ধর্ষন* *রসিকতা* *বাস্তবতা*

দস্যু বনহুর: [বেশবচন-মাইরালা] শেষমেশ আমরা তাহলে *ধর্ষক* হিসেবেই বিখ্যাত হয়ে গেলাম!!! কিভাবে?? আমাদের দেশে একজন ধর্ষিতা তিন বার ধর্ষনের শিকার হন - প্রথমবার - শারীরিকভাবে, দ্বিতীয়বার - ডাক্তারি পরীক্ষার সময়, এবং সবশেষে - মামলা যখন আদালতে উপস্থাপন করা হয় তখন। ! ধর্ষণকারী তো শুধু কিছু সময়ের জন্য ধর্ষণ করে, আর আমরা সেই ধর্ষিতাকেই ধর্ষণ করি তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত !

*ধর্ষন* *আইন* *ধর্ষক*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: এই দেশে নারীরা ধর্ষিতও হবে! আবার সেই ধর্ষণের বিচারও হবে!! কিন্তু ধর্ষণ বন্ধ হবে না, ঘরে বাইরে সবখানেই মেয়েরা ধর্ষিত হতেই থাকবে যেহেতু এই দেশের পুরুষের বিরাট একটা অংশ অসভ্য- বর্বর!!! পুরুষেরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে নারীর গর্ভে জন্ম নিয়েও ধর্ষণের মতো পাশবিক কাজ করেই যাবে যতক্ষণ না নারীর দিক থেকে প্রবল পাল্টা আক্রমণাত্বক বাঁধা আসে!!!

*ধর্ষন* *মেয়ে* *নারী* *পুরুষ*
ছবি

ইমরান নাজির লিপু: ফটো পোস্ট করেছে

তনু হত্যার বিচার চাই। (ফুঁপিয়েকান্না)

*ধর্ষন* *হত্যা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এয়ারটেলের 'বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল' বিজ্ঞাপনটির কথা আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে। যেখানে ছেলেদের বন্ধু হিসেবে টপস আর ট্রাউজার পড়া কয়েকটি মেয়েকে এবং মেয়েদের বন্ধু হিসেবে ডিজুস মার্কা কয়েকটি ছেলেকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। ছেলেমেয়েরা আনন্দে একজন আরেকজনের গায়ে হাতাহাতি করছিল। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনটির মূল থিম ছিল-এই রকম টপস পড়া মেয়ে বন্ধু অথবা ডিজুস মার্কা ছেলে বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল!!
-
-সাম্প্রতিক সময়ে বাংলালিংক-3G এর বিজ্ঞাপনটা নিশ্চয়ই অনেকে দেখেছেন যেখানে বিজ্ঞাপনে থাকা ছেলেমেয়েগুলোর ড্রেস আপ ও শারিরীক অশালীন অঙ্গভঙ্গী এয়ারটেলের "বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল" বিজ্ঞাপন থেকেও একধাপ বেশী। তবে অনেকেই হয়তো বাংলালিংকের এই বিজ্ঞাপনটির কথাগুলোর দিকে মনোযোগ দেননি। দিলে হয়তো আঁতকে উঠতেন। কথাগুলো হচ্ছে-
-
"চাইলেই দিয়ে দিবো কলিজার হাফ, বন্ধুর বেলাতে সব দোষ মাফ। মাস্তিতে ফুর্তিতে গলা ছেড়ে গাই, বন্ধুরা থাকলে জিতবে সবাই। দুষ্টুমি বাঁদরামি ছাড়বেনা পিছু, একেকটা দিন হবে নতুন কিছু।"
-
-যে কথা বলার জন্যে এত কথা বলা, সেই আসল কথাটি হচ্ছে-
"গতকাল ঢাকায় বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার তরুণী। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার তরুণী (১৮) জানান, তার বাড়ি জামালপুরের সরিষাবাড়ী। গত দুই মাস ধরে রাজধানীর একটি হোস্টেলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির কোচিং করছেন। গতকাল শুক্রবার বিকালে নিজ গ্রামের দুই বন্ধু নীলয় ও শাওনের সঙ্গে ঘুরতে হোস্টেল থেকে বের হন তিনি। এরপর ওই দুই বন্ধু তাকে মগবাজারের একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে।"
-
-এবার বাংলালিংকের ঐ বিজ্ঞাপনটির সাথে উপরের এই ঘটনাটি মেলান। তরুণী তার ছেলে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে ঘুরতে বের হয়েছে, মানে তরুণী এটা মেনেই বের হয়েছে যে, 'চাইলেই দিয়ে দিবো কলিজার হাফ, বন্ধুর বেলাতে সব দোষ মাফ'। ছেলেগুলো হয়তো কলিজার হাফ নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেনি, তাই এর চেয়েও বেশি নিয়ে নিয়েছে!! তাছাড়া বলাইতো আছে, 'বন্ধুর বেলাতে সব দোষ মাফ!!'
_
-তাছাড়া বিজ্ঞাপনটিতে আরও বলা হয়েছে, 'দুষ্টুমি বাঁদরামি ছাড়বেনা পিছু, একেকটা দিন হবে নতুন কিছু।' তাহলে ছেলেগুলোরই বা দোষ(??) কি?? তারা কি তাদের বান্ধবীর সাথে একটু দুষ্টুমি বাঁদরামি করার অধিকার রাখে না??!! হয়তো দুষ্টুমি বাঁদরামিটা একটু বেশিই করে ফেলছে!!
-
-এবার তরুণীদের বলি- তুমি যখন এইসব বিজ্ঞাপন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে দুই-তিনটা ছেলে বন্ধু নিয়ে আড্ডা দিতে ঘুরতে বের হও তখন বিজ্ঞাপনের কথা মতো তোমার ছেলে বন্ধুরা যখন তোমার সাথে একটু আধটু দুষ্টুমি বাঁদরামি করেই ফেলে তখন তুমি এর জন্যে কাউকেই দোষারুপ করতে পারোনা, দোষারুপ যদি করতেই হয় তাহলে নিজেকেই করো।
-
-শেষ কথা- "অমুক জায়গায় বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষনের শিকার তরুণী" শিরোনামের সংবাদগুলোর জন্যে যদি এয়ারটেল-বাংলালিংকের এইসব নোংরা বিজ্ঞাপনগুলোকে দায়ী করি তাহলে কি খুব বেশী ভুল বলা হবে??? তাছাড়া এইসব বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে যে ইনপুটটা দিচ্ছে তার আউটপুটটা নিবেন না, তা কি করে হয়??
Courtesy :- Tanvir Ahmad Arjel ভাই

*বাস্তবতা* *রিয়েলিটি* *বিজ্ঞাপন* *ধর্ষন* *নারী* *বন্ধু* *বান্ধবী*
*রিয়েলিটি* *বিজ্ঞাপন* *ধর্ষন* *নারী* *বন্ধু* *বান্ধবী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★